সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

barhaniবোরহানির নাম শুনলেই আপনার আশেপাশের  বিরিয়ানির দোকানের কথা মনে পরে যায়? কারণ বোরহানি তো আপনি দোকান অথবা বিয়ে বাড়িতেই খেয়ে থাকেন। কিন্তু আপনি চাইলে আজই বাসায় তৈরি করতে পারেন ঝাল ঝাল স্বাদের বোরহানি।

আর সাথে যদি থাকে বাসায় বানানো পোলাউয়ের চালের খিচুড়ি। তাহলে তো ইফতারে খিচুড়ির সাথে এক গ্লাস বোরহানি অবশ্যই মানিয়ে যাবে। তাহলে চলুন জেনে নেই বোরহানির রেসিপি।

উপকরণ

টক দই ২ কাপ

পানি পরিমান মতো

চিনি ও লবণ  স্বাদ মতো

সরিষা বাটা ১ চা চামচ

আদা বাটা ২ চামচ

ধনিয়া গুড়ো পরিমাণ মতো

জিরা গুড়ো

মরিচ গুড়ো

সাদা গোলমরিচ গুড়ো

পুদিনা পাতা বাটা

কাঁচামরিচ বাটা

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমেই পুদিনা পাতা ও কাঁচমরিচ ব্লেন্ড করে নিন। তারপর টক দই একটি পাত্রে ঢেলে চামচ দিয়ে ফেটে নিন। এবার সরিষা বাটা, আদা বাটা, ধনিয়া গুড়ো, জিরা গুড়ো, মরিচ গুড়ো, সাদা গোলমরিচ গুড়ো এবং প্রয়োজন মত চিনি ও লবণের সাথে  টক দইয়ের মিশ্রণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। পরিবেশন করার সময় বরফ কুচি দিন আপনার বোরহানির গ্লাসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ruhiর‍্যাম্প মডেল ও অভিনয়শিল্পী দিলরুবা ইয়াসমিন রুহি আবার চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন। আর ছবিটি প্রযোজনা করবে তার স্বামী মনসুর আলীর প্রতিষ্ঠান। গল্পটিও হবে নিজেদের। রুহির ভাষায়, ‘বাংলাদেশের গল্প। আর তা আমরা নিয়ে যাব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।’ গত রোববার ঢাকায় এসেছেন তিনি। সঙ্গে আছে ছেলে রুহান। ঢাকায় ফ্লাইট থেকে নামার পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে আজ আমার ঈদ!’

মঙ্গলবার সকালে কথা বললেন রুহি। ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর রুহি মা হয়েছেন। এর আগেই তিনি কাজ থেকে ছুটি নেন। এখন ছেলের বয়স দেড় বছর। আবার কাজ শুরু করবেন। রুহি থাকছেন লন্ডনে, স্বামীর সঙ্গে। ঢাকায় আসার আগেই কথা হয়েছে কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে। স্বামী মনসুর আলীর পাশাপাশি অন্য পরিচালকের সঙ্গেও কাজ করবেন।
বললেন, ‘এবার দেশে মাস তিনেক থাকব। আর ইচ্ছা আছে ছয় মাসের মধ্যে নতুন ছবির কাজ শুরু করব।’

র‍্যাম্প মডেল রুহির প্রথম চলচ্চিত্র ‘একাত্তরের সংগ্রাম’, পরিচালক মনসুর আলী। এরপর রুহি অভিনয় করেছেন ঢাকায় অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘জিরো ডিগ্রি’ আর কলকাতায় মহুয়া চক্রবর্তী পরিচালিত ‘গ্ল্যামার’ ছবিতে। এই দুটি ছবি ঢাকা এবং কলকাতায় একই দিনে মুক্তি পায়।
এছাড়া ইসমত আরার ‘মায়ানগর’ ছবিতেও রুহি অভিনয় করেন। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে মাঝ পথে ছবির কাজ স্থগিত হয়ে যায়।

রুহি বাংলাদেশের কয়েকটি টিভি নাটক ও বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজ করেছেন। তার প্রথম টিভি নাটক ২০১০ সালে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প নিয়ে নির্মিত ‘অপরিচিতা’। পরিচালক আহম্মেদ সুস্ময়। এরপর রিপন নবীর ‘অচেনা মানুষ’ এবং শহীদুজ্জামান সেলিমের ‘বৃত্তের বাইরে একা’ নাটকে কাজ করেন রুহি। তার অভিনীত সর্বশেষ ধারাবাহিকটি গিয়াসউদ্দীন সেলিমের পরিচালনায় ‘অবগুণ্ঠন’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

abff04e294a7067ca7398fb7a0f00d9e-59403bd0a2ac8আড্ডায় বসে পুরোনো কথা মনে করার মজাই আলাদা, তাই না? এমনই একটি পুরোনো মজার ঘটনা মনে করলেন হলিউড তারকা সালমা হায়েক। সম্প্রতি ‘দ্য ডেইলি শো উইথ ট্রেভর নোয়াহ’তে উপস্থিত হয়েছিলেন মেক্সিকান সুন্দরী। সেখানে সঞ্চালক ট্রেভর নোয়াহ হঠাৎ প্রশ্ন করে বসলেন সালমাকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নায়িকাকে প্রেম নিবেদন করেছিলেন কি না। উত্তরে নিঃসংকোচে সালমা বলে দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ তারপর বললেন সেই ‘মজার’ ঘটনা।
এক অনুষ্ঠানে সাবেক প্রেমিককে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন সালমা হায়েক। সেখানে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। একসময় সালমার একটু ঠান্ডা ঠান্ডা লাগতে থাকায় হঠাৎ ট্রাম্প পেছন থেকে তাঁর গায়ে জ্যাকেট জড়িয়ে দেন। এরপর কুশলবিনিময় করে সারাটা ক্ষণ কথা বললেন সালমার সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে। সালমার সঙ্গে টুঁ–শব্দটি করেননি। ট্রাম্প তাঁদের নিমন্ত্রণ করেন আটলান্টা শহরে, নিজের হোটেলে, রাতের খাবারে। আর বিদায়বেলায় নিয়ে যান সালমা ও তাঁর প্রেমিকের ফোন নম্বর। কিন্তু সেই রাতেই সালমার সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে প্রথম ও শেষ কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। পরের রাতে ফোন করেছিলেন সালমাকে। দেখা করতে চেয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। অবাক হয়ে সালমা সে সময় প্রশ্ন করেছিলেন ট্রাম্পকে, ‘আমার প্রেমিকের কী হবে? আমি কি পাগল? আপনি যে আমাকে আপনার সঙ্গে ঘুরতে বলছেন? আপনি জানেন আমার প্রেমিক আছে!’ ট্রাম্পের উত্তর ছিল, ‘সে আপনার জন্য ভালো না। সে গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। সে আপনার জন্য বড় কিছু না। আপনার আমার সঙ্গেই বেড়ানো উচিত।’ সালমা এ ঘটনা বলার পর সঞ্চালক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এরপর আপনি কি সেই প্রেমিককে বিয়ে করেছিলেন?’ সালমা বললেন, ‘না।’ সঞ্চালক বললেন, ‘তাহলে তো ডোনাল্ড ট্রাম্প ঠিকই বলেছিলেন। সে (সাবেক প্রেমিক) আপনার জন্য ভালো ছিল না।’
সাবেক প্রেমিকের নামটা কিন্তু উল্লেখ করেননি সালমা। আর ঘটনাটিও ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার অনেক আগের। সূত্র: ইউএস উইকলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

396cd787e2708d87080a55ae63102d2a-5940265bf21a3দুই মাস ধরে একটি খামারবাড়িতে একটি কনটেইনার বাক্সের মধ্য আটক থাকার পরে কালা ব্রাউন নামের এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারের ওই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেছে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ার এক খামারবাড়িতে ঘটেছে এ ঘটনা।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তারা নিখোঁজ দুজনকে খুঁজতে গিয়ে সন্ধান পায় ওই তরুণীর। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা একটি খামারবাড়িতে গিয়ে গোঙানির একটা আওয়াজ পায়। তবে শব্দটা এতই ক্ষীণ যে প্রথমে তারা খুব একটা গুরুত্ব দেননি। আবার গোঙানির শব্দে আসে একটি ধাতব কনটেইনার থেকে। তালা ভেঙে দেখা যায় ভেতরে অন্ধকারে বাঁধা অবস্থায় রয়েছে এক তরুণী। ঘুটঘুটে অন্ধকারে টর্চের আলোয় পড়তেই দেখান মেলে মেঝেয় পাতা মাদুরের ওপরে হাঁটু ভাঁজ করে বসে আছেন ওই তরুণী। দেয়ালের সঙ্গে তাঁর গলা শক্ত করে চেন দিয়ে বাঁধা। খুব নড়াচড়াও করতে পারছেন না। গত বছরের নভেম্বরে নর্থ ক্যারোলিনার একটি জঙ্গলের খামারবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ওই তরুণীকে। তাকে উদ্ধারের সেই ভিডিও ছেড়েছে পুলিশ।

ভিডিওতে দেখা যায়, বিশাল একটি ধাতব কনটেইনার খোলার চেষ্টায় মত্ত কয়েকজন অফিসার। শেষে তালা ভেঙে দেখা যায় ভেতরটা খুব অন্ধকার। চারিদিক ছড়িয়ে আছে নানান জিনিসপত্র। বাসি খাবার এবং কিছু বইও ছিল। কিছুটা এগিয়ে গিয়ে একজন অফিসার চেঁচিয়ে বলেন, ‘এখানে, এখানে একজন তরুণী…এখানে একজন তরুণী।’ দেখা যায় চোখে চশমা, কালো শার্ট আর পায়জামা পরে মেঝেতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছেন এক তরুণী। ওই তরুণী এতই কাহিল ছিলেন যে পুলিশ অফিসারের দিকে তাকাতেও তার কষ্টা হচ্ছিল। ক্ষীণ কণ্ঠে কি যেন বললেন। এর পর আবার মাথা নিচু করে পড়ে রইলেন। তাঁর গলায় একটা বেল্ট লাগানো ছিল। সেই বেল্টের সঙ্গেই চেন দিয়ে কনটেইনারের দেওয়ালে আটকে রাখা হয়েছিল তাঁকে। চেন কেটে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

গত বছরের আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ থেকে ওই তরুণী নিখোঁজ ছিলেন। ওই একই সময় থেকে সন্ধান মিলছিল না চার্লস ডেভিড কারভার নামে তাঁর এক বন্ধুরও। পুলিশের কাছে ওই তরুণী জানিয়েছেন, বন্ধুর সঙ্গে কনটেইনার পরিষ্কারের কাজ নিয়ে ওই খামারবাড়িতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, খামারবাড়ির মালিক টেড কোহপ তাঁদের আটকে রাখেন। কোনো কারণ ছাড়াই কিছুদিন পর প্রথমে বন্ধু কারভারকে গুলি করে খুন করে কোহপ। এরপর ওই তরুণীকে কনটেইনারের মধ্যে ৬০ দিন আটকে রাখা হয়। কনটেইনারে কোনো জানালা ছিল না। দিনে দু’বার মুখ ঢাকা এক ব্যক্তি তালা খুলে ভেতরে ঢুকে খাবার আর পানি দিত। ওই তরুণীর সঙ্গেই কনটেইনারে আরও চারজনকে আটকে রাখা হয়েছিল। পরে এক এক করে তাঁদেরও খুন করে। তাঁরও হয়তো এ রকমই পরিণতি হতো বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ওই তরুণী। তাঁদের খোঁজে সেখানে পুলিশ না গেলে হয়তো ওই তরুণীর অবস্থাও হয়তো তার বন্ধুর মতো হতো।

https://www.youtube.com/watch?v=tUcDiK_IMJQ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

5T4Int_19106016প্রথমবারের মতো আইসিসির কোন বিশ্ব আসরে সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টাইগারদের প্রতিপক্ষ প্রতিবেশি দেশ ভারত। এ ম্যাচকে ঘিরে খেলোয়াড় থেকে শুরু করে ভক্ত সমর্থকদের মধ্যেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এই বৈশ্বিক আসরের সেমিফাইনাল মাঠে গড়াবে বুধবার থেকে। ১৪ জুন প্রথম সেমিফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মোকাবেলা করবে পাকিস্তান। আর এর ঠিক পরের দিন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল ও ভারত।

বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি হলেই সবার আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে থাকে আম্পায়ারিং। কারণ, ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বাজে আম্পায়ারিংয়ের নজির কারও অজানা নেই। সেই ম্যাচে আম্পায়ারদের বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেছিলো।

তারই ধারাবাহিকতায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে কারা আম্পায়ার থাকছেন তা নিয়েও যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে ক্রিকেট অনুরাগীদের। সম্প্রতি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালের জন্য আম্পায়ারদের নাম ঘোষণা করেছেন।

সেখান থেকে জানা যায় এই বৈশ্বিক আসরের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে থাকার কথা রয়েছে রিচার্ড ক্যাটেলবার্গ ও কুমার ধর্মসেনার। আর থার্ড আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন নাইজেল লং। ফোর্থ আম্পায়ারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে রিচার্ড ইলিংওয়ার্থকে। ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ক্রিস ব্রড।

তাছাড়া, প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডের ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন মারাইস এরাসমাস ও রড টাকার। থার্ড আম্পায়ার থাকার কথা রয়েছে ক্রিস গিফানি। ফোর্থ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ব্রুস অক্সেনফোর্ড। আর ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন অ্যান্ডি পাইক্রফট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

energetic 02কে না চায় সারাদিন চাঙ্গা থাকতে? কে না চায় কাজের সময় সকল প্রাণশক্তির প্রয়োগে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে? সবাই কি পারি এমন?
পারি না বলেই আমরা খুঁজে ফিরি সেই আলাদিনের যাদুর চেরাগ যার বদৌলতে আমরা থাকতে পারবো সারাটা দিন সতেজ, কর্মক্ষম।
বাস্তবের দুনিয়ায় আলাদিনের চেরাগ নেই, তাই আজ আমরা জেনে নেবো কর্মক্ষম থাকার কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান যেগুলো আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।

১। ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে:
ঘুমকে অবহেলা করা যাবে না। অবহেলা করেছেন কি মরেছেন। ঘুমের সময়ে শরীর তার ক্ষয় পুরণ করে, তার যন্ত্রাংশগুলোকে মেরামত করে, নতুন করে গড়ে তোলে শরীরকে। তাই ঘুম দরকার প্রয়োজনমত। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারনত ৭-৮ ঘন্টার ঘুমই যথেষ্ট তরতাজা হয়ে জেগে ওঠার জন্য।
ঘুমাতে যাবার জন্য ভালো সময় রাত ১০ টার মাঝে। এ সময় ঘুমালে লাভ হচ্ছে আমাদের দেহের গ্রোথ বা বৃদ্ধির জন্য নিয়োজিত হরমোন রাত ১১ থেকে রাত ১ টার মাঝে নিঃসৃত হয় যা ঘুমের সময় দেহের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।

২। প্রাতরাশে নেই কোন ফাঁকিঃ
প্রাতরাশ হবে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার কেননা এটা সমগ্র দিন চলার গ্যাসোলিনের যোগান দেবে। ক্ষুধা না লাগলেও খেতে হবে ব্রেকফাস্ট।
ব্রেকফাস্ট শব্দকে ভাঙ্গলে আমরা পাই ব্রেক এবং ফাস্ট অর্থাৎ অনাহার থেকে মুক্ত হবার খাবার। আপনি অনাহারী থেকে কাজ শুরু করলে কাজে বার বার ব্রেক নিতে হবে। ব্রিটিশ এক গবেষণা থেকে দেখা যায় পর্যাপ্ত প্রাতরাশ আপনার স্ট্রেস হরমোন বা করটিসলের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্ত করে যার ফলাফল স্ট্রেস বা ক্লান্তি কম আসা। তাই শুরু হোক প্রাতরাশের জয়গান আজ থেকে।

৩। আহারে যোগ করুন আঁশযুক্ত খাবারঃ
বলা হচ্ছে সারাদিনের আহারে থাকতে হবে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম আঁশ যদিও গড়ে মাত্র ১০ থেকে ১৫ গ্রাম আঁশ আমরা গ্রহণ করছি দিনে। আশের প্রতি এতো গুরুত্ব দেয়া হওয়ার পেছনে কারণ ও রয়েছে। খাবারে আঁশ থাকলে সেটি শর্করা শোষণে দেরী করায়, যার ফলাফল হচ্ছে একবারে দ্রুতগতিতে রক্তে শর্করা প্রবেশ না করে ধীরে ধীরে মধ্যম গতিতে অনেক সময় নিয়ে প্রবেশ করা। অর্থাৎ অনেক সময় ধরে শক্তির যোগান বজায় থাকা যা একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও খুবই দরকারী এক ব্যবস্থা। আঁশের জন্য দেশি খাবারের মাঝে বরবটি, সজিনা, ঢেঁড়স ইত্যাদি বেশ ভালো কাজ করে। খেতে পারেন আপেল, জামরুল, পেয়ারা ইতাদি ফল। জামরুল অনেকেরই প্রিয় ফল যা একাধারে পানি ও আঁশ বহন করে যথেষ্ট পরিমাণে। প্রচণ্ড গরমে দেশি ফল হিসেবে জামরুলের মজাই আলাদা।

৪। কম খাবেন, বার বার খাবেনঃ
একবারে বেশি করে না খেয়ে কম করে বার বার খেতে বলা হচ্ছে বর্তমান সময়ে। একবারে অধিক খাবার খেলে সেটা হজম করতে দেহের অনেক শক্তি একবারে প্রয়োজন পড়ে যার ফলে ভুরিভোজের পরে আমরা ক্লান্তি অনুভব করি। প্রধান তিন আহারের পরিমাণ মাঝারি রেখে তার মাঝে মাঝে সময়ে ২ বার হাল্কা কিছু খেয়ে নিন। যাকে বলে স্ন্যাক্স, সেই স্ন্যাক্স গ্রহণ করুণ।
৪। পান করুন প্রচুর পানিঃ
পানি খান বা পান করুন বেশি করে। পানি রক্তকে রাখে তরল, দেহের যন্ত্রাংশগুলোকে রাখে সতেজ। পানির অভাবে রক্ত হয়ে পড়ে ঘন, ঘন রক্তকে সারা দেহে সঞ্চালন করতে আমাদের আবেগের হৃদয়কে খাটুনী দিতে হয় বেশি, সে হয়ে পড়ে দুর্বল, আর আমরাও হয়ে পড়ি ক্লান্ত। প্রতি ২ থেকে ৪ ঘন্টায় একবার মূত্র ত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলুন, সেভাবে পানি পান করুন আর মূত্র যেনো হয় পরিস্কার অথবা হালকা হলদে।
৫। মস্তিস্কের প্রয়োজন ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডঃ
মস্তিস্কের চনমনে ভাব আনার জন্য ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডের ভূমিকা খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। আমাদের দেশের সামুদ্রিক মাছ যেমন ইলিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এই মেদঅম্ল। এই অম্ল দেহের শর্করাকে নিরেট মেদের বদলে গ্লাইকোজেনে রুপান্তরিত হতে সাহায্য করে আর গ্লাইকোজেন হলো আমাদের দেহের সঞ্চিত শক্তির প্রধান উৎস যা সাধারণ মেদের মতো অপকারী নয়।৬। চা বা কফিঃ
ক্লান্তি এড়াতে জুড়ি নেই চা বা কফির। ১ বা ২ কাপ কফি হলেই চলে যায় অনেকের সারাটা দিন। আগামীকাল ভাইভা পরীক্ষা, অনেক পড়া বাকি, সারারাত জাগতে হবে, এমন অবস্থায় গরম এক মগ কফির জুড়ি নেই। তবে ঘুমানোর আগে এসব পানীয় পান করলে কিন্তু ঘুমটাই নস্ট হবে, তাই পান করুন হিসেব রেখে।
৭। শ্বাস নিন গভীর ভাবেঃ
আমাদের একটা সাধারণ অভ্যাস হলো হাল্কা করে বুক দিয়ে শ্বাস নেওয়া। পেট ফুলিয়ে শ্বাস নেয়ার মানে ফুসফুসে অতিরিক্ত অক্সিজেন প্রবেশ করা যা দেহের জ্বালানী পোড়াতে অধিক সাহায্য করে। ফলশ্রুতিতে মস্তিস্ক হয়ে ওঠে চাঙ্গা, শরীর পায় অতিরিক্ত শক্তি।

৮। গোসলের জুড়ি নেইঃ
সতেজ থাকতে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল বা শাওয়ার বেশ উপকারী। মনকে করবে উৎফুল্ল, দূর করবে দেহের ময়লা আর চোখের ঘুম। খুব ক্লান্তি এলে মুখে দিতে পারেন ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা।

৯। অনুভূতিকে প্রকাশ করুন, বেধে রাখবেন নাঃ
সব কিছু বেদনা, দুঃখ, কস্ট মনের মাঝে চেপে রেখে আমরা নিজেরদের ম্যাচিউরিটি প্রকাশ করতে চাই যা প্রকারন্তরে বয়ে আনে ক্লান্তির অনুভূতি।
কারো সাথে নিজের অনুভুতির বা সমস্যার আলোচনা আপনার মনের জানালায় প্রবাহিত করে তাজা হাওয়া আর আপনিও হয়ে ওঠেন তরতাজা মানসিক দিক দিয়ে।
১০। হাঁটুন বা ব্যায়াম করুনঃ
খুব ক্লান্ত লাগলে কিছুটা হেটে নিতে পারেন অথবা শরীর চর্চা।
গবেষকেরা দেখেছেন ক্লান্তি দূর করতে শরীর চর্চার ভালো ভূমিকা রয়েছে। শরীর চর্চা করলে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, হৃদয়ের গতি বাড়ে, দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে প্রবেশ করে অতিরিক্ত অক্সিজেন, দ্রুত রক্ত সঞ্চালনের কারনে দেহ পায় অধিক জ্বালানী। এভাবে দেহ হয় ‘বুস্টেড আপ’।
১১। শুনতে পারেন গান, প্রশান্তিদায়ক সঙ্গীতঃ
সঙ্গীতের সুমধুর সুর মনকে এনে দেয় প্রশান্তি, আনন্দময় এক মুহূর্ত। দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে সঙ্গীত বেশ ভালো কাজ করে।

মানুষের ক্লান্তি আসবেই, দুর্বলতা থাকবেই। আমরা মেশিন নই তবু যতটা পারা যায় শক্তির সঠিক বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা দেহের অপটিমাম ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারি। পরিশেষে কবি গুরুর একটি কবিতা দিয়ে আজকের আলোচনার ইতি টানবো-
ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু,
পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু॥
এই-যে হিয়া থরোথরো কাঁপে আজি এমনতরো
এই বেদনা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু॥
এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু,
পিছন-পানে তাকাই যদি কভু।
দিনের তাপে রৌদ্রজ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায়,
সেই ম্লানতা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু॥

ডা. রায়হান কবীর খান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001মূল শব্দ : চিকনগুনিয়া হচ্ছে মশা বাহিত ভাইরাস রোগ যার ১ম প্রাদুর্ভাব হয়েছে ১৯৫২ সালে তানজেনিয়ার দক্ষিণ এলাকায়।এটা একটা RNA ভাইরাস যা আলফা ভাইরাসের অন্তর্ভূক্ত।এ “Chikungunya” শব্দটা এসেছে কিমাকোনডি(kimakonde) ভাষা থেকে যার অর্থ”to become contorted”

১। চিকুনগুনিয়া হচ্ছে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মানুষ থেকে মশার দ্বারা স্থানান্তরিত হয়।এ ভাইরাসের কারনে জ্বর এবং বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা হয়ে থাকে।এছাড়াও মাংশপেশিতে ব্যাথা, মাথাব্যাথা, বমি করা, ক্লান্তি অনুভব এবং ফুসকুড়ি হয়ে থাকে।
২। জয়েন্টের ব্যাথা দূর্বল হলেও স্থায়িত্ব অনেক বেশি।
৩। এ রোগে ডেঙ্গু এবং জিকার মতন কিছু ক্লিনিক্যাল চিহ্ন আছে।
৪। এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো ভ্যাক্সিন নেই,সুস্থতার জন্য উপসর্গ গুলোকে ফোকাস করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
৫। মানুষের আবাসস্থলের আশেপাশে মশার বসবাস চিকনগুনিয়া হওয়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ কারন।
৫। প্রধানত চিকনগুনিয়া হয়ে থাকে আফ্রিকা,এশিয়া এবং ভারতবর্ষে।২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে এর ব্যাপক প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে।

চিহ্ন এবং লক্ষণ:
চিকনগুনিয়ার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জয়েন্টের ব্যাথা সহ হঠাৎ করে পুনঃপুন জ্বর হওয়া। এবং অন্যান্য সাধারণ যে উপসর্গ আছে সে গুলো হচ্ছে মাংশপেশির ব্যাথা, মাথাব্যাথা, বমি হওয়া, ক্লান্তি অনুভব করা ফুসকুড়ি পড়া।
জয়েন্টের ব্যাথা কম হলেও এটার স্থায়িত্বকাল কয়েকদিন অথবা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে।ফলে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়।
অধিকাংশ রুগি সুস্থ হলেও কারো কারো ক্ষেত্রে কিছু জয়েন্টের ব্যাথা অবিরাম চলতে থাকে কয়েক মাস এমনকি বছর পর্যন্ত।
আকস্মিকের কারনে চোখ,ব্রেন এবং হর্টের জটিল অবস্থা হতে পারে।
সাধারণত এ রোগে মারাত্মক কোন ক্ষতি হয় না কিন্তু নবজাতক শিশু এবং বৃদ্ধমানুষদের ক্ষেত্রে একটু সচেতন থাকতে হবে।না হলে এ রোগ মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়াবে।

স্থানান্তর:
এশিয়া,আফ্রিকা,ইউরোপ এবং আমেরিকার ৬০এর অধিক দেশে চিকনগুনিয়া চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ভাইরাসটা স্থানান্তরিত হয়ে থাকে মানুষ থেকে মানুষে,Aedes aegypti & Aedes albopictus নামক স্ত্রী মশার মাধ্যমে।
এ মশা গুলো দিনে দংশন করে থাকে বিশেষ করে,খুব ভোরে এবং সন্ধ্যায়।
সাধারণত মশা দংশনের ৪-৮ দিন পরে অসুস্থতা শুরু হয়,তবে এর সময়কাল ২-১২ দিন।

রোগ নির্ণয়:
সেরোলজিক্যাল(যেমন:ELISA-Enzyme Linked Immunosorbent Assays), IgM & IgG anti-chikungunya antibodies(may confirm the presence) ইত্যাদি পরীক্ষা করে চিকনগুনিয়া শনাক্ত কারা যায়।
IgM antibody লেভেল খুব উচ্চ কারন অসুস্থ হবার ৩-৫ সপ্তাহ পরেও IgM antibody পাওয়া যায়।
উপসর্গ গুলো দেখা দেওয়ার ১ম সপ্তাহ পরেও নমুনা সংগ্রহ করে সেরোলজিক্যাল(serological) এবং ভিরোলজিক্যাল( virological) পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা যায়।
সম্ভবত সংক্রমকের ১ম কয়েকদিন ভাইরাসটা রক্ত থেকে আলাদা থেকে বিভিন্ন ট্রান্সক্রিপটেসকে উল্টো দিকে পাঠায়।PCR(Polymerase ChainReactio) পদ্ধতিতে কিন্তু এর সংবেদন খুবই পরিবর্তনশীল। কিছু উপযুক্ত উপাদান(RT-CPR) গুলো আলাদা থাকে ভাইরাসের বিভিন্ন genotyping এ ব্যবহৃত নমুনা গুলো থেকে।এ ভাইরাস গুলোকে বিভিন্ন ভৌগলিক উৎসের সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা :
চিকনগুনিয়া চিকিৎসার জন্য কোন নির্দিষ্ট এন্টিভাইরাল ঔষুধ নাই।চিকিৎসা সরাসরি প্রাথমিকভাবে দেওয়া হয়ে থাকে।এখনও পর্যন্ত চিকনগুনিয়ার কোন ব্যাণিজিক ভ্যাক্সিন তৈরী হয় নাই।

 প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ :
আমাদের আবাসস্থলের আশেপাশে মশা উৎপাদনে চিকনগুনিয়া হওয়ার অন্যতম কারন।মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করতে হবে।জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পানি ফেলে দিতে হবে যেমন-ছাদের পানি,ফুলের টপের পানি,কন্টেইনারের পানি,নারিকেলের খোসার পানি,গাড়ির টায়ারে জমা পানি,ইত্যাদি।এমনকি ড্রেনের ময়লা পানি অপসারনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ঢেকে রাখতে হবে।বিভিন্ন কিটনাশক ব্যবহার করেও মশা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
চিকনগুনিয়ার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে হলে এমন জামা কাপড় পরিধান করতে হবে যেন সমস্ত দেহ ঢাকা থাকে।ঘুমানোর সময় প্রত্যেককে মশারি ব্যবহার করতে হবে বিশেষ করে চিকনগুনিয়া রুগিকে।এছাড়া মশার কয়েল অথবা বাষ্পিভূত হওয়া কিটনাশক ব্যবহার করলে মশার উপদ্রব কমে যায়।

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে ঐ জায়গায় Aedes aegypti & Aedes albopictus মশার ঘনত্ব কেমন তা জেনে রাখতে হবে।যদি মশার ঘনত্ব বেশি থাকে তা হলে না যাওযায় ভালো।একান্তই তা সম্ভব না হলে ঐ জায়গায় অবস্থানের পূর্বে মশা নিধন ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
মশা নিধনের জন্য সমাজের সবার এগিয়ে আশা খুবই প্রয়োজন।।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4e70369f21b4113614bda2932cfa9c6e-593fab01156adগানটি নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু এটি ইউটিউবে মুক্তির আগে আমরা বেশ কয়েকবারই গানটি দেখেছি। তখন সবাই প্রশংসাই করেছেন। কিন্তু এভাবে প্রতিক্রিয়া আসবে তা কখনোই মনে হয়নি। যা হোক, গানটির কথা চেঞ্জ করে ফেলেছি। আবার নতুন করে লেখা হয়েছে এটি।

সোমবার (১২ জুন) নিজ কার্যালয়ে বসে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন ‘বস-টু’ ছবির বাংলাদেশি প্রযোজক আবদুল আজিজ। ছবিটির ‘আল্লাহ মেহেরবান’ গানটি নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি।

জানালেন, নানা সমালোচনার মুখে ও দর্শকদের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়েই গানটির কথায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ২০ জুন জাজের ইউটিউব চ্যানেলে এটি অবমুক্ত করা হবে। আর অপর একটি সূত্র জানাচ্ছে, গানটির মূল বির্তকের জায়গা সৃষ্টিকর্তার নাম ‘আল্লাহ’ শব্দটি বাদ দেওয়া হচ্ছে গান থেকে। যোগ করা হচ্ছে ‘ইয়ারা’ শব্দটি। তাই গানের নতুন নাম হচ্ছে ‘ইয়ারা মেহেরবান’।

২৮ মে ‘আল্লাহ মেহেরবান’ গানটি প্রকাশের মাধ্যমে মুসলিম অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ এনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুইটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া বরাবর।

দুটি চিঠির ভাষ্য প্রায় একই।  সেখানে বলা হয়, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের নতুন ছবি ‘বস-টু’-এর একটি গানে আল্লাহ’র পবিত্র নামকে ব্যবহার করে অশ্লীলভাবে দৃশ্যায়ন করেছে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি সংশ্লিষ্ট সবাই ব্যাপক সমালোচনায় পড়েন।

পরে (৩০ মে) জাজ মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউব থেকে প্রত্যাহার করা হয়ে তুমুল আলোচিত-সমালোচিত গান ‘আল্লাহ মেহেরবান’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest