সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপ

745mn1_76আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের মাস্তাং এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল বা দায়েশের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার নিহত হয়েছে।

মাস্তাং এলাকার পাহাড়ের কাছে শুক্রবার এ অভিযান শুরু হয় এবং শনিবার রাত পর্যন্ত তা চলে। গত ২৪ মে বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটা থেকে চীনা ভাষা শিক্ষার দুই ইন্সট্রাক্টরকে অপহরণের পর এ অভিযান চালানো হয়।

বলা হচ্ছে- পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকা থেকে একটি গাড়ি উদ্ধার করেছে যা চীনা দুই নাগরিককে অপহরণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। অভিযানের আগে ওই এলাকায় পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা দায়েশের অন্তত ১০ জন কমান্ডার বৈঠকে বসেছিল। এর মধ্যে অন্তত আট থেকে নয়জন নিহত হয়েছে এবং বাকি এক বা দু জনকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানে তিন কর্মকর্তাসহ সাত সেনা আহত হয়েছেন; এর মধ্যে দু জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানো গেছে। পাক সেনা কর্মকর্তারা দাবি করছেন, এ অভিযানে দায়েশের শীর্ষ কমান্ডাররা নিহত হওয়ায় দেশটিতে এ গোষ্ঠীর তৎপরতা বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে শনিবারের এ অভিযান চালানো হয়েছে যাতে অভিযান সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না হয়ে পড়ে। অভিযান সম্পর্কে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর কোনো মন্তব্য করে নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

GiCpx2_74রাঙামাটির লংগদুতে পাহাড়িদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সোমবার ভোর থেকে জেলার সড়ক ও নৌপথ অবরোধ শুরু হয়েছে। শনিবার রাতে ইউপিডিএফের রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অবরোধ ডাক দেওয়া হয়।

অবরোধ চলাকালে অ্যাম্বুলেন্স, বিদ্যুত-পানি-গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা, সংবাদপত্রের গাড়ি ও সাইকেল ব্যতীত দূরপাল্লার সকল যানবাহন ও নৌ না চালানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের চার মাইল এলাকা থেকে যুবলীগের লংগদু সদর ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়নের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। শুক্রবার সকালে সে মৃতদেহ নিয়ে লংগদু সদরে বিক্ষোভ-মিছিল বের হয়। সে সময় কিছু লোক পাহাড়িদের ঘরবাড়িতে আগুন দেয়।
উল্লেখ্য খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের চার মাইল (কৃষি গবেষণা এলাকা সংলগ্ন) নামকস্থান থেকে বৃহস্পতিবার (১ জুন) দুপুরে লংগদু সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়নের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (২ জুন) সকাল ৭টার দিকে নুরুল ইসলাম নয়নের মরদেহ খাগড়াছড়ি থেকে লংগদু নেয়া হয়।

মরদেহ বাইট্টা পাড়ার নিজ বাড়িতে নেয়া হলে সেখান থেকে সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ উত্তেজিত লোকজনের একটি মিছিল লংগদু উপজেলা সদরে যায়।

পথে মিছিল থেকে লংগদুর তিনটিলাসহ উপজেলা সদরের আশেপাশে পাহাড়িদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে তাৎক্ষণিক থমথমে হয়ে ওঠে লংগদুর পরিস্থিতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

wmPwGK_pupউত্তর ব্যাংককের একটি প্রসিদ্ধ কেক-পেস্ট্রির দোকান উইলেইওয়ান। তাদের ফেসবুক পোস্টে কয়েকটি ছবি দেখে সবার অবাক হয়েছে। ‘কুকুর ছানাদের’ নাকি একটি জেলির উপরে ফেলে পরিবেশন করা হচ্ছে। ছবিগুলো পোস্ট হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০ হাজারের উপর শেয়ারও হয়ে গেছে। মিষ্টির দোকানে এমন অনাসৃষ্টি কাণ্ড দেখে গ্রাহকরাও অবাক।

তবে কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, এগুলো জীবন্ত কুকুর ছানা নয়। তাদের মতো দেখতে নারকেল ক্রিম পুডিং। সাধারণত উইলেইওয়ান ফুলের ছাঁচে ফেলে পুডিং তৈরি করে এই দোকান। কিন্তু একটু অন্যরকম কিছু করার তাগিদে, তারা কুকুরছানার ছাঁচে ফেলে এই মিষ্টি তৈরি করার কথা ভাবে। যেমন ভাবা তেমনি কাজ। কুকুর ছানার মতো দেখতে পুডিং তৈরি করে সাড়া ফেলে দিয়েছে এই দোকানটি।

কিন্তু এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের দুই ভাগ করে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, এত দারুণ মজা। কেউ আবার বলছে, কুকুরছানাদের এত ভালোবাসি, তাদের মতো দেখতে কোনো খাবার খাওয়া যায় নাকি।

দোকানের মালকিন উইলেইওয়ান মি নুয়েন এবং তার স্বামী আশ্বস্ত করছেন, এই মিষ্টিতে কোনোভাবেই জীবন্ত কুকুরের কোনো চিহ্নই নেই। এটি নেহাতই অন্যরকম একটি পুডিং মাত্র এবং কয়েকদিনেই বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। একটি পিসের দাম রাখা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রার মূল্যে প্রায় ৫৮ টাকা।

পশুপ্রেমীরা এর বিরুদ্ধে কমেন্ট করেছেন কিন্তু এখনই কোনো সংগঠন এই পুডিং বন্ধ করার দাবিতে আন্দোলনে নামেনি। তবে উইলিওয়ান তা নিয়ে যে একটুও চিন্তিত নন তা নয়। অবশ্য তিনি ভাবছেন এই বিতর্কে তার দোকানের নামডাক একটু ক্ষতি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1496573777-cow-01ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : ভারতে একটি সদ্যোজাত বাছুরের ‘মানুষের  মতো’ মুখ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। গরু নিয়ে ভারতের উত্তাল রাজনীতির এই সময়ে বাছুরের মুখ মানুষের মতো হওয়াতে এই প্রাণিটিকেই পূজা করছেন অনেকেই। খবরে জানা যায়, উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগরের একটি প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রে এই অদ্ভুতদর্শন বাছুরটির জন্ম হয়। জন্মাবার পর দেখা যায় বাছুরটির মুখের আদলের সঙ্গে মানুষের মুখের আদলের মিল আছে।
এরপরই শুরু হয় ধুন্দুমার। অনেকে বাছুরটিকে রীতিমতো পূজা করা শুরু করে দেন। কিন্তু এই পুজোর ধাক্কা সামলাতে না পেরেই কি না জন্মের কিছুক্ষণ পর বাছুরটি মারা যায়। তবে এরপরও ওই বাছুরটির আবেদন কমেনি। বাছুরটির মৃতদেহ সংরক্ষণ করে এতে ফুলের মালা পরিয়ে রেখেছেন ভক্তরা! আর এই মৃত বিকলাঙ্গ বাছুরটি দেখতে লোক আসছেন হাজারে হাজারে।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, বাছুরটি ‘গোকারণ-২৪’  গ্রন্থে বর্ণিত বিষ্ণুর অবতার। তাই তাঁরা বাছুরটির জন্য একটি মন্দির বানাতে চান। তবে গরুর বাছুরটিকে নিয়ে এত আলোড়নকে কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রাণি বিশেষজ্ঞরা। দিল্লিতে কর্মরত প্রাণীচিকিৎসক রনজিত মেহতা জানান, জিনগত গঠনে সমস্যার কারণে বিভিন্নরকম প্রাণীর জন্ম হয়। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এ নিয়ে কুসংস্কারের কোনো অবকাশ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

upol-tharanga-1সংবাদ সম্মেলনে ঢুকেই লন্ডন হামলায় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানালেন স্টিভেন স্মিথ। নিজ দল কিংবা প্রতিপক্ষকে নিয়ে কথা বলার চেয়ে জঙ্গিবাদ নিয়েই বেশি সময় পার করলেন অস্ট্রেলিয়ান কাপ্তান। তারপর সোমবারের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের ক্রিকেটার তামিম, মোস্তাফিজের নামটা ঠিকঠাক বলতে পারলেও আটকে গেলেন মুশফিকের নাম বলতে গিয়ে। নাম জানুন বা না জানুন এইটুকু বলতে পারলেন যে তার দলের জন্য এই তিনজন সত্যিকার অর্থেই বিপদ ডেকে আনতে পারেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তামিম-মুশফিক জ্বলে উঠলেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি দ্য ফিজ। আইপিএল খেলার কল্যাণে মোস্তাফিজকে ভালোই জানা স্মিথের। আর ইংলিশদের বিপক্ষে দারুণ এক শতক হাঁকিয়েছেন তামিম। ইংলিশ মিডিয়াতে কিঞ্চিৎ লেখালেখির কারণেই হয়তো টাইগার উদ্বোধকের নামটা জানা আছে অজি দলপতির।

তাই যখন তাকে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল তাতে তামিম-মোস্তাফিজের নাম বলতে পারলেও আটকে গেলেন মুশফিকে, ‘বাংলাদেশের দলটিতে বেশ কয়েকজন বিপজ্জনক খেলোয়াড় আছে। তামিম ইকবাল দারুণ খেলেছে। ম…ম…নামটা ঠিক, মুশফিক। তাই নয় কি? কিপার। সেও ভালো ক্রিকেটার। আর মোস্তাফিজ অসাধারণ বোলার। ওদের হারাতে আমাদের ভালো খেলতেই হবে।’

নাম ঠিক বলতে না পারলেও পরিসংখ্যান কিন্তু স্মিথের যুক্তিই সত্যি প্রমাণিত করে। কয়েক বছর ধরে টাইগার ব্যাটিংয়ের প্রাণভোমরা মুশফিকুর রহিম। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্ট্রাইক রোটেট করতে তার জুড়ি মেলা ভার। আর আগের মারদাঙ্গা ব্যাটিং তুলে রেখে পরিণত এক ব্যাটসম্যানের নাম তামিম ইকবাল। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে পাঁচটি শতক তারই প্রমাণ। মোস্তাফিজ তো ক্রিকেটবিশ্বের কাছে এক বিস্ময়েরই নাম!

স্মিথ মুশফিকের নাম না জানলেও এসব ব্যাপারে ওয়াকিবহাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xwHONE_4945চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ১২৪ রানে হারিয়েছে ভারত। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ভারতের হয়ে ব্যাটিংয়ের উদ্বোধন করেন রোহিত শর্মা আর শিখর ধাওয়ান।

ভারতের করা ৩ উইকেটে ৩১৯ রানের জবাবে ৩৩.৪ ওভারে সবকটি উইকেট (ওয়াহাব রিয়াজ ইনজুরির কারণে খেলতে পারেন নি) হারিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ১৬৪ রানের মাথায়। রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান,বিরাট কোহলি ও যুবরাজ সিংয়ের ব্যাটিং তাণ্ডবে নাকানি চুবানি খেয়েছে পাক বোলাররা।

বৃষ্টি বিঘ্নিত কারণে ৪৮ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগুন ঝরিয়েছেন বিরাট কোহলি ও যুবরাজ সিং। পাকিস্তানে বিপক্ষে দেখা গেল সেই চির চেনা যুবরাজকে। ধুন্ধমার চার-ছক্কার মারে তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। মাত্র ৩২ বল খেলে ৮টি চারের মার ও ১টি ছক্কায় ৫৩ রান করে হাসান অালীর বলে আউট হন যুবরাজ। এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে শিখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মার শক্ত ভিত গড়ে দেন ভারতকে। তাদের জুটি থেকে আসে ১৩৬ রান। শিখর ধাওয়ান করেন ৬৮ রান। আর রোহিত রান আউট হওয়ার আগে করেন ৯১ রান।

খেলায় বিরাট কোহলির বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ৩২০ রানের বড় সংগ্রহ পায় ভারত। বিরাট কোহলি ৬৮ বলে ৩ ছক্কা ৬টি চারের মারে করেন অনবদ্য ৮২ রান।

এদিকে ভারতের দেওয়া ৩২০ রানের টার্গেটে পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজহার আলী আর আহমেদ শেহজাদ ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৪৭ রান তোলেন। শেহজাদ ১২ রানে ফিরলেও ৬৫ বলে ৬টি বাউন্ডারিতে ৫০ রান করে বিদায় নেন আজহার। তিন নম্বরে নামা বাবর আজম করেন ৮ রান। মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। ১৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন শোয়েব মালিক। কোনো রান ছাড়াই ইমাদ ওয়াসিমকে ফিরতে হয়। আর অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ব্যক্তিগত ১৫ রানে বিদায় নেন। শাহদাব খান ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

04---aমোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ও আনুলিয়ায় দু’টি সুপেয় পানির প্লান্ট উদ্বোধন এবং শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। রবিবার আশাশুনির এসব এলাকায় পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্লান্ট উদ্বোধন ও চেক বিতরন করা হয়।
বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুল চত্বরে ও দঃ কাকবাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এনজিও উন্নয়ন প্রচেষ্টা দু’টি সুপেয় পানির প্লান্ট নির্মান করেছে। কাকবাসিয়া প্লান্ট ২০ লক্ষ টাকা এবং বড়দল প্লান্ট ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উভয় প্লান্ট থেকে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ হাজার লিটার করে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্লান্ট পরিচালনার জন্য দু’টি ৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা প্লান্ট দু’টি পরিচালনা করবে। বর্তমানে প্রতি লিটার পানির মূল্য নির্দ্ধারন করা হয়েছে ৫০ পয়সা। স্কুল শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং মসজিদের জন্য বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হবে। উন্নয়ন প্রচেষ্টা নির্বাহী পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলির সভাপতিত্বে প্লান্ট দু’টির পৃথক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, সাবেক এমপি আলহাজ্ব ডাঃ মোখলেছুর রহমান, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্যা, বড়দল কলেঃ স্কুলের অধ্যক্ষ ড. শিহাব উদ্দিন প্রমুখ। পরে বড়দল, কাদাকাটি ও খাজরা ইউনিয়নের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ৪.০০ থেকে ৪.৯৯ প্রাপ্ত ৪৪ জন কৃতি ছাত্রছাত্রীকে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষা বৃত্তির প্রথম কিস্তির টাকা প্রদান করেন প্রধান অতিথি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌরসভা সুইপার কল্যাণ ইউনিয়ন কর্মচারীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরা পৌরসভার সামনে ঘণ্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কর্মচারীরা সাতক্ষীরা পৌর মেয়র বরাবর দুটি ব্যানার সম্বলিত আবেদনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া উত্থাপন করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তারা এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কর্মচারীরা তাদের আবেদনে উল্লেখ করেন যে, আমরা সাতক্ষীরা পৌরসভার পরিস্কার পরিছন্নতার কাজ করে থাকি। যা লোক চক্ষে একটি অশোভনীয় কাজ। তারপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শুধুমাত্র পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য এসকল কাজ আমরা করে থাকি। এ কাজের করার কারণে আমরা বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। আর এ কাজের বিনিময়ে আমরা যে বেতন পাই তা বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না। এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে আমাদের জীবন যাপন করা কষ্ট সাধ্য হয়ে যাচ্ছে। এ কাজ করার ফলে আমরা জড়িয়ে পড়ি নানা ধরনের রোগে, আর বৃদ্ধ বয়সে আমাদের কোনো ভবিষ্যত নেই। এ কারণে আমরা পরিবারের সদস্যদের কাছেও হয়ে থাকি অবহেলিত, লাঞ্ছিত।
এজন্য কর্মচারীরা মানবিক দিক বিবেচনা করে কর্মচারীরা যাতে তিন বেলা খেয়ে সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারে সে ব্যাপারে সাতক্ষীরা পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest