সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

FB_IMG_1493636211104গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাঃ সোমবার সকাল ১০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১ ঘটিকা পর্যন্ত বুড়িগোয়ালীনি ও গাবুরা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত খোলপেটুয়া নদীতে বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের নীলডুমুর নৌ পুলিশ ফাড়ির সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করেন শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর। অভিযান কালে ১২০০ মিটার বেহুন্দী জাল জব্দ করেন এবং জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন। অভিযানকালে আটককৃত ৫০০০০ চিংড়ি পোনা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। প্রাণবৈচিত্র‍্য ধ্বংসকারী এ জাল মালিকরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। অভিযানে অংশগ্রহন করেন নৌ পুলিশের এস আই মোঃ মামুন হোসাইন, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের মৃদুল,ইস্রাফিল,সুরুজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_641217295_1493623488.jpg.pagespeed.ic.cA3Gx8Qgtcডেস্ক: বহু দিন ধরে বেকার, আর্থিক অনিশ্চয়তা ডেকে আনতে পারে হার্ট অ্যাটাক। হার্ট ফেলিওর ২০১৭ এবং অ্যাকিউট হার্ট ফেলিওর চতুর্থ ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে উঠে এল এমনই ভয়াবহ তথ্য।

ডেনমার্কের কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চিকিৎসক রামসাস রোয়ার্থ বলেন, ‘চাকরি ও আর্থিক নিরাপত্তা আমাদের কর্মক্ষমতা ও ভাল থাকা বাড়িয়ে দেয়। কাজ না থাকা, আর্থিক অনিশ্চয়তা আবসাদ‌ের ঝুঁকি যেমন বাড়িয়ে দেয়, তেমনই নানা রকম মানসিক সমস্যা থেকে আত্মহত্যা প্রবণতাও ডেকে আনতে পারে।’

মোট ২০ হাজার হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা খতিয়ে দেখে গবেষকরা জানাচ্ছেন, বেকারত্ব ও আর্থিক অনিশ্চয়তা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ শতাংশ এবং হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর আশঙ্কা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।

এই গবেষণার জন্য ১৯৯৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ১৮-৬০ বছর বয়সী ২১ হাজার ৪৪৫ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকেরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১১ হাজার ৮৮০ জন অর্থাৎ ৫৫ শতাংশ রোগীই ছিলেন কর্মহীন এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার শিকার।

গড়ে ১০০৫ দিনের একটি গবেষণায় দেখা যায় এদের মধ্যে ১৬ শতাংশ চাকুরিজীবী এবং ৩১ শতাংশ চাকরিহীন রোগী মারা যান। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও কর্মহীন রোগীদের ৪২ শতাংশ দ্বিতীয় বার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1289247733_1493614299.jpg.pagespeed.ic.J-2LWcVwbTডেস্ক: অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হলো। জানা গেল কেন অমরেন্দ্র বাহুবলিকে খুন করেছিল কাটাপ্পা। “বাহুবলি টু: দ্য কনক্লুশন”-এ দুর্দান্ত ভিএফএক্স সিনেমাটির গল্প আর চরিত্রগুলোকে করে তুলেছে আরও বেশি প্রাণবন্ত। প্রতিটি দৃশ্যে দর্শক যেন হারিয়ে যেতে বাধ্য। “বাহুবলি টু”-র শুরুর দিকে বাহুবলির বীরত্ব আর প্রজাদের প্রতি ভালোবাসা দেখানোর পর বেশ কিছুটা সময় ছিল হাস্য-কৌতুকে ভরপুর। কিন্তু, প্রথম আধঘণ্টা বাদ দিলে বাকি সময় ছিল রাজপরিবারের রাজনীতি, যুদ্ধ, ষড়যন্ত্র আর দুই ক্ষমতাধর নারীর মধ্যকার বিবাদ নিয়ে টানটান উত্তেজনা।

বাহুবলি রাজা হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে রাজমাতা শিবগামী দেবীর কথায় রাজ্য ভ্রমণে বের হন। আর ঘুরতে ঘুরতে ঘটনাক্রমে দেখা হয় পাশের রাজ্যের রাজকুমারী দেবসেনার সঙ্গে। দেবসেনার বীরত্ব আর সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে পড়েন অমরেন্দ্র বাহুবলি। তার প্রেম পাওয়ার জন্য বোকার অভিনয় করে সেই রাজ্যেই দেবসেনার আশ্রয়ে থেকে যান বাহুবলি। আর তাদের মেলানোর জন্য কাটাপ্পার ভূমিকা ছিল বেশ কৌতুকপূর্ণ। বাহুবলি যখন প্রেমে মশগুল তখন রাজমহলে রাজা হতে না পারার কষ্ট নিয়ে বল্লাল দেব বুনতে থাকেন ষড়যন্ত্রের জাল।

বাহুবলিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় দেবসেনার সন্দেহ হতে থাকে যে সে ঠিক বোকা একজন লোক নন, সে একজন যোদ্ধা। এর প্রমাণ শেষ পর্যন্ত দেবসেনা পেয়ে যান যখন তার রাজ্য আক্রমণ করে বসে পিন্ডারিরা। বাহুবলির যুদ্ধপটুতা সে যাত্রায় রক্ষা করে কুন্তাল রাজ্যকে। বাহুবলি কুন্তাল রাজ্যের মানুষের কাছে মহান বনে যান। কিন্তু বল্লাল দেবের ষড়যন্ত্রে শিবগামীর আদেশে রাজকুমারী দেবসেনাকে বন্দি করে মহেসমতী নিয়ে যাবার আদেশ পান বাহুবলি। কুন্তাল রাজ্যের রাজা-রানীর কাছ থেকে রাজকুমারীকে বিয়ে করার অনুমতি নিয়ে এবং তার সম্মান ও জীবনরক্ষার পণ করে দেবসেনাকে সঙ্গে নিয়েই বাহুবলি ফিরেন মহেসমতীতে।

বল্লাল দেবের ষড়যন্ত্রে বাহুবলির বদলে বল্লাল দেবকে রাজা এবং বাহুবলিকে প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করেন শিবগামী। রাজমাতার এই আদেশ খুশি মনে মেনে নেন বাহুবলি। দেবসেনাকে বিয়ে করে খুশি মনেই জীবন পরিচালনা করতে থাকেন তিনি। কিন্তু প্রজাদের মধ্যে বাহুবলির জনপ্রিয়তা দেখে হিংসায় ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে বল্লাল দেবের। বাড়তে থাকে তার ও তার পিতার ষড়যন্ত্রের প্রকোপ। এই হিংসা থেকেই প্রথমে বাহুবলিকে রাজমহল থেকে বহিষ্কার এবং পরে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে বল্লাল দেব।

বাহুবলির মতো বীরকে সাধারণ কাউকে দিয়ে হত্যা করা সম্ভব নয় এটা বুঝতে পেরে বল্লাল দেব রাজমাতা শিবগামী দেবীর কাছে মিথ্যা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে বাহুবলি। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রাজমাতা কাটাপ্পার হাতে বাহুবলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা মতো রাজ আদেশে মহেশমতী রাজ্যের গোলাম কাটাপ্পা হত্যা করে অমরেন্দ্র বাহুবলিকে। কাটাপ্পার কাছে নিজের সন্তান বল্লাল দেবের মিথ্যে ষড়যন্ত্রের বিবরণ জানতে পেরে শিবগামী অমরেন্দ্র বাহুবলির সদ্যজাত সন্তান মহেন্দ্র বাহুবলিকে মহারাজা ঘোষণা দেন। কিন্তু বল্লাল দেব মহেন্দ্র বাহুবলিকেও হত্যার চেষ্টা করেন। নিজের জীবন দিয়ে শিবগামী কিভাবে মহেন্দ্র বাহুবলিকে বাঁচান এবং মহেন্দ্র বাহুবলির বেড়ে ওঠা ছিলো “বাহুবলি: দ্য বিগিনিং”-এ।

কাটাপ্পার কাছে সব ঘটনা জেনে মায়ের অপমান এবং পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে মহেসমতীতে ফিরে আসেন মহেন্দ্র বাহুবলি। তার সঙ্গে যোগ দেন রাজপরিবারের গোলাম কাটাপ্পা। কারণ, রাজমাতা শিবগামীর ঘোষণা অনুযায়ী মহেন্দ্র বাহুবলিই মহেসমতীর বৈধ রাজা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন বল্লাল দেবের ক্রোধে ধ্বংস হয়ে যাওয়া কুন্দল রাজ্যের জনগণ, মহেসমতীর সাধারণ মানুষ আর কাটাপ্পার অধীনস্থ অল্পকিছু সংখ্যক সৈনিক। যুদ্ধকৌশলে জিতে যায় মহেন্দ্র বাহুবলি। এতে অবসান হয় বল্লাল দেবের আর মহেসমতী পায় তাদের নতুন মহারাজ মহেন্দ্র বাহুবলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাপের নাম শুনলেই অনেকে ভয় পেয়ে যান। অনেকে আবার সাপ দেখলে ঘৃণাতে মুখ সরিয়ে নেন। সাপকে প্রাণি হিসেবে আমরা যে কারণে ভয় পাই তার মূল কারণ হচ্ছে এর বিষ। বিষাক্ত সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়, তাই বিষাক্ত সাপ থেকে সবাই দূরে থাকে। এই সাপের মধ্যে কিছু আছে বিষহীন, আবার কিছু আছে খুবই বিষাক্ত। পৃথিবীর সব থেকে বিষধর সাপ কোনগুলো? এনিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন।
১০.র‌্যাটল স্নেক
10-Rattle-Snakeযুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যায় এই র‌্যাটল স্নেক। এদের লেজের দিকে ঝুনঝুনি সদৃশ বিশেষ অঙ্গ তাকে যার সাহায্যে তারা শব্দ করতে পারে। শরীরে দুই-তৃতীয়াংশ লাফিয়ে আক্রমণ করে থাকে। এটি উত্তর আমেররিকার সব থেকে বিষধর সাপ। এই সাপে কামড়ালে শিশুদের দ্রুত মৃত্যু হয়। এই সাপের বিষ টিস্যু নষ্ট করে ফেলে রক্ত জমাট বেঁধে যায় ফলে এর সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এই সাপে কামড়ানোর পর শ্বাসকষ্ট, প্যারালাইসিস, বমি, রক্ত বমি, চেতনাহীন হয়ে পড়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
৯. ডেথ এডার
ডেথ এডার সাপ বিষের দিক থেকে নবম স্থানে রয়েছে। নামের সাথে এই সাপের কামড়েরও যথেষ্ট মিল পাওয়া যায়। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউগিনিতে এই 9-Death-Adderসাপ দেখতে পাওয়া যায়। ডেথ এডার মূলত অন্য সাপকে তাড়া করে কামড়িয়ে মারে এবং খেয়ে ফেলে। এক কামড়ে এই সাপ ৪০-১০০ মিলিগ্রামের মত বিষ ঢেলে দেয়। এই সাপে কামড়ালে শ্বাস কষ্ট ও প্যারালাইসিস দেখা দেয়। ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কামড়ে আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকে। এই সাপ একবার বিষ ঢালার পর দ্রুততম সময়ে এদের বিষ থলিতে আবারও বিষ উৎপাদন করতে পারে।

 

৮. ভাইপারস8-Vipers
ভাইপারস মূলত সাপের একটি জাত। এই জাতের অনেক ধরনের সাপ আছে। সারা বিশ্বেই ভাইপারসদের দেখা যায়। মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়ার ভারত, চীন এবং পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এদের বেশি দেখা যায়। এরা খুব দ্রুত রেগে যায় এবং প্র্রধানত রাতের বেলা শিকারে বের হয়। এরা খুব দ্রুত আক্রমণ করে থাকে। ভাইপারসে কামড়ালে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। পরে শ্বাসকষ্টের সাথে প্যারালাইসিস দেখা দেয় এবং হৃদস্পন্দন আস্তে আস্তে কমে যায়। এই সাপে কামড়ালে শরীরের উপর থেকেই বোঝা যায় যে রক্ত জমাট বেধে যাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। যদি দ্রুত চিকিৎসা দেয়া যায় তাহলেও ২-৪ সপ্তাহ নাগাদ প্রচণ্ড ব্যথা থাকে।
৭.ফিলিপাইনন্স কোবরা
7-philipine-kobraপৃথিবীর সব কোবরাই বিষাক্ত এবং ভয়ানক সাপ। কিন্তু অন্যসব কোবরা থেকে ফিলিপাইন কোবরা একটু আলাদা। কোবরা প্রজাতির মধ্যে এরাই সব থেকে বেশি বিষধর। এরা প্রায় তিন মিটার দূর থেকে বিষ ছুড়ে মারতে পারে।এই সাপে কামড়ালে আধা ঘন্টার মধ্যে মৃত্যু হয়। কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীর অবশ, মাথা ঘোরানো, বমি, মেরুদণ্ডে ব্যথা, পাতলা পায়খানাসহ নানা ধ

রনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

6.-Tiger-Snake

৬. টাইগার স্নেক

টাইগার স্নেক অন্যতম বিষাক্ত সাপ। এই সাপে কামড়ানোর তিরিশ মিনিটের মধ্যে

মানুষ মারা যায়। এই সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যুর হার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। এরা সাধারণত মানুষ দেখলে ভয়ে পালায়। কিন্তু একবার ক্ষেপে গেলে এই সাপ বেশ ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করে। টাইগার স্নেকের নিশানা কখনো মিস হয় না।

 

৫. ব্ল্যাক মামবা
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ব্ল্যাক বামBlack-Mambaবা নামক ভয়ঙ্কর এই সাপের দেখা মেলে। ক্ষ্যাপাটে স্বভাবের জন্য এরা বিশ্বে প্রথম। কোন ব্যক্তি যদি একবার ব্ল্যাক বামবার পাল্লায় পড়েন, তাহলে কামড় না খেয়ে ফিরে আসতে পারবেন এমন সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ এই সাপ যাদের উপর ক্ষেপে যায় তাদেরকে ঘোড়ার মত তাড়া করে কামড়ে দেয়। এরা বেশ দ্রুতগামী। দেখতে প্রধানত কাল হয়। প্রায় বিশ কিলোমিটার ঘন্টা গতিতে তাড়া করার ক্ষমতা রাখে ব্ল্যাক বামবা। একই সারিতে ১২বারের বেশি কামড়ে দেয় এরা। এদের প্রতিটি কামড়ে ১০০-১২০ গ্রাম বিষ বের হয় যা ১০-২৫ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

৪. টাইপান4-Taipan
টাইপান সাপ অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়। টাইপানের এক কামড়ে ১২ হাজার গিনিপিগের মৃত্যুর মত যথেষ্ট বিষ থাকে। এর বিষ রক্তনালী বন্ধ করে দেয়। এই সাপের কামড় থেকে বেঁচে ফিরেছেন এই সংখ্যা খুবই কম। যথার্থ চিকিৎসা দেয়া হলেও অনেক সময় রোগিকে এক নাগারে বহুদিন নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকতে হয়।

3-Blue-Krit

৩. ব্লু ক্রিট
ব্লু ক্রিট সাপ দেখতে পাওয়া যায় দক্ষিণ এশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়াতে। ক্রিট অন্য সাপ শিকার করে এবং খেয়ে বাঁচে। রাতের বেলা বের হয়।অন্ধকারে আক্রমণ করতেই এরা বেশি পছন্দ করে। এই সাপ নিজেদের প্রজাতিকে খেয়ে ফেলে। এই সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যুর হার ৮৫ শতাংশ। এই সাপের বিষ একবার শরীরের ভিতরে ঢুকলে শরীর সুস্থ হতে অনেক সময় লেগে যায়।

 

২.ইনল্যান্ড টাইপান
টাইপান সাপের মধ্যে এই ইনল্যান্ড টাইপান্ড আরেকটি জাত। বিষের কার্যক্ষমতার দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার ইনল্যান্ড টাইপান 1-Inland-Taipanসাপের অবস্থান দ্বিতীয়। এদেরকে ক্ষুদ্র-আঁশের সাপও বলে। অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের কাছে সাপটি দানদারাবিল্লা নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, এই সাপ এক দংশনে যে পরিমাণ বিষ নির্গত করে তাতে অনায়াসে শতাধিক পূর্ণ-বয়স্ক মানুষের মৃত্যু ঘটা সম্ভব। কোনরূপ প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিলে এই সাপে দংশনের সময় থেকে মৃত্যুর দূরত্ব মাত্র ৪০-৪৫ মিনিট। এরা ঋতুর সাথে রঙ বদলায়- গ্রীষ্মে জলপাই রঙের আর শীতে ধূসর। আফ্রিকার ব্ল্যাক মামবা বা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার লম্বা কিং কোবরার মতো এরা ক্ষিপ্র ও আক্রমণাত্মক নয়। ভয়াবহ রকমের বিষাক্ত এই সাপ সচরাচর মানুষের সান্নিধ্যে আসতে চায় না, আক্রমণও করতে চায় না। এদের বিষ কোবরার থেকে ১৫ গুন বেশি শক্তিশালী।
১. বেলচারস সী স্নেক
1-sea-snake‘ভেনামাস’ প্রাণিকূলে সরীসৃপের মধ্যে সবচেয়ে বিষাক্ত হলো বেলচারস সী স্নেক। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর উপকূল এবং দক্ষিণ এশিয়ার উপকূলের সাগরের জলে এদের দেখা পাওয়া যায়। এই সাপের এক কামড়ে যতটুকু বিষ বের হয় তা দিয়ে প্রায় এক হাজার পূর্ন বয়স্ক মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করা সম্ভব। কিন্তু এই সাপটি খুবই শান্ত ও লাজুক প্রকৃতির। বিশেষ করে জেলেদের মাছ ধরার সময় জালের ভিতরে ধরা পড়ে। এই সাপ মাঝে মাঝেই ভূমিতে যায়।পানির নিচে এরা ৭৮ ঘন্টা দম বন্ধ করে থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে তারা শিকার ধরে এবং বিশ্রাম নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Ananta_jalilরাজধানীর বনানী, গুলশান, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন চিত্রনায়ক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল। আর তাই তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন।

অনন্ত জলিল লিখেছেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নই। ভবিষ্যতেও জড়িত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বিভিন্ন ক্রেতার সঙ্গে মিটিংয়ে আমাকে প্রায়ই গুলশান-বনানী-উত্তরা যেতে হয়। দিন দিন চোখের সামনেই বদলে যেতে দেখলাম এলাকাগুলো! যেন জাদুর কাঠি হাতে নিয়ে উন্নয়নে নেমেছেন আমাদের মেয়র।

তিনি বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই ও সার্ক চেম্বারের সভাপতি ছিলেন। তাঁর কাছে মেয়র হিসেবে যা আশা করেছিলাম ঠিক তাই পেলাম।

ফুটপাতগুলো ঝকঝকে, ডিভাইডারগুলোতে টব বানিয়ে ফুলের চাষ, ঢাকা চাকা নামের নতুন গাড়ি প্রচলন, হাতিরঝিলে ইঞ্জিনচালিত নৌকার ব্যবস্থা, ডাস্টবিন, পাবলিক টয়লেট—সব যেন রূপকথার গল্পের মতো বদলে গেল।

আমি আপনাকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান মে দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন, জেলা শ্রমিক লীগ, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন, ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন সংগঠনের খন্ড খন্ড র‌্যালিতে সাতক্ষীরা শহর মুখরিত করে তোলে।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৮ টায় সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বর থেকে জেলা প্রশাসন একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে । র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন, জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন । র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্প কলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। এর পর সেখানে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা।
এদিকে, সকাল ১০ টায় দিবসটি উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক লীগের একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

অপরদিকে, সকাল সাড়ে ৯ টায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের একটি র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শ্রমিকদলের এ র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুস সামাদ ও সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

f5721c6ccb40fe3ec8786e5ca5756664-5905fd31179d8বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। কারণ বাদাম শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। এছাড়া বাদামে রয়েছে কয়েক ধরনের ভিটামিন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিংক, ক্যালশিয়াম, ফাইবার, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন। তবে সরাসরি বাদাম না খেয়ে ভিজিয়ে খেলে এর গুণাগুণের পরিমাণ বেড়ে যায়।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, খোসাসহ বাদাম খাওয়ার চাইতে খোসাছাড়া বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কারণ বাদামের খোসায় এনজাইম ইনহিবিটর নামে এক ধরনের উপাদান রয়েছে যা বাদামের জন্য ভালো। কিন্তু  শরীরের জন্য ভালো না।

যে কারণে ভিজিয়ে বাদাম খাওয়া উচিত-

১. বাদামের খোসায় ট্যানিন নামে এক ধরনের উপাদান থাকে যা হজমে সমস্যা তৈরি করে। ফলে ভিজিয়ে রেখে খোসা ছাড়া বাদাম খেলে এই সমস্যা হয় না।

২. খোসাসহ বাদামের স্বাদ খুবই বিরক্তিকর। অথচ বাদাম ভিজিয়ে রাখলে খোসা সহজেই তোলা যায় আর খেতেও ভালো লাগে।

৩. অনেকেই দুধের সঙ্গে বাদাম মিশিয়ে খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু খোসাসহ বাদাম দুধে সহজে মিশে না। স্বাদের পরিবর্তন হয় যা খেতে ভালো লাগে না। তবে খোসা ছড়ানো বাদাম এক্ষেত্রে অনেক ভালো।
৪. ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে ভিটামিন বি-১৭ এর মতো গুরুত্বর্পূর্ণ উপাদান পাওয়া যায় ভেজানো বাদামে।
৫. বাদাম ভিজিয়ে রেখে খেলে শরীরে ফলিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই উপাদানটি বাচ্চাদের জন্মগত ত্রুটি ও সমস্যায় প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।

৫. বাদাম ভিজিয়ে রাখলে আলফা টোকোপেরল নামে এক ধরনের উপাদান বৃদ্ধি পায়। এটা শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

এছাড়া জেনে রাখা ভালো, বাদাম খাওয়ার আদর্শ সময় হচ্ছে সকালের নাস্তা খাওয়ার আগ মুহূর্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, দৈনিক ১৫০ ক্যালোরির ১২ গ্রাম বা ২২-২৩টি বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। কারণ বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে যা ক্ষতিকর ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।  তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ecNaEX_ssশেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : প্রতি বছর মে মাসের ০১ তারিখে আর্ন্তজাতিক মে দিবস পালন করা হয়।  বিভিন্ন শ্রমিক সংঘটন এবং অনেক রাষ্ট্র এ দিবস গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকে । এই ধারাবাহিকতা বাজায় রেখে বাংলাদেশেও মে দিবস পালন করা হয়।  দিবস উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট শ্রম মন্ত্রণালয় শ্রমিকদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বাণী দিয়ে থাকেন। ১৮৮৬ সালে শিকাগোর মে মাসের ঘটনা পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের  বিভিন্ন শ্রমিক সংঘটানের উদ্যেগে সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, মে দিবসের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য সংবাদপত্রগুলি বিশেষ ক্রোড়-পত্র প্রকাশ করে থাকে এছাড়াও বিভিন্ন শ্রমিক সংঘটনের উদ্যেগে মে দিবসরে ভাবমূর্তি এবং অতীতের সংগ্রামে অর্জিত বিজয় উদযাপনে শ্রমজীবি মানুষরা মাথায় রং-বেরংয়ের কাপড় বেঁধে নানা রঙের ফেস্টুনসহ  মিছিল-শোভাযাত্রা বের করে, বেতার-টেলিভিশনে আলোচনার ব্যবস্থা থাকে এবং পত্র-পত্রিকায় নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এই দিনে শ্রমিকরা মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করে তাদের ক্ষোভ প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়, বরং অতীতের সংগ্রামে তাদের অর্জিত বিজয় উদ্যাপনের জন্য মুলত এ দিবস পালন করে থাকেন।
মে দিবসরে উৎপত্তি ঘটে ১৮৮৬ সালের ১ মে শিকাগোর রাস্তায় সংঘটিত ঘটনা ও পরবর্তী ঘটনাবলি থেকে । মূলত  আট ঘণ্টার শ্রমদিবস, মজুরি বৃদ্ধি, কাজের উন্নততর পরিবেশ ইত্যাদি দাবিতে ০১ মে একটি শ্রমিক সংগঠন শিল্প ধর্মঘটের ডাক দেয়। সে সময় বর্বর পন্থায় এই ধর্মঘট দমন করা হয়। পূর্বে শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম করতে হত, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা আর সপ্তাহে ৬ দিন। বিপরীতে মজুরী মিলত নগণ্য, শ্রমিকরা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করত, ক্ষেত্রবিশেষে তা দাসবৃত্তির পর্যায়ে পড়ত। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময় বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন্তু কারখানা মালিকগণ এ দাবী মেনে নিল না। ৪ঠা মে ১৮৮৬ সালে সন্ধ্যাবেলা হালকা বৃষ্টির মধ্যে শিকাগোর হে-মার্কেট নামক এক বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকগণ মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। তারা ১৮৭২ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল শ্রমিক শোভাযাত্রার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে এটি করেছিলেন। আগস্ট স্পীজ নামে এক নেতা জড়ো হওয়া শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছিলেন। হঠাৎ দূরে দাড়ানো পুলিশ দলের কাছে এক বোমার বিস্ফোরন ঘটে, এতে এক পুলিশ নিহত হয়। পুলিশবাহিনী তৎক্ষনাত শ্রমিকদের উপর অতর্কিতে হামলা শুরু করে যা রায়টের রূপ নেয়। রায়টে ১১ জন শ্রমিক শহীদ হন। পুলিশ হত্যা মামলায় আগস্ট স্পীজ সহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এক প্রহসনমূলক বিচারের পর ১৮৮৭ সালের ১১ই নভেম্বর উন্মুক্ত স্থানে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। লুইস লিং নামে একজন একদিন পূর্বেই কারাভ্যন্তরে আত্মহত্যা করেন, অন্যএকজনের পনের বছরের কারাদন্ড হয়। ফাঁসির মঞ্চে আরোহনের পূর্বে আগস্ট স্পীজ বলেছিলেন, “আজ আমাদের এই নি:শব্দতা, তোমাদের আওয়াজ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী হবে”। ২৬শে জুন, ১৮৯৩ ইলিনয়ের গভর্ণর অভিযুক্ত আটজনকেই নিরপরাধ বলে ঘোষণা দেন, এবং রায়টের হুকুম প্রদানকারী পুলিশের কমান্ডারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। আর অজ্ঞাত সেই বোমা বিস্ফোরণকারীর পরিচয় কখনোই প্রকাশ পায়নি।
১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কংগ্রেসে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষিত হয় এবং তখন থেকে অনেক দেশে দিনটি শ্রমিক শ্রেণি কর্তৃক উদ্যাপিত হয়ে আসছে। রাশিয়ায় এবং পরবর্তীকালে আরও কয়েকটি দেশে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হবার পর মে দিবস এক বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শাখা হিসেবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (International Labour Organisation, ILO) প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের অধিকারসমূহ স্বীকৃতি লাভ করে। আইএলও কতগুলি নিয়মকানুন প্রতিষ্ঠা করে এবং সকল দেশে শিল্পমালিক ও শ্রমিকদের তা মেনে চলার আহবান জানায় এবং এভাবে শ্রমিক ও মালিকদের অধিকার সংরক্ষণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest