সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশ

00এম বেলাল হোসাইন/বি এম আলাউদ্দীন : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়র্নের গোয়ালডাংগা গ্রামের অদম্য মেধাবী অপরাজেয় প্রতিবন্ধী খায়রুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে রোববার বেলা ১২টায় এমপি রুহুল হক খায়রুলকে দেখতে তার বাড়িতে যান। এসময় তিনি প্রতিবন্ধী খায়রুলের সার্বিক্র খোঁজ-খর্বর নেন এবং খায়রুল ও তার মায়ের হাতে রমজানের বিশেষ উপহার তুলে দেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম, বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আলীম মোল্যা, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিয়ারাজ হোসেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংক কুমার মন্ডল, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, আওয়ামীলীগের আব্দুল হান্নান মন্টু সরদার, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জী, ডেইলি সাতক্ষীরার সাতক্ষীরার সম্পাদক ও প্রকাশক হাফিজুর রহমান মাসুম, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন প্রমুখ।
প্রতিবন্ধী খায়রুল ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি সাহের মত একজন মহৎ ব্যক্তি তার বাড়িতে আসায় তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, “আমার একটি সরকারি চাকরি হলে আমার অনেক উপকার হবে। আমি সমাজের কার্রোর বোঝা হয়্রে বেঁচে থাকতে চাই না।” উত্তরে এমপি রুহুল হক অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগে প্রতিবন্ধী কোটায় খায়রুলকে আবেদন করতে বলেন। তিনি যথাসাধ্য সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
এছাড়া ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি আরো বলেন, প্রতিবন্ধী খায়রুলের মত একজন অদম্য মেধাবীকে লালন পালন করায় আমি এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে তিনি খায়রুলের মাকেও ধন্যবাদ জানান। তার গর্ভে খায়রুলের মত একজন অদম্য মেধাবী জন্ম নেওয়ার জন্য। যে কিনা প্রতিবন্ধী হয়েও কারো বোঝা হয়ে বেঁচে থাকতে চায় না। সে আর ৫ জনের মত পরিশ্রম করে বেঁচে থাকতে চায়। তিনি এসময় প্রতিবন্ধী খায়রুলকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। পরে খায়রুলের হাতে রমজান মাসের জন্য বিশেষ ইফতার সামগ্রী তুলে দেন এমপি রুহুল হক।
উল্লেখ্য, খায়রুল ইসলাম সংসারের ঘানি টানার জীবনযুদ্ধের মধ্যেও কান্তিহীন পড়ালেখার মাধ্যমে মাস্টার্স পাশ করে সুস্থ মানুষদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সৎ উদ্দেশ্য ও অদম্য ইচ্ছা থাকলে অনেক অসাধ্যকেও জয় করা সম্ভব তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ খায়রুল।
আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মোহাম্মদ আলি সরদারের পুত্র খায়রুল ইসলাম। তার বর্তমান বয়স ২৭ বছর। তিনি জন্মগত ভাবে প্রতিবন্ধী। দু’টি পা সম্পূর্ণ অচল। দু’হাতেও স্বাভাবিক কিছু করার সক্ষকতা নেই তার। এখন মুখে ভাত তুলেও খেতে পারেননা। কোন রকমে কলম চালাতে পারেন; তাও অতি কষ্টে। ২৭ বছর আগে তার জন্ম হয় পিতার ভিটা টেকাকাশিপুর গ্রামে। শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেওয়ায় তার মাতার উপর নেমে আসে অভিশাপ। পিতা মোহাম্মদ আলি তার মা আমিরুন নেছাকে তালাক দিয়ে বিদায় করে দেন। তিন মাসের শিশুকে নিয়ে মা গোয়ালডাঙ্গায় পিতার ভিটায় আশ্রয় নেন। আর্থিক অনটনের মধ্যে কষ্টকর জীবন-যাপনের পথ ধরে তার বেড়ে ওঠা। সংসার নির্বাহের জন্য পরের বাড়িতে কাজ করতেন। প্রতিবন্ধী ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনকে অন্ধকারমুক্ত করা যায় কিনা সে মনোস্কামনা নিয়ে ছেলেকে মাদরাসায় পাঠানো শুরু করেন। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ালেখাকালীণ খরচ যোগানোর তাগিদে টিউশনি শুরু করে খায়রুল। এভাবে নিজের খরচ নিজে যোগানোর মাধ্যমে গোয়ালডাঙ্গা শুক্কলিয়া দাখিল মাদরাসায় পড়ালেখা করে ২০০৫ সালে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় খায়রুল। সাধারণ পরীক্ষার্থীদেরকে তাক লাগিয়ে দিয়ে খায়রুল জিপিএ ৩.৬৭ পেয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেন। এরপর বড়দল আলিম মাদারাসায় ভর্তির পর খরচ্র বেড়ে যাওয়ায় টিউশনিতে আরও বেশী সময় দিতে হতো। কিন্তু না সমস্যা প্রকট হয়ে দেখা দিল। চলাফেরায় দুর্বলতা বেড়ে গেল। তখন বিয়ারিং এর গাড়িতে চড়ে চলাচল শুরু করলেন। জীবনযুদ্ধের মাঝে আবার লেখাপড়ায় সফলতা অর্জন করলেন তিনি; ২০০৭ সালে ২.১৭ পেয়ে আলিম পাশ করলেন। এরপর বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুল হতে এইচএসসি এবং ২০০৯ সালে ফাজিল পাশ করেন ২.১৭ পেয়ে। চরম অভাব ও চলাচলে প্রতিবন্ধকতা এবং স্বাভাবিক জীবন যাপনে প্রতিকূলতা থাকা স্বত্তেও লেখাপড়া থামেনি। ২০১৩ সালে আশাশুনি কলেজ হতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামের ইতিহাসে প্রথম শ্রেণিতে অনার্স পাশ করেন। অদম্য আগ্রহ সহকারে তিনি খুলনা বিএল কলেজ থেকে মাস্টার্স (ইসলামের ইতিহাস) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২০১৬ সালে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
এর মধ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এছাড়া সাতক্ষীরা আলিয়া মাদরাসা হতে ২০১৭ সালে হাদিস গ্রুপ থেকে কামিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। আবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে মৎস্য চাষ ও খাদ্য উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। লেখাপড়ায় ঈর্ষণীয় সফলতা পেয়ে জীবনে বড় কিছু হওয়ার আগ্রহ বেড়ে গেলেও তার জীবনের বড় বিপত্তি শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ। এদিন রাতে মাথার পাশে জ্বলন্ত গ্লোব রেখে মশারি টানিয়ে ঘুমিয়ে যান। কোন এক সময় মশারিতে আগুন লেগে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তার সমস্ত শরীর আগুনে ঝলছে যায়। তাকে নেওয়া হয় প্রথমে আশাশুনি হাসপাতালে এবং পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। এখানে তাকে ৮ মাস ধরে চিকিৎসা নিতে হয়। চিকিৎসা শেষে পোড়া ঘা শুকিয়ে গেলেও তার পঙ্গুত্ব কয়েকগুণ বেড়ে যায়। হাত-পা চালানোর শক্তি বহুগুণ হারিয়ে যায়। এখন অন্যের সহযোগিতা ছাড়া নিজেকে পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে গেছ। মোজাহার উদ্দীন মাল্টিক্রাফট সেন্টারে শিশু শিক্ষার ছোট্ট একটি চাকুরি পেলেও সেটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি। বর্তমানে টিউশনির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাও ধরে রাখতে পারছেন না। বর্তমানে একটি পুরনো হুইল চেয়ারে চড়ে তার চলাচল। যেটি ২০০৭ সালে ঋশিল্পী দিয়েছিল। তেতুলিয়া আশ্রয়ন আবাসনে বসবাসকারী অসহায় খায়রুল এখন ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে খুবই চিন্তিত। তারপরও তার অসীম আগ্রত তাকে থামিয়ে রাখতে পারছেনা। তার ইচ্ছা বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেয়া। তিনি বলেন সমাজের বোঝা হয়ে থাকার মধ্যে কোন তৃপ্তি নেই। কিন্তু প্রতিবন্ধিতা তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। তবুও তিনি হতাশ হতে রাজি নন। তার প্রত্যাশা বিসিএস দিয়ে একটি অবলম্বন তার ভাগ্যে জুটাতে চান তিনি। জীবনকে যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক করতে সচেতন মানুষের সহানুভূতিপূর্ণ ব্যবহার প্রত্যাশা করা তার জন্য বেশি কিছু চাওয়া নয় বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ১০ জন,তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন,দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

KeQVJz_53এসে গেল পবিত্র মাহে রমজান। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস। এ পবিত্র মাসে রোজা পালন করেন মুসলমানেরা। ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি হলো এই রোজা। মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ শুক্রবার রমজানকে স্বাগত জানায়। এদিন দিবাগত রাতে তারাবি নামাজ পড়ে শনিবার রোজা পালন করছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। বাংলাদেশে রমজান শুরু হয়েছে আজ।

গত কয়েকদিন দেশজুড়ে তীব্র দাবদাহে মানুষ ছিল অতিষ্ঠ। রমজানের ঠিক আগে বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে সারাদেশের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় স্বস্তি এসেছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ সবার মধ্যে। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশে কখনোই রোজা খুব বড় বা খুব ছোট হয় না। এ দিকে এ বছর সবচেয়ে দীর্ঘ রোজা গ্রিনল্যান্ডে আর সবচেয়ে ছোট চিলিতে। সাম্প্রতিক সময়ে রমজান মাস ধীরে ধীরে গ্রীষ্মকালের দিকে সরে আসছে। যার কারণে দিন বড় হয়ে যাচ্ছে এবং বেড়ে যাচ্ছে গরম। এর কারণে দীর্ঘ সময় রোজা পালন করতে হয় মুসলমানদের।

এর মধ্যে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হচ্ছে। বিপরীতে শীতকালে সারা বিশ্বে তুলনামূলক কম সময় রোজা রাখতে হয়, দক্ষিণ গোলার্ধের জন্য যেটি হয় আরো ছোট। গত বছর স্থান ভেদে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে রোজার সময় ছিল ১১ থেকে ২২ ঘণ্টা। এ বছর সময়ের হিসেবে সবচেয়ে ছোট রোজা হবে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ চিলিতে (১০ ঘণ্টা), আর সবচেয়ে বড় হবে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর এলাকার দ্বীপ দেশ গ্রিনল্যান্ডে (২১ ঘণ্টা)। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় প্রতিদিন কিছুটা পরিবর্তন হওয়ায় এবার রমজান মাসের শেষে অনেক দেশে দিন আরো বড় হবে, আবার অনেক দেশে ছোট হবে।

রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যাকে হাজার মাসের সেরা বলে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে। এই লায়লাতুল কদরে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছিল। রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় কোন এক রাতে নাজিল হয় কুরআন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0d5e3d4bce894025508c01a9fcb3c7eb-5929f3903b68a২০১৫ সালে লুই এনরিকের প্রথম মৌসুমে ট্রেবিল জিতেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু তার শেষ মৌসুম সেভাবে রাঙাতে পারেনি কাতালান জায়ান্টরা। অবশ্য বার্সায় এনরিকের শেষ ম্যাচটা হলো বর্ণিল। চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগায় ব্যর্থতার পর কোচকে অন্তত একটি শিরোপা উপহার দিয়ে বিদায়ে সফল হলো বার্সা। শনিবার লিওনেল মেসির জাদুতে আলাভেসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। বার্সা ক্যারিয়ার এনরিকে শেষ করলেন তৃতীয় কোপা দেল রেসহ ৯টি শিরোপা জিতে।

এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনালে থামতে হয়েছিল বার্সেলোনাকে। আর লা লিগায় ৩ পয়েন্টের জন্য শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি তারা, হাতছাড়া করেছে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। সান্ত্বনা নিয়ে মৌসুম শেষ করার একমাত্র সুযোগ হিসেবে তারা দেখছিল কোপা দেল রে ফাইনালকে। টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে খানিকটা তৃপ্তির সঙ্গে মৌসুম শেষ করল এনরিকের শিষ্যরা।

ভিসেন্তে ক্যালদেরনে স্টেডিয়ামে এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। বার্সা ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে পুরো দল নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন এনরিকে। যদিও নিষেধাজ্ঞার কারণে ম্যাচে ছিলেন না সের্হিয়ো রবার্তো ও লুই সুয়ারেস। তবে ইনজুরি শেষে এনরিকে ফিরে পেয়েছিলেন অ্যালেক্স ভিদাল, জেরার্দ পিকে ও হাভিয়ের মাসচেরানোকে। কাপ গোলরক্ষক হিসেবে জায়গা ধরে রেখেছিলেন জ্যাসপার সিলেসেন। মেসি ও নেইমারের সঙ্গে আক্রমণভাগ তিনি রেখেছিলেন পাকো আলকাসেরকে। এনরিকের এ আক্রমণভাগ হতাশ করেনি।

সুয়ারেসের শূন্যতা ঘুচিয়ে গোল পেয়েছেন আলকাসের। বাদ যাননি মেসি-নেইমার। তিনজনই গোলের খাতায় নাম লিখেছেন। তারা জ্বলে ওঠার আগে লক্ষ্যে প্রথম শট নেয় আলাভেস। ক্লাব ইতিহাসের প্রথম কোপা ফাইনালে ২৮ মিনিটে ইবাই গোমেজ অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বার্সার গোলরক্ষক সিলেসেন ডানহাত দিয়ে পোস্টের বাইরে বল পাঠিয়ে দেন।

প্রথম আক্রমণের শিকার হয়ে বার্সা ঘুরে দাঁড়ায় ৩০ মিনিটে। নেইমারের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে চোখ ধাঁধানো গোল করেন মেসি। ১৯৫০ সালে তেলমো জারার পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চারটি স্প্যানিশ কাপ ফাইনালে গোল করলেন আর্জেন্টাইন তারকা। আগামী জুনে মেসি তার ৩০তম জন্মদিন পালন করবেন ৩০টি শিরোপার স্বাদ নিয়ে। এনিয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ কোপা দেল রে জিতলেন মেসি। অবশ্য তার গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি আলাভেস। ৩৩ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বাঁকানো শটে সিলেসেনকে পরাস্ত করেন থিও হার্নান্দেজ। ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল আলাভেস। কিন্তু মেসি জাদু ফুরিয়ে যায়নি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে দারুণ ড্রিবলে পাকো আলকাসেরকে দলের তৃতীয় গোল বানিয়ে দেন ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ৪৫ মিনিটে আন্দ্রে গোমেজের নিখুঁত পাসে ব্যাকপোস্টের সামনে থেকে খুব সহজে বার্সার দ্বিতীয় গোল করেছিলেন নেইমার।

দ্বিতীয়ার্ধে স্কোরের কোনও পরিবর্তন হয়নি। ৩-১ গোলে কোপার হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয় বার্সা। ২০১৪ সালে অ্যাথলেটিক বিলবাও ও ২০১৫ সালে সেভিয়াকে ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কাতালানরা। এনিয়ে ২৯তম কোপা ডেল রে জিতল বার্সা। এর আগেও টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়েছিল তারা-  ১৯৫১, ১৯৫২ ও ১৯৫৩ সালে। সূত্র- ইএসপিএনএফসি, গোলডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

uChBKQ_baবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রের বিয়ের একদিন পরেই সন্তান প্রসব করেছেন তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (১৮)। গত শুক্রবার রাত ২টার দিকে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন সোনিয়া।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উমাজুড়ি গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে গতকাল শনিবার সকাল থেকেই লোকজন এলাকার সেই নবজাতককে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চুর বাসভবনে অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়ার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় হাসিব মাল নামের ১২ বছরের ৫ম শ্রেণির ছাত্রের। জানা গেছে, কাগজে কলমে তার বয়স ১২ হলেও বাস্তবে বেশি হবে। হাসিব গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

হাসিবের সঙ্গে সোনিয়ার অবৈধ মেলামেশা ছিল। এক পর্যায়ে সোনিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে স্থানীয় কাজী মো. আলতাফ হোসেন ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্যে বিয়ে পড়িয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বলেন, ছেলে এবং মেয়ে উভয়ে খুব গরীব। তারা একে অন্যের সাথে মেলামেশা করে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তাই সামাজিক স্বীকৃতি হিসেবে তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসিবের পিতা হাকিম মাল বলেন, আমি গরীব অসহায়। মামলা চালানোর সামর্থ্য নেই। তাই স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিয়ে মেনে নিয়েছি। দুই মাস পূর্বে একটি সালিশি বৈঠকে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন ইউপি সদস্য মো. আলম মৃধা। ওই টাকা দিতে না পারায় সোনিয়াকে আমার শিশু ছেলের সাথে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে সোনিয়ার দাবি, হাসিবের সাথে মেলামেশা করার ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে।

হাসিব মাল অভিযোগ করে বলেন, অন্যায়ভাবে অন্তঃসত্ত্বা কনেকে আমার ওপর চাপানো হয়েছে। সোনিয়ার গর্ভের সন্তানের দায় আমি কেন নেব? আমিতো লেখাপড়া করছি। হাসিব মাল এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি রাশেদুল আলম বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ZtIHPs_1খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কয়লা খনির দুর্নীতি মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা চলবে বলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ এ রায় দেন আপিল বিভাগ। আজ ২৮ মে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন।

উল্লেখ্য, বিগত সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তার মন্ত্রিসভার ১০ সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা হয়। ওই বছর ৫ অক্টোবর ১৬ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেয় দুদক। চীনা প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অফ চায়না ন্যাশনাল মেশিনারিজ ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) সঙ্গে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।

খালেদা জিয়া মামলাটি বাতিলের আবেদন করলে ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাই কোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে। মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও দেওয়া হয়। হাইকোর্টের ওই আদেশ আপিল বিভাগেও বহাল থাকায় আটকে যায় বিচার। সাত বছর পর চলতি বছরের শুরুতে দুদক মামলাটি সচল করার উদ্যোগ নিলে হাই কোর্টের দেওয়া রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

oNGu9F_555ডেনমার্কের ঘটনা। পাবলিক বাসে বসে রয়েছেন এক যুবক। ওই বিদেশির ডান বাহুতে অতি পরিচিত একটি ছবি ট্যাটু করা হয়েছে। একটু খেয়াV করে দেখলেই চমকে উঠতে হবে। ওটা বাংলাদেশ সরকারের লোগো। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা গোটা লোগোটি ট্যাটু করে ঘুরছেন যুবক।

সোশাল মিডিয়ায় ছবিটি আসার পর ভাইরাল হয়ে পড়ে। তবে সবার চোখে এখনো হয়তো পড়েনি। ফেসবুক থেকে জানা যায়, তার জন্ম বাংলাদেশে। জন্মের কয়েক মাস পর তাকে দেশ থেকে দত্তক নিয়ে চলে যান এক ডেনিশ দম্পতি। এরপর থেকে সে ওখানেই বেড়ে উঠেছে। পুরোদস্তুর ডেনিশ হয়ে উঠেছেন। তিনি কখনও বাংলাদেশে আসেননি। বাংলাতেও কথা বলতে পারেন না। কিন্তু বড় হয়ে তো জেনেছেন, সবুজ শ্যামলা এই বাংলাদেশ তার জন্মভূমি। শেঁকড়ের টান কী নাড়ী থেকে যায়? বাংলাদেশ দেশেননি তো কী হয়েছে, গোটা দেশকে উল্কি করেছেন বাহুতে।

ইরফান হাসান হিমেল নামের একজন তার পোস্টে এই যুবকের ছবি দিয়েছেন। তির পোস্টেই এই ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে কিছু দিন আগে। কোনো এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট থেকে নিজের দেশের মানচিত্রসহ লোগোটি পেয়েছেন। ওটাই এঁকে নিয়েছেন হাতে। সূত্র : ফেসবুক

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1e5031b4aea4d41923626c6b465badec-5929c4d8d26e5সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে সরিয়ে নেওয়া গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য অ্যানেক্স ভবনের সামনে পুনঃস্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। শনিবার রাত আটটা থেকে পুনঃস্থাপনের কাজ শুরু হয় এবং রাত পৌনে একটায় শেষ হয়েছে। মৃণাল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার রাত সোয়া এগারোটার দিকে মৃণাল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ সকালেই ভাস্কর্যটি পুনঃস্থাপন করতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পাই। এরপর রাত আটটা থেকে ভাস্কর্য পুনঃস্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। আর একঘণ্টার মধ্যে ভাস্কর্য পুরোপুরি পুনঃস্থাপিত হবে।’
গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য স্থানান্তরের বিষয়ে মৃণাল হক বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে অ্যানেক্স ভবনের সামনে আনা আর একজায়গা থেকে আরেক জায়গায় আনা এক জিনিস না। সামনে থাকা এক জিনিস, ভেতরে থাকা আরেক জিনিস।’ তিনি বলেন, ‘এই সাবজেক্ট নিয়ে আমি মুখ খুলতে চাই না। মুখ খুললে এটা আরও বড় হবে।’
ভাস্কর মৃণাল হক জানান, ‘আমার ত্রিশ জন কর্মী ভাস্কর্য পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। ’
এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, ‘আমি কিছু শুনিনি। আমি তো জানতাম না। এ বিষয়ে কথা বলা বিপজ্জনক।’
এর আগে রাত এগারোটার কিছু আগে, একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন সদস্য জানান, ‘ভাস্কর্য পুনঃস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি পুনঃস্থাপিত হবে।’’
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর ভাস্কর মৃণাল হকের নেতৃত্বে ১৩ জন কর্মীসহ মোট ২০ জন শ্রমিক ভাস্কর্যটির ভিত ভাঙার কাজ শুরু হয়। ভোর পাঁচটার দিকে ঢাকা মেট্রো ন-১৬-১৫০৪ নম্বরের পিকআপ ভ্যানে করে হাইকোর্টের অ্যানেক্স ভবনের ভেতর পানির পাম্পের পাশে ভাস্কর্যটি রাখা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাত সাড়ে বারোটার দিকে বেদীর সঙ্গে ভাস্কর্যের ঝালাইয়ের কাজ চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের শেষ দিকে গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্যটি সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়। এরপর প্রায় দুই মাস এ বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে কোনও মত প্রকাশ করা না হলেও ফেব্রুয়ারিতে মুখ খোলেন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী। এক বিবৃতিতে তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্যটি অপসারণের দাবি জানান।
এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের সবগুলো ধর্মভিত্তিক সংগঠন ভাস্কর্যটি সরানোর দাবিতে আন্দোলন করছিল। হেফাজতের ঘোষণা ছিল, অপসারণ করা না হলে শাপলা চত্বরে আবারও সমাবেশ করবে তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় গত গত ১১ এপ্রিল গণভবনে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের সরকারি স্বীকৃতি ঘোষণার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই প্রশ্ন তোলেন গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য নিয়ে। সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে এই গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য থাকা উচিত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকবার প্রশ্ন তোলেন ভাস্কর্যের বাস্তবতা নিয়ে। তার প্রশ্ন, গ্রিক দেবীর গায়ে শাড়ি কেন?
বৃহস্পতিবার সকালেও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন রমজানের আগেই ভাস্কর্য সরানো আহ্বান জানায়। এর আগে ইসলামী ঐক্যজোট হরতালের ঘোষণা দেয়, রমজানের আগে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য না সরালে তারা কঠোর কর্মসূচি দেবে। অব্যাহত হুমকি আসে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক রাজনৈতিক দল, ওলামা লীগসহ সুন্নিপন্থী একাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। যদিও ভাস্কর্য রক্ষার দাবিতে দেশের প্রগতিশীলদের একটি অংশ বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে আসছিল।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। এছাড়া গণজাগরণমঞ্চকর্মী ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোও প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest