সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

খন্দকার আনিসুর রহমান আনিস : যুবলীগে যোগদান উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় হাটের মোড়স্থ ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের আয়োজনে যুবলীগের অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইউসুফ সুলতান মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ সাহিদ উদ্দীন। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের মেহেদী হাসান, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের হাসিব ও বিপ্লব, ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াছ কবির, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফসহ যুবলীগের কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার পরিচালনায় জেলা যুবলীগের আহবায়ক বলেন, সাতক্ষীরা যুবলীগ রাজনীতি করে মাটি ও মানুষের জন্য। যারা জামাত শিবিরের রাজনীতি করে তাদের সাতক্ষীরার মাটিতে স্থান নেই। যুবলীগ সাতক্ষীরার মাটিতে যা বলে তাই করে দেখায়। সেটা বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে করে দেখিয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনেও দেখিয়ে দেবে। যুবলীগ কোনো কুচক্রী মহলের কাছে মাথা নত করবে না। তিনি ওয়ার্ড, ইউনিয়নসহ সকল পর্যায়ে যুবলীগের নেতাকর্মীদের শক্তিশালী হওয়ার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, স্বাধীনতা পর দেশের খাদ্য গুদামে কোনো খাদ্য ছিলনা। ছিলনা বেচে থাকার মতো পরিবেশ। তখন বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে দেশ পুর্নগঠনের কাজে আত্ম নিয়োগ করেন। আজকে আমরা স্বাধীনভাবে বেচে থাকার যে অধিকার ভোগ করছি সেটা বঙ্গবন্ধুরই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পাশে থেকে কাজ করার জন্য যুবলীগের সকল স্তরের নেতা কর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ জানান তিনি। পরিশেষে তিনি অরো বলেন, আগামী নির্বাচনে নৌকার জয় নিশ্চিত করতে যুবলীগসহ সকল স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : এবার সাতক্ষীরায় বিলর রোগে আক্রান্ত শিশু ইব্রাহিমের পাশে দাড়ালেন চট্টগ্রামের সিভিও পেট্রো ক্যামিক্যাল বিভাইনারী লিঃ এর চেয়ারম্যান শামসু আলমগীর। তিনি রবিবার বিকালে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তারের মাধ্যমে ৫০হাজার টাকা শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রদান করেন। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ৩নম্বর ওয়ার্ডের ১নং বেড়ে মৃত্যুর মুখে থাকা শিশু ইব্রাহিমকে ইব্রাহিমের মায়ের হাতে চিকিৎসার জন্য সহায়তা তুলে দেন এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সার্বিক খোঁজ খবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আকরামুল ইসলাম, আল হুসাইন অমি, শিশুটির বাবা শেখ জয়নাল আবেদীন এবং মামা শেখ কামরুল ইসলামসহ পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। তার পিতা সকলের কাছে দোয়া ও সমাজের বিত্তশালী ও হৃদয়বান মানুষের কাছে অসুস্থ শিশু ইব্রাহিমের জন্য সহায়তার আহব্বান জানান।
এগার মাস বয়সী শিশু ইব্রাহিম সাতক্ষীরা সদরের লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের শেখ জয়নাল আবেদীনের ছেলে। শহরের বড় বাজার এলাকার ফল ব্যাবসায়ী বাবা ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে সবটুকুই শেষ করে ফেলেছেন। এরপর থেকেই অবহেলা আর অনাদরে শিশু ইব্রাহিমের মৃত্যুর প্রহর গুনছিলো পরিবারটি।
বাচ্চাটিকে সুস্থ করতে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন বাচ্চাটির বাবা শেখ জয়নাল আবেদীন (০১৭১৯৪৮২২৯৯)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সরকার-সমর্থক সাংবাদিকদের দুটি সংগঠন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর অপসারণ দাবি করেছে। রোববার সচিবালয়ের পশ্চিম পাশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের উদ্যোগে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ দাবি করা হয়।

সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো নবম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা না করা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বহাল রাখার পক্ষ নেয়ার প্রতিবাদে এ অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হয়।

বিএফইউজের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুলের সভাপতিত্ত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন বিএফইউজের মহাসচিব ওমর ফারুক, ডিইউজের সভাপতি শাবান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা প্রমুখ।

মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, যদি আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে নবম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা না করা হয় এবং ৫৭ ধারা বাতিলের ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে তথ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান ও খবর বর্জন করার মতো কর্মসূচি নয়া হতে পারে। তবে এটা কবে থেকে হবে, তা পরে ঠিক করা হবে।

৫৭ ধারার পক্ষে অবস্থান নেয়ায় সরকারের নিকট তিনি তথ্যমন্ত্রীর অপসারণ দাবি করেন।

অবস্থান কর্মসূচি শেষে একটি মিছিল আশপাশের রাস্তা প্রদক্ষিণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভালো কলেজে ভর্তির প্রলোভন দেখিয়ে সদ্য এসএসসি পাস করা এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর মাসহ তার মাথা ন্যাড়া করার মামলায় বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আক্তার রুমকি ও তার মা রুমিকে পাবনা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী পূর্বপশ্চিমকে জানান, রোববার রাত প্রায় পৌনে ৮টায় পাবনা শহর থেকে তাদেরকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে। ওই তিনজন ছাড়াও আরও কয়েকজন আসামী রয়েছে। তুফানের স্ত্রী আশাকে গ্রেফতারে কয়েকটি টিম মাঠে নেমেছে। আশা করছি দ্রুত সে গ্রেফতার হবে।

এর আগে, ওই ঘটনায় রোববার বিকালে মামলার প্রধান আসামি শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকারসহ তিনজনকে ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যামসুন্দর রায় রিমান্ডের আদেশ দেন।

রোববার দুপুরে আসামি তুফান সরকার, তার সহযোগী শহরের চকসূত্রাপুর কসাইপট্টির আলী আজম ওরফে ডিপু এবং কালীতলা এলাকার রূপমকে আদালতে হাজির করে ৭ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। এ ছাড়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি দেওয়ায় আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করা হয়নি। এদিকে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তুফান সরকারকে শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার বিকেলে কলেজে ভর্তি-ইচ্ছুক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বগুড়ার শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকার। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি ও তার সহযোগীরা এবং দলীয় এক নারী কাউন্সিলরকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পেছনে লেলিয়ে দেন। চার ঘণ্টা ধরে তারা ছাত্রী ও তার মায়ের ওপর নির্যাতন চালান। এরপর দু’জনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেন।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার, তার স্ত্রী আশা সরকার, আশা সরকারের বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আক্তারসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দুটি মামলা করেছেন।

এদিকে ধর্ষণের শিকার কিশোরী এবং তার মা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) নূরে আলম সিদ্দিকী চিকিৎসাধীন মা-মেয়েকে দেখতে বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে যান। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি মেয়েটিকে চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ ছাড়া ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে কলেজে ভর্তির ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান ডিসি।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ প্রধানের নেতৃত্বে কমিটিতে আছেন—জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক শহীদুল ইসলাম খান ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানাকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে। আর বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে করা হয়েছে কার্যনিবার্হী কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গত ৩৬ বছর ধরেই আওয়ামী লীগের সভাপতি। তবে তার ছোট বোন শেখ রেহানা দূর থেকেই সহযোগিতা করে আসছেন। এতদিন তিনি দলের কোনো পদে আসেননি।

গত ১৭ জুলাই টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। শেখ রেহানাকে ওই কমিটির উপদেষ্টা ম-লীর তিন নম্বর সদস্য ও শেখ হাসিনাকে কার্যনির্বাহী কমিটির এক নম্বর সদস্য করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন নেতারা। সম্প্রতি এই কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা কমিটি।

টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার খায়ের জানান, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক জানান, ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে  প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ আব্দুল হালিম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ আবুল বশার খায়েরের নাম ঘোষণা করেন।

এরপর চলতি বছরের ১৭ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের  ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৫৭ জন কার্য নিবাহী কমিটিতে ও ১৪ জনকে উপদেষ্টাম-লীর সদস্য করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ১১দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের সাতক্ষীরা জেলা শাখার শিক্ষক কর্মচারীর সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সমাবেশে সভাপতি করেন জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের আহবায়ক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান। সমাবেশে বক্তারা তাদের দাবি তুলে ধরেন। দাবি গুলো হলো- সুনিদিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষা জাতীয় করণ, কল্যান ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের অতিরিক্ত কর্তন প্রত্যাহার, ৫% প্রবৃদ্ধি, ইনক্রিমেন্ট, বৈশাখী ভাতা, পুর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ভাতা, পূর্ণাঙ্গ বাড়ি ভাড়া, পূর্ণাঙ্গ পেনশন, নন এমপিও শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করণ, অনুপাত প্রথা বিলুপ্ত করে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি, কর্মচারীদের চাকরি বিধি বাস্তবায়ন, কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষায় বৈষম্য দুর, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্ট সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সকাল ১০টায় শিক্ষক কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ এ আর এম মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতির সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ খান আশরাফ আলী, অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, অধ্যক্ষ ইনামুল ইসলাম, অধ্যক্ষ জাফর আলম বাবু, উপাধ্যক্ষ ময়নুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ সিদ্দিক, আব্দুল মালেক, নূর মোহাম্মদ পাড়, ইদ্রীস আলী, আবুল খায়ের, সালেহা আক্তার, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রভাষক তপন কুমার, আব্দুস সালাম, কর্মচারী ফেডারেশনের জেলা সভাপতি আব্দুল ওহাব আজাদ প্রমুখ। শিক্ষকবৃন্দ সমাবেশ শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিল সহকারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারক লিপি গ্রহণ করেন আরডিসি মোঃ ময়নুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : “বিরোধী দলীয় নেতা থাকাকালীন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িতরা নতুন করে সংগঠিত হচ্ছেন। এ ঘটনা নিয়ে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। মামলা চলাকালে বিভ্রান্ত হচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আইনজীবীরাও।” রোববার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব একথা বলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার আবুবকর সিদ্দিক। এ সময় তার সাথে অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারাও উপস্থিত ছিলেন।
তারা বলেন, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট ধর্ষণের শিকার হিজলদি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা পতœী মাহফুজা খাতুনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে দেখে যশোর যাবার পথে কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সৃষ্ট মামলার বাদি হন কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মোসলেমউদ্দিন। তিনি বলেন, গত ২৭ জুলাই মামলার ধার্য দিনে তাকে বিবাদি পক্ষের আইনজীবী এড. আবদুল মজিদ নানাভাবে জেরা করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা মোসলেমউদ্দিনকে সাতক্ষীরা হাসপাতালের করোনারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অসুস্থতার জন্য তারা এড. আবদুল মজিদের জেরা করাকে দায়ী করেন। মুক্তিযোদ্ধারা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এড. আবদুল মজিদ জানান, বাদি মো. মোসলেমউদ্দিন সেদিন আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের সামনে জবানবন্দি দিচ্ছিলেন। জবানবন্দি শেষ হবার মূহুর্তে বয়োঃবৃদ্ধ ব্যক্তি মো. মোসলেম উদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে দিন তাকে জেরা করার কোনো সুযোগ বা কারণও ছিল না। জেরা করার দিন পরবর্তীতে নির্ধারন করা ছিল। একই মন্তব্য করেন আদালত সংশ্লিষ্টরাও। তারা বলেন, সেদিন জেরা করার দিন ছিল না।
এ প্রসঙ্গে বাদির আইনজীবী এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু বলেন, জাবনবন্দি প্রদানের শেষ পর্যায়ে মো. মোসলেমউদ্দিন কথা বলতে বলতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেদিন জেরা করার তো কোনো সুযোগই ছিল না বলে তিনি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : মেহেদির রং না শুকাতেই চিরদিনের মতো হারিয়ে গেলেন স্বামী নাজমুল ও তার স্ত্রী আরিফা। ওমান থেকে দীর্ঘদিন পর স্বদেশে আসা খালা খায়রুন বিবিও আর কোনোদিন হাসিমুখে কথা বলবেন না।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কৈখালি ইউনিয়নের কাঠামারি গ্রামের বাড়িতে আজ রোববার সকালে তাদের মরদেহ পৌছাতেই এভাবেই বিলাপ করছিলেন বাড়ির লোকজন। বাড়ি আর গ্রাম জুড়ে যখন শোকের মাতম, তখন তাদের জন্য বাড়ির পাশেই চলছিল কবর খোড়ার কাজ। বাড়ির কর্তা ৭০ বছরের বৃদ্ধ করিম গাজির প্রত্যাশা ছিল মেয়ে খায়রুন বাড়ি আসছে, আর সত্ত্বরই নাতি নাজমুন আর নাত বৌ আরিফাকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। তার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। মারা গেছেন করিম গাজি তার মেয়ে খায়রুন এবং নাতি নাজমুন আর নাত বৌ আরিফা।
মাত্র ২০ দিন আগে বিয়ে হয়েছিল নাজমুনের সাথে শ্যামনগরের হরিনগর গ্রামের আরিফা খাতুনের। বড় সখ করে ঢাকা বিমান বন্দরে গিয়েছিল তারা। ওমান ফেরত খালা খায়রুনকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য। কিন্তু ঘাতক পরিবহন বাস তাদের সব স্বপ্নকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে।
শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে একটি মাইক্রো বাসে সাতক্ষীরা আসার পথে ফরিদপুরের মধুখালিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে তাদের। একই সাথে প্রাণ হারান মাইক্রো চালক শ্যামনগরের ভুরুলিয়া গ্রামের আনিসুর রহমান (২৫) ও তার হেলপার ভাগনে জাহিদ হোসেন (১৮)। তাদেরকে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মা খায়রুনকে আনতে যাওয়া দুই ছেলে খায়রুল ইসলাম ও সাইফুদ্দিন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখনও ফরিদপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা শংকামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
স্বামী করিম গাজির মরদেহের পাশে বসে অঝোরে কাঁদছিলেন স্ত্রী রুপিয়া বেগম। স্বামী, মেয়ে নাতি ও নাত বৌকে হারিয়ে তিনি এখন পাগলপ্রায়। কোনো সান্তনাই তার শোক দূর করতে পারছে না। ছেলে কৃষিজীবী লুৎফর বিলাপ করে বলছিলেন ‘কেনো ওরা এক সাথে ঢাকায় গেলো। এখন আমরা কাদের নিয়ে বেঁচে থাকবো’।
কৈখালি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম জানান সকাল ৯ টায় তাদের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। নামাজে জানাযা শেষে করিম গাজি, তার মেয়ে খায়রুন ও নাজমুলকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নাত বৌ আরিফাকে দাফন করা হয়েছে তার বাপের বাড়ি শ্যামনগরের হরিনগর গ্রামে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল আজিজ বলেন জানাযায় গ্রামের বহু লোক শরিক হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest