সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যু

শিক্ষামন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে খাসজমি দখলের অভিযোগ: বাতিল হচ্ছে দলিল

দেশ ডেস্ক: চাঁদপুরে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বড় ভাই আওয়ামী লীগ নেতা জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ ওরফে টিপুর বিরুদ্ধে খাসজমি দখলের যে অভিযোগ উঠেছে, সে ঘটনায় ছয়টি দলিল বাতিল করছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

এছাড়া অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মঈনউল ইসলাম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার সোনাপুর, তাজপুর (প্রকাশ্যে বাহেরচর) মৌজাটি সিএস জরিপ চলাকালে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে এ চরটি পুনরায় জেগে উঠলেও তা জরিপ করা হয়নি। তবে, সরকারি স্বত্ব-দখল বজায় রাখার সুবিধার্থে ০৭/৭৭-৭৮ নম্বর রিসেটেলমেন্ট মোকদ্দমার মাধ্যমে দখল অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অস্থায়ী জমাবন্দি তৈরি করা হয়।

জরিপ না হওয়ায় প্লটগুলোতে কোনো দাগ-খতিয়ান নম্বর পড়েনি এবং দখলদারদের সঙ্গে কোনোরূপ কবুলিয়ত সম্পাদিত হয়নি উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, এসব জমিতে কোনো ব্যক্তি বা চাষির স্বত্ব বা মালিকানা তৈরি হয়নি। বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পরও ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই মেয়াদে পাঁচটি সাফ কবলা দলিল (নম্বর-৩২৫, ৩২৬, ৩৮১, ৪১৫ ও ৬৮১) ও একটি দানপত্র দলিল (নম্বর-৫৪০/৩০.০৫.২০১৯) নিবন্ধনের মাধ্যমে ৫৬ দশমিক ৫২৫ একর সরকারি খাসজমি বেহাত হয়েছে। তৎকালীন সাব-রেজিস্ট্রার অসীম-কল্লোল এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন মর্মে ধারণা করা হচ্ছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, দলিলগুলো বাতিলের জন্য যথাযথ নির্দেশনা প্রদান এবং উল্লিখিত অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বড় ভাই ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ ওরফে টিপু বিপুল পরিমাণ খাসজমি নিজের কবজায় নিয়ে মাছের ঘের, গবাদিপশুর খামার ও সবজিবাগান তৈরি করেছেন। কেবল সরকারি জমির ওপরই নিয়ন্ত্রণ নেননি, তিনি ওই এলাকার নাম বদলে নিজের নামে রেখেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই খাসজমি প্রতি শতাংশ দলিল করা হয়েছে মাত্র ৪৬৫ টাকা দরে। মোট ৪৮ দশমিক ৫২ একর (৪ হাজার ৮৫২ শতাংশ) জমি শিক্ষামন্ত্রীর বড় ভাই জাওয়াদুর ও তাঁর সহযোগীদের নামে দলিল করে নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গণহত্যা দিবস পালিত

তালা অফিস :
তালায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ মার্চ) সকালে দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জালালপুর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে, পার কুমিরা বধ্যভূমিতে ও হরিণখোলা বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়।

পরে তালা উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়্ সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ^াসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুর্শিদা পারভীন পাঁপড়ি, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও খলিলনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রনব ঘোষ বাবলু, বাকশিসের জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন জোয়ার্দ্দার, জেএসডির কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে জালালপুর ইউনিয়ন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে বধ্যভূমি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জালালপুর ইউনিয়ন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে এ সভা অুনষ্ঠিত হয়।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিত্রংকন, রচনা প্রতিযোগিতা, গণহত্যার উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, শহিদদের স্বরণে বিশেষ মোনাজাত ও রাত ৯টায় প্রতীকি ব্লাক আউট কর্মসূচী পালিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকল ধর্মের সাধকদের নিয়ে তালায় ৯১তম সাধু সম্মেলন শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার তালায় চারদিন ব্যাপী ৯১তম ধর্মীয় অনুষ্ঠাণ সাধু সম্মেলন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৫ মার্চ) দুপুর ২ টায় তালার শিবপুর প্রয়াত আধ্যাত্নিক সাধক এজাহার আলী মারফতি ফকিরের বাসভবন চত্বরে সাধু সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

সাধকপুত্র উপজেলা জাপার সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। বিশেষ অতিথি ছিলেন তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক এসএম আলাউদ্দীন।

উদ্বোধনকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সাধক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে সাধকপুত্র সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, স্রষ্ট্রার উপাসনা আর সৃষ্টির সেবা। মানব সেবা পরম ধর্ম। অহিংসা পরম ধর্ম। নামাজ রোজা করে মানুষের ক্ষতি কামনা করবো এই নামাজ আল্লাহ্’র কাছে কবুল হবে না। কেয়ামতের দিনে ওই নামাজ নাযাতের ওসিলা হবে না।

তিনি বলেন, মানবের কল্যাণে সকল ধর্মের সাধকদের নিয়ে প্রতি বছরই আয়োজন করা হয় এই সাধু সম্মেলনের। আমার প্রায়াত বাবা ৯১ বছর আগে থেকে এটি শুরু করেন। মৃত্যুর পরও সেটি অব্যাহত রয়েছে। চার তরিকার সাধকরা নবী ও রাসূল (সাঃ) জীবনী নিয়ে আলোচনা করবেন। সমাজের নানা অসঙ্গতি পরিহার করে বিভেদ ভুলে সকলের জন্য দোয়া করবেন।

আগত অতিথিরা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে বক্তব্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। আগামী ২৯ মার্চ (মঙ্গলবার) সকালে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ৯১তম সাধু সম্মেলন সমাপ্ত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরের বধ্যভূমিতে অস্থায়ী স্মৃতি সৌধ নির্মাণ : পুষ্পস্থাবক অর্পণ

আসাদুজ্জামান : স্বাধীনতার ৫০ বছর পর গণহত্যা দিবসে সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া আমতলা দীনেশ কর্মকারের বাড়ি সংলগ্ন বধ্যভূমিতে অস্থায়ী স্মৃতি সৌধ নির্মান ও পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নবনির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কমিটি।

এরপর সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীরে সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মশিউর রহমান মশু, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমরেশ দাস প্রমুখ।

বক্তারা এ সময় ১৯৭১ এর গণহত্যা দিবসের ৫০ বছর পার হলেও অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মিত করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।
তবে জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবীর বলেন, অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হলেও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আবেদনটি পেলেই নির্ধারিত নকশা অনুযায়ি দীনেশ কর্মকারের বাড়ি সংলগ্ন জমিতে নির্ধারিত বধ্যভূমিতে স্থায়ী স্মৃতিস্থম্ভ নির্মাণ করা হবে।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে শু সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা বধ্যভূমি সংরক্ষন ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কমিটির পক্ষ থেকে অস্থায়ী এই বধ্যভূমিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে শহীদদের স্মরণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল নিহত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সুন্দরবন,সাতক্ষীরা রেঞ্জের কাচিকাটা এলাকায় মধু সংগ্রহের সময় বাঘের হামলায় মৌয়াল সোলাইমান শেখ (৫০) মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে তিনি বাঘের হামলায় নিহত হন।

পরে তাকে উদ্ধার করে তার সহকর্মী মৌয়ালরা। তার মরদেহ লোকালয়ে আনা হচ্ছে বলে বনবিভাগ জানিয়েছে।
সোলাইমান উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের গোদাড়া গ্রামের আনছার আলী শেখের ছেলে।
কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ জানান,মৌয়ালদের সূত্রে জানতে পেরেছি, সোলাইমান বাঘের আক্রমণে নিহত হয়েছেন। তবে তার উদ্ধারকারী সহকর্মীরা লোকালয়ে ফিরে না আসলে বিস্তারিত বলতে পারছিনা।

বনবিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার (এসও) নূর আলম জানান, সপ্তাহখানেক পূর্বে বুড়িগোয়ালিনী বন অফিস হতে মধু সংগ্রহের অনুমতি বনের ভেতরে যায় সোলাইমান শেখ। শুক্রবার সকালে কাচিকাটা এলাকায় তিনি বাঘের আক্রমণে নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম.এ হাসান জানান, সোলাইমান শেখকে তার মৌয়াল সহকর্মীরা উদ্ধার করেছে। তার মরদেহ লোকালয়ে না আনা পর্যন্ত কোন কম্পার্টমেন্টে মারা গেছেন বলতে পারছিনা। তবে যেহেতু তিনি বনবিভাগের অনুমতি নিয়ে বনে গিয়েছিলেন,বিধি অনুযায়ী তার পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বৈদ্যুতিক তাঁর ছিঁড়ে পাটকাঠি ভর্তি ট্রাকে আগুন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বৈদ্যুতিক লাইনের তার ছিঁড়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন পাটকাঠি ভর্তি ট্রাকে আগুন লেগেছে।

শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্ল্যার মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিন ঘণ্টা ধরে ফায়ার ব্রিগেড আগুন নেভানোর আগেই ট্রাকটির মালামালসহ বড় অংশ পুড়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্বেতপুর গ্রামের ইজিবাইক চালক বাবুরালি ও ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক বুধহাটা গ্রামের শহীদুল ইসলাম জানান, যশোরের মনিরামপুর থেকে পাটকাঠি ভর্তি করে ঝিনাইদহ -চ- ১১-০০৩২ নং ট্রাক আশাশুনির বাঁকা বাজার এলাকায় যাচ্ছিল।

শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে পথিমধ্যে সাতক্ষীরা- আশাশুনি সড়কের কুল্ল্যা মোড়ে পাটকাটি বেঁধে বৈদ্যুতিক লাইনের তার ছিঁড়ে ওই ট্রাকের উপর পড়ে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ট্রাকে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে আশাশুনি থেকে সিভিল ফায়ার ডিফেন্স এর একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে সাতক্ষীরা থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরো দু’টি ইউনিট এসে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

ততক্ষণে ট্রাকে থাকা পাটকাঠি ও ট্রাকটির ইঞ্জিনসহ ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোমিনুর রহমান জানান, ট্রাকটিতে আগুন লাগার পর কুল্ল্যা মোড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিশু নির্যাতন বন্ধে আইনের দ্রুত প্রয়োগ ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টিতে সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই !

এম. বেলাল হোসাইন:
আইনের দ্রুত প্রয়োগ, মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা এবং নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক সচেতনা সৃষ্টি করতে পারলেই সাতক্ষীরায় শিশু নির্যাতন,ধর্ষনের মত ঘটনার প্রতিরোধ করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে আইন শৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক নেতাসহ সামাজিক নেতৃবৃন্দকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি লজ্জাজনক ঘটনায় সাতক্ষীরাবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ২০২০ সালে করোনার শুরু থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ৩০৯ টি নারী ও শিশু ধর্ষনের শিকার হয়েছে। ধর্ষনের শিকার অধিকাংশই কন্যা শিশু। ধর্ষনের শিকার বয়স্ক নারীর সংখ্যা খুবই কম। করোনাকালিন সময়েই বেশি ধর্ষনের শিকার হয়েছে এ জেলার শিশুরা।
এসব ঘটনা কন্যা শিশুদের ক্ষেত্রেই বেশি ঘটেছে। যাদের দ্বারা নির্যাতিত ও ধর্ষিত হয়েছে তারা সকলেই ভুক্তভোগীদের পরিচিত এবং আতœীয়। বেড়েছে শিশু শ্রম ও শিশু নির্যাতন। কন্যা শিশুর পাশাপাশিও অমানষিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে পুত্র শিশুও।
গত ১৪ মার্চ ২০২২ সোমবার ৭বছরের শিশু আলিফকে রক্তাক্ত অবস্থায় মরিচ্চাপ নদীর বেড়িবাঁধের পাশে একটি পানি বিহীন পুকুরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আলিফকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই চোখ খুচিয়ে – খুচিয়ে মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পুলিশ এঘটনায় রানী বেগম এবং আশিকুর কে আটক করে। রানী বেগম শিশুটি বড় মামী এবং আশিকুর তার ছোট মামা। শিশু আলিফের মা মারা যাওয়ার ছোটকাল থেকেই নানী বাড়িতে শিশু আলিফ। সে বড় মামীকেই মা বলে ডাকে। আটকের পর মামী রানী এবং আশিক জবানবন্দিতে বলেছে, তাদের দুজনের মধ্যে পরকীয়া ছিলো। ঘটনার দিন মামী রানী এবং আশিককে একই ঘরে দেখে ফেলে শিশু আলিফ। যে কারনে তার দুচোখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুচিয়ে নৃংশসভাবে হত্যার চেস্টা মামী রানী এবং মামা আশিক।

ওই নির্যাতনে শিশুটি তার ডান চোখ হারিয়েছে।
এর কারণ হিসেবে সাতক্ষীরার বিশিষ্ট জনেরা বলেন নৈতিক শিক্ষা, আইন থাকলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকা, শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া, আদর্শ শিক্ষা না থাকা এবং অভিভাবকদের ব্যস্ততাও দায়ী। এছাড়া নৈতিক মূল্যবোধ দিন দিন কমে যাচ্ছে। স্বামী স্ত্রীর প্রতি দূরত্ব বাড়ার কারনে বেড়েই চলেছে পরকীয়ার মত ঘটনা। আর পরকীয়ার কারনেও অনেক শিশুকে নির্যাতনের পাশাপাশি জীবনও দিতে হচ্ছে।
ধর্মীয় অনুশাসন না থাকাও এধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কারণ হিসেবে মনে করছেন ধর্মীয় নেতারা। পাশাপাশি শিশুরা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে, যিনি শিক্ষক তার নৈতিক চরিত্র কেমন হোক সে বয়স্ক বা যুবক।

সকল বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। অপরাধের বিষয়ে আইন থাকলেও যথাযথভাবে প্রয়োগ না হওয়াটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারন। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কেউ অপরাধ করলে তার শাস্তি না হওয়াতে ওই অপরাধী আরো অপরাধে আসক্ত হয়ে পড়ে। আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ করতে হবে। দ্রুত রাষ্ট্রীয় আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি ধর্মীয় নেতাদের নিয়মিত এধরনের অপরাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদ মন্দির গীর্জায় এসব বিষয়গুলো নিয়ে বক্তব্য প্রদান করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে কারিমে এ বিষয়ে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।’ Ñ সুরা আল ইসরা : ৩২। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবি (রহ.) বলেন, ‘ব্যভিচার কোরো না’ এর তুলনায় আল্লাহর বাণী ‘ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না’ অনেক বেশি কঠোর।
হাদিস দ্বারা ধর্ষণের শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। হজরত ওয়াইল ইবনে হুজর (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এক নারীকে ধর্ষণ করা হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) ওই নারীকে কোনোরূপ শাস্তি দেননি, তবে ধর্ষককে হদের (কোরআন-হাদিসে বহু অপরাধের ওপর শাস্তির কথা আছে। এগুলোর মধ্যে যেসব শাস্তির পরিমাণ ও পদ্ধতি কোরআন-হাদিসে নির্ধারিত তাকে ‘হদ’ বলে) শাস্তি দেন।’ Ñ ইবনে মাজাহ : ২৫৯৮। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একপক্ষে ব্যভিচার সংঘটিত হয়। আর অন্যপক্ষ হয় নির্যাতিত। তাই নির্যাতিতের কোনো শাস্তি নেই। কেবল অত্যাচারী ধর্ষকের শাস্তি হবে।

হিন্দুধর্মীয় নেতা বৃন্দাবন ঠাকুর তার রচিত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যদি কন্যা সকামা(মহিলা যদি নিজের ইচ্ছায়) হয় তবে বধদন্ড(মৃত্যুন্ড) হইবেনা।। অর্থাৎ, কোনো মহিলার অনিচ্ছায় যদি যৌনসঙ্গম করা হয় তবে সেটা ধর্ষণ, আর তার শাস্তি হবে লিঙ্গ কেটে ফেলা বা মৃত্যু দন্ড। আর যদি মহিলা স্বইচ্ছায় যৌনসঙ্গম করে যাকে ব্যাভিচার বলা হয়,তবে গমনকারী ব্যাক্তির মৃত্যুদন্ড হবেনা। কারণ এখানে উভয়ের ইচ্ছা ছিলো।

সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ও কবি স ম তুহিন বলেন, আমরা দিন দিন আমাদের সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। একটা সময়ে বিকালে মাঠে লাঠি খেলা, যাত্রাপালা, জারিগান, কাবাডি খেলা, ওয়াজ মাহফিল, পালাগান হত। সেখানে ছোট বড় সকল বয়সী মানুষের উপস্থিতি থাকতো। প্রচুর দর্শকও থাকতো। এখন এগুলো তেমন দেখা যায় না। শিশুরা টিচার, স্বজন এবং ধর্মীয় নেতা দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে। এর কারন আমাদের লেখাপড়াটার উদ্দেশ্যেটার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু একটা সময় পরিপূর্ণ মানুষ হওয়ার উদ্দেশ্যেই লেখাপড়া করা হতো। আদর্শিত মানুষ হওয়ার জন্য লেখাপড়া করা হতো। নৈতিক শিক্ষা থেকে দূরে চলে যাচ্ছি আমরা। ধর্মীয় অনুশাসন মানার কারনেও মানুষ অপরাধ থেকে দূরে থাকতো। এখন ধর্মীয় অনুশাসন আর তেমনটা দেখা যায় না। অভিভাবকদের সচেতনতাও অনেকাংশে দায়ী। এসব অপরাধ দমনে অভিভাবকদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। শিশুদের বেশি বেশি সময় দিতে হবে। ব্যাট টার্চ ও গুড টার্চ সম্পর্কে ধারনা দিতে হবে। অন্যদিকে অযোগ্য জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করাটাও একটি অন্যতম কারন। তারা ভোটের জন্য এসব অপরাধকে ধামা চাপা দিতে চান। এমনকি কোন কোন সময়ে নিজেরাইও এধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।

সাতক্ষীরা মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এ কে এম শফিউল আযম বলেন, মহিলা অধিদপ্তর, সাংবাদিক প্রশাসন সকলেই কিন্তু বাল্য বিবাহ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও কিছু ঘটনা ঘটছে, মূলত অভিভাকদের অসচেতনতা এবং জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছার অভাব থাকার কারনেই এধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তবে বাল্য বিবাহের পরেও মামলা করার সুযোগ রয়েছে। যে কেউ বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে।
সাতক্ষীরা জজকোর্টের অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু বলেন, আইনের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার প্রার্থীরা ধর্য্য হারা হয়ে যায়। ফলে আসামীরা পার পেয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার করতে হবে। সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে, বিচারপ্রার্র্থীর হয়রানি বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। সর্বপরি মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে পারলেই এসব অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারলেও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি মন্দিরের পুরোহিত শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, এধরনের কাজ খুবই ন্যাক্কার জনক, মহাপাপ। এধরনের কাজের সাথে যারা জড়িত তাদের নরকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। এগুলো প্রতিরোধে তিনি মন্দিরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে বেশি বেশি করে মহাপাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি পরলোকের কঠোর শাস্তির বিষয়টি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আলোচনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস সামছুজ্জামান বলেন, পবিত্র কোরআনে এ সংক্রান্ত অনেক আয়াত রয়েছে। মসজিদের ইমামদের বেশি বেশি খুতবার এসব আয়াত নিয়ে আলোচনা করতে হবে। মানুষকে পরকালের শাস্তির বিধান সম্পর্কে অবগত করাতে হবে। তাহলেই এধরনের অপরাধ কমানো সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তথাকথিত সাংবাদিক ঐক্যের মিথ্যাচারের নিন্দা জানিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হওয়া এবং জঘন্য মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিকবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় এ প্রতিবাদ জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপির সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নুর ইসলাম, দৈনিক সাতনদী সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর রহমান,

এম কামরুজ্জামান, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনি, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, সাবেক অর্থ সম্পাদক কাজী শওকত হোসেন ময়না, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার নির্বাহী সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম কবির, এস এম রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক যুগের বার্তার সম্পাদক আ ন ম আবু সাঈদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, কামরুল হাসান, দৈনিক ইচ্ছেনদী সম্পাদক মকছুমুল হাকিম,

আসাদুজ্জামান আসাদ, শাকিলা ইসলাম জুই, এম রফিক, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, কাজী জামাল উদ্দীন মামুন, বরুন ব্যানার্জি, জাহাঙ্গীর আলম কবীর, আবু তালেব মোল্যা, নির্বাহী সদস্য মাসুদুর জামান সুমন, মো: আইয়ুব হোসেন রানা, ফয়জুল হক বাবু, মেহেদী আলী সুজয়, জি এম আদম শফিউল্লাহ, আব্দুল আলিম, হাফিজুর রহমান, এসকে কামরুল হাসান, মীর আবু বকর, এসএম আকরামুল ইসলাম এম. বেলাল হোসাইনসহ ৫৫ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন,

প্রেসক্লাবে ২২ মার্চ তারিখের বার্ষিক সাধারন সভা ও সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে ‘সাংবাদিক ঐক্য’ নামের একটি কথিত সংগঠনের প্রেসক্লাবের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে সদস্যদের মেইলে চরম মিথ্যাচার, মনগড়া তথ্য সম্বলিত প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে সাতক্ষীরাবাসীকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হচ্ছে। সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জির বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করে প্রমান করেছে তারা অপসাংবাদিকতার সাথে জড়িত। কল্যাণ ব্যানার্জি একক কোন ব্যক্তি নন। তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। তাকে সহ সিনিয়র সাংবাদিক সম্পর্কে কোন আপত্তিকর মন্তব্য দরদাস্ত করা হবে না। এসমস্ত মিথ্যা তথ্য তারা কেবল মেইলে পাঠিয়ে খ্যন্তÍ হচ্ছে না, তারা তা আবার দু/একটি পত্রিকায় প্রকাশ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও অনলাইন ভার্সানে এবং বিভিন্ন ফেসবুক তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছে। যেটি প্রেসক্লাবের মত একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য চরম মর্যদাহানিকর। যা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

তথাকথিত সাংবাদিক ঐক্যের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তারা আরো বলেন, সিনিয়র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হওয়ায় বহিস্কার হওয়া যে উশৃঙ্খল সাংবাদিককে আজ আশ্রয় দিচ্ছেন। মনে রাখবেন আগামীকাল ওই ব্যক্তি আপনাদেরকেও সম্মান করবে না।
এছাড়া কিছু সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অমান্য করে ২৩ মার্চ ক্লাবে প্রবেশ করে ৫ সদস্য বিশিস্ট তথাকথিত একটি আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কমিটি নির্বাচনী তফশীল ঘোষনা করেছেন। ২১ এপ্রিল প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ তফশীল অনুযায়ী প্রেসক্লাবের একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা পার পাবে না। নির্বাচন বানচলের চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest