সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

xfull_342931762_1493436752.jpg.pagespeed.ic.BCB_fnuoODডেস্ক: দলকে সংগঠিত করতে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য আগাম মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন, অন্তঃকোন্দল নিরসন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির কাজ একসঙ্গে চালাচ্ছেন তারা।

বিভেদ নিরসনের জন্য গত এক সপ্তাহে পাঁচটি জেলার শীর্ষ নেতাদের ঢাকায় ডেকে এনে বৈঠক করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। এর বাইরে দুই দলে ভাগ করে ঢাকা ও এর আশপাশের সাতজন দলীয় সাংসদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ওবায়দুল কাদের। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম ও সিলেটে গিয়ে বিবদমান পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে দলের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সময়ের আগে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়লেও যাতে দল প্রস্তুত থাকে—আগাম নির্বাচন প্রস্তুতি শুরুর এটাও একটা লক্ষ্য। এ ছাড়া বিএনপিকেও বিভ্রমে ফেলতে চায়, যাতে বিএনপি নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আন্দোলনের চিন্তা করবে, নাকি ভোটের প্রস্তুতি নেবে, সেটা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি, তাতে সবকিছু সরকারি দলের নিয়ন্ত্রণেই আছে। বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থাও খুবই দুর্বল। তারপরও আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটা শঙ্কা রয়েছে। সেটা হলো, বিএনপি নির্বাচনে এলে শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা যাবে কি না। যার কারণে আগেভাগে দলকে প্রস্তুত করার পাশাপাশি ইসলামিক দল ও সংগঠনগুলোর মন জয় করার চেষ্টাও করছে সরকার, যাতে ধর্মীয় গোষ্ঠীকে বিএনপি ব্যবহার করতে না পারে।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষে নির্বাচন হলে এখনো সময় বাকি প্রায় পৌনে দুই বছর। অবশ্য গত ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন জেলা সফরে গিয়ে ভোট চাইছেন। একই সময় থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সারা দেশে কর্মিসভা, প্রতিনিধি সভা ও রাজনৈতিক সভা সমাবেশ করছেন। ২৩ এপ্রিল থেকে কুমিল্লা, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও নীলফামারী জেলার নেতাদের ঢাকায় এনে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে তৎপর এমন একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন হলে জয় পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। সর্বশেষ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে পাঁচটি সিটি করপোরেশনে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হন। এরপর জাতীয় নির্বাচন বিএনপি জোট বর্জন করার কারণে আওয়ামী লীগকে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হয়নি।

ওই নেতা আরও বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর পাঁচ পর্বের উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি জোট অংশ নেয় এবং প্রথম দুই পর্বের ফলাফলে তারা এগিয়ে থাকে। পরের পর্বগুলোতে ‘যেকোনো মূল্যে এগিয়ে যাওয়ার’ কৌশল নেয় আওয়ামী লীগ। গত দুই বছর পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও একই পন্থা অবলম্বন করা হয়। তবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারি প্রভাব ছাড়াই জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই অবস্থায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কতটা ভালো ফল করতে পারবে, তা নিয়ে কিছু দুচিন্তা আছে।

আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ও সাংসদের মতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে হতে পারে তাদের। তারা নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে বলেন, বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের সাংসদের সংখ্যা ২৩৪। ১৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। ওই নির্বাচনে যে ১৪৭টি আসনে ভোট হয়েছে, তাতে সব দল মিলিয়ে প্রার্থী ছিলেন ৩৯০ জন। ফলে বৈধ ভোটের ৭২ শতাংশের বেশি আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র সাংসদেরা মিলে পেয়েছেন ১৫ শতাংশ। আগামী নির্বাচন এমনটা না-ও হতে পারে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘আমরা নিরঙ্কুশ বিজয় চাই। এ জন্যই আগেভাগে প্রস্তুতি শুরু করেছি। আমরা যে উন্নয়ন করেছি, এগুলো মানুষকে জানাতে সময় দরকার। আমরা আমাদের অবস্থান সুসংহত করার জন্য কাজ করছি।’

এদিকে ঘর গোছানোর মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতির প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে আওয়ামী লীগের সাংসদদের অনেকের মধ্যে বাদ পড়ার আতঙ্ক কাজ করছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতা, সাংসদ ও মনোনয়ন বোর্ডের একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৫০ জনের বেশি বর্তমান সাংসদ আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, সংখ্যাটা ৭০ ছাড়িয়ে যাবে। এই অবস্থায় সাংসদদের মধ্যে কে থাকছেন, আর কে বাদ পড়ছেন, সেই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে দলের নেতাদের মধ্যে।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে ঢাকার মিরপুরের তিন সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদার, আসলামুল হক ও ইলিয়াস মোল্লাহকে নিয়ে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত মঙ্গলবার ঢাকার আশপাশের চারজন সাংসদকে নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।
এসব বৈঠক আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বৈঠকে অংশ নেওয়া সাংসদদের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী কে হতে পারেন, দলে আর কেউ মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন কি না এবং সাংসদের সঙ্গে দলের নেতাদের দূরত্ব কতটুকু—এগুলোই মূলত জানার বিষয় ছিল।

মঙ্গলবারের বৈঠকে অংশ নেওয়া সাভারের সাংসদ এনামুর রহমান বলেন, বৈঠকে অংশ নিয়ে তার মনে হয়েছে, তিনি ভবিষ্যতেও মনোনয়ন পাবেন। ছোটখাটো ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। ধামরাইয়ের সাংসদ আবদুল মালেক বলেন, কে বাদ যাবে আর কে থাকবে, সেটা তো এখনই বলার সময় আসেনি। তবে দল থেকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তিনি ঢাকা-২ আসনের (কেরানীগঞ্জ ও সাভারের একাংশ) সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। সেখানে কার কী সমস্যা, তা জেনেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। এর মধ্যে মনোনয়নের কোনো বিষয় নেই।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনেও ৬ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৯ জন বাদ পড়েছিলেন। তাদের কেউ কেউ বাদ পড়েন বয়সের কারণে। কারও কারও বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির অভিযোগ। আগামী নির্বাচনেও কিছু প্রবীণ নেতা মনোনয়ন না-ও পেতে পারেন। আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কোনো রকম বড় অপারেশনে না গেলেও নির্বাচনে আগেরবারের ১৫-২০ শতাংশ মন্ত্রী-সাংসদ বাদ পড়ে যান। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনটি যেহেতু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়নি, তাই আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে হলে বড় অপারেশনই চলতে পারে।’

দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, ভবিষ্যতে মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন জরিপ-সমীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এ জন্য ইতিমধ্যে কয়েকটি জরিপ করা হয়েছে, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় পরপর জরিপ-সমীক্ষা চলবে। ফলে সাংসদদের অনেকে উদ্বেগে আছেন। অনেকে নিজ এলাকায় যাওয়া বাড়িয়েছেন।

ময়মনসিংহ জেলার একজন সাংসদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিরোধী দল মাঠে নেই। তাই সরকারি দলের কিছু কিছু নেতা-কর্মী বেপরোয়া হয়ে যান, যার দায় সংশ্লিষ্ট সাংসদের ওপরই পড়ছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন ঠিক করার ক্ষেত্রে দল জনপ্রিয়তা ছাড়া আর কী কী বিষয় বিবেচনায় নেবে, সেটা বুঝতে পারছেন না। ফলে কিছুটা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আছে। তবে এখনো কাটিয়ে ওঠার সময় আছে বলে তিনি মনে করেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের একজন সাংসদ বলেন, তিনি এখন এলাকাতেই বেশি থাকছেন। কিন্তু দলীয় কোন্দল একটা বড় সমস্যা। তিনি বলেন, জরিপ-সমীক্ষা সব সময় ঠিক হয় না। এ কারণে তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছেন।

জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের গত রোববার বলেন, মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, দলের সবাইকে নিয়ে কাজ করার ক্ষমতা ও জনপ্রিয়তা বিবেচনায় নেওয়া হবে। অনেককেই উন্নতি করার জন্য বলা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নতি করতে না পারলে বাদ যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1256737663_1493439690.jpg.pagespeed.ic.0YWHpgO-d-ডেস্ক: বর্তমানে সকলেই রেস্তোরাঁয় খেতে চায়। কারণ রেস্তোরাঁর খাবারের স্বাদই আলাদা। কিন্তু রেস্তোরাঁর স্বাদ যদি ঘরে তৈরি খাবারে আনা যায় তবে তো কথাই নাই। নানরুটি অথবা পরোটার সাথে যে কোনো চাপ বেশ ভালো মানিয়ে যায়। চলুন জেনে নেয়া যাক রেস্তোরাঁর স্বাদের চিকেন চাপ কিভাবে ঘরেই তৈরি করা যায়।

উপকরণ:
১ কেজি মুরগির মাংস (বড় আকৃতিতে কাটা), ১ কাপ টকদই, ১টি বড় পেঁয়াজ, ১.৫ টেবিল চামচ রসুন বাটা, ১ চা চামচ আদা বাটা, ২ টেবিল চামচ কাশ্মিরি মরিচ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, ১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ পোস্তদানা, ১৫ টুকরো কাজুবাদাম, ৪টি এলাচ, ১ ইঞ্চি দারুচিনি, ৪টি লবঙ্গ, জয়ত্রি, ১টি তারা মৌরি, লবণ, চিনি, তেল, গোলাপ জল।

প্রণালী:
১। এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, জয়ত্রি এবং তারা মৌরি কিছুটা ভেজে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে গুঁড়ো করে নিন।

২। একটি বড় প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে এতে পেঁয়াজ দিয়ে বাদামী না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এটি কিছুটা ঠান্ডা হয়ে এলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন।

৩। পোস্তদানা এবং কাজুবাদাম আধা কাপ পানিতে ভিজিয়ে নিন। এটি ব্লেন্ডারে পেস্ট তৈরি করুন।

৪। এবার একটি পাত্রে মুরগির টুকরো, টকদই, লবণ, চিনি, পেঁয়াজের পেস্ট, রসুন বাটা, আদা বাটা, কাশ্মিরি মরিচ গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো এবং পোস্তদানা, কাজুবাদাম বাটা দিয়ে মেরিনেট করতে দিন ৪ থেকে ৬ ঘন্টা। আপনি এতে এক চিমটি কর্ন ফ্লাওয়ার অথবা ময়দা মেশাতে পারেন।

৫। চুলার প্যানে তেল বা ঘি গরম হয়ে এলে এতে মেরিনেট করা মুরগির টুকরোগুলো দিয়ে দিন। মুরগির মাংসগুলো কিছুক্ষণ নাড়ুন এরপর এতে মেরিনেট করা মশলা দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মুরগির মাংসটি মাঝারি আঁচে কয়েক মিনিট রান্না করুন।

৬। মাংস রান্না হয়ে এলে এতে আধা চা চামচ থেকে এক চা চামচ পর্যন্ত গরম মশলা, কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল দিয়ে নাড়ুন। তারপর নামিয়ে ফেলুন।

৭। ব্যস তৈরি হয়ে গেলো মজাদার চিকেন চাপ। রুটি বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন চিকেন চাপ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tonushree20170427175549কলকাতার আলোচিত নির্মাতা অরিন্দম শীল পরিচালিত নতুন ছবি ‘দুর্গা সহায়’। ছবিটি দেশটির নানা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার (২৮ এপ্রিল)। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন তনুশ্রী চক্রবর্তী।

ছবির মুক্তি উপলক্ষে তনুশ্রী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় কলকাতার একটি পত্রিকায় তিনি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানে ছবিতে তার চরিত্র নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। সেখানে তিনি নিজের বাস্তব জীবনের প্রেম নিয়ে কথা বলেন।

তনুশ্রী বলেন, ‘আমার কোনও বয়ফ্রেন্ডই নেই এই মুহূর্তে। সত্যি! আমি এখনও সিঙ্গেল। আসলে আমার মনে হয় বয়ফ্রেন্ড থাকলে অনেক ঝামেলা।’

এই অভিনেত্রী নিজের চরিত্র নিয়ে আরও বলেন, ‘আমি ‘দুর্গা সহায়’ ছবিতে মানসী নামে একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। যে একটি বাড়ির ছোট বউ। ভালবাসা দিয়ে বাড়ির সব মানুষকে পরিবর্তন করে। পরে আমার রূপটা দুর্গার অন্নপূর্ণা রূপ নেয়।’

আরও বলেন, ‘এই গল্পে আমি সেকেন্ড লিড চরিত্রে অভিনয় করেছি। যেটা গল্পে অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করছে।’

এই অভিনেত্রীকে অফার দেয়া হয়েছিল সুপারহিট ‘রাজকাহিনী’ ও ‘বেলাশেষে’ ছবিতেও। কিন্তু তিনি চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় অভিনয় করেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bahubali20170429102800শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) ভারতসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে মুক্তি পেয়েছে চলতি বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বাহুবলি-টু’। সিনেমাটিকে ঘিরে দর্শকের উন্মাদনার যেন শেষ নেই। বাহুবলি-দ্য বিগিনিং সিনেমায়, কাটাপ্পা কেন বাহুবলিকে হত্যা করেছিলেন তার উত্তর জানতে কৌতূহলী দর্শক। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনছেন তারা। আর এই লম্বা লাইনের খেসারত দিতে হচ্ছে ভারতের কিছু আঞ্চলিক ভাষার ছবিকে।

এবার বাহুবলীর খপ্পরে পড়েছে ভারতের শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবির ক্যাটাগরিতে জাতীয় পুরস্কার পাওয় কৌশিক গাঙ্গুলীর ছবি ‘বিসর্জন’। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী জয়া আহসান।

রিলিজের প্রথম সপ্তাহেই ‘বিসর্জন’ এর আয় ৩০ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৬ টাকা, যেখানে মোটের উপর ২১২টি শো চলেছে এই কম বাজেটের ছবির। পরিচালকের দাবি, আঞ্চলিক ছবির নিরাপত্তা প্রয়োজন। প্রত্যেক সপ্তাহেই বলিউডের বিগ বাজেটের ছবি মুক্তি পায় এবং পাবে। কিন্তু যে ভাবে `বাহুবলী ২` প্রেক্ষাগৃহ দখল করছে, সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।

সারা দেশে রিলিজের জন্য `বাহুবলী-টু`  হিন্দিতেও ডাবিং করা হয়েছে। দেশব্যাপী ছবিটির পরিবেশন করছেন করণ জোহর। যদিও অভিনেতা বিনোদ খন্নার মৃত্যুর জন্য `বাহুবলী-টু` এর প্রিমিয়ার শো বাতিল করেছেন করণ জোহর।

বাহুবলী-টু এর জন্য ‘বিসর্জন’ এর অনেক শো বাতিল করা হয়েছে কলকাতার সিনেমাহলগুলো থেকে। পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় টুইটারে লিখেছেন, আমার ছবি ভাল ব্যবসা করছিল। ছুটির দিনগুলো ছাড়াও অন্যান্য দিনে প্রায় ৬০ শতাংশ প্রেক্ষাগৃহে `বিসর্জন` রমরমা ব্যবসা করেছে। ১৪ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই এক দিকে যে রকম সমালোচকদের নজর কেড়েছে, তেমনই বাণিজ্যিকভাবেও সফল হয়েছে আমার ছবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

NK_jago20170429050641উত্তর কোরিয়া আবারও শক্তিশালী ব্যালাস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রের (মিসাইল) পরীক্ষা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যে আবারও এ মিসাইলের পরীক্ষা চালানোর খবর শোনা যাচ্ছে।

শুক্রবার দিনগত মধ্যরাতে এ ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয় বলে বিবিসির খবরে জানানো হয়েছে। তবে এই ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লা কতদূর তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় বলে জানায় আন্তর্জাতিক এ সংবাদমাধ্যমটি।

দক্ষিণ কোরিয়ার মিলিটারি চিফ অব স্টাফ জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সকালে দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের উত্তরে পাইংগান প্রদেশের দক্ষিণ দিক থেকে ক্ষেপনাস্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হয়। তবে ক্ষেপনাস্ত্রটির ধরণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

তবে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি উত্তর কোরিয়া। এদিকে মার্কিন সরকারের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, ক্ষেপনাস্ত্রের এ পরীক্ষা সফল হয়নি।

পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষার কথা এমন সময় শোনা যাচ্ছে যখন ইউএস সেক্রেটারি রেক্স টিলারসন উত্তর কোরিয়ার ‘পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’র বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানালেন, ঠিক তখনই!

এর এক সপ্তাহেরও কম সময়ের আগে একটি ব্যর্থ মিসাইল পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। যদিও ওই সময় মার্কিন সেনাবাহিনী দাবি করে, উৎক্ষেপণের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেটি বিস্ফোরিত হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fbabd6b391adb66a1c28b50ca1545e0f-59035513904cdতিনজনই হাঁটবেন কানের আলো ঝলমলে লালগালিচায়। যদিও গত মাসে লরিয়াল প্যারিসের শুভেচ্ছাদূত হওয়ার পর থেকে গুঞ্জন চলছিল, এবারের কান উৎসবের লালগালিচায় হাজির হতে পারেন দীপিকা। তবে পরে গুজব ছড়ায়, ‘পদ্মাবতী’ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে কানে যাওয়া হচ্ছে না ৩১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর।
শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) লরিয়াল থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, দীপিকা পাড়ুকোন ও সোনম কাপুর এবার কান চলচ্চিত্র উৎসবে লরিয়াল প্যারিস ও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আয়োজকদের অফিসিয়াল মেকআপ পার্টনার হিসেবে দুই দশক পূর্তি হচ্ছে এ বছর। তাই ৭০তম আসরটি আমাদের কাছে বিশেষ।’
২০১০ সালে প্রথমবার কান উৎসবে গিয়েছিলেন দীপিকা। তবে লালগালিচায় এবারই প্রথম দ্যুতি ছড়াতে যাচ্ছেন তিনি। চলতি বছর ভিন ডিজেলের সঙ্গে ‘ট্রিপল এক্স: দ্য রিটার্ন অব জ্যান্ডার কেজ’ ছবির মাধ্যমে হলিউডে অভিষেক হয় তার।
এদিকে বলিউডে দীপিকা অভিনীত ‘রাবতা’ ছবির একটি গানের ভিডিও বেরিয়েছে সম্প্রতি। ইতোমধ্যে এটি ভাইরাল। তিনি এখন অভিনয় করছেন সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘পদ্মাবতী’ ছবিতে। এতে ছিত্তোরের রানী পদ্মিনী চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। তার বিপরীতে থাকছেন রণবীর সিং ও শহিদ কাপুর।বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও সোনম কাপুর দু’জনই লরিয়াল প্যারিসের শুভেচ্ছাদূত। সৌন্দর্য প্রসাধনী বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি হিসেবেই ৭০তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় হাঁটবেন তারাও।
প্রসঙ্গত, ঐশ্বরিয়া ২০০২ সাল থেকে কান উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। আর ২০১১ সাল থেকে কানের লালগালিচায় পা মাড়িয়েছেন সোনম।
এদিকে কানে হলিউড তারকাদের মধ্যে লরিয়াল প্যারিসের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে এবারও থাকবেন অভিনেত্রী জুলিয়ান মুর ও ইভা লঙ্গোরিয়া। আগামী ১৭ মে পর্দা উঠবে এবারের কান উৎসবের। চলবে ২৮ মে পর্যন্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

db46b18c014a3821234c953a1e681aa3-5903857db7881৮৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেন শন মার্শ, তবু পারলেন না কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে জেতাতে। শিখর ধাওয়ান, কেন উইলিয়ামসন ও ডেভিড ওয়ার্নারের হাফসেঞ্চুরিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিশাল লক্ষ্যটা যে পেরোতে পারেনি তারা। ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে হায়দরাবাদ ২০৭ রান করে কঠিন লক্ষ্যই ছুড়ে দেয় পঞ্জাবের দিকে। যে লক্ষ্যের পিছে ছুটতে গিয়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের দল নির্ধারিত ওভার শেষে করতে পারে ১৮১ রান। তাতে ২৬ রানের জয়ে তৃতীয় স্থানটা সুসংহত করল হায়দরাবাদ।

আবারও ব্যাট হাতে হায়দরাবাদকে দারুণ শুরু এনে দেন ধাওয়ান-ওয়ার্নার। পাঞ্জাবের মাঠে তারা উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ১০৭ রান। দুজনই পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। ২৭ বলে ওয়ার্নার খেলেন ৫১ রানের ইনিংস, যাতে ছিল ৪টি চার ও সমান সংখ্যক ছয়ের মার। ধাওয়ান ছাড়িয়ে যান তাকেও, বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ৪৮ বলে করেন ৭৭ রান। ঝোড়ো ইনিংসটি ভারতীয় ওপেনার সাজান ৯ চার ও এক ছক্কায়। তাদের গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রানের চাকা সচল রাখেন কেন উইলিয়ামসন। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ছিলেন তাদের চেয়েও মারমুখী। ২৭ বলে তিনি খেলেন হার না মানা ৫৪ রানের ইনিংস।

২০৮ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে শন মার্শ ছাড়া আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি পাঞ্জাবের। মাত্র ৩ রান করে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মানন বোহরা। আরেক ওপেনার মার্টিন গাপটিলের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। অধিনায়ক ম্যাক্সওয়েল তো রানের খাতাই পারেননি খুলতে। এউইন মরগান আশা জাগিয়েও আউট হয়ে যান ২৬ রান করে। তবে একাই লড়াই চালিয়ে গেছেন মার্শ। ৫০ বলে ৮৪ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করলেও ব্যর্থ হয়েছেন এই অস্ট্রেলিয়ান। শেষ পর্যন্ত ১৮১ রানে থামে পাঞ্জাব।

ম্যাক্সওয়েলদের ব্যাট হাতে সুবিধা করতে দেয়নি হায়দরাবাদের বোলাররা। সবচেয়ে সফল সিদ্ধার্থ কুল ৩৬ রানে নেন ৩ উইকেট। তার সমান উইকেট পেয়েছেন আশিষ নেহরাও। আর ভুবনেশ্বর কুমার ২৭ রানে নেন ২ উইকেট। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e2dbbd84dd1d1402729f865f1832e594-590369490fe58ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) চলছে রবিন উথাপ্পার ঝোড়ো ব্যাটিং। আগের ম্যাচে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ৪৭ বলে খেলেছিলেন ৮৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস। ঝড়টা সচল থাকল দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিপক্ষে শুক্রবারের ম্যাচেও। তার হাফসেঞ্চুরির (৩৩ বলে ৫৯) সঙ্গে অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের হার না মানা ৭১ রানের ওপর ভর দিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স পেয়েছে ৭ উইকেটের জয়। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দিল্লির করা ১৬০ রানের জবাবে ২২ বল হাতে রেখে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা কলকাতা।

ইডেন গার্ডেনসে স্বাগতিক বোলারদের দাপটে ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও শ্রেয়াস আইয়ার ছাড়ার দিল্লির আর কেউ সুবিধা করতে পারেননি। উদ্বোধনী জুটিতে স্যামসন ও করুণ নায়ার যোগ করেন ৪৮ রান। ১৫ রান করে নায়ার আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শ্রেয়াসকে সঙ্গে নিয়ে স্যামসন গড়েন ৭৫ রানের জুটি। তাদের এই জুটিতে দ্রুত রান তুলে বড় সংগ্রহের ভিত পায় দিল্লি।

যদিও ৩৮ বলে ৬০ রান করে উমেশ যাদবের বলে স্যামসন ফিরে গেলে রানের গতি কমতে থাকে জহির খানের দলের। নাথান কোল্টার-নাইলের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ১৬০ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ান এই পেসার পেয়েছেন ৩ উইকেট, যার শুরুটা করেছিলেন তিনি ঋশভ পান্টকে দিয়ে। ৬ রানে আউট হন তিনি। এরপর ঝোড়ো ব্যাটিং করা শ্রেয়াসও ফেলেন কোল্টার-নাইলের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। আউট হওয়ার আগে ৩৪ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় খেলেন ৪৭ রানের কার্যকরী ইনিংস।

১৬১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে সুনিল নারিনের (৪) উইকেট হারালেও আবার দাঁড়িয়ে যান গম্ভীর-উথাপ্পা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১০৮ যোগ করে জয়ের পথ তৈরি করে দেন তারা। ৩৩ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৯ রান করে উথাপ্পা আউট হলেও হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে হার না মানা ৭১ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক গম্ভীর। ৫২ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ১১টি চারে। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest