প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ডের পলাশপোলস্থ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুলের সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড সিনিয়র সহ-সভাপতি আমির হোসেন খান খোকনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সৈনিক লীগের আহবায়ক মাহমুদ আলী সুমন, জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আল মাহমুদ পলাশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহম্মদ খান টগর, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম নাসির, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এস এম ইউসুফ সুলতান মিলন, সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ আমজাদ হোসেন লাভলু, পৌর তাতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফিরোজ, সাংবাদিক মাসুদ আলী, খায়রুল, বাবর আলী, মাসুদ, কবিরুল ইসলাম কবু, আনারুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, আরাফাত হোসেন সুজন প্রমুখ। অত্র সভায় ১৫ আগষ্টে কালো ব্যাচ ধারন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, পলাশপোল ও কামালনগরে গণভোজের আয়োজনসহ সন্ধ্যা ৭টায় পলাশপোল প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শোক সভার সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খন্দকার আনিসুর রহমান : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যেগে ওয়ার্ড কার্যালয়ে গত কাল সন্ধ্যায় এক প্রস্তুতি সভা পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান, উপদেষ্টা মুনসুর আলী, সহ-সভাপতি মোঃ রুহুল কুদ্দুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, সংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আছাদুজ্জামান, রুহুল আমিন, আকছেদ সরদার, লব কুমার বাঘ, মোহাম্মাদ আলী, হাফিজুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, তপন কুমার, মনিরুল, ফজলু ঢালী, মিলন, আব্দুস সালাম, আজমির হোসেন, হাফিজুল-২, সেলিম চৌধুরীসহ ওয়ার্ড আ’লীগের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, পৌর আ’লীগের নির্দেশ ক্রমে এবার ওয়ার্ডের ইটাগাছা পূর্ব পাড়া, পশ্চিম পাড়া, পুলিশ ফাঁড়ি মোড়, ইটাগাছা বৌবাজার সংলগ্ন, ওয়ার্ড আ’লীগ কার্যালয়, খড়িবিলা প্রাইমারি স্কুল, মোজাফ্ফার গার্ডেন সংলগ্ন, রইচপুর উত্তর পাড়া, রইচপুর মধ্য পাড়া, রইচপুর দক্ষিণ পাড়া, বাগবাটি বেড়িবাধ, বাগবাটি মন্দির সংলগ্নসহ মোট ১২ টি স্থানে মাইক ও ডেকের ব্যাবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠান চলাকালিন সময়ে পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রস্তুতি সভায় যোগদান করে তিনি বলেন, পৌর আ’লীগের সভাপতি সাথে আলোচনা করে এবার নির্ধারিত সব স্থানে অনুষ্ঠান সফল করতে হবে। পরে ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ আজিজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে এস সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালোজাম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। বাংলাদেশ ছাড়াও প্রতিবেশী দেশগুলিতেও জামের কদর কম নয়। লবন মাখানো পাকা জাম জিভে পানি এনে দেয়। শুধু স্বাদে বলে নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

খাদ্যোগত উপাদান: প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা জামে রয়েছে কার্বোহাইড্রেটস ১৫.৬ গ্রাম, ফ্যাট .২৩ গ্রাম, প্রোটিন .৭২ গ্রাম, জলীয় অংশ ৮৩.১৩ গ্রাম, ভিটামিন এ ৩ আইইউ, ভিটামিন সি ১৪.৩ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম, আয়রন .১৯ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১৪ মিলিগ্রাম।

১। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: জামের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের জন্য ভালো বলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, জামের দানাও রক্তের সুগার লেভেল ৩০% পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। যে কারণে ডায়াবেটিসের রোগীকে জামের সঙ্গেই জামের বীজ খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। জামের দানা ভালো করে শুকিয়ে নিয়ে গুঁড়ো করে রোজ এক চামচ করে খেলে উপকার মেলে।

২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: জামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়ক। ক্যালসিয়াম থাকার কারণে শরীরের হাড় মজবুত হয়।

৩। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: জামে এলাজিক অ্যাসিড বা এলাজিটেনিন্স, অ্যান্থোসায়ানিন এবং অ্যান্থোসায়ানিডিন্স থাকে যা প্রদাহরোধী হিসেবে কাজ করে। এই উপাদানগুলো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে বলেই কোলেস্টেরলের জারণ রোধ করে এবং হৃদরোগ সৃষ্টিকারী প্লাক গঠনে বাধা দেয়। এ ছাড়াও হাইপারটেনশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে জাম। কারণ এতে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে। ১০০ গ্রাম জামে ৫৫ গ্রাম পটাসিয়াম থাকে।

৪। সংক্রমণ ঠেকায়: জাম গাছের বাকল, পাতা ও বীজ ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে।

৫। পরিপাকে সাহায্য করে: আয়ুর্বেদশাস্ত্রে ডায়েরিয়া ও আলসার নিরাময়ে জাম পাতা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জাম খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁত ও মাড়ি শক্ত ও মজবুত করে। দাঁতের মাড়ির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।

৬। ক্যানসার প্রতিরোধীও: বিভিন্ন গবেষণায় জামের কেমোপ্রোটেক্টিভ বৈশিষ্ট্য প্রমাণিত হয়েছে। জামে পর্যাপ্ত পরিমাণে বেগুনি রঞ্জকের উপস্থিতি থাকায় মানবদেহে ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাগেতিয়া জিসি অ্যান্ড কলিগস-এর এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, জামের নির্যাসে রেডিওপ্রোটেক্টিভ উপাদান আছে। জামের নির্যাস ক্যানসার সৃষ্টিকারী ফ্রি-র‍্যাডিকেলের কাজে এবং বিকিরণে বাধা দেয়।

৭। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: বয়সের সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তিও হারাতে থাকে। জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর করে। এ ছাড়াও জাম ব্রেইন অ্যালার্ট হিসেবে কাজ করে।

৮। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে: দীর্ঘ দিন ধরে যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্য ভুগছেন, তাঁদের মলদ্বারে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জামের বাইরের আবরণে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ। আঁশজাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জাম মলদ্বার বা কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শরীর যদি ভিতর থেকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারি না হয়, তাহলে চেহারাতেও তার ছাপ পরে। যতই রূপচর্চা করুন না কেন শরীর যদি ভিতর থেকে সুস্থ না থাকে তাহলে কখনও আপনার ত্বক উজ্জ্বল এবং নিখুঁত লাগতে পারে না। তাই বাইরে থেকে সুন্দর লাগতে চাইলে সবার আগে প্রয়োজন শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ করা। শরীর সুস্থ রাখতে গেলে ঠিকঠাক খাওয়া দাওয়া করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

সবসময় সিদ্ধ খেলেই কাজ হয় না। কিছু সময় ত্বককে আকর্ষণীয় করার জন্য কিছু খাবার ‘কাঁচা’ উপায়ে খাওয়া খুবই উপকার। কাঁচা খেলে সিদ্ধ বা কম তেলওয়ালা খাবার খাওয়ার চেয়েও বেশি উপকার পাওয়া যায়।

চলুন দেখি সেসব কাঁচা খাবার গুলোর তালিকাঃ

১। পালং শাকঃ পালং শাকে সাইট্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে, যা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এতে বেটা-ক্যারোটিন এবং লিউটেইন প্রচুর পরিমাণে থাকে। যা ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে।

২। আখরোটঃ আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে। এর ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকলে, তার প্রভাব ত্বকে পরে। এতে ভিটামিন ই-ও থাকে। যার ফলে চেহারায় পিগমেন্টেশন বা বয়সের ছাপ পড়ে না। আখরোটে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়।

৩। আমঃ আম হল অ্যান্টিএজিং ফল। আমে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। আম ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা পরে না। ত্বকও মোলায়েম থাকে।

৪। স্ট্রবেরিঃ স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি এই ধরণের যে কোনও বেরি জাতীয় ফল ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। শরীর থেকে সমস্ত দুষিত পদার্থ টেনে বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল থাকে সারাক্ষন।

৫। সিট্রাস ফলঃ কমলালেবু, পাতিলেবু, আঙুর এই ধরণের ফলে ভিটামিন সি-এর পরিমান বেশি থাকে। ফলে ত্বক তুলতুলে হয়। পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বরিশালের গৌরনদীর দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকায় এক মোটরসাইকেল চোরের কামড়ে মো. শামসুদ্দিন নামের পুলিশের এক এএসআই আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে চুরি যাওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

ওই চোরের নাম হানিফ শিকদার (৩০)। হানিফ পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক বিক্রেতা ও চোর চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছেন গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম।

ওসি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই মুজাহিদুল ইসলাম ও মো. শামসুদ্দিন নেতৃত্বে এক দল পুলিশ দুপুরে পৌরসভার দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি (জুবায়েরুল ইসলাম সান্টু ভুঁইয়ার) বাসা থেকে চুরি হওয়া বাজাজ পালসার লাল রঙের মোটরসাইকেলসহ হানিফকে আটকের চেষ্টা করা হয়।

ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে এএসআই মো. শামসুদ্দিনকে কামড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে হানিফ। এতে এএসআই মো. শামসুদ্দিনের হাতে জখম হয়। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

আটক হানিফ শিকদার দক্ষিণ পৌর শহরের বিজয়পুর এলাকার ইসহাক শিকদারের ছেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : তালা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা ও সরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বদরুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শহীদুল আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি রাহমাতউল্লাহ পলাশ, সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম ফারুক, হাবিবুর রহমান হবি, রফিকুল ইসলাম বাবু, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, এড. আব্দুল মুজিদ, এড. তোজাম্মেল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, মাসুম বিল্লাহ শাহীন, আবুল হাসান হাদী, সাংগঠনিক সম্পাদক শের আলী, মোশাররফ হোসেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম নান্টা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কামরুজ্জামান ভুট্ট, মিলন শিকদার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আহাদুজ্জামান আর্জেদসহ জেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে পরকীয়া প্রেমের তথ্য ফাঁসের অযুহাতে মারপিটের ঘটনায় উভয় পক্ষের মারাত্মক ৯ জন আহত হয়েছে। আহতদের শ্যামনগর হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। কাশিমাড়ী গ্রামের আহত এশার আলী তরফদারের স্ত্রী মাজিদা খাতুন জানান, একই গ্রামের আমিনুর শেখের কন্যা মৌসুমী (১৯) এর সাথে মোশারাফ হোসেনের পুত্র অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। যার ফলে সুমনের সাথে মৌসুমীর রাত্রে একটি ঘরে উভয় কেহ অনৈতিক কাজে ধরা পড়ে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মাজিদা খাতুন সহ তার পরিবার কে দোষারফ করা হয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে গত ৫ আগষ্ট বেলা প্রায় আড়াই টার দিকে মাজিদার বাড়ীতে একই গ্রামের এজাহার আলী শেখ ও তার কন্যা হিরা, মুক্তা,রুবিনা ও আমিনুর শেখের কন্যা মৌসুমী দা,রাম দা, বাঁশের লাঠি সহ অন্যান্য জিনিস পত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লে এশার আলীর স্ত্রী মাজিদা খাতুন (৫০), পুত্র রেজাউল (৩৫), সোহরাব হোসেন (৩২), সিরাজুল (৩০), সিরাজুলের স্ত্রী নাজমা খাতুন (২১) সহ মারাত্মক আহত হয় ৯ জন। আহতদের মধ্যে শ্যামনগর হাসপাতালে রেজাউল, সোহরাব ও নাজমা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ব্যাপারে এজাহার আলী শেখ জানান, তাদেরও কয়েক জন আহত হয়েছে। উভয় পক্ষ শ্যামনগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। শনিবার সকালে কফের সঙ্গে খানিকটা রক্ত আসায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে যান ম্যাশ।
এরপর সেখানে ফুসফুসের পরীক্ষায় অবশ্য গুরুতর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, মাশরাফির গুরুতর কিছু হয়নি। সকালে কফের সঙ্গে একটু রক্ত আসাতে সতর্কতাবশতই হাসপাতালে যান মাশরাফি। ফুসফুসের একটি পরীক্ষায় খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest