গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর : ‘পানি ও বর্জ্য পানি’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আজ শ্যামনগরে পালিত হলো বিশ পানি দিবস। বুধবার সকাল ৯ টায় উপজেলা প্রশাসন ,বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীরা সন্মিলিতভাবে উপজেলা চত্ত্বর থেকে এক বর্ণ্যাঢ্য র্যালি বের করে। র্যলিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা চত্ত্বরে এসে শেষ হয়।র্যালি শেষে উপজেলা চত্ত্বরে অংশি জনের বৈঠক খানায় পানির গুরুত্ব নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম,তিনি তার বক্তব্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পানি এবং পানির গুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা করেন।এ ছাড়া তিনি আরো বলেন বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বর্জ্য পানিকে একটি মূল্যবান সম্পদ হিসেবে মনে করা হয়। পানির উপর গুরুত্ব দিতে এবং পানির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে তরুনদের প্রতি আহোবান জানান তিনি।বর্জ্য পানির নিরাপদ ব্যবস্থাপনা মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ-প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থানের জন্য একটি সঠিক বিনিয়োগ বলে মনে করেন তিনি।উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে , বাংলাদেশ পানি উন্নয়নের বোর্ডের বাস্তবায়নে এবং বেসরকারি উন্ন্য়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক, সুশীলন, কনসার্ন ওয়াল্ড ওয়াইড, ওয়াল্ডর্ ভিশন এর সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বারসিক শ্যামনগর রিসোর্স সেন্টারের এলাকা সমন্ময়কারী পার্থ সারথী পাল সহ বিভিন্ন সেরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তবৃন্দ।আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে গত সোমবার অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগিতার প্রতিযোগিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুশীলনের প্রকল্প ব্যাবস্থাপক সৈয়দ মনিবুল হাসান।

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো তিন জন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শ্যামনগর-সাতক্ষীরা সড়কের কালিগঞ্জ ব্রীজের উপর এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুর নাম মোঃ হুসাইন মির্জা (৬)। সে কালিগঞ্জ উপজেলার কুশলিয়া ইউনিয়নের কলিজুগা গ্রামের মীর্জা শহীদুল ইসলামের ছেলে।
আগামী ২৫ মার্চ থেকে শুরু হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। আর এই সিরিজে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারলেই র্যাংকিংয়ের ছয়ে চলে যাবে বাংলাদেশ। আর সাতে নেমে যাবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো পাঁচটি গ্রাম। উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের চিতলা, শাকদহ, শিবানন্দনকাটি, পিছলাপোল, কলাটুপি-এই পাঁচটি গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বৈদ্যুতিক আলো জ্বালালো। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই পাঁচটি গ্রামের বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন। সাতক্ষীরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আজাদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এ্যাড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডিজিটালে পরিণত হয়েছে। দেশব্যাপী নানা উন্নয়নমূলক কর্মকা- চলছে। এ উপজেলায়ও ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। যার অংশ হিসেবে গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ’লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা আ.লীগের আহবায়ক সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনু, পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্র নাথ দাস, ডিজিএম রেজাউল করিম খান, এজিএম স্বপন কুমার পাল, ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান, ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি রাম প্রসাদ দত্ত, পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক মিনাজ উদ্দিন, ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান, সাবেক ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খান, ইউপি সদস্য লক্ষণ চন্দ্র দে প্রমুখ। উল্লেখ্য-উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের চিতলা, শাকদহ, শিবানন্দনকাটি, পিছলাপোল, কলাটুপি-এই পাঁচটি গ্রামের ৬শ’২১জন পরিবার বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে।
মাস্টার আছাদুল, ধুলিহর : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য অসূস্থ অজিয়ার রহমানকে দেখতে মঙ্গলবার বিকেলে কালেরডাঙ্গা গ্রামে তার বাসায় যান জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক মোল্যা, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নিলিপ কুমার মল্লিক, নূর ইসলাম গাজী, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান সোনা, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিক, ব্রহ্মরাজপুর বাজারের ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ সরদার, শেখ আব্দুস ছালাম, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বার ও ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম মিঠু, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বার ও ৮নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি কুরবান আলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল আহাদ, ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ সরদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ছেয়ামদ্দিন সরদার, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ব্রহ্মরাজপুর ওয়ার্ড আ’লীগের নজরুল ইসলাম, মিহির সাহা, আদর আলী, মাধব পাল, শাহিন, ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আজাহারুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ, রাজু মোল্যা, শহীদুল ইসলাম মন্টু, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক অলিউর রহমান সুমন, শাহাদাৎ হোসেন রাজ, মিজানুর রহমান, কবিরুল ইসলাম সুজন, মামুন, আহছানউল্যাহ প্রমূখ।
ডি এম রেজাউল করিম: উপজেলার সখিপুর বাজারের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমান আদায় করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার সখিপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন জুয়েলারিতে, কাঁচা বাজার, মৎস্য বাজার, মাংসের দোকান, বেকারীসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজ আল-আসাদ। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা ইনেপেক্টর মেট আব্দুর রকিব, দেবাহাটা থানার এএসআই আল-আমিন হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বেঞ্চসহকারী রনজীত কুমার, একান্ত অফিস সহায়ক নুর আলম। এসময় ওজনে কম, পণ্যের যথাযথ মুল্য ছাড়া অতিরিক্ত দাম, বিভিন্ন পন্যের গুনাগতমান, প্রয়োজনিয় কাগজপত্র ইত্যাদি দেখা হয়। এদিকে, সখিপুর বাজারের বিভিন্ন জুয়েলারিতে অভিযান চালিয়ে গ্রামের পরিবর্তে ভরিতে বিক্রয়, বৈধ্য কাগজপত্র না দেখাতে পারায় সরদার জুয়েলার্সের মালিক ফারুক হোসেনকে ৫ হাজার টাকা, মাতৃ জুয়েলার্সের মালিক সন্যান মন্ডলকে ১ হাজার টাকা, বিপ্লব জুয়েলার্সের মালিক নিপুলকে ১ হাজার টাকা এবং আপন জুয়েলার্সের মালিক গোপাল কুমারকে ১ হাজার টাকা এবং সুশিলগাতীর দাদা বেকারীর মালিককে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযান পরিচালনাকালে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, সাধারণ মানুষকে হয়রানি, ওজনে কম, সরকার প্রদত্ত রেটের অতিরিক্ত টাকা আদায়সহ সকল প্রকার অনিয়মের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আর অনিয়মকারীরা যেই হোক না কেনো সকলে আইনে চোখে অপরাধী সে তার শাস্তি পাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হঠাৎ এমন অভিযান পরিচালনা করায় জনসাধারণ সাধুবাদ জানায়। এই সাথে এমন অভিযান যেনো নিয়মিত পরিচলনা হয় সে দাবি করা হয়।