সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যু

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৯২ তম জন্মদিনে সাতক্ষীরায় দোয়া

সাবেক রাষ্ট্রপ্রতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯২ তম জন্মদিন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়াস্থ জেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আজহার হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান বিপুল, কাউন্সিলর কায়সারুজ্জামান হিমেল, আবু তাহের প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে টিসিবি’র পণ্য বিক্রয় শুরু

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী স্বল্প আয়ের কার্ডধারি মানুষেরা মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে টিসিবি পন্য বিক্রয় শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকালে সাতÿীরা সরকারি স্কুল মাঠে এ পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, সাতÿীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মো¯Íাক আহমেদ রবি।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন,

জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হুমায়ূন কবির, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরাসহ জেলা প্রশাসানের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
সাতÿীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের নিদের্শে ও জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে সাতÿীরা জেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌর সভায় ৪৬ জন ডিলার মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৭৯৭ জন স্বল্প আয়ের কার্ডধারি মানুষের মাঝে প্রথম দফায় টিসিবি পন্য দেয়া শুরু হয়েছে।

দু’বার হৃাসকৃত মুল্যে কার্ডধারিদের মাঝে এই টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিটি মানুষকে ২ কেজি মসুরের ডাল, ২ কেজি চিনি ও ২লিটার সয়াবিন তেল দেয়া হবে।

যার প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, ডাল ৬৫ টাকা এবং প্রতি লিটার সয়াবিন ১১০ টাকা।
টিসিবি পন্য ক্রয় করতে আসা কয়েকজন জানান, সরকারের এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। তাদের দাবী প্রতি মাসে একবার যদি তারা টিসিবির পন্য ক্রয় করতে পারেন তাহলে তাদের মত নি¤œ আয়ের মানুষ গুলোর খুবই উপকার হবে। তবে, টিসিবি পন্য ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়ের পাশাপাশি সরকারকে বাজার মনিটরিং এর মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য স্থতিশীল রাখার দাবী জানান তারা।
সাতÿীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মো¯Íাক আহমেদ রবি জানান,

প্রতিটি রোজার মাসে এক শ্রেনীর অসাধূ ব্যবসায়ী যারা মুনাফাখোর তারা খাদ্যদ্রব্য পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও অহেতুক নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। এজন্য সরকার এক কোটি স্বল্প আয়ের জনগনের মাঝে নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্য পৌছে দিচ্ছে। যা তারা তাদের ক্রয় ÿমতার মধ্যে ক্রয় করতে পারেন তার ব্যবস্থা করেছেন সরকার। এরপরও কিছু লোক সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তাদের কাজই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মিথ্যা ধর্ষন মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কলারোয়ার আটুলিয়ায় জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আরিফ নামের এক যুবককে মিথ্যা ধর্ষন মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলার আটুলিয়া মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, আওয়ামীলীগ নেতা শামছুর রহমান।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে মামলার বাদীর শ্বশুর ইসমাইল হোসেন বলেন, মামলা বাদীর পারভীনা খাতুন আমার বড় পুত্রবধু। আমার বড় পুত্রের কন্যা তাছলিমা খাতুন আরিফের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে।আমিসহ গ্রামবাসী আরিফের বিরুদ্ধে হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নি:শর্ত মুক্তি চাই। সাথে সাথে মিথ্যা মামলা করায় আমার পুতœী তাছলিমা এবং তার মায়ের শা¯িÍর দাবি জানাচ্ছি।
গ্রামবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,কুলছুম, সাহিদা খাতুন, ফাতেমা খাতুন, পারভিনা আক্তার, সাবেক মেম্বর নেহাল উদ্দীন, শিÿক আ: মুজিদ, উক্ত মামলায় কারাগারে থাকা আরিফের স্ত্রী শারমিন আক্তার, বোন পারুল, পিতা একরাম আলী।
বক্তারা বলেন, আরিফ অত্র এলাকায় একজন ন¤্র ভদ্র যুবক হিসেবে পরিচিত। মামলার বাদীর কন্যা তাছলিমার সম্পর্কে চাচা হয় আরিফ। তাছলিমাদের বসবাসের কোন জায়গা না থাকায় আরিফের পিতার দেওয়া জমিতে তারা বসবাস করে। ওই জমি নিয়ে বিরোধের কারনেই আরিফের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ে করে। এছাড়াও মানববন্ধনে ভুক্তভোগী আরিফের স্ত্রী স্বামীকে নির্দোষ দাবি করে নি:শর্ত মুক্তির চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৩৭৪১ পরিবারকে টিসিবি’র পণ্য দেবে সরকার

দেবহাটা ব্যুরোঃ
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে রবিবার থেকে চালু হতে যাওয়া টিসিবি’র পণ্য উপকারভোগীদের মধ্যে বিক্রয়ের লক্ষ্যে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দর সাথে প্রেস ব্রিফিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। শনিবার বেলা ১২টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং করা হয়।

এতে উপস্থিত থেকে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের টিসিবি’র পণ্য বিক্রির তথ্য তুলে ধরে নির্বাহী অফিসার জানান, উপজেলার ৩৭৪১ পরিবার গরীব ও স্বল্প আয়ের মানুষদের তালিকার করা হয়েছে।

যার মধ্যে কুলিয়া ইউনিয়নে ১০১২ পরিবার, পারুলিয়া ইউনিয়নে ৮১৮ পরিবার, সখিপুর ইউনিয়নে ৫৮০ পরিবার, নওয়াপাড়া ইউনিয়নে ৮৬২ পরিবার, দেবহাটা সদর ইউনিয়নে ৪৬৯ পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিটি পরিবার সরকারি নির্ধারিত ৫৫ টাকা দরে ২ কেজি চিনি, ৬৫ টাকা দরে ২ কেজি মুসুর ডাল ও ১১০ টাকা দরে ২ লিটার সয়াবিন তেল স্বল্প মূল্যে প্রদান করবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে ডিলারের মাধ্যমে বিক্রিত পণ্য ট্যাগ অফিসারগন তদারকি করবেন। স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই পণ্য বিক্রয় করা হবে। সুবিধাভোগীরা সকাল ৮ টা থেকে ৫ পর্যন্ত এই পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার এই সুবিধা নিতে ৪৬০ টাকা সহ যথা সময়ের মধ্যে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থাকবেন।

যদি কোন কার্ডধারী এই সময়ের মধ্যে না আসেন তাহলে বিকাল ৫টার পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার ও ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে যে কোন স্বল্প আয়ের মানুষের মাধ্যে এই পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। তাই সুবিধাভোগীদের যথা সময়ে কার্ড সহ হাজির থাকার নির্দেশ প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
এদিকে প্রেস ব্রিফিং এ উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, কৃষি অফিসার ও কুলিয়া ইউপি ট্যাগ অফিসার শরীফ মোহাম্মাদ তিতুমীর, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শাওন প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন , কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুল হক, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মোমিনুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর খায়রুল আলম, অর্থ সম্পাদক কবির হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আরিফ, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম নাসির উদ্দীন, সদস্য কেএম রেজাউল করিম, দিপঙ্কর বিশ্বাস, মিজানুর রহমান, সজল রহমান, ডিলার রেজাউল ইসলাম, সাহেব আলী, সুভাষ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার মাধবকাটির ভূমিদস্যু ওয়ারেশ আলীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন 

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার মাধবকাটির চিহ্নিত ভূমিদস্যু ওয়ারেশ আলীর ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার দাবীতে ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানান,

সদর উপজেলার  মাধবকাটি গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর পুত্র ভুক্তেভোগী শফিকুল ইসলাম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একাধারে ফোরকানিয়া কোরআনিয়া মাদ্রাসার
সভাপতি, মাধবকাটি প্রাইমারী স্কুলের সহ-সভাপতি, মাধবকাটি কাঁচা বাজার
জামে মসজিদের সদস্য, বলাডাঙ্গা হেফজখানার সদস্য। একই এলাকার মৃত মাদার
মোড়ল ওরফে পাগলা মোড়লের পুত্র ওয়ারেশ আলীর সাথে আমার বিরোধ চলে আসছিল।
আমাকে সর্বশান্ত এবং হয়রানির করার জন্য বিগত ২০১৯ সালের পহেলা অক্টোবর
ওয়ারেশ আলী তার কন্যাকে ধর্ষন চেষ্টার একটি মিথ্যা নাটক সাজিয়ে নিজে বাদী হয়ে আদালতে আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা খারিজ হওয়ার পর বিগত ২০১০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী ওয়ারেশ আলী আমার বিরুদ্ধে আদালতে আরো একটি
মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। মামলাবাজ ভূমিদস্যু ওয়ারেশ আলী তার আতœীয় স্বজনদের বাদী করে আদালতে একের পর এক আরো ৩টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

ইতিমধ্যে এসব মামলাগুলো সবই মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। এছাড়াও
তিনি আমাকে আরো ৩টি পেন্ডিং মামলা জাড়িয়ে দেন। তার দেওয়া মিথ্যা মামলায়
আমি কারাগারে থাকা অবস্থায় চলতি বছরের ৬ জানুয়ারী আরো একটি মিথ্যা মামলায়
আমাকে জড়িয়ে দেন।
তিনি বলেন, আমি ঢাকা থাকাকালিন সময়ে গদাঘাটা গ্রামের মোকসেদ মোল্লার
পুত্র ওয়ারেশের কন্যার আতœীয় ডাকাতী মামলার আসামী মিজানুর রহমানকে দিয়ে
সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। আমি বাড়ি ফিরে আসার পর ওয়ারেশ এবং
মামলা বাদী মিজানুর গত ২০২১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পুলিশ নিয়ে আমাকে চিনিয়ে
দেন। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর পুলিশ আমাকে আটক করে ছিনতাই মামলায় কারাগারে
প্রেরণ করেন। ভূমিদস্যু ওয়ারেশ আলীর হাত থেকে রক্ষা পেতে গত ৮ মার্চ আমি
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করি। এঘটনায় ওয়ারেশ আলী আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ১২ মার্চ জঘন্য মিথ্যাচার করে আমার বিরুদ্ধে
একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। যা পরদিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

সেখানে ওয়ারেশ আলী বলেছেন আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার একটিরও নাকি
বাদী তিনি নন। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এর তীব্র নিন্দা ও
প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত পক্ষে তিনি আমার বিরুদ্ধে যে ৯টি মামলা
করেছেন এর মধ্যে ৫টি মামলার বাদী ওয়ারেশ আলী নিজেই। আর বাকী ৪টি মামলার
বাদী তার আতœীয় স্বজন। যার সকল কাগজপত্র ও মামলার এজাহারের কপি আমার কাছে
সংরক্ষিত রয়েছে। যা সুষ্ঠু তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। ধর্মীয়
লেবাসে ওয়ারেশ আলী মানুষকে হয়রানি করে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, ৮১নং
মাধবকাটি মৌজার এস.এ ২৯৪ ও ২৩২ নং খতিয়ানে ১৬১ ও ১৬২ দাগের ১.৪ একর ‘ক’
তফসীলভুক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখল করায় ওয়ারেশ আলীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আতিয়ার রহমান যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা
(দেওয়ানী মামলা নং ১১/২১) দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়ারেশ আলী ওই
শিক্ষকের বিরুদ্ধে ডাকাতী মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৮ সালে শিক্ষক আতিয়ার
রহমান কোন উপায় না পেয়ে চাকুরি বাঁচাতে অন্যত্র চলে যান। পরে ওই
সম্পত্তির ভূয়া দলিল করে ওয়ারেশ আলী ভোগদখল করেন। সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ
টাকা মাটি বিক্রি করে তিনি তা আত্মসাৎ করেছেন। এরপরও ওয়ারেশ আলী নিজেকে
এবং তার পুত্র আবুল বাশারকে ধোয়া তুলশীপাতা দাবি করেছেন। অথচ আমার
বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করায় এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে
গণস্বাক্ষর পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন। কোন ভালো
মানুষের বিরুদ্ধে গ্রামবাসী এভাবে গণস্বাক্ষর করে কি না তা আমার জানা
নেই। ওয়ারেশ আলীর বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ ১১টি নাশকতার মামলা রয়েছে। আর তার
ছেলে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ৬টি চেক জালিয়াতি ও ৭টি নাশকতার মামলা রয়েছে।
ওই ডাকাত ও জালিয়াত চক্রের ষড়যন্ত্রে আমি আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় মিথ্যা মামলার বাদী ওয়ারেশ গংয়ের ষড়যন্ত্রের হাত
থেকে রক্ষা পেতে এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৌর পূর্ণিমা ও দোল উৎসব উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনাসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্রী শ্রী গৌর পূর্ণিমা ও দোল উৎসব- ২০২২ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি নাট মন্দিরে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন জয়প্রভু সেবক সংঘের সভাপতি গোষ্ট বিহারি মন্ডল।
জয়প্রভু সেবক সংঘ,সাতক্ষীরার আয়োজনে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জয়প্রভু সেবক সংঘের সহ-সভাপতি ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ। বিশেষ অতিথি ছিলেন,

জেলা মন্দির সমিতির সহ-সভাপতি এ্যাডঃ সোমনাথ ব্যানার্জী, সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, জয়প্রভু সেবক সংঘের সাধারণ সম্পাদক দাশ সনাতন চন্দ্র, সহ-সভাপতি দীলিপ ব্যানার্জী, জিতেনদ্র নাথ ঘোষ, নিত্যানন্দ আমিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন,

উৎসব কমিটির আহবায়ক সুধির কুমার নাথ, সদস্য সচিব অসিম কুমার দাস সোনা, নিত্যানন্দ আমীন, জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘ তালা উপজেলার সভাপতি নারায়ন মজুমদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, জয়মহাপ্রভূ সেবক সংঘের যুগ্ম সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় টিসিবি পণ্য বিতরণ রোববার থেকে শুরু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী স্বল্প আয়ের মানুষেরা রোববার থেকে অপেক্ষাকৃত কম মুল্যে টিসিবি’র পণ্য পাচ্ছেন। ৭৩ হাজার ৭৯৭ জন কার্ডধারি এ সুবিধা পাবেন। শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির তার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ও জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে রোববারসহ দু’বার হৃাসকৃত মুল্যে কার্ডধারিদের মাঝে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ১লাখ ৫১ হাজার ২০০ লিটার সয়াবিন তেল, ১৫১.২ মে.টন চিনি ও ১৫১.২ মে.টন ডাল বিক্রি করা হবে।

এলক্ষ্যে জেলায় ৪৬ জন টিসিবি’র ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তি ২ কেজি মসুরের ডাল, ২কেজি চিনি ও ২লিটার সয়াবিন তেল পাবেন। প্রতি কেজি চিনির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ টাকা। ডালের কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা এবং প্রতি লিটার সয়াবিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।
উপজেলাওয়ারী তথ্য দিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন,

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌরসভায় উপকারভোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ১৪৪জন। এখানে ডিলারের সংখ্যা ৯জন।
পৌরসভায় ২৬৯৪টি পরিবার, বল্লী ইউনিয়নে ৬০৮টি, লাবসা ইউনিয়নে ১২৬৮টি, ঘোনা ইউনিয়নে ৬৯৮টি, ভোমরা ইউনিয়নে ১১১৬টি, আলীপুর ইউনিয়নে ১১০০টি, আগরদাঁড়ী ইউনিয়নে ১৩০৯টি, শিবপুর ইউনিয়নে ৯০৪টি, বাঁশদহা ইউনিয়নে ৮৮৯টি, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে ১১২৪টি, বৈকারী ইউনিয়নে ৯৪৪টি, কুশখালী ইউনিয়নে ৯২০টি, ধুলিহর ইউনিয়নে ১৩০৯টি, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে ১০৫৩টি ও ফিংড়ী ইউনিয়নে ১২০৮টি পরিবার হৃাসকৃত মুল্যে টিসিবি’র পণ্য পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আরিফুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীসহ জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ ক্ষেত মজুর সমিতির মানববন্ধন

দেশব্যাপি দাবি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ ক্ষেত মজুর সমিতির আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন,ক্ষেত মজুর সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড আবুল হোসেন।
বক্তব্য রাখেন, ক্ষেতমজুর সদর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: মাসুম মোল্লাসহ জেলা নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, বর্তমানে চাল, ডাল, তেলসহ দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা। সরকারের দুর্নীতি- ভূ নীতি ও ব্যবসায়ী মজুতদার বান্ধব মনোভাবের কারনে ক্ষেত মজুরসহ গ্রামীন মজুর ও সাধারন মানুষের দুর্দশা বেড়েই চলেছে। করোনায় কর্মহীন মানুষসহ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের আয় কমে গেছে। এমন অবস্থায় দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতির ফলে গ্রামাঞ্চলে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের এক ধরনের হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে চাল,

ডাল, তেলসহ জিনিস পত্রের দাম কমাতে গ্রামীন বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ লুট পাট বন্ধ কর।

অবিলম্বে পল্লী রেশিনিং চালু কর, বাঁকাল ইসলামপুর চরের বসতি ভূমিহীনদের খাস জমির দলিল দাও। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest