সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

65666ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী ১৭ ও ১৮ জুন যথাক্রমে ২১ ও ২২ রমজান জেলা আ. লীগের দুই অংশের ইফতার অনুষ্ঠান নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা আ. লীগের সভাপতি মুনসুর আহমদ গণমাধ্যমে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন। তার পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি ঈষৎ সম্পাদনা করে ছাপানো হলো-

বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারলাম যে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখা আয়োজিত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আগামী ২১ রমজান, ১৭ জুন, শনিবার শহরের কাটিয়াস্থ সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ চত্বরে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের উদ্যোগ নিয়ে দাওয়াত পত্র বিতরণ করা হচ্ছে। উক্ত দাওয়াত পত্রে সভাপতি হিসেবে আমার উপস্থিতির কথা লেখা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে এ  বিষয়ে আমার সাথে কোন আলোচনা করা হয়নি। এমনকি ইফতার মাহফিলের দাওয়াতপত্র আমার নিকট আদৌ পৌঁছায়নি। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা আয়োজিত আমার স্বাক্ষরিত ইফতার মাহফিল ইতি পূর্বেই আহবান করা হয়েছে। যাহা আগামী ২২ রমজান, ১৮জুন সাতক্ষীরা শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। আমার অজান্তে যে ইফতার মাহফিলের দাওয়াতপত্র বিতরণ করা হচ্ছে আমি তার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা আমার স্বাক্ষরিত দাওয়াত পত্রানুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগ ও এর সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

(মুনসুর আহমেদ)
সভাপতি
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
সাতক্ষীরা জেলা শাখা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02এম বেলাল হোসাইন : প্রবীণদের প্রতি অবজ্ঞা নিরসনে সচেতনতা দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা কালেক্টরেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের আহবায়ক ডা. সুশান্ত ঘোষ। মাধব দত্তের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন। এসময় বক্তব্য রাখেন, অবসর প্রাপ্ত সচিব আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, পরমানু বিজ্ঞানী ড. মতিউর রহমান, ড. দিলারা বেগম, প্রকৌশলী আবিদুর রহমান, সিনিয়র আইনজীবী এস এম হায়দার, সিনিয়র সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী, অধ্যক্ষ মুরাদুল হক, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দিবাশিষ সরকার প্রমুখ। প্রধান অতিথি প্রবীণদের সদর হাসপাতালে আলাদ কেবিন। তাদের বসার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণসহ  সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। 01

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

muzibul20170614140818ডেস্ক রিপোর্ট : যশোর জেলার নাভারন থেকে সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন তৈরির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন রেল মন্ত্রী মুজিবুল হক।
বুধবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান রেল মন্ত্রী।
মুজিবুল হক বলেন, যশোর জেলার নাভারন থেকে সাতক্ষীরা জেলার মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন তৈরির পরিকল্পনা সরকারের আছে। ইতিমধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। সমীক্ষ‍া অনুযায়ী নাভারন থেকে সাতক্ষীরা এবং সাতক্ষীরা থেকে মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন তৈরির জন্য দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের জন্য এক হাজার ৬৫৬ কোটি ২৪ লাখ এবং চার হাজার ২৯১ কোটি ৬১ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে। টাকার সংস্থান সরকারিভাবে করা অসুবিধা হতে পারে মনে করে এরইমধ্যে বিদেশি অর্থায়নের সুবিধার্থে দুটি পিডিপিপি অনুদ‍ান হয়েছে। অর্থায়ন চূড়ান্ত হলেই এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

উল্লেখ্য, এ অঞ্চলে মানুষের দীর্ঘদিনে দাবি রেলাইন স্থাপন। ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই রেললাইন স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন।
একদিকে পদ্মা সেতু, অন্যদিকে নাভারণ থেকে মুন্সীগঞ্জ রেললাইন স্থাপিত হলে সাতক্ষীরার সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অন্যরকম মাত্রা পাবে বলে অভিজ্ঞরা মনে করেন। এ অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান ও কার্মচাঞ্চল্য সৃষ্টির জন্য যা বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fou7wZ_lonআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের ২৪ তলা ল্যানচেস্টার ওয়েস্ট এস্টেট ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২তে পৌঁছেছে। এছাড়া, কয়েক ডজন মানুষ আহত অবস্থায় হাসাপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

লন্ডন পুলিশ বলছে, অনেকের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। কোনো কোনো রিপোর্টে বলা হয়েছে, আহতদের ২০ জনের অবস্থা গুরুতর।

গতকাল (বুধবার) সকালের দিকে লন্ডনের ২৪ তলা ল্যানচেস্টার ওয়েস্ট এস্টেট ভবনে আগুন লাগে। সে সময় ভবনের ভেতরে ৬০০’র বেশি মানুষ ছিল এবং তাদের বেশিরভাগই ঘুমিয়ে ছিল। ভবনের ভেতরে বেশ কয়েকজন আটকা পড়ে এবং ভবনটি ধ্বসে পড়তে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন। তবে সরকারি কর্মকর্তারা ভবনের কাঠামোগত অবস্থা যাচাই করে দেখছেন।

আগুন নেভানোর জন্য ৪৫টি গাড়ি, ২০০ দমকল কর্মী এবং ২০টি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়। ল্যানচেস্টার ওয়েস্ট এস্টেট ভবনে ১২০টি ফ্ল্যাট রয়েছে এবং ভবনটি ১৯৭৪ সালে তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি ঘঁষামাজা ও ভবনটিতে সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনাকে বড় দুর্ঘটনা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, দমকল কর্মীরা মাত্র ১২ তলা পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয় এবং এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1195094023_1497441439.jpg.pagespeed.ic.RJtkml4NMGডেস্ক: এই গরমে সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে মন চাই ঠান্ডা কিছু খেতে। তাই ভাজাপোড়ার বদলে ইফতারিতে রাখতে পারেন ফ্রুট সালাদ। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই সালাদের জুড়ি নেই। আবার খাবারের সাথে খেলে এর স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুণে। এক বাটি সালাদ আমাদের সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার সাথে সাথে শরীরে যোগাবে শক্তি। তাই চলুন এই রমজানে ইফতারের জন্য নানা রকম মজাদার সালাদের রেসিপি দেখে নেই।

# টক-মিষ্টি ফ্রুট সালাদ

উপকরণ :
আপেল কুচি ১ কাপ, আনারস কুচি ১ কাপ, কলা কুচি ১ কাপ, কমলা কুচি ১ কাপ, আঙুর কুচি ১ কাপ, আম কুচি ১ কাপ, স্ট্রবেরী কুচি ১ কাপ, আনার ১ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, বিট লবণ গুঁড়া আধা চা চামচ, মধু ১ কাপ, লবণ ১ চা চামচ, লেবুর রস ২ চা চামচ, পুদিনাপাতা কুচি ১ চা চামচ।

প্রণালি :
বাটিতে সব ফল নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস, লবণ দিয়ে ভালো করে মাখুন। এবার ফলের মিশ্রণের ওপর একে একে গোলমরিচ গুঁড়া, বিট লবণ, মধু, পুদিনা পাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল মজাদার ফ্রুট সালাদ।

# ফলের সাধারণ সালাদ :
উপকরণ-
আম, আপেল, কলা,আনারস, পেঁপে, আঙুর, কনডেনসড মিল্ক বা ফুল ক্রিম মিল্ক, মধু বা চিনি, ভ্যানিলা আইসক্রিম।

প্রণালি :
সব ফল একই রকম ছোট ছোট টুকরোয় কেটে নিন। একটা বড় কাচের বাটিতে সব ফল একসঙ্গে দিয়ে কনডেনসড মিল্ক বা ফুল মিল্ক মেশান। এবারে পছন্দমতো চিনি বা মধু দিয়ে একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। খাওয়ার সময় ওপরে এক স্কুপ ভ্যানিলা আইসক্রিম দিয়ে নিলে এর স্বাদ বেড়ে যাবে কয়েকগুণ।

# ছোলা ফলের সালাদ

উপকরণ:
কাবলি ছোলা ১ কাপ, পছন্দমতো ফলের কুচি ২ কাপ (আম, আপেল, আমড়া, পেয়ারা, আঙুর, আনারস, আনার ইত্যাদি) পানি ঝরিয়ে টকদই ২ কাপ, তেঁতুলের মাড় ২ টেবিল-চামচ বা ইচ্ছেমতো, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ টেবিল-চামচ, বিটলবণ ১ চা-চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা-চামচ বা ইচ্ছেমতো, আলু বড় ১টি, গাজর মাঝারি ১টি, পেঁয়াজ মোটাকুচি আধা কাপ, পুদিনাপাতা বা ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, শসা কুচি সিকি কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি সিকি কাপ, চাট মসলা ২ টেবিল চামচ, বেসনের চিকন ঝুরি ভাজা আধা কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ।

প্রণালি :
ছোলা পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সিকি কাপ ছোলা রেখে বাকি ছোলা ডুবোপানিতে লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। আলু ও গাজর আলাদা সেদ্ধ করে ছোট কিউব করে কেটে নিতে হবে। ফুটন্ত গরম পানিতে পেঁয়াজ এক মিনিট রেখে পানি ঝরিয়ে নিন।

এবার বড় বাটিতে বেসনে ঝুরি ভাজা বাদে বাকি সব উপকরণ পর্যায়ক্রমে দিয়ে হালকা হাতে মাখিয়ে ফ্রিজে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। ফ্রিজ থেকে বের করে সার্ভিং ডিশে ঢেলে ওপরে ঝুরি ভাজা ছিটিয়ে দিয়ে মজাদার কাবলি ছোলা ও ফলের সালাদ পরিবেশন করতে হবে।

# দই সালাদ

উপকরণ:
টক দই/মিষ্টি দই ২৫০ গ্রাম, ফল ৫০০ গ্রাম (কলা, আপেল, আঙ্গুর, কমলা, পেপে, আনার, কিসমিস ইত্যাদি), মধু দুই টেবিল চামচ, গোল মরিচের গুড়া (পরিমাণ মত), লবণ পরিমাণ মত, জিরা গুড়া ১/২ চা চামচ এবং পেস্তা বাদাম।

প্রণালি :
সব ফল ধুয়ে কিউব করে কেটে নিন। এবার ফলের সাথে সব উপকরণ ভালো করে মাখিয়ে নিন। বাটিতে ঢেলে পরিবেশন করুন দই ফলের সালাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1620174957_1497501682.jpg.pagespeed.ic.kuYQCKpj2Yডেস্ক: সারাদিন রোজা রাখার পর স্বাভাবিকভাবেই পানির প্রচণ্ড তৃষ্ণা থাকে। তাই ইফতারে আমরা নানা ধরনের জুস পান করে থাকি। ইফতারে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি আপনাকে প্রাণ দিতে পারে জুস। তাই আজ জেনে নিই কয়েক প্রকার জুসের রেসিপি।

আম ও পুদিনা পাতার জুস :
একটি আম কুচি করে নিন। একমুঠো পুদিনা পাতা ও কিছু বরফের টুকরো ঠান্ডা পানিতে দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। আম-পুদিনার এই পানীয়টি আপনাকে শীতলতা দান করার পাশাপাশি তৃপ্তও করবে।

তরমুজের জুস :
সবচেয়ে সহজভাবে তৈরি করা যায় যে সুস্বাদু পানীয়টি তা হচ্ছে তরমুজের জুস। এর জন্য আপনাকে কিছু তরমুজের টুকরো, কয়েক টুকরো বরফ ও সামান্য পানি ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সাথে এক চিমটি বিট লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন।

লেবু ও তোকমার শরবত :
সাধারণ লেবু পানিকে একটু ভিন্ন স্বাদ দিতে পারেন এর সাথে তোকমার বীজ মিশিয়ে। যা আপনাকে শীতলতা দেয়ার পাশাপাশি হাইড্রেটেড থাকতেও সাহায্য করবে। লেবু পানির সাথে কয়েক চামচ তোকমা বীজ যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে পান করুন ইফতারের সময়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

asar-220170615085741ঋতু পরিক্রমায় বাংলার বুকে এসেছে প্রেমময়, কবিতাময়, উচ্ছল বর্ষা। আজ পহেলা আষাঢ়। গ্রীষ্মের খরতাপের ধূসর নাগরিক জীবন আর প্রকৃতিতে প্রাণের স্পন্দন জাগায় বর্ষা। বর্ষার আগমন যদিও এবার একটু আগে হয়েছে। তবু বর্ষাকালকে আরো একবার স্বাগত জানাই। স্বাগতম মেঘবতী জলের দিন।

রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে/আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে। কবিগুরুর এই বন্দনা বৃষ্টির। গ্রীষ্মের ধুলোমলিন জীর্ণতাকে ধুয়ে ফেলে গাঢ় সবুজের সমারোহে প্রকৃতি সেজেছে পূর্ণতায়। নদীতে উপচে পড়া জল, আকাশে মেঘের ঘনঘটা এরই মাঝে হঠাৎ মেঘরাজের গর্জন। মেঘের ডাকে যেন বৃষ্টি কাঁদছে। যে কথাটি বলি বলি করেও বলা হয় না, বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল নিয়ে যেন তারই আসার অপেক্ষা।

বর্ষা ঋতু তার বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বতন্ত্র। বর্ষা ঋতু কাব্যময়, প্রেমময়। বর্ষার প্রবল বর্ষণে নির্জনে ভালোবাসার সাধ জাগে, চিত্তচাঞ্চল্য বেড়ে যায়। কদম ফুলের মতো তুলতুলে নরম, রঙিন স্বপ্ন দুই চোখের কোণে ভেসে ওঠে, ঠিক যেমন করে আকাশে সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়।

অন্যান্য মাসের মতো আষাঢ়ের নামকরণও হয়েছে তারার নামে। সে তারার নাম ‘আষাঢ়’। অথৈ পানি তার বৈভব। ‘বাদল দিনের প্রথম’ ও ‘আষাঢ়স্য’ কদম ফুলসহ নিসর্গ চেতনা প্রতিটি প্রকৃতিপ্রেমিক মনকেই আলোড়িত করে। শিল্পীর বেলায় তো এর আবেদন আরও বেশি হয়। কবিরা কবিতার ফুল ফোটাতে থাকেন এই বর্ষায়। বিখ্যাত সব কবিতাও রচিত হয়েছে এই বর্ষায়।

বর্ষার সতেজ বাতাসে জুঁই কামিনি, বেলি, রজনীগন্ধা, দোলনচাঁপা, কদম নাম না জানা আরও কত ফুলের সুবাস। লেবু পাতার বনেও যেন অন্য আয়োজন। প্রকৃতি থেকে শুরু করে গান, কাব্য, কবিতায় বাঙালি জীবন প্রবাহের প্রতিটি পরতে রয়েছে বর্ষার প্রত্যক্ষ প্রভাব।

অবশ্য বর্ষার কিছুটা ক্ষতিকর দিকও আছে। ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল গ্রামের পর গ্রাম যে ভাসিয়ে নেয়, এই বর্ষা। বন্যাকবলিত নিচু এলাকার মানুষ তাই আতঙ্কে পার করে বর্ষা। তারপরও বর্ষা বাঙালির জীবনে প্রেমের বারতা নিয়ে আসে। তারা অভিবাদন জানায় বর্ষাকে।

প্রতিবারের মতো এবারো বর্ষাবরণের নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। আজ সকালে বর্ষা উৎসবের আয়োজন করছে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী। এছাড়াও বর্ষার আগমনে রাজধানীজুড়ে রয়েছে নানা অনুষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

444444ডেস্ক রিপোর্ট : ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে প্রস্তুত হচ্ছেন আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের নভেম্বরের প্রথমে তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষভাগে নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করছে  নির্বাচন কমিশনও। সেই অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির জোর প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইত্তেফাককে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দশম সংসদের মেয়াদ শেষের ৯০ দিন আগে নির্বাচন করতে হবে। সেই হিসাবে আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসকে টার্গেট করে নির্বাচনের প্রস্তুত গ্রহণ করা হচ্ছে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে পুনরায় সরকার গঠনের সুযোগ পায়। নির্বাচিত সংসদের মেয়াদ হয় সংসদ সদস্যরা শপথ নেয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করা হয়। সেই হিসাবে বর্তমান সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হবে ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারি। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারির পূর্বের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা আছে। সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

এদিকে, সাতক্ষীরার চায়ের দোকানে, হাঁটে-বাজারে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারা হবেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থ তা নিয়ে। ইন্টারনেট তথা অন্তর্জালেও আগামী নির্বাচনে সাতক্ষীরা’র কোন আসনে কে আ. লীগের প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়ে রীতিমত আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আ. লীগ দলীয়ভাবে নিয়মিত মাঠ জরিপ করছে। সরকারও তার বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নিকট থেকে মাঠ পর্যায়ে প্রার্থীদের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন নিচ্ছে নিয়মিত। কোন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কেমন, ভাবমূীর্ত কেমন, জনগণের সাথে, দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ কেমন ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়গুলো কেন্দ্র জেনে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।
আ. লীগ প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন আগামী নির্বাচনে তিনি কেমন প্রার্থীদের নমিনেশন দিতে চান।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলার ০৪টি আসনে ১৯জন সম্ভাব্য প্রার্থীর সম্পর্কে, তাদের জনপ্রিয়তা ও গতিবিধি সম্পর্কে নিয়মিত খবারখবর নিচ্ছেন। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এসব প্রার্থীর কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে। জনসমর্থনে যার অবস্থান সবচেয়ে ভালো হবে তিনিই হয়ত পাবেন একাদশ নির্বাচনের মনোনয়ন।
গত নির্বাচনে ০৪টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ০৩টি আসনে। বাকি আসনটিতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। স্বতন্ত্ররাও এবার নৌকায় উঠেছেন।
এবার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে প্রচার-প্রচারণাও। ডেইলি সাতক্ষীরা সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন পড্রকাশের কাজ শুরু করেছে। আজ থাকছে জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা।

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া)

সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, সাবেক এমপি ও সাবেক কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বিএম নজরুল ইসলাম, সাবেক এমএলএ শহীদ স ম আলাউদ্দিনের মেয়ে ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ নুরুল হক, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, জেলা আ. লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ এর কেন্দ্রীয় নেতা সরদার মুজিব।

সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর)

জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন।

সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালীগঞ্জের চারটি ইউনিয়ন)

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী,  দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ, নর্দান ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. ইউসুফ আবদুল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের আটটি ইউনিয়ন)

শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম জগলুল হায়দার এমপি, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শফিউল আযম লেলিন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী।

আ.লীগ নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটাররাও সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। এসব প্রার্থীরা যে যার মত করে নিজেদের নির্বাচন করার আগ্রহের কথা কেন্দ্রকে জানান দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।এখন দেখার অপেক্ষার করিা পান আগামী নির্বাচনের নৌার টিকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest