সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পুরুষদের হৃদরোগের জন্য দায়ী সুন্দরী নারী

সব পুরুষের একটাই চাওয়া তার তার সঙ্গীটা যেন একটু সুন্দর হয়। আর সুন্দরী মেয়ে দেখলে ছেলেদের বাম দিকের বুকে এমনিতেই ব্যথা হয়।

তাই সবাই একটাই চাওয়া তার স্ত্রী বা বান্ধবী যেন সুন্দরী হয়। কিন্তু এক গবেষণায় বলা হয়েছ উল্টো কথা। জানা গেছে, সুন্দরী সঙ্গী নাকি পুরুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আকর্ষণীয় নারীদের সান্নিধ্যে আসলে পুরুষের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। এমনকি এই চাপ বাড়ার কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই দাবি করেছেন।

তারা জানান, সুন্দরী নারীর পাশে পাঁচ মিনিট বসলেই পুরুষের মধ্যে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়। যা শরীরে কোর্ট্রিসল নামক বিশেষ হরমোনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। আর বিপত্তি সেখানেই। বেশি কোট্রিসলের প্রবাহ হৃদযন্ত্রের ক্ষতি থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস এমনকি পুরুষকে নপুংসক পর্যন্ত করে ফেলতে পারে। গবেষকরা বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে যারা নারীদের কাছ থেকে সব সময় দূরে থাকতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য সুন্দরীরা একটু বেশি ক্ষতিকর।

৮৪ জন স্বেচ্ছাসেবী পুরুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে এই তথ্য। তারা আরও দাবি করেন, কম বয়সী সুন্দরী নারী আশপাশে দেখলে অধিকাংশ পুরুষ প্রেমের সুযোগ আছে বলে ভাবতে শুরু করেন। খুব কম পুরুষই সুন্দরীদের পাশ কাটিয়ে চলতে পারেন। যার ফলে না চাইতেও প্রেমে পড়তে বাধ্য পুরুষরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর

আজ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পবিত্র লাইলাতুল কদর। ‘লাইলাতুল’ আরবি শব্দ, এর অর্থ হলো রাত আর ‘কদর’ অর্থ সম্মান। লাইলাতুল কদর অর্থ সম্মানিত বা মহিমান্বিত রাত।

পবিত্র কোরআনে লাইলাতুল কদরকে মহিমান্বিত রাত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই রাতের গুরুত্ব তুলে ধরে ‘কদর’ সুরায় বলা হয়েছে, এই রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।

মুসলমানদের কাছে এই রাত অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত রাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সারা রাত নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন।

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন,  হাজার মাসের চেয়েও উত্তম পবিত্র লাইলাতুল কদর। এই রাত সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বরকত ও পুণ্যময়।  তিনি বলেন, পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ আল কোরআন লাইলাতুল কদরে নাযিল হয়। আল্লাহ্ বলেন, ‘আমি কদর রাতে কোরআন নাজিল করেছি’। তাই মুসলিম উম্মাহর কাছে কদরের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যধিক।

লাইলাতুল কদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। তিনি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ ও মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র শবে কদর সবার জন্য ক্ষমা, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক, আল্লাহ্‌র দরবারে এটাই কামনা করি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘এই রাতে মানবজাতির পথ নির্দেশক পবিত্র আল-কোরআন পৃথিবীতে নাজিল হয়। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা আমাদের পার্থিব সুখ-শান্তির পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির পথ দেখায়। কোরআনের বর্ণনা অনুসারে মহান আল্লাহ্ এই রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। পবিত্র এই রজনীতে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহ্র কাছে দেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, অব্যাহত শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন। সূত্র: বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই ‘নায়ক’ ইমামের সঙ্গে দেখা করলেন রাজপুত্র

জনতার হাত থেকে লন্ডনের মসজিদের নামাজিদের ওপর হামলাকারীকে রক্ষা করা সেই ইমামের সঙ্গে দেখা করেছেন ব্রিটেনের রাজপুত্র প্রিন্স চার্লস। ওই হামলায় নিহত হন একজন। আহত হন অনেকেই।

স্থানীয় সময় বুধবার লন্ডনের ফিনসবেরি পার্কে  ইমাম মুহাম্মদ মাহমুদের (৩০) সঙ্গে দেখা করেন প্রিন্স।

গত সোমবার লন্ডনের ফিনসবেরি পার্ক মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে ফেরার পথে মুসল্লিদের ওপর গাড়ি তুলে দেন ড্যারেন ওসব্রোন নামের এক ব্যক্তি। পরে স্থানীয় লোকেরা তাঁকে আটক করে। এ সময় মারধরের শিকার হন তিনি।

ড্যারেনকে মারতে দেখে এগিয়ে যান ইমাম মাহমুদ। পুলিশ আসার আগপর্যন্ত বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে রক্ষা করেন তাঁকে।

ইমামের সঙ্গে দেখা করার পর চার্লস যান স্থানীয় ‘মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউস’ নামে একটি সংস্থায়। সবার সঙ্গে দেখা করতে এসে খুব ভালো লাগছে বলে জানান তিনি। তবে সোমবারের ওই ঘটনা ‘দুর্ভাগ্যজনক’ ও ‘শোকবহুল’ বলে মন্তব্য করেন চার্লস।

ব্রিটিশ রাজপুত্র বলেন, পুলিশ আসার আগ পর্যন্ত হামলাকারীকে রক্ষা করেন ইমাম মাহমুদ। এটা আসলেই অভিভূত করার মতো বিষয়। ব্রিটেনে এ ধরনের নেতা থাকাটা সৌভাগ্যের বিষয়।

এর আগে চার্লস সেদিনের হামলায় আহত ইয়াসিন হারসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ বিষয়ে ইমান মাহমুদ বলেন, ‘আমি দেখলাম, কিছু মানুষ এক ব্যক্তিকে ধরলেন এবং কিল-ঘুষি মারতে শুরু করলেন। তখন আমি তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে বললাম এবং তাঁকে ক্ষতিকর কিছু থেকে বাধা দিলাম।’

ওই ইমাম আরো বলেন, ‘আমি সব ধরনের আক্রমণ ও গালিগালাজ থেকে তাঁকে রক্ষা করলাম। তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত উত্তেজিত মানুষের কাছ থেকে রক্ষা করলাম।’

ওই ঘটনার পর থেকে নায়ক উপাধি পান ফিনসবেরি পার্ক মসজিদের ইমাম মাহমুদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই ‘আল-নুরি’ মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে আইএস

ইরাকের মসুলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘আল-নুরি’ মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে তথাকথিত জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী মসুল শহরের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত ছিল। ২০১৪ সালে এই মসজিদ থেকেই আইএসপ্রধান আবু বকর আল বাগদাদি ‘খিলাফত’ ঘোষণা করেছিলেন।

ইরাকের সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা বিবিসি।

অন্যদিকে, আইএসের বার্তা সংস্থা ‘আমাক’ এক বিবৃতিতে জানায়, গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বিমান থেকে ফেলা এক বোমার আঘাতে ওই মসজিদ উড়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আইএসের এই দাবিকে এক হাজার শতাংশ মিথ্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন।

এদিকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি বলেছেন, পরাজয় নিশ্চিত দেখে সবকিছু ধ্বংস করছে আইএস। মসুলে নিকটবর্তী সেনাবাহিনী দেখে তারা আল-নুরি মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এই মসজিদ ধ্বংসকে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও বর্ণনা করেন।

এদিকে মসুল অভিযানে অংশ নেওয়া এক ইরাকি সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, মসুল শহরে সেনাবাহিনী ঢোকার পরপরই আইএস ওই মসজিদ ধ্বংস করে।

এদিকে বিমান থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, লম্বা মিনারওয়ালা মসজিদটির একটি ছোট্ট ধ্বংসাবশেষ কেবল অবশিষ্ট রয়েছে। মসজিদটি প্রার্থনাকেন্দ্র ছাড়াও প্রাচীন গ্রন্থ সংগ্রহশালা ও গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাল্টাতে যেয়ে ভেঙে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ

ইনজুরির আগে ৯ ম্যাচে ২৬ উইকেট। পরের ১৮ ম্যাচে ১৩ উইকেট। দুটি ভিন্ন সময়ের এই চিত্রই বলে দেয় মোস্তাফিজুর রহমানের কিছু একটা হয়েছে। দুই সময়ের বোলিংয়ের ভিডিও বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, কিছু মৌলিক দিক পরিবর্তন করতে যেয়ে নিজের সহজাত শক্তিকে ভেঙে ফেলছেন সাতক্ষীরার তরুণ।

মোস্তাফিজের এই পরিবর্তন অনেকের মতো চোখে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিকাংশ ক্রিকেটারের গুরু নাজমুল আবেদিন ফাহিমেরও। তিনি বললেন, ‘খেয়াল করে দেখবেন, আগে বল ছাড়ার সময় সে স্টাম্পের খুব কাছে থাকত। এখন দূরে থাকে। আগে স্টাম্প-টু-স্টাম্প বল করতো। যার কারণে কাটার এবং স্লোয়ার খুব বিপজ্জনক হতো। এখন ক্রিজের বেশ বাইরের দিক থেকে বল করায় আগের মতো ফলপ্রসূ হচ্ছে না।’

গত বছর জুলাইতে ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে যেয়ে ইনজুরিতে পড়েন কাটার মাস্টার। এরপর আগস্টে ফোর্টিয়াস ক্লিনিকের অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জন অ্যান্ড্রু ওয়ালেস বাংলাদেশের এই পেসারের কাঁধে অস্ত্রোপচার করেন। এর ভেতর বাংলাদেশ দলে পেসারদের কোচ হয়ে আসেন কিংবদন্তি কোর্টনি ওয়ালশ। মোস্তাফিজকে ইনজুরি মুক্ত রাখতে তার বোলিংয়ে কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন তিনি।

এখন ফিজের বল স্টাম্প থেকে বেশ দূরে পিচ করে। যার কারণে ব্যাটসম্যানরা শট খেলতে ভয় করে না।

মোস্তাফিজ সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে। ভারতের বিপক্ষে সেদিন ৬ ওভার বল করে ৫৩ রান দিয়ে উইকেটহীন ছিলেন। এই অবস্থা ছিল প্রায় প্রত্যেক ম্যাচে। শুধুমাত্র নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি উইকেট পান। তাও ৫২ রান দিয়ে।

বাঁহাতি পেসারদের সবসময় স্বাভাবিক ইনসুইং থাকে। মোস্তাফিজের সেটা নেই। কাটার আর ইনসুইংয়ের সমন্বয় করতে যেয়ে এখন জট পাকিয়ে ফেলছেন!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডি ভিলিয়ার্সদের হেসে খেলেই হারাল ইংল্যান্ড

এবি ডি ভিলিয়ার্সের দলকে ৯ উইকেটে হারিয়ে টি-টুয়েন্টি সিরিজে দারুণ শুরু করেছে ইংল্যান্ড। বুধবার রাতে রোজ বোলে সাউথ আফ্রিকার ছুঁড়ে দেয়া ১৪৩ রানের লক্ষ্য ৩৩ বল হাতে রেখেই টপকে যায় ইয়ন মরগানের দল।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ডি ভিলিয়ার্স ও ফারহান বেহারদিনের অপরাজিত অর্ধশতকে নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেটে ১৪২ রান তোলে আফ্রিকানরা। ইংলিশরা সেটি হেসে খেলেই টপকে যায় জনি বেয়ারস্টোর অপরাজিত ফিফটি ও অ্যালেক্স হেলসের প্রায় ফিফটিতে।

জবাব দিতে নেমে জেসন রয় ও হেলসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত শুরু পায় স্বাগতিকরা। ৩ চার ও ২ ছয়ে ১৪ বলে ২৮ রানে ফিরেছেন রয়। পরে বেয়ারস্টোকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৯৮ রান যোগ করে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন হেলস। নিজে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩৮ বলে ৪৭ এবং বেয়ারস্টো ৬ চার ও ২ ছয়ে ৩৫ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে জেজে স্মুটের (০) বিদায়ে শুরু হয় সাউথ আফ্রিকার। দলীয় রানও তখন শূন্য। পরের ওভারেই ফিরে যান রেজা হেনড্রিক্স (৩)। দ্রুত তাদের অনুসরণ করেন ডেভিড মিলার (৯)।

সেই চাপ আর সামলে উঠতে পারেনি প্রোটিয়ারা। প্রায় ১৬ ওভার অবিচ্ছিন্ন থেকে ডি ভিলিয়ার্স ও বেহারদিন ১১০ রানের জুটি গড়লেও তাদের মন্থর জুটির মূল্য দেয় দল। ডি ভিলিয়ার্স ৪ চার ও ২ ছয়ে ৫৮ বলে ৬৫ এবং বেহারদিন ৪ চার ও ২ ছয়ে ৫২ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। কিন্তু দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি এই মারকুটে তারকা।

আগামী শুক্রবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুদল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরবের নতুন যুবরাজ সম্পর্কে পাঁচটি তথ্য

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বাবা ক্ষমতায় বসার পর থেকেই আস্তে আস্তে তিনি আলোচনায় আসা শুরু করেন, আর এখন ক্রাউন প্রিন্স ঘোষণার পর সিংহাসনের একধাপ পেছনে রয়েছেন বিন সালমান।

৩১ বছর বয়সী মোহাম্মদ বিন সালমান খুবই দ্রুতই রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোও তাঁর নিয়ন্ত্রণে।

সৌদি আরবের ভবিষ্যত বাদশাহ সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন।

প্রতিরক্ষা খাতে তাঁর অবদান

২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে সালমান বিন আবদুল আজিজ সিংহাসনে আরোহণের পর বেশকিছু রদবদল করেন। তাঁর ছেলেকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব দেন।

২৯ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ বিন সালমান।

তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পরেই ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক অভিযান শুরু করে।

সৌদি আরবে অর্থনীতিতে তেল নির্ভরতা কমাতে চান মোহাম্মদ বিন সালমান

সৌদি কাউন্সিল অব ইকোনমিক এন্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মোহাম্মদ বিন সালমান ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে দেশটির অর্থনৈতিক সংস্কারের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

সৌদি আরবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্য প্রকাশিত তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, যা ভিশন ২০৩০ নামে পরিচিত।

ওই পরিকল্পনা প্রকাশ করে তিনি এটাও বলেছেন যে “আমরা তেল ছাড়াই চলতে পারবো, ২০২০ সালের মধ্যেই এমনটা নিশ্চিত হবে”।

নতুন এই যুবরাজ সৌদিদের কাছে অন্যতম একটি রোল মডেলও হয়ে উঠেছিলেন।

অর্থনৈতিক সংস্কারের যে পরিকল্পনা মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা করেছেন সেটাক অবশ্য ‘উচ্চাভিলাষী” বলে বর্ণনা করেছে আইএমএফ । একইসাথে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আইএমএফ।

ইরানের সাথে সম্পর্কে তিনি কোনো পরিবর্তন আনবেন সেই সম্ভাবনা নেই

প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা গত মাসেই বাতিল করে দেন প্রিন্স মোহাম্মদ।

সিরিয়া ও ইয়েমেনে যে লড়াই চলছে তাতে দুদেশ দুই পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

সৌদি আরবে এক শিয়া নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবার পর দুই দেশের সম্পর্কে আরো অবনতি হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় মাধ্যম ওই শিয়া নেতার মৃত্যুদণ্ডের ঘটনাকে ‘এক অভ্যুত্থান’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছিল সৌদি আরবকে এ ঘটনার জন্য কড়া মূল্য দিতে হবে।

রাজপরিবারের ক্ষমতা আরো বেশি দৃঢ় করেছেন মোহাম্মদ বিন সালমান

তাঁর বাবা বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ সিংহাসনে বসার আগে থেকেই ছেলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যথেষ্ঠ ঘনিষ্ঠ ছিল।

২০০৯ সালে তাঁর বাবার বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান মোহাম্মদ বিন সালমান। সেই সময়ে রিয়াদের গর্ভনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় এসে বাদশাহ সালমান তাঁর ছেলেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেন এবং ভাতিজা মোহাম্মদ বিন নায়েফকে ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স ঘোষণা করেন।

ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স হলেও মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের তেল নীতি বাস্তবায়ন ও ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছিলেন। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক এই দেশের বিপুল প্রতিরক্ষা বাজেটও ছিল তার নিয়ন্ত্রণে।

মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্যও তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছেন, যা ভিশন ২০৩০ নামে পরিচিত।

তিনি রাজপরিবারের সদস্য

মোহাম্মদ বিন সালমানের জন্ম ১৯৮৫ সালের ৩১শে আগস্ট। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের তৃতীয় স্ত্রী ফাহদা বিনতে ফালাহ বিন সুলতানের সন্তান মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি রাজপরিবারের বেশিরভাগের মতোই তিনি সৌদি আরবেই তার পড়ালেখা শেষ করেছেন।

কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে পড়ালেখা শেষ করে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেছেন বিন সালমান।

তাঁর একজন স্ত্রী রয়েছেন, দুই কন্যা ও দুই পুত্রের জনক সৌদি আরবের নতুন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনের শেনঝেন যেভাবে কর্দমাক্ত গ্রাম থেকে মেগাসিটি

১৯৮০ সালের মে মাস। চীন সরকার শেনঝেন নগরীকে এক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বলে ঘোষণা করলো। ইয়ং ইয়া এখনো মনে করতে পারেন সেসময়ের শেনঝেন। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি সেখানে এসেছিলেন।

“শেনঝেন তখন একটা বিরাট গ্রামের মতো। সেখানে কিছু কারখানাও ছিল। তবে মনে হচ্ছিল সেখানে সারাক্ষণই নতুন বাড়ি তৈরির কাজ চলছে।”

১৯৮৪ সালে ইয়াং ইয়া-র মা যে কারখানায় কাজ করতেন, সেটা শেনঝেনে সরিয়ে নেয়া হলো। ফলে তাদেরও সেখানে চলে যেতে হলো।

চীনের উপকুল বরাবর চারটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছিল। চীন সরকার তাদের অর্থনীতি নিয়ে এক নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছিল। এটি ছিল তারই অংশ।

তাদের লক্ষ্য সমাজতান্ত্রিক পরিকল্পিত অর্থনীতি থেকে বাজার অর্থনীতির দিকে যাওয়া। আরও সহজ করে বললে, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার মধ্যেই তারা পুঁজিবাদী অর্থনীতি চালু করতে চাইছিল।

মেরি অ্যান ও ডনেল একজন শিল্পী এবং এথনোগ্রাফার। তিনি শেনঝেনে আছেন ১৯৯৫ সাল থেকে। কিভাবে একটা কর্দমাক্ত গ্রাম থেকে শেনঝেন হয়ে উঠলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেগাসিটি, তার শেষ পর্বটা তিনি নিজের চোখে দেখেছেন।

“আশির দশকে শেনঝেনে লোকজন আসতে এই কারণে নয় যে এটি দারুণ আকর্ষণীয় কোন জায়গা ছিল। শেনঝেনে তখনো নির্মাণযজ্ঞ চলছে। কাদামাখা একটা জায়গা। বিদ্যুত আসে যায়। বর্ষা মওসুমে শেনঝেন বন্যায় ভেসে যায়। সেখানে পানি-নিস্কাশন ব্যবস্থা মোটেই ভালো নয়। কাজেই লোকজন এখানে এ কারণে আসতো না যে এটা একটা দারুণ নগরী। লোকজন এখানে আসতো কিছু একটা শুরু করার ইচ্ছে নিয়ে।”

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণার আগে শেনঝেন ছিল মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা। শেনঝেন প্রসিদ্ধ ছিল শুকর, শামুক আর লিচুর জন্য। কিন্তু জায়গাটি ছিল ব্রিটিশ কলোনি হংকং এর খুবই কাছে।

১৯৬০ এবং ৭০ এর দশকে হংকং এক বিরাট অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠে এর গভীর সমূদ্র বন্দরের কারণে। কমিউনিষ্ট চীন আর বাকী বিশ্বের মাঝখানে হংকং ছিল এক সুবিধেজনক জায়গায়। চীনের সঙ্গে হংকং সীমান্তে কড়াকড়িও ছিল কম। এই সুযোগে শেনঝেনে যেসব পণ্য তৈরি হতো, সেটি বাইরে বিক্রির জন্য হংকং হয়ে উঠলো এক সুবিধেজনক জায়গা।

মেরি অ্যান ও ডনেল বলছিলেন, “শুরুতে তাদের আইডিয়াটা ছিল দোকান থাকবে সামনে, আর কারখানা পেছনে। অর্থাৎ শেনঝেনে স্থাপিত হবে কারখানা, কারণ এখানে উৎপাদন খরচ কম পড়বে। এরপর এখান থেকে পণ্য নিয়ে যাওয়া হবে হংকং এ। সেখানকার বন্দর থেকে চীনা পণ্য যাবে বাকী বিশ্বে।”

কী ধরণের পণ্য তখন শেনঝেনে উৎপাদিত হচ্ছিল?

“এটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। তখন আসলে তারা সব কিছুই করছিল। ধরুণ ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে আপনি সনি ওয়াকম্যানে গান শুনছেন। সেটি তৈরি হয়েছে শেনঝেনে। আপনি একটি বুমবক্স কিনেছেন। সেটি শেনেঝনে তৈরি। নিকন্যাক্স, সস্তা সাবান, বলতে পারেন্ তখন সবকিছুই শেনঝেনে তৈরি হচ্ছে।”

ইয়ং ইয়া যখন শেনঝেনে এসে পৌঁছান তখন তাঁর মা ইলেকট্রনিক শিল্পে একজন প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেন। মা মেয়ে তখন থাকেন এক ডরমিটরিতে।

” কোম্পানি থেকেই আমাদের সেখানে থাকতে দেয়া হয়েছিল। সেখানে আরও দুই মহিলা থাকতেন। আমাদের থাকতে হতো একটি রুমে। কিন্তু তখন আমাদের কারই সেরকম ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছিল না। কাজেই আমাদের সেরকম অসুবিধা হয়নি। আমরা আমাদের জিনিসপত্র রাখতাম খাটের নীচে।”

শেনঝেনে তখন চীনের সব জায়গা থেকে লোকজন আসছে কাজ করতে। ইয়াং ইয়ার পরিবার এসেছিলেন চীনের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জিয়াং থেকে।

“আমার শিক্ষক এবং সহপাঠী যারা ছিলেন, তারা এসেছিলেন চীনের নানান জায়গা থেকে। কাজেই তাদের সবার আঞ্চলিক ভাষা আর উচ্চারণ ছিল ভিন্ন। এমনকি শিক্ষকরা পর্যন্ত। আশি থেকে নব্বুই শতাংশ মানুষ কথা বলতো ক্যান্টনিজ ভাষায়। আমার কাছে সেটাকে একটা বিদেশি ভাষা বলে মনে হতো। কাজেই আমাকে ভাষাটা খুব দ্রুত রপ্ত করতে হয়েছিল।”

যে গতিতে তখন শেনঝেন বাড়ছে, তা মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো।

“আমি দেখতে পাচ্ছিলাম যে শহরটা খুব দ্রুত বড় হচ্ছে। একটা জায়গাকে আপনি যেসব দালান কাঠা দিয়ে চেনেন, সেটা কিন্তু আমি শেনঝেনে যাওয়ার প্রথম দশ বছরে মধ্যে কয়েক মাস পরপরই বদলে যাচ্ছিল। কারণ তখন সেখানে সারাক্ষণই নতুন নতুন ভবন তৈরি হচ্ছিল।”

১৯৮৬ সালে যখন প্রথম শেনঝেনের মাস্টারপ্ল্যান বা মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয়, তখন অনুমান করা হয়েছিল যে সেখানে দু হাজার সাল নাগাদ জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে দশ লাখে। কিন্তু বাস্তবে যা ঘটলো, দুহাজার সাল নাগাদ শেনঝেনের জনসংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো সম্ভবত এক কোটিতে।

জনসংখ্যা যেভাবে হুহু করে বাড়ছিল, তার সঙ্গে শেনঝেনের অবকাঠামো তাল রাখতে পারছিল না। শেনঝেন যেহেতু খুব দ্রুত বাড়ছিল, দ্রুত বদলাচ্ছিল, তাই সেখানে সম্ভাবনাও ছিল বিপুল। শেনঝেন যেন সবাইকে হাতছানি দিচ্ছিল।

শেনঝেন মানুষকে যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এনে দিল, তার সঙ্গে তারা যেন ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক স্বাধীনতা ভোগ করার সুযোগ পেল।

মেরি অ্যান ও ডনেল বলছিলেন, “সেখানে সেক্স ট্যুরিজম শুরু হলো, পতিতাবৃত্তি শুরু হলো। কিন্তু সেখানে নারী-পুরুষের ডেটিং এ যাওয়ারও সুযোগ তৈরি হলো। মাও জেদং এর যুগে নারী-পুরুষকে কঠোরভাবে আলাদা করে দেয়া হয়েছিল, প্রেমকে একটি বুর্জোয়া ধারণা বলে সমালোচনা করা হয়েছিল। কিন্তু শেনঝেন যেন একেবারেই আলাদা। এখানে আপনি যেন সবধরণের সম্পর্ক নিয়ে ভাবতে পারেন। যেটা কিনা পাঁচ বছর আগেও হয়তো ভাবা যেত না।”

কিন্তু যেভাবে শেনঝেন গড়ে উঠছিল, সেটা যে সবাই পছন্দ করছিল তা নয়।

যারা চাইছিল মার্কসবাদী আদর্শের ভিত্তিতে চীনের রাজনৈতিক অর্থনীতির ভিত্তি রচিত হোক, তাদের কাছে মনে হচ্ছিল শেনঝেনের এই পরীক্ষা একটা বেশি তাড়াতাড়ি হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু লোকজন কিন্তু শেনঝেনকে পছন্দ করছিল ঠিক একারণেই।

ইয়ং ইয়া এখন একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি বলছিলেন, শেনঝেন ছিল যেহেতু একেবারে নতুন, এবং এটি সবসময় বদলাচ্ছিল, কাজেই এখানে কারও কোন স্থানীয় পরিচয় তৈরি হচ্ছিল না, যেটা অন্য কোন শহরে বেড়ে উঠলে হয়।

“একটা শহরের যে কোন চরিত্র নেই, সেটাকে একটা র্দুবলতা বলেই আপনার মনে হবে। কিন্তু শেনঝেনের এই দুর্বলতাই হয়তো তার শক্তি। যখন কোন শহরের বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্য থাকে না, তখন সেটার জন্য আপনার কোন দায়িত্ববোধও থাকে না। আমি বলবো শেনঝেন একটা মুক্ত শহর, স্বাধীন শহর।”

সূত্র :  বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest