সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

channel_i_ban-ind1কোন কোন দিন করতে চাওয়ার কোনকিছুই ঠিকঠাক হয় না। মাশরাফিদের বোলিংয়ের অংশটা সেরকম হলেও ব্যাটিংয়ের চিত্র ছিল উল্টো। নিষ্কণ্টক হয়তো ছিল না, তবে সুযোগ ছিল সম্ভাবনাগুলো পাশাপাশি গেঁথে বিজয়মাল্যের ক্ষেত্র প্রস্তুতের। কিন্তু ইনিংসের মাঝপথে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে প্রথমে সেইসব সম্ভাবনার অপমৃত্যু, পরে বিবর্ণ বোলিং প্রদর্শনীতে ষোলোকলা পূর্ণ। শেষঅবধি স্বপ্ন ছোঁয়ার সেমিতে ভারতের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ম্যাচ হাতছাড়া করে সমাধিত ফাইনালের প্রত্যাশা।

এজবাস্টনে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ২৬৫ রানের লক্ষ্য তেমন কিছুই নয়। শক্তিশালী লাইনআপের ভারতের সামনে তো নয়ই। তাদের চাপে রাখতে শুরুতেই তুলে নিতে হত উইকেট। অথচ প্রথম সাফল্যটি যখন এল, ততক্ষণে পেরিয়ে গেছে ১৫টি ওভার, ভারতের রানও প্রায় একশর কাছাকাছি। মাশরাফির হাত ধরে টুর্নামেন্টের টপ স্কোরার ধাওয়ানের বিদায়ে মিলল কাঙ্ক্ষিত উইকেটের দেখা। সেটিই শেষ, বাকি নয় উইকেট অক্ষত রেখে ফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

আদতে প্রথম ইনিংসের পরই ম্যাচটা অর্ধেক হেরে বসে বাংলাদেশ। আবার নিভু নিভু হলেও খানিকটা প্রত্যাশাও ছিল। ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস তো বিরল নয়। কিন্তু টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারহীন বোলিংয়ের ধারাবাহিকতাই থাকল। বোলারদের সুযোগই দেননি দুই ভারতীয় ওপেনার। তাদের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, পৃথিবীর সহজ কাজটা বুঝি করতে নেমেছেন।

ইনফর্ম শেখর ধাওয়ানের ব্যাট বড় ইনিংসের আভাস দিয়ে থেমেছে ৪৬ রানে। টুর্নামেন্টে ৭৮, ১২৬, ৬৮-এর পর চার রানের জন্য ফিফটি হাতছাড়া। সেটিই এবারের আসরে সর্বোচ্চ রানের আসনটি ফিরিয়ে দিল ধাওয়ানকে। প্রথম ইনিংসে টপকে যাওয়া তামিম ইকবালকে (২৯৩) পুনরায় টপকে ধাওয়ানের এখন ৩১৭।

ধাওয়ানের ৮৭ রানের উদ্বোধনী জুটি সঙ্গী রোহিত শর্মা সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। হার না মানা ১২৩ রানের ইনিংস তার। ১৫ চার ও এক ছয়ে ১২৯ বলে সাজানো। আর আট হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখা বিরাট কোহলির অবদান অপরাজিত ৯৬। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১৭৮ জুটির পর ৫৯ বল হাতে রেখেই ম্যাচ পকেটে।

এর আগের গল্পটা সম্ভাবনা আর ছুঁড়ে আসার। শুরুর ধাক্কা সামলে যখন বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ, তখনই তালগোল পাকিয়ে ফেলার। তামিমের পর মুশফিক ও সাকিব দ্রুত ফিরে গেলে পথ হারায় টাইগাররা। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি।

সৌম্য (০) ও সাব্বিরের (১৯) বিদায়ের পর মুশফিককে নিয়ে ১২৩ রান যোগ করে পথ দেখানোর কাজটা করেছিলেন তামিম। ৭০-এর ঘরে যখন ফিরলেন এই বাঁহাতি, তখনো ভদ্রস্থই দেখাচ্ছিল সংগ্রহটা। কেদার যাদভের বলে বোল্ড হয়ে ফেরা তামিম ৮২ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছে।

উইকেটে তখন থিঁতু হওয়া মুশফিকের সঙ্গী আগের ম্যাচে শতক করা সাকিব। কিন্তু তামিম ফেরার পর সাকিবও (১৫) দ্রুতই সাজঘরে হাঁটা দিলে বড় ধাক্কা খায় লাল-সবুজরা। মুশফিক তাকে অনুসরণ করলে সেটা তালগোলে পরিণত হয়। ফেরার আগে ৬১ রান এসেছে মুশফিকের ব্যাটে। ৪ চারে ৮৫ বলের ধীরস্থির ইনিংস তার।

গত ম্যাচে শতক করা মাহমুদউল্লাহ তখনো ছিলেন, সঙ্গী তরুণ মোসাদ্দেক। কিন্তু দুজনে ৩৪ রানের বেশি যোগ করতে পারেনি। মাহমুদউল্লাহ ২১ রানে সাজঘরে ফেরার আগেই মোসাদ্দেক আউট (১৫)।

এরপরও সংগ্রহটা যে আড়াইশ পেরিয়ে গেছে তার কৃতিত্ব মাশরাফির। শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক। ২৫ বলের ইনিংসটি ৫ চারে সাজানো। তার সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৩৫ রানের জুটি গড়া তাসকিন অপরাজিত ১১ রানে।

ভারতের তিন বোলার দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ভুবনেশ্বর, বুমরাহ ও যাদভ। একটি উইকেট গেছে জাদেজার ঝুলিতে।

ফাইনালের স্বপ্ন হয়তো পূরণ হয়নি, তবে টুর্নামেন্টজুড়ে অর্জনের খাতায় যুক্ত হয়েছে অনেককিছুই। প্রথমবারের মত আইসিসির কোন টুর্নামেন্টের সেমিফাইলে খেলার কথা কল্পনা করাই একসময় ছিল বিলাসিতা, এখন সেটি বাস্তবতা। যে সিঁড়িতে হাঁটতে অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আরো খানিকটা পথ পেরিয়ে একদিন হয়তো ফাইনালের বাস্তবতাটাও যুক্ত হবে লাল-সবুজের পতাকা তলে, হয়তো তারও খানিকটা বেশি এগিয়ে শিরোপাটাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1497528207সেহরি খেতে উঠেই ধোঁয়ার গন্ধ টের পাচ্ছিলেন মুসলিমরা। তারপর খেয়াল করে দেখেন গ্রেনফেল টাওয়ারের একটি ফ্লোরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। দেরি না করে তাঁরা ডেকে তোলেন প্রতিবেশীদের।
সেহরি খেতে ওঠা মুসলমানদের চিৎকার চেঁচামেচিতেই অনেকেরই ঘুম ভাঙে। ফলে তারা বেঁচে যান ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে।
গ্রেনফেল টাওয়ারে বসবাসকারী মুসলিমরা জানায়, ভোর রাতে সেহরি খেতে উঠে ধোঁয়ার গন্ধ পান। এরপর প্রতিবেশীদের দরজায় দরজায় গিয়ে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন তাঁরা। এর মধ্যেই অনেক তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল অনেক ঘুমন্ত মানুষের বাসায় আগুন লেগে যায়। পরে অনেককে দড়ি ব্যবহার করে বের করে আনতে হয়।
অগ্নিকাণ্ডের পর পরই উদ্ধার তৎপরতা চালানো অনেকের ভাষ্য, আগুন লাগার পর স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ও এলার্ম কাজ করেনি।
গ্রেনফেল টাওয়ারের আটতলার বাসিন্দা খালিদ সুলেমান জানান, তিনি সাধারণত বেশি রাত জাগেন না। কিন্তু ওই রাতে তিনি সেহরির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
খালিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘কোনো অগ্নি সতর্কতা ঘণ্টি বাজেনি। কেউ সতর্কও করেনি। আমি রেডিও চালু করে সেহরির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় ধোঁয়ার গন্ধ পাই।’
খালিদ আরো বলেন, ‘আমি আমার ঘরের জানালা খুলে বাইরে তাকাই। দেখি সাততলা থেকে ধোঁয়া উড়ছে। এরপর আমি আমার ফুফুকে ডেকে আশপাশের সব প্রতিবেশীকে ডেকে তুলি। দুই প্রতিবেশী ছাড়া বাকি সবাই দরজা খুলেছে। আমার পাশের বাসার লোকেরা একটু দ্রুতই ঘুমিয়ে যায়।’
শুধু ডেকে তুলে জীবন বাঁচানোই নয়, অগ্নিকাণ্ডের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দিয়েছে মুসলিমরা। ভয়াবহ সে রাতে অনেক মুসলিম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও আল মানার মসজিদসহ অনেক মসজিদ খোলা ছিল।
লন্ডনের কালচারাল হেরিটেজ কেন্দ্র তাদের ফেসবুক পেইজে লেখে, ‘গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাময়িক আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহারের জন্য আল মানার মসজিদ খোলা রাখা হয়েছে। যে কোনো ধর্মের যে কাউকে এখানে স্বাগতম। তারা চাইলে এখানে এসে খানিকটা বিশ্রাম ও ঘুম কিংবা একটু পানি ও খাবার গ্রহণ করতে পারেন।’
গ্রেনফেল টাওয়ারের এক বাসিন্দা বলেন, ‘যদি মুসলিম তরুণেরা আমাদের ডেকে না জাগাত আর মসজিদে আশ্রয় নিতে সাহায্য না করত তবে হতাহতের সংখ্যা আরো বেড়ে যেত। তারাই ব্যাগভর্তি পানি নিয়ে প্রথম সহায়তায় জন্য এগিয়ে আসে এবং মানুষকে দৌড়ে দৌড়ে জাগিয়ে দেয়।’
আন্দ্রে বারোস নামের ৩৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘মুসলিমরা অনেক মানুষকে বের করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমি দেখেছি সাহায্যকারীদের বেশির ভাগই ছিলো মুসলিম। এ ছাড়া তারা খাদ্য ও কাপড় দিয়েও সহায়তা করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kamalকখনো ২২ গজে, কখনো ৬৫ গজী ব্যসার্ধকে কেন্দ্র করে আবর্তিত সবুজ গালিচায় গর্জে ওঠেন এগারো জন বাঘ। সঙ্গে গর্জন তরঙ্গ গ্যালারি হয়ে ছিটকে পড়ে লাল-সবুজের বর্গমাইল জুড়ে। তাতে ভেঙে যায় গভীর ধ্যানমগ্ন মুনীর সাধনাও। বইপোকা শাহ কামালের ধ্যানও ভাঙত বাংলাদেশ দলের খেলার সময়। টাইগাররা খেললে বইয়ে আর মুখ গুঁজে রাখতে পারতেন না বিসিএস পুলিশে প্রথম হওয়া এই কর্মকর্তা।

কামাল ৩৪তম বিসিএসে পুলিশে প্রথম হয়েছিলেন। বর্তমানে মৌলিক প্রশিক্ষণে রয়েছেন সারদা পুলিশ একাডেমীতে। নিজেও খেলাধুলা করতে পছন্দ করতেন। মেধাবী এই কর্মকর্তা জানালেন খেলা নিয়ে নিজের নানা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা।
আদতে বই পাগল বলতে যা বোঝায়, পুলিশ কর্মকর্তা শাহ কামাল ছিলেন ঠিক সেটাই। বই আর বই ছাড়া অন্যকিছু খুব কমই ভাবাত তাকে। শুধুমাত্র বাংলাদেশের খেলা হলেই ঘটত ব্যতিক্রম। যেকোন মূল্যে তখন খেলা দেখতেই হবে। মাইলের পর মাইল হেঁটে গিয়ে খেলা দেখার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

বাংলাদেশের খেলা দেখার জন্য পরীক্ষার আগেও রাত জেগেছেন কামাল। এমনকি বিসিএস পরীক্ষা চলাকালেও বাদ দেননি টাইগারদের কোন ম্যাচ। ক্রিকেট অনুরক্ত এ কর্মকর্তা ধৈর্য সহকারে দেখেন বাংলাদেশের টেস্ট খেলাও। টেস্ট ক্রিকেটের একটি বলও মিস করতে চান না। এমনকি সারদা ট্রেনিং একাডেমীর কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যেও সর্বাত্মক চেষ্টা করেন খেলা দেখার।

প্রিয় দলের প্রিয় তারকাদের খেলার কথা বলতে গিয়ে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এ কর্মকর্তা। হারিয়ে যান সুদূর অতীতে। ১৯৯৭ সালের ঘটনা। তখন তিনি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। সেবার বাংলাদেশ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাছাইপর্বে কেনিয়াকে হারায়। খেলা নিয়ে চারপাশের মানুষের টানটান উত্তেজনা। তখন রেডিওতে শুনতে হয়েছিল খেলার ধারাবিবরণী।

কামালের অনেক ইচ্ছে ছিল টাইগারদের ১ বলে এক রানে বিজয়ী হওয়া শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি টিভিতে দেখার। কিন্তু বাসায় কোন টিভি ছিল না। বিটিভি খেলাটির ধারণকৃত অংশ সম্প্রচার করে দু’দিন পর। সেই খেলা দেখতেই খুব নিকট এক আত্মীয়ের বাড়িতে বহু পথ পাড়ি দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেদিন খেলা দেখতে পাননি তিনি। সেই বাড়িতে গেলে তাকে ঢুকতেই দেয়া হয়নি। বলা হয়, বাসায় অনেক ভিড় হয়ে যাচ্ছে, এত মানুষের একসঙ্গে টিভি দেখা যাবে না।

সেই ঘটনায় খুব আহত হয়েছিলেন কামাল। দীর্ঘসময় সেই বাসার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করেছিলেন, একটু যদি ভেতর থেকে কেউ ডাক দেয়। সেদিন আর কেউ ডাকেনি তাকে। অগত্যা কষ্ট বুকে চেপেই ধরতে হয়েছিল বাড়ির পথ।

ক্রিকেটভক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তাকে জীবনের এই ঘটনাটি এখনও গভীরভাবে নাড়া দেয়। শাহ কামালের প্রিয় ক্রিকেটার মাশরাফি। মাশরাফির বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ভক্ত তিনি।
বৃহস্পতিবারের সেমিফাইনাল নিয়েও অনেক উত্তেজনা কাজ করছে তার মাঝে। বিশ্বাস করেন ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ সেমিফাইনালের বাধা টপকে যাবে। জিতে ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েই দেশে ফিরবে। সেই শুভ মূহুর্তের অপেক্ষায় দিন গুনছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
শুধু এই তিনিই নন, পুরো ক্রিকেট পাগল বাঙালি জাতিই এখন তাকিয়ে এজবাস্টনের দিকে। বাংলাদেশে দলের জন্য সবার প্রার্থনা, প্রার্থনা মাশরাফিদের সাফল্যে জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tamimস্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শুরু থেকেই দারুণ ফর্মে আছেন তামিম ইকবাল। শুরুর অস্বস্তি কাটিয়ে আজ ভারতের বিপক্ষে সেমিফাইনালেও জ্বলে উঠেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। তামিমের মতো হাসছে মুশফিকুর রহিমের ব্যাটও। দুজনেই পূর্ণ করেছেন অর্ধশতক। তামিমের অর্ধশতকে বাংলাদেশ পৌঁছেছিল ১০০ রানে। আর মুশফিকের অর্ধশতকে বাংলাদেশ পেরিয়েছে দেড়শ রানের কোটা। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ৩১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর: ১৫৪/৩। ৭০ রান করে আউট হয়েছেন তামিম। মুশফিক অপরাজিত আছেন ৫৫ রান নিয়ে। সাকিব ব্যাট করছে ১ রানে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশ পড়েছিল চাপের মুখে। প্রথম ওভারেই শূণ্য রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন সৌম্য সরকার। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সাব্বির রহমান শুরু করেছিলেন আগ্রাসী ব্যাটিং। কিন্তু তিনিও খুব বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি উইকেটে। সপ্তম ওভারে আউট হয়ে গেছেন ১৯ রান করে। তবে তৃতীয় উইকেটে ১২১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তামিম ও মুশফিক।
প্রথমবারের মতো আইসিসির বড় কোনো প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল খেলতে নেমে শুরুতে ভাগ্যের সহায়তা পায়নি বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।
মাশরাফি স্বীকার করুন আর নাই করুন, আজকের ম্যাচটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা ও কাঙ্ক্ষিত ম্যাচ। এর আগে কখনই কোনো ইভেন্টের ফাইনালে উঠতে পারেনি টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে কয়েকদিন আগেই সেই ইতিহাসের পথে হেঁটেছে মাশরাফির দল। এখন ইতিহাসে অমরত্বের পথে বাংলাদেশের এই দলটি। আজকের সেমিফাইনালটি জিতলেই প্রথমবারের মতো  কোনো আসরে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
আজকের ম্যাচে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে ভারত ও বাংলাদেশ। এবারের টুর্নামেন্টে হার দিয়ে যাত্রাটা শুরু করে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বড় সংগ্রহ করেও হারতে হয় মাশরাফিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা পরিত্যক্ত হলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে অনেকটা এগিয়ে যায় লাল- সবুজের দল। তবে শেষ চার নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ফলাফলের দিকে। সেই ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৪০ রানের দারুণ জয় পায় ইংল্যান্ড। যার ফলে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ওঠেন মাশরাফিরা।
অপরদিকে দুর্দান্ত শুরু করলেও মাঝখানে খেই হারিয়ে ফেলে ভারত। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতলেও পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কবার কাছে হেরে যায় কোহলির দল। সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য তাই গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না দলটির। সেই ম্যাচে প্রোটিয়াদের আট উইকেটে হারিয়ে সেমিতে উঠে যায় আসরের অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী দল ভারত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

751a01685dccecb28af8e31bee17f738-59424b8f1e9a3বিনোদন ডেস্ক : চাঁদের কণা’র গ্রাফিক্সে কণাগত বছর কাজ হয়েছিল ‘ডিজে রাহাত উইথ স্টারস’ শিরোনামে একটি মিশ্র অ্যালবামের। যেখানে ‘চাঁদের কণা’ শিরোনামে গান গেয়েছিলেন সংগীতশিল্পী কণা। তখনই শোনা গিয়েছিল গানটির ভিডিও প্রকাশ হবে।
এক বছর পর ভিডিও আকারে প্রকাশিত হলো এটি। ১৫ জুন (আজ) প্রকাশ পেয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অ্যাডবক্সের ইউটিউব চ্যানেল ও গানবক্স মিউজিক্যাল অ্যাপে।
এটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন, সুর করেছেন মীর মাসুম আর সংগীতায়োজন করেছেন ডিজে রাহাত। ভিডিওটি প্রসঙ্গে কণা বলেন, ‘আমার নামের সঙ্গে মিলে গেছে গানের শিরোনাম! আর ভিডিওটি সত্যিই অন্যরকম হয়েছে। যা এই ঈদে আমার শ্রোতাদের বাড়তি আনন্দ দিবে বলে বিশ্বাস করি। এমন গ্রাফিক্যাল ভিডিও আমার আর করা হয়ানি। সত্যি অদ্ভুত সুন্দর।’
এদিকে অ্যাডবক্স সূত্র জানায় এই ব্যানার থেকে ঈদ উপলক্ষে শিগগিরই প্রকাশ পাচ্ছে আরেকটি বড় বাজেটের মিউজিক ভিডিও। ‘আবার উড়তে শেখাও’ শিরোনামের এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মিনার। গানটির কথা-সুর শিল্পী নিজেই করেছেন আর সংগীতায়োজন করেছেন রেজওয়ান শেখ। আর এই গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত নাসির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

b640143d24832411a9a40f759b123e27-59425c27c249cসংগীতশিল্পী সাব্বির অনেক দিন ধরেই নতুন কোনও চমকের সঙ্গে নেই। না অডিও, না ভিডিও। তাহলে ডুব দিয়েছেন কী নিয়ে?
এমন প্রশ্নের মুখোমুখি তিনি গেল প্রায় এক বছর ধরেই হচ্ছিলেন সর্বত্র। জবাবে কিছু না বললেও মিটিমিটি হেসেছেন। বুঝিয়েছেন, তিনি কোনও এক চমক নিয়ে নিশ্চয়ই হাজির হচ্ছেন শিগগিরই। সেই ইংগিত সত্যিই হলো। সাব্বির বুধবার (১৪ জুন) মধ্যরাতে অন্তর্জাল দুনিয়ায় হাজির হয়েছেন তার নতুন গান ও ভিডিও নিয়ে। যার শিরোনাম ‘ঢলে ঢলে’। জীবক বড়ুয়ার রোমান্টিক কথায় এতে যৌথভাবে সুর দিয়েছেন সাব্বির ও শুভ। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন সাব্বির নিজেই। আর এটি প্রকাশ হয়েছে লেজার ভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে।
এই পর্যন্ত আসলে কোনও চমক নেই। চমক হিসেবে সাব্বির জানান, গানটিতে তিনি মডেল হিসেবে নিয়েছেন তারই স্ত্রী রেহেনা জামানকে!
স্ত্রীকে নিয়ে ভিডিওটি তৈরি প্রসঙ্গে সাব্বির বলেন, ‘গানটি তৈরির পর আসলে সবার চাপে-অনুরোধে এই ভিডিওটি তৈরির পরিকল্পনা করি। প্রথমে একজন প্রফেশনাল মডেল নিয়ে ভিডিওটি করার কথা ছিল। পরে দেখলাম গানটির গল্পে যে দৃশ্যগুলো দাবি কওে সেগুলোতে আমি অন্য মডেলদের সঙ্গে স্বাভাবিক অভিনয়টা করতে পারবো না। তাই বলতে পারেন ভিডিওটির গল্পের স্বার্থেই স্ত্রীকে মডেল হিসেবে বেছে নিই।’
গানটির মডেল তথা স্ত্রী রেহেনা জামানের প্রথম পর্দা উপস্থিতি প্রসঙ্গে সাব্বির বলেন, ‘রেহেনার জীবনে এটাই প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো। তাই একটু ভয়ে ছিলাম। এরজন্য সে নাচ শিখেছে। আর আমার দশ কেজি ওজন কমিয়েছে! কারণ, পর্দায় তার নায়ক হবো সেই জন্য! তবে এটাও সত্যি তার সাপোর্ট না পেলে এই ভিডিওতে আমি এতটা প্রাণবন্ত থাকতে পারতাম না।’
ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন শুভ। এদিকে সাব্বির এটাও বিস্ময় আর মুগ্ধতা নিয়ে জানালেন, তাদের ভিডিওটি লেজার ভিশন এমনই এক দিনে (১৪ জুন দিবাগত রাত) প্রকাশ করেছে- যেদিন (১৫ জুন) তাদের বিবাহবার্ষিকী।
সাব্বির তার ভক্তদের বলেন, ‘আমাদের এই আনন্দদিনে ভক্ত-দর্শকদের জন্য এই গানটি উপহার স্বরূপ। সঙ্গে ঈদেও আগাম শুভেচ্ছা তো থাকছেই।’
‘ঢলে ঢলে’ মিউজিক ভিডিওর লিংক:

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

15দেবহাটা ব্যুরো: সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের গেট উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফিতা কেটে নব নির্মিত গেটের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা ৩ আসনের সাংসদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রানালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ আ,ফ,ম রুহুল হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ ও ইউপি সদস্য বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

images6আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ বনদস্যু রবিউল বাহিনীর দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মালঞ্চ নদী সংলগ্ন চালতেবাড়িয়া খাল থেকে জেলেরা তাদের আটক করে যৌথবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ টি অস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধাকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, একটি একনালা বন্দুক ও তিনটি কাটা রাইফেল।
আটককৃত বনদস্যুরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের মকবুল হাওলাদারের ছেলে মনিরুল ইসলাম হাওলাদার(২৬) ও আশাশুনি উপজেলার মীর্জাপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে গোলাম রসুল (২৩)।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান,  বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে সুন্দবনের মালঞ্চ নদী সংলগ্ন চালতাবাড়িয়া খালে একদল বনদস্যু নিরীহ জেলেদের ওপর হামলা করে। তারা তাদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করছিল। তিনি আরো জানান, জেলেরা তাদের প্রতিহত করার জন্য পাল্টা হামলা করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের ঘন্টা ব্যাপী হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। পরে জেলেদের হাতে ধরা পড়ে ওই দুই বনদস্যু।  জেলেরা এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ টি একনালা বন্দুক, তিনটি কাটা রাইফেল ও ২৫ রাউন্ড গুলি জব্দ করে। পরে তাদেরকে অস্ত্র ও গুলিসহ র‌্যাব এবং বনবিভাগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest