সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

পেঁয়াজের দাম লাগামহীন

লাগামহীন পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে রোববার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। অথচ এক মাস আগে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৩৮ টাকায়। সে হিসাবে গত এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। এর মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন দফায় দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।

রোববার ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবির দৈনিক বাজার দরের তালিকায় দেশি পেঁয়াজের দাম দেয়া আছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ছিল। এক মাস আগে দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৭৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এছাড়া বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে ১৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
অন্যদিকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা। আর এক মাস আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। সেক্ষেত্রে এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে ১৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
জানতে চাইলে ক্যাবের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান রোববার বলেন, পণ্যের দাম কোনো সময় কমতে পারে আবার বাড়তেও পারে। যখন কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়, তখনই জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। তাই এটা দূর করতে সরকারকেই অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে চাহিদা নিরূপণ করে সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে পণ্যের দাম কমতে বাধ্য।
এদিকে রোববার সরেজমিন রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের কোনো সংকট দেখা যায়নি। বাজারে পাইকারি আড়তে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজের বস্তা দেখা গেছে। আর খুচরা বাজারেও কোনো ধরনের সংকট লক্ষ করা যায়নি।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের পেঁয়াজের বাজার ভারত থেকে আমদানির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়েছে, তাই দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এছাড়া ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানিও কমে গেছে। এ কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম একটু বাড়তি।
অন্যদিকে পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে দেশি পেঁয়াজ আছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়। দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই, তাই দাম একটু বাড়তির দিকে।
কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আবদুল মালিক বলেন, বাজারে পুরান পেঁয়াজ শেষের দিকে। নতুন করে আবাদ করা পেঁয়াজ এখনও কৃষকের জমিতে আছে। সেই নতুন পেঁয়াজ আসতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তাই বাজারে দেশি পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে, যার কারণে দাম একটু বাড়তির দিকে। তিনি বলেন, নতুন পেঁয়াজ এলেই দাম আবার কমতে থাকবে।
একই বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. হোসাইন আলী বলেন, আড়তদাররা বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। যে কারণে তাদেরও বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। আর বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব গিয়ে পড়ছে ভোক্তার ওপর।

পেঁয়াজের রফতানি মূল্য টনপ্রতি ২০০ ডলার বাড়িয়েছে ভারতের ব্যবসায়ীরা : দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, হঠাৎ করেই রোববার থেকে পেঁয়াজের এলসি মূল্য টনপ্রতি ২০০ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কমেছে ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি। এ অবস্থায় হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১২ থেকে ১৪ টাকা।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান বাবলু জানান, দফায় দফায় পেঁয়াজের এলসি মূল্য বাড়িয়ে এক সপ্তাহ আগে টনপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ ডলারে উন্নীত করে ভারতের পেঁয়াজ রফতানিকারকরা। রোববার হঠাৎ করেই ভারতের ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের এলসি মূল্য ৫০০ ডলার থেকে ৭০০ ডলারে উন্নীত করে।
আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা তাদের জানিয়েছেন বন্যার কারণে সে দেশের পাটনা, বিহার, কানপুর, ইন্দর, গুজরাট, রাজস্থান রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রয়েছে। শুধু নাসিক ও বেঙ্গালোর থেকেই পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। তবে আমদানি না বাড়ালে দাম আরও বাড়তে পারে। এলসি মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে পেঁয়াজ আমদানি। চাহিদার তুলনায় কম পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় এর প্রভাব বাজারে পড়েছে বলে জানান আমদানিকারকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা ঝুঁকছে রাশিয়ার দিকে

গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র আশায় বুক বেঁধেছিল যে তিনি তার পূর্বসূরির চেয়ে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবেন। মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামা উদাসীনতা দেখিয়ে তাদের ত্যাগ করেছেন বলে মিত্রদের মনে ধারণা তৈরি হয়। ওবামার দৃষ্টি ছিল এশিয়ায়। ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি চীনের ক্রমবর্ধমান উত্থান ঠেকাতে প্রশান্ত অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি জোরদার করেন।

ওবামা আরব বসন্তের সময় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র মিসরের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের ওপর থেকে সমর্থন তুলে দেশটির জনগণের পক্ষ নেন। সিরিয়ায় রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে তার অনীহা এবং ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মধ্যে অস্বস্তি বাড়তে থাকে।

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর যুক্তরাষ্ট্রবিষয়ক গবেষক জেন কিনিনমন্ট সিএনএনকে বলেন, ‘অনেক বছর থেকে এখন পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে, ইরাকের আগ্রাসনের মুখে কুয়েতকে মুক্ত করার মতো ঘটনায় উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যে অঙ্গীকার ছিল সেখান থেকে এখন পিছু হটেছে (ওয়াশিংটন)।’

তিনি বলেন, ওবামা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে তিনি আরবের রাজাদের তেমন পছন্দ করেন না। এখন ট্রাম্প এসে তাদের আলিঙ্গন করেছেন। তিনি অস্ত্র বিক্রির অঙ্গীকার করছেন। তবে তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে এখনও এই ধারণা রয়েছে যে, ওয়াশিংটন উপসাগরীয় অঞ্চলে শুধু ততক্ষণই থাকবে যতক্ষণ তার নিজের স্বার্থে দরকার।

এটি সত্য যে, কাতার ও অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যকার বিরোধ মেটাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকট নিরসনে উদ্যোগী হয়েছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

তবে টিলারসন ক্ষমতায় আসার পর অভিজ্ঞ কূটনীতিকদের গণহারে পদত্যাগের পর সেসব পদে নিয়োগ চলছে ধীরগতিতে। অভিজ্ঞ কূটনীতিক পাওয়াটাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কিনিনমন্ট বলছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো বুঝতে পারছে তাদের মিত্র দরকার। আর তখনই দৃশ্যপটে হাজির রাশিয়া। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ বাজি বলেন, তারা এখন মস্কোর দিকে ঝুঁকছে।

অক্টোবরে সৌদি বাদশা সালমানের রাশিয়া সফর এর একটা জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত। এটা নিয়ে বাড়িয়ে বলার কিছু নেই। এই প্রথম কোনো সৌদি বাদশা মস্কো সফর করলেন। অথচ মাত্র দু’দশক আগেও আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে উৎখাত করতে তারা টাকা ঢেলেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এই সফর তেমন গুরুত্ব পায়নি।

সৌদি আরব মার্কিন আনুগত্য ত্যাগ করেছে, বিষয়টি তেমন নয়। তবে এটা তাদের এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চৌকস বিদেশনীতি। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে তিনি এখন ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। গত মাসে তুরস্ক সফর করেছেন পুতিন। ইরানের সঙ্গেও তার সদ্ভাব রয়েছে। ট্রাম্পের চেয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে সম্যক ওয়াকিবহাল।

যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতিতে অনেক বিশ্ব নেতা নতুন সম্পর্কের দিকে ঝুঁকছেন। অনেকে আবার যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নাখোশ। যেমন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র তুর্কি পর্যটক, শিক্ষার্থী, কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিলে আঙ্কারাও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই ঘোষণা দেয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা তুরস্কের নেতা রিসেপ তায়েপ এরদোগানকে রাজনৈতিক সংস্কারক বলে মনে করতেন। তিনি প্রথম সফরে তুরস্ক গিয়েছিলেন। কিন্তু তুরস্কে গত বছরের অভ্যুত্থানের পরপরই এরদোগানের পাশে দাঁড়ান পুতিন। ইরান তাকে সমর্থন দেয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতিক্রিয়া ছিল সে তুলনায় নগণ্য।

এরপর থেকেই রাশিয়া ও ইরান সম্পর্কে এরদোগানের ইতিবাচক ধারণা আরও বেড়েছে। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে পিছু হটতে শুরু করে। তবে ওবামার আমলে তা পূর্ণোদ্যমে চলে।

ওবামা বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়। ইরানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইস্যুগুলো ভাগাভাগি করা উচিত সৌদির। সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন নিয়ে ইরান ও সৌদি আরবের প্রক্সিযুদ্ধের অবসানের জন্য উভয়ের একটি কার্যকর পন্থা বের করা দরকার। ওবামা স্পষ্ট করে দেন যে এ সংকটে যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষ নেবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হজম শক্তি বাড়াতে ফাইবারের ম্যাজিক!

খাবারে যেমন স্বাদ থাকা দরকার, তেমনই থাকা দরকার পুষ্টিগুণও। কারণ সবার আগে শরীর ভাল থাকাটাই আসল।
আমাদের খাদ্যাভ্যাস এমন হওয়া দরকার যাতে রক্তচাপ, ফাইবার, রক্তে শর্করার পরিমাণ ইত্যাদি সঠিক থাকে। একইসঙ্গে বজায় থাকে ওজন এবং স্বাস্থ্য। ফাইবার দুই ধরণের হয়। দ্রাব্য এবং অদ্রাব্য। দ্রাব্য ফাইবার আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে সাহায্য করে। আবার যারা কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তারাও দ্রাব্য ফাইবার খেতে পারেন। যেমন- ফল, সবজি ইত্যাদি। অদ্রাব্য ফাইবার খাবার হজম করতে এবং ডায়রিয়া সহ নানা পেটের রোগ সারাতে সাহায্য করে। তো দেখে নেওয়া যাক, কি কি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১. ডাল জাতীয় খাবার:
প্রতিদিনের খাবারে নিয়ম করে ফাইবার সমৃদ্ধ উপাদান রাখা খুবই উপকারি। কারণ এরা আমাদের শরীরকে ভাল এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে, তেমনই ডাল জাতীয় খাবারগুলি উপাদানগুলি প্রোটিন, আইরন, ফোলেট, ভিটামিন এবং ম্যাঙ্গানিজের দ্বারা সমৃদ্ধ হয়। এই উপাদানগুলি নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে।

২.খাদ্যশস্য:
প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে খাদ্যশস্য রাখা খুবই ভাল। কারণ এগুলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। যেমন- ধান, রাই, ওট, বারলি, ভুট্টা, বাদামি চাল, মিলেট ইত্যাদি।

৩.বাদাম:
প্রতিদিন একটু করে নানারকমের বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। যেমন- কাঠবাদাম, পেস্তা, চিনাবাদাম ইত্যাদি। এই বাদামগুলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফলে শরীর রোগ মুক্ত তো থাকেই, সেই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তিরও উন্নতি ঘটে।

৪. অ্যাভোকাডো:
অ্যাভোকাডো ফাইবারে ঠাঁসা একটি ফল। সেই সঙ্গে এটির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই থাকে। এখানেই শেষ নয়, শরীরে উপকারি ফ্যাটের জোগান দিতে সাহায্য করে অ্যাভোকাডো।

৫.নাসপাতি:
সুস্বাদু, রসালো এবং মিষ্টি এই ফল শরীরের জন্য দারুণ উপকারি। এই ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এছাড়াও থাকে, ভিতামন সি, ভিটামিন কে, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম। তাই সুস্থ-সবল থাকতে এই ফলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৬.নারকেল:
নারকেলও ফাইবার সমৃদ্ধ। একইসঙ্গে এতে থাকে ম্যাঙ্গানিজ, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফোলেট, সেলিনিয়াম ইত্যাদি। তাই খাদ্যাভ্যাসে নারকেল রাখা খুবই ভাল। নারকেল কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৭. মটরশুঁটি:
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে অন্যতম হল মটরশুঁটির। এছাড়াও, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে দেহের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে প্রদাহজনিত সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।

৮.তিসির বীজ:
তিসির বীজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফসফরাস এবং ফাইবার থাকে। প্রতিদিন স্যালাড বা সুপের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। প্রসঙ্গত, ফ্ল্যাক্সসিড ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

৯. চিয়া সিড বা রাড়ির বীজ:
চিয়া সিডের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এছাড়াও থাকে অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান। তাই তো নিয়মিত চিয়াসিড জলে ভজয়ে খেলে হজম শক্তি বাড়ে, সেই সঙ্গে ওজনও কমে চোখে পরার মতো।

১০. কাবলি ছোলা:
কাবলি ছোলা দেহে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে উপস্থিত ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, কপার, প্রোটিন এবং ম্যাঙ্গানিজ নানাভাবে শরীরের কাজে লেগে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথক দুই তালেবান হামলায় ১৯ আফগান পুলিশ নিহত

আফগানিস্তানের তাজিকিস্তান সীমান্তের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ কুনদুজ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ যাবুলে পৃথক দু’টি তালেবান হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন পুলিশ নিহত হয়েছেন। রবিবার এ খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে কুনদুজ প্রদেশের খান আবিদ জেলার গভর্নর হায়াতুল্লাহ আমিরি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলেন, শনিবার রাতে তল্লাশি চৌকিতে তালেবান গোষ্ঠীর হামলায় ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। সেখানে দুই ঘণ্টা ধরে চলমান বন্দুকযুদ্ধে মাত্র একজন পুলিশ সদস্য বেঁচে ফিরে আসতে পেরেছেন। তালেবানরা সেখান থেকে অস্ত্রসস্ত্র ও সামরিক যান লুট করে নিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।

এদিকে জাবুলের আরঘানদাব জেলাপ্রধান আমিরজান আলোকওজায় জানান, সেখানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে সংঘর্ষে ছয় জন পুলিশ নিহত হয়েছেন। এতে ১২ সন্ত্রাসীও নিহত হয়। তিনি আরও জানান, তালিবানদের একটি দল গতরাতে ছয়টি পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে একযোগে হামলা চালায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওজন কমাতে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে কলা

ভিটামিন বা খনিজ উপাদান গুণে সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল কলা। বিশেষজ্ঞরা জানাছেন মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে কলা।
আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে কলার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে নিচে দেওয়া হল–

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক মতামত, যারা নিয়মিত কলা খান তাদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের একদল গবেষক জানিয়েছেন, পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। এছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও ভূমিকা রয়েছে এই পটাশিয়ামের।

গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়াও যারা নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ২৭ শতাংশ কম থাকে। কলার মধ্যে এই খনিজ উপাদানের গুন পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা তথ্য অনুযায়ী, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দিনে ৩ হাজার ৫০০ মিলিগ্রাম থেকে ৪ হাজার ৭০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম প্রয়োজন। একটি কলায় কম করে ৪৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত পটাশিয়াম থাকে। অর্থাৎ দৈনিক পটাশিয়ামের চাহিদা মেটাতে পারে একটি কলা।

কলা ছাড়াও আলু, অঙ্কুরিত ছোলা, মাছ, পোল্ট্রিজাত দ্রব্যে পটাশিয়াম থাকে। কলার পাশাপাশি নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এইসব খাবার খেলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
এছাড়াও পটাশিয়ামের যোগানের পাশাপাশি কলা হজম করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ফাইবার সম্বৃদ্ধ কলা ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেতিবাচক মনোভাবই ডুবিয়েছে: সাকিব

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরটা খালি হাতে শেষ করেছে বাংলাদেশ। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে সফরকারীদের নখদন্তহীন আক্রমণে তিন সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে মুশফিক-সাকিবরা। যদিও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে ছিল পাল্টা আক্রমণের সুযোগ। শেষ পর্যন্ত তাতেও ছিল আত্মসমর্পণ। শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৮৩ রানে হেরে সাকিব জানালেন- নেতিবাচক মনোভাবই ধীরে ধীরে ডুবিয়েছে পুরো দলকে, ‘আমার মনে হয় টেস্টে ভালো না করার কারণেই পারফরম্যান্সের দৈন্যদশা ছিল। ওয়ানডেতে আসার পরেও তার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারিনি। একইভাবে ওয়ানডেতে বাজে হারের প্রভাব ছিল টি-টোয়েন্টিতে। যদি টেস্টে ভালো করতে পারতাম, তাহলে ওয়ানডেতে আরও ভালো করতে পারতাম। এরপর টি-টোয়েন্টিতে আরও ভালো কিছু করে দেখাতে পারতাম।’

পারফরম্যান্সের হেরফের সাজঘরে কেমন প্রভাব ফেলে তার একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব। তার মতে, ‘জয়ের পর সাজঘরে সবাই জয় নিয়ে কথা বলে। যখন হেরে যান, তখন সবাই ব্যক্তিগত বিষয় আর নেতিবাচক বিষয়গুলো নিয়েই মেতে থাকে। বলতে গেলে পরিবেশটাই প্রধান। একজন-দুইজনের চেয়ে ভালো যে পুরো দল যাতে পারফর্ম করে।’

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মাঝে মুশফিক শুধু প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় এই প্রথম কোনও ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহ ও লিটন দাসের ব্যাটও হেসেছে একবার করে। সৌম্যর বেলাতে বিষয়টা ছিল আরও ভয়ানক।

তুলনামূলকভাবে বোলাররা ছিলেন নখদন্তহীন। রান দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের আগের রেকর্ডও ভেঙে ফেলেছে তারা। ওয়ানডে সিরিজে দলীয়ভাবে রান হজম করেছে ১ হাজারের বেশি। তাদের বিপক্ষেই গড়া হয়েছে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডটি। সাকিব মনে করছেন পাল্টা আক্রমণের ঘাটতিটাই ডুবিয়েছে বাংলাদেশকে, ‘পরিসংখ্যান বলে গত তিন-চার বছর অ্যাওয়ে সিরিজে কেউ ভালো করেনি। তবে আশঙ্কার বিষয় আমরা এই সিরিজে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ তুলতে পারিনি। যেটা হতাশাজনক। গত দুই-তিন বছর আমরা ভালো খেলেছিলাম। তাই মনে করেছিলাম এখানে আমরা ভালো প্রতিরোধ গড়তে পারবো। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারিনি।’

সেই আশঙ্কা থেকেই সাকিব সতর্ক করে দিলেন পুরো দলকে। দলীয় নেপুণ্য রাখতে বললেন আসন্ন শ্রীলঙ্কা সিরিজে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রাণ দিয়ে ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেল ৫ ব্যবসায়ীসহ ৬ জনের

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা দিয়ে সিলেটে ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বিয়ানীবাজারের ৫ ব্যবসায়ীসহ ৬ জন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

সোমবার ভোরে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার কান্দাইল বাস স্ট্যান্ডের কাছে বাস ও মাইক্রোবাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌর শহরের জামান প্লাজার রূপসী ফ্যাশনের মালিক মাথিউরা গ্রামের আবদুল করিম, শখ কসমেটিকসের স্বত্তাধিকারী ছোটদেশের খায়রুল বাশার খয়ের, মতিন ক্লথ স্টোরের স্বত্তাধিকারী শ্রীধরা গ্রামের জুবের আহমদ, বিয়ানীবাজারের ব্যবসায়ী কাকরদিয়ার ইকবাল হোসেন, কসবার বাবুল আহমদ ও মাইক্রোবাস চালক বাবুল হোসেন।

এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন জামান প্লাজার হাফিজ ক্লথ স্টোরের মালিক হাফিজ উদ্দিন
ও জারী ফ্যাশনের দেলওয়ার হোসেনসহ মাইক্রোবাসের কয়েকজন যাত্রী। তাদেরকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে বিয়ানীবাজারের তরুণ ব্যবসায়ীদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৩৮তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় ৩৮তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ (সিনিয়র গ্রুপ) ২০১৭-১৮ ১ম পর্বের ম্যাচের খেলা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে ৩৮তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার উদ্বোধন করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বহি-বিশ^ ছাড়িয়ে ক্রিকেট এখন বাংলাদেশের একটি প্রিয় খেলায় রুপ নিয়েছে। দিন দিন ক্রিকেট খেলার আগ্রহ বেড়েছে। খেলোয়াড়দের খেলার স্টাইল পরিবর্তন হয়েছে। ক্রিকেটে আগের তুলনায় অনেক উন্নতমানের খেলা দেখতে পায় দর্শকেরা। এ জেলায় ক্রিকেটে অনেক সুনাম রয়েছে। পরবর্তীতে এ খেলোয়াড়দের কাছে আরো উন্নতমানের খেলা দেখতে চাই।’
উদ্বোধনী খেলায় প্রতিদন্দ্বিতা করে পাবনা জেলা বনাম ঠাকুরগাঁও জেলা দল।
এসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম খান, তৈয়েব হাসান বাবু, ইকবল কবির খান বাপ্পি, সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল, স.ম সেলিম রেজা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম শানু, কাজী কামরুজ্জামান কাজী, ইদ্রিস বাবু, মো. আলতাপ হোসেন ও খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্সসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা এবং ক্রিকেট প্রেমিক দর্শকরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest