সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

ভারতের মুম্বাই শহরতলির ঘটকোপার এলাকায় ভবন ধসে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ভবনের মালিক চরমপন্থী সংগঠন শিবসেনার এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিচতলায় সংস্কারকাজ চলাকালে চারতলা ভবনটি ধসে পড়ে।

পুলিশের ভাষ্য, ভবনটির নিচতলায় একটি নার্সিং হোম ছিল। এ ছাড়া ভবনটিতে ১২টি পরিবার বসবাস করত।

ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শরিক দল শিবসেনার নেতা সুনীল শীতপ ভবনটির মালিক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অবহেলা ও শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে।

ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সাবেক সদস্য প্রবীণ চেদ্দা বলেন, ভবনের নিচতলায় নার্সিং হোমটি চালাতেন সুনীল শীতপ ও স্বাতী সুনীল শীতপ।

‘গত দুই মাস ধরে হাসপাতালটি বন্ধ ছিল। তিনি (সুনীল শীতপ) এটিকে গেস্টহাউস বানাতে চেয়েছিলেন’, বলেন চেদ্দা।

চলতি বছরের শুরুতে শিবসেনার মনোনয়ন পেয়ে ব্রিহানমুম্বাই পৌর করপোরেশন (বিএমসি) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন স্বাতী সুনীল শীতপ।

ভবন ধসের পর মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনবিশ। তিনি এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কের বেহাল দশা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে রাস্তার সংস্কার কাজ করা হয়েছে। বুধবার সকালে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চলাচলের অনুপযোগী স্থানগুলো বালি ও ইট বসিয়ে প্রাথমিকভাবে চলাচলযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির নির্দেশে ও তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার স্কেভেটর মেশিন, ভেকো মেশিন ও বালি টানা মেশিন এবং পর্যাপ্ত শ্রমিক দিয়ে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু পর্যাপ্ত মামামালের অভাব বলে জানান পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মহিউদ্দিন বাশির প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য আমরা প্রাথমিকভাবে রাস্তার সংস্কার করছি। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণের ফলে আমরা কাজ শুরু করতে পারছিনা। তবে ৩/৪ দিন রোদ্র হলে আমরা পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারবো। আমরা চেষ্টা করছি পর্যাপ্ত ইট বালি দিয়ে চলাচলযোগ্য করতে।”

সাতক্ষীরা শহরের পধান সড়কটিকে পাথমিভাবে চলাচলের উপযোগী করার কাজ শুরর সময় উপস্থিত পৗর ময়র তাজকিন আহমেদসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ও পৗর কাউন্সিলরগণ

সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, “সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মহোদয়ের নির্দেশে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা সড়ক জনপদ বিভাগ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে শহরের এ প্রধান সড়কটির সংস্কার কাজ করছি। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে সড়কটির বেহাল দশা হয়েছে এবং জনগণ চলাচলে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি রাস্তাটি সংস্কার করে প্রাথমিকভাবে চলাচলের উপযোগী করতে।”

সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বলেন, “জনগণের ভোগান্তি মানে আমারই ভোগান্তি। আমি নিজেও এই রাস্তায় চলাচল করি। আমাদের শহরের এই রাস্তাটি দিয়ে সাতক্ষীরার ২২ লক্ষ মনুষ যাতায়াত করে থাকে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাস্তায় সাধারণ জনগণ যেভাবে কষ্ট পচ্ছে আমি নিজে তা অবলোকন করেছি। রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণ এবং প্রাথমিকভাবে চলাচলের উপযোগী করে রাখার জন্য আমি সড়ক জনপদ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বর্ষার আগেই নির্দেশ দিয়েছিলাম। আশা করছি চলতি সপ্তাহে পুরোদমে কাজ শুরু হবে। এতে সাতক্ষীরাবাসীর মাঝে স্বস্তির নিঃশ^াস ফিরে আসবে। এছাড়াও অন্যান্য চলাচলের অনুপযোগী রাস্তারগুলোর টেন্ডার হয়ে গেছে। বর্ষার পরেই কাজ শুরু হবে।”

উল্লেখ্য, বহুদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানের প্রধান সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়িত জনসাধারণকে হয়রানি হতে হচ্ছে এসব রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে। চলতি বর্ষা মৌসুমে রাস্তার দুর্দশা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এসব রাস্তায় একবার চলাচল করলে প্রবল ঝাঁকুনি, অধিক ভাড়ার পাশাপাশি পোশাক-পিরচ্ছদও নোংরা হয়ে যাচ্ছে। আর এসব নিয়ে ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে। এরই জের :ধরে জোড়াতালি দিয়ে আপাতত সংস্কারের এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তবে, এভাবে আর কতদিন জনগণকে ভুগতে হবে তা কেউ জানেন না। অন্যদিকে কেন এত জনদুর্ভোগ সত্বেও অনেক আগেই এই সড়কগুলো যথাযথভাবে সংস্কার করা হয়নি সে প্রশ্নের কোন সন্তোষজনক উত্তর নেই কারও কাছে। এ যেন মৃত্যুর পরে রোগীকে ওষুধ দেয়ার চেষ্টা!

এদিকে, বুধবার সকালে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরুর সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মহিউদ্দিন বাশির প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথী, শফিকুল আলম বাবু, সাতক্ষীর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, শহর পরিকল্পবিদ শুভ্র চন্দন মহলী, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুল প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে সার্কিট হাউজ মোড় পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিঃ মিঃ রাস্তা ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাশিয়া ইরান ও উত্তর কোরিয়ার ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ।

এবারের এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে রাশিয়ার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রুশ সম্পৃক্ততায় তারা জড়িত ছিলেন।

এর ফলে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে প্রতিশ্রুতি ছিল, সেই আশাবাদও এখন হুমকির মুখে পড়েছে।

তবে, এই বিলটিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেটো দেবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত এখনো তিনি নেননি বলে জানাচ্ছে হোয়াইট হাউস।

স্যাংশান বিল বা নিষেধাজ্ঞা বিল বলে ডাকা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন মোট ৪১৯ জন সদস্য।

রাশিয়ার পাশাপাশি ইরান ও উত্তর কোরিয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা দিতে ভোট দিয়েছেন হাউজ অফ রেপ্রেজেন্টেটিভের সদস্যরা।

এই বিলটি সিনেটে পাশ হয়ে গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য তা যথেষ্ট মাথাব্যথার কারণ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

কারণ বিলটিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেটো দেবার ক্ষমতা রাখেন।

কিন্তু তিনি যদি ভেটো দেন, তাহলে, ‘রাশিয়ার অতি সমর্থক’ হিসেবে তার বিরুদ্ধে মার্কিন জনতার যে সন্দেহ ও অভিযোগ রয়েছে সেটি আরো ঘনীভূত হবে। বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ১০ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার হয় ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে ০৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা ০৪ জন,তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৪ জন,দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশি এক নারীকে (৩৩ বছর) একই পরিবারের কর্তা ও তার ছয় ছেলে মিলে বার বার ধর্ষণ করেছে। একটু প্রতিবাদ করলেই জুটেছে কিল-ঘুষি-লাথি। আর্তনাদ আর চোখের জলে তাদের মন গলেনি। বরং অত্যাচার আরও বেড়ে গেছে। বিশেষ করে তলপেটে আঘাতের ফলে একাধিকবার মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এমন এক জীবন্ত নরকের বর্ণনা দিতে গিয়ে বাংলাদেশি ওই দুই নারীর স্বামী ও ভাই বলেন, কেবল তিনই নন, তাঁর মতো আরেক বাংলাদেশি নারীও ছিলেন সেই সৌদি পরিবারে বন্দী। তাঁরও কেটেছে একই রকম দুর্বিষহ জীবন। গরম খুন্তি দিয়ে তাঁদের হাত-পা ঝলসে দেওয়ার মতোও নির্যাতন চালায় তারা।

নির্যাতিত নারীদের স্বজনদের ভাষ্য, ভালো চাকরির আশায় প্রত্যেকে আড়াই লাখ টাকা ব্যয় করে সৌদি আরব যান। সেখানে গিয়ে দেখেন যে আশা নিয়ে এসেছেন, সবই মিথ্যা। তারা আদম পাচারকারীদের মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন। কিন্তু তখন আর চট করে এ ভুল শোধরানোর সুযোগ নেই। পরিণামে গুনতে হলো চড়া মাশুল।

এ ঘটনায় মানবপাচারের অভিযোগ এনে একজন সৌদি নাগরিকসহ বাংলাদেশি সাত নাগরিকের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা হয়। আদালতের আদেশে (১৬ জুলাই) মামলা তালিকাভুক্ত করেন গুলশান থানা-পুলিশ। আদালত গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে গুলশান থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশি দুই নারীর ওপর যৌন নির্যাতনের মামলার তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে আসামিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

মামলার বাদী একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠনের সদস্য মো. ইয়াসিন বলেন, একই সৌদি পরিবারের সাতজন মিলে যেভাবে দুজন বাংলাদেশি নারীর ওপর শারীরিক ও যৌন নির্যাতন চালিয়েছে, তা চিন্তাও করা যায় না। যেসব মানব পাচারকারী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

৩৩ বছর বয়সী ওই নারীর গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে। আট বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। কয়েক বছরের ব্যবধানে তার তিনটি সন্তান হয়। গাড়ি চালক স্বামীর আয়ে সংসার ঠিকমতো চলত না। অভাব-অনটন লেগেই থাকত। সংসারে কিছুটা সচ্ছলতা আনতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্বামী তাঁর ঢাকার রিক্রুট এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। স্বামীর ভিসা না এলেও তাঁর ভিসা আসে। আড়াই লাখ টাকা খরচ করে যান সৌদি আরবে।

বলা হয়েছিল, সৌদি আরবে তিন সদস্যের এক পরিবারে কাজ করতে হবে। পরিবারের ছোট্ট এক বাচ্চাকে দেখাশোনা করাই তাঁর মূল কাজ। পাশাপাশি সংসারের টুকটাক কাজ করা। বেতন দেওয়া হবে ২৫ হাজার টাকা। তিনি সৌদি যান গত ২৭ মে।

ত্রিশ বছর বয়সী অপর নারীর বাড়ি ঝালকাঠিথে। তিনি কাজ করতেন ঢাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায়। বেতন পেতেন আট হাজার টাকা। বিদেশে চাকরি করলে ভালো বেতন পাওয়া যাবে এমন আশায় বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। শেষমেশ দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করে গত ১ জুন বিদেশ যান।

সৌদি আরবে নির্যাতনের অভিযোগে গত ২ জুলাই ঢাকার একটি আদালতে নালিশি মামলার পর গত সপ্তাহে এই দুই নারীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। প্রধান আসামি হলেন, বাংলাদেশি নাগরিক জহিরুল ইসলাম, সৌদি নাগরিক আবদুল আজিজ, রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স আল-বোখারী ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ সাতজন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এই দুজন নারীকে সৌদি আরবের সাত সদস্যের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিনিময়ে আসামিরা কয়েক লাখ রিয়াল নেন। সেই পরিবারের সাতজন সদস্য দিনের পর দিন তাঁদের ধর্ষণ করে নির্যাতন চালায়।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে এক আবেদনে বলা হয়, ‘ওরা মানুষ না। বাপ-ছেলে সাতজন মিলে দিনের পর দিন গণধর্ষণ করে মেরে ফেলছে।’

অভিযোগ প্রসঙ্গে মেসার্স আল-বোখারী ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া (৫২) বলেন, ‘আমরা একটি মেয়েকে সৌদি আরব পাঠিয়েছিলাম। যখন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়, তখন সৌদি আরব থেকে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।’

শরিয়তপুরের নারীর স্বামী বলেন, তাঁর স্ত্রী সৌদি আরবে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। বাবা-ছেলে মিলে যে যৌন নির্যাতন চালিয়েছে, তা কল্পনা করলে ভয়ে গা শিউরে ওঠে। তাঁর স্ত্রী বহু বার সৌদির বাবা-ছেলের পা ধরে বলেছেন, তাঁকে যেন মুক্তি দেয়। উল্টো তারা বলেছে, যদি সে যৌন কাজে বাধা দেয়, তাহলে তার দেহ তিন টুকরো করে ফ্রিজে রেখে দেবে।

ঝালকাঠির ওই নারীর ভাই বলেন, একদিন তার বোন তাঁকে বলে, ‘ভাই আমি আর বাঁচব না। আমাকে নরক থেকে উদ্ধার করেন।’

এদিকে সৌদি আরব থেকে যেদিন দুজন নারী ঢাকার বিমানবন্দরে নামেন, সেদিন তাঁকে দেখে চিনতে পারছিলেন না তাদের স্বজনেরা। সালোয়ার কামিজের বদলে তাঁদের পরনে ছিল প্যান্ট আর শার্ট।

এক নারীর স্বামী জানান, ‘জীবনে কোনো দিন চিন্তা করিনি স্ত্রীর পরনে থাকবে শার্ট-প্যান্ট। অথচ তাঁর শরীরে তাই ছিল। বিমানবন্দর থেকে কীভাবে ওই পোশাকে আনব তাঁকে? বাধ্য হয়ে বোরকা পরিয়ে তাঁকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। পরে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। সৌদি আরবের সেই বাবা-ছেলের যৌন নির্যাতনের চিহ্ন এখনো তার শরীরে।’ স্বামী বলেন, নরক থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিন ছেলের কোলে ফিরেছে তার মা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : ইউএনও তারিক সালমনকে নাজেহালের ঘটনায় বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইনকে বদলির পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের তদন্ত চেয়েছে সরকার। এ বিষয়ে পদক্ষেপ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে চিঠি পাঠিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
চিঠিতে বলা হয়, “এহেন পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগের বরিশাল সিএমএম আদালত ও বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ও সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে বিচারক আলী হোসেনকে অন্যত্র বদলি করা আবশ্যক। অধিকন্তু তার বর্তমান কর্মস্থলে বদলিযোগ্য মেয়াদ পূর্তি হয়েছে। তাছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্ভূত ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিরূপনের জন্য তদন্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়।”
তারিকের ঘটনা নিয়ে বরিশাল ও বরগুনার জেলা প্রশাসককে সরিয়ে দেওয়ার পর বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিচার বিভাগের কাছে নির্বাহী বিভাগের সুপারিশ গেল।
বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ওবায়েদ উল্লাহ সাজুর করা এক মানহানির মামলায় বরগুনা সদরের ইউএনও গাজী তারিককে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় আলোচনা চলছে এই বিচারক নিয়ে।
বরিশাল সার্কিট হাউসে তার ৯৩ হাজার ৯৫০ টাকা বকেয়া থাকার ঘটনাও সংবাদের শিরোনাম হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে বিচারক আলী হোসাইনের বিরুদ্ধে গ্রীন লাইন পরিবহনে যাতায়াতের ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগ ওঠার কথা বলা হয়েছে।
এজন্য বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানাবিধ ‘বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে’ বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
আলী হোসাইনের জায়গায় বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষক (অতিরিক্ত জেলা জজ) শেখ আশফাকুর রহমানকে বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম হিসেবে বদলির প্রস্তাব করা হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে।
মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত চিঠি মঙ্গলবার তাদের হাতে পৌঁছায় বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচার ও প্রশাসন) সাব্বির ফয়েজ। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের জেনারেল অ্যাডমিন্টিস্ট্রেশন কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তা আইন মন্ত্রণালয়কে জানাবে।”
তারিক সালমন বরিশালের আগৈলঝাড়ার ইউএনও থাকাকালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে ‘বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃত করে ছাপিয়েছিলেন’ অভিযোগ করে গত ৭ জুন মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদ উল্লাহ সাজু।
ওই মামলায় সমন জারির প্রেক্ষাপটে ১৯ জুলাই তারিক সালমন আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন মুখ্য মহানগর হাকিম আলী হোসাইন। একই বিচারক দুই ঘণ্টা পর জামিন মঞ্জুর করেন বলে ইউএনও তারিকের ভাষ্য।
তাকে আদালত প্রাঙ্গনে পুলিশের ধরে নেওয়ার ছবি প্রকাশ হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। ওই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিস্মিত হয়েছেন জানিয়ে তার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, সেই ছবিতে বিকৃত করার মতো কিছু তারা দেখেননি বরং এটি একটি ‘সুন্দর কাজ’।
এই প্রেক্ষাপটে ২১ জুলাই ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে আওয়ামী লীগ। তারিক সালমনকে নাজেহালের দিন বরিশালের আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের ছয় সদস্যকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।
রোববার মামলা প্রত্যাহার করেন সাজু। পরদিন বরিশালের জেলা প্রশাসক গাজী মো. সাইফুজ্জামান এবং বরগুনার জেলা প্রশাসক বশিরুল আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়। তাদের জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয় নতুন দুজনকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দের মাঝে ভিলেন হয়ে দাঁড়ায় নাক বন্ধ, সর্দি, গলা ব্যাথার মতো সমস্যাগুলো। এছাড়াও পেটের রোগ আর আরও কত কি আছে। আসলে বর্ষাকালে জল এবং জলীয় বাতাসের জন্য আমাদের শরীর সব সময় অসুস্থ হতেই থাকে, তা সে বয়স্ক হোক বা শিশু।

বর্ষাকাল মানেই সব সময় বেশ আনন্দের তা কিন্তু নয়। বর্ষাকালে আমাদের দেশে প্রকট ভাবে দেখা যায় বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। এছাড়াও, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো অসুখ তো দিনেদিনে আরো মারাত্মক হয়ে উঠছে। তবে, এমন ভয়াবহ রোগগুলি সবার না হলেও, সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যাথা এই সময়ে প্রায় সবারই হয়ে থাকে।

গলা ব্যাথা, মাথা ধরা বা সর্দি কাশির মতো সমস্যাগুলি হয় মূলত নানারকম ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর কারণে। তাই আমাদের উচিত শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ানো। আমরা সাধারণ সর্দি কাশিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে থাকি।

কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াও বেশ কিছু সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি কিন্তু এমন সব রোগের চিকিৎসা সম্ভব হয়, চলুন জেনে নেয়া যাক সেই ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কেঃ

প্রয়োজনীয় উপাদানঃ
১। ব্রাউন সুগার- এক টেবিল চামচ।
২। লবঙ্গ- চার-পাঁচ টা।
৩। তুলসি পাতা- পাঁচ-ছয় টা।
৪। হলুদ- এক টেবিল চামচ।

এই উপাদান গুলো খুব সহজেই সর্দি কাশি, জ্বর, গলা ব্যাথা ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। প্রতিদিন এই উপাদানগুলি ব্যবহার করলে শরীরের সাধারণ জীবাণুঘটিত অসুখগুলি প্রতিরোধ করার ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

পদ্ধতিঃ
১। উপাদানগুলোকে একসাথে একটি পাত্রে পানি দিয়ে ফোটাতে হবে।
২। এরপর পানিটিকে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে একটি গ্লাসে রাখতে হবে।
৩। পানিটি গরম থাকাকালীন সেই গরম পানীয়টি পান করতে হবে।
৪। পানীয়টি খুব কম তাড়াতাড়ি সর্দি-কাশি, গলা ব্যাথা এবং জ্বরের হাত থেকে মুক্তি দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : সুখের সাগরে ভাসছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বন ওপরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। গত বছরের অক্টোবরে দলের জাতীয় সম্মেলনের পর তিনি পেয়েছেন বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের পদ। বিয়ে করেছেন প্রায় মাস তিনেক আগে। নবীন এই দম্পতি আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন। আর তাই দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী শারমিন সুলতানা লিলি পেয়েছেন দলের সহযোগী সংগঠন যুব মহিলা লীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যুব মহিলা লীগের সদ্য ঘোষিত কমিটিতে লিলিকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

লিলি-দেলোয়ারে মিল আরেক জায়গায়। ছাত্রলীগ থেকেই দুজনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয়। চলতি বছরের ২২ এপ্রিল তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন দেলোয়ার। পরে আসেন মূল দলে। লিলিরও রাজনৈতিক জীবন শুরু ছাত্রলীগ দিয়ে।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কমিটির সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার, সেই কমিটিতে ছিলেন তিনিও। তখন রোকেয়া হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ছাত্রলীগের বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে ছাত্রলীগ ছেড়ে যুবলীগে যোগ দেন লিলি। ছাত্র সংগঠনের মতই যুব সংগঠনেও দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি। দায়িত্ব পান সহ সম্পাদকের। এরপর সংগঠনটির নতুন সম্মেলনে তাকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়।

জানা গেছে, শারমিন সুলতানা লিলি বিএনপি জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও একএগারো সরকার বিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মুক্তির আন্দোলেন তিনি সামনের সারিতে ছিলেন। ২০১৫ সালে ছাত্রলীগের সম্মেলনের পর তিনি দায়িত্ব ছাড়েন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শারমিন সুলতানা লিলি বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মী। আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। একজন রাজনৈতিক কর্মীকে জননেত্রী শেখ হাসিনা মূল্যায়ন করেছেন। এজন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’
দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা দুইজনই রাজনৈতিক কর্মী। মাঠে ময়দানে দলের জন্য কাজ করেছি। এখানে পারিবারিক বিবেচনায় নয়, রাজনৈতিক বিবেচনায় দুইজনকে দলীয় পদ দেয়া হয়েছে।
রাজনীতিতে দম্পতি শুধু তারাই নন। আওয়ামী লীগেই আছে অসীম কুমার উকিল ও যুব মহিলী লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল। ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও শহিদ আইভি রহমান দম্পতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest