সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত ২২ মার্চ’১৬ সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছালেও ঘটে যাওয়া দেশের বিভিন্ন জেলায় অনিয়ম ও আর দুর্নীতির অভিযোগে কয়েক জেলায় এখনো পর্যন্ত ইউপি নির্বাচন স্থাগিতাদেশ জারি ছিলো। দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ২৬ জেলায় ৫৬টি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপিতে আজ ১৩ জুলাই ভোট গ্রহণ হবে। এদিকে নির্বাচনে ২দিন আগে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে “বিশেষ নির্দেশনা” দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। সাতক্ষীরা জেলায় স্থগিত হয়ে যাওয়া সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের আলোচিত ৪ কেন্দ্রের ৪৭৭ দিনপর পুনরায় আজ ভোট হবে। বিগত ২২ মার্চ সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হলেও বিভিন্ন অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া আলোচিত ৪ নং ওয়ার্ড কেন্দ্র: আলীরপুর মাঝেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রার্থীরা হলেন মোঃ রমজান আলী (মোরগ), সিদ্দিকুর রহমান(তালা) ও শাহাদাত হোসেন (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে ভোটগ্রহণ হবে। ৭নং ওয়ার্ড কেন্দ্র: মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রার্থীরা হলেন আনিসুর রহমান(তালা), জাহিদুর রহমান মধু (মোরগ), মোস্তাফিজুর রহমান(ফুটবল), মাসুদ আলম (টিউবওয়েল) প্রতীক নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে। ৮নং ওয়ার্ড কেন্দ্র: ভাড়–খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রার্থীরা হলেন, মফিজুল ইসলাম (টিউওবয়েল) আসিব হোসেন মোরগ প্রতীক নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে। ৯নং ওয়ার্ড কেন্দ্র : মাহমুদপুর আমিনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রার্থীরা হলেন, আব্দুস সালাম ঢালী (ফুটবল) মোশারফ হোসেন (তালা), শফিকুল ইসলাম (মোরগ) প্রতীক নিয়ে ভোগ গ্রহণ হবে। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা প্রার্থীরা হলেন মনোয়ারা খাতুন (তালগাছ) মমতাজ বেগম (বই) হাসনা হেনা (বক), ফরিদা খাতুন (সুর্য মুখীফুল) সুমনা পারভীন (কলম), সলুদা বেগম (বক) প্রতীক নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে। ৪টি স্থগিত কেন্দ্রের ১১জন সাধারণ সদস্য মেম্বর পদে এবং ৬ জন মহিলা প্রার্থীদের নিয়ে মোট ১২ হাজার ৬৫৬জন ভোটারদের নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। উলে¬খ্য ২২ মার্চ ১, ২, ৩, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড মিলে ৫টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা: মহিয়ুর রহমান ময়ুর নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৫৭৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার একমাত্র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রউফ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৬৮১ ভোট পেয়ে পিছিয়ে আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মনিরুজ্জামান মনি : হ্যাচারির নষ্ট ডিমের দুর্গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছে কাটিয়ার নিরালা আবাসিক এলাকা। সাথে রয়েছে হ্যাচারির কাজে ব্যবহৃত জেনারেটরের বিকট শব্দ। বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে পোল্ট্রি মুরগির উড়ন্ত পাখনা ও পায়খানা। এতে করে নিরিবিলি এলাকা এখন নোংড়া দুর্গন্ধ যুক্ত পরিবেশে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত সর্দি কাশিসহ দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু, যুবকসহ বয়স্ক ব্যক্তিরা। দ্রুত এর প্রতিকার না হলে স্ত্রী সন্তান নিয়ে এখানে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন এলাকাবাসী। এঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা তারা।
এলাকাবাসী জানায়, কাটিয়া এলাকার আবেদার রহমান কাটিয়া হ্যাচারীজ নামক একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। তার হ্যাচারির নষ্ট ডিম খোসার দুর্গন্ধ, মুরগির পায়খানা ও উড়ন্ত পশমের ফলে এলাকার ছেলেমেয়েরা সর্দি কাশীসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া হ্যাচারীতে ব্যবহৃত জেনাটেরের বিকট শব্দে এলাকার বাতাস বিষিয়ে উঠে। উপায় না পেয়ে এলাকাবাসী পক্ষে ফজলুর রহমানসহ কয়েকজন বিগত ২০১৩ সালের ৪ এপ্রিল খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযোগটি আমলে নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করেন। তদন্তের পর অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ২৯ এপ্রিল’১৩ তারিখে অধিদপ্তরের পরিচালক ড. তরুণ কান্তি শিকদার উক্ত পোল্ট্রি মুরগির হ্যাচারীটি পত্র প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে উক্ত স্থানে হ্যাচারির কার্যক্রম বন্ধ এবং পরিবেশ সম্মতস্থানে স্থানান্তর পূর্বক পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উক্ত নোটিশে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এরপর প্রায় ৪ বছর অতিবাহিত হলেও ব্যবসায়ী আবেদার রহমান তার হ্যাচারিটি স্থানান্তর না করে আরো প্রসারিত করেন। এতে করে এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় কাউন্সিলর, সাতক্ষীরা পৌর মেয়রসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন ফলপাননি বলে জানান এলাকাবাসী।
এঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কয়েকদিন পূর্বে এলাকাবাসী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এঘটনায় পোল্ট্রি হ্যাচারির মালিক আবেদার রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মোবাইল কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।
এদিকে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এধরনের পরিবেশ বিধ্বংসী পোল্ট্রি হ্যাচারী পরিচালনা করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ উপেক্ষা করে তিনি কিভাবে এধরনের পরিবেশ বিধ্বংসী ব্যবসা করে যাচ্ছেন। তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। অবিলম্বে ওই পোল্টি হ্যাচারী বন্ধ পূর্বক এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর জ্যোৎস্না আরা বলেন, পরিবেশ নষ্ট হবে এধরনের কোন ব্যবসা জনবসতিপূর্ণ এলাকায় করা উচিত নয়। মানুষের ক্ষতি করে যদি কেউ কোন হ্যাচারী পরিচালনা করে থাকে তবে তা অবশ্যই আইন বিরোধী। আমি এ বিষয়ে পৌর মেয়রের সাথে কথা বলে দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার কুশলিয়া ইউনিয়নে নন ওয়েজ কস্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী প্রতিকার চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের খুলনা কার্যালয়ের পরিচালক বরাবর অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুশলিয়া ইউনিয়নের মহৎপুর কুলিয়া দুর্গাপুর মান্দারের বাড়ি হতে বাশতলা রোড ছকিনার বাড়ি অভিমুখে রোডের উপর কালভার্ট নির্মাণের জন্য ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ম পর্যায়ের ইজিপিপির আওতায় ননওয়েজ কস্ট প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই লক্ষ ৫৬৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই প্রকল্পের কাজ না করে কুশলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মেহেদী হাসান সুমন, ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতি শহিদুর রহমান বাবু উক্ত প্রকল্পের সমুদয় অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছে।
অভিযোগপত্রে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক এই দুর্নীতির প্রতিকার চেয়েছে কুশলিয়া ইউনিয়নের মহৎপুর ও কুলিয়াদুর্গাপুর এলাকাবাসী। অভিযোগপত্রে ওই এলাকার আব্দুর রহমান, শফিকুল, মোয়াজ্জেমসহ ৪০জন স্বাক্ষর করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জনপ্রিয় অভিনেত্রী নওশীন নাহরিন মৌ আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তবে এই বিয়ে বাস্তবে হচ্ছে না। ‘কমেডি ৪২০’ ধারাবাহিক নাটকের একটি পর্বে নওশীনের বিয়ে দেখানো হবে। ফরিদুল হাসান পরিচালিত নাটকটিতে নওশীনের চরিত্রের নাম এলিনা।

দুপুরে নাটকটির শুটিং চলাকালীন নওশীন নিজের ফেসবুক আইডিতে বিয়ের সাজের একটি সেলফি প্রকাশ করেছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন ‘আজ এলিনার বিয়ে’।

নাটকে বধু সাজতে কেমন লাগে- জানতে চাইলে নওশীন বলেন, ‘এর আগেও নাটকের গল্পের প্রয়োজনে আমি বহুবার বধু সেজেছি। ঠিক কতবার এই সংখ্যা বলা অনেক কঠিন। আবারও নাটকের চরিত্রের প্রয়োজনে বধূর সাজ নিতে হলো আজ। প্রথম প্রথম বধূর সাজ নিতে কষ্ট হতো না কিন্তু এখন আর ভালো লাগে না। মেক-আপ নিতে অনেকখানি সময় নষ্ট হয়। সাধারণত শুটিংয়ে আমরা ভারি মেক-আপ এড়িয়ে চলি কিন্তু বিয়ের সাজ হলে তা সেটা করা সম্ভব হয় না।’

নাটকে বিয়ের সাজের স্মৃতিচারণা করে নওশীন আরো বলেন, ‘একটি নাটকে গল্পের প্রয়োজনে আমার গায়ে হলুদ, বিয়ের অনুষ্ঠান ও বৌ-ভাত দেখানো হয়েছিল। নাটকে টানা তিনদিন জমজমাট বিয়ের আয়োজন দেখানো হয়। অনেকদিন আগে নাটকটির শুটিং করেছি। নাটকের নামটা এখন মনে করতে পারছি না।’

নওশীন, এখন অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। একক নাটকের থেকে ধারাবাহিক নাটকের শুটিং অনেক বেশি করছেন বলে জানালেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সৌদি আরবে বুধবার আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে ১১ অভিবাসী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। জানালাবিহীন একটি বাড়িতে আগুন লাগার পর তারা প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। হতাহতের শিকার ব্যক্তিরা সবাই বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিক। সৌদি গেজেট-এর এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। তারা জানিয়েছে, আহত ছয়জন শ্রমিকের মধ্যে ৪ জন ভারতীয়।

আগুনের প্রাথমিক কারণ হিসেবে শর্ট সার্কিটকে দায়ী করা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিচালক গাজী আল ঘামদির সঙ্গে দেখা করেন সৌদি আমীর।

দেশটির দক্ষিণে নাজরান প্রদেশের ফায়ার সার্ভিস এক টুইট বার্তায় বলেছে, ‘দমকল বাহিনীর সদস্যরা জানালাবিহীন এমন একটি ঘরের আগুন নিভিয়েছে। ওই ঘরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নেই। এতে ১১ জন মারা গেছেন।’ দেশটির সিভিল ডিফেন্স মুখপাত্র ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল-ফারিকে উদ্ধৃত করে সৌদি গেজেটের খবরে বলা হয়েছে, ‘দমকল কর্মীরা জানালাবিহীন ওই বাড়ির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে শ্বাসরোধে ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ওই শ্রমিকরা ফয়সালিয়া বিভাগের স্বর্ণের বাজারের কাছাকাছি একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন।

সৌদি সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নাজরানের আমির প্রিন্স জালাউই বিন আব্দুল আজিজ এই ঘটনা তদন্তে সিভিল ডিফেন্স, মিউনিসিপাল, শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটি সরকারি তত্ত্বাবধানে তদন্ত কাজ চালিয়ে যাবে।

২০১৫ সালে সর্বশেষ সৌদি আরব সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে নয় লাখ বিদেশি কাজ করেন। এঁদের বেশির ভাগই দক্ষিণ এশিয়ার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার বাঁশদহা কামারবায়সা গ্রামের শিশু মুক্তাকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে গেলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বুধবার রাতে সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি মুক্তার স্বাস্থ্য বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং তার বাবা মা’র সাথে কথা বলেন। তিনি বলেন, “মুক্তার কথা শুনতে পেয়েছি বুধবার তাই শোনামাত্রই খোঁজ খবর নিতে ছুটে এসেছি।
শিশু মুক্তার চিকিৎসার জন্য বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেনকে প্রধান করে ৮ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড পর্যায়ক্রমে মুক্তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং মুক্তার চিকিৎসা শুরু করেছেন। এসময় সাংসদ মুক্তার রোগ সম্পর্কে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী সামন্ত লাল সেনের সাথে কথা বলেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। চিকিৎসক সামন্ত লাল সেন বলেন, শিশুটির অবস্থা তেমন ভালো না। দীর্ঘদিনের অবহেলার কারণে এমন অবস্থা হয়েছে। তার শরীরে ৪টি রোগের আলামত পাওয়া গেছে। অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করতে সময় লাগবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমরা তার চিকিৎসার কোন ত্রুটি রাখবোনা। যাতে শিশু মুক্তা দ্রুত সুস্থ্য হয় তার ব্যবস্থা করবো। এসময় মুক্তার বাবা-মাসহ চিকিৎসক ও দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম. বেলাল হোসাইন : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ষাটলিপিকার থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতির পর বদলির আদেশের বিরুদ্ধে এসএম মাহাবুবর রহমানের হাইকোর্টে দায়েরকৃত রুলনিশি খারিজ করা হয়েছে। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও মোহাম্মদ উল্লাহ এর যৌথ বেঞ্চ এ রুলনিশি খারিজ করেন। ফলে বগুড়া জেলা পরিষদে যোগদান করা ছাড়া মাহাবুবর রহমানের আপাততঃ অন্য কোন উপায় থাকছে না।
এদিকে এ আদেশ কার্যকর হলে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে মাহাবুবর রহমানের ২৭ বছরের রামরাজত্বের অবসান ঘটবে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এস,এম মাহবুবুর রহমানকে ১৯৯০ সালের ২৯ এপ্রিল ষাটলিপিকার (টাইপিষ্ট) হিসাবে জেলা পরিষদে অস্থায়ী নিয়োগ পান। ২০০১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি একই অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি পদোন্নতি পান। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ২০০১ সালের ২৬ জুন এস,এম, মাহবুবর রহমানকে পঞ্চগড় জেলা পরিষদে বদলি করেন। উক্ত বদলি আদেশকে চ্যালেজ্ঞ করে তিনি হাইকোর্টে ৩৪৪৬/২০০১ নং রীট পিটিশন দায়ের করেন। ৪ আগষ্ট শুনানী শেষে আদালত উক্ত বদলি আদেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে পরদিন বিবাদীগনের বিরুদ্ধে রুলনিশি জারী করেন। ২০০৫ সালের ১১ জানুয়ারি ১নং বিবাদী স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সহকারি এটর্নি জেনারেল ব্যারিষ্টার সৈয়দা আফছার জাহান ওই রীট মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জবাব প্রদান করেন। ওই বছরের ২৪ মে বাদি মাহাবুবর রহমান রিট মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করেন। পরদিন শুনানী শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পুনরায় ২০০৫ সালের ১৪ জুন এস,এম, মাহবুবুর রহমানকে জামালপুর জেলা পরিষদে বদলি করেন। তিনি জামালপুর জেলা পরিষদে যোগদানের জন্য আবেদন করলেও যোগদানপত্র গৃহীত হয়নি। অপরদিকে গত ২০০৫ সালের ১৯ আগষ্ট সাতক্ষীরা জেলার চার জন সংসদ সদস্য এস,এম মাহবুবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে এক ডিও লেটার প্রদান করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে। ওই ডিও লেটারে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবর রহমানের বিরুদ্ধে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের ৬৪টি গৃহ বন্দোবস্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্ধ কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহণ, জেলার বিভিন্ন খেয়াঘাট লক্ষ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে পূর্ববর্তী ডাকের চেয়ে কম ডাকে ইজারা দেওয়া, নিজের এলাকার ও নিজ আত্মীয় স্বজনদের জেলা পরিষদে চাকুরি দিয়ে সি-িকেটের মাধ্যমে গডফাদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ, একজন নিম্নমানের কর্মকর্তা হয়েও প্রধান নির্বাহীর মত উচ্চ মানের বর্মকর্তাকে হয়রানি ও হেনস্তার মধ্য দিয়ে বদলি করার কথা তুলে ধরা হয়। সাংসদরা আরো উল্লেখ করেন যে, অনেকগুলো অভিযোগকারির অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ জসিমউদ্দিন তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে মাহবুবর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্ণীতির প্রমানসহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেন। ডিও লেটারে মাহাবুবর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অথবা তার বিরুদ্ধে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি গঠনের মাধ্যমে তদন্ত করার জন্য দাবি জানানো হয়। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ২০০৫ সালের ১৪ জুন বদলি আদেশ চ্যালেঞ্জ ও একই বছরের ১৯ আগষ্ট চার সাংসদের উদ্দেশ্য প্রণোদিত ডিও লেটারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাহবুববর রহমান হাইকোর্টে -৬৯১৭/২০০৫ নং রীট পিটিশন দায়ের করেন। সেখানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ভুইয়া মোঃ আতাউর রহমানের ২০০৩ সালের ১৭ জুনের একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। প্রতিবেদনে সাতক্ষীরা জেলা ন্যাপ এর সাধারণ সম্পাদক কাজী সাঈদুর রহমানের অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করা হয়। ১২ সেপ্টেম্বর আদালত শুনানীন্তে উক্ত আদেশের উপর রুল জারী করেন এবং বদলি আদেশ স্থগিত করেন। স্থগিতাদেশ থাকা অবস্থায় পরবর্তীতে তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ থেকে তাহার বেতন ভাতা এবং রীট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চাকুরীতে যাহাতে স্থিতিবস্থা বজায় থাকে সে জন্য তিনি ২০০৫ সালের ৮ অক্টোবর একটি আবেদনপত্র দাখিল করেন এবং তা’ মঞ্জুর হয়। যাহা বর্তমানে বিচারাধীন। এরপরও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ৬৯১৭/২০০৫ নং রিট পিটিশনে দীর্ঘদিন আদালতে হাজির হয়ে জবাব দাখিলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি।
এদিকে বদলি সংক্রান্ত একটি রীট পিটিশনের কার্যক্রম চালু থাকার পরও গত বছরের ৮ মে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়র উপ সচিব জুবাইদা নাসরিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস,এম মাহবুবুর রহমানকে বগুড়া জেলা পরিষদে বদলি করেন। এ বদলির আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রীট পিটিশনের কার্যক্রম চালু থাকার পরও নতুন করে দেওয়া বদলি আদেশেকে চ্যালেঞ্জ করে এসএম মাহবুবর রহমান বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আদালতকে অবহিত না করে পুনরায় ৭৩৩৩/২০১৬ নং রীট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানীন্তে উক্ত বদলি আদেশ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন আদালত। ওই রীট মামলায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির হয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
অন্যদিকে ২০০১ সালে বদলি আদেশ স্থগিত করার জন্য জেলা পরিষদের তৎকালিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমানকে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে রাখার স্বপক্ষে একটি আবেদন পত্রের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেন। একইভাবে ২০১৬ সালের বদলি আদেশ বাতিল করার জন্য গত বছরের ১২ মে জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহম্মেদ তাঁর নিজস্ব প্যাডে মাহাবুবর রহমানকে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও চার জামায়াত সাংসদ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করাসহ দক্ষ এ প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অন্যত্র বদলি করা হলে সমূহ ক্ষতি হবে বলে সম্পুর্ন মিথ্যা মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ এক আবেদন করেন। গত বছরের ৩০ মে প্রায় একইভাবে একই মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন প্রধান নির্বাহী মোঃ মনিরুজ্জামান। আবেদনপত্রে একটি রীট পিটিশনের কার্যক্রম শুনানী শেষ না হওয়ার আগে গত বছরের ৮ মে উপসচিব জুবাইদা নাসরিন স্বাক্ষরিত বগুড়া জেলায় এসএম মাহবুবর রহমানের বদলির আদেশটি সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়। প্রতিটি রীট পিটিশনে মাহাবুবর রহমানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা না দিয়ে ষাটলিপিকার হিসেবে যোগদানের কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়। বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগর সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম জয়লাভ করার পর জেলা যুবলীগের এক শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে লাঞ্ছিত জনগন মাহাবুবর রহমানকে তার অফিসের চেয়ার থেকে তুলে এনে নাকখত দেওয়া, পুকুরের ঘাট পরিষ্কার করাসহ বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত করে বলে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ছাপা হয়। এ ঘটনায় তিনি কোন প্রতিবাদ না করে ওই যুবলীগ নেতার সঙ্গে আপোষ করে নেন। এবং পুরষ্কার হিসেবে তার বাবার নামীয় একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেন।
এদিকে হাইকোর্টের নির্দেশে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহবুবর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৮ আগষ্ট ‘গৃহ নির্মাণের তালিকা তৈরিতে দূর্ণীতির অভিযোগ’অনিয়ম সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে জলবায়ু ট্রাষ্ট ফা-ের আওতায় গৃহনির্মাণের তালিকা তৈরিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুবর রহমান ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে হাইকোর্টে রিটকারিদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাড. সত্যরঞ্জন ম-লের বাড়িতে হামলা চালায় মাহাবুবুর রহমানের লোকজন। এতেও দুর্বল করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ উপজেলার কুমারখালি গ্রামের দীপঙ্কর ম-ল ও আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর গ্রামের নুরুজ্জামান গাজীকে দিয়ে আদালতে পৃথক দু’টি মামলা করানো হয়। যদিও মাহাবুবর রহমান ওই হামলা ও মামলার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। অ্যাড. সত্যরঞ্জন ম-ল স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখে মাহাবুবর রহমানের বদলি আদেশ স্থগিত সংক্রান্ত দায়েরকৃত রিট পিটিশনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার জন্য চিঠি দেন। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে মোঃ আশরাফুল আলম আদালতে ভোকালতনামা জমা দেন। বুধবার বিচারক কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ উভয়পক্ষের শুনানী শেষে মাহাবুবর রহমানের দায়েরকৃত রীট পিটিশনের রুলনিশি খারিজ করে দিয়ে সরকারি কর্মচারি হিসেবে বদলি হতে হবে বলে আদেশ দেন।
রীটকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. মোহন। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আইনজীবী মোঃ আশরাফুল আলম ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল হিসেবে অ্যাড. তাপস কুমার পাল দায়িত্ব পালন করেন।
জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবী মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, আদেশ সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে পৌঁছানোর পর মাহাবুবর রহমানকে বগুড়ায় যোগদান করা ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকবে না।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবর রহমানের কাছে বুধবার সন্ধ্যায় জানতে চাইলে তার ০১৭১১-৩৫২৭২০ মুঠো ফোনটি রিসিভ করেননি তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বিনেরপোতা সাতক্ষীরা ১৩২/১৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জরুরি সংরক্ষণ কাজের জন্য আগামী ১৩ জুলাই ২০১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ১৫ জুলাই ২০১৭ শনিবার রাত ১০:০০টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকবে বলে বিদ্যুৎ সরবরাহ কর্তৃপক্ষ(ওজোপাডিকো) সাতক্ষীরা’র নির্বাহী প্রকৌশলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest