সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

নলতা ডেস্ক : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা মানিক তলায় আহছানিয়া দরবেশ আলী মেমোরিয়াল ক্যাডেট স্কুলে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সNalta Picture. 13 jun.কাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত স্কুলের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ চলেছে বলে জানা যায়। শেষ দিনের এই প্রশিক্ষণে জেলার প্রশিক্ষক মধুসূদন মুখার্জী গণিত, বাংলা ও বিজ্ঞানের উপর এ প্রশিক্ষণ দেন।
যেকোন কাজে বাস্তব প্রশিক্ষণ নিলে সঠিক সফলতা অর্জন সম্ভব। তাই শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতিতে শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে আলোকিত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে, শিশুদের মেধা-মননের বিকাশ ঘটিয়ে তাদেরকে মানব সম্পদে পরিণত করতে এই প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষকরা যতবেশি প্রশিক্ষণ নিয়ে পরিপূর্ণতা লাভ করবে ছাত্রছাত্রীরা ততবেশি শিক্ষকের নিকট থেকে আদর্শ শিখবে ও সঠিক শিক্ষায় পরিপূর্ণ হবে। সকাল থেকে দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন স্কুলের অধ্যক্ষ খান আলাউদ্দিন, উপ-অধ্যক্ষ শাহিনুর রহমান, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আবু ফরহাদ, সহকারী শিক্ষক শিউলী সরকার, জুনিয়র শিক্ষক আনারুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ুম, তাপস পাল, শাহানারা খাতুন, রাশিদা খাতুন, মিরানা পারভীন, শামীমুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও সাংবাদিক সোহরাব হোসেন সবুজ। স্কুলের শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সচেতন অভিভাবকবৃন্দ। মঙ্গলবার এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সকল বিষয়ের উপর অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী বছরের বিভিন্ন সময়ে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1484481355Jনিজস্ব প্রতিবেদক : ‘তিনি লোকজন নিয়ে দিন দুপুরে আমার  বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়েছিলেন। এ সময় তিনি আমার বাড়ি ভাংচুরও করেছেন’। পুলিশের কাছে একজন ব্যাংক ম্যানেজার সম্পর্কে এই অভিযোগ দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত জামায়াত পরিচালিত এনজিও কর্মকর্তা নিজেই ধরা খেলেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় এ ঘটনা ঘটে শহরের কামাননগর মহল্লায়। আটক এনজিও কর্মকর্তার নাম মাহবুবুর রহমান। জামায়াত পরিচালিত এনজিও দিগন্ত ফাউন্ডেশনের পরিচালক তিনি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান তার কাছে খবর আসে যে, শহরের কামাননগরের মাহবুবুর রহমানের বাড়িতে ডাকাতি করতে গেছে কয়েকজন লোক। এ খবর পেয়ে সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোবাশ্বের আলি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছাতেই পুলিশের চোখ ছানাবড়া।
এসআই মোবাশ্বের জানান মাহবুবুর রহমান যাকে ডাকাত ডাকাত বলে গ্রাম উজাড় করেছেন তিনি সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার আবদুস সালাম। সঙ্গে আরও চার পাঁচজন লোক রয়েছে তার। মাহবুব পুলিশকে জানান, তিনি তার বাড়িতে ডাকাতি করতে এসেছিলেন। অপরদিকে কথিত ‘ডাকাত’ ব্যাংক ম্যানেজার বলেন ‘মাহবুব ব্যাংকের কাছে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ঋণি। আমরা তার কাছে টাকার তাগিদ দিতে এসেছিলাম। রাস্তায় দেখা হওয়ায় তিনি আমাদের সাথে ইফতার করবেন বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান’। এরপর ঘরে বসিয়ে রেখে ‘ডাকাত এসেছে’ এই নাটক করে তিনি তাদের মারধর করেন। ধন্দে পড়া পুলিশ মাহবুব ও ব্যাংক কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে গেছে।
ডিউটি অফিসার এএসআই হাসান আলি বলেন ‘মাহবুব পুলিশ কাস্টডিতে রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ব্যাংক ম্যানেজার ও তার সহযোগীদের থানা থেকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মাহবুবের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে ’বলে জানান তিনি।
জানা গেছে আটক মাহবুবুর রহমান এর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরায় জামায়াতের নৃশংসতায় খুন সিটি কলেজ প্রভাষক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মামুন হত্যা মামলা রয়েছে। এই মামলা থেকে রক্ষা পেতে তিনি যোগ দেন আওয়ামী লীগে। দিব্যি বাগিয়ে নেন আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদকের পদটি। আগে থেকেই জামায়াত পরিচালিত এনজিও দিগন্ত ফাউন্ডেশনের পরিচালক এই মাহবুব এখন কোটিপতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Keshabpur 13-06-17-4কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড কেশবপুর শাখার আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল মঙ্গলবার ব্যাংকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাখা ব্যাবস্থাপক মুহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সহিদুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদ সদস্য হাসান সাদেক, সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ রানা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ‘রমজানের তাৎপর্য ও দরিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন কেশবপুর আলিয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জিল্যুর রহমান, মাওঃ জালাল উদ্দীন ও মাওঃ আব্দুর রাজ্জাক। ইফতারের পূর্বে দোয়া পরিচালনা করেন মাওঃ জালাল উদ্দীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Aআজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট এর উপর আলোচনা করেন সাতক্ষীরা-০১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। তিনি তার বক্তৃতায় সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক, সাতক্ষীরার স্বাস্থ্য সেবার অরাজকতা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সমতা প্রভৃতি বিষয় তুলে ধরেন। পাঠকদের জন্য তার বক্তৃতার সার সংক্ষেপ এখানে উপস্থাপান করা হলো-
মাননীয় স্পিকার,  আপনাকে ধন্যবাদ।
একথা সত্য যে, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লক্ষ্যণীয় মাত্রায় উন্নতি করেছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক গতি এসেছে, বৈদেশিক মুদ্রার বড় রিজার্ভ সৃষ্টি করা গেছে, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর মতো বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে, সার্বিক অর্থনীতিতে জোয়ারের ¯্রােত, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বিশ^কেও তাক লাগিয়েছে। কিন্তু উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির এই স্বর্ণসময়েও বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে। উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির স্বর্ণদুয়ার খুলেছে যে কৃষক-শ্রমিকের শ্রমে-ঘামে, তারাই এখনও ওই দুয়ার দিয়ে হাঁটার সুযোগ পাননি। বরং এই শ্রমজীবী মানুষের শ্রম-ঘাম ব্যবহার করে গুটিকতক মানুষ সব মুনাফা লুটে নিচ্ছে। আয় বৈষম্য বাড়ছেই দিনে দিনে। নব্বই থেকে পঁচানব্বই শতাংশ সাধারণ মানুষের সম্পদের সমপরিমাণ সম্পদ ভোগ করে হাতেগোনা পাঁচ থেকে দশ শতাংশ ধনী মানুষ। এই বৈষম্য ঘুচিয়ে সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কাজটি করতে না পারলে উন্নয়ন ফাঁপা বেলুনে পরিণত হবে। ফটকাবাজির আলোকচ্ছটায় সাময়িক চোখ ধাধালেও মুহূর্ত পরেই তা অন্ধকারে পরিণত হবে। তবে বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা দুর্নীতি। সারাবছর কাজ না করে অর্থবছরের শেষ এক মাসে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের অনিয়ন্ত্রিত ভেলকিবাজি এখানে ফি-বছরের। সেইসাথে লুটপাটের গণউৎসবও চলে। এই দুর্নীতি-লুটপাট নিয়ন্ত্রণ করে বাজেট বাস্তবায়নে আরো গতি আনতে পারলে উন্নয়ন আরো অনেকখানি কাজে আসবে। সাধারণ মানুষের উপর বিশাল করের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রেও প্রত্যক্ষ করের চাইতে অপ্রত্যক্ষ করের উপর একটি বড় নির্ভরশীলতা রয়েছে। আর অপ্রত্যক্ষ করের বোঝা খুব স্বাভাবিকভাবেই নি¤œবিত্ত-মধ্যবিত্তমানুষের নিত্যদিনের জীবনে হাঁসফাঁস তুলে দেয়। বরং দেশে কর প্রদানের মতো সমর্থ্যবানরাই কর চুরি করে। সব পণ্যে গণহারে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করবে সরকার। সামর্থ্যবান মানুষদের কাছ থেকে আয় ও মুনাফার ওপর কর আদায় করা হয়। বিপরীতে ধনী-গরিব নির্বিশেষে দেশের সব মানুষকে একই হারে ভ্যাট দিতে হয়। এই অপ্রত্যক্ষ করের চাপ নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হবে।

মাননীয় স্পিকার,
মাননীয় অর্থমন্ত্রী চেয়েছেন দেশের সর্বাঙ্গীন স্বস্তি। আর তা করতে গিয়ে তিনি আপাত এতো বেশি অস্বস্তিতে ফেলেছেন যে তা চিন্তারও বাইরে। এতো এতো কর, এতো এতো ভ্যাট! কথা বলার করের হার (মোবাইল ফোনের বিলের ওপর) তো গত বছরই বাড়িয়েছেন, এবার ফোনের দামও বাড়ালেন। করের জাল থেকে মুক্তি নেই আমজনতার। ব্যাংকে টাকা রাখার ক্ষেত্রে আবগারি শুল্ক আগের চেয়ে বাড়িয়েছেন, অর্থাৎ সামান্য সঞ্চয়ের টাকা ব্যাংকে রাখার জো নেই। বিদ্যুৎ বিলেও এবার বাড়তি ভ্যাট গুণতে হবে। ১ জুন থেকে বিদ্যুতের বিল বেড়েছে, সেই সাথে আরও বাড়ার আগাম ঘোষণাও অর্থমন্ত্রী মহোদয় দিয়ে রেখেছেন। প্রস্তাবিত বাজাটে এবং চলমান অর্থনীতির ধারায় প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতার চিত্র আছে। কিন্তু সমতা নেই, নেই স্বস্তি। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পরেও কাক্সিক্ষত সমতাভিত্তিক সমাজ আসেনি। বরং ধনী-গরিবে, গ্রাম-শহরে অর্থনৈতিক ও জীবনমানের ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে। এই বৈষম্য ঘোচানোর কোনো দিকনির্দেশনা নেই প্রস্তাবিত বাজেটে।আর যে হারে কর বিশেষ করে পরোক্ষ করের (ভ্যাট) বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হলো, তার অভিঘাত বেশি হারে বইতে হবে নি¤œবিত্ত-মধ্যবিত্ত-সাধারণ মানুষকেই। ধনীরা বরং অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ করের আওতা থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছেন। কারণ করপোরেট কর আগের বছরের তুলনায় এক শতাংশ বাড়েনি, রয়েছে অপরিবর্তিত। ফলে সমতা আনয়নের কথা এখনও আকাশকুসুম চিন্তা। সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষকের জন্য ফসলের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা এ বাজাটে নেই। নেই শ্রমিকের জন্য নূন্যতম জাতীয় মজুরি কাঠামোর স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত। কর্মসংস্থানের কার্যকর কোনো পথচিত্র সামনে নেই। কৃষকের ফসলের দাম, শ্রমিকের শ্রমের দাম না দিয়ে, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের যথাযথ সুযোগ সৃষ্টি না করে কেবল উন্নয়ন আর প্রবৃদ্ধির ধারা সাময়িকভাবে এগোতে পারে, তাতে পথচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। উন্নয়নের প্রধান কারিগর যে শ্রমজীবী মানুষ, তারা উন্নয়নের সফলতা থেকে বঞ্চিত থাকেন। তাতে মানুষে মানুষে বৈষম্য বাড়ে। সমতার স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে যায়। জনমনে অস্বস্তি বাড়ে।

মাননীয় স্পিকার
নদ-নদী ও সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রাণ। কিন্তু দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিকল্পিতভাবে নদ-নদী খননে কোনো সমন্বিত উদ্যোগ নেই। আমার নির্বচনী এলাকায় কপোতাক্ষ খনন হচ্ছে কিন্তু শালথা ও বেতনা খনন হচ্ছে না। আসন্ন অর্থ বছরের বাজেট থেকে শালথা ও বেতনা নদী পরিকল্পিতভাবে খননের জন্য আমি দাবী করছি।
উন্নয়নের মহাসড়কে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ উঠতে পারছে না Ñ কারণ সড়ক ও জনপদের অধীন কলারোয়া-সরসকাটি, কুমিরা-তালা, যশোর-সাতক্ষীরা সড়কসমূহ চলাচলের অযোগ্য। দ্রুত সংস্কার অতীব জরুরি।
আমার নির্বাচনী এলাকার হাজার হাজার নারী-পুরুষ, শিক্ষিত-অশিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী রয়েছে। সাতক্ষীরা থেকে মংলা সমুদ্র বন্দরের দূরত্ব ৯০ কিমি। এখানে সরকারি উদ্যোগে শ্রমঘন অর্থনৈতিক জোন গড়ে তুলতে পারলে বেকাররা বেকারত্বের কষাঘাত থেকে মুক্তি পাবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে যাতে করে রাজধানীর উপর চাপ কমবে।
সাতক্ষীরা জেলায় পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ের দাবী দীর্ঘ দিনের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবি করবÑ সাতক্ষীরায় পাবলিক বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ আগামী নির্বাচনের আগেই নেবেন।
নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে পাঠ দানের অনুমতি, পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিন্তু বিগত ৭-৮ বছর ঐ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত না করার ফলে সরকার বিতর্কিত হচ্ছে। দ্রুত এমপিও ভুক্ত করার দাবী জানাচ্ছি। সেইসাথে শিক্ষাকে জাতীয়করণের দাবী জানাচ্ছি।
সাতক্ষীরা শহরকে যানজট  মুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত বাইপাস সড়কের কার্যক্রম শুরু হয়েছে কিন্তু বাইপাস সড়কটি ভোমরা বন্দরের আলীপুর চেকপোস্ট থেকে শুরু না হয়ে মেডিকেল কলেজের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নকশাটি সংশোধন করলে ক্ষোভ নিরসন হবে এবং রোগীও বাঁচবে।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষার জন্য প্রয়োজন বাহন, কিন্তু আমার নির্বাচনী এলাকার ৩টি পুলিশ স্টেশনে চলাচলযোগ্য যানবাহন নেই। ৩টি পিকআপ প্রদানের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট দাবী জানাচ্ছি।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে সাতক্ষীরা জেলায় নৈরাজ্য বিরাজ করছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে পূর্ণাঙ্গরূপে চিকিৎসা চালু হয়নি। অপরদিকে সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে পূর্ণাঙ্গরূপে চিকিৎসা দ্রুত চালুসহ সকল হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পোস্টিং দিতে হবে। সেইসাথে কমিউনিটি হাসপাতালে অবকাঠামোগত সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পোস্টিং দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Beautyগ্লোবো মিস ব্রাজিল ২০১৭’ নামের সুন্দরী প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের বিচারক ছিলেন ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নাহিদা রহমান ইকবাল। সেখানে আরও বিচারক ছিলেন সার্বিয়া, মিসর, সিরিয়া, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত এবং ব্রাজিলের বেশ কয়েকজন তারকা।

ব্রাজিলের একটি হোটেলে গত ৩ জুন ১৮ জন বিচারক মিস ব্রাজিল ২০১৭ কে ভোট দেন। আয়োজকেরা সব সময়ই রাষ্ট্রদূতদের বিচারক হিসেবে রাখেন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রধানকে বিচারক হিসেবে রাখা হয়েছে।

প্রথম রাউন্ডে বিচারকেরা ব্রাজিলের ২৬টি রাজ্যের ২৬ জনের মধ্যে ১০ জন অংশগ্রহণকারীকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচন করেন। পরে পাঁচজনকে বাছাই করা হয় মেধা ও সৌন্দর্যের ভিত্তিতে। সেখান থেকে তিনজনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

news pic-1নলতা ডেস্ক : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে। এবারের খুশির ঈদে নতুন সাজে সাজতে আকর্ষণীয় ড্রেস কিনতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের ক্রেতাদের পদচারণায মুখরিত থাকে নলতার মার্কেট ও বিপনী বিতানগুলো। নলতা বাজারের আল আমিন এন্টারপ্রাইজ, রানা এন্টারপ্রাইজ, সৌখিন বস্ত্রালয়, শতরুপা বস্ত্রালয়, টিএস ফ্যাশন হাউস, ক্ষণিকা বস্ত্রালয়, শাহী বস্ত্র সম্ভারসহ অধিকাংশ বিপণীগুলোতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপচে পড়া ভিড় নজরে পড়েছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোশাকটির জন্য ঘুরছেন এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে। শত শত তরুণ-তরুণী বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাকে কেনাকাটা করছেন। বিভিন্ন ব্রান্ডের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের।
ঈদ উপলক্ষে দোকানগুলোতে তরুণদের বাহারী পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট থেকে শুরু করে তরুণীদের ভারতীয়সহ বিভিন্ন ডিজাইনের কামিজ, রকমারি শাড়ি, ফতুয়া, বিভিন্ন নামের পায়জামা, গহনা বিক্রি হচ্ছে। জুতার দোকানগুলোতে একই অবস্থা। ক্রেতারা তাদের পছন্দের জুতা সংগ্রহ করতে পাক রওজা শরীফ মোড়ের নিউ সু হাউজ, বাটা মার্কেট, সম্রাট সু ও এপেক্সসহ বিভিন্ন জুতার দোকানে ভিড় করছেন। নলতার হাটখোলার বাসস্টান্ডে অবস্থিত মেসার্স শাহী বস্ত্র সম্ভারসহ বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখা যায় রকমারী শাড়ী, লুঙ্গি, থান কাপড়, ত্রি-পিচ ও শার্ট প্যান্টের বিপুল সমাহার। বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ-শিশু কেনাকাটায় ব্যস্ত রয়েছে। দোকানিরাও ব্যস্ত ক্রেতাদের সন্তষ্ট করতে। ঈদকে সামনে রেখে ঘর সাজানো আসবাবপত্রও বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।
এদিকে বরাবরের মত এ বছরও নলতার মার্কেটে ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। নানা রকম ডিজাইন আর ভারতীয় সিরিয়ালের নাম অনুসারে বেশি জনপ্রিয় ভারতীয় পোশাকগুলো। ক্রেতা সামিয়া সুলতানা জানান, ভাল নকশা না থাকার করণে দেশি পোশাকের চাহিদা খুবই কম।
এবছর মেয়েদের জন্য দোকানিরা এনেছেন ফ্লোরটাচ্, কোটি ফ্রগ, লেহেঙ্গা, পাঞ্চু, টু-পার্ট, স্কটসহ বিভিন্ন আধুনিক পোশাক। সাম্প্রতি বছরের পাখি, কিরণমালা, মধুমালা, মায়াপরী, পাকিস্থানী লনসহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিচ ও ফোর পিচ পোশাকও ক্রেতাদের আকৃষ্ট করেছিলো। ছেলেদের জন্য ফতুয়া, কালার ফুল শার্ট, চেক শার্ট, জিন্স ও গ্যাবাডিং প্যান্টের পাশাপাশি ঈদ স্পেশাল বাহারি ডিজাইনের পাঞ্জাবি পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
নলতা বাজারে অবস্থিত আল আমিন এন্টারপ্রাইজের সেলস ম্যানেজার মো.আজাদ এই প্রতিবেককে জানান, এবারে ঈদে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে ভারতীয় নতুন মুভির সাথে মিল করে এবার আমরা তরুনীদের জন্য বাবলী, বাহুবলী, ক্লাসিক,পাঞ্চু ছাড়াও আরো কিছু নতুন পোশাক বাজারে নিয়ে এসেছি। যেগুলো ক্রেতাদের সহযে মন জয় করে নিচ্ছে। ভারতীয় এসব বিভিন্ন ত্রী-পিচ দেড় হাজার থেকে শুরু করে তিন হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান। তিনি আরও বলেন গত বছরের তুলনায় এবছরে ক্রেতাদের চাহিদা বেশ ভাল আছে। বিশেষ করে সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ক্রেতাদের উপস্থিত আশানুরুপ বলে জানান তিনি।
নলতা বাজারের আধুনিক শপিংমল টিএস ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ মিঠু জানান, এবারের ঈদে আমরা সব বয়সি ক্রেতাদের চাহিদা মেটানোর জন্য আধুনিক পোশাক বাজারে এনেছি। তবে এবারের ঈদে ভারতীয় সিরিয়ালের নাম অনুসারে তেমন কোন পোশাক না আশায় মেয়েদের বেশি চাহিদা রয়েছে ফ্লোরটাচ্, লেহেঙ্গা, স্কট, পঞ্চ নামের পোশাকের। মহিলাদের পছন্দ বেনারসি,জামদানি ও কাতানশাড়ি। শিশুদের পছন্দ থাই কিডস্, বেবি ফ্রগ, মোদি পাঞ্জাবি। আর ছেলেদের জন্য রয়েছে জিন্স প্যান্ট, গ্যাবাডিং প্যান্টের পাশাপাশি ঈদ স্পেশাল বাহারি ডিজাইনের পাঞ্জাবি পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
নলতা বাজারের মেসার্স জামান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আনিছুজ্জামান খোকন জানান, এবারে ঈদে সকল ক্রেতাদের জন্য আমরা সকল প্রকার আধুনিক পোশাক বাজারে নিয়ে এসেছি তবে গত বছরের তুলনায় এবার রমজানের মাঝামাঝিতে তেমন ক্রেতাদের উপস্থিত দেখা যাচ্ছে না তবে যত ঈদ ঘনিয়ে আসছে ততই ক্রেতাদের পদচারণা বাড়ছে। তবে এবার সরকার অন্যান্য পন্যের উপর ট্যাক্স বাড়ালেও পোশাকের উপর তেমন কোন প্রভাব পড়েনি।
নলতা বাজারের ক্ষণিকা বস্ত্রলয়ের স্বত্বাধীকারী মীর আব্দুল ওয়াদুদ প্রতিবেদককে জানান,অন্যান্য বছরে রমজানের মাঝামাঝিতে ক্রেতাদের পদচারণায় দোকান মুখরতি থাকলেও এবার ঈদে সেটা উপলব্ধী করা যাচ্ছেনা তবে ঈদ যত কাছে আসছে ততই ক্রেতাদের পদচারণা হবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি আরও বলেন এবার মার্কেট এতই খারাপ যে লোন তুলে যে পোশাক আমরা দোকানে এনেছি সে লোন আমরা এখনো পরিশোধ করতে পারলাম না কিন্তু বিগত বছরগুলোতে মার্কেট ভাল থাকার কারণে ১৫ রমজানের মধ্যে আমরা ব্যাংক লোন পরিশোধ করে থাকি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে সাজানো হয়েছে বাহারি ডিজাইনের লেহেঙ্গা শাড়ি, লেহেঙ্গা নেট শাড়ি, ইতালিয়ান ক্রেফ, বুটিকস, কাতার শাড়ি, ইন্ডিয়ান সুতি শাড়ি, ঢাকাইয়া ও ইন্ডিয়ান জামদানি, ফ্লোরটাচ্, লেহেঙ্গা, স্কট, পঞ্চ, ইন্ডিয়ান স্ক¬ুসিফ ত্রি-পিচ, ক্রাফটেট থ্রি-পিচসহ আকার্ষনীয় ডিজাইনের পন্য। ছোটদের কাপড়ের বিপুল সম্ভার রয়েছে বিভিন্ন দোকানগুলোতে।
টিএস ফ্যাশন হাউসে গিয়ে সখিপুর থেকে আসা সখিপুর কেবিএ কলেজের ছাত্রী সুমাইয়া ইসলাম রিপার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি বলেন নিজেকে অন্যের চোখে একটু আলাদা ও রুচিসম্মতভাবে তুলে ধরতেই অধুনিক পোষাক ক্রয় করতে এখানে আসা। বলেন, বারবারই দেশিয় পোশাক পরে থাকি তাই এবার ঈদে একটু ভিন্ন সাজে সাজতে ভারতীয় কিছু পোশাক দেখতেছি।নলতায় এসে কয়েকটা মার্কেট ঘুরেছি এবার দোকানীরা যেসব পোশাক নিয়ে এসেছে সেগুলো বেশ ভাল লেগেছে। দেশিয় পোশাকের ভাল ডিজাইন না থাকায় ভারতীয় পোশাকের দিকে তরুনীরা বেশি ঝুঁকছে বলে তিনি এ প্রতিবেককে জানান।
বাজারের বিভিন্ন বস্ত্রবিতানে গিয়ে জানা যায়, শৈল্পিক ফ্যাশন বরাবরই পরিবর্তনশীল। আজ যা আধুনিক কালই তা সেকেলে। আর এ পরিবর্তনটাই আকর্ষণ করে থাকে তরুণ-তরুণীদের। শৈল্পিক সে দিকে গুরুত্ব দিয়েই আমরা পোশাক গার্মেন্টস এবং শোরুম থেকে সরাসরি পোশাক বাজারে নিয়ে এসেছি। তারা জানান, আমাদের এবারের ঈদ পোশাকের মোটিফ প্রকৃতি। আমরা বিভিন্ন ডিজাইন দিয়ে ফুঠিয়ে তুলেছি এবারের পোশাক। কারণ মোটিফাই ফ্যাশনের মূল অংশ। যে পোশাকটি তৈরি হবে তার ডিজাইন, রংয়ের কম্বিনেশন, কোন সিজন বা উৎসবের পোশাক,তার কাপড়টি কেমন হবে,পোশাকটি স্লীম নাকি ফ্যাটি ব্যাক্তির জন্য এসব হলো মোটিফ। আর এসব ভেবেই শৈল্পিক পোশাক তৈরি করে থাকে।
এবারের ঈদে শিশু ও মেয়েদের পোশাক বিক্রি বেশি হচ্ছে। কসমেটিকসের দোকানেও তরুণীদের বেজায় ভিড়। এছাড়াও জুতার দোকানে স্লিপারসহ বিভিন্ন ¯্রান্ডেল বেশ বিক্রি হচ্ছে।
মাসুমা ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী আবু মুসা ও টিএস ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ মিঠু জানান,অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছরও কসমেটিকস সামগ্রীর দাম ঠিক আছে এবং গুনগত মানসম্পন্ন মালামাল কিনতে ক্রেতাদের বেশ আগ্রহ।
প্রত্যোক সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হচ্ছে আনন্দ ও উৎসবের। আর উৎসবকে ঘিরে সকলে নতুন ডিজাইনের কাপড় নিতে বেশি উৎফুল্ল থাকেন এই বিশেষ দিনে। তাই উৎসবে আনন্দ যোগাতে নারীদের পচন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি ও সেলোয়ার কামিজ এবং দেশি ও বিদেশী থান কাপড় সংগ্রহ করেন দোকানীরা। তবে এখন মানুষ খুবই সচেতন। দামের বদলে ক্রেতারা ভাল মানের কাপড়টি কিনতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7c1b967975e1f57823603106a6bd2019-578ce9f63657cযশোর প্রতিনিধি : যশোর জেলাকে বিভাগ ও পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ।
যশোর-৩ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্য পৌরসভার নামে চাঁদাবাজি ও অবৈধ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনারও জোর দাবি তোলেন।
মঙ্গলবার প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান।
নির্বাচনি এলাকায় যশোরের উন্নয়নে সরকারের কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে এই  সংসদ সদস্য বলেন, ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশের প্রথম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শত্রুমুক্ত যশোর এবং দেশের প্রথম জিডিটাল এই জেলার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর রয়েছে। গত সাড়ে তিন বছরে এই জেলার উন্নয়নে এক হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চলছে উন্নয়নের মহাযজ্ঞ। ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ হাসিনা শফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, দুইশ কোটি টাকা ব্যয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ, সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ চলছে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড।’
যশোরবাসী শেখ হাসিনা আইটি পার্ক, ভৈরব নদ খননসহ যশোরের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো উদ্বোধনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর  জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলে জানান স্থানীয় এই সংসদ সদস্য।
পর্যটন করপোরেশনের মাধ্যমে যশোরে একটি পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের দাবি জানিয়ে সরকার দলের এমপি বলেন, ‘এখানে পাঁচ তারকা মানের মোটেল নির্মাণ করা হলে সেটা বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি, এই জেলা ব্যবসা বাণিজ্য, ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও বড় শহরে পরিণত হবে।’
শহরের কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে তা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কাজী নাবিল। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি নিয়ে নিষেধ করা সত্ত্বেও শহরের বিভিন্ন স্থানে টোলঘর বসিয়ে বিভিন্ন পরিবহন থেকে পৌরসভার নামে চাঁদা আদায় অব্যহত রাখা হয়েছে। শহরের পানবাড়ি মোড়ে একটি কমিউনিটি সেন্টারে একাধিক জুয়ার বোর্ড বসিয়ে এবং অবাধে মাদক বিক্রির মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িতদের এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।’
বাজেট প্রসঙ্গে কাজী নাবিল আহমেদ বলেন,‘বাজেটকে সময়োপযোগী বলা হলেও এটি নিয়ে কারও কারও মনে অস্বস্তি রয়েছে। ১৫ শতাংশ ভ্যাট,আয়করমুক্ত সীমা না বাড়ানো ও ১২শ পণ্যে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় ভোক্তাদের ওপর করের হার বাড়বে। বাজেট ঘোষণার পরপরই ফ্ল্যাটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন ইট, বালি, সিমেন্ট ও রডের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপ করা হলে ফ্ল্যাট মানুষের ক্রয় সীমার বাইরে চলে যাবে ।’
শেয়ারবাজারে সব ধরনের সেবার ওপর ভ্যাট অব্যাহতিসহ এ খাতে সরকারের পদক্ষেপে মানুষের আস্থা বাড়বে বলে মনে করেন সরকার দলের এই এমপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

lgtykz_Ranগত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ৭২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রাঙামাটিতে সেনা কর্মকর্তাসহ ৪৮ জন, বান্দরবানে ৭ জন এবং চট্টগ্রামে ১৭ জন মারা গেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ এখনও মাটির নিচে অনেকে চাপা পড়ে আছেন। সোমবার মধ্য রাতে থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্রাণহানির এ ঘটনা ঘটেছে।
রাঙামাটি শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় প্রবল বর্ষণের ফলে পাহাড় ধসে কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। জেলার ডিসি মানজুরুল মান্নান জানান, রাঙামাটি সদরে দুই সেনা কর্মকর্তা ও দুই সেনা সদস্যসহ ১৭ জন, কাপ্তাইয়ে ১৩ জন ও কাউখালীতে ১২ জন, বিলাইছড়িতে ২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাঙামাটি সদর হাসপাতালে আহত ৫৬ জন ভর্তি রয়েছেন।
রাঙামাটিতে সোমবার থেকে শুরু হওয়া বর্ষণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধসে পড়ে। ধসে পড়া মাটির নিচে এখনও অনেকে চাপা পড়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে বৃষ্টি কারণে উদ্ধার কাজ চালাতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক যান চলাচল স্বাভাবিক করতে গিয়ে ক্যাম্পের পাহাড় ধসে চার সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, মেজর মাহফুজ, ক্যাপ্টেন তানভীর, করপোরাল আজিজ, সৈনিক শাহীন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি সেনাবাহিনীর আঞ্চলিক মুখপাত্র। এছাড়া আহত ৫ সেনা সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। তারা হচ্ছেন, এরা হচ্ছেন, সৈনিক আজমল, মামুন, ফিরোজ, মোজাম্মেল ও সেলিম।
এদিকে, টানা বর্ষণে বান্দরবানের কালাঘাটা এলাকায় তিনটি স্থানে পাহাড় ধসে পড়েছে। এতে তিন শিশুসহ ৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। সোমবার রাত ৩টার দিকে প্রবল বর্ষণের সময় কালাঘাটা এলাকার কবরস্থানের পাশে, জেলেপাড়া ও লেমুঝিরি আগাপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
কালাঘাটের কবরস্থানের পাশে পাহাড় ধসে রেবা ত্রিপুরা (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী মাটি চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। জেলেপাড়ায় পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়েন মা-মেয়ে। তারা হলেন, কামুরননাহার ও সুফিয়া। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে দমকল বাহিনী।
লেমুঝিরি আগাপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে এক পরিবারের তিনটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তারা হলো শুভ বড়ুয়া (৮), মিঠু বড়ুয়া (৬), লতা বড়ুয়া (৫)।
এছাড়া কুহালং ইউনিয়নের পূর্ব ধোপাছড়ি এলাকার সম্বুনিয়া পাড়ায় পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, মংকাউ খেয়াং (৫৫) মেম্রাউ খেয়াং (১৩) ও ক্যসা খিয়াং (৭)। এসময় চাইহ্লাউ (৩৫) ও সানু খেয়াং (১৮) নামে দুজন আহত হয়েছেন।
বান্দরবান সিভিল সার্জন বলেন, জেলার দুর্গম এলাকায় অনেক জায়গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আর মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পাহাড় ধসে একটি শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন একজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest