সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ

11-32কালিগঞ্জ ব্যুরো॥ কালিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই গাঁজা ব্যবসায়িকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বিষ্ণপুর ইউনিয়নের বন্দকাটি গোরস্থান মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক হেকমত আলীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ৩০ গ্রাম গাঁজাসহ দু মাদক ব্যবসায়িকে আটক করে। আটকৃতরা হলো উপজেলার ফতেপুর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রাইসুল ইসলাম (৩০) একই গ্রামের মৃত কেনা সরদারের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৪)। এ ঘটনায় সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল জলিল বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে মামলা নং ২৫। পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসায়ি রাইসুল ও আমিনুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা বিক্রি করে আসছিল।  তাদের কে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1এসএম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু : কালিগঞ্জ বাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী উপজেলা সদরের পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করণে (ডিড্ অফ গিফট) দানপত্র দলিল সম্পাদিত হওয়ায় আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক. অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অংশ গ্রহণে আনন্দ মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতিতে শতবছরোর্ধ মডেল বিদ্যালয় সরকারি করণে সকল কার্যত্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রী কে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এসময় বক্তারা বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল মানের করতে সব ধরণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। তিনি বছরের শুরুতে ছাত্র ছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দিচ্ছে। এই সরকারের আমলে সকল ক্ষেত্রে উন্ননের ছোয়া লেগেছে। আওয়ামীগ সরকার চাইলে সব কিছু করতে পারে। বিগত দিনে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কখনো শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি, শিক্ষা ক্ষেত্রে কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি তাদের আমলে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে শুধুমাত্র এই সরকার।  প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর মিছিলে অংশ গ্রহন করে প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, সংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, নির্বাহী সদস্য আবু হাবিব, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সজল মুখার্জী, দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কবিরুজ্জামান মন্টু, সংসদ সদস্যের ফেসবুক অপারেটর ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান প্রমুখ। ইবিমধ্যে বিদ্যালয়টি সরকারি করণে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সচিব গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে রেজিষ্ট্রি দানপত্র দলিল কালিগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রার আবু হানিফের মাধ্যমে সম্পাদন করেছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, সদস্য সচিব ও প্রধান শিক্ষক অজেদ আলী, সদস্য শেখ আকরাম হোসেন, জিএম আতিয়ার রহমান, শেখ সজীব আহম্মেদ, শেখ নাজমুল ইসলাম, আওছাফুর রহমান, এটিএম শরিফুল আজাদ, শিরিনা সুলতানা ও তানজিনা পারভীন। বিদ্যালয়ের সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পদ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন ধারার পত্রিকা সাতক্ষীরা টুডে‘র চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব পালিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা শহরের এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে কেক কেটে সাতক্ষীরা টুডে‘র ৫ম বর্ষে পদার্পণ ও চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের এর শুভ সূচনা করেন অতিথিবৃন্দ।
এ সময় সাতক্ষীরা টুডের উপদেষ্টা সম্পাদক শরিফুল্লাহ কায়সার সুমনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা টুডের সম্পাদক ও প্রকাশক আবু হুরাইরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শামছুজ্জামান, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যান ব্যানার্জী, দৈনিক সাতনদী পত্রিকার যুগ্ম বার্তা সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, চ্যানেল নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কৃষ্ণ ব্যাণার্জী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা টুডের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাকির হোসেন, সহ সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, বার্তা সম্পাদক নাছিরুজ্জামান, দৈনিক নওয়াপাড়ার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সাতক্ষীরার উন্নয়ন, অগ্রগতি, সম্ভাবনার ক্ষেত্রে সাতক্ষীরা টুডে অনলাইন পত্রিকার ভূয়সী প্রশংসা ও পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বলেন, বাংলাদেশ নয় সমগ্র পৃথিবীতে অনলাইন পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করছে। অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন স্থানের সংবাদ মুহূর্তের মধ্যে আমরা জানতে পারছি। জঙ্গি তৎপরতা, রেইনট্রির মতো স্পর্শকাতর ঘটনা অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে ফলে এ সকল কার্যক্রম আর চাপা থাকছেনা। ফলশ্রুতিতে এ সকল কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ এ্যাকশন গ্রহন করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে তিনি কাগজের পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন পত্রিকাগুলো নিয়মিত পড়ে থাকেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ঠ সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

15179049_1075428345907822_5586519698101741994_nঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতক্ষীরার আরেক কৃতি সন্তান মোঃ শরিফুজ্জামান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের মাস্টার্স এর ছাত্র শরিফুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামে। তিনি ২০০৭ সালে সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে এস এস সি এবং ২০০৯ সালে সাতক্ষীরা সিটি কলেজ থেকে এইচ এস সি পাস করেন। সাধারণ মানুষের ভালবাসাকে সম্বল করে তিনি একজন সৎ, আদর্শবান এবং বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ হতে চান। তার এ লক্ষ্য পূরণে তিনি সাতক্ষীরাবাসির নিকট দোয়াপ্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0001আসাদুজ্জামান :  আগামিকাল ভয়াল ২৫ মে। সর্ব গ্রাসী আইলার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলের উপকুলজুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত আইলা কবলিত হাজার হাজার পরিবার এখনও পূর্নবাসিত হয়নি। আশ্রয়হীন জনপদে এখনও চলছে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও খাবার পানির জন্য তীব্র হা-হা-কা-র। সর্বগ্রাসী আইলা আজও উপকুলীয় অঞ্চল সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত হাজার, হাজার মানুষকে কুরে কুরে খাচ্ছে।
জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৫ মে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘুর্নিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট সর্বনাশা “আইলা” আঘাত হানে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকুলীয় জনপদে। মুহুর্তের মধ্যে সাতক্ষীরা  জেলার শ্যামনগর, আশাশুনি ও খুলনা জেলার কয়রা ও দাকোপ উপজেলার উপকুলবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪-১৫ ফুট উচ্চতায় সমুদ্রের পানি এসে নিমিষেই ভাসিয়ে নিয়ে যায় নারী ও শিশুসহ কয়েক হাজার মানুষ, হাজার হাজার গবাদী পশু আর ঘরবাড়ি । ক্ষণিকের মধ্যে গৃহহীন হয়ে পড়ে লাখো পরিবার । লক্ষ লক্ষ হেক্টর চিংড়ি আর ফসলের ক্ষেত তলিয়ে যায়। ধ্বংস হয়ে যায় উপকুল রক্ষা বাঁধ আর অসংখ্য ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সর্বনাশা “আইলা”র আঘাতে শুধু সাতক্ষীরায় নিহত হয় ৭৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশু আর আহত হয় দুই শতাধিক মানুষ। প্রলংয়করী আইলা আঘাত আনার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও উপকুলীয় অঞ্চল সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর ও আশশুনির প্রতাপনগর এলাকায় মানুষের হাহাকার এতটুকু থামেনি। দু‘মুঠো ভাতের জন্য জীবনের সাথে রীতিমত লড়াই করতে হচ্ছে তাদের। আইলার পর থেকে এসব এলাকায় সুপেয় পানি সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে। খাবার পানির জন্য ছুটতে হচ্ছে মাইলের পর মাইল। আইলা কবলিত এ অঞ্চলের রাস্তাঘাট, উপকুলীয় বেড়িবাধ এখনও ঠিকমত সংস্কার হয়নি। ফলে উচ্চ বিত্ত থেকে শুরু করে নিম্মবিত্ত সবাই চালাচ্ছে বেঁচে থাকার সংগ্রাম। ক্ষতিগ্রস্ত আইলা কবলিত এ বিশাল জনপদে খুবইকম সংখ্যক সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। আইলা’র ভয়াবহতায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বসবাসরত মানুষের চোখে মুখে এখনও ভয়ংকর সেই স্মৃতি।  আইলার আঘাতের পর থেকে গোটা এলাকা উদ্ভীদ শুন্য হয়ে পড়ে। কৃষি ফসল ও চিংড়ী উৎপাদন বন্ধ থাকায় গোটা এলাকাজুড়ে তীব্র কর্মসংস্থানের সংকট দেখা দিয়েছে। কর্মহীন মানুষ অনেকেই এলাকা ছেড়ে কাজের সন্ধানে বাইরে চলে গেছে।

অপরদিকে, বনদস্যুদের অত্যাচারে সুন্দরবন, কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর উপর নির্ভরশীল এ এলাকার মানুষের জীবন যাপন দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে। ফলে বিকল্প কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা না থাকায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারছেননা উপকুলীয় এ জনপদের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। আইলার পরপরই কিছু সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে  কাজের বিনিময় খাদ্য প্রকল্পের কাজ হলেও এখন আর কোনো কাজ হচ্ছে না। আর এ কারনেই ক্রমে ক্রমে বাড়ছে দরিদ্র ও হত দরিদ্রের সংখ্যা।

0002
এদিকে, আইলার ৮ বছর অতিবাহিত হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপকুল রক্ষা বেড়িবাঁধগুলোর ভয়াবহ ফাঁটল দেখা দেয়ায় এবং সংস্কার না করায় সামান্য ঝড় কিম্বা বৃষ্টিতে ঝূঁকির মধ্যে থাকতে হচ্ছে এ জনপদের কয়েক লাখ মানুষের। তাই উপকুলীয় এ জনপদের মানুষের সরকােেরর কাছে দাবী টেকসই উপকুল রক্ষা বেড়ি বাধ নির্মান  ও বেকার জনগোষ্ঠির কর্মস্থানের ব্যবস্থা করা।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পানিউন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-০২ এর , নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিকবলেন, ২০০৯ সালের ২৫ মে আইলঅয সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-০১ ও ০২ এর আওতাধীন ১১ টি পোল্ডারে ৮’শ  কিলোমিটার বেঁড়িবাধেই কমবেশী ক্ষতি হয়। তাৎক্ষনিকভাবে সে সময় ক্লোজ আপ দিয়ে পানি বন্ধ করা হয়। তিনি আরো জানান, ২০১৫ সালে আইলা প্রকল্প শেষ হয়েছে। আইলা উপকুলীয় এ এলাকায় স্থায়ী ভাবে বেড়িবাধ নির্মানের জন্য ইতিমধ্যে সিআইপি (এডিপির একটি প্রকল্প) তারা জরিপ কাজ  করেছেন। স্থায়ী বেড়িবাধ নির্মানে জন্য তিনি দ্রুত বিভিন্ন সাহায্য সংস্থা ও সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ মে আইলায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মারাতœক আঘাত হানে। বিশেষ করে এ অঞ্চলের বেড়িবাধ ও জনজীবন লন্ডভন্ড হয়ে যায়। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান মন্ত্রী ও বর্তমান প্রধান মন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এ অঞ্চলের মানূষ বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা পেয়ে ঘুরে দাড়াতে সক্ষম হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495618585কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১০ নং হবিরবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর কবিরকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। ধর্ষণের মামলা হওয়ার পর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ প্রথমে ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্তি করে পরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. সব্যসাচী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার এক জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালুকা উপজেলার ১০ নং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে এবং সভাপতি আলমগীর কবিরকে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি ময়মনসিংহের মুসলিম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আলমগীর আর তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা ওই শিক্ষার্থীকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে ওই কলেজছাত্রীর এক বান্ধবী তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঘটনার প্রায় চার মাস পর ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ১৫ মে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Jubokমোস্তফা কামাল : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে গাবুরা নিজামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ছাত্রীদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালিন সময় হঠাৎ বিষ ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২০ ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। এ সময় ছাত্রীদের সমস্ত শরীর ফুলে ওঠে এবং প্রচন্ড চুলকানী শুরু হয়। দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ মুহুর্ত্বে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা সিহাব উদ্দীন সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলী আযম টিটু বলেন, স্থানীয় বখাটেরা এ কান্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সবুজ ও মফিজুল নামে দুই বখাটে কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জড়িতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দোষ স্বীকার করেছেন। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495614383দেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বিচারবিভাগ ১০০ ভাগ ভালো এবং বিচারবিভাগের প্রতি দেশের ৯০ ভাগের বেশি মানুষের আস্থা আছে বলে মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ। তবে এ নিয়ে নিজের অসন্তোষ্টির কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল।

আজ বুধবার ষোড়শ সংবিধান অবৈধ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানিতে এ যুক্তিতর্কের অবতারণা হয়।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির বেঞ্চে এ শুনানি চলছে। আজ সকাল ৯ টা ৯ মিনিটের দিকে শুনানি শুরু হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছেন। এখন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ তাঁর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের ভাবমূর্তি বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মন্তব্য করেন। তিনি আদালতকে উদ্দেশ করে বলেন, কোর্টে যা হচ্ছে তা নিয়ে বিচারপ্রার্থী ও জনগণের একটা গণশুনানি নেন।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বর্তমানে বিচারবিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ৯০ ভাগের বেশি। চৌকি আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আমি বাঁশখালীর চৌকি আদালতে গিয়েছি। ওখানে যতজন বিচারপ্রার্থী আসে, ডিসি অফিসেও এত আসে না। বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বিচার বিভাগ ১০০ গুণ ভালো। আপনারা তো প্রধান বিচারপতিকে পঙ্গু করে রাখার……।’

তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আই এম নট টোটালি হ্যাপি।’

এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি চেয়েছেন, যাদের লেখাপড়া আছে, যোগ্যতা আছে, তাদের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে। কিন্তু দেড় বছরেও নিয়োগ হয়নি। আপনারা যেটা চাচ্ছেন, আপনিও জানেন, সবাই জানে।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘মার্শাল ল’-তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল করা হয়েছে। এটা সংবিধানের বড় লজ্জা। সেখানে রিলিজিয়াস (রাষ্ট্রধর্ম) বিষয়টাও আছে।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ওখানে কম্প্রোমাইজ করলে এখানে নয় কেন?’

শুনানির একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সমস্ত পাণ্ডিত্য আমাদের, আপনাদের। কিন্তু বাহাত্তরের সংবিধানে হাত দিতে পারেন না। যোগ করা যেতে পারে।’

আপিল বিভাগ বলেন, ‘জুডিশিয়াল ইমপ্রুভমেন্ট থাকবে না? জুডিশিয়াল রিভিউ থাকবে না? উঠিয়ে দেন। সংবিধানের এ টু জেড আমরা ব্যাখ্যা করব জনগণের অধিকার প্রশ্নে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নে।’

শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি ইংল্যান্ডের জুডিশিয়ারি নিয়ে একটি লেখা অ্যাটর্নি জেনারেলকে পড়তে দেন। পড়া শেষে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি যে লিখিত যুক্তি দিয়েছেন, এ লেখা অনুসারে সেটি না জেনেই ইংল্যান্ডের ব্যাপারে দিয়েছেন। পৃথিবীতে একমাত্র সভ্য দেশ ইংল্যান্ড, যেখানে অলিখিত সংবিধান পালনে চুল পরিমাণ এদিক-সেদিক হয়নি। ব্রেক্সিটে হেরে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কী চেতনা, কী মানসিকতা!’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। ইংল্যান্ড বিদেশিদের লুণ্ঠন করেছে। তাদের সভ্য বলতে পারেন না।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘লুণ্ঠন অন্য জিনিস। আমেরিকাও লুণ্ঠন করছে।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘তাদের (ইংল্যান্ড) আইনের শাসন ডেভেলপ করেছে- এটা বলতে পারেন।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ইয়েস, তারা তাদের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে পেরেছে।’

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘অন্যদের লুণ্ঠন করে নিজের নাগরিকদের সুরক্ষা দিয়েছে।’

এর আগে গত ৮, ৯ এবং ২১, ২২ ও ২৩ মে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য ১২ জন আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের লিখিত বক্তব্য আদালতে জমা দিতে বলেন আপিল বিভাগ।

অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ আইনজীবী হচ্ছেন—বিচারপতি টি এইচ খান, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার আজমালুল হক কিউসি, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও এম আই ফারুকী।

বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। পরে ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

পরে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

এ আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই সংশোধনী কেন অবৈধ, বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

এ রুলের ওপর শুনানি শেষে গত ৫ মে আদালত সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে ১৬তম সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন। তিন বিচারকের মধ্যে একজন রিট আবেদনটি খারিজ করেন।

এর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতের ভিত্তিতে রায় প্রকাশিত হয় গত বছরের ১১ আগস্ট এবং রিট খারিজ করে দেওয়া বিচারকের রায় প্রকাশিত হয় ৮ সেপ্টেম্বর। দুটি মিলে মোট ২৯০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। ওই আপিলের ওপর শুনানি চলছে।

হাইকোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানেও শুরুতে এই বিধান ছিল। তবে সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র।

রায়ে আরো বলা হয়, কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest