সর্বশেষ সংবাদ-
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

এবারের ঈদ উল ফিতরে ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি এবং তার ভক্তদের জন্য আছে এক দারুণ সুসংবাদ! তার অভিনীত ‘আপন মানুষ’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল চলতি বছরের এপ্রিলে। এতে পরীর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পী। এবার ঈদ উল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে ‘নবাব’, ‘বস- ২’ এবং ‘রাজনীতি’ এর মত হাইভোল্টেজ মুভি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহ দখল করে নিয়েছে পরীমনির ‘আপন মানুষ’।

জানা গেছে, চলতি ঈদে ৩২টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে ‘আপন মানুষ’। এর দ্বারা স্পষ্টই বোঝা যায় যে, ছবিটি দর্শকদের পছন্দ হয়েছে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্রটির সংশ্লিষ্টরা।  ঈদের ছবি না হয়েও ৩২টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি প্রদর্শিত হওয়ায় বেশ আনন্দিত ছবিটির পরিচালক শাহ আলম মণ্ডল। এজন্য দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সুচরিতা, মিশা সওদাগর, শ্রাবণ শাহ, সাদেক বাচ্চু, প্রবীর মিত্র, কাজী হায়াৎ, রেহানা জলি, রেবেকা প্রমুখ।

এসব নিয়ে মহাআনন্দে আছেন পরীমনি। এবার ঈদও কাটিয়েছেন ঢাকাতেই। পরিবার আর এফডিসি মিলিয়ে কেটেছে তার ঈদের দিন। পরিবার-পরিচিতজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের ছবিতে ভরে উঠেছে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। ঈদ আনন্দ আর পুরনো ছবি ‘নতুন ভাবে’ সিনেমা হলে আসার আনন্দে বেশ জমজমাট কাটছে পরীর ঈদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দাঁতে ব্যথা! পাথর জমে হলুদ আবরণ পরে গেছে দাঁতে। অনেকেই ভুগে থাকেন এই সমস্যাটিতে। দেখা যায়, তাদরে দাঁতে কমবেশি হলুদ বা বাদামি খনিজ পদার্থের আবরণ। ডাক্তারি ভাষায় যাকে টার্টার বলা হয়। তবে সাধারণ মানুষ একে দাঁতের পাথর হিসেবে জেনে থাকেন।

মূলত নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার না করলেই এই টার্টার বাড়তে থাকে। যা দাঁতের ‘পিরিওডোনটাইটিস’ নামক রোগেরও কারণ।

পিরিওডোনটাইটিস কী:
‘পিরিওডোনটাইটিস’ হলে দাঁতের মাড়ির টিস্যুতে প্রদাহ হয়। ফলে মাড়ি সংকোচিত হয়ে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন নিয়মিত দাঁতে জমা টার্টার পরিষ্কার করা। টার্টার দূর করার প্রথম সমাধান হলো ডেন্টিস্ট। তবে আপনি চাইলে বাড়িতে বসেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

টার্টার পরিষ্কার করতে যা লাগবে:
* বেকিং সোডা
* ডেন্টাল পিক
* লবণ
* হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড
* পানি
* টুথব্রাশ
* কাপ
* অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ

টার্টার দূর করতে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী উপাদান হচ্ছে বেকিং সোডা। আসুন এবার জেনে নিই টার্টার দূর করার পদ্ধতি।

প্রথম ধাপ
কাপে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১/২ চা চামচ লবণ মেশান। এবার গরম পানিতে টুথব্রাশ ভিজিয়ে বেকিং সোডা ও লবণের মিশ্রণ দিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। সবশেষে কুলকুচি করে নিন।

দ্বিতীয় ধাপ
এক কাপ হাইড্রোজেন পেরোক্সাইডের সঙ্গে ১/২ কাপ হালকা গরম পানি মেশান। এই পানি মুখে নিয়ে এক মিনিট রাখুন। এরপর ১/২ কাপ পানি দিয়ে কুলকুচি করে ফেলুন।

তৃতীয় ধাপ
ডেন্টাল পিক দিয়ে দাঁতের হলুদ টার্টার ধীরে ধীরে ঘষে তুলুন। মাড়ির ক্ষতি এড়াতে ডেন্টাল পিক ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন।

চতুর্থ ধাপ
অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : সাতক্ষীরার তালার মেয়ে লাক্সতারকা মৌসুমি হামিদ চিকুনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত। যার কারণে এবারের ঈদের আনন্দ অনেকটাই মাটি হয়ে গেছে তার!
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা থেকে মৌসুমি এসেছেন তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষারীর তালা উপজেলায়। অন্যবার পরিজনদের সঙ্গে হইহুল্লোড় করে ঈদ পালন করলেও এবার তিনি রয়েছেন পূর্ণ বিশ্রামে।

মৌসুমি হামিদ বলেন, গত দুদিন সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা। হাঁটাচলা করতে পারছি না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছি, যেসব ওষুধ দিয়েছেন সেসব খাচ্ছি। পুরোপুরি সেরে উঠতে কতদিন লাগবে বলতে পারছি না।

ঈদ উপলক্ষে মৌসুমি হামিদ অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করেছেন। যেগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে। আগামীতে সুমন আনোয়ার পরিচালিত `কয়লা` নামের একটি ছবিতে অভিনয় করার কথা রয়েছে মৌসুমির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রতিবছরই বলিউডের সুলতান খ্যাত সালমান খানের বাড়িতে ঈদ উপলক্ষে পার্টি অনুষ্ঠান হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার বলিউড সুন্দরীদের ঢল নামলো তার বান্দ্রার বাড়িতে। খান খানদানের ঈদ উদ্‌যাপনের দিন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে হাজির ছিলেন একাধিক বলিউড সুন্দরী।

সল্লুর বাড়িতে এদিন ঈদের সন্ধ্যা আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সোনাক্ষী সিনহা, জ্যাকুলিন, প্রীতি জিনতাসহ আরও বিটাউন সুন্দরীদের উপস্থিতিতে। এসেছিলেন ‘জুড়ওয়া’ ছবির সিক্যুয়েলের অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানও।

প্রতিবারের মতো এবারও সালমানের ঈদের পার্টি জমে ওঠে তাঁর মায়ের খানদানি বিরিয়ানি দিয়ে। এর সঙ্গে ছিল সুস্বাদু ‘শিউ কুরমা’। তবে এদিন ডায়েটের ধার ধারেন না বলিউডের ভাইজান। নিয়ম ভেঙে তিনি খানদানি ‘শিউ কুরমা’ আয়েশ করে খেয়েছেন।

জানা গেছে, বলিউডের সুলতানের বাড়ির বিরিয়ানির জন্য প্রতিবারের মতো এবারও অপেক্ষা করে ছিলেন বলিউডের বাদশা। তবে সালমানের রোমান প্রেমিকা ইউলিয়া ভানতুর এবার খান খানদানের ঈদের পার্টিতে অতিথি আপ্যায়নের দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করেন। রীতিমতো ঘরের হর্তাকর্তা বনে যান ইউলিয়া।

এছাড়া এদিন উপস্থিত ছিলেন আরবাজ খানের সাবেক পত্নী মালাইকা অরোরা ও তাঁর বোন অমৃতা। এ ছাড়া সালমান খানের ভাইবোনসহ আরও আত্মীয়-পরিজন এই খুশির সন্ধ্যায় শরিক হন।

সূত্র: এনডিটিভি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বারাক ওবামার শেষ বছরে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন বিশ্বের ৬৪ শতাংশ মানুষ। তারা মনে করেন বিশ্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঠিক ভূমিকা পালনে সচেষ্ট ছিলেন ওবামা। জরিপটি আভাস দিয়েছে, ইরাক আগ্রাসন নিয়ে অনেক দেশেই জর্জ বুশের জনপ্রিয়তায় যে পরিমাণ ধস নেমেছিল, ট্রাম্পের অবস্থান এখন তার থেকেও নিচে। দুই-তৃতীয়াংশ ট্রাম্পকে ‘একগুঁয়ে ও বিপদজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

পিউ রিসার্চ  সেন্টার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি জনমত জরিপ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ সারাবিশ্বের সামাজিক বিষয়ে জনমত সম্পর্কে জরিপ করে ও ধারণা দেয়। নানান ধরণের সামাজিক, ভৌগলিক আর ব্যক্তি মতামত নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করে থাকে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণালব্ধ তথ্য আর উপাত্তকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়।

ট্রাম্পের প্রতি আস্থা রাখা বড় দুটি দেশ হচ্ছে ইসরায়েল ও রাশিয়া। লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা খুবই কম। লাতিন আমেরিকায় মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষের তার উপর আস্থা রয়েছে আর ইউরোপে সেই সংখ্যা ১৮ শতাংশ। মেক্সিকো ও স্পেনে এই সংখ্যা আরও কম। সেখানে যথাক্রমে ৫ ও ৭ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের উপর আস্থাশীল।

জরিপে আরও দেখা যায়, ব্যক্তি ট্রাম্পকে অপছন্দ করেন সারাবিশ্বের মানুষ। অনেকেই তাকে একগুঁয়ে ও বিপদজনক মনে করেন। খুবই অল্পসংখ্যক মানুষ তাকে যোগ্য মনে করেন। ৬ শতাংশ জার্মান মনে করেন ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য, ১৩ শতাংশ মনে করেন তিনি সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন আর ৯১ শতাংশ তাকে একগুঁয়ে মনে করেন। ৮১ শতাংশ মনে করে ট্রাম্প অসহিষ্ণু ও ৭৬ শতাংশ তাকে বিপদজনক মনে করে। যুক্তরাজ্যে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৮৯, ৭৭ ও ৬৯ শতাংশ। বৈশ্বিকভাবে ৬৫ শতাংশ মানুষ তাকে অসহিষ্ণু ও ৬২ শতাংশ তাকে বিপদজনক মনে করে।

ট্রাম্পের নীতিগুলোও অপছন্দ অনেকের। মেক্সিকান সীমান্তে দেয়াল, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে আসা ও মুসলিম প্রধান কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও পছন্দ করেননি অনেকে। সামনের মাসেই জার্মানিতে বসছে জি২০ সম্মেলন। প্যারিস জলবায়ু ‍চুক্তি থেকে ট্রাম্পের পিছুটানের বিষয়টি সমর্থন করেছে মাত্র ৯ শতাংশ মানুষ। বৈশ্বিকভাবে এই সংখ্যা মাত্র ১৯ শতাংশ।

৮০-এর দশকে চালু হওয়া নব্য উদারবাদী অর্থব্যবস্থা যখন যুক্তরাষ্ট্রসহ সারাবিশ্বে ব্যর্থতার নজির স্থাপন করেছে, ঠিক তখনই ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামের সংরক্ষণশীল অর্থনীতির রূপরেখা নিয়ে মার্কিন রাজনীতির মঞ্চে হাজির হন আবাসন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভয়াবহ বৈষম্য উৎপাদনকারী নব্য উদারবাদের জন্মভূমি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তবাজারের অসারতা প্রমাণ করতে সমর্থ হন তিনি। আর সে কারণেই ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্যমুক্তির স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন আমেরিকানরা। আর ওই নীতিতে শ্বেতাঙ্গ দরিদ্র আমেরিকানদের আস্থার কারণেই ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে সমর্থ হন। তবে বিশ্ববাসীর কাছে ট্রাম্পকে জনপ্রিয় করতে পারেনি তার আমেরিকা ফার্স্ট নীতি। বরং এই নীতির সাপেক্ষে তার মুসলিম নিষেধাজ্ঞা ্ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রয়াসকে নেতিবাচক চোখে দেখেছে বিশ্ববাসী।
‘আমেরিকা ফার্স্ট’কে কোনোভাবেই নব্য উদারবাদী অর্থ ব্যবস্থার রিপ্লেসমেন্ট ভাবতে পারছেন না অর্থনীতিবিদেরা। তাদের মতে, এই অর্থব্যবস্থার কোনও গন্তব্যই নেই। তারপরও যুক্তরাষ্ট্র যখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহুপক্ষীয় সম্পর্কের চেয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেই গুরুত্ব দিতে যাচ্ছে, তখন বিশ্বের অনেক দেশই নিজ-নিজ স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পর্কের নতুন সমীকরণ আর নতুন জোট গঠনের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে। ট্রাম্পের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বিশ্ব অর্থনীতিতে যে বিপন্নতা তৈরি করেছে, তা পুরনো অর্থনৈতিক সম্পর্ক বদলে দিচ্ছে বলেও আভাস মিলেছে। আভাস মিলেছে বিশ্ববাণিজ্যে একটি পরিবর্তনের সম্ভাবনারও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইন্টারনেট সার্চে নিজেদের পণ্যের একচেটিয়া বাজার তৈরির দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখোমুখি হলো টেক জায়ান্ট গুগল। অনলাইন শপিং সেবায় অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ এনে মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ২১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা (২৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) জরিমানা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

ইইউয়ের অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন শপিং সেবায় নিজেদের পণ্য সার্চ ইঞ্জিনে এগিয়ে রাখে গুগল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাজারে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রতারিত হচ্ছে ভোক্তারা। গুগলের এই কর্মকাণ্ডে ভঙ্গ হয়েছে ইইউয়ের বাজার প্রতিযোগিতা আইন।

এ বিষয়ে ইইউয়ের মুখপাত্র মারগ্রেথ ভেস্তাজের বলেন, নিজেদের সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলে নিজেদের পণ্য এগিয়ে ও প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্য পিছিয়ে রেখে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে গুগল। এই স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে প্রতিষ্ঠানটিকে সময় দেওয়া হয়েছে ৯০ দিন। এরপরও আইন ভাঙলে জরিমানার পরিমাণ আরো বাড়বে।

গুগলের এই কর্মকাণ্ড অনুসন্ধানে ২০১০ সালে মাঠে নামে ইইউয়ের তদন্তকারী দল। যুক্তরাষ্ট্রের টেকনোলজি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ইউরোপে একক অধিপত্যের চেষ্টা করছে, রাজনীতিবিদদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই শুরু হয় তদন্ত।

পরে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে গুগলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগ আগে ইইউ। তবে বার বারই তাদের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে গুগলের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আপনি যখন অনলাইনে কেনাকাটা করবেন, আপনার পছন্দের পণ্যটি সহজে ও তাড়াতাড়ি খুঁজে বের করতে চাইবেন। ওই পণ্যগুলোকেই গুগল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করে। এ কারণেই গুগল পণ্যের বিজ্ঞাপন দেয়। ব্যবহারকারীদের সঙ্গে সব বিজ্ঞাপনদাতাকে যুক্ত করার জন্য।’

মুখপাত্র আরো বলেন, ‘গুগলের বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে আমরা মোটেও একমত নই। আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব।’

এদিকে, কোনো প্রতিষ্ঠানকে এই প্রথম এত বড় অঙ্কের অর্থ জরিমানা করল ইইউ। এর আগে ২০০৯ সালে আরেক টেকনোলোজি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ইনটেলকে জরিমানা করে সংস্থাটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতীয় ক্রিকেট দলের নতুন কোচ কে হচ্ছেন, তা নিয়ে কয়েকদিন ধরেই চলছে আলোচনা। বিরেন্দর শেবাগকে নেওয়া হবে, নাকি টম মুটিকে কোহলিদের পরবর্তী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে— দেশটির সংবাদ মাধ্যমে এই বিষয়ে অনেক খবর প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে নাটকীয় মোড় নিয়েছে। হঠাৎ করে আলোচনায় এসেছে দলটির সাবেক টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রীর নাম।

ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়, শাস্ত্রী কোচের পদে আবেদন করার পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অবশ্য প্রথমে আগ্রহ না দেখালেও বর্ধিত সময়সীমা ৯ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন পাঠাতে পারেন তিনি।

এক বছর আগেই শাস্ত্রীকে সরিয়ে অনিল কুম্বলেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কুম্বলের অধীনে দল সাফল্যে পেলেও অধিনায়কের সঙ্গে তাঁর বনিবনা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সরে যেতে হয়েছে।

এই বিতর্কের পর বোর্ড কর্তারাও অনুধাবন করেছেন, ড্রেসিং রুমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দরকার। এমন কাউকে কোচ করা যাবে না, যার সঙ্গে অধিনায়ক বা খেলোয়াড়দের বনিবনা হবে না।

অবশ্য কোহালি ও তাঁর দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটার শাস্ত্রীকে ফেরানোর পক্ষে। এমনকি কোহলি নিজেও বোর্ড কর্তাদের এমন কথা বলেছেন।

এর আগে ১৮ মাসের দায়িত্বে ভারতীয় দলকে দারুণ কিছু সাফল্য এনে দিয়েছিলেন শাস্ত্রী। সে সময় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে টানা আটটি টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়ে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ভারত ধুঁকছিল। সে সময় তিনি হাল ধরেন, দলকে একটা ভালো অবস্থায় নিয়ে যান।

তা ছাড়া কোহলি-শাস্ত্রী সম্পর্কের সমীকরণটাও বেশ ভালো। দুজনের বোঝাপড়া শুধু ভালো বললে কম বলা হবে, তাঁদের মধুর সম্পর্ক সবার মুখে মুখে। তাই বোর্ড শেষ পর্যন্ত শাস্ত্রীকে নিয়োগ দিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

তাই আপাতত পরিষ্কার যে, কোহালিদের পরবর্তী কোচ নির্বাচন নিয়ে নাটক জমে উঠেছে। এরই মধ্যে আবেদন করেছেন বিরেন্দর শেবাগ, দুই বিদেশি টম মুডি এবং রিচার্ড পাইবাস, ভারতের লালচাঁদ রাজপুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শেষে টাইগাররা এখন ঈদের ছুটি কাটাচ্ছেন। ঈদ শেষেই ফিরতে হবে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্পে। এরপর আছে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। এর মধ্যেই নতুন খবর এলো, বাংলাদেশ আর নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে নাকি ত্রিদেশীয় সিরিজের কথা ভাবছে ক্রিকেটের পরাশক্তি ভারত। চলতি বছরের শেষে ভারতের মাটিতেই এই সিরিজ আয়োজন করার কথা ভাবছে বিসিসিআই।

এই ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফর সংক্ষিপ্ত করা কিংবা পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে বিসিসিআই। এফটিপি অনুযায়ী চলতি বছরের শেষে ভারত ৪ টেস্ট, ৭ ওয়ানডে ও ৩ টি-টোয়েন্টির সিরিজ খেলতে সাউথ আফ্রিকা যাবে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সফরের কথা থাকলেও সেটি পেছানো হতে পারে।

তবে এতে ঝামেলায় পড়তে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। কারণ ভারত সিরিজ শেষেই দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ খেলতে যাবে অস্ট্রেলিয়া। এক্ষেত্রে ভারত দুটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি কম খেলতে চাইছে। ২৬ ডিসেম্বর বক্সিং-ডে টেস্ট দিয়েই সিরিজ শুরুর নতুন পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এদিকে আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে সাউথ আফ্রিকায় যাবে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে। সফরে ২টি টেস্ট, ৩টি ওয়ানডে এবং ২টি টি-টোয়েন্টি খেলবে টাইগাররা। এর আগে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেজন্য গত বৃহস্পতিবার ২৯ সদস্যের প্রাথমিক দলও ঘোষণা করেছে বিসিবি। তবে আফ্রিকা সফরের পর আরও একটি বিরতি পাচ্ছে মুশফিকরা।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অসাধারণ পারফর্মেন্সের পাশাপাশি ইদানিং টেস্টেও ভালো করছে টাইগাররা। যদিও এই ত্রিদেশীয় সিরিজের বিষয়টি এখনও পরিকল্পনাতেই সীমাবদ্ধ আছে, তবে তা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য দারুণ একটা ব্যাপার হবে।
দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest