সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

পৌরসভা ও সদরের পুনর্বাসিত ভিক্ষুকদের নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী ইফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সদর উপজেলার পুনর্বাসিত ব্যক্তির (যারা পূর্বে ভিক্ষুক ছিলেন) সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৪ রমজান সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা মিলনায়তনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে ইফতার পুর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল লতিফ খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর সহকারী কমিশনার (ভুমি) দেবাশীষ চৌধুরী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদ, সদর সহকারী কমিশনার ময়নুল ইসলাম, স্বজন মোল্যা, একি মিত্র চাকমা, এনডিসি মো. আবু সাঈদ, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মো. নকিবুল হাসান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা হাসানুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আব্দুস সেলিম, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথি, সৈয়দ মাহমুদ পাপা, শহিদুল ইসলাম, শফিকুল আলম বাবু, কাজী ফিরোজ হাসান, শাহিনুর রহমান শাহিন, শেখ আব্দুস সেলিম, অনিমা রাণী ম-ল, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান, ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলামসহ সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইফতারের আগে অতিথিবৃন্দ আগত পুনর্বাসিত ভিক্ষকদের প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে দেখেন ও খোজ-খবর নেন এবং তাদের সাথে রমজানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, শহীদ জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ আব্দুল জলিল। পরে পুনর্বাসিত সকল ভিক্ষুকদের মাঝে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সেমাই, চিনি, তেল ও মসল্যাসহ ঈদ সামগ্রি প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার

আসাদুজ্জামান : রমজানের শেষ মুহুর্তে সাতক্ষীরায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার। শহরের অভিজাত শপিং মল থেকে শরু করে ফুট পাতের দোকান গুলোতে তিল ধরনের ঠাই নেই। ঈদে চাই নতুন পোশাক। তাইতো সাধ আর সাধ্যের মধ্যে না থাকলেও প্রিয় জনের উপহার দিতে ধনী ও মধ্যবিত্তদের পাশাপাশি কেনা কাটায় ব্যস্থ সময় পার করছে নি¤œ বিত্তের মানুষও। আর কয়েকদিন বাদেই ঈদ।  শেষ মূহুর্ত্বে কেনা কাটা সারতে ব্যস্থ সময় পার করছেন ক্রেতারা। আর সেকারনে সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেট, চায়না-বাংলা শপিং সেন্টার, আল বারাকা সিটি কমপ্লেক্স, বসুন্ধরা টাওয়ার, মেহেরুন প্লাজা, লন্ডন পালাজা, মেহেদি সুপার মার্কেট, আমিনিয়া মার্কেট, সুলতানপুর বড় বাজার ও থানা সড়কের দোকান গুলোতে রয়েছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতারা এ মার্কেট থেকে ও মার্কেট ঘুরছেন নিজেদের পছেন্দের পোশাক কিনতে। সাধ্যের মধ্য থেকে কেনা কাটা করতে অনেকে আবার শপিং মল ছেড়ে ফুটপাতের দোকান গুলোতে ভিড় করছেন। এদিকে ঈদ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার বিভিন্ন মার্কেট গুলোতে ভারতীয় পোষাকে ছেয়ে গেছে। তবে এসব মার্কেটে মান সম্মত দেশীয় পোষাক সামগ্রী থাকলেও ক্রেতাসাধারনের চাহিদা ভারতীয় পোশাকের প্রতি একটু বেশী। এবার ঈদে মেয়েদের জন্য আকর্ষনীয় পোশাকের মধ্যে রয়েছে বাহুবলি টু, রাখিবন্ধন, পটল কুমার, বাজরাঙ্গি ভাইজা, ফ্লোর টার্চ, লাসা, লং স্কট, শর্ট স্কটসহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিস ও ফোর পিস পোশাক। তবে, দেশী অনেক পোশাক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করেছে। আকৃষ্ট করেছে দেশীয় পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ি, জামদানী, খদ্দর, মনীপুরী, রাজগুরু, বালুচুরী, জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় নিম্নবিত্তরা পড়েছেন বিপাকে। অবশ্য নিম্নবিত্তদের কথা চিন্তা করে ইতোমধ্যে থানা মসজিদের সামনে ফুটপাতে বেশ কয়েকটি পোশাকের দোকান দিয়েছে স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা। বড় বড় মার্কেটের চেয়ে এই সব মার্কেটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। তাছাড়া জুতার দোকানেও ভিড়ের কমতি নেই, বেড়েছে কসমেটিকসের বেচা কেনাও। বড়দের সাথে পাল্লা দিয়ে পছেন্দের জুতা, স্যান্ডেল, প্যান্ট, জামা কিনছে শিশুরা। সব ধরনের ক্রেতাদের চাপে দোকানীদের এখন দম ফেলার ফুরসত নেই বললে চলে। শহরের মিম গামের্ন্টেসের সত্ত্বাধিকারী শাহিনুর রহমান বলেন, তিনি শূন্য থেকে সাত বছরের শিশুদের পোশাক বিক্রি করছেন। ঈদ উপলক্ষে বিক্রি বাড়লেও লাভ কম হচ্ছে। পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়া এবং ক্রেতাদের গত বছরের দাম ধরে রাখার চেষ্টার কারণে এবার লাভ কম হচ্ছে। সাত রং বস্ত্র বিপনীর সত্তাধিকারী আকবার হোসেন বলেন, ঈদের বাজারে শাড়ির প্রতি আকর্ষণ কম। তারপরও কিছু শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। তার দোকানে টাঙ্গাইল শাড়ি ৬০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা, জর্জেট শাড়ি ১২০০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা, সিল্ক শাড়ি দুই হাজার থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। নবরূপা ফ্যাশনের সত্ত্বাধিকারী মো: জহিরুল ইসলাম বাবু ও ফ্যাশন এশিয়ার সত্তাধিকারী রুহুল কুদ্দুস বাবলু বলেন, তার দোকানে পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট বিক্রি হয়। পাঞ্জাবির মধ্যে সূতি পাঞ্জাবি ৩০০ টাকা থেকে ২১০০ টাকা, জর্জেট পাঞ্জাবি দেড় হাজার টাকা থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা, সিল্ক পাঞ্জাবি (ভারতীয়) দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা, জামদানি পাঞ্জাবি ৭০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা, টিস্যু পাঞ্জাবি সাড়ে তিন হাজার টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকা, মটকা পাঞ্জাবি ১২০০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত দাম রয়েছে। তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ঈদের আগেই পুলিশ প্রশাসন সাতক্ষীরা শহরে ইঞ্জিন ও ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও ইজিবাইকসহ অবৈধ যান চলাচল বিরোধী অভিযানে নামায় শহরের বড় বড় বিপনী গুলোতে এবার ক্রেতার সংখ্যা গতবারের তুলনায় কিছুটা কমে গেছে। ফলে তারা অনেকটা দূশ্চিন্তা গ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার বলেন, পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষ্যে জনসাধারনের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সাতক্ষীরার পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যাহাতে সাধারণ মানুষ ঈদের কেনাকাটা করে নির্বিঘেœ বাড়িতে ফিরতে পারে সে জন্য জেলা শহরের চারটি পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় উপজেলা পরিষদের মিটিং চলাকালীন ভাইস চেয়ারম্যানকে মারপিট!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সমর্থকদের হাতে প্রহৃত হয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম খোকন। তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে পরিষদের মিটিং চলাকালে এ ঘটনাটি ঘটে।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজি কামাল ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল গনির অফিসে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প বিষয়ক একটি মিটিং চলছিল। এতে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী অফিসার হাফিজ আল আসাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, দেবহাটার চেয়ারম্যান মো. আবুবকর, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হামিদসহ অন্যরা। তারা জানান, প্রকল্প বিষয়ক কথাবার্তা চলাকালে চেয়ারম্যানের দেহরক্ষী বাবু ও তার সহযোগী মামুন ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম খোকনের ওপর হামলা করে। তারা তাকে কিল ঘুষি মেরে অফিসের মধ্যেই নাজেহাল করে। এতে তিনি মেঝেতে পড়ে যান। দেহরক্ষী বাবু এ সময় অস্ত্র বের করে গুলি করতে উদ্্যত হলে তাতে বাধা দেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল গনি। তিনি দ্রুত তার হাত থেকে অস্ত্রটি কেড়ে নেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে মিটিং চলে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা এ নিয়ে আলোচনায় বসেছি। এখন উভয় পক্ষ শান্ত রয়েছে। তিনি আরো জানান, আগে থেকেই চেয়ারম্যানের সাথে ভাইস চেয়ারম্যান ও কয়েকজন চেয়ারম্যানের মধ্যে প্রকল্প নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশে রাষ্ট্রের চেয়ে বিভিন্ন সংস্থার শক্তিশালী হয়ে উঠাকে ‘অশুভ লক্ষণ’ বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, “ডাক্তার অবাধ্য, ম্যাজিস্ট্রেট অবাধ্য, শাস্তি দেওয়া যায় না। অবরোধ করে বসে। এভাবে ডিপার্টমেন্ট জিতে যায়।”

রোববার চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় কর্মস্থলে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির বিষয়ে কয়েকজন জনপ্রতিনিধির অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক।

তিনি বলেন, “রাষ্ট্র দূর্বল, সংস্থা শক্তিশালী; এটা অশুভ লক্ষণ। হওয়া উচিত রাষ্ট্র শক্তিশালী, সংস্থাগুলো রাষ্ট্রের সাবোর্ডিনেট (অনুগত)।”

সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত সভায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমার উপজেলায় ডাক্তার আছেন ৩০ জন, কিন্তু কর্মস্থলে তাদের পাওয়া যায় না।

“অনুপস্থিতির বিষয়ে অভিযোগ দিলে সিভিল সার্জন বিএমএ’র (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন) ভয়ে কোনো ব্যবস্থা নেন না।”জেলা প্রশাসককে তার এলাকা (রাঙ্গুনিয়া) সরেজমিনে ঘুরে দেখে অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানান মোহাম্মদ আলী শাহ।

কর্ণফুলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান উদ্দিন মুরাদও একই ধরনের অভিযোগ করেন।“আমার উপজেলায় পাঁচজন ডাক্তারের মধ্যে একজন প্রেষণে পটিয়া উপজেলায় থাকলেও বাকি চারজন ডাক্তার কর্মস্থলে অসেন না। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকলেও তাদের কাউকে কর্মস্থলে পাওয়া যায় না।”

কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা, জুলধা, চরপাথরঘাটা ও শিকলবাহায় ওই চার চিকিৎসকের কর্মস্থল হলেও তাদের কেউ সেখানে যান না বলে অভিযোগ এই সরকারি কর্মকর্তার।

পরে সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, “ঈদের পরপরই আমি সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোতে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বসব। সমস্যাগুলো সমাধানে করণীয় নির্ধারণ করে দেব।”

তিনি চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিএমএ’র চাপের বিষয়টি সত্য নয় বলে দাবি করেন।

তখন জিল্লুর রহমান চৌধুরী জনগণকে সেবা দিতে যারা অবহেলা করবে তাদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ হতে সিভিল সার্জনকে পরামর্শ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর ‘হবে না’ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে আইসিসি। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আর না করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন তারা। তার পরিবর্তে বরং দুই বছর পরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের পথেই থাকতে চাইছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

অনেকেই মনে করেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ওয়ানডে বিশ্বকাপের মতোই একটা প্রতিযোগিতা। ২০১৯ সাল থেকে ১০ দলকে নিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। তাই আলাদা করে ৮ দলের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে অনীহা আইসিসির।

২০২১ সালে পরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

‘আমরা চাই আইসিসির প্রতিযোগিতাগুলো একটি অপরটির চেয়ে আলাদা হোক। মানুষ যেন পার্থক্য বুঝতে পারে। এতে করে প্রতিটি প্রতিযোগিতাই আলাদা আলাদা করে দর্শকদের মধ্য আগ্রহ তৈরি করতে পারবে।’ বলেন রিচার্ডসন।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবার ভালোই সাড়া ফেলেছিল। ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান যাওয়ায় আইসিসির লাভও হয়েছে বেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে তিন বনদস্যু আটক, দুটি অস্ত্র উদ্ধার

আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে অভিযান চালিয়ে তিন বনদস্যুকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সুন্দরবনের সাপখালী খাল ও শ্যানগরের গাবুরা খেয়াঘাট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটক বনদুস্যরা হলেন, খুলনার কয়রা উপজেলার ছোট আংটিহারা গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে আবুল হাসান, একই গ্রামের আমজাদ সরদারের ছেলে জালাল হোসেন ও কয়রার গোলাখালী গ্রামের গাজী আবুল মোছেরের ছেলে মফিজুল ইসলাম নান্নু। শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী নৌ পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের সাপখালী খালে অভিযান চালিয়ে একটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল ও একটি পিস্তলসহ আবুল হাসান ও জালাল হোসেন নামে দুই বনদস্যুকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে, গাবুরা খেয়াঘাট থেকে অস্ত্র সরবরাহকারী নান্নুকেও আটক করা হয়। আটককৃতদের শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠাবার্ষীকিতে বক্তারা সাতক্ষীরার সড়ক যোগাযোগের মান উন্নত ও টেকসই করতে হবে

এম. বেলাল হোসাইন/ হাসান হাদী : সাতক্ষীরা’র সড়ক যোগাযোগের মান উন্নত ও টেকসই করতে হবে। আঞ্চলিক সড়কের লোড নেয়ার যে ক্ষমতা সাতক্ষীরার প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে তার চেয়ে বহুগুণ ভারি পণ্যবাহী যান চলাচল করে। সুতরাং, এসব রাস্তা সংস্কার করলেও বেশিদিন টেকে না। মানুষকে প্রতিনিয়িত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এখন সময় এসেছে ভোমরা থেকে খুলনা এবং মুন্সীগঞ্জ থেকে যশোর সড়কের মান উন্নত ও টেকসই করার। দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠাবার্ষীকির আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা এখন অপরা সম্ভাবনাময় এক জেলা। এই জেলার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে শুধুমাত্র সড়ক সংস্কার করলেই চলবে না। বরং সড়কগুলোকে মহাসড়কের মত করে নির্মাণ করার দাবি জানানোর সময় এসেছে। এ জেলায় সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশ এবং ভোমরা স্থলবন্দরের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে হালকা মানের আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে টেকসই ও মানসম্পন্ন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উপর জোর দিতে হবে।
পাঠক নন্দিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র চতুর্দশ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র সম্পাদক মোঃ মহসিন হোসেন বাবলু। পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের পরিচালনায় সভায় অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন পিপিএম (সেবা), জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এন এম মঈনুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিশ্বাস সুদেব কুমার, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খানু মিঠু, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপ্পি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, ৭১ টিভি’র জেলা প্রতিনিধি বরুণ ব্যানার্জী।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরা শহরের রাস্তাঘাট মানসম্পন্ন করতে না পারলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- অসমাপ্ত থেকে যাবে। সাতক্ষীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোর ভগ্নদশা নিয়ে তিনি নিজেও ব্রিবতবোধ করেন বলে জানান। তিনি বলেন, সাতক্ষীরার শিক্ষা ব্যবস্থা এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার বিকল্প নাই। জেলার একাধিক কলেজ ও স্কুল ইতিমধ্যে সরকারি করা হয়েছে। সাংবাদিক-রাজনীতিক সকলেরই প্রয়োজনীয় শিক্ষা থাকা দরকার। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়ক, রেল লাইন, কপোতাক্ষ খননসহ জেলার সকল উন্নয়নের কথা ও অবনতির কথা সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হবে। সাতক্ষীরায় কাক্সিক্ষত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যদিও সাংবাদিকতা পেশা একটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা। এ পেশায় যারা নিয়োজিত তারা সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। সতাতা এবং সাহসিকতার সাথে সাংবাদিকতা করতে হিয়ে পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমকেও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখে পড়তে হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরাই পারে জাতিকে আশার আলো দেখাতে। এসময় তিনি দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করে সত্য প্রকাশে আপোষহীন থাকার আহ্বান জানান।
পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন পিপিএম বলেন, সাতক্ষীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা তাই এখানকার রাস্তাঘাট আরও অনেক উন্নত ও মানসম্পন্ন করতে হবে। রাস্তার লোড ক্যাপাসিটি আরও বেশি বাড়াতে হবে। অপেক্ষাকৃত ভারি যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাস্তা না থাকলে রাস্তা টেকসই হবে না। সাতক্ষীরার থেকে সড়ক পথে সুন্দরবনের সবচেয়ে নিকটে যাওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, একটি সংবাদপত্র যারা প্রকাশ করেন, তাদের যে কত কষ্ট করতে হয় সেটি যারা করেন তারা জানেন। বিশেষ করে শব্দ চয়ন, বানান শুদ্ধকরণ, বাক্য গঠন যে কত কঠিন সেটা বাইরে থেকে বোঝা যাবে না। রিপোর্টাররা যে সংবাদ পাঠান তা সারা রাত ধরে এডিট করে তারপর পত্রিকায় প্রকাশ করতে হয়। দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা সেদিক থেকে প্রশংসার দাবিদার। পত্রিকাটি সাতক্ষীরার জনমানুষের কথা বলে, সাতক্ষীরার আলো, বাতাস, রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, ছাত্র-ছাত্রীদের তথা সকল মানুষের কথা বলে। তিনি আরো বলেন, পানি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখে। যে শহরে পানি নাই সেখানে আলো নাই। কিন্তু সাতক্ষীরায় পানি থাকলেও শহর আলোকিত না। আমরা লেখনির মাধ্যমে সাতক্ষীরার উন্নয়ন চাই। আর এজন্য লেখনির মাধ্যমে সাতক্ষীরার উন্নয়ন করতে হবে। আজকের সাতক্ষীরা সকল সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে একদিন সাতক্ষীরায় শীর্ষস্থান দখল করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ এন এম মঈনুল ইসলাম বলেন, জনগণের জন্য তথ্য প্রকাশ করতে হবে। সঠিক লিখতে হবে। এক্ষেত্রে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা তুলনামূলক এগিয়ে রয়েছেন। যে কারণে ইতোমধ্যে পত্রিকাটি আমজনতার মুখপাত্র হিসাবে স্থান পেয়েছে।
অধ্যক্ষ সুদেব কুমার বলেন, লক্ষ্য ঠিক থাকলে সফলতা অবশ্যই আসবে। সুতরাং লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলাম বলেন, একটি পত্রিকা প্রকাশের পেছনে কত জনের হাতের থাকে একটি সামনে থেকে বোঝা যায় না। এতদিন ধরে আমরা স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে একজন ভালো সাংবাদিক তৈরি করতে পারিনি। তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ভালো সাংবাদিক তৈরি করতে পারলে পত্রিকার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া সাতক্ষীরার সড়কের জরাজীর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দাবি এখন জাতীয় সড়ক তৈরি। সড়ক জাতীয় হলে আর এত দ্রুত নষ্ট হবে না। তবে এ দাবি পূরণ না হওয়ার কারণ জেলায় নেতৃত্বের অভাব রয়েছে।
নাসিম ফারুক খান মিঠু বলেন, রাজস্ব প্রদানের ক্ষেত্রে সাতক্ষীরা দেশের শীর্ষ দশটি জেলার একটি। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সাতক্ষীরার উন্নয়ন কাক্সিক্ষত মাত্রায় হচ্ছে না। তিনি বলেন, সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের ভোমরা স্থলবন্দর ও এর আশেপাশের রাস্তাগুলো নিয়ে আরও বেশি লিখতে হবে। ভোমরা বন্দরে সকল প্রকার পণ্য আমদানি-রপ্তারির ক্ষেত্রে যে প্রতিবন্ধকতা আছে তা দূর করতে সাংবাদিকদের ক্ষুরধার লেখনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন।
কল্যাণ ব্যানার্জি বলেন, সংবাদপত্রকে আমি শিক্ষক মনে করি। এই সংবাদপত্র আমাদের শিক্ষা দেয়। সেকারণে সংবাদ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভাষা ও শব্দ চয়ন জরুরি। যদিও স্থানীয় পত্রিকা গুলো অর্থ সংকটের কারণে হয়ত ইচ্ছে থাকলেও সঠিকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয় না। তারপরও যতদূর সম্ভব বানান, ভাষা ও শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। এদিক দিয়ে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পুরোপুরি না হলেও অনেকাংশে এগিয়ে। আগামীতে পত্রিকাটি পুরোপুরি নির্ভুলভাবে প্রকাশ করার আহ্বান জানান তিনি।
মমতাজ আহমেদ বাপ্পি বলেন, সংবাদপত্র আছে বলেই আজো দেশ টিকে আছে। দুর্নীতিবাজরা আজো সংবাদপত্রকে ভয় পায়। তবে সংবাদপত্রকে অবশ্যই সত্য প্রকাশে আপোষহীণ হতে হবে।
এম. কামরুজ্জামান বলেন, সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, আর সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক। সে কারণে সংবাদপত্র অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। একটি সংবাদ কিভাবে উপস্থাপন করতে হবে, শব্দ চয়ন কিভাবে করতে হবেÑ এসব বিষয় মাথায় রেখেই সংবাদ উপস্থাপন করতে হবে। সেদিক দিয়ে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা অনেকটাই এগিয়ে। তিনি পত্রিকায় উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, এডিশনাল পিপি এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, জেলা পরিষদ সদস্য নূরুজ্জামান জামু, মাহফুজা খাতুন রুবি, আজ‌কের সাতক্ষীরার সহ-সম্পাদক শেখ তো‌হিদুর রহমান ডাবলু, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, আসাদুজ্জামান, এম. শাহীন গোলদার, আব্দুল জলিল, মো. আমিনুর রশিদ, সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, হাসান হাদী, সাতক্ষীরা পৌর আ. লী‌গের যুগ্ম-সম্পাদক রা‌শেদুজ্জামান রা‌শি, আমির হোসেন খান চৌধুরী, এম বেলাল হোসাইন, মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ, খন্দকার আনিছুর রহমান, প্রথম আলো বন্ধুসভার সভাপতি হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিবৃন্দ।v

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অপার সম্ভবনার হাতছানি ইছামতির তীরে ম্যানগ্রোভ মিনি সুন্দরবন

কেএম রেজাউল করিম : দেবহাটা “রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র” উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহি পর্যটন কেন্দ্র। ইছামতি নদীর তীরে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি এ ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি উপজেলার মানুষকে গর্বিত করে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাউনশ্রীপুর এলাকায় ভারতের টাকী পৌরসভার বিপরীতে ইছামতি নদীর তীরে শীবনগর মৌজায় প্রায় ৫০ একর জমিতে এ বনটি তৈরি করা হয়েছে। এই পর্যটন কেন্দ্রর সার্বিক উন্নয়নের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রটিতে অধিকাংশ সময়ে জেলা, উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পারিবারিক ভাবে বনভোজনের আয়োজন করা করা হয়। এই বনটিতে বহু প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রয়েছে। সুন্দরবনের আদলে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষের চারা এনে রোপন করে ব্যাপক বনের সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে ১০একর জমির বুকে রয়েছে “অনামিকা লেক”। এই লেকে রয়েছে শান বাধানো পাকা ঘাট। বিনোদন প্রিয়াসীদের জন্য রয়েছে বসারস্থান। শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য কৃত্রিম বিভিন্ন প্রজাতীর পশুপাখি থাকলেও সংরক্ষণের অভাবে স্থাপন সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এটি পরিপূর্ণ বনে পরিণত হবে। উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় এক সিদ্ধান্তে জানাগেছে, সভায় উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ম্যানগ্রোভ বনকে পরিপূর্ণ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া ম্যানগ্রোভ বনে যাওয়ার রাস্তা পাকা, টাউনশ্রীপুর থেকে নদী পথে বন পর্যন্ত যাওয়ার সুব্যবস্থা, সমগ্র বনটির উপভোগের জন্য বনের উপর দিয়ে ক্রেনের ব্যবস্থা, কৃত্রিম জীবজন্তুর ব্যবস্থা, বনের লেকে বোটের ব্যবস্থাসহ নানামুখী প্রস্তাবনা ও বাস্তাবায়নে সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ইতোমধ্যে বনটির সৈন্দর্য বৃদ্ধি করতে ২রুম বিশিষ্ট ভবন, একটি টিকিট কাউন্টার, প্রবেশদার গেটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে, সাতক্ষীরা জেলার ইছামতি সীমান্তের ইছামতির তীরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দিত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য ম্যানগ্রোভ মিনি সুন্দরবনটির পরপর পরিধি বাড়ছে। ২০০৯ সালে দেবহাটার সুশিলগাতী এলাকার নদীর বেড়ি বাধ ভেঙে প্লাবিত হলে বাধ রক্ষায় ২০১০ সালে উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে বাধ রক্ষায় ও প্রাকৃতিক ভারসম্য রক্ষার জন্য ১০একরের মত জায়গা জুড়ে তৈরি এই ম্যানগ্রোভ বন। বেশ কয়েক বছর যেতে যেতে বনের আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর রক্ষা পায় আশে পাশের এলাকাবাসীরা। প্রতিবছরে উপজেলার ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ উপভোগ করতে আসে প্রকৃতির এই দৃশ্য। সেই সাথে রান্নাবান্না করে ধুমধাম চড়–ই ভাতিও করে। তাছাড়া শীতের প্রথম থেকে শুরু হয় পিকনিক উৎসব। কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে উৎসবের আমেজ। সেই আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সকলের মাঝে। বর্তমান স্থানটিতে কোন প্রকার ফি দিতে না হওয়ায় স্্েরাতাবহ ইছামতির তীরে নিরিবিলি সময় কাটাতে আসেন বিনোদন প্রেমিরা। এখানে ঘুরতে আসা কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা জানায়, স্থানটি অনেক নিরিবিলি, মনোমুগ্ধকর হওয়ায় মাঝে মধ্যে আসি। সরকারি ভাবে যদি উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে ম্যানগ্রোভ বনের মর্যদা আরো বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে সরকার রাজস্ব পাবে। তাছাড়া দেবহাটার সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। এদিকে, বর্তমান সময়ে বনের চারপাশ দিয়ে বেড়ি দিয়ে জোয়ারের পানি আটকিয়ে রেখে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে দীর্ঘসময় ধরে পানি আটকে রাখায় জলাবদ্ধতায় ম্যানগ্রোভ বনের গাছের শিকড় পঁচতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি সকল প্রকার চক্রান্ত বন্ধ করে একটি বিনোদন স্পট নির্মাণ করতে পারলে এই উপজেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটকের উপস্থিতিতে ভরে উঠবে এবং সরকারের রাজস্ব তহবিল বৃদ্ধি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest