সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যুসৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরার ২৫ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ উল আযহাসাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big TechSoftware de Trading para Inversores en Españaসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী

খোরদো প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ানের খোরদো বাজার থেকে দেয়াড়া বাজার ত্রিমোহীনি ঘাট সড়কের খোরদো বাওড়ের স্লুইস গেট এলাকার রাস্তাট মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

দেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে ওঠার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, চলছে চারদিকে উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ, সেখানে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর খানাখন্দের কারণে পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। সামান্য বৃষ্টিতে এসব সড়কের একাধিক স্থানে গভীর গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে, রাস্তাটি যানবাহন চলাচলে অত্যন্ত সংকীর্ণ চিপা আকৃতি এবং সেই খানাখন্দের চিপা রাস্তা ঘেসে দেওয়া হয়েছে বাওড় ও কপোতাক্ষের পানি রোধক মাটির ডিব্বা! যার কারণে যানবাহন বা অন্যান্য ইঞ্জিন চালিত যানগুলো চলাচলে অনেকটাই ঝুঁকিতে থাকে।যারই কারণে প্রতিদিন ঘটছে একাধিক দুর্ঘটনা। এমনই একটি দুর্ঘটনাপুণ জায়গা।

কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ানের খোরদো এবং পাকুড়িয়া মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত খোরদো দলুইপুর বাওড়স্থ স্লুইস গেটের সামনে রাস্তাটি দীর্ঘ বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এমনকি উক্ত স্থানে রাস্তার বেহাল দশার কারনে ট্রাক উল্টে গিয়ে পুকুরের উপর অবস্থিত অস্থায়ী ঘর বা গ্রামাঞ্চলে বলা হয় (টোং) পুকুরের উপর রাস্তার পাশে অবস্থিত সেখানে ছিল আয়েপালি বিশ্বাস ও তার সহধর্মীনিসহ দুটি জীবনও একই সাথে হারিয়ে মৃত্যু হয়েছিল আনুমানিক ১০-১২ বছর আগে! তারই অনেক পূর্বে থেকেই অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে খোরদো পাকড়িয়া মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত স্লুইস গেট সংলগ্ন জায়গাগুলো। এছাড়াও ঘটে যাচ্ছে নিত্য দিন ছোট বড় নানান দুর্ঘটনা। খোরদো বাজার থেকে দেয়াড়া কাশিয়াডাংগা ত্রিমোহীনি ঘাট এবং সেখান থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন এবং যশোরের কেশবপুর উপজেলা ও মণিরামপুর উপজেলার সঙ্গে দ্রুত সময়ে যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে সবচেয়ে ব্যস্ততম খোরদো বাজার থেকে ত্রিমোহীনি ঘাট ৪-৫ কিলোমিটার সড়কটি। এবং কাজির হাট বাজার থেকে দেয়াড়ার খোরদো বাজার ভায়া কাশিয়াডাংগা ত্রিমোহীনি ঘাট মাইলফলকে উল্লেখ্য সড়ক ১৫/১৬ কিলোমিটার সহজ এবং ব্যস্ততম সড়ক। চলতি বর্ষা মৌসুমে খানাখন্দে ভরা এ সড়ক দিয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষ ও যান চলাচল করছে। সড়কের খোরদোর কিছু অংশ, পাকুড়িয়া স্লুইস গেটের কিছু অংশ, খোরদো বাওড়স্থ ও কপোতাক্ষ নদীর মধ্যবর্তী এলাকায় একাধিক গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি রাস্তা অনেক নিচুঁ । অবস্থায় অবস্থান করাতে কপোতাক্ষ নদ এবং খোরদো দলুইপুর বাওড়ের পানি উপছে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ছোট খাটো ঘের মালিকেরা।খোরদো বাজার থেকে কিছু দুরে অবস্থানরত পাকুড়িয়া স্লুইস গেট এলাকায় পাকা সড়কের পিচ ও ইট উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অবহেলা ও নজরহীন এ সড়কের কোনোই সংস্কার করা হয়নি।
দেয়াড়া ইউনিয়ানের খোরদো বাজার ও পাকুড়িয়ার একাধিক লোক জানান, কলারোয়া উপজেলা ও কাজির হাট সড়ক থেকে দেয়াড়ার খোরদো পাকুড়িয়া কাশিয়াডাংগা ত্রিমোহীনি ঘাট দিয়ে কেশবপুর ও মণিরামপুর যশোর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হওয়ায় সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ট্রাক, মাইক্রোবাস, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যাত্রীবাহী যান যাতায়াত করে ত্রিমোহীনি ঘাট পর্যন্ত। সেখান থেকে ঘাট পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে যশোর কেশবপুর। এ ছাড়া এই এলাকায় একটি কলেজ, কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে প্রতিনিয়ত এই সড়কটি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বলে জানান জনসাধারণ।
কলারোয়া উপজেলা দেয়াড়া ইউনিয়ানের ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন কে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন অনেক আগেই এই রাস্তার সংস্কারের জন্য দেয়াড়া ইউনিয়ানের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা কতৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলেন অবগত করা হয়েছিল কিন্তূ ফলপ্রসূ কোনো ব্যবস্থা হোলো না। তবে এটা সত্যিই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এব্যাপারে ইউনিয়ান পরিষদে পুনরায় চেয়ারম্যান সাহেবকে অবগতি করবো এবং সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশস্ত করেন ভুক্তভোগীদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শনিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক এমপি মুনসুর আহমেদের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের পরিচালনায় বর্ধিত সভায় ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎবার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আগস্ট মাস ব্যাপি আওয়ামীলীগ, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন মাসব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বর্ধিতসভায় জাতীয় শোক দিবসের উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়। সদর এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে আহবায়ক ও আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম সদস্য সচিব, সদস্য যথাক্রমে অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, শেখ সাহিদ উদ্দীন, ফিরোজ আহমেদ, চেয়াম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, শেখ হারুন উর রশিদ, মোঃ আসাদুল হক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাজান আলী ও পৌর সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন প্রমুখ।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, আলহাজ্ব একে ফজলুল হক, এস এম জগলুল হায়দার এমপি, আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দীন, সরদার মুজিব, শেখ হারুন উর রশিদ, শহিদুল ইসলাম, এড. গোলাম মোস্তফা, আসাদুজ্জামান বাবু, ফিরোজ আহমেদ, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ অহেদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল হক নান্টু, জেলা তাতীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান, মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা কাউন্সিলর জোৎস্না আরা, যুব মহিলালীগের সভাপতি ফারহাদিবা খান সাথী ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদর উপজেলা সভাপতি এড. ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় সবার মুখে দীপিকা পাড়ুকোনের নাম। এক ফ্যাশন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কন্যা হিসাবে দেখা মিলল দীপিকার। হলিউড ও বলিউডে ছবির পাশাপাশি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ফটোশুটেও নজর কেড়েছেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।

সম্প্রতি এক ফ্যাশন ম্যাগাজিনের প্রছদ কন্যা হিসাবে ফটোশুট করেন আর সেই ছবিই সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রামে তার সেই ছবিতে বেশ মজেছেন তার ভক্তরা। ব্ল্যাক ওয়েস্টার্ন আউটফিটে তিনি ছিলেন মোহময়ী। ব্ল্যাক আউটফিটের সঙ্গে লাল রঙের জ্যাকেট যোগ করেছে অন্যমাত্রা।

ফটোশুটে দীপিকার এই মোহময়ী লুক ফ্রেমবন্দি করেছেন জনপ্রিয় সেলিব্রিটি ফ্যাশন ফটোগ্রাফার এরিকোস অ্যান্ড্রু। সাদা ক্রপ টপের সঙ্গে কালো ও গোল্ডের কম্বিনেশনের কুল ও ফাঙ্কি স্পোর্টস ওয়্যারে দীপিকার লুক ছিল বেশ স্পোর্টি। কিছুদিন আগেই দীপিকার এক ফটোশুটের ছবি নিয়ে সোশ্যাল সাইটে তাকে ট্রোল করা হয়। তিনি নাকি অপুষ্টিতে ভুগছেন, এমনটাই বলা হয়েছিল অভিনেত্রী সম্পর্কে।

সে কথায় কান না দিয়েই অবশ্য এগিয়ে চলেছেন দীপিকা। একদিকে চলছে ‘পদ্মাবতী’-ছবির শুটিং অন্যদিকে খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে ট্রিপল এক্সের পরবর্তী ছবির শুটিং। তারই পাশাপাশি ফটোশুটে বাজিমাত করে চলেছেন দীপিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

৯.৯৫ সেকেন্ড। এটাই নাকি উসাইন বোল্টের সেরা! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। চলতি মৌসুমের সেরা দৌড়টাই নাকি বোল্ট দিয়েছেন মোনাকো ডায়মন্ড লিগে। তবে ৯.৯৫ সেকেন্ড সময় নিলেও দ্বিতীয় হতে হয়নি বোল্টকে। প্রথমই হয়েছেন।

অ্যাথলেটিক ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে বিদায় নেয়ার আগে নিজেকে প্রস্তুত করে নিচ্ছেন বজ্রমানব। আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, আগামী আগস্টেই বিশ্ব অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে শেষবারেরমত ট্র্যাক আন্ড ফিল্ডে নামবেন তিনি। তার আগে মোনাকো ডায়মন্ড লিগে স্বমহিমায় গতির সম্রাট উসাইন বোল্ট। মন্টে কার্লোর দ্বিতীয় লুইস স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে ১৭০০০ দর্শকের সামনে ১০০ মিটার দৌড় জিতলেন বোল্ট। সে সঙ্গে মৌসুমে প্রথমবারেরমত ১০ সেকেন্ডের ‘বাধ’ ভাঙলেন তিনি।

লন্ডন মিটের আগে নিজের শক্তির পরীক্ষাটা তিনি ভালোভাবেই দিলেন বলা যায়। একই সঙ্গে শারীরিক অসুস্থতা এবং ইনজুরির বিরুদ্ধে লড়াই করে সফলতা অর্জন করাও বলা যায়। জার্মান ডাক্তার হ্যান্স মুলার ওলফহার্টের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। কতটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন, নিজে কতটা ফিট হতে পেরেছেন তারই পরীক্ষা হলো মোনাকো ডায়মন্ড লিগে।

আগামী মাসে লন্ডন মিটে যদি নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারেন বোল্ট, তাহলে এটা হবে ৩০ বছর বয়সে এসে নিজের ১২তম বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পদক। মোনাকো ডায়মন্ড লিগে বোল্টের শুরুটা ছিল মোটামুটি। এরপর দ্রুতই নিজেকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে আলাদা করে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফিনিশিং লাইনটাও টাচ করলেন সবার আগে। চলতি মৌসুমে এর আগে ১০.০৫ এবং ১০.০৩ সেকেন্ড সময় নিয়েছিলেন ১০০ মিটার শেষ করতে।

ডায়মন্ড লিগে দ্বিতীয় হয়েছেন ইসিয়া ইয়ং। তিনি সময় নিয়েছেন ৯.৯৮ সেকেন্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “বিএনপি তাদের মুখের বিষ দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ” শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা টোল প্লাজায় ‘টাচ অ্যান্ড গো’ সিস্টেমে টোল আদায়ের নতুন পদ্ধতির উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী একথা বলেন।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি একদিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায়, অন্যদিকে নিজেরাই রাজনৈতিক পরিবেশটাকে বিষাক্ত করছে তাদের মুখের বিষ দিয়ে। ব্যক্তিগত বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্য মুখের বিষের মতো; যা রাজনৈতিক পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ”

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপির নাকি পালিয়ে যাওয়ার রেকর্ড নেই। অথচ বাংলাদেশের মানুষ জানে পালিয়ে যাওয়ার রেকর্ড রাজনীতিতে এ দেশে কেবল বিএনপিরই। অন্য কোনো দলের নয়। ”

সেতুমন্ত্রী জানান ‘তাদের (বিএনপির) আরেক লিডার কয়েক বছর ধরে লন্ডনে আছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সাজানো গল্প বলছেন, কিন্তু আসল গল্পটা কি ভুলে গেলেন, সত্যটা কি ভুলে গেলেন? রাজনীতি করব না এই মুচলেকা দিয়ে কে সেদিন লন্ডনে পাড়ি জমিয়েছিল? আজও ফিরে আসেনি। তো পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস কার?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাঁঠাল ফলটি বেশ রসালো আর মিষ্টি। তবে কাঁঠালের বিচিও সবজি হিসেবে বেশ সমাদৃত। মাছ-মাংসসহ অনেক তরকারিতে কাঁঠালের বিচির ব্যবহার খাবারের স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অনেকে কাঁঠালের বিচি ভেজে খান আবার অনেকে সেদ্ধ করে পেঁয়াজ মরিচ মাখিয়ে ভর্তা করেও খান। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন এর রয়েছে অনেক গুণ।

পুষ্টিবিদরা গবেষণায় দেখিয়েছেন, কয়েক রকমের আলসারের বিরুদ্ধেও জোর লড়াই করার মতো শক্তি আছে কাঁঠাল বিচির। এছাড়া এটি শরীরের ম্যাজমেজে ভাব এবং হজমের গোলমাল তাড়াতে দারুণভাবে কার্যকর। কাঁঠালের বিচি তরকারির মধ্যে আলুর বিকল্প হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম বিচিতে পাওয়া যায় প্রায় ১৩৫ কিলো ক্যালরি। এটি কমপ্লেক্স কার্বো হাইড্রেটের একটি দারুণ উৎস। এছাড়া ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন এ, সি এবং কয়েক প্রকার ভিটামিন বি পাওয়া যায় কাঁঠাল বিচির মধ্যে। এর বাইরেও এটি আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাসও যোগান দিতে পারে।

কাঁঠালের বিচিতে আছে লিগনান্স, আইসোফ্লেভোনস এবং স্যাফোনিন্স। এদেরকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট বলা হয়ে থাকে। এগুলোর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অনেক। এদের আছে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা। এছাড়া দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারে এসব উপাদান। এগুলো আবার এন্টি অক্সিডেন্ট। ফলে শরীরের অনেক জটিল রোগের উপকারও করতে পারে কাঁঠালের বীজের মধ্যে প্রাপ্ত উপাদানগুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

একটি সভ্য সমাজের সুস্থ মানুষরা পরিবারের মৃত মানুষের দেহের সঙ্গে জীবনযাপন করছেন। এটাই নাকি তাঁদের সামাজিক রীতি! অবাক করা এই রীতি ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসির টোরাজা উপজাতির। মৃত্যু, জীবনের শেষ এখানেই। এটাই চরম সত্য। কিন্তু এই সত্যটিকেই মানেন না ইন্দিনেশিয়ার এই গ্রামের মানুষ। তাঁদের কথায়, ‘ওঁরা মারা যেতে পারে। কিন্তু তবুও ওঁরা আমাদের জীবনেরই অঙ্গ। ‘

প্রিয়জন মারা গেলে তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেওয়া, অথবা কবর দেওয়া হয়। এটাই সাধারণ সমাজের রীতি। কিন্তু সুলাওয়েসির মানুষরা একটু আলাদারকমভাবে চিন্তা করেন। তাঁদের দাবি একজন মারা গেলেন মানেই তিনি আমাদের থেকে চিরদিনের মতো চলে গেলেন তা নয়। তাঁরা মনে করেন মৃতরা যতদিন তাঁর কাছের মানুষদের কাছে থাকবেন ততই ভালো, কারণ এই জগতের মায়া কাটাতে যেমন তাঁদের সময় লাগে। তেমনই এই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে ইহজগতের মানুষেরও। পুড়িয়ে বা কবর দিয়ে দিলে সেই সময়টা পাওয়া যায় না।

এই সময়কে মানিয়ে নেওয়ার আজব রীতি চলে মাসের পর মাস ধরে। কিছুক্ষেত্রে এই প্রথা চলে বছরের পর বছর ধরে। মৃতদের দেহ একটি আলাদা ঘরে এনে রেখে দেন তাঁরা। তারপর নিয়ম করে প্রত্যেক দিন দু বেলা খেতে দেওয়া হয় মৃতদেহকে। টোরাজাদের দাবি, শুধু দেহ রেখে দিলেই হয় না। মৃতরা যখন তাঁদের সঙ্গে আছেন তখন ওদের সাধারণ দিনের মতোই খেতে পড়তে দিতে হবে। তাঁরা মনে করেন এই ব্যবস্থা না করলে আত্মারা রুষ্ট হতে পারেন। পরিবারের ক্ষতিও হতে পারে।

কিন্তু এর শেষ কোথায়? জানা গেছে, যতদিন না মৃতের পরিবার তাঁর শ্রাদ্ধ শান্তির জন্য বিশাল জমকালো অনুষ্ঠান করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ পয়সা জোগার করতে পারছে ততদিন চলবে এই মৃতের সঙ্গে প্রতিদিনের এই অদ্ভুত জীবনযাপন।

যা করা হয় সেই বিশেষ দিনে:
সেদিন মহাজাঁকজমকের সঙ্গে কফিনে করে বিদায় দেওয়া হয় প্রিয় মানুষটিকে। বলি দেওয়া হয় প্রচুর মোষ। কারণ টোরাজাদের বিশ্বাস মোষ তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে স্বর্গের পথে নিয়ে যাবে।

গল্পের এখানেই শেষ নয়। প্রত্যেক বছর মানেনে নামে এক অদ্ভুত উৎসব পালিত হয়। ওইদিন সমস্ত টোরাজাদের পরিবার তাঁদের পরিবারের মৃতদের দেহকে বের করে আনে। ইহ জগতের আলোয় তাঁদের ফের আনা হয়। তারপর কঙ্কাল সার দেহ সাজিয়ে গুজিয়ে ছবি তুলে ফের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কবরে। মৃতের ইহলোকের সঙ্গে দেখা আবার পরের বছরের উৎসবে। ১০০০-এরও বেশি বছর ধরে চলে আসা এই প্রথায় কোনও খামতি নেই। আছে বিশ্বাস, ভালোবাসা।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এবারের কোরবানির ঈদে যে কয়েকটি ছবি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এরমধ্যে অন্যতম ‘অহংকার’। শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘অহংকার’-এ শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী। এটি এই জুটির তৃতীয় ছবি।

আজ শনিবার ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে ‘অহংকার’ ছবির গান ‘তুই যে আমার এই অন্তরে’।

সম্প্রতি সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়া ‘অহংকার’ ছবিতে গান গেয়েছেন এস আই টুটুল, ন্যান্সি, ইমরান, মিমি ও লেমিস। আরও অভিনয় করেছেন আফজাল শরীফ, সাদেক বাচ্চু, নাদিম, প্রয়াত মিজু আহমেদ, আবুল হায়াত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest