বাচ্চা কান্না করলেই তাদের কান্না থামানোর জন্য কতো কিছু দিয়েই না কান্না থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বাচ্চাদের এক বছর না হলে কখনই ফলের রস খাওয়াবেন না এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ফলের রস থেকে কোনও পুষ্টিই পায় না শিশুরা।
শিশু চিকিত্সকদের মতে, মাতুদুগ্ধ এক বছরের নীচে শিশুদের পুষ্টির জন্য যথেষ্ট। ফলের রস বের করে ছেঁকে খাওয়ালে নষ্ট হয়ে যায় ফলে ডায়েটারি ফাইবার। এতে শিশু পুষ্টি তো পায়ই না, বরং বেড়ে যায় ওজন।
আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিকসের গবেষক মেলভিন হেম্যান বলেন, “বাবা-মায়েরা মনে করেন ফ্রুট জুস খুবই পুষ্টিকর। কিন্তু ফলের রস কখনই টাটকা ফলের বিকল্প হতে পারে না। আবার বাচ্চার মুখের স্বাদের জন্য মায়েরা এতে চিনিও মেশান। ফলে অযথা ক্যালোরি যোগ হয়। এক বছরের নীচের বাচ্চাদের জন্য তা অপ্রয়োজনীয়। এক বছর বয়সের পর ফলের রস দেওয়া গেলেও তা বেশি পরিমাণে খেলে পুষ্টির বদলে ক্যালোরিই পৌঁছবে শরীরে, সেই সঙ্গেই দাঁতের ক্ষয়ও হতে পারে।
২০০১ সালে এই বিষয় সংক্রান্ত প্রথম রিপোর্ট প্রকাশ করে আমেরিকান অ্যাকেডমি অব পেডিয়াট্রিকস। যে রিপোর্টে বলা হয়েছিল ৬ মাসের নীচে শিশুদের ফলের রস খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই। নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে এক বছর বয়স পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ ও ইনফ্যান্ট থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যাবে শিশুরা। এক বছর বয়সের পর থেকে সুষম ডায়েটের সঙ্গে খাওয়ানো যেতে ফলের রস। তবে তা যেন ১০০ শতাংশ টাটকা ফলের হয় এবং মাত্রা সীমিত থাকে। ১-৩ বছর বয়স পর্যন্ত ৪ আউন্স (১১৩.৩ গ্রাম) ফলের রসই যথেষ্ট।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শিশুদের বোতল বা সিপি কাপে ভরে ফ্রুট জুস দেওয়া উচিত নয়। এ ভাবে তারা সারা দিন ধরে ফলের রস খেতে থাকে। ফলের মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট থেকে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে। বিশেষ করে শোওয়ার সময় কখনই শিশুকে ফলের রস দিয়ে ঘুম পাড়ানো উচিত নয়। দাঁত ওঠার পর থেকেই শিশুদের গোটা ফল খেতে শেখান। এতে ফলের সম্পূর্ণ পুষ্টি ও ডায়েটারি ফাইবার ওদের শরীরে পৌঁছবে। অতিরিক্ত ওজনও বাড়বে না।


ফরমালিন ব্যবহারের ভুল ধারণার কারণে ২০১৩ সালে প্রচুর পরিমাণে আম ধ্বংস করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) ডাই প্রকল্পের টিম লিডার মো. শোয়েব চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ফরমালিন ব্যবহার নিয়ে কিছু ভুল ধারণা ছিল। ওই কারণেই ২০১৩ সালে প্রচুর পরিমাণে আম ধ্বংস করা হয়েছিল। ওই সময় আমে ফরমালিনের উপস্থিতি শনাক্ত করার যন্ত্রগুলোও ঠিক ছিল না। ফলে ফরমালিনের নামে আম ধ্বংস করা ছিল ভুল।’
দেবহাটা ডেস্ক : নারীর সক্ষমতা, পুঁজি, দক্ষতা এবং নেতৃত্ব বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যাতে তারা একটি নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক ও সংবেদনশীল সামাজিক প্লাটফর্মের মাধ্যমে সাম্প্রদিয়ক উগ্রতা প্রতিহত করা জন্য সামাজিক সংহতি গড়ে তুলতে হবে। নারীকে পুরুষের পাশাপাশি সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সামাজিক সম্প্রীতি ও সংহতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহনের মাধ্যমে সমাজের নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদরে ৫নং শিবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকলে আবাদের হাট বাজার প্রাঙ্গনে ৫নং শিবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক মো. মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এসে শাসকের ভূমিকায় নয় সেবক হিসেবে কাজ করছে। সেজন্যই জনগণের জীবনের মানোন্নয়ন ও ভাগ্যের উন্নতি হচ্ছে। আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য অতীতে অনেকেই ষড়যন্ত্র চক্রান্ত করেছিল। কিন্তু জনগণের শক্তিতে বলিয়ান আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করা যায়নি। বরং দিনে দিনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ্যরে সংগঠনটি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শক্তিশালী হয়ে এগিয়ে গিয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হচ্ছে। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মীদের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে ব্যাপকভাবে প্রচারণার নির্দেশ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সুসংগঠিত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : গত ২২/৫/১৭ইং রোজ সোমবার বিকাল ৪টায় পারুলিয়া গার্লস স্কুলে বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শেখ কামরুজ্জামান কে পারুলিয়া ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমা-ের আহবায়ক ও গোলাম মোস্তফাকে সদস্য সচিব করে ৭সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মু্িক্তযোদ্ধা সন্তান কমা-ের আহবায়ক আবু রায়হান তিতু ও সদস্য সচিব রনি। আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কমা-ার মাষ্টার ইয়াছিন আলী, কাদের গাজীসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও সাংবাদিকবৃন্দ।
মোস্তফা কামাল : শ্যামনগরের গোবিন্দপুর বিলে টানা ৫ বারের ন্যায় অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘ঘোড় দৌড়’ প্রতিযোগিতা। জমজমাট এ আয়োজনকে ঘিরে শ্যামনগরের গোবিন্দপুর বিল মাঠে মেতেছিল উৎসবের আমেজে। শ্যামনগর উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলার কয়েক হাজার নারী-পুরুষ রোদে বসে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এ ‘ঘোড় দৌড়’ উপভোগ করেন। কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শমসের আলী ঢালীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত প্রতিযোগিতায় ১০টি প্রশিক্ষিত ঘোড়া অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম, দ্বিতীয়,তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থান অর্জনকারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়।শেখ কামাল স্মৃতি সংসদ এবং গোবিন্দপুর সোনার বাংলা সংঘের যৌথ সহযোগিতায় গোবিন্দপুর গ্রামবাসী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী মহিদুল ইসলাম, প্রাক্তন ইউপি সদস্য এস এম কোরবান আলী প্রমুখ।
কালিগঞ্জ ব্যুরো॥ কালিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই গাঁজা ব্যবসায়িকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বিষ্ণপুর ইউনিয়নের বন্দকাটি গোরস্থান মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক হেকমত আলীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ৩০ গ্রাম গাঁজাসহ দু মাদক ব্যবসায়িকে আটক করে। আটকৃতরা হলো উপজেলার ফতেপুর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রাইসুল ইসলাম (৩০) একই গ্রামের মৃত কেনা সরদারের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৪)। এ ঘটনায় সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল জলিল বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে মামলা নং ২৫। পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসায়ি রাইসুল ও আমিনুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। তাদের কে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।