সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

CHwlJb_bangladeshগতকাল ইংল্যান্ডের জয়ের পরে নিশ্চিত হল প্রথমবাররের মতো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলবে। ১১ বছর পরে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাজিমাত করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক অর্জন এটা। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বড় একটি পাওনা।

বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পরপরই হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে গেছে, কে হচ্ছে সেমিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ। ভারত না দক্ষিণ আফ্রিকা, নাকি শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের কেউ। সেই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ফাইনালে যেতে পারবে তো বাংলাদেশ?

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ খেলবে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে এজবাস্টনে। বাংলাদেশ সময় বিকল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

‘বি’ গ্রুপে যে হিসেব দাঁড়িয়েছে, তাতে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দলকে বিদায় নিতেই হচ্ছে। তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আবার পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার মধ্যেও একটি দলকে বিদায় নিতে হবে। আগামীকাল কেনিংটন ওভালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

যে হারবে তারই বিদায় নিশ্চিত। আর যে জিতবে তার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ‘বি’ গ্রুপে চারটি দলেরই একটি করে জয়। পয়েন্ট সমান ২ করে। রান রেটে যদিও এগিয়ে ভারত। তবে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান ম্যাচে জয়ী দল যদি অনেক বড় ব্যবধানে জিতে যায়, তাহলে রান রেট পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং রানারআপেও আসতে পারে পরিবর্তন।

তাই সঠিক করে এখনই বলা যাচ্ছে না, সেমিতে কাকে পাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে, ভারত কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

F9vVvI_jarmanআন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, কাতার ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশের মধ্যকার বর্তমান অচলাবস্থা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, কাতার ও প্রতিবেশী দেশগুলোর এই সংকট সমাধানের সুযোগ এখনো রয়েছে; এ সুযোগ কাজে না লাগালে যুদ্ধের হুমকি অনেক বেড়ে যাবে। জার্মানির একটি পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্যাব্রিয়েল এসব কথা বলেছেন এবং তার এ সাক্ষাৎকার শনিবার প্রকাশিত হয়েছে।

কাতার এবং প্রতিবেশী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মধ্যকার চলমান এই সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি চলতি সপ্তাহে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছি এবং ইরান ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। আমি জানি বিষয়টি কতটা মারাত্মক পর্যায়ে রয়েছে। তবে পরিস্থিতির উন্নতির জন্য একটা সম্ভাবনাও রয়েছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

zSmK0M_Rampalরামপালে কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য কয়লা পরিবহন সহজ করতে নদীতে যে খনন কাজ চালানো হবে তা জলজ প্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে এক গবেষণায় বলা হচ্ছে। সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার অনুরোধে এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মার্কিন ও অস্ট্রেলিয়ান দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যারা ভূমি, জলজ জীব বৈচিত্র্য ও কোরাল রীফ নিয়ে গবেষণা করেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বছরে ৪৭ লক্ষ টন কয়লা আমদানি করতে হবে। এই কয়লা সুন্দরবনের পশুর নদী দিয়ে রামপাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। কয়লার পরিবহন পথে যে নদী ও চ্যানেলগুলো রয়েছে তা সারা বছর খনন করতে হবে।

কয়লা পরিবহনে কি পরিমাণে জাহাজ চলাচল হবে তার একটি খতিয়ান দিয়ে বাপার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন বলছেন, “আকরাম পয়েন্ট পর্যন্ত বড় আকারের জাহাজগুলি আসবে। তারপর ছোট জাহাজে কয়লা স্থানান্তর করে রামপাল আনতে হবে। বছরে ১৪৫ দিন বড় আকারের জাহাজ চলাচল করবে। ছোট জাহাজগুলো চার পাঁচশো বার চলাচল করবে। এই পরিমাণে জাহাজ চলাচল সহজ করার জন্য নদীতে প্রচুর ড্রেজিং করতে হবে।”

এই বিপুল পরিমাণে ড্রেজিং ও জাহাজ চলাচলে নদীর ওপর কি প্রভাব পড়বে সে নিয়ে সরকার একটি ইআইএ বা পরিবেশগত সমীক্ষা করেছে। ইআইএ প্রতিবেদনটিকে মূল্যায়ন করেছেন ঐ দুই গবেষক। তারা বলেছেন, সরকারের প্রতিবেদনে প্রচুর পরিমাণে তথ্য ঘাটতি রয়েছে এবং এটি একটি অসম্পন্ন ইআইএ।

মতিন বলেছেন, সারা বছর খনন ও জাহাজ চলাচল ঐ নদী ও চ্যানেলগুলোর জলজ প্রাণীর ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। অনেকগুলো বিষয় ঘটবে। যখনই খনন কাজ হবে এবং সারা বছর ধরে বারবার খনন হবে তখন পানি ঘোলা হয়ে যাবে। যার কারণে পানিতে সূর্যের আলো ঢুকবে না। পানিতে যে পরিমাণ অক্সিজেন থাকার কথা তা থাকবে না। মাছের খাবার তৈরির প্রক্রিয়া ও ডিম পাড়ার চক্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যার ফলে কিন্তু মাছ চলে যাবে। জীব বৈচিত্র্য পুরোটাই ধ্বংস হয়ে যাবে।

তার মতে সরকার জাহাজ চলাচলকে প্রাধান্য দিচ্ছে, জীব-বৈচিত্রকে নয়। বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিবাদ চলছে। ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এই কেন্দ্রটি যার অবস্থান সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে। বাংলাদেশ সরকার ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের সাথে যৌথভাবে এটি তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

ব্যাপক বিরোধিতার মধ্যে সরকার স্পষ্ট করে বহুবার জানিয়ে দিয়েছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবেই। বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, তারা নতুন এই প্রতিবেদন নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নই এই জন্য যে পরিবেশকে রক্ষার জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ নেয়ার তার সবই এখানে গ্রহণ করা হবে। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর উন্নত বিশ্ব আমরা যাদের বলি তারাও তাদের পরিবেশকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিলিয়ন্স অফ টনস প্লাস্টিকের বোতল সমুদ্রে ফেলা হয়। বাংলাদেশে সরকারতো দেশেরই সরকার। দেশের ক্ষতি হবে সরকার এমন মনে করার যৌক্তিক কোন কারণ নেই।

বাংলাদেশে সরকার সবসময়ই কয়লা ঢেকে পরিবহনের সর্বোচ্চ আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করার কথা বলে আসছে। কিন্তু ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়লা বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে স্থানান্তর ও পরিবহনের সময় পানিতে তা মিশে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে না। আর ড্রেজিং করার পলি ও কাদার বর্জ্যও বিপদ ডেকে আনবে বলে গবেষকরা বলছেন।

এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে পরিবেশ মন্ত্রী বলছেন, “আমার মনে হয় না। তার কারণ রামপাল সমুদ্রের ভেতরে। রামপাল কোনো নদীর পাশে নয়। এবং কয়লা সমুদ্র পথেই আসবে।” বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imআসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় ছেলের লাঠির আঘাতে বাবা খুন হয়েছেন। রোববার ভোরে সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবা আকবর আলি (৬০) একজন কাঠমিস্ত্রি। তার ছেলে আবদুস সালামও একই পেশায় জড়িত।
স্থানীয়রা জানান, বাবা ও ছেলের মধ্যে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শনিবার রাতে তারাবী নামাজ শেষে ঝগড়া হযেছিল। বাবা তার ছেলের কাছে পাওনা টাকা চাইলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছেলে সালাম তার বাবা আকবরের মাথায় লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাড়িতে রেখে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এরপর রোববার ভোরে বাবা আকবর আলি মারা যান।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ এ ঘটনার সত্যতি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘাতক ছেলে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে ওসি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

২-467x350ঢাবি প্রতিবেদক : ঢাকা কলেজস্থ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ সুন্দরবনের ইফতার মাহফিল ও দোয়া মাহফিল  শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা কলেজের অডিটোরিয়ামে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যান পরিষদ ‘সুন্দরবন’ এ ইফতারের আয়োজন করে।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. আফম রুহুল হক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সৈনিকলীগের কেন্দ্রীয় সহ.সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব। অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ ও ঢাকায় অবস্থানরত সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহসিন মোড়ল।

সঞ্চালনা করেন আশিকুজ্জামান রানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cumin-water-home-pixঅনেকেই ভাবছেন ইফতারে তেলে ভাঁজা খাবার একটু বেশিই খাওয়া হচ্ছে, তাই নিয়ন্ত্রণেও নেই ওজন! কিন্তু খাবারের ভিন্নতাই আপনার শরীরকে করবে সুস্থ।  চাইলেই একটু টক মিষ্টি স্বাদের শরবত তৈরি করতে পারেন আজ ইফতারে। তাহলে জেনে নিন টক মিষ্টি স্বাদের জিরা-পানি শরবত।

জিরাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় হজমে সাহায্য করে, আর ইফতারে তেলের খাবার খেয়ে ব্রণের সমস্যা আর ওজন বাড়ার যে সমস্যা হয়, তা দূর করবে জিরা পানি। এছাড়া আয়রনের ঘাটতিতে জিরা পানি ভূমিকা রাখে।

উপকরণ

জিরা হালকা করে ভাঁজা গুড়া ১ চামচ

পানি ৪ কাপ

তেঁতুল পানি স্বাদ মতো

আখের গুড় ৫ টেবিল চামচ

চিনি প্রয়োজন মতো

লেবুর রস ২ টেবিল চামচ

সাদা গোলমরিচ গুড়া

পুদিনা পাতা কুঁচি

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমেই দুই কাপ পানিতে তেঁতুল চটকিয়ে নিন। তারপর তেঁতুল পানি একটা পাত্রে ছেঁকে রাখুন। এবার একটি পাত্রে ৪ কাপ পানি নিয়ে তার সাথে জিরা গুড়ো, আখের গুড়, প্রয়োজন মতো চিনি, এক টেবিল চামচ লেবুর রস, গোলমরিচ গুড়ো স্বাদ মতো নিয়ে ভালো ভাবে মেশান। মিশ্রণটি হয়ে গেলে তেঁতুল পানি মিশিয়ে আধ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। পরিবেশন করার সময় পুদিনা পাতা কুঁচিও দিতে পারেন। তাহলে ইফতারের পর এক ধরনের সতেজ ভাব অনুভব করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Golapনিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. আবদুস সোবহান গোলাপের ‘মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা ও বাঙালির ইতিহাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও রেলমন্ত্রী মজিবুল হক।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ মিলনায়নে বইটির মোড়ক উম্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আব্দুস সোবহান গোলাপকে আমি চিনি অনেক দিন ধরে। চাকরি ছাড়ার পরে বিদেশে প্রথম তার সঙ্গে দেখা হয়েছে। পরিচয়ের সূত্র জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিবারই তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদেশে যেতেন। কিছুদিন আগে আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। বইটি পাওয়ার আগেই আমি তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করি।’
বইটি সম্পর্কে মুহিত বলেন, ‘আমি বইটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছি। বইটি খুবই তথ্যবহুল। সাতটি চাপ্টারে পাঁচশয়ের বেশি পৃষ্ঠা আছে। বইটি পড়লে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানা যাবে।’
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। ধন্যবাদ আবদুস সোবহান গোলাপকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই বই লেখার জন্য্।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘এত ব্যস্ততার মাঝেও আবদুস সোবহান গোলাপ বই লিখেছেন এরজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আমরা তার বইয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আরও জানতে পারবো। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ নিজের বই সম্পর্কে বলেন, ‘আমি বই লেখার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা পেয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। আমার প্রতিটি বই সম্পর্কে তিনি জানেন। আজকের অনুষ্ঠান সম্পর্কেও তিনি জানেন। আমি প্রধানমন্ত্রীকে এ বইটি দিয়েছি। তিনি ভালো বলেছেন।’
লেখক বলেন, ‘বইটি পড়লে বাঙালির ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমি মুক্তিযোদ্ধা, আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির ইতিহাস লিখেছি। আমি বিভিন্ন জার্নাল থেকে তথ্য নিয়েছি। আপনারা আমার বইটি পড়বেন বলে আশা করি। এখানে কোনো কিছু ভুল থাকলে পরবর্তী সংস্করণে তা সংস্কার করা হবে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইমেরিটার্স অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2054b36e48cfbf75c34483f13f59eeee-593c35c030266দুই দশক আগে আইসিসি ট্রফি জয়ের কথা হয়তো এ প্রজন্মের অনেকের মনে নেই। ১৯৯৭ সালে আইসিসির সহযোগী সদস্যের নিয়ে আয়োজিত ওই টুর্নামেন্টের টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বাংলাদেশ হারিয়ে দিয়েছিল কেনিয়াকে। দুই বছর পর বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানোর উচ্ছ্বাসে ভেসেছিল বাংলাদেশের মানুষ। সেই শুরু। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে টাইগাররা আজ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে। অনেক সাফল্যেই ভেসেছে বাংলাদেশ, তবে এই দিন আসেনি কখনও। এই প্রথম যে আইসিসির বড় কোনও টুর্নামেন্টের শেষ চারে উঠল টাইগাররা। আনন্দের জোয়ারে ভাসছে তাই গোটা বাংলাদেশ।

২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া বাংলাদেশকে পেরোতে হয়েছে অনেক কঠিন পথ। সাফল্য যেমন পেয়েছে, তেমনি ব্যর্থতার গ্লানিতেও ডু্বেছে অনেকবার। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকেই আসলে টাইগারদের পরিবর্তনের সূচনা। ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া দলটি আজ অনেক পরিণত। এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই তার প্রমাণ।

ওই বিশ্বকাপের পর পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে ক্রিকেট-দুনিয়াকে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সাফল্যেই র‌্যাংকিংয়ে অভাবনীয় উন্নতি এনে দিয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার সুযোগ। র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দলের লড়াইয়ে টাইগাররা যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই সেমিফাইনালে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব-মাহমুদউল্লাহর অসাধারণ ব্যাটিংয়ে শেষ চারের পথ প্রশস্ত হয়েছিল। তবু দুশ্চিন্তা ছিল, যদি অস্ট্রেলিয়া হেরে যায় ইংল্যান্ডের কাছে। কিন্তু তা হয় নি। ইংল্যান্ডের কাছে হেরে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ে বাংলাদেশের মানুষ আজ উল্লাসে মুখর, আনন্দে আত্মহারা।

এখন সামনে সেমিফাইনালের চ্যালেঞ্জ। আগামী ‍বৃহস্পতিবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কারা হবে প্রতিপক্ষ, তা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তবে যে-ই প্রতিপক্ষ হোক, বাংলাদেশ যে আজ নির্ভীক, তা কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে রচিত হয়েছে আরেকবার। এবার আরও এগিয়ে যাওয়ার পালা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest