সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুলচিকিৎসকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

9a2ac6dee5768ec4684aed2d4ebaa108-593147f6edcbaস্বাস্থ্য ও জীবন : চকলেট কে ভালোবাসে না? এটি লাখ টাকার প্রশ্ন। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যিনি চকলেট পছন্দ করেন না। উৎসব উদ্যাপন, প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে উপহার হিসেবে বা পুরস্কার হিসেবে সবচেয়ে বেশি আদান-প্রদান হয় হরেক রকমের চকলেট।
অবশ্য চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, নাকি মন্দ এটি এখনো পুরোপুরি মীমাংসা হয়নি। বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা কখনো চকলেটকে ভালো বলছেন, আবার কখনো এর উপকারিতা বেশি নয় বলেও রায় দিয়েছেন। তবে চকলেটের পক্ষেই রায় পড়েছে বেশি।
চকলেট নিয়ে হওয়া সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোতে বলা হয়েছে, এটি উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক করে এবং হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া চকলেট রক্তে শর্করার হ্রাস-বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।
চকলেট তৈরির মূল উপাদান কোকোয়া। গবেষণায় এই কোকোয়ার নানা অদ্ভুত গুণের কথা জানা গেছে। প্রাচীন মায়া সভ্যতায় দৌড়ানোর সহায়ক হিসেবে চকলেট পাউডার ব্যবহার করা হতো। এটি খেলে নাকি বেশি দৌড়ানো যেত! আর বর্তমান শতাব্দীর গত দশকে জানা গেছে, চকলেটে থাকা রাসায়নিক পদার্থ ডায়রিয়া নিরাময়ে বেশ উপকারী ভূমিকা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওর সেইন্ট ভিনসেন্ট মার্সি মেডিকেল সেন্টারের কার্ডিওলজি বিভাগের গবেষক ওয়াইস খাজা বলেন, ‘চকলেট খুব ভালো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। শরীরের প্রদাহজনিত রোগ কমাতে এটি ভালো কাজে দেয়। আমরা মনে করি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হওয়ার কারণেই এর উপকারী দিক বেশি। চকলেট খেলে ক্যানসার ও স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকিও কমে আসে।’
তবে সব চকলেটেই যে সমান গুণ আছে, তা কিন্তু নয়। কারণ, সব চকলেট একই রেসিপিতে তৈরি হয় না। কোকোয়া বীজে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েডস নামক একটি পুষ্টিকণা চকলেটকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিণত করে এবং প্রদাহজনিত রোগ কমানোর গুণ দেয়। কালো কুচকুচে ডার্ক চকলেটে এসব গুণ বেশি থাকে, দুধ মেশানো বা সাদা রঙের চকলেটে থাকে অনেক কম।
এখন প্রশ্ন হলো, ডার্ক চকলেট কী? যেসব চকলেটের ৭০ শতাংশ কোকোয়া দিয়ে তৈরি, সেগুলোকেই বলা হয় ডার্ক চকলেট। মূলত তৈরির প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে কোন চকলেটে কী পরিমাণ কোকোয়া থাকবে। চকলেটে কোকোয়া যত বেশি থাকবে, সেটি স্বাস্থ্যের জন্যও বেশি উপকারী হবে।
আমরা বাজারে যেসব চকলেট কিনি, সেগুলো কি বিশুদ্ধ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, না। ওয়াইস খাজা বলেন, ‘বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত চকলেটে থাকে দুধ ও চিনি। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এগুলো খুব একটা পুষ্টিকরও নয়।’ তবে ওয়াইস খাজা এও জানিয়েছেন, বিভিন্ন ধরনের চকলেটের গুণ নিয়ে তুলনামূলক গবেষণা কম হয়েছে। তাই ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও কতটুকু উপকারী, তা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দিনে দুবারের বেশি ডার্ক চকলেট না খাওয়াই ভালো।
আসুন জেনে নিই, প্রাচীনকাল থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চকলেট সম্পর্কে জানা নানা তথ্যের কথা :
৫০০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ: এ সময় চকলেটকে মনে করা হতো ‘ঈশ্বরের খাবার’ হিসেবে। কোকোয়া শব্দটি এসেছে কাকাওয়া থেকে। এর অর্থ ঈশ্বরের খাবার। ১৫০০ থেকে ৫০০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ পর্যন্ত মধ্য আমেরিকায় বসবাসকারী ওলমেক জাতিভুক্ত মানুষেরা এই নাম দিয়েছিলেন। মায়া সভ্যতার মানুষেরা পানীয় হিসেবে পান করত চকলেট। এ সময় শুধু ধনীদের খাবার ছিল এটি। তবে ইউরোপীয়রা মায়া সভ্যতা আবিষ্কারের পর থেকে চকলেট জাতি-ধর্মনির্বিশেষে সবার খাবারে পরিণত হয়।
ষোড়শ খ্রিষ্টাব্দ: মধ্য মেক্সিকো এলাকায় এ সময় চকলেটকে ‘স্বর্গীয় ও অবসাদ দূরকারী পানীয়’ মনে করা হতো। এ সময় প্রবাদ ছিল, এক কাপ চকলেট পানীয় পান করলে একজন মানুষ আর কিছু না খেয়েই সারা দিন হাঁটতে পারেন!
ঊনবিংশ শতাব্দী: এ শতাব্দীতে চকলেটের ঔষধি গুণ প্রথম জানা যায়। জ্যঁ আন্তোইন ব্রুটাস নামের এক ফরাসি ফার্মাসিস্ট প্রথম গড়ে তুলেছিলেন চকলেট মিশিয়ে ওষুধ তৈরির কারখানা। যদিও তা টিকে থাকেনি। শেষে বহুজাতিক কোম্পানি নেসলে কিনে নিয়েছিল ওই কারখানা। এই শতকেই দুধ মেশানো চকলেট তৈরির রেসিপি আবিষ্কৃত হয়।
বিংশ শতাব্দী: এ শতকে চকলেটের উৎপাদন ও জনপ্রিয়তা দুইই বেড়ে যায়। চকলেটের উপকারিতা বা অপকারিতা নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি এ সময় চকলেটে অতিরিক্ত আসক্তি নিয়েও গবেষণা শুরু হয়। ১৯৯৮ সালে যুক্তরাজ্যে প্রায় সাড়ে তিন শ মানুষের ওপর জরিপ করে দেখা যায়, পিৎজা বা বার্গারকে পেছনে ফেলে ভোক্তাদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে চকলেট। এই জরিপে আরও জানা যায়, অবসাদগ্রস্ত বা মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে মানুষ চকলেট বেশি খায়।
একবিংশ শতাব্দী: গত ১৭ বছরে চকলেট নিয়ে অনেক উন্নত পর্যায়ের গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে। ২০০২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চকলেটে থাকা ক্যাটেকিনস নামের একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পদার্থ ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। আর ডার্ক চকলেট ডায়াবেটিসকে দূরে রাখে। কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর ২০০৫ সালে চালানো এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া যায়। ২০০৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে চকলেটে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ ছাড়া হৃদ্যন্ত্র ও ত্বকের জন্যও উপকারী চকলেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

s6CPAw_10আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জুয়ার টেবিলের সামনে বসলে তাঁর হুঁশ থাকে না। মাদকের নেশা না করলে ঘুম আসে না। ইচ্ছা হলেই পরিচারক ও পরিচারিকাদের সঙ্গেও তিনি সঙ্গম করেন। যৌনদাসীর সংখ্যাও অঢেল। এমন রাজপুত্ররটির নাম মাজেদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুলাজিজ আল সৌদ। তাঁর বউয়ের সংখ্যা ৯। যার মধ্যে জুয়ায় বাজি ধরে হারালেন পাঁচজনকে! সৌদি আরবের এই কুখ্যাত রাজপুত্র সিনাই প্রদেশের গ্র্যান্ড ক্যাসিনোয় ছ’ঘণ্টা ধরে জুয়া খেলছিলেন। মাদকের নেশায় হুঁশ খুইয়ে তাঁর ধন-সম্পত্তির সমস্তটা বাজি রেখেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গে ছিল না। নিমেষে উড়ে যায় তাঁর বাজি ধরা ১.৩৫০ বিলিয়ন রিয়াল।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ আাড়াই হাজার কোটি টাকার মতো। এরপরও তিনি জুয়ায় অর্থ বিনিয়োগ করতে চান। কিন্তু কানাকড়ি কিছুই না থাকায় শেষপর্যন্ত নিজের ৯ স্ত্রীয়ের বাজি রেখে খেলা শুরু করেন। এক-এক করে পাঁচ স্ত্রীকেও খোয়ান মাজেদ। বিলাসবহুল জীবনযাপন ও নানা কেলেঙ্কারির জন্য বিশ্বখ্যাত মাজেদ।
ওই ক্যাসিনোর মালিক আলি শামুন জানিয়েছেন, “পাঁচ স্ত্রীকে বিক্রি করে ২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৬১ কোটি টাকা) পেয়েছিলেন মাজেদ। তারপর পাঁচ স্ত্রীকে এক ব্যক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে ফের জুয়া খেলায় মনোনিবেশ করেন। এর আগে অনেকে নিজের ঘোড়া, উট, বাড়ি বাজি ধরে জুয়া খেলেছেন। পরে আবার অর্থ দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এই প্রথম কেউ বউদের বিক্রি করল এবং পরে তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করলেন না।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

555নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সহ-সভাপতি, ফিংড়ী ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল খায়ের সরদারকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত।
শুক্রবার তাকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের সিসিইউতে যান বিশিষ্ট সাংবাদিক দৈনিক প্রথম আলোর স্টার্ফ রিপোটার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সম্পাদক মহসিন হোসেন বাবলু, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সহ সম্পাদক শেখ তহিদুর রহমান ডাবলুু, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, ডেইলি সাতক্ষীরার ব্যাবস্থাপক হাসান হাদি ।
এসময় তারা মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদারের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোজ খবর নেন ও তার দ্রুত আরগ্য কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00000বুধহাটা প্রতিনিধি : আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের কুঁন্দুড়িয়া-জর্দ্দা নদী পারাপারের সাঁকোর মুখের রাস্তা অবমুক্ত করনের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসি।
মরিচ্চাপ নদীর কুঁন্দুড়িয়া-জর্দ্দা বাঁশের সাঁকো দীর্ঘ দিন যাবৎ এলাকার মানুষ নদী পারাপারের জন্য ব্যবহার করে আসছে। মরিচ্চাপ নদী সংকীর্ণ হওয়ায় এলাকার মানুষ সহজে নদী পারের জন্য স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ব্যবহার করে আসছে। এই সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন কুঁন্দুড়িয়া, জর্দ্দা, বাঁকড়া, কামালকাটি গ্রামের কিছু মানুষ পারাপার হয়ে আসছিল। কয়েক বছর থেকে পাশ্ববর্তী বাঁকড়া ও কামালকাটিতে মান সম্মত সেতু তৈরি হওয়ায় এই সাঁকোর গুরুত্ব কমে গেলে এলাকাবাসি সাঁকোয় চলাচলের ৫শতক পরিমান পথের জায়গা পাশ্ববর্তী জমির মালিক রহল আমিনকে মৎস্য ঘের করার জন্য হারি হিসাবে দিয়ে আসছিলেন। এলাকাবাসির সম্মতিক্রমে এই হারির টাকা স্থানীয় মন্দিরের উন্নয়নে খরজ করত মন্দির কমিটি। এই সাঁকোর স্থানে এলাকার জেলে সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের নৌকা এনে রাখতেন এবং মাছ ও জাল ওঠানো নামানো করতেন। আর এই সাঁকোয় আসা যাওয়ার জন্য ছিল ২/৩ হাত চওড়া মাটির রাস্তা। যেটি দিয়ে মানুষ যাতয়াত করতেন। সরেজমিন দেখাগেছে, রহুল আমিন  সাঁকোয় যাতায়াতের ভেড়ির কিছু অংশ কেটে ঘেরের সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। নদীর চর ভরাটের পর চরে শত শত পরিবার ঘর বেধে বসবাস করছেন। এমনকি অভিযুক্ত রুহলআমিনের ঘরও সেই সাঁকোয় যাতায়াতের পথের মুখে। ফলে কম বেশি যারা সাঁকো ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তারা এখন যাতয়াত করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তাদেরকে কারো ঘেরের রিং বাঁধের উপর দিয়ে যাতয়াত করতে হচ্ছে। এলাকাবাসির মতে অন্যের রিং ভেড়ি দিয়ে বেশি দিন চলাচল করতে দিবে না। তখন সাঁকো ব্যবহার কারিরা বিপদে পড়বে। অভিযুক্ত রুহলআমিন জানান, সাঁকোটি ব্যবহার হত না বিধায় এলাকার মাতব্বর ও মন্দির কমিটির লোকেরা আমার থেকে বছরে ৩ হাজার টাকা হারি হিসাবে নেয় যা মন্দিরের উন্নয়নে ব্যবহার হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Lig....picনিজস্ব প্রতিবেদক : পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার বিকালে শহরের পলাশপোল (চায়না বাংলা শপিং সেন্টারের বিপরীতে) ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাবেক কাউন্সিলর ও ৮নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুলের সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড আ’লীগের সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম মনি’র সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাবেক জেলা আ’লীগের নেতা আজিবর রহমান, পৌর আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আজগর সরদার, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, পৌর আ’লীগের শিক্ষা সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমেদ খান ও মশিউর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক মাহমুদ আলী সুমন, জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আল মাহমুদ পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ন কবির, ওয়ার্ড আ’লীগের সদস্য মুহিত, শফিউল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, চিত্ত কর্মকার, আজিজুল ইসলাম মিঠু, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সুলতান ইউছুফ মিলন, সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয় প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আ’লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলিম খান চৌধুরী, পৌর শ্রম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন লাভলু, ডাঃ মনিরুল ইসলাম নাসির, খায়রুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, বাবর আলী, ওয়ার্ড আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা পারভীন মিরা, নারী নেত্রী সখিনা খাতুন, মাছুম বিল্লাহ, কৃষকলীগের ওয়ার্ড সভাপতি আবু সাঈদ বাবু ও কামাল হোসেন, পৌর তাঁতীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ আলী প্রমুখ। ইফতার পার্টিতে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
কলারোয়ার দেয়াড়ায় শ্বাসরোধে স্ত্রী হত্যাকারী স্বামী মনিরুল ইসলাম আটক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

232সরদার কালাম  : এ দুর্ভোগের শেষ কোথায়, আর কতকাল আমাদের এ দুর্ভোগ পোহাতে হবে, এ গলিমুখ রাস্তা দিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে নিম্নস্তরের কর্মচারীরা প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকেন এবং বসবাস করে স্থানীয় জনবসতি।বসবাস করছে ব্যবসায়ী মহল, চলাচল করে এই রাস্তার দু’ধারের গলিমুখ দিয়ে যেতে হয় একদিকে অবস্থিত খোরদো বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খোরদো সালেহা হক গার্লস স্কুল, খোরদো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীসহ খোরদো ক্যম্প এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিনিয়ত চলাচল! অপর গলিমুখ দিয়ে যেতে হয় খোরদো বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, তরকারি পট্টি, মাছ পট্টি, মাংস পট্টি, চাউল পট্টিসহ সকল কাঁচা পাঁকা মালের পাইকারি ও খুচরা দোকান পাঠে স্থায়ী ও অস্থায়ী জনসাধারণের চলাচল! এই রাস্তার দু’ধারে অবস্থিত গলিমুখ যদি এভাবেই পড়ে থাকে এবং বেশ কিছু দিন বৃষ্টি নামতে থাকে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রাস্তা ভেদ করে দুই গলিমুখ এক হয়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে এবং কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খোরদো চাকলা বর্ডার গার্ড ব্রিজ ও রাস্তায় চলাচলে জনদুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হবে। তারপরও কি এ রাস্তার দু’ধারের গলিমুখ সংস্কার হবে না? প্রশ্ন রেখে কথাগুলো বললেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ,আব্দুল আলিমসহ স্থানীয় বসবাসরত বাসিন্দা আনিসুর রহমান,শহিদুল ইসলামসহ স্থায়ী ও অস্থায়ী বসবাসরত জনগণ ও চলতি পথিক। জানা যায়,খোরদো চাকলা বর্ডার গার্ড ব্রিজ থেকে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ গজের দুরত্ব এই দুটি গলিমুখ।দীর্ঘদিন ধরে মরণফাঁদে পরিণত হয়ে রয়েছে এই গলিমুখ দুটি। এই গলিমুখ ভাঙ্গনে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ভুক্তভোগীদের! অনেক ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে আবাল বৃদ্ধ এবং সাইকেল মটর সাইকেলসহ অন্যান্য যান্ত্রিক জিনিস পত্র উঠা-নামা করাতে হয়। অনেক সময় অবস্থিত রবি টাওয়ারের বিভিন্ন্য উপকরণ নিয়ে ভোগান্তি পায় কতৃপক্ষ। বৃষ্টির পানি নামতেই ভাঙ্গনের ফলে নানান দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গলিমুখ রাস্তা ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই গলিমুখ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় পথচারীদের। উপরল্লেক্ষিত সকল প্রতিষ্ঠানে যেতে যে কোনো স্থান থেকে এ গলিমুখসহ রাস্তার ভুমিকা অনেকগুন বহন করে। এত জনগুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পরও দীর্ঘদিন যাবৎ গলিমুখ দুটির রাস্তাটি জরাজীর্ণ হয়ে থাকলেও এটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদসহ অন্যান্যরা বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে থাকেন। একটু বৃষ্টি হলেই আমার দোকানের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ে গলিমুখ রাস্তা ভাঙ্গনের কারনে।সেই সাথে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোডক্রসিং বৈদ্যুতিক তারের জীবন নাশক ভয়াবহ হুমকির মুখে! এতে একদিকে আমরা ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তির শিকার হই। অপরদিকে পথচারীরাও দুর্ভোগে পড়েন।দুর্ভোগে পড়তে হয় যানবাহন চালকেদেরকে!ঐ একই খোরদো বাজার কেন্দ্রিক বসবাসরত দেয়াড়া ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মিলনকে এবিষয়ে অবহিত করলে তিনি বলেন, এই গলিমুখ রাস্তাটি নিঃসন্দেহে জনগুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা মেরামতের জন্য আমরা চেষ্টা করছি!আমি নিজেও এব্যাপারে পরিষদে আলোচনা করবো এবং ইউনিয়ানের সংস্কারমুলক কোনো বাজেট আসলে এটি সংস্কারের চেষ্টা করবো বলে সন্তষ্টজনক কথা জানান ঐ এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের। তার পরেও কেন হচ্ছে না তা বোধগম্য নয় বলে আলোচনা করে ভুক্তভোগীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

download-5ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরে পল্লী বিদ্যুতের বকেয়া বিলের কারন দেখিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের নামে উৎকোচ আদায়ের চেষ্টাকালে এক কর্মকর্তা লাঞ্চিত হয়েছে। এ ঘটনাকে ওই কর্মকর্তা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ নিয়ে রীতিমত পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, ব্রহ্মরাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের মাঠ কর্মী নাঈম ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে পোশাক ছাড়াই সাদা পোশাকে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দালাল উমরাপাড়া গ্রামের নুর আলী কারিকরের পুত্র শফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে কালেরডাঙ্গা গ্রামের কয়েক বাড়িতে বকেয়া বিলের কারন দেখিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যায়। এ সময় বিল পরিশোধ থাকা স্বত্বেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করে। এদের মধ্যে কালেরডাঙ্গা গ্রামের বাবর আলী সরদারের স্ত্রী নাছিমা খাতুনের নিকট থেকে পাঁচশত টাকা, হবিবর রহমানের স্ত্রী সালমা খাতুনের নিকট থেকে পাঁচশত টাকা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে উৎকোচ গ্রহন করে বলে এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করে। তবে ওইসব গ্রাহকরা জানায়, তাদের সবার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ থাকার পরও ঝামেলা এড়াতে ভয়ে টাকা দিয়েছি। একইভাবে কালেরডাঙ্গা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা মৃত হায়দার আলীর পুত্র ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক অলিউর রহমান সুমনের বাড়িতে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়ার খাড়া মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যায়। এ সময় সুমন বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রী রুনা সব বিল পরিশোধ মর্মে তাদেরকে জানালেও কর্নপাত না করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে। একাধিকবার অনুরোধ জানালে  মাঠ কর্মী নাঈম ইসলাম দালাল শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে এক হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শুরু হয় উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। একপর্যায়ে সুমনের স্ত্রী রুনাকে নাঈম ইসলাম অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকলে পাশের বাড়ির লোকজন ছুটে আসলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে গিয়ে নাঈম ইসলাম পড়ে গিয়ে কিছুটা আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চলে এসে কর্তব্য কাজে বাঁধা দান ও তার উপর হামলা হয়েছে বলে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অভিযোগ করে। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার পরপরই পল্লী বিদ্যুতের লোকজন দালাল শফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে সুমনের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারটি জোরপূর্বক খুলে নিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। এদিকে আসল ঘটনা ধামা-চাপা দিয়ে একজন নিরীহ মানুষকে হয়রানীর চেষ্টায় পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মাঝে দারুন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যা হামলার ঘটনা সাজিয়ে সুমনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে। সুমন জানায়, আমার সব বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ রয়েছে। বাক-বিতন্ডা ছাড়া কিছুই হয়নি। অথচ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে হয়রানী করার চেষ্টা চলছে। অপরদিকে ব্রহ্মরাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের মাঠ কর্মী নাঈম ইসলাম জানায়, উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগটি সঠিক নয়। ইউনিফর্ম ছাড়া দায়িত্ব পালন করা যায় কিনা এমন প্রশ্নেরও কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। তবে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর তিনি সরাসরি এড়িয়ে যান। সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল হাশেম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার প্রথিতযশা সাংবাদিক আবদুল মোতালেব একটি অদর্শের নাম, একটি স্মরণীয় নাম। আবদুল মোতালেব একটি অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত, আমাদের চলার পথের এক আলোকরশ্মির নাম আবদুল মোতালেব। প্রয়াত এই সাংবাদিক তার কর্মের মধ্য দিয়ে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। তাকে স্মরণে রেখেই আমাদের পথচলা । প্রয়াত এই গুনী সাংবাদিক আবদুল মোতালেব তার জীবদ্দশায় যে সমাজকর্ম করে গেছেন তার মধ্যেই তিনি বেঁচে থাকবেন। তার আদর্শ ও চলার পথ অনুসরন করে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা গ্রহন করতে হবে।
শুক্রবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত আবদুল মোতালেব স্মরণ সভায় এ কথা বলেন আয়োজকরা। তার ১৫ তম মৃত্যু বার্ষিক উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে প্রয়াত এই সাংবাদিকের মাজার জিয়ারত করেন সাতক্ষীরার সাংবাদিকরা। তারা সেখানে তার জন্য দোয়া করেন। অপরদিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব হলরুমে আয়োজিত স্মরণ সভায় তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক বক্তারা বলেন তিনি একাধারে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি, সাতক্ষীরার প্রথম দৈনিক কাফেলার সম্পাদক এবং সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ অবজারভার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি। জাতীয় কমিটির সদস্য ও কমিশনার হিসাবে তিনি রেড ক্রিসেন্ট ও বাংলাদেশ স্কাউট ব্যক্তিত্ব হিসাবেও সারা দেশে সুনাম অর্জন করেন। সংস্কৃতি চর্চায় মুক্ত উদার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারনকারী ব্যক্তি হিসাবে আবদুল মোতালেব সারা জেলা চষে বেড়িয়েছেন। জাতীয় ক্ষেত্রে সাতক্ষীরাকে বারবার উপস্থাপন করে তিনি অবহেলিত এই জেলাকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে বিরামহীন প্রচেষ্টা চালিয়েছেন্ । একজন শিক্ষানুরাগী হিসাবে আবদুল মোতালেব নারী শিক্ষা সম্প্রসারণ ও স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন। জেলা ও জেলার বাইরেও তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন অগনিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তিনি ছিলেন সাতক্ষীরার সাংবাদিক গড়ার অন্যতম কারিগর। সাতক্ষীরার কোনো সাংবাদিক তার সহযোগিতা ছাড়া নিজেদের পরিচিতি বাড়াতে পারেন নি। তিনি ছিলেন সাতক্ষীরার উন্নয়নের রূপকার। আবদুল মোতালেব ছিলেন একজন পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান সমাজসেবক। সমাজের এমন কোনো দিক নেই যেদিকে তিনি হাত দেন নি।্ আর তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই তিনি ফলিয়েছেন সোনার ফসল। সমাজকর্মের বিরল স্বীকৃতি হিসাবে তিনি বারবার পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় এমনিভাবে গড়ে তুলেছেন অগনিত স্কুল কলেজ মাদ্রাসা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি সরকারের কাছ থেকে জমি আদায় করেছেন। আর এতে চাকুরির সংস্থান করেছেন অগনিত মানুষের। তার কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে আজও চাকুরি করে চলেছেন অনেক মানুষ। তিনি ছিলেন সমাজের নিপীড়িত নিগৃহীত এবং দুর্যোগ কবলিত মানুষের বন্ধু। দুর্যোগপ্রবণ জেলা সাতক্ষীরায় ঝড় বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস হলেই আবদুল মোতালেব তার ত্রাণ বহর নিয়ে ছুটতেন সেখানে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের খাবার , বস্ত্র, ওষুধ ও বাস্স্থানের ব্যবস্থা করে দিতেন। রেড ক্রিসেন্টের আদর্শ ও লক্ষ্যকে আবদুল মোতালেবই ফুটিয়ে তোলেন সাধারন মানুষের কাছে। তিনি ছিলেন সকলের কাছে অতি প্রিয় মোতালেব ভাই। পান সুপারিতে লাল হয়ে থাকা তারা সদা হাস্যময় মুখমন্ডল মানুষের মনের সব কষ্ট দুর করে দিতো। তিনি ছিলেন সাহসী, উদ্যমী এবং সকল ক্ষেত্রে অগ্রগামী এক পুরুষ। তার দৃষ্টান্ত তিনি নিজেই।
প্রেসক্লাব সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় দৈনিক কালের চিত্র সম্পাদক আবু আহমেদ বলেন আবদুল মোতালেব ছিলেন আমাদের পথ প্রদর্শক। তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী বলেন আবদুল মোতালেব শুধু সাংবাদিক নন তিনি ছিলেন সমাজের অগ্রদূত। তিনি তার কাজের মধ্যে বেঁচে থাকবেন চিরদিন। প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জি বলেন সাংবাদিক আবদুল মোতালেব সাংবাদিক গড়ার কারিগর হিসাবে কাজ করে গেছেন। তার দৃষ্টান্ত তিনি নিজেই। সাবেক সভাপতি জিএম মনিরুল ইসলাম মিনি বলেন আবদুল মোতালেব ছিলেন একজন নিঃস্বার্থ সমাজদরদী মানুষ। তার সংস্পর্শে যিনি গেছেন তিনিই তার আপন হয়ে উঠতেন। দৈনিক দক্ষিনের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহি বলেন তার সাথে আমরা মিলিত হয়ে চারণিক শিল্পী গোষ্ঠী গড়ে তুলেছিলাম। এভাবে তিনি সংস্কৃতির সেবা করে গেছেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন তিনি সাংবাদিকদের দুঃসময়ে এগিয়ে এসে তাকে সাহস যুগিয়েছেন। তিনি ছিলেন আমাদের পথপ্রদর্শক। সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী বলেন আবদুল মোতালেবের দুরদর্শীতার কারণে সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের ঠিকানা হয়েছে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব। আমরা তার জন্য দোয়া করি। সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান বলেন, আবদুল মোতালেব অনুন্নত পিছিয়ে পড়া অচেনা এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে দেশে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফফর রহমান বলেন আবদুল মোতালেব আমাদের এলাকায় যেয়ে স্কুল কলেজ গড়ে তুলতে মানুষকে আগ্রহী করতেন। নিজ হাতে বহু স্কুল কলেজের গোড়া পত্তন করেছেন তিনি। দেশ টিভির শরিফুল্লাহ কায়সার সুমন বলেন তিনি ছিলেন আমাদের সমাজের আলোকবর্তিকা বাহক। ছিলেন মৌলবাদী দৃষ্টিভঙ্গির বিপক্ষে। প্রয়াত সাংবাদিক নেতা আবদুল মোতালেবের জ্যেষ্ঠ ছেলে ডা. রফিকুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন আমি একজন সন্তান হিসাবে বলতে পারি তিনি ছিলেন এমন একজন বাবা যিনি কেবলমাত্র তার পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন নি। পরিবারের সুখ দুঃখের সব কথা পেছনে ফেলে তিনি কাজ করেছেন সমাজের জন্য, মানুষের জন্য, শিক্ষার জন্য। দুঃস্থদের সেবা দিয়েছেন উদার হস্তে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির আবুল কাসেম বলেন তিনি ছিলেন শিক্ষানুরাগী মানুষ। জীবনব্যাপী তিনি শিক্ষায় সেবা দিয়ে অমর হয়ে থাকবেন। দৈনিক যশোরের সেলিম রেজা মুকুল বলেন মোতালেব সাহেব ছিলেন জনদরদী ও নিঃস্বার্থ ব্যক্তি। তিনি জীবনভর শুধু কল্যাণকর কাজই করে গেছেন । দৈনিক মানব কন্ঠের অসীম চক্রবর্তী বলেন আবদুল মোতালেব ছিলেন সাতক্ষীরার উন্নয়নের রূপকার। দৈনিক কাফেলার এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস বলেন আবদুল মোতালেব ছিলেন সাংবাদিকদের গুরু। তিনি হাতে কলমে সাংবাদিকতা শিখিয়েছেন। তার নামে প্রেসক্লাব ভবনের নামকরন করা হোক। বাংলা টিভির আমেনা বিলকিস ময়না বলেন আবদুল মোতালেব নারী শিক্ষায় যে অবদান রেখে গেছেন তার কোনো তুলনা নেই। বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম শেখ তানজির আহমেদ বলেন আবদুল মোতালেবের সাথে ছিল আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক। তিনি আজীবন মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন।
স্মরণ সভার সভাপতি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবদুল মোতালেব সাতক্ষীরার মানুষের কাছে একটি অতিপ্রিয় নাম। তার কর্মের ব্যাপ্তি ছিল বহদুর পর্যন্ত। তিনি মানুষের জন্য কাজ করেছেন হৃদয় দিয়ে। তার ভালবাসায় আমরা সবাই সিক্ত। তিনি রেড ক্রিসেন্ট, বাংলাদেশ স্কাউট আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশ জুড়ে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। প্রথিতযশা সাংবাদিক ও সাতক্ষীরার প্রথম দৈনিক কাফেলার সম্পাদক, বাংলাদেশ অবজারভার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি হিসাবেও তিনি নিজে ছিলেন সুপ্রতিষ্ঠিত এক পুরুষ। তার দৃষ্টান্ত তিনি নিজেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest