সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

urvashi-imonআজ সারা দেশে মুক্তি পাচ্ছে ৩টি ছবি। এর মধ্যে কলকাতার ‘দ্য ওয়ান’ ছবিটি প্রদর্শনের জন্য ৮০টি সিনেমা হল পেলেও ঢাকার ‘পরবাসিনী’ পেয়েছে মাত্র ১৪টি। এদিকে সংখ্যায় হল কম হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ‘পরবাসিনী’ ছবির নির্মাতা স্বপন আহমেদ। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নির্ভর ছবি ‘পরবাসিনী’ পরিচালনা করেছেন তিনি। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ইমন, ঋত মজুমদার, সব্যসাচী চক্রবর্তী, উর্বশী রাউতেলা, জুন মালিহা, সোহেল খান, অপ্সরা আলী প্রমুখ। এটি নির্মিত হয়েছে রেগে এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে।

এত কম সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পাওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন স্বপন আহমেদ।  তিনি বলেন, ‘এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।  এর আগেও ‘সুলতানা বিয়িানা’ ও ‘সত্তা’ সিনেমা মুক্তির সময় কলকাতার দুটি সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যাতে এই সিনেমাগুলো ভালো ব্যবসায় না করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার আমার সিনেমা মুক্তি দেওয়ার সময়ও এমনটা করা হয়েছে। এটা খুব অন্যায় কাজ করছে। যারা মুক্তি দিচ্ছে তারা দেশি সিনেমার ভালো চান না।’

ছবিটি মুক্তি পেয়েছে মাত্র ১৪টি সিনেমা হলে। হলগুলো হলো স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমা, বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড, অভিসার সিনেমা, শ্যামলী সিনেমা, আনন্দ সিনেমা, মিনি গুলশান সিনেমা, জিনজিরা, পুরবী সিনেমা, ময়মনসিংহ, বিজিবি অডিটোরিয়াম, সিলেট, মধুবন সিনেমা, বগুড়া, কেয়া সিনেমা, টাঙ্গাইল, কল্লোল সিনেমা, মধুপুর, সঙ্গীতা সিনেমা, খুলনা, লিবার্টি সিনেমা, খুলনা।

সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতে মধ্যে ছবি বিনিময়ের অংশ হিসেবে এদেশে মুক্তি পাচ্ছে বিরশা দাশগুপ্ত পরিচালিত ছবি ‘দ্য ওয়ান’। এটি সারাদেশে ৮০টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। ভেঙ্কাটেশ ফিল্মস প্রযোজিত ‘ওয়ান’ ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ, যশ দাশগুপ্ত, নুসরাত জাহান, রিচেল হোয়াইট প্রমুখ।

এদিকে রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম মুক্তি দিচ্ছে মাহবুবা ইসলাম সুমীর পরিচালনার প্রথম ছবি ‘তুমি রবে নিরবে’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে ‘দুই বোন’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবির চিত্রনাট্যও করেছেন তিনি। এ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ওপার বাংলার শিল্পী ভাস্বর চ্যাটার্জী ও অমৃতা চট্টোপাধ্যায় এবং এপার বাংলার তানজিন তিশা ও ইরফান সাজ্জাদ প্রমুখ। ছবিটি রাজধানীর একধিক হলে মুক্তি পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

b97011ae758f661a4586d4b7b07a74e8-590b59bfb4cdcপশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশ ও এখানকার জনগণের জন্য নিজের ভালোবাসা ও টান নিয়ে ওঠা প্রতিবাদ এবং তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান ঢাকার স্বার্থরক্ষায় প্রতিকূল চিত্র হাজির করছে। তিস্তা চুক্তির বিরোধিতা করতে গিয়ে আত্রাই নদীর প্রসঙ্গ এনে আগেই বাংলাদেশবিরোধী অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। এবার বাংলাদেশকে রফতানির একমাত্র ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা না করার জন্য মালদার আম ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেত্রী।
বুধবার (৩ মে) পশ্চিম দিনাজপুরে এক সমাবেশে আত্রাই নদীর আরও বেশি পানি ছাড় না দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের দিকে আবারও অভিযোগের আঙুল তোলেন মমতা। তিনি বলেছেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে বালুঘাট ও আশপাশের এলাকা যেন খরায় না পড়ে সেজন্য আত্রাই দিয়ে আরও বেশি পানি ছাড় দেওয়া উচিত বাংলাদেশের।’
বৃহস্পতিবার (৪ মে) মালদায় সরকারি প্রশাসনিক বৈঠক ও এক জনসভায় আম উৎপাদনকারীদের উদ্দেশ্য করে মমতা মন্তব্য করেন, তারা যেন বাংলাদেশকে রফতানির একমাত্র বাজার না ভাবেন। তার মতে, ‘নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোতে নিজেদের রফতানির বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা উচিত আম ব্যবসায়ীদের।’
প্রসঙ্গত, গত মাসে শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যাওয়ার পর থেকেই মমতার বাংলাদেশবিরোধী অবস্থান প্রকাশ্যে আসছে। দিন যত যাচ্ছে ততই যেন তা বিস্তৃত হচ্ছে। শুরুতে তিনি পশ্চিম দিনাজপুরে আত্রাইয়ে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করতেন। তবে তা ছিল শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের বৈঠকে। কিন্তু বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন কিংবা এ বিষয়ে কোনও চাপ তৈরি করতেন না।
এখন ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আত্রাই ইস্যু ও বাংলাদেশের বাঁধ নির্মাণকে বালুরঘাটের মানুষের পানি দুর্ভোগের কারণ হিসেবে হাজির করছেন মমতা। বুধবারই প্রথমবারের মতো জনসভায় প্রকাশ্যে এ নিয়ে কথা বলেন তিনি।

মমতার বাংলাদেশ-বিরোধিতায় অবাক হয়েছেন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পর্যালোচনাকারী কলকাতাভিত্তিক বিশ্লেষকরা। তাদেরই একজন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ তিস্তার পানি দাবি করায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসছেন বলে মনে হচ্ছে। আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সরকারি অবস্থান এমন ছিল না। সিকিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হওয়ার পর যে কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, এটি তারই প্রতিফলন। স্পষ্টতই মমতা নিজে অথবা কারও পরামর্শে ঢাকা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চাপে রাখতে এই বিষয়টি সামনে আনছেন।’

কলকাতার এই পর্যবেক্ষক আরও মনে করেন, এমন বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকদের জনসমাবেশে মমতার ভাষণ এবং ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর মতো প্রশ্নের সামনে তাদের ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব ভালো কিছু নয়। এর কারণে দুই বাংলার সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে মোড় নিতে পারে বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এতে মানুষ আবেগতাড়িত হতে পারে।’

এদিকে তিস্তা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উত্থাপিত নিজের ‘নতুন প্রস্তাবে’ অনড় রয়েছেন মমতা। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। মমতার প্রস্তাব ছিল— ‘তিস্তার কথা ভুলে যান। পানি নিলে তোরসা ও উত্তরবঙ্গের অন্য নদী থেকে নিন।’ কিন্তু মমতার প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের সরকার গ্রহণ করেনি।

বৃহস্পতিবার মমতা আরেকটি ‘নতুন প্রস্তাব’ হাজির করেছেন। তার নতুন হাতিয়ার পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার আম রফতানি। প্রশাসনিক একটি বৈঠকে আম উৎপাদনকারীরা উল্লেখ করেন, তাদের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার বাংলাদেশ। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ সরকার মালদার আম আমদানির ক্ষেত্রে ১০-৫০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করায় তাদের কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এ কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে তাদের বাণিজ্য।

এ খবর জানার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা আম উৎপাদনকারীদের অন্য দেশগুলোতে রফতানির বিষয়টি বিবেচনা করতে পরামর্শ দিয়েছেন। যারা আম আমদানিতে আগ্রহী তাদের খুঁজে বের করতে বলেন তিনি। আম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত মালদা থেকে ফল কিনছে এবং এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কয়েকটি দেশের সঙ্গেও তাদের আলোচনা চলছে।

ব্যবসায়ীদের কাছে এ তথ্য জেনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন মমতা। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, আবুধাবি, নেপাল ও ইইউ দেশগুলোতে আম রফতানির উদ্যোগ নিশ্চিত করতে বলেন তাদের। আম উৎপাদনকারী ও কর্মকর্তাদের এজন্য কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এরপর এক জনসমাবেশে আম উৎপাদনকারীদের প্রতি একই আহ্বান জানান মমতা।

কলকাতার একজন বিশ্লেষক বলেন, ‘নিশ্চিতভাবে প্রকাশ্য ও জনসমাবেশে মমতার এসব বিষয় সামনে নিয়ে আসা বাংলাদেশকে একটি বার্তা দিচ্ছে। এসব প্রসঙ্গ সামনে এনে এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও কঠিন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদিকে বিব্রত করতে চাইছেন তিনি। কিন্তু এটি মমতার ‘সবার আগে রাজ্যের স্বার্থ’ নীতি, ইস্যু তিস্তা হোক বা আম বেচা, তিনি জনসমাবেশে শুল্ক নিয়ে কথা বলার আগে বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন।’

রাজনীতিতে মমতা ও তৃণমূলের সবসময় ‘ইটের বদলে পাটকেল’ ছোড়ার প্রবণতা ছিল। কলকাতার স্থানীয় এক লেখক মনে করেন, পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে আরও বেশি পরিমাণে রফতানির জন্য মমতার আহ্বানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খুব একটা ইতিবাচক সাড়া দেননি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তিস্তা ইস্যু দীর্ঘায়িত করায় শেখ হাসিনার অসন্তুষ্টির কথা জানান দেয় এ ঘটনায়। এখন মমতা আম ব্যবসায়ীদের ঢাকায় মনোযোগ কমিয়ে অন্য দেশে রফতানির কথা বলে সবাইকে বার্তা দিতে চাইছেন— পশ্চিমবঙ্গকে বশে আনা যাবে না!’

অবশ্য মমতা বা তার প্রশাসনের কোনও কর্মকর্তা রফতানির জন্য নতুন ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। ফলে বিদেশি বাজারের আকার নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে এবং চুক্তি হতে কতদিন সময় লাগবে তাও অনিশ্চিত।

এমনকি চুক্তির শর্ত, প্রতিটি দেশে চালান পৌঁছানোর সময় এবং খরচ ছাড়াও বেশকিছু বিষয় জড়িত। সর্বোপরি সীমান্তের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী বাংলাদেশের মতো সৌদি আরবে আম রফতানি কখনোই সহজ হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1341d76ad83a0599bc2d45b0d6b2473d-590b716c876d9চতুর্থ দিন মনে হচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজই বুঝি সিরিজ হারের শঙ্কায়। ইয়াসিরের ঘূর্ণিতে তেমনটাই প্রকট হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এই টেস্ট শেষ দিন যে লুকিয়ে রেখেছিল আরও রোমাঞ্চ। ১৮৮ রানের মামুলি লক্ষ্য পেয়েও ১০৬ রানের ব্যবধানে হেরে গেছে পাকিস্তান। ফলে সিরিজে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারে চলে যায় সফরকারীরা। পঞ্চম দিনের পিচে ব্যাট করতে নেমে ঠিকমতো দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। তাসের ঘরের মতো ভঙ্গুর ছিল তাদের ব্যাটিং। ৩৫ রানের মধ্যে ফিরে যান আজহার আলী (১০), বাবর (০), ইউনিস খান (৫), মিসবাহরা (০)। আর মিসবাহ যাওয়ার পরই হারটা অনেক নিশ্চিত হয়ে যায় পাকিস্তানের।

যদিও একপ্রান্ত ধরে কিছু প্রতিরোধ দেওয়ার চেষ্টা করেন সরফরাজ আহমেদ। আমিরের সঙ্গে ৪২ রানের জুটিও গড়েন অষ্টম উইকেটে। সেই আমিরকে গ্যাব্রিয়েল ফেরালে জয়ের সুবাস পেতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ দিকে সরফরাজ উঠিয়ে মারতে গেলে ২৩ রানে তালুবন্দি হন রোস্টন চেজের হাতে। তাতেই ৩৪.৪ ওভারে ৮১ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

ক্যারিবীয়দের পক্ষে একাই ১১ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। তিনটি নেন হোল্ডার আর দুটি নেন আলজারি জোসেফ।

অথচ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শাই হোপ আশা দেখাচ্ছিলেন শেষ দিন ইনিংস ঘোষণার। কিন্তু ইয়াসির শাহের ঘূর্ণিতে তা আর পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ দিনে আর মাত্র ৪ রান যোগ করেই ২৬৮ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৯ উইকেটে ২৬৪ রানে বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করলেও আগের দিন অপরাজিত থাকা দেবেন্দ্র বিশু এদিন ২০ রানেই ফিরে যান।

এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফেরালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channeli_Team-India-in-ICC-Champions-Trophy‘চাহিদা মতো টাকা না পেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলবো না’। ভারতের এমন গো-ধরা বুঝি এবার অবসান হতে যাচ্ছে। পরিস্থিতি বলছে, অযথা হৈ-চৈ করার পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বিসিসিআই।

স্কোয়াড ঘোষণা করতে দেরি হওয়ায় বিসিসিআই’র প্রতি বৃহস্পতিবার বিরক্তি প্রকাশ করেছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত থেকে নিযুক্ত তিন সদস্যের প্রশাসক প্যানেল (সিওএ)। সঙ্গে নির্দেশ দেয়া হয়েছে,  তাড়াতাড়ি যেন স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য স্কোয়াড ঘোষণার শেষ তারিখ ছিল ২৫ এপ্রিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবদেশ স্কোয়াড চূড়ান্ত করলেও ভারত চুপ করে ছিল।

সম্প্রতি আইসিসির সাধারণ সভায় স্থায়ী ১০ দেশ এবং সহযোগী ৪ দেশের মধ্যে ভোটাভুটিতে ১৩-১ ভোটের বিপুল ব্যবধানে বাতিল হয়ে যায় ২০১৪ সালের ‘তিন মোড়ল’দের জন্য বিতর্কিত লভ্যাংশ নীতি। নিজেদের পাশে কাউকেই পায়নি বিসিসিআই। আগের কাঠামোতে যেখানে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা ছিল বিসিসিআইয়ের, প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাওয়ায় ২৯৩ মিলিয়ন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে বোর্ডটিকে। আইসিসিতে হেরে যাওয়ার পর প্রতিবাদ জানাতে মরিয়া হয়ে ওঠে দেশটি। বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে সরাসরি বলে দেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবে না ভারত।

সিওএ এবং বিসিসিআই’র কর্মকর্তারা নিজেদের ভেতর কয়েকদফা আলোচনা করে। সিওএ বরাবরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার পক্ষে। নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা সাতটি পয়েন্ট সম্বলিত এক চিঠিতে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যুগ্মসচিব অমিতাভ চৌধুরীকে।

পাঁচ নম্বর পয়েন্টে বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, ‘আপনারা জানেন ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য দল ঘোষণার শেষ তারিখ ছিল ২৫ এপ্রিল। কিন্তু এখনও সেটা করা হয়নি। অনুগ্রহ করে নির্বাচক কমিটির একটি সভা ডেকে দ্রুত দল ঘোষণার প্রস্তুতি নিন। তারপর আগের অবস্থান থেকে সরে এসে আইসিসির কাছে স্কোয়াড পাঠিয়ে দেয়া হোক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে রক্সিহল সংলগ্ন ফ্রেন্ডস বনানী মার্কেটের তৃতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির আহবায়ক খন্দকার আনিসুর রহমানের সভাপতিতে ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় মেহেদী আলী সুজয় সহ আহবায়ক কমিটির তিনজনকে নতুন কমিটির সদস্য রেখে নতুন কমিটি ঘোষণা করে। নতুন কমিটির সভাপতি মীর মোস্তফা আলী, সহ-সভাপতি জাকির হোসেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফিজুল ইসলাম আক্কাজ, সদস্য আব্দুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সেলিম হোসেন, শেখ কামরুল ইসলাম, রাহাত রাজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

42343244কালিগঞ্জ ব্যুরো : প্রতিবন্ধীরা অসহায় বলে সমাজের কেউ তাদের ভালবাসেনা, তাদেরও এই সমাজে ভালভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। প্রতিবন্ধীদের সমাজের বোঝা মনে করলে সব কিছু ভুল হয়ে যাবে। সমাজের বিত্তবান থেকে শুরু করে সকলকে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে। উপজেলা পরিষদ ও আমার ব্যাক্তিগত তরফ থেকে আমি সব সময় প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি। যতদিন বেঁচে থাকবো এ ভাবেই অসহায় প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকবো। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে উপজেলা প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন উন্নয়ন সমিতির ৮জন অসহায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী সদস্যদের মাঝে উপজেলা পরিষদের ফান্ড থেকে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান এ কথা বলছিলেন। অসহায় প্রতিবন্ধীরা হলেন উপজেলার রতনপুর ইউনিয়ন ও গ্রামের আব্দুল মাজেদের কন্যা মেহেরুন্নেছা, কুশুলিয়া ইউনিয়নের বাজারগ্রাম রহিমপুরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে জাহেদুল ইসলাম, তারালী ইউনিয়নের কাঁকশিয়ালী গ্রামের মৃত রহিম সানার ছেলে গোলাম রব্বানী, চাম্পাফুল ইউনিয়নের বালাপোতা গ্রামের ফজের আলীর ছেলে ফকরুল ইসলাম, নলতা ইউনিয়নের পশ্চিম পাইকাড়া গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের কন্যা হিরা পারভীন, একই ইউনিয়নের কাশেমপুর গ্রামের রমজান আলী খানের ছেলে আবু দারদা, মথুরেশপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর কন্যা নুরুন্নেছা বেগম, দুদলী গ্রামের শাহাজান আলীর কন্যা কাকলী পারভীন। হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জিএম মহাতাব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, কুশুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোফ্ফাখারুল ইসলাম নিলু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সহকারী বাবলু রেজা, উপজেলা প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আব্দুল খালেক, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মথুরেশপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আনছার আলী, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনো, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম লস্কর, তরুণলীগ সভাপতি শাহাজালাল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুরসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

22121দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের সকল সভাপতি এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে ২০১৬-১৭ সালের গ্রামীণ অবকাঠামো সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেকটি ইউনিয়নের প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, কুলিয়ার প্যানেল চেয়ারম্যান বিকাশ সরকার, ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেলিম হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্রকল্প সভাপতি আব্দুল হান্নান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনি, মুজিবর রহমান, নির্মল কুমার মন্ডল প্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য শরিফুল মোল্যা, মিজানুর রহমান, আবুল কাশেম, আকবর আলী, আছাদুল ইসলাম, নুরুজ্জামান, জগন্নাথ মন্ডল, আসমাতুল্লাহ আসমান, হাফিজুর রহমান হাফিজ, শাহানাজ পারভীন, শ্যামলী রানীসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সভাপতিরা। এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চলমান গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় সকল উন্নয়ন কর্মকা- সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়াসহ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তাছাড়া সকল কাজ সঠিক ভাবে সময়মত শেষ করা অনুরোধ করা হয়। চলমান প্রকল্পে কোন প্রকার অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের নজর রাখতে বলেন নির্বাহী কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় পৌর কাউন্সিলর শহিদুল গং ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে এক দীনমজুরের ডিসিআরকৃত সম্পত্তি দেখলের চেষ্টা এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা প্রেসকাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন পৌর সদরের দহকুলা (চামটাপাড়া) গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে দীনমজুর মহব্বত আলী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দহাকুলা মৌজার ২৪ ও ২৫ দাগে মোট ৫০ শতক জমি ১৯৮৭ সাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে তিনি ভোগ দখল করে আসছেন। ২০১৪ সালে ওই জমি তিনি সরকারের কাছ থেকে ডিসিআর গ্রহণ করেন। কিন্তু সম্প্রতি ওই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে কুখরালী এলাকার শুকুর আলীর ছেলে কুখ্যাত ভূমিদস্যু একাধিক নাশকতা মামলার আসামি পৌর কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম গংদের। আমি দীনমজুর হওয়ায় শহিদুল ও তার ভাই সিরাজুল, বড় ছেলে খোকন, আমিন উদ্দিনের ছেলে আনার ও অরিফুলসহ তার সহযোগিরা গায়ের জোরে ওই সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে। সে কারণে ২০১৫-১৬ সালে ওই সম্পত্তি ইজারা নেয়ার জন্য আবেদন করলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ আবেদন গ্রহণ করে আমাকে ওই জমিতে দখলে থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়। কিন্তু পাউবো’র সার্ভেয়ার নুরুল্লাহ ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে ওই জমি আমাকে না দেয়ার জন্য পায়তারা শুরু করেছে। কিন্তু এরপরও ভূমিদস্যু শহিদুল কাউন্সিলর ও তার সঙ্গীরা জমি দখলের জন্য প্রকাশ্যে হুমক দিচ্ছে। আর এতে বাধা দিতে গেলে আমাকে ও পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলেও হুমকি দিচ্ছে তারা। এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ এপ্রিল শহিদুলের ভাই হাফিজুল, বড় ছেলে খোকন ও ভাগ্নে আনারসহ দূর্বৃত্তরা আমার সম্পত্তিতে প্রবেশ করে ভাংচুর চালায়। এসময় তারা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাকে জমি ছেড়ে চলে যেতে বলে। না গেলে আমাকে ও পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে লাশ গুম করা হবে বলে হুমকি দেয়। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি ছিলো খাস জমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বন্টন করা। কিন্তু শহিদুলের মত ভূমিদস্যুদের কারণে জননেত্রীর এই মহান উদ্যোগ ব্যহত হতে বসেছে। সে একের পর এক ভূমিহীনদের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে। তিনি তার দখলীয় খাসজমি রক্ষা ও ভূমিদস্যু শহিদুল কাউন্সিলর গংদের অত্যাচার নির্যাতন থেকে তাকে ও পরিবারের সদস্যদের রক্ষার জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest