সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে ওয়ানডের ফাইনালে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডটি এখন অ্যালেক্স হেলসের। নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে অপরাজিত ১৮৭ রানের ইনিংস খেলেছেন ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের এই ওপেনার। যেটি ভেঙেছে ৫২ বছরের পুরনো একটি কাউন্টি রেকর্ড।

লর্ডসে সারের বিপক্ষে ওয়ানডে কাপের ফাইনালে নেমেছিল নটিংহ্যামশায়ার। তাতে রেকর্ড ইনিংসটি খেলে দলকে ৪ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন হেলস।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ২৯৭ রান তুলেছিল সারে। ওপেনার মার্ক স্টোনম্যানের অপরাজিত ১৪৪ রানে এই সংগ্রহ পায় দলটি। পরে স্টোনম্যানের ইনিংসটি আড়ালে ঠেলে দেন হেলস।

রেকর্ডময় অপরাজিত ১৮৭ রানের ইনিংসটি খেলতে ১৬৭ বল ব্যবহার করেছেন হেলস। যাতে আছে ২০টি চার ও ৪টি ছয়ের মার। এদিন ৮৩ বলে সেঞ্চুরিতে পা রাখেন এই ওপেনার। যদিও ব্যক্তিগত ৯ রানের মাথায় পোপের হাতে জীবন পেয়েছিলেন। সেটাকেই দারুণভাবে কাজে লাগালেন পরে।

ইনিংসটি দিয়ে ৫২ বছর পুরনো একটি ইংলিশ কাউন্টি রেকর্ড ভেঙেছেন হেলস। কাউন্টির ফাইনালে সর্বোচ্চ সংগ্রহের আগের রেকর্ডটি ছিল জিওফ বয়কটের। সেই ১৯৬৫ সালের ফাইনালে ১৪৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বয়কট। অর্ধ-শতাব্দী অক্ষত থাকা ইনিংসটাই এদিন টপকে গেলেন হেলস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশে আবার দুই সপ্তাহ সময় পেল সরকার।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই সময় মঞ্জুর করেন।

আদালতে সময় চেয়ে আবেদন দাখিল করলে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘কত দিন?’ এসময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দুই সপ্তাহ।

এরপর অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্যে করে প্রধান বিচারপতি বলেন- এটাই লাস্ট চান্স।

এর আগে গত ২৯ মে অ্যাটর্নি জেনারেলের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশে দুই সপ্তাহ সময় দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর ২০১৫ সালের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় শৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি খসড়া বিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়। কিন্তু গত বছরের ২৮ আগস্ট আপিল বিভাগ খসড়ার বিষয়ে বলেন, শৃঙ্খলা বিধিমালা সংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী।

এরপর সুপ্রিমকোর্ট একটি খসড়া বিধিমালা করে আইনমন্ত্রণালয়ে পাঠায়। একইসঙ্গে ৬ নভেম্বর ২০১৬ এর মধ্যে খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন আকারে আদালতকে জানাতে আইন মন্ত্রণালয়কে বলা হয়। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ থেকে খসড়া বিধিমালা প্রকাশে জন্য বার বার সময় নেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার প্রথিতযশা সম্পাদক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও আবৃত্তিকার মুফতি আব্দুর রহিম কচির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যবৃন্দ। এক বিবৃতিতে সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী এবং সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম মুফতি কচির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, মুফতি কচি ছিলেন একজন পরিচ্ছন্ন সম্পাদক, আদর্শবান সাংবাদিক এবং সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক। সাতক্ষীরার সাংবাদিকতায় তিনি ছিলেন এক বিরল নক্ষত্র। তার কর্তব্যনিষ্ঠা বর্তমান প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কামরুল হাসান : সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর সদরের বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়নি।
প্রতিষ্ঠার ২২ বছর অতিবাহিত হলেও একটি ভবন নির্মাণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা জরাজীর্ণ টিনশেড এবং খোলা জায়গায় রোদ-বৃষ্টি এবং শীতের দিনে নাজুক পরিস্থিতিতে পড়া-লেখা করে ভালো ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিজেদের জায়গা অটুট রেখেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল এ বিষয়ে বলেন, প্রায় সাড়ে ৪’শ শিক্ষার্থীর পদচারনায় মুখরিত বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত ভগ্নদশা থেকে মুক্ত করতে আজ পর্যন্ত কেও এগিয়ে আসেনি। সরকার আসে সরকার যায় আর বেত্রবতী হাইস্কুল দিন দিন ভগ্নদশার শেষ সীমায় পৌছায়। যার দরজা-জানালা কিংবা পুরাতন টিন শেডটি প্রতিদিন একটু একটু করে শক্ত অবস্থা থেকে নড়বড়ে হতে থাকে। অবকাঠামো ভাঙ্গার সাথে সাথে মনোবল ভাঙতে থাকে মানুষ গড়ার কারিগর সেখানকার প্রতিটি শিক্ষকবৃন্দের। যারা নাকি নিজের পরিবার ঘর-বাড়ির চেয়ে ভালোবাসে তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন দুরন্ত যৌবনের ক্ষণে যোগ দেওয়া প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে। তাইতো কোন কোন শিক্ষক চাকুরীর একযুগ পার করেও বেতন না পেয়ে ছাড়তে পারছেন না প্রিয় কর্মস্থল।
তাই সদাশয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে তাদের প্রাণের দাবি অচিরেই অবহেলিত বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিতে (ইআইআইএন-১১৮৬৫৩) একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হোক। আর এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা করা হোক এমপিও বঞ্চিত প্রাপ্য শিক্ষকদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চীনের ৫৮ বছর বয়সী লি জিতিয়ান নামে একজন ব্যক্তি প্রায় ছয় দশক ধরে বিস্ময়কর এক ব্যাধিকে সঙ্গী করে নিয়ে বসবাস করছেন। তার শরীরের চামড়ায় এমন এক রোগ রয়েছে যে, যা চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। তার শরীরের চামড়ার এমন অবস্থা হয় যে, মনে হয় গাছের বাকল দিয়ে ছেয়ে গিয়েছে।

ডেইলি মেইলের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, লি জিতিয়ানকে তার প্রতিবেশীরা ‘বার্ক ম্যান’ হিসাবে সম্বোধন করেন। কারন, তার শরীরের ত্বকের মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পুরো বৃক্ষের ছালার মত রয়েছে অসংখ্য দাগ। এমনকি তারা তাকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে জীবন যাপন করতে বলেছেন। কারন তারা তাকে ভয় দেখিয়েছেন যে, তারা সংক্রমিত হবে এবং এই অবস্থার বিস্তার বৃদ্ধি পাবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৫০ সালে একটি নাপিত তার চুল কাটতে গিয়ে ঘটনাক্রমে লি এর মাথার পেছনের অংশে কেটে ফেলে। তারপর থেকে এই অদ্ভুত অবস্থা তার মাথা থেকে তার পিছনে এবং এমনকি তার পায়ের আশেপাশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

রিপোর্টগুলি তুলে ধরেছে যে তিনি চর্মরোগের একটি চরম ক্ষেত্রে ভুগছেন, এটি ত্বকের এমন একটি অবস্থা যা লাল, আলখাল্লা, চর্মযুক্ত আইশের সাথে আচ্ছাদিত চামড়ার কুঁচকানো প্যাচগুলির সৃষ্টি করে। যদিও এই রোগের কোন প্রতিকার নেই, তবে বেশিরভাগ চিকিৎসা করলে লক্ষণ এবং চামড়া প্যাচসমূহের চেহারা উন্নত করতে পারে।

৫৮ বছর বয়সী লি ডেইলি মেইলকে জানায়, সে চিকিৎসার সন্ধানে দেশের সকল হাসপাতালে ঘুরেছেন এবং ডাক্তাররা শুধুমাত্র তার উপসর্গগুলি পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরাও তার অবস্থা এবং তার অদ্ভুত ‘হেয়ারড্রেসার থিওরি’ এর মধ্যে কোন লিঙ্ক খুঁজতে সক্ষম হয়নি। স্থানীয় সরকার তার খরচ অর্থায়ন করছে এবং আশা করছে যে লি জিতিয়ানের জন্য জনসাধারণ আরও সম্পদ সরবরাহ করতে পারে যাতে সে আরও আরামদায়ক জীবন যাপন করতে পারে।-সুত্রঃ জি নিউজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : প্রিয় মানুষকে কাছে পেতে মানুষজন কতকিছু করে। দেশের হয়ে ২২ গজে প্রতিনিধিত্ব করেন যে ক্রিকেটাররা, তারা যাদের কাছে প্রিয় তাদের সংখ্যা অগণিত। মুস্তাফিজুর রহমানের এমনই অগণিত ভক্তদের একজন করে বসেছেন অবাক করা এক কান্ড। সুদূর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মুস্তাফিজের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা এসেছেন তিনি, শুধুমাত্র মুস্তাফিজকে দেখার জন্য।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সাতক্ষীরার দুরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। অনেকের কাছে এই দুরত্ব বিশাল মনে হলেও মুস্তাফিজের একনিষ্ঠ ভক্ত রাজীব ওয়াহিদ রনের কাছে যেন তা মামুলী। আর তাই এক বিভাগ থেকে আরেক বিভাগে পাড়ি দিয়ে মুস্তাফিজের সাথে দেখা করেন তিনি।
পরিবারের সাথে ঈদের ছুটি কাটাতে মুস্তাফিজ এখন অবস্থান করছেন সাতক্ষীরায় নিজের গ্রামের বাড়িতে। রাজীব সোজাসুজি সেখানেই গিয়ে হাজির হন। মুস্তাফিজের বাড়িতে দুইদিন থেকেছেনও তিনি। ভক্তের ভালোবাসায় জবাব দিয়ে হাসিমুখে বেশ খানিকটা সময় চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছেন মুস্তাফিজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের চিলেডাঙ্গা গ্রামে মৃতঃ দলিল উদ্দিনের পুত্র ছাদেক আলী প্রতিপক্ষের রোষানলে পড়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন। জেলা পরিষদ শুনানি শেষে আদেশ দিলেও প্রতিপক্ষ না মানায় ছাদেক আলী অসহায় হয়ে পড়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য দেলওয়ার হোসাইন স্বাক্ষরিত ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম প্রতিস্বাক্ষরিত আদেশনামায় জানা গেছে, পাইথালী মৌজায় এসএ ১৯২ খতিয়ানে প্রজা জাহাবক্স ও ছবি বিবির জমির মধ্যে থেকে ছাদেক আলি জাহাবক্সের নিকট থেকে ২৮/৯/৬৮ তাং ৪৭৪৯ নং কোবালা দলিলমূলে সোয়া ৫৮ শতক এবং ছাদেকের পিতা ৪৫ শতক জমি ক্রয় করেন। এছাড়া ছাদেক আনজিরা বেগম দিং’র নিকট থেকে এসএ ১২৩৪ ও ১২৮৪ দাগে ৭৫ শতক জমি ক্রয় করেন। জমি একলপ্তা করে তিনি ঘের বেড়ি দিয়ে মৎস্য চাষ করে আসছেন। যার বিএস খতিয়ান ৬২২, ১৬৩, ৭৪৯ ও ২৮১। প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মৃত গহর আলীর পুত্র কবির হোসেন অঙ্গীকার নামার শর্ত ভঙ্গ করে বাদি ছাদেকের মৎস্য ঘেরের বাঁধ ভেঙে ৯০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেন। জেলা পরিষদের আদেশে ঘের ভেঙে ক্ষতির কথা সত্য উল্লেখ করে ১ম পক্ষের দাবি সঠিক প্রমাণিত মতামত প্রদান করা হয়েছে। দ্বিতীয় পক্ষ এই আদেশ মানতে নারাজ হওয়ায় বাদিকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। অসহায় বাদি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র ও রোষানলে পড়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : জনসম্মুখে প্রকাশ পেল না আশাশুনির কুল্যা ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ সনের ৬১ নং আইনের দশম অধ্যায়ে প্রকাশ্য বাজেটের আদেশ হয়। এ আইনের ৫৭’র উপধারা ২ এ বলা হয় ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটি এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠান করিবে এবং বাজেট পেশ করিবে। পরিষদের পরবর্তী সভায় পাসকৃত বাজেটের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করিবে। উপধারা ৩ এ আদেশ হয় কোন ইউনিয়ন পরিষদ অর্থ বৎসর শুরু হইবার পূর্বে (অর্থাৎ জুন মাসের আগে) উক্ত বাজেট প্রণয়ন করিতে ব্যর্থ হইলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্ভাব্য আয় ব্যয়ের একটি বিবরণী প্রস্তুত ও প্রত্যয়ন করিবে এবং এইরূপ প্রত্যয়নকৃত বিবরণী ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদিত বাজেট বলিয়া গণ্য হইবে এবং বাজেটের অনুলিপি প্রাপ্তির ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাজেটের কোন ত্রুটি থাকিলে উহা সংশোধন করিয়া পরিষদকে অবহিত করিবে। কিন্তু উক্ত অর্থ বৎসরের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের বিবরণী জনসম্মুখে না তুলে, উন্মুক্ত বাজেট না করে পার পেলেন কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলাম। জানতে চাইলে তিনি বলেন বাজেট অনুষ্ঠান করতে সামনে এখনো ৩মাস সময় আছে। ইউনিয়ন পরিষদ আইন সংশোধন হইছে। আমরা বাজেটের খসরা প্রস্তুত করছি। কিন্তু সংশোধনী আইনে দেখা যায় ১২ই অক্টোবর, ২০১০ইংরেজিতে বাংলাদেশ গেজেট অতিরিক্ত সংখ্যায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ সনের ৬১ নং আইন এর ৫৭’র কোন সংশোধন হয়নি। সংশোধন হয়েছে ১৩’র উপ-ধারার ১এ। আর সেটি হলো একটি ওয়ার্ডের লোকসংখ্যা অন্য একটি ওয়ার্ড হইতে ১০% এর কম বা বেশী না হয়। কমা, শব্দসমূহ, সংখ্যা ও চিহ্ন বিলুপ্ত হইবে।
অভিযোগ আছে ইউনিয়নের বিভিন্ন দূর্নীতি ধামাচাপা দিতে তিনি উন্মুক্ত বাজেট করছেন না।
এবিষয়ে কয়েকজন ইউপি সদস্যের সাথে কথা বললে তারা বলেন চেয়ারম্যান যদি বাজেট অনুষ্ঠান না করেন তাহলে আমরা কি করতে পারি। কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদ উন্মুক্ত বাজেট না করায় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইউনিয়নের সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest