স্বাস্থ্য ও জীবন : দিনের শুরুতে এক কাপ লাল চা যেমন কর্মশক্তি যোগায়, তেমনি দিনের শেষে সাহায্য করে শরীরে ক্লান্তি দূর করতে। লাল চায়ে থিয়োফিলাইন নামক একটি উপাদান রয়েছে যা শরীরকে সতেজ রাখে সবসময়। পাশাপাশি হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী এটি। চাইলে লাল চায়ে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস, আদা কিংবা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি বাড়তি পুষ্টি যোগ করবে চায়ে।
জেনে নিন প্রতিদিন লাল চা পান করা জরুরি কেন-
* লাল চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানসহ এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা মাংস, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
* লাল চা শরীরের যেকোনও অংশে ম্যালিগনেন্ট টিউমারের বৃদ্ধি আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
*লাল চায়ে রয়েছে টেনিস নামক একটি উপাদান যা নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
*নিয়মিত লাল চা পান করলে মস্তিষ্কে রক্তচলাচলের মাত্রা বাড়ে। এতে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
* লাল চা হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
* হার্ট সুস্থ রাখে লাল চা। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। ফলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।
*লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্বাস্থ্য ও জীবন : কাঁঠাল ফলটি বেশ রসালো আর মিষ্টি। তবে কাঁঠালের বিচিও সবজি হিসেবে বেশ সমাদৃত। মাছ-মাংসসহ অনেক তরকারিতে কাঁঠালের বিচির ব্যবহার খাবারের স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অনেকে কাঁঠালের বিচি ভেজে খান আবার অনেকে সেদ্ধ করে পেঁয়াজ মরিচ মাখিয়ে ভর্তা করেও খান। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন এর রয়েছে অনেক গুণ।
বিনোদন ডেস্ক : মেয়েরা কুড়ি পেরোলেই বুড়ি এই কথা ভুল প্রমাণিত করেছেন পাঁচ বলিউড সুন্দরী। তাঁরা বলিউড অভিনেতা বাবা-ছেলে উভয়েরই বিপরীতে নায়িকা হয়েছেন। কয়েকজন তো আবার ‘হাঁটুর বয়সী’ নায়কের সঙ্গেও জুটি বেঁধেছেন। এই পাঁচ বলিউড সুন্দরী হলেন মাধুরী দীক্ষিত, শ্রীদেবী, হেমা মালিনী, ডিম্পল কাপাডিয়া ও অমৃতা সিং।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিয়ে অনুষ্ঠান প্রায় শেষ পর্যায়ে, বাকি কেবল সাত পাকে বাঁধা। মঞ্চের একপাশে বসে কনে, তার পাশে বসে আছে আদরের বোন। শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে নববধূকে আশীর্বাদ করে যাচ্ছেন। একই ভাবে হবু শ্বশুর মশাইও সেখানে এলেন। আর্শীবাদ করার পরেই হবু পুত্রবধুর কপালে উষ্ণ চুম্বন দেবেন তিনি। পাশাপাশি তার বোনকেও একটি চুমু দিলেন। ব্যস আর যায় কোথায়, রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বিয়ের আসর থেকে উঠে গেলেন কনে, সাফ জানিয়েদিলেন এ বিয়ে তিনি করছেন না আর তাতেই ভেঙ্গে গেল বিয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ফাররুখাবাদে।
ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : এইচআইভি সারিয়ে দেবে গরু। এটা কোন গল্প নয়, খোদ মার্কিন বিজ্ঞানীরা দেখেছেন এইচআইভি প্রতিরোধ করার ক্ষমতা গরুর রয়েছে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে, Nature নামের একটি জার্নালে।
বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক আগৈলঝাড়া ও বর্তমানে বরগুনা সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজী তারেক সালমনকে কোনও হাতকড়া পরানো হয়নি বলে বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। অবশ্য সাতক্ষীরার জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরাকেও শুক্রবার সন্ধ্যায় তারেক সালমন নিশ্চিত করেন যে, আদালতে পুলিশ তাকে কোন হাতকড়া পরায়নি।
তালা ডেস্ক : এক টানা বৃষ্টিতে তালা উপ-শহরের অনেক নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও হাঁটু পানি জমেছে। অনেক রাস্তার পাশে জমে থাকা পানিতে চলাচলের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। টানা থেমে থেমে বৃষ্টিতে আজ সকালে উপজেলার মহিলা কলেজ রোড, হাসপাতাল রোড, প্রেসক্লাব মোড়ে, সরকারি কলেজ রোড, মহল্লাপাড়া বাইপাস সড়কসহ তালা বাজারের বেশির ভাগ জায়গায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আগামী ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবাষিকী উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে শনিবার বিকালে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগ্রামী সভাপতি সাবেক ছাত্র নেতা শেখ মারুফ হাসান মিঠুর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্র নেতা কাজী আক্তার হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমান তাজু, প্রচার সম্পাদক আবু ছালেক, সদর আহবায়ক এ্যাড. ফারুক হোসেন, দেবহাটা আহবায়ক মাহবুবল আলম খোকন, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দীন খোকন, লাবসা ইউপি সভাপতি এস এম রহমান, স্বপন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভায় আগামী ২৭ জুলাই সংগঠনের ২৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নের তৃর্ণমূল পর্যায় বৃক্ষ রোপনের কর্মসুচী গ্রহণ করা হয়েছে।