সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

01আরাফাত হোসেন লিটন : ভিক্ষুক শ্রেণির মানুষদের অবহেলা না করে আলাদা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশকে ক্ষুদা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার দেশ গড়তে হবে। সমাজের নি¤œ পেশার মানুষ হলেন ভিক্ষুকরা। কর্মদক্ষতা না থাকায় কিংবা নানা সমস্যায় মানুষ ভিক্ষাবৃত্তি পেশায় নিয়োজিত হয়। সমাজের মানুষের কাছ থেকে চেয়ে এনে খুবই নি¤œমানের জীবন যাপন করেন এই পেশার মানুষেরা। তারা সামাজিক মূল্যহীন ভাবে অবহেলায় খেয়ে না খেয়ে দিন পার করেন। তাই বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একটি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ভিক্ষুকদের তালিকা হয়েছে। একই সাথে তাদের জীবনযাত্রা পরিবর্তনেও সরকার বিভিন্ন মেয়াদী কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। সেই সাথে ভিক্ষুকদের ভিক্ষাবৃত্তি পেশা থেকে ফিরিয়ে এনে কর্মস্থানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে। তাছাড়া সরকারের স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দেশ থেকে ভিক্ষুক মুক্ত করা হবে। এই সুবিধাভোগীরা আর যেনো কখনো ভিক্ষা না করেন সে ব্যাপারেও সরকার উদ্যোগ নিয়েছেন। অচিরেই সরকারের সকল মহান উদ্যোগ বাস্তাবায়ন হবে। উপজেলার ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের সকল ভিক্ষুকদের সাথে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদ।
সোমবার পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। পারুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইউপি সচিব প্রবীর হাজারীর সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনেট্রাক্টর সাইদুল হক, একটি বাড়ি একটি খামারের ফিল্ড সুপারভাইজার আজহার উদ্দীন ও সালমা খাতুন, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য বানু আল কাদেরী, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারগিছ পারভীন, ৭, ৮ ও ৯ নং হামিদা পারভীন, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য সাহেব আলী, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম ফারুক, ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য সালাউদ্দীন সারাফি, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য সিরাজুল ইসলাম, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য ইয়ামিন মোড়ল, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ মোকারম হোসেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সকল ভিক্ষুকদের দক্ষতা অনুযায়ী চাহিদার কথা শোনেন। একই সাথে আতœকর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ভিক্ষুকমুক্ত করতে প্রত্যেকের মতামত গ্রহন করেন। ভিক্ষুকরা সরকারি সহায়তা পেলে ভিক্ষা পেশা ছেড়ে দেবেন বলেও অঙ্গিকার করেন। ইফতার মাহফিলের দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাঝ পারুলিয়া জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবু তাহা গিয়াস উদ্দীন নূরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03মাহফিজুল ইসলাম আককাজ :  সাতক্ষীরা জেলা স্কাউটস্ এর নতুন দল গঠন সংক্রান্ত কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা স্কাউটস্ এর আয়োজনে জেলা অফিসার্স ক্লাবে জেলা স্কাউটস্রে  সহ-সভাপতি কৃষ্ণা নন্দ মুখার্জীর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাক, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক সামছুল হক, প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলী, প্রধান শিক্ষক সামছুল হক, কাজী আফজাল বারী, আব্দুল মাজেদ, পল্টু বাসার, সাবেক কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক শফি উদ্দিন, সেলিমা আকুঞ্জি, জহুরুল ইসলামসহ জেলা স্কাউটস্রে সদস্যবৃন্দ।
ইফতারের পূর্বে দেশ ও জাতির শান্তি এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা স্কাউটস্রে সম্পাদক এম ইদুজ্জামান ইদ্রিস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Kapotakkha-Nodতালা ডেস্ক : মধু কবি, বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক পালাবদলের যুগ সন্ধিক্ষণের কবি। সেই কবি তার কপোতাক্ষ নদ কবিতায় জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে শৈশব আর কৈশরের স্মৃতি বিজড়িত নদের ¯্রােত ধারাকে জন্মভূমির বুকে মাতৃ দুগ্ধের আধার রূপে বর্ণনা করেছেন। সুদূর ইউরোপে বসে সতত তার এই ¯্রােতস্বিনী নদের কথা মনে পড়েছে। গভীর আবেগ আর মততায় তিনি কপোতাক্ষ নদকে সাহিত্যের এক অপার সৃষ্টি রূপে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। বৈদিক সাহিত্যের স্বরস্বতী নদী আজ আর বাস্তবে নদী নেই। একইভাবে মধু কবির কপোতাক্ষ নদও সাহিত্যে অমরত্ব পেলেও হারিয়ে যাচ্ছে মানচিত্র থেকে।
চীনের হোয়াংহো নদীর মত সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনার দুঃখে পরিণত হয়েছে গঙ্গা ও পদ্মার শাখা ও  মহকবি মাইকেল এর স্মৃতি বিজিড়িত কপোতাক্ষ নদ। জমি দখলের মত নদ দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছর এই তিন জেলার পাঁচটি উপজেলার অর্ধ শতাধিক গ্রাম বছরের ৮ থেকে ৯ মাস পানিতে তলিয়ে থাকছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই গ্রামগুলোর কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি এখন অনাবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। স্কুল, কলেজগুলো পরিনত হয়েছে স্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে। এলাকাবাসী জলাবদ্ধ জমিতে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে পানি অপসারণ করে চাষাবাদ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলার তালা ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরোজমিনে জনগণের সাথে আলাপ করে জানা যায়, যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ইতিহাস খ্যাত কপোতাক্ষ নদ। যাত্রী ও মালামালা নিয়ে লঞ্চ এবং কার্গো চলাচল করতো যে নদে সেখানে এখন ছোট নৌকাও চলে না। এক সময় খরস্রোতা হলেও এখন মৃত প্রায় হয়ে গেছে সে সময়ের দুই শত থেকে আড়াই শত ফুটের বেশি চওড়া কপোতাক্ষ নদ। নব্বই এর দশকেও কপোতাক্ষ নদ তার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় রাখতে সক্ষম ছিল। কিন্তু এরপর নানা কারণে ভরাট হতে থাকে কপোতাক্ষের তলদেশ, এখন অনেক স্থানে ৫০ ফুটে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপত্তি দেখা দেয় ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে। ২০০৯ সালের জুন মাসে বন্যার পানিতে কপোতাক্ষের দুই পাশের অর্থাৎ যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলা এবং সাতক্ষীরা জেলার তালা ও কলারোয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এই পানি নেমে যেতে সময় লাগে কয়েক মাস।kapotakh-nod
এরপর ২/৩ বছর সামান্য এলাকায় পানি জমলেও ২০১১ সালের পর থেকে যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া, কুমিরিয়া, সরুলিয়া, ইসলাম কাঠি, মাগুরা ও তালা সদর ইউনিয়ন এবং কলারোয়া উপজেলার জয়নগর, দেয়াড়া, জালালাবাদ ও যুগিখালী ইউনিয়নের সব গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। পানিতে তলিয়ে থাকা গ্রামগুলোর জনগণ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নেয় অন্য এলাকায়। তবে বেশির ভাগ লোক আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে ঠাই করে নেন। যারা গত ২/৩ বছরেও তাদের বাড়ি ঘরে ফিরে যেতে পারেননি। এলাকাবাসী আরও জানায়, পদ্মা থেকে কপোতাক্ষ নদের উৎপত্তি হয়ে তা মিশেছে শিবসা নদীতে। ২০০৪ সালের আগ পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদ স্বাভাবিক থাকলেও এ সময়ের পর থেকে আর পানি অপসারণ করতে সক্ষম হয়নি।
২০১২ সালের পর থেকে বর্ষায় জমে থাকা পানি নেমে যেতে সময় লেগেছে ৮ থেকে ৯ মাস। বছরের তিন চতুর্থাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকায় আমন এবং অন্যান্য তরিতরকারি এখানে হয় না। দীর্ঘ দিন জলাবদ্ধ থাকার কারণে গবাদি পশু ও গাছপালা উজাড় হয়ে গেছে। ফসল ফলাতে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি সেচে ফেলছেন এলাকাবাসী। তবে তা খুব বেশি কার্যকর নয় বলেও তারা জানিয়েছেন। একই পদ্ধতি অবলম্বন করে এবার কলারোয় উপজেলায় তিন শত বিঘা জমি চাষাবাদের আওতায় এনেছেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, জোট সরকারের শেষ দিকে ৩৭ কোটি টাকা ব্যায়ে কপোতাক্ষ নদের খনন কাজ শুরু হয়। যশোরের কেশবপুর উপজেলা থেকে খনন কাজ শুরু হয়। খনন করা হয় তালা উপজেলা পর্যন্ত। তবে ড্রেজার মেশিন যথাযথভাবে কাজ করতে পারেনি। অনেক স্থানে ঢুকতে পর্যন্ত পারেনি। খনন করার সময় নদ থেকে উত্তোলন করা বালু ফেলা হয় একেবারেই নদের তীরে। যা পরবর্তী বর্ষা মৌসুমে আবারও নদের তলদেশ ভরাট করে ফেলে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌছায় যে শীতকালে কপোতাক্ষের অনেক স্থানে পায়ে হেটে পার হতে শুরু করেন এলাকাবাসী। একই সাথে ভূমি দস্যুরাও মেতে ওঠেন কপোতাক্ষের চর দখল প্রতিযোগিতায়। কপোতাক্ষ নদের দুই পাশে জেগে ওঠা চর দখলকারীদের মধ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারাও রয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
পাউবো সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছর আবারও খনন কাজ শুরু হয়েছে। তবে এবার নীচু এলাকা হিসাবে তালা থেকে খনন কাজ শুরু করা হয়েছে। পাটকেলঘাটা পর্যন্ত কাজ হয়েছে। বর্ষা আসার আগে কলারোয়া পর্যন্ত খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার জানান, কপোতাক্ষ নদের পলি অপসারণ ও এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাতœক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকারও আমাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে যেন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সে জন্য জোর প্রচেষ্টা চলছে। এ কাজে সরকারের কাছ থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা পাওয়ার আশা রাখি। এলাকাবাসী আমাদের সাথে আছেন। ফলে আমরা দ্রুত কাজ করতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

d4170d48b893d2933a3d7c81777c58dc-59353f6c0a8a7আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধনী আইন-২০১৭ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। এ আইনে রাস্তা অবরোধসহ ৯ ধরনের অপরাধ করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আগে এ আইনে সর্বোচ্চ ৫ বছরের শাস্তি দেওয়া হতো। সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 পরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ আইনের ৪ নম্বর ধারায় শাস্তির বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ আইনের আওতায় কেউ অপরাধ করলে এখন সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হবে। অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে- কাউকে ভয়ভীতি দেখানো, বল প্রয়োগ করা, রাস্তা অবরোধ, জোর করে মালামাল ও সুযোগ সুবিধা আদায় করা, আকাশ, নৌ ও বিমান যান চলাচলে বাধা দেওয়া, যানবাহনে গতি কমানো, গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া। এ ধরনের অপরাধ ঘটালে অপরাধীকে এ আইনের আওতায় সাজা দেওয়া হবে।’

এ সময় আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এ আইনে পরিবর্তন করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা গতানুগতিক পরিবর্তন। এর সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক নেই।’

এছাড়া বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘কনভেনশন অন দ্য ফিজিক্যাল প্রোটেকশন অব নিউক্লিয়ার ম্যাটেরিয়াল অ্যান্ড নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটিস’ এর খসড়া ও এর অনুসমর্থনের প্রস্তাব, বাংলাদেশ ও রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে সইয়ের  জন্য ‘এগ্রিমেন্ট বিটুইন দ্য গর্ভনমেন্ট অব দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন অ্যান্ড দ্য গভর্নমেন্ট পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অন কো-অপারেশন কনসার্নিং রিটার্ন অব স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ফ্রম রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট টু দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন’ এর খসড়ায় এবং ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনের খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fitraপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : সোমবার বাদ যোহর ইক্রা সাতক্ষীরা-কার্যালয়ে জাতীয় ইমাম সমিতি-সাতক্ষীরা জেলা শাখা ও সাতক্ষীরা উলামা পরিষদ, সাতক্ষীরা এর যৌথ উদ্যোগে মুফতি আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ফিত্রা নির্ধারণী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিতদের দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সাতক্ষীরার স্থানীয় বাজার দর যাচাই পূর্বক নিন্মোক্ত হারে এ বছরের ফিত্রা নির্ধারণ করা হয়।
ক) কিসমিসের হিসেবে ৯০০/- (নয় শত টাকা)
খ) খেজুরের হিসেবে ৮২৫/- (আট শত পঁচিশ টাকা)
গ) ভালো প্যাকেট আটার বাজার দর হিসেবে ৬০/- (ষাট টাকা)
উল্লেখ্য যে, প্রচলন অনুযায়ী ভালো আটার মূল্য হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে ফেতরা ৬০/- (ষাট টাকা) নির্ধারণ করা হল তবে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের খেজুর, কিসমিস, যব বা পনিরের হিসেবে ফিতরা দেয়াই উত্তম।
আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন- মুফতি আখতারুজ্জামান, মাওলানা আব্দুর রশীদ, হাফেজ মাওলানা জালালুদ্দীন, হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, মুফতি সাইফুল্লাহ রহমানী, মুফতি সাইফুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা মুনিরুল হক, মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

I6fHQG_austriliavssangsadjনিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে বাংলাদেশে খেলতে না আসা অস্ট্রেলিয়ার কঠোর সমালোচনা হয়েছে সংসদে। একইসাথে উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের প্রতি তাদের নিজেদের অন্যায় অভিমত চাপিয়ে দেয় বলেও অভিযোগ এসেছে।

সোমবার দুপুরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের কার্যকরী সভাপতি (একাংশ) ও সংসদ সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদল এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘গত শনিবার লন্ডন রক্তাক্ত হয়েছে। এ বছর মোট ৩ বার রক্তাক্র হয়েছে লন্ডন। যেখানে গত শনিবার রক্তাক্ত হয়েছে তার ২ কিলোমিটারের মধ্যে হোটেলে আমাদের ক্রিকেট দল অবস্থান করছিল। আমি খুব স্পষ্টভাবে বিশ্বের তথাকথিত উন্নত দেশগুলোকে বলতে চাই, আপনারা একই বিষয়ে অন্যরকম আচরন করেছেন। বাংলাদেশে এ ধরণের সামান্যতম ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া বলেছে, বাংলাদেশে নিরাপত্তা নাই, তারা খেলতে যেতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, ম্যানচেস্টার এবং লন্ডনে এই যে ঘটনাগুলো ঘটল এই ঘটনাগুলোর পরে অস্ট্রেলিয়াতো বলেনি খেলা বন্ধ করে তারা দেশে ফেরত যাবে। অথচ বাংলাদেশের প্রতি যে আচরনটি তারা করল সেই আচরণ এ ক্ষেত্রে কিন্তু অনুপস্থিত। বিশ্বের তথাকথিত মাধবরেরা অত্যান্ত অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের মত দেশগুলোর উপর নিজেদের অন্যায়-অবিবেচনা প্রসূত অভিমত চাপিয়ে দেয়।’

তিনি বলেন, ‘তারা বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আজকে কিন্তু জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কেউ এখন নিরাপদ নয়। এটা সারাবিশ্বের একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছ, এ কথাটিই বাংলাদেশ বলেছিল। আমরা অত্যান্ত জনবহুল একটা দশ, এই জনবহুল দেশের নিরাপত্তার জন্য আমরা আমাদের সাদ্যমত চেষ্টা করছি। এবং সেই চেষ্টার প্রতিশ্রুতিতে আমরা ব্যাপারটিকে এখনও পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রেখেছি।’

এসময় লন্ডনে আক্রান্ত এবং নিহত মানুষদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলেরা বীরের জাতি, ওরা খেলার মাঠ পরিত্যাগ করে আক্রান্ত লন্ডন ত্যাগ করে বাড়িতে ফিরে আসবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

HfgvCh_18813163হার্ট, লিভার থেকে শুরু করে কিডনি, অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ডের মতো শরীরের বিশেষ অংশগুলোর কাজকর্ম কিছুটা হলেও লবণের ওপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত আমাদের ধারণা লবণ শুধুমাত্র স্বাস্থ্যর উপকারই করে। লবণ পরিষ্কারক হিসেবেও দারুন কাজে আসে।

১। দেহের মরা ত্বক দূর করার কাজে লবণ অনন্য। গোসলের পর কনুই, হাঁটু বা এমনই অন্যান্য শুষ্ক স্থানে লবণ নিয়ে ঘষতে থাকুন। মরা ত্বক ‘মরে’ যাবে।

২। ঘরের বিভিন্ন জিনিস পরিষ্কারের কাজে লবণ ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে এর সামান্য ভিনিগার ও লেবুর রস সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন। তাহলে যেকোন জিনিস খুব সহজে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

৩। হাতে পিঁয়াজের গন্ধ দূর করতে লবণের সঙ্গে ভিনিগার মিশিয়ে হাতে ঘষে নিন। গন্ধ দূর হবে। এছাড়া এটি ত্বকের উপর কোনও রঙের দাগ তুলতেও ব্যবহার করতে পারেন।

৪। সিলভারের পাত্র বা চামচে খুব দ্রুত কালচে ভাব চলে আসে। এদের আবার আগের মত চকচকে রূপ ফিরিয়ে দিতে পারে সোডিয়াম ক্লোরাইড। শুকনো খসখসে কাপড়ে লবণ দিয়ে রূপার জিনিসপত্রে ঘষুন। কালচে ভাব একটুও থাকবে না।

৫। তামা, ব্রোঞ্জ ও রুপোর জিনিস পরিষ্কারে লবণের জুড়ি নেই। এক্ষেত্রে লবণ ও ভিনিগারের মিশ্রণে আরো ভালো কাজ করে। মিশ্রণটি ধাতব জিনিসের উপর ভালো করে ঘষে নিন। পরিষ্কার হয়ে গেলে ধুয়ে নিন। এরপর কিছুক্ষণ রোদে রেখে শুকিয়ে নিতে পারেন।

৬। ননস্টিকের প্যানে রান্নার পোড়া দাগ তুলতে লবণ ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য পাত্রের উপর ২ চামচ লবণ দিন। এবার একটি শুকনো কাপড় দিয়ে ঘষতে থাকুন। ধীরে ধীরে দাগ হালকা হয়ে যাবে।

৭। চোখের ফোলা ভাব দূর করতে বিউটিশিয়ানের কাছে যেতে হবে না। বাড়িতে সহজেই কাজটি সারতে পারেন। এক কাপ হালকা উষ্ণ পানিতে আধা টেবিল চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এই পানিতে একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে তা চোখের ওপর দিয়ে রাখুন। ফোলাভাব চলে যাবে। সূত্রঃ ব্রাইট সাইট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC0মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য (ওয়ার্ড নং-৩) মো. সাহেব আলী শপথ নিয়েছেন। সোমবার (৫ জুন) দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তাঁকে শপথ পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল।
এসময় তিনি বলেন, ‘সরকারকে এবং রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দলমত নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে কাজ করলেই সফলভাবে উন্নয়ন সম্ভব। জনগণের ভোটে প্রতিনিধি হিসেবে আপনি নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটারদের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকবেন, এটাই আশা করব।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা নির্বাচন অফিসের রিটার্নিং অফিসার ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ঈসরাইল গাজী, শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest