সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু

444444ডেস্ক রিপোর্ট : ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে প্রস্তুত হচ্ছেন আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের নভেম্বরের প্রথমে তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষভাগে নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করছে  নির্বাচন কমিশনও। সেই অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির জোর প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইত্তেফাককে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দশম সংসদের মেয়াদ শেষের ৯০ দিন আগে নির্বাচন করতে হবে। সেই হিসাবে আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসকে টার্গেট করে নির্বাচনের প্রস্তুত গ্রহণ করা হচ্ছে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে পুনরায় সরকার গঠনের সুযোগ পায়। নির্বাচিত সংসদের মেয়াদ হয় সংসদ সদস্যরা শপথ নেয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করা হয়। সেই হিসাবে বর্তমান সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হবে ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারি। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারির পূর্বের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা আছে। সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

এদিকে, সাতক্ষীরার চায়ের দোকানে, হাঁটে-বাজারে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারা হবেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থ তা নিয়ে। ইন্টারনেট তথা অন্তর্জালেও আগামী নির্বাচনে সাতক্ষীরা’র কোন আসনে কে আ. লীগের প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়ে রীতিমত আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আ. লীগ দলীয়ভাবে নিয়মিত মাঠ জরিপ করছে। সরকারও তার বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নিকট থেকে মাঠ পর্যায়ে প্রার্থীদের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন নিচ্ছে নিয়মিত। কোন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কেমন, ভাবমূীর্ত কেমন, জনগণের সাথে, দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ কেমন ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়গুলো কেন্দ্র জেনে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।
আ. লীগ প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন আগামী নির্বাচনে তিনি কেমন প্রার্থীদের নমিনেশন দিতে চান।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলার ০৪টি আসনে ১৯জন সম্ভাব্য প্রার্থীর সম্পর্কে, তাদের জনপ্রিয়তা ও গতিবিধি সম্পর্কে নিয়মিত খবারখবর নিচ্ছেন। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এসব প্রার্থীর কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে। জনসমর্থনে যার অবস্থান সবচেয়ে ভালো হবে তিনিই হয়ত পাবেন একাদশ নির্বাচনের মনোনয়ন।
গত নির্বাচনে ০৪টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ০৩টি আসনে। বাকি আসনটিতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। স্বতন্ত্ররাও এবার নৌকায় উঠেছেন।
এবার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে প্রচার-প্রচারণাও। ডেইলি সাতক্ষীরা সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন পড্রকাশের কাজ শুরু করেছে। আজ থাকছে জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা।

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া)

সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, সাবেক এমপি ও সাবেক কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বিএম নজরুল ইসলাম, সাবেক এমএলএ শহীদ স ম আলাউদ্দিনের মেয়ে ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ নুরুল হক, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, জেলা আ. লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ এর কেন্দ্রীয় নেতা সরদার মুজিব।

সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর)

জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন।

সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালীগঞ্জের চারটি ইউনিয়ন)

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী,  দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ, নর্দান ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. ইউসুফ আবদুল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের আটটি ইউনিয়ন)

শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম জগলুল হায়দার এমপি, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শফিউল আযম লেলিন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী।

আ.লীগ নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটাররাও সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। এসব প্রার্থীরা যে যার মত করে নিজেদের নির্বাচন করার আগ্রহের কথা কেন্দ্রকে জানান দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।এখন দেখার অপেক্ষার করিা পান আগামী নির্বাচনের নৌার টিকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-20141নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ৫৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় ৮০ কেজি কিচমিস, ১ কেজি একশো গ্রাম গাঁজা ও ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ১০ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৮ জন, দেবহাটা থানা ০৯ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খুলনা বিভাগে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

BGliM8_bangladeshচ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হতে চলেছে দুই প্রতিবেশী – ভারত এবং বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মূলধারার গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যম – দুই জায়গাতেই এই দুই দেশের ম্যাচ নিয়ে গোটা উপমহাদেশেই ব্যাপক চর্চা হয়ে থাকে।

এই সেমিফাইনাল ম্যাচ নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই চর্চা চলছে।
একদিকে যেমন ক্রিকেট লিখিয়েরা বিশ্লেষণ করছেন গণমাধ্যমে, যেখানে ভারতকে শক্তিশালী দল হিসাবে দেখানো হলেও বাংলাদেশ সাম্প্রতিক কালে যেসব ইন্দ্রপতন ঘটিয়েছে, উল্লেখ থাকছে সেগুলোরও।

অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে গত কয়েকবারের মতোই এবারও শুরু হয়েছে একে অপরকে ব্যঙ্গ করা এবং কুকথা বলা।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত খেলতে যাওয়ার পর থেকেই সংবাদমাধ্যমে ম্যাচ রিপোর্ট বা বিশ্লেষণ তো থাকছিলই, কিন্তু বেশী গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল – এমন কি অনেক সময়ে প্রথম পাতাতেও জায়গা করে নিচ্ছিল ভারতের কোচ আর ক্যাপ্টেন – কুম্বলে এবং কোহলির মনোমালিন্য।

সংবাদসংস্থা আই এ এন এসের পূর্ব ভারতের সম্পাদক ও সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক শীর্ষেন্দু পন্থ বলছিলেন, “বৃহস্পতিবারের ম্যাচটাকে একটা মহারণ হিসাবেই দেখছে ভারতের সংবাদমাধ্যম। ভারত ইংল্যান্ডে খেলতে যাওয়ার পর থেকেই কুম্বলে বনাম কোহলির খবরই বেশী দেখা যাচ্ছিল। ”

“কিন্তু গত কয়েকদিনের সংবাদপত্রে দেখা যাচ্ছে যে বৃহস্পতিবারের ম্যাচের ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণই বেশী থাকছে। ফেভারিট হিসাবে অবশ্যই নিজের দেশকেই দেখাচ্ছে ভারতের মিডিয়া, কিন্তু বাংলাদেশের সাফল্যগুলোকেও খুবই গুরুত্ব দিয়ে লেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের কাছে ভারতের সিরিজ পরাজয়, বা গতবছর টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপে একরানের জয় – এসব তথ্যও দেওয়া হচ্ছে। ”

ভারত আর বাংলাদেশ – দুই দল কে কোথায় সবল, কোথায় তাদের দুর্বলতা সেগুলো যেমন থাকছে বিশ্লেষকদের কলমে, তেমনই উল্লেখ করা হচ্ছে যে বাংলাদেশ বিগত বছরগুলিতে যেভাবে দ্রুত উন্নতি করেছে, কবে কীভাবে কাকে হারিয়ে ইন্দ্রপতন ঘটিয়েছে, সেইসব তথ্যও।

প্রবীণ ক্রীড়া সাংবাদিক জয়ন্ত চক্রবর্তী বলছিলেন, “ভারতের গণমাধ্যমে যেসব বিশ্লেষণ বেরচ্ছে বৃহস্পতিবারের ম্যাচ নিয়ে, তার মধ্যে অনেকগুলোই লিখছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। শক্তির দিক থেকে ভারতকে তাঁরা এগিয়ে রাখছেন বটে কিন্তু বাংলাদেশকে কেউ রাইট-অফ করে দিচ্ছেন না। ”

“লেখকরা মোটেই বাংলাদেশকে হীনবল বলে মনে করছেন না। তারা লিখছেন যে ভারত যদি আত্মতুষ্টিতে ভোগে, তাহলে কালকের ম্যাচ বার করা কঠিন। বাংলাদেশের পোটেনশিয়ালের কথা সকলেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন বার বার। ”

মূল ধারার গণমাধ্যমে যখন ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণ চলছে, তার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে মূলধারার মাধ্যমেও ব্যঙ্গ করার মতো খবরও বেরচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে প্রচুর শেয়ার হওয়া একটি ব্যঙ্গচিত্র – যেখানে একটি বাঘ একটি কুকুরকে তাড়া করছে দুই দেশের পতাকা নিয়ে বলে দেখানো হয়েছে, সেটির সমালোচনাও বেরিয়েছে আজকের জাতীয় কয়েকটি দৈনিকে।

সামাজিক মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশের ম্যাচের আগে বা পরে সমর্থকদের মধ্যে যে ব্যঙ্গ করা ও একে অপরকে কটু কথা বলার চল, সেটা শুরু হয়েছে কয়েক বছর ধরে।

সামাজিক মাধ্যমের ওপরে নজর রাখেন কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিউটের শিক্ষক গর্গ চ্যাটার্জী।

তিনি বলছিলেন, “ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করা বা কটু কথা তো বলা হচ্ছেই কয়েক বছর ধরে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে ঠিক কী কী বলা হয় সামাজিক মাধ্যমে। একদিকে যেমন ইন্ডিয়া নামটিকে বিকৃত করে লেখা হয় বাংলাদেশের দিক থেকে, তেমনই ওদেশের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়াকে কটূক্তি করে বাংলাদেশের নামও বিকৃত করে অনেক ভারতীয়রা। ”

“এই সব মন্তব্য বা ছবি বা কার্টুন একটা নোংরা দিকে চলে যায় একেক সময়ে – একে অপরের নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে, গরীবের প্রতি ঘৃণা, নারীদের প্রতি ঘৃণা – সেগুলোর সঙ্গে যৌনতা মেশানো কমেন্ট করা হয়। তার সঙ্গে অবশ্যই সাম্প্রদায়িক এবং ধর্মীয় প্রসঙ্গও চলে আসে। ”

“আসলে এই উপমহাদেশের তিনটে দেশই তো সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে, তাই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে রাজনীতির ক্ষেত্রে যেমন, তেমনই রাষ্ট্রীয় স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলোর সময়েও ওই ধরনের মন্তব্য আসে। খেলার সময়ে যেসব কটূক্তি করা হয়, সেগুলোকে তাই আলাদা করে দেখলে হবে না,” বলছিলেন মি. চ্যাটার্জী।

বর্ষীয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক জয়ন্ত চক্রবর্তীরও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এইসব ব্যঙ্গ চিত্র বা কটু কথা নজর এড়ায় নি।

তিনি বলছিলেন, “একটা সিনেমা বা থিয়েটার হলে কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখে অনেক দর্শক পয়সা ছোঁড়ে বা সিটি বাজায়। এই যারা সামাজিক মাধ্যমে কটু কথা বলতে থাকে খেলার সময়ে, বা খারাপ কার্টুন শেয়ার করে, তাদের আমি ওই সিটি বাজানো দর্শকদের পর্যায়ে ফেলি। এরা না বোঝে খেলা, না বোঝে দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক, না বোঝে ক্রীড়া বা সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের ইতিবাচক দিকগুলো। এরা সস্তা জনপ্রিয়তা আর উন্মাদনা খোঁজে। ”

ভারত-বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে যাই চলুক না কেন, মাঠে দুই দলই যে বেশ চাপে থাকবে, সেটাও লেখা হচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের মাঠ যদিও ভারতের পক্ষে পয়মন্ত, কিন্তু বৃহস্পতিবার দুই দলের মধ্যে যে সেই চাপ সহ্য করতে পারবে, সেই সফল হবে।

সূত্র:- বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

VBKRA8_2বার্মিংহামের এজবাস্টনে আজ অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনাল। ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হবে এটি। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়ে গিয়েছে দুই দলের কথার লড়াই। সব মিলিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে ম্যাচটি ঘিরে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ চারজন পেসার নিয়ে খেলেছিল। তবে আজ একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নিয়ে মাঠে নামতে পারে টাইগাররা। সেক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজের একাদশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

তার আগে চলুন দেখে নেওয়া যাক ভারতের বিপক্ষে কেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ :

১. তামিম ইকবাল
২. সৌম্য সরকার
৩. সাব্বির রহমান
৪. মুশফিকুর রহিম
৫. সাকিব আল হাসান
৬. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
৭. মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত
৮. তাসকিন আহমেদ/মেহেদী হাসান মিরাজ
৯. মাশরাফি বিন মুর্তজা
১০. রুবেল হোসেন
১১. মুস্তাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

HYyeQu_mustaকাটার মাস্টার মুস্তাফিজের বর্তমান সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। কারণ তার এখন হচ্ছে না সেই কাটার-স্লোয়ার, আসছে না পারফেক্ট ইয়র্কার। হারিয়ে গেছে সেই গতিটাও। পাশাপাশি তার ফর্ম নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা-সমালোচনা। তবে দ্রুতই এই খারাপ সময়টা থেকে বের হয়ে আসতে চান দেশের ক্রিকেট প্রেমী এই উজ্জ্বল তারকা।

বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে নামার আগে মুস্তাফিজ জানালেন, তিনি নিজের সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘দেশের মাঠে আমার কাটারগুলো বেশি ভালো হয়। তবে এখানে সেগুলো কাজ করছে না। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে।’

কাটার মাস্টার গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ সম্পর্কে আরো বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে জিততে হলে আমাদের সেরাটাই দিতে হবে। ‘সত্যি কথা বলতে কি, দল সেমিফাইনালে উঠেছে, এতে আমরা খুবই খুশি। খেলোয়াড়রা প্রত্যেকে নিজেদের জায়গা থেকে ভালো করেছে বলেই তা সম্ভব হয়েছে। আমরা সেমিতে ভারতকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছি। দলের সবাই ফুরফুরে মেজাজে আছে। আশা করছি সেমিতেও আমরা ভালো কিছু করতে পারব। ‘

আজ (বৃহস্পতিবার) এজবাস্টনে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IAqbkp_144619Jharna2পেটের সন্তানকে বিক্রি করতে পারে মা? সেই জন্মদাতা মা সন্তানদের বিক্রি করেই শখ মিটিয়েছে। প্রথমবার যখন সদ্যোজাত মেয়ে মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন, তার দিন কয়েকের মধ্যে ঝর্নার বাড়িতে রান্নার গ্যাসের সংযোগ এসেছিল। দ্বিতীয় বার ‘পেটে পানি জমেছে’ জানিয়ে যখন ‘পানি বের করতে’ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তার পর তাদের বাড়িতে নতুন বাইক ঢুকেছিল।

এভাবেই এক-এক বার এক-একটি ‘শখ পূরণ’ করেছেন কলকাতার দাস দম্পতি। এর বেশির ভাগটাই সন্তান বিক্রির টাকায় হয়েছে বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন তাদের আত্মীয়রা।
আর এতেই তাজ্জব বনে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। তাদেরও প্রশ্ন, কীভাবে নিজেদের সন্তানদের একের পর এক বিক্রি করে দেওয়া সম্ভব? আর কীভাবেই বা সম্ভব তার পরও এমন নির্বিকার থাকা?

পুলিশ জানায়, প্রায় রোজই বিকেলের দিকে লালবাজার থেকে ঝর্না-সঞ্জীব এবং গ্রেপ্তার হওয়া বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হচ্ছে। দম্পতির মুখ থেকে বিক্রি হওয়া বাচ্চার সংখ্যা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারী অফিসাররা। তাদের বক্তব্য, একবারও বিক্রি হওয়া ছেলে-মেয়েরা কেমন আছে, তা জানতে চাননি ওই বাবা-মা। এমনকি, হোমে থাকা দুই ছেলে তাদের অনুপস্থিতিতে কেমন আছে, সেই প্রশ্নও করেননি। মঙ্গলবার পুলিশ ঝর্নার জা, শাশুড়ি এবং পরিবারের আরও কয়েকজনকে জেরা করে। তাদের কাছ থেকেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

প্রশ্ন উঠেছে, একের পর এক সন্তান বিক্রি করার পরেও বাবা-মায়ের পক্ষে এমন নির্লিপ্ত থাকা কি কোনো গুরুতর মানসিক ব্যাধি? মনোরোগ চিকিৎসক অনিরুদ্ধ দেব মনে করেন, সমস্যাটা মানসিক নয়, বরং সামাজিক। তিনি বলেন, সামাজিক কোনও প্রতিবন্ধকতাই হয়তো এ ক্ষেত্রে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। অনেক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার এখনও কন্যা সন্তানকে স্বাভাবিক ভাবে স্বীকার করতে পারে না। ফলে মেয়ে অন্য পরিবারে গেলে ভালো থাকবে, এই চিন্তার পাশাপাশি হাতে কিছু টাকা আসার চিন্তাও কাজ করে। এই ধরনের ঘটনা খুব বেশি সামনে না এলেও গোপনে অনেক কিছুই ঘটে বলে জানিয়েছেন মনোবিদরা।

গত ২ জুন মানিকতলার ওই দম্পতির এক আত্মীয় পুলিশের কাছে বাচ্চা বিক্রির অভিযোগ দায়ের করার পরেই পুলিশ তদন্তে নামে। প্রথমে মালদহে আড়াই মাসের শিশুপুত্রের খোঁজ মিললে তাকে উদ্ধারের পাশাপাশি সেই দম্পতিকে আটক করে কলকাতায় আনা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। পরে ৪ জুন বড়তলা থানার দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রিটের এক যৌনকর্মীর বাড়ি থেকে দেড় বছরের এক শিশুকন্যাকে উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় ওই যৌনকর্মী তরুণীকেও।

জেরায় ওই যৌনকর্মী জানান, দেবজিৎ শেঠ নামে এক যুবক তার কাছে ওই শিশুটিকে এনেছেন। তবে অভিযুক্ত মা ঝর্নার দাবি, তিনি তার কন্যাসন্তানকে রত্না নামে এক মহিলার কাছে দিয়েছিলেন। সেই মহিলা যে মেয়েটিকে সোনাগাছির মতো জায়গায় বিক্রি করেছেন, তা তিনি জানতেনই না!

এ দিন সোনাগাছির বাসিন্দা ওই তরুণীর ঠিকানায় গিয়ে জানা গেল, তিনি আপাতত পুলিশি হেফাজতে রয়ে‌ছেন। পুলিশ জানিয়েছে, আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত তাকে পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার ভাড়া নেওয়া একতলার ঘরটি বন্ধই পড়ে রয়েছে। তবে ওই তরুণীর এক দিদির সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তার বোন কন্যাসন্তানটিকে ‘দত্তক’ নিয়েছিলেন। কিন্তু বছর তেইশের তরুণী হঠাৎ করে কেন কন্যাসন্তান দত্তক নিলেন, সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। সূত্র : আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ICX15f_rap44২৫ বছরের এক অঙ্কের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তিন নাবালক ছাত্রের সঙ্গে আপত্তিজনক যৌন সম্পর্ক তৈরির অভিযোগ উঠল। অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষিকাকে আটক করেছে পুলিশ। ধৃত এরিন ম্যাকঅলিফ উত্তর ক্যারোলিনার রকি মাউন্টেন প্রিপ্যারাটরি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরই সহকর্মীরা। গ্রেপ্তারির পর ওই স্কুল থেকে পদত্যাগ করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা।

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত শিক্ষিকা স্কুলেরই ১৬ বছরের তিন ছাত্রের সঙ্গে আপত্তিজনক যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। ওই ছাত্রদের নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষিকা। সেখানেই তাদের সঙ্গে মিলিত হন। ওই ছাত্রদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। স্কুলের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ছাত্ররা পুলিশি তদন্তে সবরকমভাবে সাহায্য করছে। মিস ম্যাকঅলিফকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। আপাতত ২০ হাজার পাউন্ডের ব্যক্তিগত বন্ডে তিনি জামিন পেয়েছেন। আগামী সপ্তাহে তাঁকে ফের আদালতের সামনে হাজির হতে হবে।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর রকি মাউন্টেন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ড্যাভন স্টিল জানিয়েছেন, স্কুলের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরাই সবসময় ছাত্রদের পাশে থেকেছেন। সেই স্কুলে এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটতে পারে, ভাবাই যায় না। বিশেষত একজন শিক্ষিকা কী করে তাঁর ছাত্রদের সঙ্গে এমন আপত্তিজনক সম্পর্ক তৈরি করেন, সেটাও অবিশ্বাস্য বলে মনে করেন ওই প্রাক্তন ছাত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

TdaMDH_obaydulচলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে সারাদেশে মোট ৯২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮৮৮ জন নিহত এবং ৭১৬ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

১৪জুন বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের এমপি বেগম পিনু খানের প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকার রাস্তায় গত এক বছরে এক লাখ ১০ হাজারের বেশি গাড়ি। চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) ঢাকা মহানগরীতে এক লাখ ১০ হাজার ১৮টি গাড়ির নিবন্ধন দেয়া হয়েছে এবং সর্বশেষ ৩১ মে পর্যন্ত তথ্যানুযায়ী, রাজধানীতে নিবন্ধিত গাড়ির সংখ্যা ১১ লাখ ২৫ হাজার।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) ৯২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮৮৮ জন নিহত ও ৭১৬ জন আহত হয়েছেন।

সংরক্ষিত আসনের আরেক সদস্য দিলারা বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৭ সালে পরিবার প্রতি গাড়ির সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণের বিধান থাকছে।

সরকার দলীয় এমপি দিদারুল আলমের (চট্টগ্রাম-৪) অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে, এটি ঠিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের বাস্তবধর্মী পরিকল্পনায় সড়ক দুর্ঘটনা উত্তরোত্তর হ্রাস পাচ্ছে। পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪২৭টি। যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৬৬টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest