সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

শ্যামনগরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর প্রতিনিধি।:
শান্তি, সম্পৃতিময় ও সহনশীল সমাজ গঠনে যুব উদ্দোগে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ও উগ্রপন্থা প্রতিরোধে আমরা অঙ্গিকারবদ্ধ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভূরুলিায়া ইউনিয়ন পিস ক্লাবের উদ্দ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ জুন মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় ভূরুলিয়া ইউনিয়ন পিস ক্লাবের সভাপতি পলাশ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং ভূরুলিয়া ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এ.কে.এম জারুল আলম বাবু। ভূরুলিয়া ইউনিয়নের হিন্দু, মুসলিম সম্প্রদায়ের দক্ষ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ভূরুলিয়া নাগবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলার আয়োজন করেন ১নং ভূরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। খেলা টি ২-০ গোলে সমাপ্ত হয়।

চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজাই রাখতে আমরা হিন্দু মুসলিম সকলে একত্রে কাজ করবো এবং হিন্দু মুসলিম কেউ কাউকে আলাদা চোখে দেখবো না সকলে মিলেমিশে একত্রে থাকবো সাথে সাথে ইউনিয়নকে উন্নয়ন শীল করে গড়ে তুলবো।

পিস ক্লাবের সভাপতি পলাশ মন্ডল বলেন, ভূরুলিয়া ইউনিয়ন বাসীকে শুভেচ্ছা জাপন পূর্বক অত্র ইউনিয়নের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সকল অপপ্রচারকে রুখে দিয়ে বোঝাবুঝির মাধ্যমে শান্তিময় সমাজ গড়তে শক্ত ভীত গঠনে সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানাই।

উক্ত খেলায় উপস্থিত ছিলেন ১নং ভূরুলিয়া ইউপির ৭,৮,৯ এর মহিলা সদস্যা মোছাঃ জোবায়দা মোস্তফা, ০৯ নং এর মেম্বর আব্দুল মজিদ গাজী, ৮নং এর মেম্বর মাহবুবুর রহমান মাফু, ৪ নং এর মোঃ আশরাফুল আলম, ৫নং এর মেম্বর হোসেন আলী,২ নং আবু জাফর প্রমুখ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে সাতক্ষীরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ জুন মঙ্গলবার বিকালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহম্মেদ মানিক এর নেতৃত্বে এক বিক্ষোভ মিছিল শহরস্থ সঙ্গীতা মোড় থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মোজাহার চেয়ারম্যানের পেট্রাল পাম্পের নিকট সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।

বক্তব্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহম্মেদ মানিক অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানায়।

অন্যাথায় কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারকে পতনের হুশিয়ারী দেওয়া হয়। এসময়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মিলন হোসেন শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ জেলার সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাছখোলায় বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী খননে অনিয়মের প্রতিবাদে নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির পথসভা

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরায় বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী  খননে অনিয়মের প্রতিবাদসহ টিআরএম বাস্তবায়ন এবং নদীর টেকসই বেড়ীবাধ নির্মান ও উচ্ছেদকৃত ভুমিহীনদের পুনঃবাসনের দাবিতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় সাতক্ষীরার মাছখোলা বাজারে পথসভা  অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পথসভা সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির নেতা উৎপাল মন্ডল।

জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চলনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলি,  সাতক্ষীরা জেলা নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুস সামাদ, আবু সুফিয়ান সজল, মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সেলিম, মনিরুজ্জামান টুটুল, দপ্তর সম্পাদক শেখ হাফিজুর রহমান, অর্থ সম্পাদক শাহাজান আলী, মহিলা সম্পাদিকা শাহানারা খাতুন, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক মফিজুর ইসলাম, সমাজসেবক  নুরুল ইসলাম, রফিক প্রমুখ।

জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় বক্তারা বলেন, বেতনা মরিচচাপ খননের জন্য বাজেট সঠিকভাবে খননের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কিন না তার জন্য সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কার্যক্রম সমন্বয় ও গতিশীল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয়ে একটি ফোরাম গঠন করতে হবে। যে কোন ধরনের বিপর্যয় এড়ানোর জন্য নির্ধারিত সময়ে বেতনা, মরিচচাপ খনন ও পার্শ্ব খালের সাথে সংযোগ টি আর এম, বাস্তবায়ন টেকসই বেড়িবাঁধ অসহায় ভূমিহীনদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। নৌ-খাল কুচুরিপনা ও ময়লা আবর্জনা ভরে গেছে। তাই নৌ-খাল দ্রুত খনন বাস্তবায়ন করতে হবে।  সাতক্ষীরাবাসি জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক নদী খননে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। আর এখানকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃকপক্ষদের যোগসাজে ঠিকাদাররা নদী খননে গভীরতা না করে বেড়িবাঁধ উচু করে নদী খননে কাজ যেনতেন করে দায়সারের চেষ্টা করছেন ঠিকাদাররা। নদী খননের নামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগসাজে সরকারের অনুকূলে বরাদ্দ প্রকল্প টাকা লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদাররা।

নদীর গভীরতা সহ বেড়িবাঁধ টেকসই করতে হবে।  টি আর এম বাস্তবায়ন না হলে সরকার বেতনা ও মরিচচাপ খনন করার পর কোন আশার আলোর মুখ দেখবে না। অববাহিকার মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতার পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।

বক্তারা আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষার সাথে বেতনার ধার দিয়ে অবৈধ ইটভাটা হয়েছে।  ইটভাটা স্থাপনের পাশে রয়েছে  স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা,  কৃষি গবেষণায় অফিস, কারিগর প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিসিসি),

কৃষি গবেষণা পরমানু অফিস। তাই ১০০ গজ দুরে ইটভাটা করতে হবে। বসতি এলাকায় ইটভাটা করা যাবে না।

বসতি এলাকায় স্থাপন  ইটভাটা অবিলম্বে অপসারন করতে হবে। উচ্ছেদকৃত ভুমিহীনদের পুনঃবাসন করতে হবে।

সাধারন মানুষের দাবী গুরুত্ব প্রদানে সক্রিয় জন অংশগ্রহন সহ টি আর এম বাস্তবায়নের মাধ্যমে পলি ব্যবস্থাপনা হলে বেতনা মরিচচাপের পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।

অত্র এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধান হবে। কৃষি মৎস্যসহ এলাকার জীব বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। ভূ- গর্ভস্থ পানি স্থির ও বৃদ্ধি পাবে ফলে মানুষের জীবন জীবিকার পরিবেশ ফিরে আসার মাধ্যমে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে ব্যক্ত করেন।

একই সাথে  তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্টদের  কাছে টিআরএম পদ্ধতি চালু বাস্তবায়ন ও টেকসই বেড়িবাঁধসহ উচ্ছেদকৃত ভুমিহীনদের পুনঃবাসনের দাবি জোর জানান পথসভার সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার ১০ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

]নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনটের সহযোগিতায় এ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) বিশ^জিৎ কুমার, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম প্রমুখ। r

কর্মশালায় প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি নির্বাচনী ইশতেহারেই দেশের সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ দারিদ্র ও ক্ষুধা মুক্তি, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়কে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে।

এমপি রবি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ দেশকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করছে। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছেন বলেই করোনাকালে দেশ স্থবির হয়ে যায়নি। অর্থনৈতিক সম্মৃদ্ধির বিকাশ ঘটাতে আগামী ২৫ জুন উদ্ধোন হতে যাচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ বিশেষভাবে গরিব মানুষের জন্য উল্লেখ করে তিনি বলেন,

এ উদ্যোগগুলো যদি আমরা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি তবেই সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে। এজন্য সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টার আহবান জানান তিনি’। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের সমন্বয়ে গঠিত গ্রুপ ওয়ার্কের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং প্রচারে করুনীয় সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন ও উপস্থাপন করা হয়।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমনা আইরিন ও সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে মোটর সাইকেল ধাক্কায় নারী নিহত

নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্যামনগরে দ্রুত গতির মোটর সাইকেল ধাক্কায় রহিমা খাতুন (৫০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সিগঞ্জ শেখ বাড়ী মোড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি মুন্সিগঞ্জ পূর্ব ধানখালী গ্রামে আব্দুল করিম গাজীর স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শী একই গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, সকালে রাস্তার পাশ দিয়ে হেটে প্রতিবেশীর বাড়িতে যাওয়ার সময় পিছন থেকে দ্রুত গতির মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

এসময় রাস্তার উপরে ছিটকে পড়ে গুরুত্বর আহত হয় ওই নারী। দ্রুত উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ রিতা রানী পাল তাকে মৃত ঘোষনা করেন। শ্যামনগর থানার ওসি কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়াসহ ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার সুন্দরবনে প্রবেশের তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়াসহ ৬ দফা দাবিতে মানবন্ধন করেছে জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালীরা।
১৪ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনি ফরেস্ট অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আজিবর রহমান।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির সন্তানদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যাণার্জি, জেলে পরিবারের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা আজিজুর রহমান, জাগো যুব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ ফারুক হোসেন, সুন্দর প্রেসক্লাবের সহ- সভাপতি আব্দুল হালিম, সাংবাদিক আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, রবিউল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, নদীকে বিশ্রাম দেওয়ার কথা বলে এবং ইলিশের বেড়ে উঠার সুযোগ করে দিতে তিন মাস জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালীদের সুন্দরবনে প্রবেশের পাশ বন্ধ রাখা হয়। অথচ সুন্দর সাতক্ষীরার রেঞ্জের নদীতে ইলিশ মাছ ধরা পড়ে না। এছাড়া নদীতে বিশ্রাম দেওয়া তো দুরের কথা নিয়মিত কার্গোসহ অন্যান্য যান চলছে নদীতে। মাছ বা কাকড়া ধরা বন্ধ নেই। ফরেস্ট অফিসের কতিপয় কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে কিছু জেলেদের পাশ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে হাজার হাজার জেলে বাওয়ালীরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এছাড়া যে সময় বাংলাদেশের জেলেদের পাশ বন্ধ রাখা হয়েছে সে সময়ে পাশ^বর্তী দেশ ভারতে পাশ দেওয়া হচ্ছে। ফলে সে দেশের জেলেরা আমাদের রেঞ্জের মাছ, মধু, কাকড়া ধরে নিয়ে লাভবান হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, পাশ বন্ধ থাকলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালীকে ৮৬ কেজি চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও সঠিকভাবে তা দেওয়া হয়নি। সাতক্ষীরায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৩১ হাজার। অথচ চাউল পেয়েছে মাত্র ১৯৭৯ জন। এছাড়াও অনিবন্ধিত প্রায় লক্ষাধিক জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালী রয়েছে। তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। বক্তারা অবিলম্বে পাশ ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান।
জেলেদের ৬দফা দাবিগুলো হচ্ছে- ৩ মাসের পাশ বন্ধ উঠিয়ে নিতে হবে। সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনের বন বন্ধ রেখে রায় মঙ্গল নদীসহ সকল নদী মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে। পাশের রেভিনিউ আগের মতো আনতে হবে। সাতক্ষীরা রেঞ্জে সাগরে মাছ ধরার জন্য ফিসিং বোর্ডের লাইসেন্স দিতে হবে। সুন্দরবনের সকল ক্ষতিগ্রস্থ জেলেদের আর্থিক অনুদান দিতে হবে। মৎস্য বিভাগকে জেলে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দিতে হবে।
মানববন্ধন শেষে ৬ দফা দাবিতে ফরেস্ট অফিসারের কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিপ্রার্থীকে পেটানোর অভিযোগ এনডিসির বিরুদ্ধে, উদ্ধার করল পুলিশ!

অনলাইন ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টরের (এনডিসি) দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার কিশোর কুমার দাশ লাঠি দিয়ে দুই চাকরিপ্রার্থীকে পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থী কাজী মোশারফ হোসেন (৩০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের নিচতলার পেয়িং ওয়ার্ডের ১১ নম্বর বেডে তিন দিন শয্যাশায়ী ছিলেন। ব্যথায় বাম পা ও হাত নড়াতে পারছেন না তিনি। পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াবেন, সেই ক্ষমতা নেই মোশাররফ হোসেনের।

গত শুক্রবার সকালে শহরের ১২টি কেন্দ্রে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব প্রশাসনের অধীন তৃতীয় শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষা এবং বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটি কেন্দ্রে সাধারণ প্রশাসনের অধীন তৃতীয় শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষা হয়।

চাকরিপ্রার্থী কাজী মোশারফ হোসেন বলেন, “আমার কেন্দ্র ছিল শহরের বিরাশার এলাকায় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস স্কুল অ্যান্ড কলেজে। সকাল ১০টায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় আমার হাতে মোবাইল ও ঘড়ি ছিল। পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে সেগুলো কক্ষ পর্যবেক্ষকের কাছে গচ্ছিত রাখি। পরে আমার মোবাইল সেটসহ আরও সাত থেকে আট জন পরীক্ষার্থীর মোবাইল সেট ও ঘড়ি ওই কক্ষ পর্যবেক্ষকের কাছ থেকে কেন্দ্র সুপারের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার কিশোর কুমার দাশ নিয়ে যান। পরীক্ষা শেষে কক্ষ পর্যবেক্ষকের কাছে মোবাইল সেট ফেরত চাইলে তিনি সহকারী কমিশনারের সঙ্গে কেন্দ্রের নিচে গিয়ে দেখা করতে বলেন। এরপর সেখানে গিয়ে কিশোর কুমার দাশের সঙ্গে সাক্ষাত করলে তিনি কেন্দ্রের মেইন গেটে যেতে বলেন। সেখানে অপেক্ষায় থাকা পরীক্ষার্থীদের তিনি বলেন, ‘এগুলো কেন নিয়ে আসছো, ফেরত দেওয়া যাবে না।’ কিছু সময় পরে তাদেরকে ডিসি অফিসে যেতে বলে সেখান থেকে চলে যান কিশোর কুমার। ডিসি অফিসে যাওয়ার পর বলেন, ‘তোমরা কেন এখানে আসছো। মোবাইল ফেরত দেওয়া যাবে না। বেশি বেশি করলে পুলিশ ডাকবো।’ এ সময় চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, ‘স্যার আমরা গরিব মানুষ, আমাদের ভুল হয়ে গেছে, মোবাইল ফেরত দিন।’

কাজী মোশারফ হোসেন আরও বলেন, ‘মোবাইল ফেরত দেওয়ার অনুনয়-বিনয় করলেও ওই কর্মকর্তা আমাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন। সাড়ে ১১টায় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্রমাগত অনুরোধ করার পরও মোবাইল ফেরত না দেওয়ার ব্যাপারে অটল থাকেন কিশোর কুমার দাশ। একপর্যায়ে মোবাইল-ঘড়ি পাওয়ার আশা বাদ দিয়ে হতাশ হয়ে তাদের অনেকে চলে যান।’

মোশারফ বলেন, ‘এমন অবস্থায় ডিসি অফিসে পরিচিত এক কর্মচারীকে পেয়ে তাকে ঘটনা জানিয়ে সহায়তা কামনা করেন। পরে ওই কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে বেলা ৩টার দিকে কিশোর কুমার দাশের কক্ষে যাই আমি ও আরেক পরীক্ষার্থী। ওই কর্মচারীকে দূরে সরিয়ে দিয়ে প্রথমে মোশারফকে সামনে হাত রেখে পেছন ঘুরে দাঁড়াতে বলেন কিশোর কুমার। এরপর ওই কর্মচারীকে একটি লাঠি আনতে বলেন। লাঠি আনার পর এটি দিয়ে যতো খুশি মারার জন্যে ওই কর্মচারীকে নির্দেশ দেন। দু-আড়াই হাত লম্বা ওই লাঠি দিয়ে প্রথমে ওই কর্মচারী সাত-আটটি বাড়ি দেন মোশারফের কোমরের নিচ থেকে পা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে। এরপর কিশোর কুমার দাশ আমি যে কর্মচারীকে সহায়তার জন্যে নিয়ে গিয়েছিলাম তাকে বলেন আমাকে পেটাতে। ওই কর্মচারী আমার আত্মীয় হওয়ায় তিনি আমাকে পেটাতে পারবেন না বলার পর কিশোর কুমার আরেকজনকে ফোন করে সেখানে আনেন। তিনিও সজোরে আমাকে ১০ থেকে ১২টি বাড়ি দেন। তারপরও হয়নি বলে কিশোর কুমার দাশ নিজেই লাঠি দিয়ে আমাদের দুজন চাকরিপ্রার্থীকে পেটান। একপর্যায়ে আমি মেঝেতে বসে পড়ি। পরে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে আমাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু আমি চলার শক্তি হারিয়ে ফেলি। পায়ে ভর করে দাঁড়াতে পারছিলাম না।’

এ অবস্থায় জরুরি ৯৯৯ নম্বরে কল করলে সেখানে গিয়ে সন্ধ্যার দিকে আমাকে উদ্ধার করেন সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল্লাহ।

এসআই আতিকুল্লাহ বলেন, ‘আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে আমি কল পাই। এরপর সেখানে গিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় ডিসি অফিসের মসজিদের কাছে মোশারফকে পড়ে থাকতে দেখি। তিনি পা লম্বা করে পড়ে ছিলেন। কথা বলতে পারছিলেন না। কান্নাকাটি করছিলেন। এই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তির জন্য পাঠাই।’

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফয়সাল আল হাসান বলেন, ‘হাতে এবং বাম পায়ে আঘাত পেয়েছেন মোশারফ হোসেন।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্যে অভিযুক্ত সহকারী কমিশনার কিশোর কুমার দাশের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। কিশোর কুমার দাশ প্রায় তিন বছর ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনে রয়েছে। ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর নেজারত ডেপুটি কালেক্টরের দায়িত্ব নেন। তার বিরুদ্ধে করোনাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় দুই যুবককে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে। মাস্ক না পরার অপরাধে জরিমানা দিতে দেরি করায় রড দিয়ে পিটিয়ে এক যুবকের হাত ভেঙে দেন।

জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

তবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি এমন ঘটনা ঘটে তাকে তবে এটি খুবই দুঃখজনক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জায়েদ খানকে নিয়ে সানী-মৌসুমীর সংসারে ভাঙনের ঢেউ

বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউডের আদর্শ দম্পতি হিসেবে সমাদৃত ওমর সানি ও মৌসুমী। বিনোদন জগতের মানুষের সংসার না টেকার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দুই যুগ ধরে এক ছিলেন তারা। গুঞ্জন উঠেছে তাদের সংসারেও নাকি ফাটল ধরেছে। কিছুদিন ধরে আলাদা থাকছেন মৌসুমী ও ওমর সানী। প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই এবার আলাদা হয়ে যাচ্ছেন তারা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ঘটনা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা ও বিতর্ক। দুই তারকার কাছের মানুষ ও ভক্ত-অনুরাগীরাও হতবাক হয়েছেন। এবার ওমর সানী নিজেই জানালেন, মৌসুমীর সঙ্গে তার কথাও বন্ধ রয়েছে। জায়েদ খান ইস্যুতে তাদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে।

তবে এখনই নিরাশ করছেন না ওমর সানী। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, আমি এখনো আমার অভিযোগে অটল আছি। জায়েদের বিষয়ে যা বলেছি সব সত্যি। আমার আর আমার ছেলের কাছে তার (জায়েদ খান) বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। আমি চাই না ২৭ বছরে এসে আমার ফ্যামিলির মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হোক। বাইরের মানুষ যেভাবে আমার সংসার ভাঙার চেষ্টা করছে।

মৌসুমীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য না করার অনুরোধ করে ওমর সানী বলেন, আমার গার্ডিয়ান আমার ছেলে-মেয়ে। বাকি কথা তাদের কাছ শুনে নেবেন। তবে এসব দ্বন্দ্বের অবসান চান সিনিয়র শিল্পীরা। ব্যক্তিগত বিষয়গুলো থাকুক আড়ালে। সম্মান নিয়ে বাঁচুক ইন্ডাস্ট্রির সব শিল্পী। এমন আশাই করছেন অনেকে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১০ জুন) খল অভিনেতা ডিপজলের বড় ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় অংশ নেন ওমর সানী। সেখানে তিনি জায়েদ খানকে চড় মেরেছেন বলে দাবি করেছেন। বিপরীতে জায়েদ তাকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিয়েছে। এরপর শিল্পী সমিতিতে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন সানী। তাতে বলেছেন, জায়েদ খান তার ও মৌসুমীর সংসার ভাঙার চেষ্টা করছে।

যদিও ওমর সানীর অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান। এমনকি চড়-পিস্তলের ঘটনাও সত্য নয় বলে তার দাবি।

এরপর সোমবার (১২ জুন) মৌসুমী নিজেও মুখ খুলেছেন। তিনি স্বামী ওমর সানী নয়, বরং জায়েদ খানের পক্ষ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। ফলে নেটিজেনদের মনে তাদের সংসার ভাঙার শঙ্কা আরও প্রবল হয়েছে। তবুও ভক্তদের প্রত্যাশা, সাময়িক অভিমান-ভুল বোঝাবুঝি ভুলে পুনরায় সুন্দর-শান্তিপূর্ণ সংসারে ফিরবেন এই তারকা দম্পতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest