89645655নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা পৌরসভার মালিকানাধিন নিউ মার্কেট ভবনটি জনস্বার্থে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পরিত্যক্ত (কনডেম্ড) ঘোষণা করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সে লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মাঝে মালামাল সরানোর জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটকে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে পৌরসভার মালিকানাধীন নিউ মার্কেটটি ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পরিত্যক্ত (কনডেম্ড) ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ৪৬.০০.০০০০.০৩৬.৩১.০০৯.১২-৩৯৫ নং স্মারকে নিলামে বিক্রয়ের নির্দেশ দেয়।
পৌর কর্তৃপক্ষ নিউ মার্কেটের সামনে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে। আগামী ১ মাসের মধ্যে দোকান খালি করার নির্দেশ দিয়েছে সাতক্ষীরা পৌরসভা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র মো. আব্দুস সেলিম, পৌর কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা-সাগর, পৌর সভার সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস, নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, টাউন প্লানার শুভ্র চন্দন মহলী, স্টোর কিপার মীর নাসের আলী, শেখ রেজাউল আলম, প্রধান সহকারী প্রশান্ত প্রসাদ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল-আসাদ শান্নুসহ পৌরসভার কর্মকর্তা ও দোকান ব্যবসায়ীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

99999নিজস্ব প্রতিবেদক : আলীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে আবারো আটক করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা কারাগারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
সুত্র জানায়, গত ৭ মার্চ রাতে তাকে আলীপুর এলাকা থেকে নাশকতার মামলায় আটক করা হয়। বুধবার উক্ত মামলায় জামিনে মুক্তি পান তিনি। তবে জামিন পেয়ে জেল গেটে থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে সদর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে নাশকতার মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।
এবিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন মোল্যা জানান, আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে কয়েকটি মামলা রয়েছে। সে জামিনে মুক্তি পেয়েছিল। আমরা তাকে অন্য একটি মামলায় আটক করেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1389090905_1491370997-jpg-pagespeed-ic-1d00u9y6y5শ্রীমঙ্গলের সাত রঙের চা সবার কাছেই খুব আকর্ষণীয় ও প্রিয়। সাতরঙের রঙিন চায়ের এই বিশেষ রেসিপি বেশির ভাগ মানুষেরই অজানা। অনেকেই আবার ভাবেন এটা শুধুমাত্র শ্রীমঙ্গলেই পাওয়া যায়।

তাহলে জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন মজাদার এই সাত রঙের সুন্দর ও আকর্ষণীয় চা বানানো যায়। যা আপনার পরিবার বা অতিথিদের অনেকটাই চমকে দিবে।

যে যে উপকরণ লাগবে-
১। চা পাতা
২। চিনি
৩। কনডেন্স মিল্ক

সাত রঙের চা প্রস্তুত প্রণালী-
১। প্রথমে ১ টেবিল চামচ চিনির সাথে ২ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে সিরা করে নিতে হবে।
২। পরিমাণ মতো পানি এবং চাপাতা চুলায় জ্বাল দিয়ে লিকার তৈরী করে নিন।
৩। ১ টেবিল চামচ লিকার ও ১ চামচ সিরা মিশিয়ে রাখুন।
৪। তারপর ২ টেবিল চামচ কনডেন্স মিল্কের সাথে ১ টেবিল চামচ লিকার মিশিয়ে নিতে হবে।
৫। তারপর একটা কাপ/গ্লাসে প্রথমে প্লেইন সিরা ঢেলে নিয়ে ২০ সেকেন্ড পরে সিরা মেলানো লিকার টা দিতে হবে।
৬। এর ৩০ সেকেন্ড পরে কনডেন্স মিল্কের মিশ্রন দিতে হবে।
৭। তার ১ মিনিট পর বাকি লিকারটুকু গরম করে একদম কাপের ধার ঘেষে আস্তে আস্তে ঢালতে হবে।
৮। আরও ১ মিনিট পর পর কনডেন্স মিল্কের মিশ্রন ও লিকার আস্তে আস্তে ঢালতে হবে।

এবার দেখুন সহজেই তৈরী হয়ে গেল সাত লেয়ারের মজাদার রঙিন চা। এভাবেই পরিবারের সবাইকে উপহার দিন মজার এই রঙিন চা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1488474935_1491387030-jpg-pagespeed-ic-4wmyv86jq6বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন একথা জানিয়েছেন অধিনায়ক থেকে অবসর নিলেও যতদিন ফিট থাকবেন ততদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলবেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বুধবার কলম্বোতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

পাপন বলেন, মাশরাফি একটা জিনিস সব সময় বলে আসছিলেন যে এই টি টুয়েন্টি সিরিজটা ক্যাপ্টেন হিসেবে তার শেষ সিরিজ। তার মানে এই নয় যে স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ছেন তিনি।

বোর্ড সভাপতি বলেন, মাশরাফি, সাকিব, তামিম ও মুশফিক দলের জন্য অপরিহার্য। তাদের দলকে আরো অনেক কিছু দেয়ার আছে। তিনি আরও বলেন, মাশরাফির দল থেকে বাদ পড়ার কোনো কারণ নেই। যতদিন ফিট থাকবে ততদিন মাশরাফি ক্রিকেট খেলবে।

এর আগে মঙ্গলবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের লঙ্কানদের বিপক্ষে ১ম টি-টোয়েন্টি খেলা শুরুর আগে মাশরাফি ফেসবুক স্টাটাসে অবসরের কথা জানান।
এতে তিনি বলেন ‘আমি মনে করি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নেয়ার জন্য এটাই আমার উপযুক্ত সময়।’ ম্যাচের টসের সময়ো তিনি ধারাভাষ্যকার ডিন জোনসকে জানিয়ে দেন তার টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের কথা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

002গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর : বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা শ্যামনগর। আর সাথে সাথে এ উপজেলার একেবারেই কোল ঘেষে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নিরবচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। আর সুন্দরবনের অপরুপ সুন্দরের আলোয় আলোকিত হয়ে এ বনের পাদদেশে উপজেলা প্রশাসনের তত্বাবধায়নে গড়ে উঠেছে আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম। মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠা এ পর্যটন কেন্দ্রটি মন কেড়েছে অসংখ্য পর্যটকের।ছুটির দিনে উপজেলার পর্যটকদের ব্যপক আগমনে পরিপূর্ণ যৌবন ফিরে পায় আকাশনীলা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। দর্শনার্থীদের জন্য শুধু মাত্র সুন্দরবন দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি এখানকার কর্তৃপক্ষ। তৈরি করা হয়েছে মোঃ আব্দুস সামাদ ফিস মিউজিয়াম। মানব সৃষ্ট পরিবেশ দূষণের কারণে দ্রত জলবায়ুর পরিবর্তন এবং মাছের  আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে দিন দিন মাছ বিলুপ্তের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে আমাদের নতুন প্রজন্ম আমাদের ওই সব সংস্কৃতির নিদর্শন দেখতে পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। বিলুপ্ত এবং বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলে বাস করা বিভিন্ন জলজ প্রাণীর সাথে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই ব্যতিক্রম ধরনের জাদুঘর গড়ে তুলেছে উপজেলা প্রশাসন। জাদুঘরটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পর্যটকদের সুন্দরবন অঞ্চল অর্থাৎ উপকূলীয় অঞ্চলের মাছের সাথে পরিচয় ঘটাতে তৈরি করা হয়েছে। জাদুঘরটি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসেনের তত্বাবধায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক001 হোসেন বলেন, “জাদুঘরটিতে রয়েছে জলের রাজ্যে বিচরণ করা চুনোপুটি থেকে শুরু করে ১০২ প্রকার আধা লবণ এবং সামুদ্রিক মাছ। যেগুলো মেডিসিনের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আঞ্চলিক নামের সাথে সাথে মাছের বৈজ্ঞানিক নামসহ সকল প্রকারের বর্ণনা দেয়া আছে যাতে করে দর্শনার্থীরা ওই  মাছ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন।”
আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টারে প্রবেশ করে ১০০ ফুট ভিতরে গিয়ে ডান ধারের বাশের ট্রায়েল ধরে সামনে গিয়েই নদীর উপরে মনোরম পরিবেশে নির্মিত আব্দুস সামাদ ফিস মিউজিয়ামটি দেখতে পাবেন। ভিতরে প্রবেশ করে  দেখতে পাবেন কই, তপসে, ছরি মাছ, রিফশার্ক, অক্টোপাস, শাপলা পাটা, হাড় কাকড়াবাগদা, লটিয়া চান্দা, বেলে, খলসে, ভেটকি, পারশে, খরসুলা, খলিসার মত বাজারে কম চোখে পড়া নানা প্রজাতির মাছ দেখতে পারবেন। জানতে পারবেন এদের আবাসস্থল ও ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যসমূহ। চোখে পড়বে মাছ ধরার কাজে ব্যবহƒত বাঁশ বেতের তৈরি খেয়া নৌকা, মাছ ধরার বিভিন্ন রকমের জাল, পলো, বাঁশের তৈরি মাছ রাখার বিভিন্ন ধরনের উপকরণ। পরিবেশ দেখে মনে হবে যেন কোনো জেলের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন।সাথে সাথে সুন্দরবনের আদলে বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে ছোট্র পরিসরে তৈরি করেছে সুন্দরবন, যার মাধ্যমে মানুষ সুন্দরবন সর্ম্পকে সবকিছু জানতে বা বুঝতে পারবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসাইন সাগর বলেন“ আরোও বড় পরিসরে এটিকে সম্প্রসারণের কাজ হাতে নেয়া হবে। আশা করছি অল্প কিছু দিনের মধ্যে আমরা উপকূলীয় অঞ্চলের আরো বিভিন্ন  প্রজাতির মাছ দর্শনার্থীদের দেখাতে পারব।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

789প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর কর্মসূচী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে সিটি কলেজ চত্বরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখা। ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগ। সিটি কলেজ ছাত্রনেতা মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেম সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওন। এসময় সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য শফি, মহাব্বত, কবির, ফাহিম, নোমান, মেহেদী, আমিনুর, সোহার্তো, মিরাজ, আসাদ, হাবিবুর ইসলাম, শাহারিয়ার,  শুভ প্রমুখ। এই গণস্বাক্ষরে অংশ গ্রহন করেন শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী এবং সাধারন মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

555555তরিকুল ইসলাম লাভলু, নলতা : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নলতা হাই স্কুলের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান আজ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ও আগামী শুক্রবার বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আয়োজক কমিটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের জমিদার বাবু ভঞ্জ চৌধুরী ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু করেন। পরে অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক, শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারক আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহছানউল্লা (রহ.) এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টির ভবন নির্মাণ সহ বহু উন্নতি সাধিত হয়। পীর কেবলার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯১৯ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিদ্যালয় স্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত প্রধান শিকের দায়িত্ব পালন করেন বিখ্যাত শিাবিদ বাবু জ্ঞানেদ্রনাথ চক্রবর্তী। এছাড়া ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল বাবু বিজয় নাথ মুখার্জি, ০১-০১-১৯৪৬ সাল থেকে ৩০-০১-১৯৪৯ সাল বাবু তারাপদ মুখার্জি, ৩০-০১-১৯৪৯ সাল থেকে১৫-০৮-১৯৪৯ সাল মো. মাহাবুবুর রহমান, ১৬-০৮-১৯৪৯ সাল থেকে ২৬-০২-১৯৫০ সাল (ভারপ্রাপ্ত)মো. জনাব আলী, ২৭-০২-১৯৫০ সাল থেকে ২২-০৭-১৯৫০ সাল মো. আব্দুল হাই, প্রধান শিক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। দেশ বিভাগের পর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন আলহাজ্জ দরবেশ আলী। ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত আলহাজ্জ দরবেশ আলী অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার প্রচেষ্টায় শিা প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। তার কঠোর পরিশ্রম, নিবিড় পরিচর্যা ও সঠিক পাঠদানের ফলে ১৯৭৬ সালে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ডা. আবুল কালাম আজাদ সারাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করা  (বর্তমানে ঢাকা ক্যান্সার হাসপাতালের ডিডি  হিসেবে কর্মরত আছেন) সহ সে সময় ছাত্র/ছাত্রীরা অভূতপূর্ব ও ঈর্ষনীয় ফলাফল অর্জন করতে সম হয়। উক্ত স্কুলের অনেক ছাত্র/ছাত্রী বর্তমানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়ে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছেন।
২ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান সূচী হল, আজ ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় রেজিস্ট্রেশন কিটস বিতরণ, সন্ধ্যা ৭ থেকে সাড়ে ৯টা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, রাত ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আগামী কাল ২য় দিন ৭ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ৮ টায় সকলের উপস্থিতিতে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন, ৮টা১০ মিনিটে র‌্যালী, ৯টা৪৫ মিনিটে অতিথিদের আসন গ্রহণ, স্বাগত ভাষণ, শোক প্রস্তাব ও নীরবতা পালন, আহবায়ক ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য, বর্তমান শিক্ষার্থীদের থেকে বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, বিশেষ অতিথির বক্তব্য, প্রধান অতিথির বক্তব্য ও স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন, সভাপতির ভাষণ। দুপুর ১২ টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সাড়ে ১২টা ৩০ মিনিট থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নামাজ ও দুপুরের খাওয়ার বিরতি। বিকাল সাড়ে ৫ টায় প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের বক্তব্য, খেলাধুলা অনুষ্ঠান ও র‌্যাফেল ড্র, সন্ধ্যা ৭ টায় ভিডিও প্রদর্শনী, ৭.১৫ মিনিটে ক্রেস্ট ও পুরস্কার বিতরণ , রাত ৮টায় আলোক উৎসব, সাড়ে ৮টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং রাত ১০ টায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপ্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

000007777তরিকুল ইসলাম লাভলু : কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত-প্রখ্যাত এই খনার বচনটি মানুষের অন্তরে গেঁথে আছে বহু কাল ধরে। বচনটি পরিবর্তন না হলেও আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে তাঁতে। উৎপাদনেও এসেছে পরিবর্তন। তাই তাঁতেই কাপড়, তাঁতেই ভাতের স্থলে এখন তাঁতেই গজ-ব্যান্ডেজ,তাঁতেই ভাত বললেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের পশ্চিম নলতা, মাঘুরালী, মধ্য নলতা, পূর্ব নলতা, ইন্দ্রনগর ও সোনাটিকারী গ্রামের নারী-পুরুষ এখন ব্যস্ত গজ-ব্যান্ডেজ তৈরি কাজে। তাতে উৎপাদিত হচ্ছে উন্নতমানের  সার্জিক্যাল গজ-ব্যান্ডেজ। এ কাজ করে উপজেলার প্রায় আট হাজার পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। আর এসব উৎপাদিত গজ-ব্যান্ডেজ যাচ্ছে ঢাকা, খুলনা, চট্রগ্রামসহ সারাদেশে।
নলতা ইউনিয়নের নলতা শরীফ এলাকায় ঢুকতেই কানে শব্দ আসে খট খট খট…। এক বাড়ি নয়, দুই বাড়ি নয়,পাশাপাশি প্রায় সব বাড়িতেই একই শব্দ। প্রতিটি বাড়িতে চলছে আধুনিক বিদ্যুৎচালিত তাঁত পাওয়ার লুম। পাশাপাশি দুই/তিনটা পাওয়ার লুম পরিচালনা করছেন একেকজন আবার কেউ বা বাঁধছেন সুতা।
২০ বছর আগেও এখানকার কারিগররা হস্ত পরিচালিত তাতে বুনতেন শাড়ি,গামছা ও লুঙ্গি। কিন্তু এখন সবাই বোনেন গজ-ব্যান্ডেজ। আর এর উপরেই নির্ভর করে তাদের জীবন-জীবিকা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দীর্ঘ ২৫/২৬ বছর ধরে নিজের বাড়িতেই আপন মনে তাঁত বুনছেন মিজান কারিগর। পারিবারিকভাবে তাঁতের সঙ্গেই তার পরিচয়।বাপ-দাদা সবাই তাঁত বুনতেন। তখন শাড়ি, গামছা, লুঙ্গি তৈরি হতো। তখন পুরো জেলায় নলতার গামছার নাম ছিল। আমিও কাজ শিখে প্রায় প্রায় ১২ বছর শাড়ি,লুঙ্গি আর গামছা তৈরি করেছি। কিন্তু ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। এলাকার সবাই চলে আসি গজ-ব্যান্ডেজে।
শাড়ি, লুঙ্গি বা গামছা তৈরি ছাড়ার কারণ হিসাবে ফয়সাল কারিগর বলেন, এখন আর সেই সুতা, রং আসেনা। রং করলে স্থায়ী হয়না। তাই সবাই গজ-ব্যান্ডেজ তৈরির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এখন মহাজনেরা নারায়নগঞ্জ থেকে সুতা এনে আমাদের কাছে দেয়। আমরা সেই সুতা দিয়ে শুধু গজ-ব্যান্ডেজ তৈরি করি এবং সে অনুযায়ী মজুরি পায়।
মধ্য নলতা গ্রামের তাঁতি রফিকুল ইসলাম বলেন, সুতা মহাজন দেয় আর আমরা শুধু কাজ কারি। মেশিন আমদের। ৩৬ হাত গজ-ব্যান্ডেজে এক একটি রোল তৈরি হয়। এক রোল তৈরি করলে ২০ টাকা পায়।একা তিনটা মেশিন চালানো যায়। প্রতিটি মেশিনে দিনে ছয়/সাতটি রোল গজ-ব্যান্ডেজ তৈরি করা যায়।
তাঁতি শুশিল দাস বলেন, এখন তো আর হাতের তাঁত নেই। এক একটা পাওয়ার লুম মেশিনের ২৪ থেকে ২৬ হাজার টাকা দাম পড়ে। নিজস্ব তিনটা মেশিনে আমি প্রতিদিন কাজ করে গড়ে আমি চারশ টাকা পাই।
তিনি আরোও বলেন, আগে আয় বেশি হতো আর এখন ৩৬ হাত লম্বা গজ-ব্যান্ডেজ তৈরি করে মাত্র ২০ টাকা পায়। কিন্তু তাতে উৎপাদিত শাড়ির দাম বেশি ছিলে। যদিও উৎপাদন বেশি,কস্ট কম। মেশিন অন করে চালিয়ে রেখে মাঝে মধ্যে একটু দেখাশোনা করলেই হয়।
মাঘুরালী গ্রামের তাঁতি লতিফার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মেশিনে সুতা বাধছিলেন। সুতা বাধার জন্য তিনি পান একশ টাকা। এই কাজে কষ্ট কম বলে লতিফার মতো কয়েকশ গৃহিণী নারীসহ পরিবারের সবাই মিলে পাওয়ার লুম মেশিনে গজ-ব্যান্ডেজ তৈরি করে।
ইয়াসিন নামে অপর এক তাঁতি বলেন, এলাকার বেকার ছেলে-মেয়েরা ডিজিটাল এই পাওয়ার লুম মেশিনে কাজ করে এবং এতে আয়ও বেশ ভাল হয়। তবে এই আধুনিক পাওয়ার লুম মেশিনে যে কোনো সমস্যা নেই তা কিন্তু নয়! একদিন বিদ্যুৎ না থাকলে বন্ধ হয়ে যায় নলতা এলাকার গজ-ব্যান্ডেজ তৈরির কর্মযজ্ঞ। আর রয়েছে মধ্যসত্ত্বভোগীদের থাবাও।
তাঁতশিল্পের উপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহকারী নলতার ওমর আলী, মাসুল, ফারুক হোসেন, সাইফুল ইসলাম, গোপাল, দীপঙ্কার ও নাসিমা খাতুন বলেন, গজ-ব্যান্ডেজ তৈরির কাজে আসার পর থেকে এখন আর তাদের সংসারে অভাব নেই।
এলাকায় তাঁত ব্যাবসার মহাজন বলে পরিচিত শ্যামল চন্দ্র পাল বলেন,তার কারখানায় ২৫টি পাওয়ার লুম মেশিন রয়েছে। এখানে আট/নয়জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে। নারায়নগঞ্জ থেকে সুতা এনে প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই সরবারহ করেন তিনি। একই সাথে তার কারখানায়ও গজ-ব্যান্ডেজের কাজ চলে।
তিনি আরও বলেন, সুতা এনে গজ-ব্যান্ডেজ তৈরি করতে প্রত্যেক পিসে (রাল) ২০ টাকা দিতে হয়। তারপার ব্যান্ডেজগুলো ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে পাঠানো হয় ঢাকা, খুলনা, চট্রগ্রামসহ সারাদেশে। আমরা সুতার দাম দুই/তিন টাকা লাভে বিক্রয় করি। সরকার যদি সরাসরি আমাদের কাছ থেকে পণ্য নিতো তাহলে আমরাও বাঁচবো আর ক্ষুদ্র কারিগররাও বেশি মজুরি পাবে। বড় বড় কোম্পানীগুলো আমাদের কাছ থেকে গজ-ব্যান্ডেজ নিয়ে সরকারের কাছে সরবারহ করে সে কারণে আমরা অধিক লাভ থেকে বঞ্চিত হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest