সর্বশেষ সংবাদ-
Решения для обеспечения доступности сайта Lev Casino и партнерские возможностиসাজিদ এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে সংবর্ধনাОбзор LEV Gambling Enterprise: разработка, игры, безопасность и опыт игроковPinco yüklə onlayn kazino oynamaq – əsl uduşların portalıশ্যামনগরে বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যুসৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরার ২৫ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ উল আযহাসাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big Tech

আরাফাত হোসেন লিটন: পারুলিয়ায় মৎস্য অকসন সেন্টার আড়ৎ কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পারুলিয়া সততা হ্যাসারিতে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পারুলিয়া মৎস্য অকসন সেন্টার আড়ৎ কমিটির সভাপতি রজব আলী মোল্যার সভাপতিত্বে পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও পারুরিয়া বাজার কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়ায় মৎস্য অকসন সেন্টার আড়ৎ কমিটির উপদেষ্টা আশরাফ আলী সরদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব নুর আমিন গাজী, মিজানুর রহমান মিন্নুর, আলহাজ্ব শেখ খোকন, সুপদ ভুইয়া, আরশাদ আলী মোল্যা, শেখ মোনায়েম হোসেন, আব্দুল মাজেদ, সাফায়েত হোসেন বাচ্চু, ইশান, রমজান আলী মোল্যা, বাসারাত, গফুর, কাদের, আলতাব, তপন, মিঠুন, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, রাশেদুজ্জামান রাশেদ, বাপ্পি, ফজলুর রহমান, ইদ্রিস আলী, সুমন, আকবর আলী, সেলিম হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত থেকে ব্যবসাকে সু-সংগঠিত করার লক্ষে মৎস্য অকসন সেন্টার মালিক সমিতি গঠন করার লক্ষে শ্রী সুপদ ভুইয়াকে সভাপতি, মিজানুর রহমান মিন্নুরকে সহ-সভাপতি, আব্দুর রহমান ইলতুৎ, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোনায়েম হোসেন, আব্দুল মাজেদকে কোষাধ্যক্ষ, রজব আলী মোল্যা, নাজমুল হোসেন, জিয়াদ আলী, সাফায়াত হোসেন বাচ্চু, তপন কুমার মন্ডল ও আসাদুজ্জামান আসাদকে সদস্য করে ১১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পারুলিয়ায় মৎস্য অকসন সেন্টার আড়ৎ কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আয়োজনে গড়েরকান্দা ফুলতলা মোড়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রফিক, আব্দুল আলিম, নুর মনোয়ার হোসেন, মহসিন রেজা, ইদুল ইসলাম, রুহুল আমিন, মাহমুদ, আব্দুর রহিম, আব্দুল করিম, শুকুর আলী, সবুর সরদার, আজিবর, শামছুর, শফিক প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পৌর আওয়ামীলীগের কার্যকারী সদস্য আব্দুস সবুর খান। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জন্য একটি বেদনায়ক দিন। এদিনে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে স্ব-পরিবার এদেশেরই ঘাতকরা নির্মমভাবে হত্যা করে। যেটা বাঙালী জাতির জন্য দুঃখজনক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোস্তফা কামাল : শ্যামনগর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে টেকাব প্রকল্পের আওতায় মাস ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার শ্যামনগর উপজেলা হলরুমে প্রশিক্ষণটির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় ইউএনও মোঃ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান(ভারপ্রাপ্ত) মহসিন-উল-মূলক। বিশেষ অতিথি জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম , শ্যামনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি এ্যাডঃ জহুরুল হায়দার বাবু ,উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, ট্রেনার মোজাফ্ফার হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন অফিসার এস এম এ সোহেল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা সহ প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ।মাস ব্যাপী এ প্রশিক্ষণে ২০ জন যুবক ও ২০ জন যুবতী অংশ গ্রহন করছে। জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, পিছিয়ে থাকা যুবক যুবতীদের জন্য এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, প্রযুক্তিগত শিক্ষা মানুষের দোর গড়ায় পৌছে দেওয়ার জন্যে এ ভ্রাম্যমান কম্পিউটার আয়োজন। আলোচনা পর্ব শেষে উপজেলা ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমান কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গাড়ীতে ফিতা কেটে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করা হয়। শীততাপ নিয়ন্ত্রীত এ ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ গাড়ীতে ১৪টি ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার। সম্প্রতি এখানে ঘটে যায় কিছু অঘটন। শিশুদের প্রতি সদনের দায়িত্বরত শিক্ষকদের বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে শিশুরা ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন শিক্ষকদের মারপিট করে।
সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানা যায়, এখানকার দ্বায়িত্বরত শিক্ষকরা এতিমখানাকে নিজেদের বাড়ির মত ব্যবহার করছে এবং শিশুদের প্রতি নির্দয় আচরণ করার ফলে ঘটেছে শিক্ষককে মারপিটের ঘটনা। তারা বলছে, অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করলে বা হুকুম তামিল না করলে শিশু পরিবারের কর্মচারীরা এতিম শিশুদের গলায় পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নির্যাতন করে। গা-হাত-পা টিপতে বলে, প্রায়ই পুরুষের বিশেষ অঙ্গে মুখ দিতে বলে। না দিতে চাইলে নির্মমভাবে নির্যাতন করে।
ছাত্রদের সাথে কথা বললে নির্যাতনের কিছু ঘটনা জানা যায়। ছাত্ররা বলেন, আমরা এখানে মোট ৬৮ জন থাকি। আমরা বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি আমাদের নির্যাতনের কথাগুলো বলার জন্য। কিন্তু এখানের একজন শিক্ষক মোস্তফা মো. নুরুজ্জামান আমাদের বলেন, তোরা এখানকার নির্যাতনের কাহিনি যদি বাইরের কারও সাথে বলিস তবে ২০ টাকা খরচ করে আমার লোক দিয়ে তোদের হাত পা ভেঙে দেব। আর বাইরের লোকের সাথে বলে পরে এখানে থাকবিনা ? মেরে হাত পা ভেঙে দেব।
এছাড়া আরও জানা যায় আলিম নামে একজন কেয়ারটেকারই নাকি এখানকার সবকিছু। ছাত্ররা কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসা না করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন সময় শারিরিক নির্যাতনসহ এতিমখানায় অবস্থিত ছাত্রদের পিতা মাতাকে ছাত্রদের সাথে দেখা করতে দেয় না এই শিক্ষক আলিম।
এছাড়া আরও জানা যায়, এতিমখানায় ছাত্রদের এই গরমে ফ্যান চালাতে দেওয়া হয় না অথচ এই এতিমখানায় কেয়ারটেকার আলিম সপরিবারে দ্বিতীয় তলায় থাকে এবং ফ্রিজ, ফ্যান লাইটসহ ব্যবহারসহ কারেন্টের চুলায় রান্না করে। আর ছাত্ররা ফ্যান চালালে তাদের শারীরিক নির্যাতন করে এই শিক্ষক আলিম।
এছাড়া এতিমখানায় তানভিন নামে আর একজন কেয়ারটেকার ৪র্থ তলায় থাকে। তানভীন বাচ্চাদের পড়ানোর পরিবর্তে গল্প করে সময় কাটায় আবার অতিরিক্ত পড়া আদায় না হলে ছাত্রদের বেদম মার দেওয়ার অভিযোগ আছে ছাত্রদের।
তাছাড়া যারা কলেজে পড়াশুনা করছে তারা এই শিক্ষকদের অবহেলার কারনে এই বছর একদিনও সকালে খেয়ে যেতে পারে না। এছাড়া জামান নামে একজন শিক্ষকের কারণে বাচ্চাদের সাবান ও কাপড় পরিস্কার করার ডিটারজেন্ট ও দেওয়া হয় না।
এছাড়া বাচ্চাদের দিয়ে বিকৃত যৌন হয়রানি ও নিজের কাপড় পরিষ্কার করানোরও অভিযোগ রয়েছে শিক্ষক বিমান বৈরাগীর বিরুদ্ধে। ডাক্তার সাত মাস আগে আসলেও আর কোন খবর নেই ডাক্তারের।
তাছাড়া খাবার ঠিকমত না দেওয়াসহ গাছের কোন ফল বাচ্চারা খেলে মরা বাপ মা তুলে গালাগালি করেন কেয়ারটেকার আলিম ও তানভীন।
ছাত্ররা এই কেয়ারটেকার আলিম ও তানভীন এর অপসারণ দাবি করেন। এছাড়া আরও জানা যায়, শহিদ স্যার থাকাকালে এতিমখানার কিছু উন্নতি হলেও বর্তমান মিজানুর রহমান কোন উন্নয়ন করেন না শুধু কাগজ কলমে সীমাবদ্ধ রাখেন আর বলেন জেলা প্রশাসক এই এতিমখানার সভাপতি এখানে কেউ ঝামেলা করবে না।
তত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান বলেন, আমি গত ১৯ তারিখে বদলি হয়ে এসেছি। এখানে আগে দায়িত্বে ছিলাম কিন্তু মাঝখানে অন্য জায়গায় ছিলাম কিছুদিন বর্তমানে বদলি হয়ে আবার এসেছি। আমি সব অভিযোগগুলো শুনেছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো অতিশীঘ্রই।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য (সং-০২) অ্যাডভোকেট শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, জেলা পরিষদ সদস্য (সং-০৫) মাহফুজা সুলতানা রুবি, মানবাধিকার কর্মী সাকিবুর রহমান, রোকনুজ্জামান সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম ও ইমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তোষিকে কাইফু/তরিকুল ইসলাম লাভলু : সাতক্ষীরার ২২ লক্ষ মানুষের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে আকস্মিক পরিদর্শন এবং চিকিৎসক ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. আ,ফ,ম রুহুল হক’র সকাল সাড়ে ১০ টায় মেডিকেল কলেজে পৌঁছান।
দক্ষিণ জনপদের একমাত্র আধুনিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে তিনি প্রথমে বিভিন্ন ভবন ও কক্ষ পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে তিনি সেখানকার রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং মেডিকেল কলেজের অপারেশন থিয়েটারগুলো পর্যবেক্ষণ করেন ও তাৎক্ষণিক সেখানকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জরুরি ব্যবস্থা নিতে ফোনে স্বাস্থ্য সচিবকে নির্দেশনা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কাজী হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. মো. তৌহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের পি.ডি ডা. মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা.রুহুল কুদ্দুস, ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, ডা. খান গোলাম মোস্তফা, ডা. নাসির উদ্দীন, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, বাংলাভিশন টিভি’র আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা আ ‘লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসান হাদী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান সোহাগ, ডা. ফারহানা আহমেদ, ডা.কানিজ ফাতিমাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নলতা প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা আ’লীগ কার্যলয়ে গতকাল বিকাল ৪ টায় ১৫ আগস্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় নলতা ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মোনায়েম’র সঞ্চালনায় ও সাবেক সভাপতি আলহাজ্জ আনিছুজ্জামান খোকনের সভাপতিত্বে¡ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি। আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য এস. এম আসাদুর রহমান সেলিম, তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, তারালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আহম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল করিম, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আব্দুল গফুর গাজী,সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, চম্পাফুল ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক তোষিকে কাইফু, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ শাহরিয়ার, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দীন খোকন, নলতা ইউনিয়ন মহিলালীগের সভাপতি খোদেজা খাতুন, জেড এইচখান জফুসহ আ’লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগক, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ৪৫ জন ছাত্রীকে বেধড়ক মারপিটের অভিযোগে শিক্ষক মো. আবদুর রশিদকে আটক করেছে খালিশপুর থানার পুলিশ। আজ মঙ্গলবার স্কুলের শেষ ক্লাস চলার সময় বেলা ১২টার দিকে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ জানান, গত জুনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে কলেজে যোগ দেন প্রভাষক মো. আবদুর রশিদ। তিনি আজ তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসে গিয়ে ছাত্রীদের আনন্দ-উল্লাস করতে দেখেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে তিনি উপস্থিত সব ছাত্রীকে স্কেল দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।

অধ্যক্ষ আরো বলেন, ছাত্রীদের পিটুনির খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানান অভিভাবকরা। মারধরে সুমি নামে এক ছাত্রীর মাথা কেটে রক্ত বের হলে অভিভাবকরা উত্তেজিত হয়ে তাঁর কাছে গিয়ে বিচার দাবি করেন। এ সময় অভিভাবকদের সঙ্গে স্থানীয়রাও যোগ দেন। অভিভাবকদের দাবির মুখে খালিশপুর থানার পুলিশ শিক্ষক আবদুর রশিদকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান।

অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ জানান, ছাত্রীদের দৈহিকভাবে মারধর করার অভিযোগে শিক্ষক আবদুর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে।

খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সোমা বলে, ‘আমরা সবাই চিল্লাপাল্লা করছিলাম, কয়েকজন বেঞ্চের ওপর উঠছিল, তখন ওই দিকে আমিও উঠছিলাম এই জন্য বিজ্ঞানের স্যার সবাইকে মারছে, সবাইকে ফুলাই দিছে।’

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ইসরাত জাহান সায়মার মা বলেন, ‘আমরা বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে চলে যাই। আবার দেড়টার দিকে তাদের নিতে আসি। ওরা বলে আজকে এভাবে ক্লাস হইছে, এই ক্লাস হইছে। কিন্তু আজকে আমার বাচ্চা অনেক কান্নাকাটি করছে। ওর হাতের একপাশ ফুলে গেছে, এমনভাবে মারছে স্যার। বাড়িতে গিয়ে বাচ্চাকে বরফ দিছি আগে, দিয়ে তারপর আমি স্কুলে আসছি।’

ওই অভিভাবক আরো বলেন, ‘এখন আমার কথা হচ্ছে, বাচ্চাকে তো আমি আবার কালকে স্কুলে নিয়ে আসব। আমরা কীভাবে নিয়ে আসব? আমরা তো দিয়ে চলে যাই, এখন কি আমাদের বাচ্চারা ঠিক থাকবে? সেটাই স্যারদের কাছে দাবি।’

আরেক এক ছাত্রীর মা বলেন, ‘খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভালো বিধায় আমার মেয়েকে ভর্তি করেছিলাম, বুঝেছেন। কিন্তু এই প্রিন্সিপাল স্যারের ব্যবহার এত খারাপ। আমরা কয়েকবার মিটিংয়ে এসে ভালো ব্যবহার পাইনি। আমার সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করিছে, আমি মনে খুব কষ্ট পাইছিলাম। প্রত্যেকটা গার্ডিয়ানের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে।’

খুলনা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার সোনালী সেন বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে তাঁকে (শিক্ষক আবদুর রশিদ) এরই মধ্যে আটক করা হয়েছে। এখান থেকে যদি কোনো অভিযোগ যায়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী যত রকম ব্যবস্থা নেওয়া যায় আমরা সেগুলো নেব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : আজ ১ অগাস্ট। ১৯২৮ সালের এই দিনে সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্ম নেন বাংলাদেশের চিকিৎসকদের গর্ব স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান (মো. রাফি খান)।

এম আর খান স্যার ১৯৫২ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি অর্জন করেন ।
দেশে ফিরে এসে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে শিশু বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তদানিন্তন পিজি হাসপাতালে শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ে DCH ও FCPS ডিগ্রি চালু করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বাংলাদেশে প্রায় ১৩০০ জন শিশু চিকিৎসক দেশের শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করছেন। এই সূত্রে তিনি প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের শিশু বিশেষজ্ঞদের শিক্ষা গুরু।
অসাধারণ এই মানুষটি খুবই সাধারণ আটপৌড়ে জীবনযাপন করতেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করেছেন জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত। চিকিৎসক হিসাবে কিংবদন্তী এই মানুষটি শিশু চিকিৎসার জন্য ঢাকা, যশোর ও সাতক্ষীরায় প্রতিষ্ঠা করেছেন একাধিক শিশু হাসপাতাল। এর বাইরে সাধারণ মানুষের জন্য সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও টাঙ্গাইলের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা ছাড়া চালু করেছেন অনানুষ্ঠানিক সান্ধকালীন প্রাথমিক শিক্ষা, ভোকেশনাল ট্রেনিং, পরিবেশ উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী, আর্সেনিক ফিল্টার বিতরণ, স্যানেটারী লেট্রিন স্থাপনসহ নানা কর্মকান্ড। এর জন্য অধিকাংশ অর্থই নিজস্ব উৎস থেকে দান করেছেন।
অত্যন্ত সময়ানুবর্তী ছিলেন। ছিলেন রবীন্দ্র অনুরাগী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক ছড়া, কবিতা তাঁর মুখস্ত ছিল। তাঁর সকল বক্তৃতায় একটি বা দুটি ছড়া-কবিতা সাবলীল উপস্থিতি থাকতই। তাঁর সাথে একবার শান্তি নিকেতনে একটি কনফারেন্সে গেলে রবীন্দ্র যাদুঘরের দেয়ালে লেখা একটি কবিতা আমি পড়ছিলাম শব্দ করে। দূর থেকে শুনে বললেন, ‘সাকিল, কবিতাটি ভুল পড়ছ।’ স্যার সঠিক ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কবিতা, ছড়া তার এতটাই ঠাসা ছিল মস্তিষ্কে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ বিএমএর একটি নবীনবরণ অনুষ্ঠানে স্যার কথা বলছিলেন ‘হিপোক্রেটিক ওথ এবং আজকের বাস্তবতা’ শিরোনামে। শেষটা ছিল হযরত ইমাম গাজ্জালী (র.)-এর সমাধিলিপিতে ফার্সীতে লেখা একটি কবিতাংশ-

‘মান তাজ্জুব মেকুনাম/ চেলা ডাকতুরা ওয়ালী-এ খোদা/লা মেশাওয়াত।’
বাংলা হচ্ছে—

‘আমি বিস্মিত হই বার বার/ কেন একজন ডাক্তার অলি হয় না আল্লাহর।’

কথাগুলো জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান স্যার ছাড়া আর কারও জন্য এত বেশি প্রযোজ্য কি-না, আমার জানা নেই।

লেখক: ডা. সাকিল আহম্মদ, সহযোগী অধ্যাপক, শিশু বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest