কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ ভ্যান চালক আটক

কলারোয়ায় ১‘শ বোতল ফেনসিডিলসহ এক ভ্যানচালককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের মদনপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক আ.রাজ্জাক (৩৮) ওই ইউনিয়নের কাঁদপুর গ্রামের মৃত এলাই বক্সের ছেলে।
থানা সূত্র জানায়- কলারোয়া থানার এসআই বিপ্লব রায়, এএসআই আব্দুর রহমান, এএসআই রফিক, এএসআই ইছাহাক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মদনপুর গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে এক ব্যাটারী চালিত ভ্যান আটক করে। পরে ওই ভ্যানে তল্লাসী চালিয়ে অভিনব কায়দায় ভ্যানের নিচে সেটকরা একটি হাটবোর্ডের ভিতর থেকে ১‘শ পিচ ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এসময় ওই ভ্যানসহ ভ্যানের চালক আ. রাজ্জাককে আটক করে পুলিশ। সে দীর্ঘদিন ধরে এই ভ্যানে ফেনসিডিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় ও পাঠিয়ে থাকে বলে জানালেন থানার এএসআই আব্দুর রহমান।
এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে তিন সহোদরকে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ওরফে বাবু সানার বিপক্ষে কথা বলার অপরাধে তিন সহোদরকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার ও শনিবার দু’দফায এ ঘটনাটি ঘটে। আহত তিন সহদোর হলেন, সদর উপজেলার ধুলিহর সানাপাড়া গ্রামের মৃত ইমান আলী কারিকরের পুত্র কেসমত আলী, রহমত আলী ও সাবুর আলী। ভীত সন্ত্রস্ত এই সহোদররা ভয়ে মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছেন না।
অভিযোগ উঠেছে- সাবুর আলীর ভাই কেসমত আলীকে গত বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে ছাগল চুরির অপবাদ দিয়ে নির্মমভাবে বেত দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন। এরপর কেসমত আলীর ছোট ভাই রহমত আলী বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে তাকেও ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ইউনিয়ন পরিষদে। পরে দুপুরে কেসমত আলী ও রহমত আলীকে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এ,এস,আই সৈয়দ আলীর কাছে দিলে তিনি তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে দেন দরবার শেষে ওই দিন রাত ১১ টার দিকে পুলিশকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে মুচলেকার মাধ্যমে তারা ক্যাম্প থেকে মুক্তি পান।
এর একদিন পর গত শনিবার সাবুর আলী এই বিষয়টি এলাকার জনৈক ব্যক্তির সাথে গল্প করাকালে চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই মিন্টু শুনতে পেয়ে চেয়ারম্যানেকে বিষয়টি জানান। চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিক দফাদার জহির ও গ্রাম পুলিশ মিন্টু সাহা (ভোম্বল)-কে দিয়ে সাবুর আলীকে তার বাড়ি থেকে চেয়ারম্যানের বাড়িতে ডেকে আনে। এসময় তাকে চেয়ারম্যানের বাড়ির একটি কক্ষে আটকিয়ে নির্মমভাবে উপর্যুপরি ৩টি লাঠি দিয়ে পেটায়। চেয়ারম্যান বাবু সানার দেহরক্ষী সোহরাব তাকে এ ৩টি লাঠি সরবরাহ করে।
সাবুর আলী জানান, মারপিট করার সময় চেয়ারম্যান বলে, তুইও চোর, তোর নামে জামাতের মামলা রয়েছে, তোকে আরো ৪/৫টি মামলা দিয়ে চালান করবো। এ সময় সে কয়েকবার চেয়ারম্যানের পা জড়িয়ে ধরে অনুনয় বিনয় করে বলে ‘আমার কিছু নেই, আমি দেশ ছেড়ে চলে যাবো। তখন চেয়ারম্যান বলে ‘আজকেই চলে যেতে পারবি’। এসব বলতে বলতে তাকে লাথি মারে ফেলে দিয়ে বেধড়ক পিটাতে থাকে। মারপিটে সাবুর আলীর ডান হাতের কবজিতে চোট পায়। এছাড়া সারা শরীর থেতলে যায়। চেয়ারম্যান ছেড়ে দেওয়ার সময় সাবুর আলীকে আরো বলে ‘এই কথা যদি কেউ শোনে তাহলে তোর হাড় একটা একটা করে বেছে ফেলবো’। চেয়ারম্যানের ভয়ে সাবুর আলী কাউকে কিছু না জানিয়ে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক মফিজুল ইসলামকে দেখিয়ে ব্যান্ডেজ ও হাত প্লাস্টার করিয়ে নেন।
সাবুর আলী আরো জানান, ২০১৩ সালে সুন্দরবনে পিকনিকে গিয়ে চেয়ারম্যান বাবু সানার সাথে হরিণের মাংস নিয়ে গোলযোগ হয়। এরই জের ধরে সে তার নামে নাশকতার মামলা দেয়। কান্নাজড়িত কন্ঠে আরো জানায়, যে মার আমাকে মেরেছে তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করেও নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি। আমরা গরিব মানুষ। আমাদের বিচার কেউ করবে না। এলাকার কোন মানুষ বলতে পারবে না আমি কোন দল করি। অথচ মিথ্যা মামলায় জেল খেটে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। চেয়ারম্যান কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে এসব পত্রিকায় না লেখার জন্য এই প্রতিবেদককে তিনি অনুরোধ জানান। চেয়ারম্যান জানতে পারলে আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে তার।
ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এ,এস,আই সৈয়দ আলী বলেন, কিসমত ও রহমত আলীর বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ ছিলো, তাদের আটক রাখা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সেটা তারা স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি ঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
সাবুর আলীর ভাই কেসমত আলী তাদের তিন ভাইকে চেয়ারম্যান বাবু সানা চুরির অপবাদ দিয়ে মারপিট করে আহত করেছেন বলে স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান বাবু সানার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “সাবুর আলীকে মারপিট করার ঘটনা মিথ্যা। আমি তাকে মারপিট করিনি। তার ভাই কিসমত মটর ও ছাগল চুরি করেছিল। চুরি করে যাওয়ার সময় কিসমতের জামা রেখে যায়। এলাকাবাসী ওই জামা দেখে চিনতে পারে। তাই তাদের ধরে ক্যাম্পে দেওয়া হয়। ক্যাম্পে জরিমানা দিয়ে তারা চলে আসে। এছাড়া সাবুর আলীর সাথে কোন কিছুই ঘটেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জের বড়শিমলা কারবালা হাইস্কুলের বেহাল দশা পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: নানা অব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় গ্রুপিংয়ে জর্জরিত কালিগঞ্জের বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অবকাঠামো ও শিক্ষক স্বল্পতায় পড়াশুনার পরিবেশ বিঘিœত হলেও কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এখনও বিদ্যালয়ের অগ্রগতি বাঁধাগ্রস্ত করতে কাল্পনিক অভিযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন স্কুলে যেয়ে জানা যায়, ১৯৬৯ সালে ভাড়াশিমলার কিছু শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির প্রচেষ্টায় বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর প্রায় অর্ধশত বছর পার হলেও অবকাঠামো ও শৌচাগার সংকটসহ বিভিন্ন সংকটের মুখে পড়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘিœত হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩শ’ শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক প্রতিনিধি শেখ মোজাহিদুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, আবুল হোসেন, অভিভাবক অসীম ঘোষসহ এলাকাবাসী জানান, মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তি ছাড়া অধিকাংশ মানুষ বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে চিন্তাভাবন করেনা। তারা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত। এমনকি তাদের ছেলেমেয়েরা এই স্কুলে ভর্তি না করিয়ে অন্য স্কুলে পড়ালেখা করাচ্ছে।
তারা আরও জানান, প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান খান ২০০০ সালে অবসরে যান। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠান। এর আগে থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদটিও শূন্য। তাছাড়া ২০১১ সালের পর থেকে কিছু ব্যক্তির দলাদলির মধ্যে পড়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা যায়নি। আহবায়ক কমিটি দিয়ে কোনো রকমে প্রতিষ্ঠান খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলেছে। প্রশাসনিক দু’টি পদ শূন্য থাকায় এবং ম্যানেজিং কমিটি না থাকার খারাপ ফল তীলে তীলে ভোগ করছে এলাকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গত ০৫/০৮/১৭ তারিখে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক, গ্রন্থাগারিক ও অফিস সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগকৃতরা গত ১৭/০৮/১৭ তারিখে যোগদানের পর প্রধান শিক্ষক গাজী মিজানুর রহমান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলীর তত্ত্বাবধানে নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কিন্তু এলাকার একটি মহল অর্থবাণিজ্য করতে না পেরে স্কুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এখানে নানাভাবে অস্থিতিশীল পরিবেশ যারা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তারা কেউই অভিভাবক না। এসব ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হওয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
স্কুল চলাকালে ১০ম শ্রেণির ছাত্র গৌতম কুমার সাহা ও সাকলাইন মোস্তাক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রী মেহেরুন নেছা মীম, সাদিয়া আক্তার, সৃষ্টিরেখাসহ আরও কয়েকজন জানান, নতুন হেডস্যার যোগদানের পর থেকে ঠিকমতো ক্লাস হচ্ছে। তারা এখন খুব খুশী। এভাবে পড়াশুনা হলে ভাল রেজাল্ট করে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে পারবে বলে তাদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। এসময় তারা বলে, স্কুলে মাত্র একটা বাথরুম হওয়ায় তাদের বেশ সমস্যা হচ্ছে। বর্ষাকালে স্কুলের সামনে পানি জমে যায়। শ্রেণিকক্ষ কম থাকায় গ্রুপ সাবজেক্টে ক্লাস করতে অসুবিধা হয়। তারা জরুরি ভিত্তিতে এসব সমস্যা দুর করে পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মের শিক্ষক স্বপ্না রানী সরকার জানান, তিনি ২০১২ সাল থেকে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। প্রশাসনিক পদ শূণ্য থাকায় এবং শিক্ষক কম থাকায় পড়াশুনার বেশ সমস্যা হচ্ছিল। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হওয়ার পর বিদ্যালয়ের পরিবেশ আমুল পরিবর্তন হয়েছে। সঠিক দিক নির্দেশনা পড়ে শিক্ষার্থীরা পূর্নোদ্দমে পড়ালেখায় মনোনিবেশ করেছে। খুব শীঘ্রই বিদ্যালয়টি পড়ালেখা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সুনাম অর্জন করে এলাকার অভিভাবকদের মাঝে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ্ব খান আসাদুর রহমান জানান, “আমি সভাপতির দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। সেই লক্ষ্যে সরকারি বিধি মোতাবেক অত্যন্ত সুষ্ঠু পরিবেশে নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ চারটি পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জন করার পাশাপশি বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশের উন্নতি হবে বলে আশা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতন্ত্র বিকাশে শেখ হাসিনার অবদান অপরিসীম – জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতন্ত্র বিকাশে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার অবদান অপরিসীম। তার দূরদৃষ্টি, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার খানপুর হাসানিয়া ঈদগাহের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন উত্তর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের সৃষ্টি হত না। তার নেতৃত্বে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। আর তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ ও জাতি দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই সাতক্ষীরা আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছে। সাতক্ষীরার রাস্তা, বিদ্যুৎ, শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সাতক্ষীরায় সকল মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করার জন্যে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এই সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সাতক্ষীরা বাসীর স্বপ্নের বাইপাস সড়ক আজ পূরণ হতে চলেছে।
২০১৯ সালের আগেই সাতক্ষীরা বাসী তাদের স্বপ্নের বাইপাস সড়কের সুবিধা ভোগ করতে পারবে বলে জানান তিনি। আর এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। এজন্য উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার জন্যে আগামী সাংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার সাতক্ষীরায় যাকে নৌকার মাঝি করবেন সকলকে একযোগে জননেত্রীর সেই নৌকার মাঝিকে জয়ী করার জন্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান মানির সভাপতিত্বে ও শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য বাবু মহাদেব সরকারের সঞ্চলনায় ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন পরবর্তী আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজান আলী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ধূলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু। এসময় বক্তারা বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করে বাঙালী জাতির ওপর যে কলঙ্ক পড়েছে, তা কখনো মুছে ফেলার মতো নয়। জাতি বঙ্গবন্ধু পরিবারের রক্তের ঋণও কোনো দিন শোধ করতে পারবে না। তবে বঙ্গবন্ধুর প্রাণের সংগঠন আওয়ামী লীগের সাথে থাকলেই তার আত্মা শান্তি পাবে।
ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, ইউপি সদস্য ও হাসানিয়া ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, পীরজাদা মহসেন আল মাঞ্জুর, মাওঃ আফছারউদ্দীন, ডাঃ ওয়াজেদ আলী, আওয়ামীলীগ নেতা রিয়াজুল ইসলাম, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন (মিঠু), সাধারণ সম্পাদক আছাদুল ইসলাম আছাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর, ছাত্র নেতা ও সাংবাদিক নাজমুল শাহাদাৎ(জাকির), লিটন হোসেন, শ্রী তপন কুমার, আশিকুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, আরিফুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ২১ আগস্ট এর প্রতিবাদ ও শোক দিবসের আলোচনা সভা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: কালিগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং ২১ আগস্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মথুরেশপুর ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুশলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমা- কালিগঞ্জ ইউনিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মেহেদী হাসান সুমন। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল আহসান। উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি জিএম মাহাতাব উদ্দীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা মাষ্টার নরীম আলী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ ইউনিটের ডেপুটি কমা-ার আব্দুল হাকিম, মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সজল মুখার্জ্জী, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, মথুরেশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনছার আলী, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মনো, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জেবুন্নাহার জেবু, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় শ্রমিক লীগের আহবায়ক শেখ শাহজালাল, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সবুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এড. হাবিব ফেরদৌস শিমুল, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ উজ্জ্বল, রতনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাসুম বিল্যাহ সুজন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহ আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম কুমার লস্কার, উপজেলা তরুণ লীগের সভাপতি মোখলেছুর রহমান মুকুল প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নাজিমগঞ্জ মসজিদের পেশ ইমাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নওয়াজ শরীফের স্ত্রী কুলসুমের শরীরে ক্যান্সার শনাক্ত

পাকিস্তানের সদ্য সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের স্ত্রীর বেগম কুলসুম নওয়াজের কণ্ঠনালীতে ক্যান্সার ধরে পড়েছে। পাকিস্তান মুসলিম লিগের (নওয়াজ) উচ্চ পর্যায়ের এক সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ খবর প্রকাশ করে দ্য ডন।

দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা ডনকে জানায়, লন্ডন অবস্থানরত বেগম কুলসুমের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা হচ্ছে।

এদিকে, জিও নিউজে মঙ্গলবার লন্ডনের ডাক্তারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, এটি চিকিৎসাযোগ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেইমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বার্সেলোনা, বিস্মিত ও মর্মাহত পিএসজি

দুদিন আগেই বোমাটা ফাটিয়েছিলেন নেইমার। ঘরের মাঠে তুলুজের বিপক্ষে ২ গোলের স্মরণীয় অভিষেকের পর বার্সেলোনার বোর্ড অব ডিরেক্টরদের দিকে তির ছুড়েছিলেন। এমনও বলেছিলেন, বার্সায় তাঁর সাবেক সতীর্থরা কেউ নাকি সুখে নেই। ভীষণ চাপে থাকা বার্সার ক্লাব কর্তারা পাল্টা তির ছুড়তে একদমই দেরি করেননি। তাঁরা চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে মামলা ঠুকে দিয়েছেন নেইমারের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনায় নেইমারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে পিএসজি।

পিএসজি তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে বলেছে, ‘নেইমার জুনিয়রের মতো, প্যারিস সেন্ট জার্মেই আবারও জানাচ্ছে, ক্লাব সব সময় যেকোনো চুক্তির নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছে। বার্সেলোনার এই আচরণে আমরা বিস্মিত ও মর্মাহত।’

দলবদলের শুরু থেকেই সাবধানী ভঙ্গিতে কথা বলছিলেন নেইমার। তবে পিএসজির হয়ে থিতু হওয়ার পর হুট করে বার্সা বোর্ডের বিরুদ্ধে কিছু জ্বালাময়ী মন্তব্য করেন। ফরাসি লিগে গত ম্যাচে ২ গোল করে আরও ৪টি গোলে ভূমিকা রেখে আসল তোপ দাগিয়েছেন ৯০ মিনিটের পর। ম্যাচে শেষের পর তাৎক্ষণিক টিভি সাক্ষাৎকারে যা বলেন, তার সারমর্ম, বার্সা এখন যারা চালাচ্ছেন, তাঁদের কারও ক্লাব ঠিকমতো চালানোর যোগ্যতা নেই। এই বোর্ড কর্মকর্তাদের কারণেই খেলোয়াড়েরা অসুখী। ব্রাজিল অধিনায়কের মন্তব্য, ‌‘এখানে এমন লোকেরা দায়িত্বে আছেন, যাঁদের থাকা উচিত নয়। বার্সার প্রাপ্য এর চেয়ে বেশি।’

বার্সার কর্তারা এমনিতেই আছেন নানামুখী চাপে। নেইমারের চলে যাওয়া, মেসির এখনো চুক্তি নবায়ন না করা, বার্সার সাবেক সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার কিছু বিস্ফোরক মন্তব্য, কুতিনহো ও ডেম্বেলেকে দলে টানতে ব্যর্থ হওয়া…। এর মধ্যে নেইমারের তির। বার্সার মামলাটি এরই পাল্টা জবাব কি না, কে জানে। সাবেক চাকরিদাতাদের সঙ্গে সম্পর্কটা আদালতে গড়াল যেদিন, সেদিনই বার্সেলোনায় উড়ে এসে নেইমার চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছেন মেসি-সুয়ারেজদের সঙ্গে। এই বার্তাও দিয়েছেন, সাবেক সতীর্থদের সঙ্গে বন্ধুত্বটা ‘সাবেক’ হয়ে যায়নি।

সূত্র: এএফপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা শাহিনা আখতার চায়না

কালিগঞ্জ ব্যুরো : জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০১৭ সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছে ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শাহীনা আখতার (চায়না)। সে কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়ন ও গ্রামের মৃত মোহর আলী গাজির ছোট কন্যা। ২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল তিনি সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে বিষ্ণপুরর ইউনিয়নের পারুলগাছা সরকষ্ঠুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। সেখান থেকে বদলী হয়ে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ১৬ নং ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে দীর্ঘ দিন সুনামের সাথে চাকুরী করছেন এবং একই বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৪ সালেও উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। শাহীনা আখতার চায়নার শিক্ষা জীবনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি লাভ করে। এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে ৭৩৮ নম্বর ও এইচএসসিতে স্টাইফেন পায়। ১৯৯৮ সালে কালিগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইংরেজী বিষয়ে পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। খুলনা বিএল কলেজে ইংরেজি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান দুই বিষয়ে মাস্টার্স পাশ করেন। পরবর্তীতে এল এল বি ও পাশ করেছেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক সমিতির কালিগঞ্জ উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা পর্যায়ে সিনিয়ার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সাংসারিক জীবনে শারাফাত ইমতিয়াজ প্রিন্স নামের এক ছেলে সন্তানের জননী। বর্তমানে সে ঝিনাইদাহ ক্যাডেট কলেজে সুনামের সাথে লেখাপড়া করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest