সর্বশেষ সংবাদ-
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠন

ডিম পেড়ে খবরের শিরোনামে ১৪ বছরের বিস্ময়বালক। ইন্দোনেশিয়ার ওই নাবালকের দাবি, ২ বছরে ২০টি ডিম পেড়েছে সে। শুধু মুখে বলেই ক্ষান্ত হয়নি সে, প্রমাণ দিতে একঘর ডাক্তারদের সামনে ২ খানা ডিম পেড়েও দেখিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ওই বিস্ময়বালক।

আর এই ঘটনার পরই ঘুম উড়েছে গোটা দেশের চিকিৎসক মহলের। কী করে সম্ভব? কীভাবে এটা করে দেখাছে ১৪ বছর বয়সই খুদে। চুলচেরা বিশ্লেষণে সত্য উদঘাটনে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসরা আগেই জানিয়েছেন, মানবদেহে ডিম্বাশয় থাকলেও ডিম পাড়ার মতো কোনও বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া ঘটে না। বিজ্ঞানসম্মতভাবে এমনটা কখনই সম্ভব নয়। তবে ওই বালকের মলদ্বার থেকে কীভাবে একের পর ডিম বেড়িয়ে আসছে, তা জানতে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ার চিকিৎসকরা।

এখন ইন্দোনেশিয়ার শেখ ইউসুফ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ওই বিস্ময়বালক। তাকে নিয়ে নানান গবেষণা চালাচ্ছে তাবড় তাবড় ডাক্তারবাবুরা। রহস্যের সত্য জানতে ‘মানুষের ডিম’ কেটে চিকিৎসকরা দেখতে চাইছে, ওই ডিমের ভিতরে আসলে কী আছে! ডিমের ভেতরে কি আদৌ কুসুম জাতীয় কিছু রয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখতে চাইছে গবেষকরা। এমনকী ওই বালকের মলদ্বারেও চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সূত্র: জি নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএনপির সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উস্কানিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এতেই প্রমাণিত হয় বিরোধী শক্তির সমালোচনাকে সহ্য করতে না পেরে তাঁদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সরকার।

পুলিশি বাধায় বিএনপির পূর্ব ঘোষিত কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি পণ্ড হওয়ার পর আজ শনিবার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি পালন করতে দলীয় কার্যালয়ে একত্রিত হয়েছি। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিনা উস্কানিতে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। দলের অনেক নেতাকর্মীকে আটক করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

সরকার নির্যাতন চালিয়ে দেশে আবারও একটি অস্থিতীশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ কারণেই বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আক্রমণ চালানো হচ্ছে। অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ না করলে পরবর্তী যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই এর দায়ভার নিতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, সরকা‌র চায় উস্কা‌নি ‌দি‌য়ে প‌রি‌স্থি‌তি ঘোলা‌টে ও সংঘাতপূর্ণ কর‌তে। কিন্তু বিএন‌পি শান্তিপূর্ণ কর্মসূ‌চি চা‌লি‌য়ে আস‌ছে। সরকার যে ধরেনের আচরণ কর‌ছে তা‌তে উদ্ভূত প‌রি‌স্থি‌তির জন্য তারাই দায়ী থাক‌বে। তিনি বলেন, ‘সরকার শা‌ন্তিপূর্ণ কর্মসূ‌চিতে বাধা না দেওয়ার কথা বল‌েছে, কিন্তু কা‌লো পতাকা প্রদর্শ‌নের ম‌তো কর্মসূ‌চি‌তে আক্রমণ চালিয়ে তারা প্রমাণ ক‌রে‌ছে তারা যে গণতন্ত্রের কথা বলে তা মুনা‌ফেকি গণতন্ত্র।’

অনুম‌তি না থাকায় কর্মসূচি পালন কর‌তে দেওয়া হয়নি পু‌লি‌শের এমন বক্ত‌ব্যের বিষ‌য়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ব‌লেন, ‘সব কর্মসূ‌চির অনুম‌তি নি‌তে হ‌বে কেন? ফুটপা‌তে দাঁ‌ড়ি‌য়ে কালো পতাকা প্রদর্শন কর‌তে পার‌বে না কেন? এটা তো আমার মৌ‌লিক অধিকার। তাহ‌লে কি ঘ‌রের ম‌ধ্যে কথা বল‌তেও পু‌লি‌শের অনুম‌তি লাগ‌বে?’

সংবাদ স‌ম্মেল‌নে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু।

এই সংবাদ স‌ম্মেলন শেষে দলীয় কাযালয় থেকে বের হওয়ার সময়ই আটক হন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির প্রশিক্ষণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার শহরের চায়না বাংলা হলরুমে একমি ল্যাবরেটরি কোম্পানির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির জেলা সভাপতি ডা: মাহাবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও চায়না বাংলার সত্বাধিকারী একেএম আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারী ডা: আব্দুল গফফার, প্রশিক্ষণমূলক বক্তব্য রাখেন, দি একমি ল্যাবলেটরী’র এ এস এম মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা সভাপতি ডা: আলমগীর হোসেন, সেক্রেটারী এম.এ ডা: হাসান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: আশরাফ হোসেন, ডা: হাবিবুর রহমান, ডা: আব্দুল খালেক, ডা: শফিকুল ইসলাম, ডা: সামছুজ্জামান, ডা: শেখ মাহবুবুর রহমান, ডা: অপূর্ব মজুমদার, ডা: অনির্বান সরকার, ডা: প্রশান্ত ঢালী, ডা: জামিলুল বাসার, ডা: আবু ছালেক, ডা: সোহরাব হোসেন, ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন, আলীপুর সভাপতি আলহাজ্ব ডা: রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ডা: আক্তার হোসেন, সেক্রেটারী ডা: অহিদুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: এম এ সাত্তার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: ‘আত্মশক্তি অর্জই শিক্ষার উদ্দেশ্য’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় অর্কিড ডিজিটাল লার্নিং পয়েন্ট’র শুভ উদ্বোধন এবং বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের সুলতানপুর ০৪ নং ওয়ার্ডে কোচিং প্রাঙ্গণে অর্কিড ডিজিটাল লার্নিং পয়েন্ট’র ইংরেজি শিক্ষক রাম কুমার বিশ^াসের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। এসময় তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা গ্রহণ করে দেশ ও সমাজকে আলোকিত করতে হবে। পাঠ্য শিক্ষার সাথে সাথে নৈতিকতার শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সামনে এগিয়ে যেতে হলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। তাহলে আসবে সফলতা। বাংলা শিক্ষার পাশা পাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ ইংরেজি ইন্টারন্যাশনাল ভাষা।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ০৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান ও প্রফেসর ড. আব্দুল বারী। ফিতা কেটে অর্কিড ডিজিটাল লার্নিং পয়েন্ট’র শুভ উদ্বোধন করেন এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অর্কিড ডিজিটাল লার্নিং পয়েন্ট’র শিক্ষক হাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু’ উপাধির আজ ৫০-এ পা
 সেদিন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখ লাখ জনতার উপস্থিতিই জানান দিচ্ছিল কিছু একটা হতে চলেছে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমানকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে।
তিনি আগরতলা মামলা থেকে সবেমাত্র মুক্তি লাভ করেছেন।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত এ বিশাল গণসংবর্ধনায় তৎকালীন ডাকসুর সভাপতি শেখ মুজিবের একনিষ্ঠ সহচর তোফায়েল আহমেদ মাইকে ঘোষণা করেন, ‘কৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি ঋণের বোঝা হালকা করতে চায়। জাতির পক্ষ থেকে প্রিয় নেতাকে উপাধি দিতে চাই। ‘
তখন রেসকোর্স ময়দান প্রকম্পিত হয়ে উঠে। লাখ লাখ জনতা হাত উত্তোলন করে জানান দেন, প্রিয় নেতা শেখ মুজিবকে উপাধি দেওয়া হোক।

তখন রেসকোর্স ময়দান প্রকম্পিত হয়ে উঠে। লাখ লাখ জনতা হাত উত্তোলন করে জানান দেন, প্রিয় নেতা শেখ মুজিবকে উপাধি দেওয়া হোক।

এরপর তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এবার বক্তৃতা করবেন আমাদের প্রিয় নেতা ‘বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবুর রহমান। ‘

এরপর থেকেই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে গেলেন বাঙালির প্রিয় ‘বঙ্গবন্ধু’।

দিনটি ছিল ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। এদিন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন।

সেই উপাধি গতকাল শুক্রবার ৪৯ বছর পেরিয়ে আজ ৫০-এ পা দিল।শুক্রবার ভোলার সদর উপজেলার এক সমাবেশে স্মৃতিচারণ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল। তখন জাগ্রত ছাত্র-সমাজ সর্বদলীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। সংগ্রাম পরিষদে ডাকসু’র ভিপি হিসেবে সমন্বয়ক ও মুখপাত্রের দ্বায়িত্ব পালন করি। আর তাই রেসকোর্সের ঐতিহাসিক সমাবেশের আমি ছিলাম সভাপতি। ‘

তিনি বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি পল্টনে লাখ লোকের সমাবেশে বক্তব্যে সেদিন আমি বলেছিলাম, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে হবে। ঠিক তার পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি স্বৈরশাসক বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তার পরেরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি সেই ঐতিহাসিক ১০ লাখ লোকের বিশাল সমাবেশে জাতির জনককে বঙ্গবন্ধু উপাধি ঘোষণা করি। ‘

স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবকে দেওয়া বঙ্গবন্ধু উপাধি ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগসহ রাষ্ট্রীয়ভাবে নানান ঐতিহাসিক দলিলে স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। কেন-না, বঙ্গবন্ধুর নামেই লক্ষ-কোটি বাঙালি, বাংলাদেশের মানুষ নিজের জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বয়সটা ৩৭ পেরিয়েছে, তবে মাঠের পারফরম্যান্সে এখনও ২০ বছরের তরুণ শহীদ আফ্রিদি। শুক্রবার পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বর্ষীয়ান এই অলরাউন্ডার যেভাবে একটি ক্যাচ ধরলেন, তা দেখে চোখ কপালে উঠেছে সবার।

দুবাইয়ে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স আর করাচি কিংসের ম্যাচের ঘটনা। ব্যাটিং করছিল কোয়েটা। ইনিংসের ১৩তম ওভারে উমর আমিনকে অবিশ্বাস্য এক ক্যাচে ফিরিয়ে দিয়েছেন আফ্রিদি, যেটি উপস্থিত দর্শকদেরও বিশ্বাস হচ্ছিল না।

মোহাম্মদ ইরফানের লেন্থ ডেলিভারিটি লং অনের উপর দিয়ে উঠিয়ে মেরেছিলেন উমর আমিন। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানও নিশ্চয়ই ভেবেছিলেন বলটি ছক্কা হয়ে যাবে। এমন সময় সবাইকে চমকে দিয়ে বলটি ধরে ফেলেন আফ্রিদি।

তবে বল হাতে থাকলে বাউন্ডারিতে পা লেগে যাবে বলে ক্যাচ নিয়েই চোখের পলকে সেটি বাতাসে ভাসিয়ে দেন আফ্রিদি। এরপর বাউন্ডারির বাইরে থেকে এসে দারুণ বুদ্ধিমত্তায় ক্যাচটি তালুবন্দী করেন দ্বিতীয়বার। ম্যাচে তার দল করাচি জিতেছে, তবে জয়-পরাজয় ছাপিয়ে দিন শেষে আলোচনায় বর্ষীয়ান এই অলরাউন্ডারের ক্যাচটিই।

ক্যাচের ভিডিওটি দেখুন এখানে-

পিএসএলে আফ্রিদির দূর্দান্ত ক্যাচ

পিএসএলে আফ্রিদির দূর্দান্ত ক্যাচ

Posted by bdtidings.com on Friday, 23 February 2018

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কাযালয়ের সামনে বিএনপির কালো পতাকা প্রদর্শনের আগেই জড়ো হওয়া নেতা-কর্মীদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।  খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে সমাবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শনিবার ‘কালো পতাকা প্রদর্শন’ কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপি।

আজ সকাল ১১টায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিএনপি নেতা-কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে ছিল। খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্লোগান শুরু করেন তারা। পরে কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল করার সময় বিএনপির ১১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। তাদেরকে আটক করে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের আগে থেকে নগরীর বিভিন্ন স্পট থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা দলটির কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে এসে জড়ো হওয়ায় আগে থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দুই পাশে বিপুল পুলিশসহ সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা অবস্থান নিয়ে ছিল।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘যে ভাষায় এখন মাত্র তিনজন কথা বলেন’
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশ মানুষ বিশ্বের সর্বাধিক প্রচলিত ১১টি ভাষাতে কথা বলেন। আবার এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানে কয়েকশ ভাষা প্রচলিত। উদাহরণ হিসেবে পাপুয়া নিউগিনি ও ইন্দোনেশিয়ার কথা বলা যায়। পাপুয়া নিউগিনিতে ৮৫০টিরও বেশি ভাষা রয়েছে আর ইন্দোনেশিয়ার রয়েছে ৬৭০টি ভাষা। এই সব ভাষার অনেকগুলিই আবার পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত।
তবে পৃথিবীতে এমন কিছু ভাষা রয়েছে যেটি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বংশ পরম্পরায় এই ভাষা টিকে থাকে। কিন্তু যখন বংশধররা বিলুপ্ত হয়ে যায় তখন তাদের সেই ভাষাও বিলুপ্ত   হয়ে যায়। বাস্ক, উস্কারার মতো অনেক ভাষা বক্তার অভাবে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
এবার বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে উত্তর পাকিস্তানের দুর্গম, পাহাড়ি অঞ্চলের ‘বাদেশি ভাষা’। ইন্দো-ইরানিয়ান এই ভাষাটি অনেক বছর ধরে শুধু উত্তর পাকিস্তানের একটি গোষ্ঠীর মুখেই টিকে আছে। এখন সেই ভাষায় কথা বলার জন্য বেঁচে আছেন মাত্র তিন জন। আশঙ্কা করা হচ্ছে এই তিন জনের যে কোনো দুই জনের মৃত্যু হলেই পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে ‘বাদেশি ভাষা’।-বিবিসি
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest