সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?

চীনের শেনঝেন যেভাবে কর্দমাক্ত গ্রাম থেকে মেগাসিটি

১৯৮০ সালের মে মাস। চীন সরকার শেনঝেন নগরীকে এক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বলে ঘোষণা করলো। ইয়ং ইয়া এখনো মনে করতে পারেন সেসময়ের শেনঝেন। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি সেখানে এসেছিলেন।

“শেনঝেন তখন একটা বিরাট গ্রামের মতো। সেখানে কিছু কারখানাও ছিল। তবে মনে হচ্ছিল সেখানে সারাক্ষণই নতুন বাড়ি তৈরির কাজ চলছে।”

১৯৮৪ সালে ইয়াং ইয়া-র মা যে কারখানায় কাজ করতেন, সেটা শেনঝেনে সরিয়ে নেয়া হলো। ফলে তাদেরও সেখানে চলে যেতে হলো।

চীনের উপকুল বরাবর চারটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছিল। চীন সরকার তাদের অর্থনীতি নিয়ে এক নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছিল। এটি ছিল তারই অংশ।

তাদের লক্ষ্য সমাজতান্ত্রিক পরিকল্পিত অর্থনীতি থেকে বাজার অর্থনীতির দিকে যাওয়া। আরও সহজ করে বললে, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার মধ্যেই তারা পুঁজিবাদী অর্থনীতি চালু করতে চাইছিল।

মেরি অ্যান ও ডনেল একজন শিল্পী এবং এথনোগ্রাফার। তিনি শেনঝেনে আছেন ১৯৯৫ সাল থেকে। কিভাবে একটা কর্দমাক্ত গ্রাম থেকে শেনঝেন হয়ে উঠলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেগাসিটি, তার শেষ পর্বটা তিনি নিজের চোখে দেখেছেন।

“আশির দশকে শেনঝেনে লোকজন আসতে এই কারণে নয় যে এটি দারুণ আকর্ষণীয় কোন জায়গা ছিল। শেনঝেনে তখনো নির্মাণযজ্ঞ চলছে। কাদামাখা একটা জায়গা। বিদ্যুত আসে যায়। বর্ষা মওসুমে শেনঝেন বন্যায় ভেসে যায়। সেখানে পানি-নিস্কাশন ব্যবস্থা মোটেই ভালো নয়। কাজেই লোকজন এখানে এ কারণে আসতো না যে এটা একটা দারুণ নগরী। লোকজন এখানে আসতো কিছু একটা শুরু করার ইচ্ছে নিয়ে।”

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণার আগে শেনঝেন ছিল মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা। শেনঝেন প্রসিদ্ধ ছিল শুকর, শামুক আর লিচুর জন্য। কিন্তু জায়গাটি ছিল ব্রিটিশ কলোনি হংকং এর খুবই কাছে।

১৯৬০ এবং ৭০ এর দশকে হংকং এক বিরাট অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠে এর গভীর সমূদ্র বন্দরের কারণে। কমিউনিষ্ট চীন আর বাকী বিশ্বের মাঝখানে হংকং ছিল এক সুবিধেজনক জায়গায়। চীনের সঙ্গে হংকং সীমান্তে কড়াকড়িও ছিল কম। এই সুযোগে শেনঝেনে যেসব পণ্য তৈরি হতো, সেটি বাইরে বিক্রির জন্য হংকং হয়ে উঠলো এক সুবিধেজনক জায়গা।

মেরি অ্যান ও ডনেল বলছিলেন, “শুরুতে তাদের আইডিয়াটা ছিল দোকান থাকবে সামনে, আর কারখানা পেছনে। অর্থাৎ শেনঝেনে স্থাপিত হবে কারখানা, কারণ এখানে উৎপাদন খরচ কম পড়বে। এরপর এখান থেকে পণ্য নিয়ে যাওয়া হবে হংকং এ। সেখানকার বন্দর থেকে চীনা পণ্য যাবে বাকী বিশ্বে।”

কী ধরণের পণ্য তখন শেনঝেনে উৎপাদিত হচ্ছিল?

“এটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। তখন আসলে তারা সব কিছুই করছিল। ধরুণ ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে আপনি সনি ওয়াকম্যানে গান শুনছেন। সেটি তৈরি হয়েছে শেনঝেনে। আপনি একটি বুমবক্স কিনেছেন। সেটি শেনেঝনে তৈরি। নিকন্যাক্স, সস্তা সাবান, বলতে পারেন্ তখন সবকিছুই শেনঝেনে তৈরি হচ্ছে।”

ইয়ং ইয়া যখন শেনঝেনে এসে পৌঁছান তখন তাঁর মা ইলেকট্রনিক শিল্পে একজন প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেন। মা মেয়ে তখন থাকেন এক ডরমিটরিতে।

” কোম্পানি থেকেই আমাদের সেখানে থাকতে দেয়া হয়েছিল। সেখানে আরও দুই মহিলা থাকতেন। আমাদের থাকতে হতো একটি রুমে। কিন্তু তখন আমাদের কারই সেরকম ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছিল না। কাজেই আমাদের সেরকম অসুবিধা হয়নি। আমরা আমাদের জিনিসপত্র রাখতাম খাটের নীচে।”

শেনঝেনে তখন চীনের সব জায়গা থেকে লোকজন আসছে কাজ করতে। ইয়াং ইয়ার পরিবার এসেছিলেন চীনের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জিয়াং থেকে।

“আমার শিক্ষক এবং সহপাঠী যারা ছিলেন, তারা এসেছিলেন চীনের নানান জায়গা থেকে। কাজেই তাদের সবার আঞ্চলিক ভাষা আর উচ্চারণ ছিল ভিন্ন। এমনকি শিক্ষকরা পর্যন্ত। আশি থেকে নব্বুই শতাংশ মানুষ কথা বলতো ক্যান্টনিজ ভাষায়। আমার কাছে সেটাকে একটা বিদেশি ভাষা বলে মনে হতো। কাজেই আমাকে ভাষাটা খুব দ্রুত রপ্ত করতে হয়েছিল।”

যে গতিতে তখন শেনঝেন বাড়ছে, তা মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো।

“আমি দেখতে পাচ্ছিলাম যে শহরটা খুব দ্রুত বড় হচ্ছে। একটা জায়গাকে আপনি যেসব দালান কাঠা দিয়ে চেনেন, সেটা কিন্তু আমি শেনঝেনে যাওয়ার প্রথম দশ বছরে মধ্যে কয়েক মাস পরপরই বদলে যাচ্ছিল। কারণ তখন সেখানে সারাক্ষণই নতুন নতুন ভবন তৈরি হচ্ছিল।”

১৯৮৬ সালে যখন প্রথম শেনঝেনের মাস্টারপ্ল্যান বা মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয়, তখন অনুমান করা হয়েছিল যে সেখানে দু হাজার সাল নাগাদ জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে দশ লাখে। কিন্তু বাস্তবে যা ঘটলো, দুহাজার সাল নাগাদ শেনঝেনের জনসংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো সম্ভবত এক কোটিতে।

জনসংখ্যা যেভাবে হুহু করে বাড়ছিল, তার সঙ্গে শেনঝেনের অবকাঠামো তাল রাখতে পারছিল না। শেনঝেন যেহেতু খুব দ্রুত বাড়ছিল, দ্রুত বদলাচ্ছিল, তাই সেখানে সম্ভাবনাও ছিল বিপুল। শেনঝেন যেন সবাইকে হাতছানি দিচ্ছিল।

শেনঝেন মানুষকে যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এনে দিল, তার সঙ্গে তারা যেন ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক স্বাধীনতা ভোগ করার সুযোগ পেল।

মেরি অ্যান ও ডনেল বলছিলেন, “সেখানে সেক্স ট্যুরিজম শুরু হলো, পতিতাবৃত্তি শুরু হলো। কিন্তু সেখানে নারী-পুরুষের ডেটিং এ যাওয়ারও সুযোগ তৈরি হলো। মাও জেদং এর যুগে নারী-পুরুষকে কঠোরভাবে আলাদা করে দেয়া হয়েছিল, প্রেমকে একটি বুর্জোয়া ধারণা বলে সমালোচনা করা হয়েছিল। কিন্তু শেনঝেন যেন একেবারেই আলাদা। এখানে আপনি যেন সবধরণের সম্পর্ক নিয়ে ভাবতে পারেন। যেটা কিনা পাঁচ বছর আগেও হয়তো ভাবা যেত না।”

কিন্তু যেভাবে শেনঝেন গড়ে উঠছিল, সেটা যে সবাই পছন্দ করছিল তা নয়।

যারা চাইছিল মার্কসবাদী আদর্শের ভিত্তিতে চীনের রাজনৈতিক অর্থনীতির ভিত্তি রচিত হোক, তাদের কাছে মনে হচ্ছিল শেনঝেনের এই পরীক্ষা একটা বেশি তাড়াতাড়ি হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু লোকজন কিন্তু শেনঝেনকে পছন্দ করছিল ঠিক একারণেই।

ইয়ং ইয়া এখন একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি বলছিলেন, শেনঝেন ছিল যেহেতু একেবারে নতুন, এবং এটি সবসময় বদলাচ্ছিল, কাজেই এখানে কারও কোন স্থানীয় পরিচয় তৈরি হচ্ছিল না, যেটা অন্য কোন শহরে বেড়ে উঠলে হয়।

“একটা শহরের যে কোন চরিত্র নেই, সেটাকে একটা র্দুবলতা বলেই আপনার মনে হবে। কিন্তু শেনঝেনের এই দুর্বলতাই হয়তো তার শক্তি। যখন কোন শহরের বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্য থাকে না, তখন সেটার জন্য আপনার কোন দায়িত্ববোধও থাকে না। আমি বলবো শেনঝেন একটা মুক্ত শহর, স্বাধীন শহর।”

সূত্র :  বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় ছাত্রলীগের ইফতার মাহফিল

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আযোজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল হলরুমে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবু’র সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সামছুর রহমান রাজু’র পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সভাপতি প্রভাষক মাহবুবুল হক ডাবলু, যুবলীগ নেতা নুরুজ্জামান জুলু, উপজেলা তাঁতীলীগ আহবায়ক এম এম সেলিম রেজা, তরুণলীগ আহবায়ক ইদ্রিস আলী, যুগ্ম আহবায়ক আজহারুল ইসলাম ও রিপন হোসেন, সাতক্ষীরা জিয়া হল ছাত্রলীগ সেক্রেটারী রবিউল ইসলাম, সমাজ সেবক মোঃ রফিক আহম্মেদ, বুধহাটা ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ সভাপতি কেসমত আলী, সেচ্ছা সেবকলীগ সহ সভাপতি তাইজুল ইসলাম ও ইউনুছ আলী, যুবলীগ নেতা মোঃ রুবেল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান হোসেন, শিমুল গাজী, মুত্তাদীর হোসেন, মনিরুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দেশ ও জাতির শান্তি সমৃদ্ধি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফিরাত ও সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রূহের মাহফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মোসবাউল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়তনে ইফতার উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায়  সভাপতিত করেন প্রেক্লাবের সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএমডি মোস্তাকিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানা, থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিদুল ইসলাম শাহীন, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রুহুল আমীন, জেলা পরিষদের সদস্য এসএম দেলোওয়ার হোসেন, মহিতুর রহমান, ওসি তদন্ত আক্তারুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান আ.ব.ম মোসাদ্দেক, এসএম রফিকুল ইসলাম, স, ম সেলিম রেজা মিলন, ম. মোনায়েম হোসেন,্ প্রাক্তন চেয়ারম্যান স.ম সেলিম রেজা সেলিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেলিম খান, নির্বাচন অফিসার রাকিবুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, সমাজসেবক ঢালী সামছুল আলম, আ’লীগ নেতা রাশেদ সরোয়ার শেলী, প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা একেএম ইমদাদুল হক, সুবোধ চক্রবর্তী, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জিএম আল ফারুক, সাবেক সেক্রেটারি এসএম আহসান হাবিব, আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক সোহরাব হোসেন, সাংবাদিক এস এম সাহেব আলী। প্রেসক্লাবের যুগ্মসম্পাদক মাসুদুর রহমানের উপস্থাপনায় এসময় সাংবাদিক সমীর রায়, আলী নেওয়াজ, গোলাম মোস্তফা, আকাশ হোসেন সাংবাদিক আমীর হামজা, হাসান ইকবাল মামুন, মনিরুল ইসলাম মনি, আব্দুল বারিসহ সমাজের সর্বস্তরের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মসজিদের ইমাম মাওঃ আঃ গফফার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতি আসনে ৩ জন প্রার্থী বাছাই করছে আ. লীগ

আসনভিত্তিক মনোনয়ন পাবেন একজন। কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রত্যেক আসনে তিন জন করে প্রার্থী বাছাই করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা প্রত্যেক আসন থেকে তিন জন প্রার্থীর নাম বাছাই করার কাজে সম্পৃক্ত হয়েছে। এছাড়া দলের কতিপয় নেতাকেও এ কাজের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
নেতাদের ভালো-মন্দ নিয়ে গণমাধ্যমে  প্রকাশিত তথ্যও আমলে নেওয়া হচ্ছে বাছাই প্রক্রিয়ায়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। দলটির মনোনয়ন বোর্ডের দুজন সদস্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সভাপতিমণ্ডলীর একাধিক সদস্যও দুই/তিন সেট প্রার্থী বাছাইয়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের দুই নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হলো- আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে কোথাও প্রার্থীর ক্যারিশমা, আবার কোথাও দলের ক্যারিশমাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাই প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি আসনে তিন জন  প্রার্থী বাছাই করে রাখছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে। সভাপতির ঘনিষ্ঠ এই নেতারা আরও জানান, আগামী নির্বাচনকে শেখ হাসিনা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন।

জানা গেছে, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া হচ্ছে- দলের নেতাকর্মীদের কাছে ‘গুড ইমেজ’ আছে কিনা, রাজনীতিক হিসেবে এলাকায় কতটা পরিচিত, সংগঠক হিসেবে কতটা দক্ষ,  সততা, নিষ্ঠা, শিক্ষা ও দলের জন্যে ত্যাগ-তিতীক্ষা কেমন, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।।

প্রত্যেক আসনে বাছাই করা এসব প্রার্থীর মধ্য থেকেই আগামী নির্বাচনে নৌকার টিকিট দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এরসঙ্গে তৃণমূল থেকে পাঠানো তালিকাও দেখা হবে। তৃণমূলের পাঠানো নামের সঙ্গে বাছাই করা তালিকার নামগুলো আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এরপর চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের তিন জন নেতা জানান, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাসহ একাধিক মাধ্যম জড়িত। একাধিক মাধ্যমে উঠে আসা ‘কমন’ নামগুলো সর্বাদিক গুরুত্ব পাবে।

এ প্রসঙ্গে জানাতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনও প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার আগে বিভিন্ন ভাবে যাচাই-বাছাই করেন। এবার আগে থেকেই এ যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছেন তিনি।’ তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এবার সবচেয়ে সেরা প্রার্থীদের হাতে নৌকার টিকিট তুলে দেবেন দলীয় সভাপতি।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘প্রার্থী বাছাই করার কাজ চলছে অনেক আগ থেকেই।  বিভিন্ন সংস্থাসহ একাধিক মাধ্যমে এই বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গ্রহণযোগ্যরাই পাবেন আগামী নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন।’

দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘প্রার্থী যাছাই-বাছাই আওয়ামী লীগের রুটিন কাজ। তাই এ কাজগুলো নির্বাচন পর্যন্ত চলবে।’ তিনি বলেন, ‘আগামীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে বলে আমরা আশা করি। তাই প্রস্তুতিও পরিকল্পনা মাফিক নেওয়া হচ্ছে।’

এদিকে গত মঙ্গলবার (২০ জুন) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে আওঢামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংস্থা তথ্য সংগ্রহ করছে। এর ভিত্তিতেই আগামী নির্বাচনে এমপি মনোনয়ন দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই অগ্রহণযোগ্যদের এবার মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে স্কুলে নেই ক্লাসরুম, নেই বাড়ির কাজ

নিউজিল্যান্ডে গড়ে উঠেছে দারুণ মজার এক স্কুল। সেই স্কুলে ক্লাসরুম নেই, চেয়ার টেবিল নেই। খোলা মাঠে শিশুরা খেলছে, গাছে উঠছে, পানিতে মাছ ধরছে। আর বাড়ির কাজ? তার তো কোনো বালাই-ই নেই।

স্কুলটির নাম ডিপ গ্রিন বুশ স্কুল। মজার এই স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা জো মনকার্জ। স্কুলটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা এটাকে স্কুল বলি ঠিকই, কিন্তু এখানে স্কুলের মতো কিছু নেই। আমরা কখনো শিশুদের বলি না যে এখন শেখার সময়। যখন তাদের এটা করতে ইচ্ছে করে তখন তারা এটা করে।’

আগে প্রথাগত স্কুলগুলোতে শিক্ষকতা করতেন মনকার্জ। পাঁচ বছর সেখানে কাজ করার পর হতাশ হয়ে তিনি সেই কাজ ছেড়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ডিপ গ্রিন বুশ স্কুল। যেখানে নেই ক্লাসরুমের কোনো দেয়াল, চেয়ার বা পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়।

মূলধারার স্কুলগুলো শিশুদের ভবিষ্যতের বৈশ্বিক সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করতে শেখায় না এমন ভাবনা থেকে মনকার্জ তাঁদের স্কুলের জন্য পরিকল্পনা করেছেন। যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার কথা মাথায় রেখে এখানে শিশুদের শিকার, সংগ্রহ এবং টিকে থাকার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আবহাওয়া ভালো থাকলে বেশিরভাগ সময় বাইরেই কাটায় শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ঝোপঝাড়ে ঘুরে বেড়ায়, মাছ ধরে, শিকার করে, কীটপতঙ্গ ধরে এবং বিভিন্ন গাছ ও গুল্ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানে।

যখন শিক্ষার্থীরা নিজেরাই আগ্রহী হয় তখন তাদের নিজ নিজ দক্ষতা অনুযায়ী পড়তে, লিখতে ও অঙ্ক করতে শেখানো হয়। তখন নয়, যখন শিক্ষকরা প্রয়োজন মনে করেন। মনকার্জ বলেন, ‘আমরা প্রথাগতভাবে বাচ্চাদের সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করি না। আমাদের অভিভাবকরা মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের সন্তানদের অখুশী এবং চাপের মধ্যে থাকতে দেখেন। কিন্তু একজন শিশুর কি স্কুল থেকে অসন্তোষ হয়ে বাড়ি ফেরা উচিত? কিন্তু বেশিরভাগ মূলধারার স্কুলে তাই হয়।’

স্বাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিউজিল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বুশ গ্রিন স্কুলটির নিবন্ধন করা। যুক্তরাজ্যের সামারহিল স্কুল থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এই স্কুলটি তৈরি করা হয়েছে। জানুয়ারিতে স্কুলের কার্যক্রম শুরু পর থেকে নিউজিল্যান্ডের অন্য শহর ও অন্য দেশ থেকে স্কুলের শাখা খোলার অনুরোধ আসতে শুরু করে মনকার্জের কাছে।

ধীরে ধীরে মূল ধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চান মনকার্জ। তিনি বলেন, তাঁরা আলাদা বা বিশেষ ধরনের কোনো শিক্ষা দিচ্ছেন না। লাখ লাখ বছর ধরে অভিভাবকরা এভাবেই তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তারা শুধু সেই পদ্ধতিন নতুন করে প্রয়োগ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরব তাড়িয়ে দিচ্ছে কাতারি উট‍-ভেড়া!

সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে মাখামাখির ধোঁয়া তুলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারকে ‘একঘরে’ করেছে সৌদি আরবসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে কাতারের নাগরিকরা। দ্বন্দ্বের জল এতদূর গড়িয়েছে যে ছাড় পাচ্ছে না দেশটির নিরীহ পশুও। কাতারকে বিপাকে ফেলতে নতুন চাল হিসেবে সৌদি থেকে ১৫ হাজার কাতারি উট ও ভেড়া তাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার!

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দ্য পেনিনসুলা নামে কাতারের একটি সংবাদমাধ্যম জানায়, সৌদি আরব থেকে সাত হাজার উট ও পাঁচ হাজার ভেড়া কাতারে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে আল-রায়া নামে দেশটির আরেকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে গৃহপালিত পশুর প্রকৃত সংখ্যাটি হবে ২৫ হাজার।

কাতারে গৃহপালিত পশুর মধ্যে প্রধান হচ্ছে উট। দৌড় প্রতিযোগিতা, মাংস ও দুধের জন্য দেশটিতে প্রায় ২২ হাজার উট পালন করা হয়।  তবে ছোট্ট দেশ কাতার স্থানসংকুলান না করতে পেরে প্রতিবেশী দেশ সৌদিতে চারণভূমি ভাড়া নিয়ে গৃহপালিত পশু পালন করত তারা। সম্পর্ক ভাঙার পর এখন কাতারকে এ সুযোগ দিতেও নারাজ সৌদি।

সৌদির চারণভূমিতে উট পালন করেন আলী মাগারেহ (৪০)। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবে গিয়ে আমাদের উট দেখাশোনা করি, আর দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে থাকি। রাজনৈতিক বিষয়ে জড়ানোর আমাদের কোনো ইচ্ছে নেই। আমরা আসলেই সুখে নেই।’

এদিকে প্রতিবেশীদের নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তে বেশ সমস্যায় পড়েছে কাতার। দেশটির শতকরা ৮০ শতাংশ খাবার আমদানি নির্ভর। কিন্তু প্রতিদেশীদের সঙ্গে স্থল ও আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধের পর বন্ধ হয়েছে আমদানি। এতে খাবারশূন্য হয়ে পড়েছে কাতারের বাজারগুলো। এভাবে বিশ্বনেতাদের ‘মাথাব্যাথার’ ভাগ অনিচ্ছাস্বত্ত্বের নিতে হচ্ছে  দেশটির জনগণকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোনালদোর গোলে পর্তুগালের জয়

বরূপে ফিরলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। অধিনায়কের ছন্দে ফেরার দিনে পর্তুগালও জয় নিয়ে ছেড়েছে মাঠ। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার একমাত্র লক্ষ্যভেদে স্বাগতিক রাশিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। এই জয়ে কনফেডারেশনস কাপে প্রথম জয় পেল ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা, তাতে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষস্থানটাও দখল করেছে রোনালদোর পর্তুগাল।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে কনফেডারেশনস কাপের মিশনে নেমেছেন রোনালদো। মেক্সিকোর বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি চারবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। দুর্দান্ত ফুটবল খেলেও মেক্সিকোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয় পর্তুগালকে। কাজানের ওই ম্যাচে গোলহীনভাবে কাটানো রোনালদো রাশিয়াকে পেয়েই উঠলেন জ্বলে। ম্যাচ ঘড়ির অষ্টম মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে সেলেকাওদের নেন এগিয়ে। শেষ পর্যন্ত রিয়াল উইঙ্গারের গোলটাই গড়ে দেয় ম্যাচের ফল।

স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পর্তুগাল। ফলও পেয়ে যায় দ্রুত। অষ্টম মিনিটে দুর্দান্ত এক হেডে ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে নেন অধিনায়ক রোনালদো। বাঁ প্রান্ত থেকে রাফায়েল গুয়েরেইরোর বাড়ানো লম্বা ক্রস ছোট বক্সের ভেতর থেকে চমৎকার হেডে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

দ্বিতীয় গোলও পেয়ে যেতে পারতেন রোনালদো। ৩২ মিনিটে তৈরি করা সুযোগটা যদিও কাজে লাগেনি। একক প্রচেষ্টায় রাশিয়ার এক ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়েছিলেন বক্সের ভেতর, এরপর ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া তার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন রাশিয়ান গোলরক্ষক ইগোর আকিনফেভ। গোল শোধে মরিয়া রাশিয়া প্রথমার্ধে সবচেয়ে ভালো সুযোগ পেয়েছিল ৪১তম মিনিটে। যদিও আলেক্সান্দার গোলোভিনের নিচু ক্রস ফাঁকায় দাঁড়ানো ফেদোর স্মলোভ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে জমজমাট লড়াই। স্বাগতিকদের চেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেছে পর্তুগাল। অবশ্য গোলের দেখা না পেলেও অষ্টম মিনিটে দেওয়া রোনালদোর গোলটাই স্বস্তির জয় এনে দেয় তাদের। এই জয়ে দুই ম্যাচ শেষে পর্তুগাল ৪ পয়েন্ট নিয়ে বসেছে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রাশিয়া। গোল ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ‘ধর্মপ্রাণ হ্যাপী’

বাংলাদেশের বিতর্কিত ও আলোচিত নবীন মডেল-নায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপীকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপি। ঝলমলে ফিল্মি দুনিয়া ছেড়ে তার ধার্মিক হয়ে ওঠার দিকটিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এতে। বুধবার (২১ জুন) প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

অভিনেত্রী থেকে হ্যাপীর হিজাব পরে ঘোরাফেরা সবার মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে বলে জানায় এএফপি। ২২ বছর বয়সী এই নায়িকার ধার্মিক হয়ে যাওয়াটা দেশের রক্ষণশীলতাকেই উপস্থাপন করে বলে মনে করা হচ্ছে।
হ্যাপীর রূপান্তর নিয়ে প্রকাশিত ‘হ্যাপি থেকে আমাতুল্লাহ’ গ্রন্থের মাধ্যমে তার ইসলামের আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায় বলে উল্লেখ করেছে সংবাদ সংস্থাটি। জানা গেছে, তারকাখ্যাতি ছেড়ে ইসলামি মনোভাবে ডুবে থাকার ফলে তাকে নিয়ে প্রকাশিত বইটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে পাঠকদের মধ্যে। তাই এর পুনর্মুদ্রণ হচ্ছে।

‘হ্যাপী থেকে আমাতুল্লাহ’ র প্রকাশক মাক্তাবাতুল আজহারের স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ এএফপিকে বলেছেন, ‘দেশের সব জায়গা থেকে অর্ডারের বন্যায় ভাসছি আমরা! তারকা জীবনযাপন ছেড়ে হ্যাপী কীভাবে ধর্মপ্রাণ হয়ে উঠলেন তা জানতে সবার মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ।’
২০১৩ সালে ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবির মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক হয় হ্যাপীর। তবে ২০১৪ সালের শেষের দিকে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়। যদিও বইতে রুবেলের কোনোদিক তুলে ধরা হয়নি। রুবেলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটার পর রাতারাতি তাবলীগ জামাতে যোগ দেন হ্যাপী। এর মাধ্যমে জীবনের অতীত ভুলতে চেয়েছেন তিনি।
হ্যাপীর সাক্ষাৎকার নেওয়ার অনুমতি পেয়ে বইটি যৌথভাবে লিখেছেন আবদুল্লাহ আল ফারুক ও সাদেকা সুলতানা সাকি দম্পতি। এ গ্রন্থের প্রচ্ছদে বলা হয়েছে, ‘সাবেক অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপীর দ্বীনের পথে উঠে আসার অশ্রুভেজা ঈমানদীপ্ত সাক্ষাৎকার’।
ফারুক এএফপিকে বলেন, ‘ধার্মিক হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে নিজের ব্যক্তিগত সব ছবি মুছে ফেলতে শুরু করেন হ্যাপী। এরপর ফিল্মি দুনিয়ার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। নিজের নাম বদলে রেখেছেন আমাতুল্লাহ। এখন বোরকা ব্যবহার করেন তিনি। এমনকি হাত থেকে পা অবধি ঢেকে ঘর থেকে বের হন। লোকচক্ষুর আড়ালে গিয়ে কোরআন পড়তে মাদ্রাসায় ভর্তি হন তিনি।’
অতীতকে চিরতরে ভুলতে নিজের সবশেষ ছবি ‘রিয়েল ম্যান’-এর মুক্তি ঠেকাতে লড়েছিলেন হ্যাপী। যদিও সফল হননি তিনি। বইতে নিজের রূপান্তর প্রসঙ্গে দুই লেখককে হ্যাপী বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে নবজন্ম হলো আমার। এখন আর অতীতের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই আমার। ওটা অন্য একটা মেয়ের গল্প ছিল।’
আবার কখনও তারকা জীবনে ফিরবেন কিনা প্রসঙ্গ টেনে আনলে হ্যাপী বইটির দুই লেখককে বলে দিয়েছেন, ‘নরকের আগুনে আর পুড়তে চাই না।’
সূত্র: এএফপি, ডেইলি মেইল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest