সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনি

মান্নানের মুক্তির দাবিতে সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের মুক্তি এবং অন্যান্য নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে আলীপুর চেকপোস্ট এলাকায় উক্ত অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে সদর উপজেলা যুবলীগের মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামসহ সদর উপজেলা যুবলীগের সকল ইউনিয়নও ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, আওয়ামী যুবলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সুযোগ্য সফল আহবায়ক মোঃ আব্দুল মান্নানের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করেন। এছাড়া অবিলম্বে মান্নানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান অন্যথায় তীব্র আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলঙ্কিত অতীত নিয়ে সানি লিওনের কান্না

সানি লিওনের নাম শোনেননি এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু নিতান্তই কম। বিভিন্ন সময়ে আলোচিত কাণ্ড ঘটিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন সাবেক এ পর্নোতারকা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় আসাটা একটু অন্যরকম। না কোনো রোমান্স বা অভিনয়ে নয়, বাস্তবেই কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন সানি লিওন।

তার আবেদনময়ী বহু ছবি প্রকাশিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। সানিকে হাসতে দেখেছেন, রোমান্স করতে দেখেছেন; কিন্তু কখনও কি কাঁদতে দেখেছেন?

সম্প্রতি তার এক সাক্ষাৎকার নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আলোচিত ওই সাক্ষাৎকারে তার অতীত জীবন নিয়ে কথা তুললে কেঁদে ফেলেন তিনি।

সানি লিওনের বায়োপিক নির্মিত হচ্ছে। আর সেই সিনেমার শুটিংয়ে অভিনয় করতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেললেন তিনি। পুরনো সেসব দিনের কথা মনে করে শুটিংয়ের একপর্যায়ে সানি হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন।

সানি জানিয়েছেন, শুটিংয়ের সময় এমন বহু সময় গেছে যখন তিনি অভিনয় করতে গিয়ে আবেগে ভেসে গেছেন। শুটিংয়ের প্রথম দিকে তিনি বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন। তবে যত শুটিং এগিয়েছে, ততই পুরনো অনেক কথা মনে পড়েছে। আর সে জন্যই তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

এ অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি যখন নিজের কাজের কথা তার বাবাকে জানান, আর তার বাবা সেটি শুনে ভেঙে পড়েন। এ দৃশ্য শুট করার সময় নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি সানি। শুটিং সেটেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন।

ওই সময় শুটিং সেটে উপস্থিত ছিলেন স্বামী ড্যানিয়েল। তিনিই সানিকে সান্ত্বনা দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলোকিত মিম

আলোকিত মিম

কর্তৃক Daily Satkhira

রূপে গুণে কোনো অংশেই কমতি নেই বিদ্যা সিনহা মিমের। কমতি ছিল শুধু চলচ্চিত্রের নায়িকা হয়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়া। সেটিও এখন মুঠোয় বন্দি করে নিয়েছেন তিনি। নাটকের অভিনেত্রী এবং মডেল হিসেবে তার সাফল্যের ইতিহাস রচিত হয়েছে আগেই। বড় পর্দার রেসে যুক্ত হয়েছেন আগেই। সাফল্য আসি আসি করেও যেন আসছিল না।

এবার সেটিও হাতের মুঠোয়। শাকিব খানের সঙ্গে ‘আমি নেতা হব’ মুক্তির পর হাতে আসছে একের পর এক নতুন ছবির প্রস্তাব। সম্প্রতি অভিনয় করছেন কলকাতার নায়ক জিতের বিপরীতে। বিস্তারিত লিখেছেন অনিন্দ্য মামুন

বিদ্যা সিনহা সাহা মিম। কেউ বলে ডালিউড কুইন। কেউ আবার রূপে মুগ্ধ হয়ে খেতাব দিয়ে দেন স্বপ্নকন্যা। নজরকাড়া চাহনির পাশাপাশি ঠোঁটের কোণে সর্বদা লেগে থাকে মুক্তো ঝারানো হাসির আভা। যেন দেবী সরস্বতীরই প্রতিমূর্তি। এখন দ্যুতি ছড়াচ্ছেন ঢাকাই ছবিতে।

যে স্থানে গত বছরও মিমকে ভাবা হয়নি সেখানেই এখন তিনি অবস্থান করছেন। একের পর এক নতুন চমক দিয়ে যাচ্ছেন। কিছু চমকের অপেক্ষায়ও রেখেছেন ভক্তদের। যদিও শোবিজ অঙ্গনে পা রাখার পর থেকেই ধীরে ধীরে মডেলিং ও অভিনয়ে সাবলীল পারফর্ম দিয়ে মিডিয়ায় বেশ আলোচিত হয়ে আসছিলেন তিনি। তবে লক্ষ্য ছিল বড় পর্দা। সেখানে খুব একটা উপস্থিতি ছিল না তার। স্বপ্ন দেখে গেছেন, করে গেছেন পরিশ্রমও।

সঠিক পথে পরিশ্রম যে সৌভাগ্যের প্রসূতি এ কথাটি মিমের বেলায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রমাণিত। তাই পরিশ্রমের ওপর ভর করেই ছুটছেন মিম; পাচ্ছেন সাফল্যও। নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই মনের মধ্যে পুষে রেখেছিলেন। ক্রমেই সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে হেঁটেছেন পরিকল্পনামাফিক। স্বপ্ন ছুঁতে বা চিত্রনায়িকার খেতাব পেতে বেশি সময় লাগেনি। তার চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হয়ে ওঠার প্রথম সিঁড়ি ছিলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। ব্যাস আর কী লাগে! প্রয়াত এ লেখকের পরিচালনায় ২০০৮ সালে ‘আমার আছে জল’ ছবিতে অভিনয় করার পর থেকেই শুরু তার জার্নি। পরে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘আমার প্রাণের প্রিয়া’ নামের ছবিতে দেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেন। ২০০৯ সালে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরই মিমের লিপে ‘কি জাদু করেছ বল না, ঘরে আর থাকা যে হল না’ গানটি বাংলা ছবির দর্শকদের মুখে লেগে থাকে।

এরপরও বারবার পেছনে তাকাতে হয়েছে এ নায়িকাকে। ফিরে যেতে হয়েছে ছোট পর্দায়। এরপর ২০১৪ সালে ‘জোনাকির আলো’ ও ‘তারকাঁটা’ নামে দুটি ছবি মুক্তি পায়। সমালোচকদের কাছে ছবি দুটি প্রশংসা কুড়ালেও ব্যবসায়িকভাবে সাফল্য দেখাতে পারেনি। তাতে কী? যা হওয়ার তা ঠিকই হয়েছে। ‘জোনাকির আলো’ ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার হাতে উঠে যায় মিমের। আর সেই সঙ্গে নায়িকা হিসেবে দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

পরের বছর ২০১৫ সালে ‘পদ্ম পাতার জল’ ও যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘ব্ল্যাক’ মুক্তি পেলেই আপাদমস্তক নায়িকার খেতাব মিলে তার ললাটে। পরে ‘সুইটহার্ট’, ‘ভালোবাসা এমনই হয়’, ‘আমি তোমার হতে চাই’ ছবিগুলো মুক্তি পায়। এখন মিম পুরোপুরি সিনেমা নিয়েই ব্যস্ত। তবে মানহীন কাজের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই তার। বছরে একাধিক ছবি মুক্তির চেয়ে ভালো মানের একটি ছবিতে অভিনয়ের পক্ষে এ তারকা। তাই তো অভিনয়ের ব্যাপারে ভেবেচিন্তে নিজের সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছবির প্রস্তাব তো অনেক আসে। কিন্তু নিজের চরিত্রের সঙ্গে না যাওয়াতে সেগুলোতে অভিনয় করা হয় না। সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই আমার। ভালো কাজ দিয়ে সবার মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।’ ২০১৮ সালের শুরু থেকেই মিমের বৃহস্পতি তুঙ্গে। বছরের শুরুর দিকেই দীর্ঘ আট বছর বিরতির পর শাকিব খানের বিপরীতে ‘আমি নেতা হব’ ছবিটি মুক্তি পায়। এ ছবির রেশ কাটতে না কাটতেই গত সপ্তাহে মুক্তি পেল ‘পাষাণ’ ছবিটি।

এ ছাড়া মিমের নতুন আরও একটি চমক হচ্ছে, কলকাতার নায়ক জিতের বিপরীতে ‘সুলতান’ ছবিতে অভিনয় করছেন তিনি। এ ছবিটি আগামী ঈদে মুক্তির লক্ষ্যে নির্মিত হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে এ ছবিটি মিমের ভাগ্য বদলের ছবি হতে পারে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে। জিত-মিমের পর্দার রোমান্স দেখতে এখন কেবল দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ঈদ পর্যন্ত। এদিকে ‘দাগ’ নামের একটি ছবিও মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

পর্দায় রোমান্স করে বেড়ানো এ নায়িকা বাস্তব জীবনেও কি প্রেম করছেন? এমন প্রশ্ন অনেক ভক্তের মনেই এখন উঁকি দেয়। এ প্রশ্ন শুনেই হেসে উঠলেন মিম। বললেন, ‘আমার প্রেমে তো অনেকেই পড়েছেন। আমিই প্রেমে সায় দেয়ার মতো সময় পাইনি। কাজের সঙ্গেই আমার প্রেমের সম্পর্ক। কোন সিনেমা ভালো লাগল, সেই সিনেমার হিরোর প্রেমে পড়েছি। কোন সিনেমার গল্প ভালো লাগল, তাই নিয়ে ভেবেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে এটাই তো প্রেম।

এর বাইরে প্রেম করার সময় কোথায়?’ তাহলে বিয়ে করছেন কবে? ‘আপাতত বিয়ে নিয়ে তেমন কোনো ভাবনা নেই, আরও তিন-চার বছর যাক না। মনের মতো কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করি। যে কাজগুলো আমাকে দীর্ঘদিন দর্শকের মাঝে বাঁচিয়ে রাখবে’- বললেন মিম। নিজের জন্য মঙ্গল এমন বিষয়গুলো কেমন বোঝেন আপনি? জবাবে মিম বলেন, ‘আমি আসলে জীবনকে খুব সহজ করে দেখি। জটিল কোনো কিছুই আমার ভালো লাগে না।

যে কারণে নিজের মঙ্গল হয় এমন কাজ অর্ধেক হলেও বুঝি। যদি কোনো বিষয় খুব বেশি জটিল মনে হয় তখন মায়ের সহযোগিতা নিই। কারণ আমার বেশিরভাগ কাজেরই পরামর্শদাতা তিনি। বলা যায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি মাকে ছাড়া একেবারেই অচল। তাই আমার সব কাজে মা-ই থাকেন সবচেয়ে বেশি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শক্তিশালী ইরানকে ৮ গোল দিল বাংলাদেশের মেয়েরা

মালয়েশিয়াকে ১০-১ গোলে হারিয়ে চার জাতি জকি ক্লাব নারী ফুটবলে উড়ন্ত সূচনা করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল। এবার শক্তিশালী ইরানের জালে ৮ গোল দিল কিশোরীরা। দোর্দণ্ড প্রতাপেই নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচটি ৮-১ গোলে জিতেছে তারা। দলের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছে তহুরা খাতুন।

ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ইরানিদের অবস্থান ৫৮, অন্যদিকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০২। তবে তহুরা-শামসুন্নাহারদের কাছে পাত্তাই পেল না ৪৪ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটি। র‌্যাংকিংকে স্রেফ গাণিতিক সংখ্যা বানিয়ে ফেলেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

গেল ম্যাচের জয়ের আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে শুরুর বাঁশির পর পরই গোলোৎসবে মাতে বাংলাদেশ। প্রথম মিনিটেই প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দলকে লিড এনে দেয় তহুরা। এতেই ক্ষ্যান্ত হয়নি সে। ২৯ মিনিটের মধ্যে আরও দুবার লক্ষ্যভেদ করে হ্যাটট্রিক পূরণ করে এ ফরোয়ার্ড। ১৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের পর ২৯ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করে কলসিন্দুরের এ কিশোরী।

তহুরা থামলেও গোলোৎসব থামেনি বাংলাদেশের। ৩২ মিনিটে ব্যবধান ৪-০ করে অনাই মগিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে নিশানাভেদ করে ব্যবধান ৫-০ করেন শামসুন্নাহার।

দ্বিতীয়ার্ধেও চলে গোল উদযাপন। ৬৩ ও ৬৯ মিনিটের ষষ্ঠ ও সপ্তম গোল পায় বাংলাদেশ। ৭৭ মিনিটে ইরানের কফিনে অষ্টম পেরেকটি মারেন সোনার বাংলার কিশোরীরা।

তবে এ অর্ধে একটি গোলও হজম করতে হয় বাংলাদেশকে। যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় মিনিটে বাংলাদেশের জালে বল জড়ায় ইরান। এতে এশিয়ার ফুটবল পরাশক্তির আক্ষেপ বেড়েছে, বৈ কমেনি।

আগামীকাল শেষ ম্যাচে স্বাগতিক হংকংয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে তহুরারা। গত ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৫ সাফ ফুটবলে ভারতকে হারিয়ে এ কিশোরীরাই হয়েছিল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচন ১৫ মে

গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে ভোটগ্রহণ করা হবে। মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন ১২ এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলবে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করেছে ইসি।

শনিবার শেরেবাংলা নগরের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে এ তফসিল ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে ২৫ সেপ্টেম্বর।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন অনুযায়ী কর্পোরেশনের প্রথম বৈঠক থৈকে পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

আইন অনুযায়ী গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের দিন গণনা ৮ মার্চ ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের দিন গণনা ৩০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। এ কারণে কমিশন এ দুটি সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষণা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কাজীর গরুর কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই’-কলারোয়া কি বাস্তবে ভিক্ষুকমুক্ত?

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। ঠিক তেমনি ‘কাগজে-কলমে-মুখে ভিক্ষুকমুক্ত’ উপজেলা ঘোষণা কিংবা বলার চেয়ে ‘বাস্তবে ভিক্ষুক মুক্ত’ করা সত্যিই বড় কঠিন।
গত কয়েকমাস যাবত সাতক্ষীরা জেলারœ উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষনাও করা হয়েছে। কিন্ত সেটা যেনো ‘কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই’-এমন অবস্থা।
ভিক্ষুকমুক্ত কলারোয়ায় ভিক্ষুকের আধিক্যতা যেনো আগের চেয়ে বেশিতে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষুকদের হরহামেশা দেখা যায়। আর শুক্রবার এলে তো কথাই নেই। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ভিক্ষুকের হাট বসে যেখানে সেখানে। বাজারগুলোতে দোকানে দোকানে গিয়ে, বাসাবাড়িতে গিয়ে টাকা, চালসহ অন্যান্য ভাবে ভিক্ষা চায় বিভিন্ন বয়সী ভিক্ষুকরা। সাথে যোগ করে ‘সাহায্য’এর অনুনয়-বিনয়। ‘সাহায্য করুন কিংবা টাকা দেন’ বলে ভিক্ষুকেরা হাত বাড়িয়ে দেন যত্রতত্র। আর জুম্মার দিন হওয়ায় বিভিন্ন মসজিদের সামনে ভিক্ষুকদের জটলা বসে।
জানা গেছে- সরকার ভিক্ষুকমুক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসংস্থান ও এককালীন সহযোগিতা দিচ্ছেন। নগদ টাকার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন উপকরণ দেয়া হচ্ছে অনেক ভিক্ষুকদের। কিন্তু স্বভাব না বদলিয়ে বিভিন্ন বয়সী অনেক ভিক্ষুক হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন ভিক্ষার জন্য। অল্প বয়সী শিশু থেকে মধ্য বয়সী এমনকি ৭০/৮০ উর্দ্ধো বয়সী পুরুষ-মহিলা ভিক্ষুক ভিক্ষাবৃত্তিতে থেকেই যাচ্ছেন। দূর্ভাগ্যজনক ভাবে শিশুদের সাথে নিয়ে ভিক্ষা করার ফলে অল্প বয়স থেকেই ভিক্ষাবৃত্তিতে আগ্রহি হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা।
গত ৩০ মার্চ শুক্রবার কলারোয়া উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদের সামনে রীতিমত ভিক্ষুকের লাইন পড়ে যেতে দেখা যায়। উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্দ্ধতন ব্যক্তি, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বসহ সব শ্রেণির মানুষের সামনেই এমন চিত্র ফুটে উঠছে। তবে সেই আগের কথা- ‘কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই। আছে তবে বলার চেয়ে অনেক কম।’
অনেকে বলছেন- ‘কলারোয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী সাতক্ষীরা সদর, শার্শা, ঝিকরগাছা উপজেলা ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষনা হওয়ার পর সেখানকার ভিক্ষুকের চাপ এখন কলারোয়ার উপর পড়েছে।’
তবে সাধারণ মানুষ অভিমত জানাচ্ছেন- ‘সত্যিকারে কি আমরা ভিক্ষুক মুক্ত হতে পেরেছি? পার্শ্ববর্তী এলাকার ভিক্ষুকের পাশাপাশি কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভিক্ষুকও এখানে ভিক্ষা করছেন প্রতিনিয়ত।’
কয়েকজন দোকান ব্যবসায়ী জানিছেন- ‘গড়ে প্রতিদিন ১২০-১৫০ জন ভিক্ষুককে ভিক্ষা দিতে হয়। কোন কোন ইউনিয়নে প্রচুর সংখ্যক ভিক্ষুককে ভিক্ষা করতে দেখা যায়।’
সবমিলিয়ে কলারোয়াবাসী এ রকম দৃশ্য আর দেখতে চান না। উন্নয়নশীল মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রের কলারোয়া উপজেলাকে ‘বাস্তবিক অর্থে’ ভিক্ষুকমুক্ত করতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড্রোনের সাহায্যে ৮০ মিলিয়ন ডলারের আইফোন পাচার !

মানুষের কল্যাণে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার হচ্ছে নিত্য নতুন প্রযুক্তির। আবার এ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেই সংগঠিত হচ্ছে নিত্যনতুন অপরাধও। বলতে পারেন অপরাধী শনাক্তের ব্যবস্থা যত কঠোর হচ্ছে ততই নতুন নতুন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে অপরাধীরা। এবার আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমনই চাতুর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটিয়েছে চীনের এক অপরাধী চক্র।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চীন একদল অপরাধী চক্রকে আটক করেছে যারা ড্রোন ব্যবহার করে আইফোন ও অন্যান্য স্মার্টফোন পাচার করছিল। চোরাচালান হওয়া ওই স্মার্টফোনের মূল্য প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার।

দেশটির শুল্ক কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধীরা ড্রোন ব্যবহার করে প্রতি রাতে প্রায় ১৫ হাজার মোবাইল ফোন পাচার করেছে। তারা হংকং থেকে পার্শ্ববর্তী শেনঝেন শহরে ওই মোবাইল ফোন পাচার করেছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, অপরাধী চক্রটি ২০০ মিটার লম্বা অব্যবহৃত তারের সাহায্যে সীমান্তের দুই পাশের দুটি ভবন ব্যবহার করে ওই মোবাইল ফোনগুলো চোরাচালান করছিল। তারের এক প্রান্তে মোবাইল ফোন ভর্তি ব্যাগ ঝুলিয়ে দেয়া হতো যেটি পরে শেনঝেন সীমান্তের ভেতরে থাকা ভবনটিতে টেনে নেয়া হতো।

চীনা শুল্ক কর্মকর্তারা বলছেন, ড্রোন ব্যবহার করে মালামাল চোরাচালানের ঘটনা তারা প্রথম দেখলেন। গেলো ফেব্রুয়ারিতে ওই দুই শহরে যৌথ অভিযানে কর্মকর্তারা এই অপরাধী চক্রকে আটক করে।

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় চীনের একটি বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামায় সমস্যার প্রেক্ষিতে ওই অভিযান চালায় চীনা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ব্যক্তির নামে লিপিবদ্ধ করার নীতিমালা তৈরি করেছে চীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে আর কখনও জঙ্গিবাদ  মাথাচাড়া দিতে পারবে না -দেবহাটায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে আর কখনও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিতে পারবে না । তিনি বলেন আমরা কখনও বলিনি যে দেশ থেকে জঙ্গি পুরোপুরি নির্মুল হয়ে গেছে। এদেশের মানুষ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস পছন্দ করে না মন্তব্য করে তিনি বলেন ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। তবে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদমনে যথেষ্ট সজাগ। বর্তমানে যে অভিযান চলছে তাতে তাদের মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরার দেবহাটায় নতুন থানা ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনে কফি আনান কমিশন এবং বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর পাঁচ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। এর ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন মিয়ানারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা ১৯৭৮ সাল থেকে চলে আসছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আদালতের নির্দেশে কারাগারে আছেন এবং তিনি সুস্থ আছেন। সেখানে তার স্বাস্থ্য পরিক্ষা করা হচ্ছে। তবে তিনি কিছু ক্রনিক রোগে ভুগছেন বলে জানান তিনি। তিনি জেল কোড অনুযায়ী প্রাপ্য সব সুযোগ লাভ করছেন।
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আরও বলেন মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত আছে। কোনো ভাবেই মাদককে ছাড় দেয়া হবেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের ছবি দিয়ে সংবাদপত্রে নাম পরিচয় প্রকাশ করা হবে। তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে কঠোর অভিযানের পাশাপাশি তাদের আত্মসমর্পন প্রক্রিয়া চলছে। কাল রোববার আরও অনেক জলদস্যু বাগেরহাটে অস্ত্রসহ তার কাছে আত্মসমর্পন করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরে মন্ত্রী দেবহাটা বিবিএম পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমারে সভাপতিত্বে সুধি সমাবেশে মন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৩ সালে সাতক্ষীরাকে একটি মহল অবরুদ্ধ করে রেখেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন সেই দিনের শেষ হয়েছে। এখন শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক এমপি, সাতক্ষীরা ১, ২ ও ৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, এসএম জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।
এরপর মন্ত্রী কালিগঞ্জ উপজেলা নলতা রওজা শরীফ জিয়ারত শেষে নলতা আহসান উল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বর্ণ কিশোরী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং বিকাল ৩টায় দেবহাটা থানা আওয়ামীলীগ আয়োজিত দেবীশহর ফুটবল মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

৩১.০৩.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest