সর্বশেষ সংবাদ-
ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমWie Slots-Boni Ihnen helfen können, Ihre Spielziele zu erreichen

সাতক্ষীরায় মেটলাইফ ইন্সুরেন্স আলিকো মোড়ল এজেন্সি কর্তৃক মৃত্যু ঝুঁকির টাকা না দিয়ে তালবাহানা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় মেটলাইফ ইন্সুরেন্স আলিকো মোড়ল এজেন্সি সাতক্ষীরা কর্তৃক মৃত্যু ঝুঁকির টাকা না দিয়ে তালবাহানার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় প্রয়াত সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লঙ্করপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সেলিমের স্ত্রী তানজিমা বেগম সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তানজিমা বেগম বলেন, আমার স্বামী সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর (সাবেক প্যানেল মেয়র) ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় ২০১৮ সালের দিকে মেটলাইফ ইন্সুরেন্স আলিকো মোড়ল এজেন্সির মাঠকর্মী রিজিয়া খাতুন অনুরোধ করে বলেছিলেন মামা প্রতিবন্ধী পুত্রের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পলিসিটা করেন।

রিজিয়ার অনুরোধে আমার স্বামী ৫ লক্ষ টাকার একটি পলিসি মৃত্যু ঝুঁকির নিয়ে খোলেন। সে সময় আমার স্বামীর ডান পায়ের সমস্যা ছিলো। এ নিয়ে ভারতে চিকিৎসাও করানো হয়েছে। সে সময় ইন্সুরেন্স কোম্পানির প্রতিনিধি রিজিয়া খাতুনকে পায়ের সমস্যার বিষয়ে অবগত করালে তিনিসহ তার উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এজেন্সি ম্যানেজার মোড়ল কামরুজ্জামান বলেছিলেন কোন সমস্যা নেই এবং মেটলাইফ ইন্সুরেন্স আলিকো মোড়ল এজেন্সির নিয়ম অনুযায়ী মেডিকেল চেকআফসহ পলিসি করার ৩ বছরের মাথায় গত ২৬ ডিসেম্বর২১ তারিখে আমার স্বামী কিডনী জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

স্বামী মারা যাওয়ার দিনই মেটলাইফ ইন্সুরেন্স আলিকো মোড়ল এজেন্সির মাঠকর্মী রিজিয়া খাতুন আমার স্বামী পলিসির সকল ওরিজিনাল কাগজপত্র নিয়ে যায় এবং বলেন দ্রুত আমার স্বামীর টাকা পরিশোধ করা হবে। কাগজপত্র প্রেরণের ১৫ দিন পর ঢাকা থেকে আল আমিন নামের একজন মেটলাইফ আলিকো ইন্সুরেন্স এর প্রতিনিধি আমাদের বাড়িতে আসেন। এসে স্বামীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখে চলে যান। কিন্তু প্রায় দুইমাস অতিবাহিত হলেও টাকা না দিয়ে তালবাহানা শুরু করেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২২ তারিখে কোম্পানি থেকে একটি চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়েছে আমার স্বামী পলিসি করার পূর্ব থেকেই অসুস্থ ছিলেন।

তিনি ভারতে একাধিকবার চিকিৎসা করিয়েছেন। ফলে বীমা পলিসির নীতি ভঙ্গ হয়েছে। অথচ আমার স্বামীর ডান পায়ের সমস্যা ছিলো। তিনি পায়ের রোগে মারা যাননি। কিডনী জনিত রোগে মারা গেছেন। যার সকল কাগজপত্র আমাদের কাছে আছে। সে সময় মাঠকর্মী রিজিয়া খাতুন বিষয়টি জেনেছিলেন এবং এজেন্সি ম্যানেজার মোড়ল কামরুজ্জামানকেও অবগত করিয়েছেন। এমনকি সে সময় তারা আমার স্বামীর মেডিকেল চেকআপ করিয়েছিলেন। তাদের কোম্পানির নিয়ম হচ্ছে ইন্সুরেন্স করাতে হলে অবশ্যই মেডিকেল চেক আপ করতে হবে। যদি সমস্যা ছিলো তাহলে সে সময় কেন তারা ইন্সুরেন্স করালেন। আর তাছাড়া আমার স্বামী ২০২১ সালের মার্চ মাসের ৩০ তারিখে অসুস্থ হওয়ার পরে আমরা জানতে পারি তিনি কিডনী রোগে আক্রান্ত। আমার স্বামী এমন মারাত্মক অসুস্থ্যও ছিলেন না। তিনি ২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারীতে পৌরসভা নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচনও করেছিলেন। তিনি মারাত্মক অসুস্থ্য হলে নির্বাচনে কখনোই অংশ নিতেন না। আসল কাগজপত্র নিয়ে গেলেও এখন আর কোন সহযোগিতা তো দূরের কথা। এজেন্সি মোড়ল কামরুজ্জামান ও তার মাঠকর্মী রিজিয়া খাতুন এবিষয়টি পুরোপুরি এড়িয়ে যাচ্ছেন। এমনকি কাগজপত্র গুলোর ফটোকপিও দিচ্ছেন না। তারা এখন শুধু মাত্র আমার স্বামীর জমাকৃত টাকা টাই ফেরত দিতে চান। লাইফ ইন্সুরেন্স যে কারনে করা হয় বা মানুষ করে। মৃত্যু ঝুঁকি। সেই ঝুঁকির টাকা দিতে চান না। আমি বর্তমানে স্বামীকে হারিয়ে সন্তানদের মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমাদের মানসিক প্রতিবন্ধী একমাত্র ছেলেকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। এই সংকটকালে তিনি স্বামীর লাইফ ইন্সুরেন্সের মৃত্যু ঝুঁকির টাকা পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এসময় পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়া-ইউক্রেন বৈঠক সোমবার

বিদেশের খবর: ইউক্রেন সংকট অবসানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)। ইউক্রেনের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভগেনি ইয়েনিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভগেনি ইয়েনিন বলেছেন, ‘স্থানীয় সময় আগামী সোমবার সকালে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’

এর আগে, রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় রাজি হন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি। রোববার জেলেনস্কি বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে আলাপের পর ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলকে রুশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের অনুমতি দেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে কথোপকথনের পর একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা সম্মত হয়েছি যে ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল প্রিপিয়াত নদীর নিকটবর্তী ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তে কোনো ধরনের শর্ত ছাড়াই রুশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলকে বেলারুশ গমন, আলোচনা ও প্রত্যাবর্তনের সময় বেলারুশের ভূখণ্ডে অবস্থানরত সব যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে নিরাপত্তা বিধানের নিশ্চয়তা দিয়েছেন আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো।’

উল্লেখ্য, এর আগে জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, বেলারুশে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নন তিনি। এ নিয়ে জেলেনস্কি বলেন, বেলারুশের রাজধানী মিনস্ক সম্ভাব্য স্থান হতে পারত যদি রাশিয়া বেলারুশ ভূখণ্ড থেকে ইউক্রেন আক্রমণ না করত। তবে বেলারুশ ছাড়া অন্য কোনো স্থানে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন জেলেনস্কি।

পরমাণু অস্ত্র প্রস্তুত রাখতে পুতিনের ‘স্পেশাল অ্যালার্টের’ পর বৈঠকে সম্মত জেলেনস্কিপরমাণু অস্ত্র প্রস্তুত রাখতে পুতিনের ‘স্পেশাল অ্যালার্টের’ পর বৈঠকে সম্মত জেলেনস্কি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, অবশ্যই আমরা শান্তি চাই, আমরা মিলিত হতে চাই, যুদ্ধের অবসান চাই। ওয়ারশ, ব্রাটিস্লাভা, বুদাপেস্ট, ইস্তাম্বুল অথবা বাকুতে আলোচনা হতে পারে।

এ দিকে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল ইউক্রেন কর্তৃপক্ষে সঙ্গে আলোচনার জন্য বেলারুশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ।

এর আগে ‘পরমাণু অস্ত্র’ প্রস্তুত রাখতে ‘স্পেশাল অ্যালার্ট’ জারি করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রোববার স্থানীয় সময় বিকেলে তিনি এই নির্দেশনা জারি করেন। এই ‘স্পেশাল অ্যালার্ট’ দেশটির কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বহরের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা।

রাশিয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শইগু এবং সেনাবাহিনীর অন্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন এ নির্দেশ দেন। আলাপকালে পুতিন বলেন, ‘রাশিয়ার ওপর অবৈধ অবরোধ আরোপ করে পশ্চিমা দেশগুলো অ-বন্ধুসুলভ আচরণ করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারমাণবিক অস্ত্র প্রস্তত রাখাতে নির্দেশ দিলেন পুতিন

বিদেশের খবর: রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে তাদের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রকে ‘বিশেষ সতর্ক’ অবস্থায় প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এটি রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা।

রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনে রাশিয়ান অভিযান নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি অনলাইন।

বিবিসি জানায়, এক টেলিভিশন ভাষণে রুশ বাহিনীর জ্যেষ্ঠ জেনারেলদের উদ্দেশে পুতিন বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার প্রতি বৈরী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ‘বেআইনি নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করেছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে আক্রমণ চালাতে রাশিয়ান সেনাদের নির্দেশ দেন। এরপর রাশিয়ান সেনারা তিন দিক থেকে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে। ইউক্রেনের সেনারাও প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মোবাইল আউটরিচ প্রকল্পের দল গঠন ও কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় মোবাইল আউটরিচ প্রকল্পের দল গঠন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টায় শহরের চালতেতলা ক্যাথলিক চার্চের হলরুমে কারিতাস সাতক্ষীরা খুলনা অঞ্চলের আয়োজনে জি আই জেড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জার্মান কর্পোরেশনের অর্থায়নে এবং সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় কারিতাস খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক দাউদ জীবন দাশ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা অধিপ্তরের উপ পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ।

এসময় তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা শহরে বিগত ১০ বছরে ৩০ হাজার মানুষ স্থান্তরিত হয়েছে। শহরে স্থানান্তর অধিকাংশই বস্তিবাসী। তাদের জীবনমান ও দক্ষতা উন্নয়নে কারিতাস কাজ করে যাচ্ছে। মোবাইল আউটরিচ টিমের সদস্যরা তাদের সরকারি সামাজিক সেবা সমূহ এবং সামাজিক সুরক্ষা সম্পর্কে অবগত এবং সুবিধা গ্রহণে সহযোগিতা করবেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের ৫৬ ধরনের সেবা সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা অধিপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, শহর সমাজসেবা অফিসার মো. মিজানুর রহমান,

সাতক্ষীরা পৌরসভার বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, জিআইজেড এর ইউএমআইএমসিসি/ ইউএমএমএল প্রকল্পের উপদেষ্টা রতন মানিক সরকার, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মারুফ আহমেদ, ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রাণী ম-ল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সচিব মো. লিয়াকত আলী, সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাশ প্রমুখ। কর্মশালায় সরকারি সামাজিক সেবা সমূহ নিয়ে আলোচনা ও পরিকল্পনা তৈরির উপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিতাস খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক দাউদ জীবন দাশ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজকর্মী ফাতেমা খাতুন, কমিউনিটি ফ্যাসিলেটেটর অর্চনা মল্লিক, সোহাগ ইম্মানূয়েল নাগসহ ৬নং ওয়ার্ডের বাঁকাল ইসলামপুরের ভলেন্টিয়ার ও কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কারিতাস সাতক্ষীরার মাঠ কর্মকর্তা প্রতাপ সেন, ইউএমআইএমসিসি প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার রবিন গাইন ও মটস সাতক্ষীরার আশ্বাস প্রকল্পের কো অর্ডিনেটর শ্যামলী রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বৈচিত্র্য, আন্তঃনির্ভরশীলতা ও বহুত্ববাদী সমাজ বিষয়ক যুব কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় বৈচিত্র্য, আন্তঃনির্ভরশীলতা ও বহুত্ববাদী সমাজ বিষয়ক যুব কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এই কর্মশালার আয়োজন করে।

সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি সংলগ্ন সংস্থার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব তানজির কচি।

কর্মশালায় দ্য এডিটরস এর স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এসএম হাবিবুল হাসানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বারসিকের গবেষণা সহকারী মাহিদা মিজান ও যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম।

কর্মশালায় বলা হয়, বৈচিত্র্য মানে নানা কিছুর সমাহার। এখানে একে অপরের সাথে নানাভাবে সম্পর্কিত। এই সম্পর্ক কখনো নির্ভরশীলতার, কখনো সংঘাতের। বৈচিত্র্যর মূল শর্তই হলো সকলের সমমর্যাদা এবং স্বতঃস্ফূর্ত অবস্থান। বৈচিত্র্য মানে সকলের উপস্থিতি এবং অস্তিত্ব মেনে নেয়া এবং সকলের উপস্থিতিকে শ্রদ্ধা ও মান্য করা। একইভাবে আন্তঃনির্ভরশীল সম্পর্কগুলো কখনোই সরলরৈখিক নয়, জটিল। অনেকটা জালের মতো। আন্তঃসম্পর্ককে বুঝতে পারলে দায়বোধ ও দায়িত্বশীলতা তৈরি হয়। দাম্ভিকতা এবং অহংকার লুপ্ত হয়। মানুষের অহংবোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহার কমে আসে। নিজের অস্তিত্ব কতভাবে কত কিছুর সাথে জড়িত তা বুঝতে পারলে উন্নয়ন সমানতালে ত্বরান্বিত হয়। আমাদের বিশ^াস করতে হবে কখনোই কোনো সমাজ একক প্রজাতি বা শুধু একধরণের সংস্কৃতি হিসেবে গড়ে ওঠে না। টিকেও থাকে না। সমাজ যত বেশি একক এবং আত্মকেন্দ্রিক হয়, সমাজ যতবেশি অন্যকে গ্রহণ করার সামর্থ্য হারায় তত তার টিকে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বহুত্ববাদি সমাজে সবাই একসাথে বসবাস করে। এখানে নির্ভরশীলতা আছে। আছে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধ। আধুনিক জাতিরাষ্ট্রে এই বহুত্ববাদী সমাজের ধারণাটি রাষ্ট্র নিজে গ্রহণ করেছে।

কর্মশালায় ১৫জন যুব নারী-পুরুষ অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনে প্রস্তুতিমূলক সভা
কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো :
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলাধীন নলতা শরীফে আগামী ২৬,২৭,২৮ ফাল্গুন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১১,১২,১৩ মার্চ ২০২২ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার, শনিবার ও রবিবার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারক, সাহিত্যিক,দার্শনিক, সুফী-সাধক,পীরে কামেল হজরত শাহ্ছুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর ৫৮ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
আর এ উপলক্ষে নলতা পাক রওজা শরীফ, মাহফিল মাঠ,পীর ভবন, রন্ধনশালা,আবাসন ব্যবস্থা, গেট, প্যান্ডেল, ফুটবল সহ এলাকায় চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি।
এরই অংশ হিসেবে ওরছ শরীফে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পূর্বের ন্যায় স্কাউট ও রোভার স্কাউট শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে তাদের তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সাথে মিশন অফিসে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার বেলা ১২ টায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি আলহাজ্জ মো. সাইদুর রহমান শিক্ষক’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো. এনামুল হক খোকন, নির্বাহী সদস্য আলহাজ্জ আবুল ফজল শিক্ষক, নলতা আহ্ছানিয়া রেসিডেন্সিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও রোভার স্কাউট লিডার মো. তানবীর হোসেন, সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের প্রভাষক ও রোভার স্কাউট লিডার মো.মনিরুজ্জামান (মহসিন), নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও স্কাউট লিডার মো. মাহাবুব রহমান এবং  মিশন স্টাফ মো. ইদ্রিস আলী প্রমূখ।
যেহেতু করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ওরছের নির্ধারিত তারিখে ৫৮ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ সাময়িক স্থগিত থাকার পর একমাস পর অর্থাৎ আসন্ন ২৬,২৭,২৮ ফাল্গুন ১১,১২,১৩ মার্চ শুক্র, শনি ও রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সেহেতু নানান বিষয় বিবেচনায় রেখে উক্ত ওরছ শরীফের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য রক্ষার্থে পূর্বের ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধনপূর্বক যার যার অবস্থান থেকে বেশি বেশি ভূমিকা রাখার আহবান জানান বক্তাগণ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের প্রথম ভাষা শহীদ সাতক্ষীরার আনোয়ার হোসেনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
দেশের প্রথম ভাষা শহীদ সাতক্ষীরার আশাশুনির আনোয়ার হোসেনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব ও প্রথম আলো বন্ধু সভার আয়োজনে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী।
প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম.কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষন কমিটির সভাপতি সচ্চিদানন্দ দে সদয়, সাধারণ সম্পাদক ও আশাশুনি প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এস.কে হাসান, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, সাংবাদিক আমিনুর রশিদ, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, জেলা আ.লীগের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুব্রত ঘোষ, আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম হোসেনুজ্জামান হোসেন, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, এসএম আকরামুল ইসলাম, প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৩০ সালে বুধহাটা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আনোয়ার হোসেন। তার বাবার নাম কনুই গাজী ও মা পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন বড়। বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন তিনি। পরে বুধহাটা বি.বি.এম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে মেট্রিক পাস করেন। এরপর খুলনার বিএল কলেজে পড়াকালীন সময়ে যোগ দেন ভাষা আন্দোলনে। আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পার্কে (বর্তমানে হাদীস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর আনোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের কয়েকদিন পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেফতার করে।

রাখা হয় খুলনার কোতয়ালী থানায়। সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে। সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় আনোয়ারকে। সেই গুলিতে নিহত হন আরও ছয়জন।
বক্তারা দাবি জানিয়ে বলেন, ইতিহাসের পাতায় আনোয়ার হোসেনের নাম থাকলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাষা সৈনিক বা ভাষা শহীদ হিসেবে কোন স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। আমরা সাতক্ষীরাবাসী দেশের প্রথম এই ভাষা শহীদকে দীর্ঘ ৭২ বছর পর রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত ইতিহাস জেনে দাবি বাস্তবায়ন করতে স্বোচ্চার হওয়ার আহবান করছি। মানববন্ধনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য, আশাশুনির সাংবাদিকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় জমি দখল করতে একের পর এক মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ার দেয়াড়া গ্রামে অবৈধভাবে জমি দখল করতে একের পর এক মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রতিবাদে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনে করেন, উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সোবহান সরদারের ছেলে আবু বাক্কার সরদার।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে তৎকালীন জমিদার তারকশ্বর পাল চোধুরীর অধীনে একই গ্রামের জাহাবক্স সানা জে ত্রল ১০৬ নং দেয়াড়া মৌজার ডি এস ১৭১৬ এস এ ২১২৮ ও ২১২৯ নং খতিয়ান ২০৭ ২০৮ ২০৯ ২১০ নং দাগে ৩ ত্রকর ৩৬ শতক জমি ভোগ দখল করেন। জাহাবক্স সানা তার স্ত্রী আয়মনি বিবি,

দুই পুত্র, আজগর সানা ও আমির সানা, তিন কন্যা দুলালী বিবি মোমেনা খাতুন ও ছবিরণ বিবিকে রেখে মূত্য বরণ করেন। জাহাবক্স সানার মূত্যর পরে তার স্ত্রী আয়মনি বিবি নাবলক দুই পুত্র আজগর ও আমির সানার অভিভাবক হয়ে একই গ্রামের জরিপ খানের পুত্র কেয়ফাতুল্ল্যার নিকট ৩ একর ৩৬ শতক জমি ১৯৩২ সালে বিক্রয় করেন। তিনি উক্ত জমি থেকে ১৯৬৩ সালে আমার নিকট ১একর ৩৩ শতক জমি বিক্রয় করেন। ১৯৬৩ সাল থেকে আমিসহ আমার ওয়ারেশগণ উক্ত জমি ভোগ দখল করছি। ৯০ সালের মাঠ জরিপ রেকর্ড আমাদের পক্ষে রয়েছে। ১৯৬২ সালের এস এ রেকর্ড ভুল বসত আজগর আলী সানার নামে হয়। ওই রেকর্ডটি সংশোধনের জন্য ১৯৬৮ সালে ৯০/৬৮ আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে আপোষে মিমাংসা করা হয়। এস এ ও বি এস রেকড সংশোধনের জন্য আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। অথচ একই এলাকার মৃত কায়েম শেখের পুত্র এরফান শেখ গং দলিল জাহাবকের পুত্র আমির,

স্ত্রী আয়মনি ও তিন কন্যাকে অস্বীকার করে আসছে। তিনি বলেন, এরফান শেখ ও তার পুত্র আজিজ শেখ ১৯৯৯ সাল থেকে আমাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। এছাড়া দেয়াড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ২লক্ষ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে মর্মে একটি মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করিয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, মামলার রায় এবং থানা ও উপজেলা ভূমি অফিসের প্রতিবেদন আমাদের পক্ষে রয়েছে।

এরফান শেখ কোন জমি পাবে না। মুল মালিক জাহাবকশ সানার ওয়ারেশদের আর কোন জমি নেই। সহকারী জজ আদালতে এরফান শেখের দায়ের করা ১৪৮/২১ নং মামলা আদেশের রায়ও আমাদের পক্ষে রয়েছে। আইন ও আদালতের তোয়াক্কা না করে স্থানীয় ভাড়াটিয়া বাহিনীর সহযোগিতায় এরফার শেখ গং আমাদের অজান্তে আমাদের দখলীয় সম্পত্তিতে ধানের চারারোপন করেছিল। বর্তমানে ওই জমি আমাদের দখলে রয়েছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় উক্ত এরফান শেখ গং কর্তৃক মিথ্যা মামলায় দায় হতে অব্যহতিসহ তাদের ভোগদখলীয় সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest