সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgūΗ πλήρης καθοδήγηση για το Buran Casino no deposit bonus και τις προσφορές του

03

হাবুরা ইউপি চেয়ারম্যানের নির্যাতনের শিকার যুবলীগ নেতা শেখ নুরুল ইসলাম। ইনসেটে চিংড়ি ঘেরে ভাংচুরের দৃশ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক : আধিপত্য মেনে না নেওয়ায় এবার যুবলীগ নেতাকে মারপিট করে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আলী আযম টিটুর বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই যুবলীগ নেতা শেখ নূরুল ইসলাম গাবুরা এলাকার মৃত. শেখ আব্দুস সামাদের পুত্র।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শেখ নূরুল ইসলাম শনিবার সকাল ১০টায় গাবুরা এলাকায় শ্যামনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা(বাংলা ভাই)সহ জেলা ও উপজেলা যুবলীগ, আ’লীগ, তাঁতীলীগ, নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি সর্বস্তরের যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গঠনে মুজিব সৈনিকদের করণীয় শীর্ষক সভার আয়োজন করেন। এ উপলক্ষ্যে তিনি শুক্রবার দিন থেকে অনুষ্ঠানস্থলের সাজ সজ্জা শুরু করেন। এদিকে উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আলী আযম টিটু।
যে কারণে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামকে হুশিয়ারী দিয়ে বলেন উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলা ভাইকে কেন দাওয়াত করেছিস। তোর অস্তিত্ব বিলিন করে দেবো। এ পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে অনুষ্ঠান স্থলের পাশ থেকে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আতাউর, সিদ্দিকসহ ২০/৩০ জন নূরুল ইসলামকে আটক করে নিয়ে যায়। এসময় তারা অনুষ্ঠান স্থলসহ তার মৎস্যঘেরে ভাংচুর-লুটপাট করে এবং অনুষ্ঠানে যাবতীয় সরঞ্জামাদি ও তার কাছে থাকা ২৬ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। এরপর সুবিধা মত স্থানে নিয়ে তারা নুরুল ইসলামকে লোহার রড দিয়ে ব্যাপক মারপিট করে। এতে নূরুল ইসলামের ডান চোখ, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়। এরপর চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে ১৪ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১২ পুরিয়া গাজা দিয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় তার প্রচ- রক্তক্ষরণ হচ্ছিল বলে জানান তারা।
এলাকাবাসী জানান, নুরুল ইসলামকে আটক করে মারপিটের সময় থানা পুলিশকে খবর দিলেও পুলিশ তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি। অথচ চেয়ারম্যান কর্তৃক ম্যানেজ হয়ে থানা পুলিশ তার নামে একটি মামলা রেকর্ড করেছে। যার নং- ২৪। কিন্তু মামলা হওয়া উচিত ছিলো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।
আহত নুরুল ইসলামের মাতা নসিরন বিবি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে কোন দিন একটি সিগারেটও মুখে দেয়নি। শুধু মাত্র চেয়ারম্যানের কথা না শোনায় তাকে মারপিট করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমার ছেলে যুবলীগের একজন কর্মী। অথচ বর্তমান সরকারের সময়ে তাকে এভাবে নির্দয়ভাবে মার খেতে হয়েছে, আবার মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হচ্ছে। বিষয়টি জেনেও শ্যামনগর থানা পুলিশ ওইদিন রাতে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি তার কলিজার টুকরাকে এভাবে মারপিট ও মিথ্যা মামলা ফাঁসানোর ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ওই সন্ত্রাসী চেয়ারম্যানের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
আহত নূরুল ইসলাম বলেন, আমি চেয়ারম্যানের কর্তৃত্ব না মানার কারণে আজকে আমার উপর এধরনের নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে। আমি প্রশাসনসহ, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে এঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
অপর দিকে খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে এলাকার শত শত মানুষের ছুটে আসেন। এসময় তারা বলেন, নুরুল ইসলামকে আমরা কোন দিন একটি বিড়িও খেতে দেখিনি অথচ তার নামে ইয়াবা ও গাজা বিক্রির মামলা। এটি কিভাবে সম্ভব হতে পারে এ প্রশ্ন আপনাদের কাছে?
এঘটনায় শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আসলে পুলিশ কাউকে আটক করেনি। ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন নুরুল ইসলামকে ১৪ পিচ ইয়াবা ও ১২ পুরিয়া গাজাসহ থানায় সোপর্দ করেছে। আবার তিনি নিজেই বাদি হয়ে একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। তদন্তের মাধ্যমে আমরা সঠিক ঘটনা জানতে পারবো।
তবে শুক্রবার রাতে নুরুল ইসলামকে থানা আনা হলেও শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়নি। তার শারিরীক অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও তাকে কোন প্রকার চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাংলা ভাই বলেন, যারা চেয়ারম্যান টিটুর মতের বিরোধিতা করেন তাদেরকে মারপিট ও মিথ্যা মামলার বোঝা মাথায় নিতে হয়। টিটু চেয়ারম্যান প্রশাসনের সহযোগিতায় অত্র ইউনিয়নের সকল মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। তার আনুগত্যা প্রকাশ না করবে তাকে হয় জেলে যেতে হবে তা না হলে নির্যাতনের শিকার হতে হবে। নুরুল ইসলাম তার আনুগত্যা প্রকাশ করেনি বলে আজ তার এই অবস্থা। সে এখনো পর্যন্ত থানায় রয়েছে। সে গুরুতর আহত হলেও পুলিশ তার চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এলাকাবাসী ওই অত্যাচারী চেয়ারম্যানের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আলী আযম টিটু বলেন, নুরুল একজন মাদক ব্যবসায়ী। আমার লোকজন তাকে মাদকসহ আটক করে থানায় দিয়েছে মাত্র। এ ছাড়া আর কিছু না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘ সবজি থেকে সোনা সব পাবেন এখানে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল আল-বারাকা বাজার ব্রান্ড সিটি। শনিবার রাতে শহরের ফ্রেন্ডস্ ড্রামেটিক ক্লাব কমপ্লেক্স-এ আল-বারাকা বাজার ব্রান্ড সিটির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে আল-বারাকা বাজার ব্রান্ড সিটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, ফ্রেন্ডস্ ড্রামেটিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল করিম সাবু ও আল-বারাকা বাজার ব্রান্ড সিটির পরিচালক কামরুজ্জামান বুলু প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ নিজাম উদ্দিন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদ, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তওহিদুর রহমান ডাবলু, ফ্রেন্ডস্ ড্রামেটিক ক্লাবের সদস্য রফিকুল আলম বাবু, অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494646732মিয়ানমারের সাত বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির পুলিশ। দেশটির ইয়াঙ্গুন শহরে স্থানীয় মুসলমানদের সঙ্গে মারামারির পর সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

ওই সাতজনের মধ্যে দুজন বৌদ্ধ ভিক্ষু রয়েছেন। তাঁদের একজন হলেন উ থু সিত্তা।

বিবিসির এক সংবাদে বলা হচ্ছে, সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অপরাধে মিয়ানমারে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়, গত বুধবার সকালে একদল বৌদ্ধ ভিক্ষুর নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদীরা ইয়াঙ্গুনের মিঙ্গালার তং নিয়ুন্ত এলাকায় যায়। সেখানে ‘অবৈধ’ রোহিঙ্গা মুসলিমরা অবস্থান করছে বলে তারা দাবি করে। এ ঘটনায় সেখানে মারামারিতে অন্তত একজন আহত হয়। পুলিশ হুঁশিয়ারি দিয়ে গুলি ছোড়ে। এ ঘটনার পর এই গ্রেপ্তারি পরোয়ারা জারি করা হয়।

দেশটিতে প্রায় ১০ লাখ মুসলমান রয়েছে, যারা নিজেদের রোহিঙ্গা বলে পরিচয় দেয়। তবে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী হিসেবেই তাঁদের দেখে মিয়ানমার সরকার। তাই তাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে আসছে দেশটি।

নির্যাতন থেকে বাঁচতে প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা গত ছয় মাসে মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494660273বিশ্বের ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে প্রথম স্থান পেয়েছে ঢাকা। অর্থাৎ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতির শহর ঢাকা। জাতিসংঘের তথ্যমতে, এই শহরে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪৪ হাজার ৫০০ জন মানুষ বাস করে।

জাতিসংঘের বসতিসংক্রান্ত তথ্যের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ঘনবসতি শহরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের মুম্বাই, তৃতীয় কলম্বিয়ার মেডেলিন আর চতুর্থ অবস্থানে ফিলিপাইনের ম্যানিলা। এই তথ্যে প্রশাসনিক শহরের পাশাপাশি শহরতলীও গণনা করা হয়েছে।

তবে জাতিসংঘের সংখ্যাতাত্ত্বিক ইয়ারবুকে শুধু প্রশাসনিক শহরকেই গণ্য করা হয়ে থাকে। সেই হিসেবে ম্যানিলাই বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহর। এরপর রয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস শহর।

বিভিন্ন দেশের জাতীয় আদমশুমারি তথ্যের ভিত্তিতে জাতিসংঘ আবাসন সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

চাকরিসহ বিভিন্ন কারণে প্রতিদিনই বিভিন্ন শহর থেকে বাজধানী ঢাকায় আসছে অনেকেই। তাই দিন দিন এই শহরে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ঘনবসতির কারণে ঢাকার রাস্তার প্রায় সময়ই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494660586মুসলিম সমাজে তিন তালাক প্রথার নিন্দা জানিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। তিন তালাক মুসলিমদের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার অন্যতম ‘খারাপ প্রথা’ বলে মনে করেন ভারতের  সুপ্রিম কোর্ট।

গতকাল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে তিন তালাক মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ কথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বলেন, মুসলিম সমাজে তিন তালাক প্রথাকে বৈধ বলে মনে করে কোনো কোনো মহল। মুসলিমদের মধ্যে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার অন্যতম খারাপ প্রথা তিন তালাক। যেটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি তিন তালাককে মৃত্যুদণ্ডের সমান উল্লেখ করেন। প্রশ্ন রেখে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এমন ঘৃণ্য এক প্রথা কি বৈধ হতে পারে?’

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আদালতকে বলা হয়, তিন তালাক মুসলমান মেয়েদের সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকারকে স্বীকার করে না। তাই এই প্রথাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হোক।

সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলায় স্বপ্রণোদিত হয়ে সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও আইনজীবী সলমন খুরশিদকে তিন তালাক নিষিদ্ধ হয়েছে এমন ইসলামি ও অ-ইসলামি দেশের তালিকা পেশ করতে বলেন।  উত্তরে খুরশিদ জানান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মরক্কো এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলিতে বিয়ে ভাঙায় তিন তালাক প্রথা আর অনুমোদিত নয়।

এদিন আদালতে তিন তালাকের শিকার হওয়া এক নারীর হয়ে কথা বলতে গিয়ে আইনজীবী রাম জেঠমালিনি বলেন, তিন তালাকের অধিকার একচেটিয়াভাবে শুধু পুরুষদেরই, নারীদের নয়। তালাক দেওয়ার এই পন্থার মধ্যে কোনো শিষ্টাচার নেই। একতরফা বিয়ে বাতিল একটা ঘৃণ্য ব্যাপার। যা এড়ানো উচিত। কোনো যুক্তিতেই এই পশ্চাদপদ প্রথাকে সমর্থন করা যায় না বলেও আদালতকে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01আসাদুজ্জামান ঃ বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আওয়ামী লীগের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এবার তিনি ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচনের দায়িত্ব নিতে পারবেন না।
দেশে আইনের শাসন নেই, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার দেওয়া এমন বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন দেউলিয়াত্বে ভুগছে। তাদের দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন ক্ষমতায় না থাকলে টাকা-পয়সা নিয়ে বিদেশে পলাতে হবে।
এ্যানি শনিবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির এক প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, জনগণ ২০১২ সালে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সারাদেশে আন্দোলন করেছিল, একইভাবে এবার জনগণের মধ্যে নতুন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা এবং সাহস ও মনোবল দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে আরও শক্তিশালী করবে।
জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সভাপতি রহমাতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত প্রতিনিধি সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্ত কুমার কু-ু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডা. শহীদুল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দিন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান প্রমুখ।
আগামীতে কঠোর আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই মন্তব্য করে এ্যানি বলেন, দেশে আরও একটি ৫ জানুয়ারির জন্ম হতে দেবে না বিএনপি। আরেকটি আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ। বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নিতে চায়।
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, এখন সময় আছে গণতন্ত্র চাইলে আপনারা নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। বিএনপি চেয়ারপার্সন ঘোষিত ভিশন ২০৩০-তে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেন্ট নিয়ে ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন করবে। তিনি এ সময় পাড়ায়-মহল্লায় দলের চেয়ারপার্সনের এই বক্তব্য পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির একান্নটি টিম দেশের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে নেমেছে। এরই মধ্যে সারাদেশে বিএনপি আবারও গর্জে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে, এদিকে প্রধান অতিথি বিএনপির কেন্দ্রিয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে সম্মেলন কক্ষে ডিবি পুলিশসহ সদর থানা পুলিশ প্রবেশ করে। এসময় দর্শক সারিতে বসে থাকা বিএনপির কর্মীদের একটি চেয়ারে লাঠির আঘাত করলে গ্রেফতার আতংকে হুড়ুহুড়ি করে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন থেকে দলীয় কর্মীরা ছিটকে বের হয়ে যায়। এসময় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন প্রতিনিধি সম্মেলনে দলীয় নেতা-কর্মী থাকবে। আপনারা কেন ? এসময় পুলিশ তাদেরকে হল রুম থেকে দ্রুত সবাইকে স্থান ত্যাগ করতে বলেন। জবাবে জেলা বিএনপির সভাপতি রহমত উল্লাহ পলাশ ৫ মিনিট সময় চাইলে সময় না দিয়ে পুলিশ তাদেরকে বেরিয়ে যেতে বলেন। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মাইক্রফোন নিয়ে বিভিন্ন দলীয় স্লোগান দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। এর পরপরই বাইরে অবস্থান নেওয়া পুলিশ বাঁশি দিতে শুরু করলে সকল নেতা-কর্মী সভাস্থল ত্যাগ করেন। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যেই সভাস্থল ফাঁকা হয়ে যায়।
এব্যাপারে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান বলেন, সম্মেলনের শেষ মুর্হুতে ডিবি পুলিশের একটি দল সভাকক্ষে প্রবেশ করে সম্মেলনে বাঁধা সৃষ্টি করে দলীয় কর্মীদের বের করে দেয়। সে কারনে তড়িঘড়ি করে সম্মেলন শেষ করতে বাধ্য হতে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_660701842_1494611723.jpg.pagespeed.ic.HdeRfJzVurআন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো ভারত ও আফগানিস্তানে যে কোনও সময় বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স-এর ডিরেক্টর ড্যানিয়েল কোটস। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের সিনেট সিলেক্ট কমিটির কাছে তিনি এই সতর্কতা বার্তা দেন। খবর এএফপি’র।

পাকিস্তান জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ হওয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো আরও শক্তি বাড়িয়ে হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে দাবি করেন ড্যানিয়েল। ফলে ভারত ও আফগানিস্তানে যে কোনো সময় যে কোনও রকমের বড় হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কোটস। এই দুই দেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক নষ্ট করার চক্রান্ত চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

আফগানিস্তানে যেভাবে মার্কিন সেনা ও ন্যাটো বাহিনী ২০০১ থেকে লড়াই চালিয়ে তালেবান ও অন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে একেবারে কোণঠাসা করে ফেলেছিল, সেখানে ফের সক্রিয় হতে শুরু করেছে তালিবান। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে। বিষয়টি নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের।

কোটসের দাবি, সন্ত্রাস দমনে ভারত যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে পেয়েছে সেটা পাকিস্তানের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের প্রভাবও পাকিস্তানকে চাপে রেখেছে বলে দাবি করেন তিনি। সন্ত্রাস দমন ও জঙ্গিদের রুখতে পাকিস্তানকে বেশ কয়েক বার সতর্কও করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। তাই কোটস সিনেট কমিটির কাছে জানান, বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয়ে পাকিস্তান এ বার চীনকে পাশে পেতে চাইছে। আর বেইজিংও পাকিস্তানের এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে ভারত মহাসাগরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।

তালিবানকে আফগানিস্তান থেকে উচ্ছেদ করার পর বহু সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেখানে ফের তালিবান সক্রিয় হওয়ায় সেনা মোতায়েন করতে শুরু করেছে তারা কোটস-এর আশঙ্কা আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার বহর বাড়ানোর ফলে সে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থারও অবনতি হবে। এবং সেটা হবে ২০১৮-র মধ্যেই।

শুধু তাই নয়, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও খারাপ হবে। যত দিন না তালিবানদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি হচ্ছে, ততদিন আফগানিস্তানকে বহির্শক্তির সহযোগিতা নিয়েই চলতে হবে বলে দাবি করেন কোটস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1610632799_1494635675.jpg.pagespeed.ic.xas398ZkXkস্বাস্থ্য ডেস্ক: আপনি ওজন কমাতে চাইলে কিছু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আপনার ওজন কমতে সাহায্য করতে পারে। কারণ ফাইবার আপনার পেট ভরা থাকতে সাহায্য করে এবং অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স খাওয়া থেকেও আপনাকে বিরত রাখে। তাই চলুন এমন কিছু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের কথা জেনে নিই আমরা যা ওজন কমার ব্যাপারে সাহায্য করবে।

# ছোলা
সিদ্ধ বা রান্না করা ছোলা খেয়ে আপনার ওজন কমাতে পারেন। ১ কাপের ৩ ভাগ পরিমাণ ছোলায় ৩.৬ গ্রাম ফাইবার থাকে।

# আপেল
প্রতিদিন একটি আপেল খেলে চর্বি জমা হওয়া থেকে দূরে থাকা যায়। হ্যাঁ এটি সত্যি কারণ আপেল ফাইবারে পরিপূর্ণ থাকে। একটি আপেলে ২-৪ গ্রাম ফাইবার থাকে যা দীর্ঘ সময় যাবৎ আপনার পেট ভরা রাখবে। তবে খোসাসহ খেতে হবে, খোসা ছাড়িয়ে নয়।

# বরবটি
১ কাপ রান্না করা বরবটিতে ৪ গ্রাম ফাইবার থাকে। আপনার শরীরের চর্বি দূর করতে আপনার ডায়েটে যুক্ত করুন বরবটি।

# মিষ্টি আলু
যদি আপনি ওজন কমাতে চান তাহলে আপনার ডায়েটে মিষ্টি আলু যোগ করুন। ১ টি মাঝারি আকৃতির মিষ্টি আলুতে ৫ গ্রাম ফাইবার থাকে।

# স্ট্রবেরি
ক্ষুধা নিবারণের জন্য মিষ্টি বা চিপস খাওয়ার পরিবর্তে বেরি জাতীয় ফল খান। ১ কাপ স্ট্রবেরিতে ৩-৬ গ্রাম ফাইবার থাকে। সূত্র: দ্যা হেলথ সাইট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest