ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা জয়ের ধারা বাংলাদেশ ধরে রাখতে পারত প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেও। পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবালের দেখানো পথে ব্যাটে বলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করেছিল তারা। কিন্তু শেষ কয়েক ওভারে এসে ফাহিম আশরাফের ব্যাটিং তাণ্ডবে জয় হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের। শনিবার বার্মিংহামের এজবাস্টনে পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা হেরেছে ২ উইকেটে।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ তারা ভারতের বিপক্ষে খেলবে ৩০ মে। এর আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ। তামিমের সেঞ্চুরির সঙ্গে ইমরুল কায়েসের ফিফটি এবং মুশফিকুর রহিম ও মোসাদ্দেক হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ উইকেটে ৩৪১ রান করে তারা।
বাংলাদেশের শুরুটা হোঁচটে হয়েছিল। জুনাইদ খানের বলে মাত্র ১৯ রানে সৌম্য সরকার বাবর আজমের ক্যাচ হন। এর পর ক্রিজে দাঁড়িয়ে যান তামিম ও ইমরুল। দ্বিতীয় উইকেটে ১৪২ রানের শক্তিশালী জুটি গড়েন তারা।
হাফসেঞ্চুরি পাওয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ইমরুল। ৬২ বলে ৮ চারে ৬১ রানে সাদাব খানের শিকার তিনি। তবে তামিম অপর প্রান্তে ঝড় অব্যাহত রেখেছিলেন।
মুশফিকের সঙ্গে মাত্র ৪০ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে ফিরতে হয় তাকে। সাদাব তাকে ফেরান। জুনাইদের ক্যাচ হওয়ার আগে তামিম ৯৩ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ১০২ রান করেন।
মুশফিক ৩টি করে চার ও ছয়ে হাফসেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৩৫ বলে ৪৬ রানে তিনি জুনাইদের শিকার হলে দুর্বার রানের গতি কিছুটা কমে যায়।
হাসান আলী তার এক ওভারে মাহমুদউল্লাহ (২৯) ও সাকিব আল হাসানকে (২৩) ফেরালে পরের ব্যাটসম্যানরা বড় অবদান রাখতে পারেনি। মোসাদ্দেক ১৫ বলে ২৬ রানের ছোট ঝড়ো ইনিংস খেলেন।
পাকিস্তানের জুনাইদ খান তার শেষ ২ ওভারে আরও দুটি উইকেট নিয়ে দলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ৯ ওভারে ৭৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। দুটি করে পান হাসান ও সাদাব।
শেষদিকের ব্যাটসম্যানরা বড় কোনও অবদান রাখতে না পারলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে দলীয় ইনিংসটা মজবুত ছিল বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ব্যর্থ।
রানের পাহাড়ে চড়তে গিয়ে পাকিস্তান ১৪ রানে প্রথম উইকেট হারায়। তাসকিন আহমেদের বলে মাত্র ৮ রানে মুশফিকের ক্যাচ হন পাকিস্তানি ওপেনার। পরের ওভারে মাশরাফি মুর্তজা পান দ্বিতীয় উইকেট। এবারও মুশফিক গ্লাভসবন্দি করেন বাবর আজমকে (১)।
আহমেদ শেহজাদ ও মোহাম্মদ হাফিজ তাদের ব্যাটিং লাইনআপকে কিছুটা মেরামত করতে সফল হন। ৫৯ রানের জুটি গড়েন তারা। এ শক্ত জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। ৪৪ রানে শেহজাদকে বোল্ড করেন তিনি।
এর পর শোয়েব মালিককে নিয়ে দাঁড়িয়ে যান হাফিজ। ৭৯ রানের জুটি গড়েন তিনি। তবে হাফসেঞ্চুরি করতে পারেননি হাফিজ। ৪৯ রানে তাকে ক্রিজ ছাড়া করেন শফিউল ইসলাম। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫ রানে মোসাদ্দেকের শিকার তিনি। ১৬৮ রানে পাকিস্তান ৫ উইকেট হারালে আরেকটি প্রতিরোধ গড়ে। শোয়েব মালিক হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ইমাদ ওয়াসিমকে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু ৭২ রানে মালিককে ফিরিয়ে বড় বাধা দূর করে বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যানকে আউট করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এর পর ৭ রানের ব্যবধানে সাদাব (৭) ও ইমাদ (৪৫) উইকেট হারান। সাদাবকে রানআউট করার পর নিজের ওভারে ইমাদকে শিকার বানান মিরাজ।
তখন পাকিস্তানের দরকার ছিল ৪৪ বলে ৯৩ রান। কিন্তু হাসান আলীকে নিয়ে বিস্ফোরক এক ইনিংস খেললেন ফাহিম। মাত্র ২৬ বলে ৪টি চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। দুজনে এ চাপ সামলে দেন স্বাচ্ছন্দ্যে। ৬.৫ ওভারে ৯৩ রানের অপরাজিত জুটি গড়েন তারা।
মিরাজ-সাকিব-মাশরাফিরা তাদের বিশেষ করে ফাহিমের ব্যাটের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ হন। শেষ ২ ওভারে ২৪ রান দরকার পড়লে তাসকিন তার নবম ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছিলেন। কিন্তু শেষ ওভারে ১৩ রান নিতে খুব বেশি ভুগতে হয়নি ফাহিম-হাসান জুটির। মাশরাফির ওই ওভারে প্রথম তিন বলেই প্রয়োজনীয় রান তুলে ফেলে পাকিস্তান। ফাহিম ৪টি করে চার ও ছয়ে ৬৪ রানে অপরাজিত ছিলেন, খেলেছেন ৩০ বল। হাসান ১৫ বলে ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৪৯.৩ ওভারে ৮ উইকেটে পাকিস্তান করে ৩৪২ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে মিরাজ সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন।

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মইনুল ইসলাম : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় ছাত্রলীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেউলা গাজীর হাট স্কুল মাঠ চত্বরে শনিবার বিকাল ৫টায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৭নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ মাহবুবের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি প্রভাষক মাহবুবুর হক ডাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা নুরুজ্জামান জুলু, উপজেলা তাঁতীলীগ আহবায়ক এম এম সেলিম রেজা, উপজেলা তরুণলীগ আহবায়ক ইদ্রিস আলী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বুধহাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবু, সেক্রেটারী সামছুর রহমান রাজু, আ’লীগ নেতা তোফায়েল আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা শাহিনুর রহমান, ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মোশারফ গাজী, লাভলু হোসেন, ডাঃ আঃ মজিদ, গোপাল চন্দ্র বসাক, তাইজুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, বায়জিত আলী, মোমিনুর রহমান প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন বকুল।
শ্যামনগর প্রতিনিধি : শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বংশীপুরে পুশ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর।মৎস্য কর্মকর্তা এই অভযানের মাধ্যমে ৩৫ টি অভিযান সম্পন্ন করেছেন বলে মৎস্য অফিস কতৃক জানাজায়।রবিবার অভিযানকালে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রন) বিধিমালা ১৯৯৭ (সংশোধিত বিধি মালা ২০০৮) এর বিধি ৫(২),৫(৪) ও ৫(৫) লংঘনের দায়ে মেসার্স ছাজিম ফিসকে ২৫,০০০/(পঁচিশ হাজার) টাকা ও একই অপরাধে ফড়িয়া মোঃ নূর ইসলাম (ইসমাইল পুর, বংশীপুর)-কে ১০,০০০/ (দশ হাজার) টাকা জরিমানা করেন মৎস্য কর্মকর্তা। এছাড়া মোট ৪৫ কেজি চিংড়ি কেরোসিন সহযোগে বিনষ্ট করেন। যার আনুমানিক মূল্য ৩৬,০০০/(ছত্রিশ হাজার) টাকা। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের সহকারী মৎস্য অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম, ক্ষেত্র সহকারী জিএম আনিসুর রহমান ও সুরুজ মিয়া। মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “মৎস্য চাষীদের স্বার্থে এবং দেশের সুনাম অক্ষত রাখতে আমার এ অভিযান অব্যহত থাকবে।”
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৪নং ঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার বিকালে ৪নং ঘোনা ইউনিয়ন পরিষদে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করেন ৪নং ঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান। ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরে ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৬ হাজার ৭শ’৪০ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। বাজেট পেশকালে ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, আমি ঘোনা ইউনিয়নবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করছি। আমার ইউনিয়নের নাগরিকদের উন্নয়ন ও রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমার ইউনিয়নের নাগরিক সেবা দিতে ইউনিয়নের সব রাজস্ব দিয়ে ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহায়তা নিয়ে এসে আমার ইউনয়নকে একটি মডেল ইউনয়নে পরিনত করতে চাই। এ জন্য তিনি ইউনিয়নবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য তাসলিমা খাতুন, রাবেয়া পারভীন, মো. আবুল বাসার, মো. সাঈদ আনোয়ার, মো. আব্দুল করিম, স্বপন কুমার বিশ্বাস, ভৈরব চন্দ্র ঘোষ, মো. শাহিনুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. গোলাম রব্বানীসহ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও অসংখ্য নাগরিক।
শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী আ. লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হককে বাংলাদেশ আ. লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগীয় উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দিলেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উপ-কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ডা. আ ফ ম রুহুল হক। ডেইলি সাতক্ষীরাকে তিনি বলেন, ”নেত্রী আামকে কাজের স্বীকৃতি দিয়েছেন, আমার প্রতি আস্থা রেখেছেন এজন্য আমি তার নিকট চিরকৃতজ্ঞ। একই সাথে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমার নির্বাচনী এলাকা সাতক্ষীরা-৩ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণ, আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠন সমূহের নেতা-কর্মীদের প্রতি। আগামিতে সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়নে সকলকে পাশে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথে এই দায়িত্ব আমাকে প্রেরণা জোগাবে।”
হাসান হাদী : আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেছেন, সমাজের অবহেলিত মানুষের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে চাই। সব ধর্ম-বর্ণেও মানুষের দুঃখ-কষ্টের সাথী হয়ে থাকতে চাই। আমি সকল অবহেলিত মানুষের পাশে আগেও ছিলাম এখনোও থেকে মানুষের ভাগ্যও উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আপনাদের সঙ্গে দেখা করে, দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত। আগামী দিনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই। আমি মানুষের সেবা করার মাঝেই প্রশান্তি খুঁজে পাই। বঞ্চিত মানুষের দুঃখের সাথী হতে পারাটাই প্রকৃত মানব সেবা।
শনিবার (২৭ মে) সকালে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা, ভাড়াশিমলা, কারবালা, খারহাট, ব্রজাপাটুলিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন এলাকায় তৃণমুল মানুষের খোঁজ খবর নেওয়া মুহুর্তে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এসময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. আসাদুর রহমান সেলিম, তারালী ইউপি সদস্য মো. এনামুল হোসেন ছোটসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আফজাল হোসেন জানান, রন্ধনবিশেষজ্ঞ কেকা ফেরদৌসীর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় ইফতার নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ভিম মনোহর ইফতার’-এর অতিথি হিসেবে পাওয়া যাবে তাকে। যে অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, সাহিত্যিক-নাট্যকার ইমদাদুল হক মিলনসহ দেশের বেশিরভাগ তারকারাও।