সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

1211221আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কুখ্যাত রাজাকার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামি বৈকারীর জহিরুল ইসলাম (টিক্কা খান) ও সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল নবজীবনের খান রোকনুজ্জামানকে অবিলম্বে গ্রেফতার এবং ৭১ এর ঘৃণিত খুনি কসাই খালেক মন্ডল ও জল্লাদ বাকির ফাঁসির দাবিতে গণবিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ব্যানারে সোমবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাথন্ডা বাজারে উক্ত গণবিক্ষোভ ও সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈকারী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে গণবিক্ষোভ ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোতাহার হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুজ্জামান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য সচিব ও আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম। এসময় আরও বক্ত্য রাখেন- জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বৈকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে, সদর উপজেলা আ.লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, প্রচার সম্পাদক হাসান হাদী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আফাজউদ্দীন, মুক্তিযোদ্ধা ইমান আলী, সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুুল, কাজী জামাল উদ্দীন মামুন, আসাদুজ্জামান, আব্দুল জলিল, আমির হোসেন খাঁন চৌধুরী প্রমুখ।  সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইনজামুল হক ইনজা।
4555454বক্তারা এ সময় বলেন, পাকিস্থানী পাক হানাদার বাহিনী  দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে বাঙালি জাতিকে তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত করে রেখেছিল। এ দেশের সোনার ছেলেরা (বীর মুক্তিযোদ্ধারা) জীবনকে বাজি রেখে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। আর সে সময় পাকিস্থানী পাক হানাদার বাহিনীর সাথে আমাদের দেশের কিছু রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, আলবদর সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করেছিল। আজ সময় এসেছে তাদের বিচারের। আর এ সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, তাদের ফাঁসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধারা এখন সমবেত হয়েছেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি এখন ক্ষমতায়, আর তাই এখনই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উপযুক্ত সময়। শেখ হাসিনার সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রমাণ করেছেন বর্তমান সরকার স্বাধীনতার পক্ষের সরকার। স্বাধীনতাবিরোধী কাউকেই এই সরকার ছাড় দেবে না। বৈকারীর দুই কুলাঙ্গার আব্দুল খালেক ও জহুরুল ইসলাম(টিক্কা খান) এর প্রতি ইঙ্গিত করে বক্তারা আরো বলেন, খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, লুটপাট, বাড়িঘর ভাংচুর করে এই এলাকাকে তারা জাহান্নামে পরিণত করেছিল। তাদের নৃশংসতায় অবুঝ দুধের বাচ্চাও মায়ের দুধ হতে বঞ্চিত হয়েছিল সে দিন।
বাংলার আপামর জনতা তাই এখন সকল যদ্ধাপরাধীর শাস্তি চায়। তাদের শাস্তির দাবিতে মাঠে নেমেছেন মুক্তিযোদ্ধা-জনতা। বক্তারা এ সময় যতক্ষণ না পর্যন্ত মানবতা বিরোধী অপরাধে জড়িতরা বিচারের আওতায় আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত মাঠে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

iuiজঙ্গিদের সাম্প্রতিক তৎপরতা ও আত্মঘাতী হামলা নিয়ে চিন্তিত সরকার। দলীয় কর্মসূচিতে হামলা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় সরকারি দলের জেলা পর্যায়ের নেতাদের সতর্ক করা হয়েছে।

সরকার ও আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে এ কথা জানা গেছে। সূত্রগুলো জানায়, সরকারের গোয়েন্দা তথ্য বলছে, বড় অঘটন ঘটিয়ে আলোচনার জন্ম দেওয়াই জঙ্গিদের মূল লক্ষ্য। এ অবস্থায় কম সময়ে এবং কম ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি চায় সরকার।
দলীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সময় সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একজন কর্মকর্তা সাংগঠনিক সম্পাদকদের এই সতর্কতার কথা জানান। বিশেষ করে স্বাধীনতা দিবসের সভা, সমাবেশ ও শোভাযাত্রায় বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়।

গতকাল রোববার তিনজন সাংগঠনিক সম্পাদক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আওয়ামী লীগের স্বার্থের ওপর হামলা হতে পারে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই নির্দেশনা এসেছে। তাঁদের অধীন জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের শনিবার রাতেই ফোন করে এই নির্দেশনা জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই তিন সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, তাঁদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, দলীয় কর্মসূচিতে কেউ ব্যাগ বা সন্দেহজনক কিছু বহন করছেন কি না, কোনো ব্যক্তিকে স্বাভাবিক আকৃতির চেয়ে বাড়তি কিছু শরীরে জড়িয়ে রেখেছেন কি না, এসব দিকে নজর রাখতে। প্রয়োজনে অনানুষ্ঠানিকভাবে দলীয় লোক দিয়ে কমিটি করা যেতে পারে।

যোগাযোগ করা হলে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুটি জেলার নেতারা এই সতর্কবার্তা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

একজন সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, সাধারণত শীর্ষ নেতা বা মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে হওয়া অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকে। এর বাইরে যেসব দলীয় কর্মসূচি হয়, সেগুলোতেই মূলত নিজ উদ্যোগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত কয়েক বছরের জঙ্গি হামলা ও বেছে বেছে হত্যার ঘটনাগুলোর মধ্যে একটা বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। ঘটনাগুলো টানা ঘটতে থাকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় আবার স্তিমিত হয়ে পড়ে। সরকার কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক খবর কমে আসে। এরপরই আবার একটা ঘটনা ঘটে যায়। এবার এই ধাক্কা কত দিন সামলাতে হয় এবং এর ক্ষয়ক্ষতি কতটা দাঁড়ায়—এটাই এখন সরকারের মূল ভাবনার বিষয়।

সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক ঘটনার পেছনে বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের প্রভাবের পাশাপাশি বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করার দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, সে সন্দেহও সরকারের উচ্চপর্যায়ে রয়েছে।

জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল বলেন, ‘জঙ্গি তৎপরতা আমরা নির্মূল করতে পারিনি। তবে তাদের দমন করা গেছে। তারা সংখ্যায় খুব বেশি না। আতঙ্ক সৃষ্টি করাই তাদের মূল লক্ষ্য।’ তিনি বলেন, পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণেই আছে। জঙ্গিরা জয়ী হতে পারবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মুশকিলটা হচ্ছে, দেশি-বিদেশি একটা ষড়যন্ত্রকারী মহল তাদের (জঙ্গিদের) আর্থিক সহায়তা ও মদদ দিচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের ভাবমূর্তির ক্ষতি করে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে চায়। সরকার এই বিষয়ে সচেতন।’

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটনে সরকারের বিভিন্ন বাহিনী সক্রিয় আছে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে মানুষকে সংগঠিত করার কাজটা এগোচ্ছে না। হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার পর সরকারি উদ্যোগে সারা দেশে সর্বদলীয় কমিটি করার জন্য তোড়জোড় শুরু হয়। কিন্তু মাঝে জঙ্গি তৎপরতা কমে যাওয়ার পর ওই কমিটিগুলো স্থবির হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটেও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে কিছু সভা-সমাবেশও করা হয়। কিন্তু লাগাতার কর্মসূচি ছিল না। অর্থাৎ বিষয়টিকে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির আওতায় এনে জোরদারভাবে তা চালিয়ে নেওয়ার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল বলেন, এই জঙ্গিরা সুপ্ত ছিল, ঘাপটি মেরে ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় ধরা পড়ছে। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দল রাজনৈতিকভাবে সোচ্চার। মানুষও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। জঙ্গিরা সফল হবে না। সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশের সুনাম কিছুটা নষ্ট করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

332323মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
‘স্বাধীনতার প্রকৃত ল্য বাস্তবায়নের জন্য দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে। শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীদের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। স্বাধীনতার এই মাসে আমাদের সকলকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা রায় দৃঢ় শপথ নিতে হবে। দেশের স্বাধীনতা রার জন্যই স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করতে হবে। সমাজের সর্বেেত্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করতে হবে।’
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের সেক্রেটারী শেখ নুরুল হক, মাদ্রাসার জিবি সদস্য শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য কাজী আহাদুর রহমান, আব্দুর রহমান প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হামিদ আজাদী, ইংরেজি প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, বাংলা প্রভাষক আনোয়ারুল ইসলাম, ইতিহাস প্রভাষক রেজাউল করিম, আরবী প্রভাষক নাসির উদ্দিন, আরবী প্রভাষক নূর আহম্মাদ, আহছানিয়া মিশন জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম জিয়া, সহকারী শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ, মো. মিজানুর রহমান, আবুল বাশার, শহীদুল আলম, মোমীন আলী, আব্দুল করিম, ক্বারী আমিনুর রহমান, ক্বারী আব্দুল হামিদসহ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dumuria-pic-3অপ্রতিম রহমান : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা নতুন রাস্তার মোড়ে রোববার বিকেল সোয়া ৪টায় একটি যাত্রিবাহী রিজার্ভ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১০-১২ ফুট নিচে খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ২জন কলেজ ছাত্রসহ ৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। বাসটি ফরিদপুর উড়াখান্দি মেলা থেকে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরে  ফিরে যাচ্ছিলো।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়; রোববার বিকেলে একটি যাত্রিবাহী রিজার্ভ বাস (ঢাকা মেট্রো- ১১-০২০৪) ফরিদপুর উড়াখান্দি মেলা থেকে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ফিরে যাচ্ছিল। বাসটি ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা নতুন রাস্তা মোড়ে আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১০-১২ ফুট নিচেয় খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে ২জন কলেজ ছাত্রসহ ৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়।

ডুমুরিয়া হাসপাতালসূত্রে জানা যায়; এ পর্যন্ত  হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৯ জনের ১৪জন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছে, ৪ জন চিকিৎসাধিন আছে এবং গুরুতর আহত ১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহতরা হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার দেবদাস মন্ডল’র পুত্র মুন্সিগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিএ ২য় বর্ষের ছাত্র কৃষ্ণপদ ম-ল (২২), বিপ্লব সরদারের পুত্র লাল্টু সরদার (১৮), চিত্ত সরদারের পুত্র আব্দুল কাদের স্কুল এন্ড কলেজের এইসএসসি ২য় বর্ষের ছাত্র  রাজেশ সরদার (২১) এবং তুষার মিস্ত্রির পুত্র গোলক মিস্ত্রি (২৫) ঘটনাস্থলে মারা যান।

আহতরা হচ্ছে; তপন সরদার (৪০), আরতি ম-ল (৩৫), গোপাল ম-ল (৪০), সুজিত ম-ল (১৯), দেবাশিস ম-ল ( ২৫), পিযুষ কান্তি বাউলিয়া (৩৫), গৌরপদ  মিস্ত্রি (৬০), প্রকাশ মন্ডল (২০), পিন্টু সরদার (১৬), রবিন্দ্রনাথ বাউলিয়া (৫০), অরপিতা বাউলিয়া (১০), লিপিকা (৫০), পশুপতি মন্ডল (৫৫), প্রকাশ মন্ডল (৪০),  কেয়া রানী (১৫), জামিনী (৪০), মনিন্দ্র (১৭)।

বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার সময় একটি মোটর সাইকেল ঐ বাসে  ধাক্বা খেয়ে পাশে পড়ে যায়। তবে আরোহীদের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedমাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে শহরের পলাশপোল চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় দুলাল দেবনাথ এর বাড়ির সামনে থেকে মেইন রোড পর্যন্ত এ ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। সাতক্ষীরা পৌরসভার অর্থায়নে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৪০ ফুট এ ড্রেন নির্মাণ কাজ করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান, আহসান হাবীব খান, শফিউল ইসলাম, আজহারুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী কামরুল আক্তার, উপসহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1770498494_1490537811-jpg-pagespeed-ic-nzwzt4xwkwডেস্ক: প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে পথ হারানো অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বল হাতে। নাথান লায়নের দুর্দান্ত স্পিনে লিড নেওয়ার পথ তৈরি করেছে সফরকারীরা।

অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের সেঞ্চুরির পরও প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৩০০ রানেই গুটিয়ে যায়। জবাবে দুর্দান্ত শুরু করা ভারত দিনের শেষ সেশনে খেই হারিয়ে ফেলে। ধর্মশালা টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ২৪৮ রান তুলতেই ভারত হারিয়েছে ৬টি উইকেট। এখনও ৫২ রানে এগিয়ে রয়েছে অজিরা।

জস হেইজেলউড ও প্যাট কামিন্সও দিন জুড়ে দারুণ বোলিং করলেও নায়ক লায়নই। চা-বিরতির পর প্রথম ওভারেই পুজারাকে ফিরিয়ে লায়নের শিকার শুরু। আগের ম্যাচের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান এবার ৫৭ করেছেন ১৫১ বলে।

লায়নের টার্ন ও বাউন্সে এরপর ফেরেন রাহানে ও করুন নায়ার। অশ্বিনও এদিন শুরু করেছিলেন দারুণ। কিন্তু ৩০ রানে তাকেও ফেরান লায়ন।

দিনটি অারো ভালো হতে পারত অস্ট্রেলিয়ার। দিনের শুরুতেই রাহুলের ক্যাচ ছাড়েন ম্যাট রেনশ। এরপর শেষ বিকেলেও ঋদ্ধিমান সাহার সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি রেনশ।

সকালে প্রথম সেশনে অফ স্টাম্প ঘেষা ডেলিভারিতে মুরালি বিজয়কে ফেরান হেইজেলউড। লোকেশ রাহুল ও চেতেশ্বর পুজারার দৃঢ়তায় প্রথম সেশনে আর উইকেট হারায়নি ভারত।

দ্বিতীয় সেশনেও ভারত হারায় মোটে একটি উইকেট। ৬০ রানে লোকেশ রাহুলকে ফেরান কামিন্স। গতিময় বাউন্সারে হুক করতে গিয়ে বল কাভারে পাঠান রাহুল!

দুর্দান্ত ফর্মে থাকা পুজারা এদিনও খেলছিলেন আরেকটি দুর্দান্ত ইনিংস। ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে আঁকড়ে ছিলেন উইকেট। এই ম্যাচের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানেও জমে গিয়েছিলেন উইকেটে। ২ উইকেট হারিয়েই দেড়শ পেরিয়ে যায় ভারত। এরপরই চিত্র বদলে দেন লায়ন। দিনের শেষ সেশনে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের নাগালে নেন লায়ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4444তরিকুল ইসলাম লাভলু : বহু কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া এবং মানবতা বিরোধী যুদ্ধপরাধীর বিচার সম্পন্ন করার শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।
নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ: রবিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে বিজয় র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত বিজয় র‌্যালী ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন,নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ আনিছুজ্জামান খোকন,সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক মো.আবুল হোসেন পাড়,নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মাস্টার শামসুর রহমান,কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জি.এম.সাইফুল ইসলাম,নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবু, এডঃ আব্দুল জব্বার,শামসুর রহমান, নলতা ইউপি সদস্য শেখ এবাদুল ইসলামসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা-নেতৃবৃন্দ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের বিজয় র‌্যালী নলতা হাটখোলা থেকে বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নলতা হাটলোয় এসে এক আলোনা সভায় মিলিত হয়।
নলতা কলেজ: নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডিয়েন্সিয়াল ডিগ্রী কলেজের আয়োজনে কলেজ মাঠে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সমাজ সেবক তারিকুল ইসলাম, নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডিয়েন্সিয়াল ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমে¥দ,শিক্ষক মানস চক্রবর্তীসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।পরে অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমে¥দের নেতৃত্বে এক বিজয় র‌্যালী নলতার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। উক্ত স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী নেতা ও বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক তারিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বলেন,বঙ্গবন্ধুর একটাই বক্তব্য হয়ে আছে ইতিহাস। একাত্তরের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার তরুণ প্রজন্মের এ ভূমিকাকে অনেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ব হিসেবে অভিহিত করেছেন।দীর্ঘ সয় মাসে মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলার দামাল সন্তানেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে সে যুদ্দে বিজয় লাভ কওে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে ১৯৭১-এর সাধারাণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়লাভ করা সত্বেও বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কাছে পাকিস্তান সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পাকিস্থানি সেনারা বাঙালি বেসামরিক লোকজনের উপর গুহত্যা শুরু করে।তাদেও এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগসহ তৎকালিন পূর্ব পাকিস্থানের প্রগতিশীল সকল সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সকল সচেতন নাগরিককে নির্বিচাওে হত্যা করা।

নলতা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়ন: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নলতা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্য সকাল ১০ টায় থেকে ফ্রি রক্তদান, রক্ত গ্রুপ নির্ণয়সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়,নলতা কেবিএ জুনিয়র হাইস্কুল,নলতা আহছানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা,ইন্দ্রনগর হুসাইনাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা,নলতা প্রাথমিক বিদ্যালয়,কাজলা গরিবুল্লাহ বিশ^াষ দাখিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

shahinআজকে আমাদের স্বাধীনতা দিবস,
তার মধ্যেই জঙ্গী হামলায় বিপন্ন আমাদের দেশের এক প্রান্ত!  এরপরেও দেখবেন কিছু অপদার্থের বাচ্ছা আজও ঝগড়া করতেছে কে স্বাধীনতার ঘোষক!!!

আমাদের স্বাধীনতা দিবসে এসে সেই ২৫ শে মার্চ ১৯৭১ এর মতো গতকালও এদেশের নিরীহ জনতার রক্ত ঝরালো হায়েনা জঙ্গিরা আর এখন দেখবেন কিছু অপদার্থের বাচ্ছাকে এটা প্রচার করতে ব্যস্ত : সিলেটের জঙ্গি হামলার ঘটনাবহ সরকারেরর নাটক, সাজানো, একটা ইস্যু চাপা দিতে জঙ্গি নাটক সাজিয়েছে।

সাধারণ কথা নিজের জীবন দিয়ে কেউ নাটকে অভিনয় করে? দুনিয়ার কোন কিছু কি নিজের জীবনের চেয়ে দামি? আপনি করতে পারবেন? মানুষ বাঁচার জন্য কত কি করে। আর এরা সেচ্ছায় জীবন দেয়!!

বিএনপি জামাতের আমলে দেশের ৬৪ জেলায় একসাথে বোমা হামলাও কি নাটক ছিল? কিছুদিন আগে ঢাকার হলি আর্টিজানে জঙ্গিদের হাতে ২০-২২জন বিদেশী নাগরিক হত্যা ও পুলিশ অফিসারের মৃত্যুও কি নাটক ছিলো?

আমি আপনি মরলে স্বাভাবিক কিন্তু তাহলে  শুধু কেন শুধু জঙ্গি একা মরলেই অস্বাভাবিক বা সাজানো নাটক? আর পুলিশসহ মরলে সরকারের চালাকি? আর পুলিশ RAB না মরলেও!!!

২০১৭তে ইউরোপসহ, ব্রিটেন, আমেরিকা, রাশিয়া, ফান্স, জার্মানি, বেলজিয়ামসহ নানান দেশের উপর হামলা গুলোও নাটক? নাকি সেটা আমাদের দেশ নয় বলে আসল?। আর আমাদের মাতৃভূমিতে হলে নাটক?
নাকি রাজনৈতিক বিরোধোর জের অন লাইনে এসে আপনারা এসব প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে কারো বা কোন সংঘবদ্ধ গুষ্টির স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন?

রাজনৈতিক বিরোধের জন্য পাক প্রীতি না করে নিজ দেশকে ভালবাসুন। দেশের সব ভাল কাজে সরকারকে সহযোগিতা করুন, সময় আছে জঙ্গি এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন এবং সকলকে উৎসাহিত করুন। তা নাহলে সামনে পাকিস্তান, সিরিয়া, ইরাক, আফগানীস্থানের মতো হওয়ার মানসিকতা তৈরী করুন।

লেখক:  সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, মাস্টারদা’ সূর্যসেন হল শাখা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest