দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি ডাঃ অহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ১৭ রমজান মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ। মোহনা টিভির প্রতিনিধি আর.কে.বাপ্পার সঞ্চালনায় এসময় দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তুহিনুজ্জামান, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য আল ফেরদাউস আলফা, দেবহাটা উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিএম স্পর্শ, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম,
দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, কালিগজ রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি নিয়াজ কওছার তুহিন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইডিয়ালের পরিচালক ডাঃ নজরুল ইসলাম, কেবিএ সরকারী কলেজের শিক্ষক আবু তালেব, দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি আকতার হোসেন ডাবলু, সহসভাপতি মেহেদী হাসান কাজল, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন মোড়ল, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক মুকুলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শেষে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি : ইউনিয়ন পরিষদের অর্থ আত্মসাত, ইউপি সদস্যদের সম্মানি না দেওয়া এবং মাসিক সভা না করে ইচ্ছামত পরিষদ পরিচালনাসহ নানা অনিয়ম দূর্নীতির প্রতিবাদে সাতক্ষীরার ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯জন ইউপি সদস্য। তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ইউপি সদস্য নেছারুল্লাহ আল মামুন।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত পহেলা জানুয়ারী ২০২২ তারিখে ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আমরা সকল ইউপি সদস্যগণ শপথ গ্রহণ করি। পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ইউপি চেয়ারম্যান পদ্মশাখরা গ্রামের মৃত. কিনু গাজীর পুত্র ইসরাইল গাজী ইচ্ছামত পরিষদ পরিচালনা করতে থাকেন। তিনি ইউপি সদস্যদের কোন মূল্যায়ন করেন না। পরিষদে কোন মাসিক সভা আহ্বান করেন না। পরিষদের নিজস্ব আয়ের অর্থ ইউনিয়নের কোন উন্নয়ন কাজে না লাগিয়ে ভূয়া বিল ভাউচার করে তা আত্মসাত করেন। ইউপি সদস্যদের মাসিক সম্মানিও তিনি দেন না। ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দের প্রকল্পগুলো কোন প্রকার আলোচনা ছাড়াই স্বেচ্ছাচারীভাবে বাস্তবায়নের নামে তা আত্মসাত করে চেয়ারম্যান নিজের পকেট ভারী করে চলেছেন।
এসব বিষয়ে ইউপি সদস্যরা কথা বলতে গেলে তাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী। তিনি পূর্বে ৫ বছর চেয়ারম্যান ছিলেন এবারও নির্বাচিত হয়েছেন। তার সময়ে অত্র ইউনিয়নের একটি রাস্তাঘাট সংস্কার করা হয়নি। জেলাব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হলেও ভোমরা ইউনিয়নের কোন ধরনের উন্নয়নের ছোঁয়াও লাগেনি। তিনি কোন কাজ না করেই টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেন। মেম্বররা তার বিরোধীতা করলে তিনি বলেন টাকা দিয়ে ভোট কিনেছি, ১ কোটি টাকা খাটিয়ে ব্যবসা করেছি, ৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবো, সে টাকা এখান থেকে তুলে নিয়ে যাবো।
তারা আরো বলেন, তার অত্যাচারে অতীষ্ট হয়ে আমরা পরিষদের ৯জন ইউপি সদস্য একত্রিত হয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের (ইউপি সদস্যদের) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেছেন। ইতিমধ্যে আমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজীর বিরুদ্ধে ৯ জন মেম্বর একমত পোষণ করে অনাস্থা জ্ঞাপন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর জমা দিয়েছি। আমরা জনপ্রতিনিধি হয়েছি ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য, ইউনিয়নের মানুষের সেবা করার জন্য। পরিষদের টাকা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য নয়। বিগত সময়েও ইউপি সদস্যদের অবমূল্যায়ন করায় এবং পরিষদের অর্থ আত্মসাথের কারনে কয়েকজন ইউপি সদস্য বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও দায়ের করেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা এ সময় অর্থলোভী চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজীর কবল থেকে ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদকে রক্ষা এবং পরিষদের সদস্যদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : কতিপয় অসাধু ব্যক্তির ইন্ধনে সাতক্ষীরার তালার বারাত-ভবানীপুর মৎস্য ঘের পরিচালনায় অবৈধ বাধা প্রদানের প্রতিকার চেয়ে এক মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, বরাত-ভবানীপুর বিল কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আনছার আলী।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বারাত-ভাবানীপুর এলাকায় প্রায় ২ হাজার জমির মালিকের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছেন যশোর জেলার কেশবপুর এলাকার মুস্তাক আহম্মেদ। তিনি অত্যান্ত সুনামের সাথে ঘের পরিচালনা করায় পূর্বের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমরা বিল কমিটির নেতৃবৃন্দসহ এলাকার সকল মুক্তিযোদ্ধাগণ ও সাধারণ জমির মালিকগন পুনরায় ১৪২৯ সালের ১ বৈশাখ থেকে আগামী ১৪৩৩ সালের ৩০ চৈত্র পর্যন্ত ৫ বছরের জন্য নতুন করে ইজারা প্রদান করি। কিন্তু অত্র এলাকার কতিপয় লোকজন ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ঘের মালিক মুস্তাক আহম্মেদকে ক্ষতিগ্রস্থ করার চক্রান্ত শুরু করেছেন। এ লক্ষ্যে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত কুমারকে ভুল তথ্য প্রদান করেন। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের শ্বশুরবাড়ি তালা থানায় হওয়াতে ব্যক্তিগত উৎসাহী হয়ে স্বল্প সংখ্যাক জমির মালিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৬ এপ্রিল তালা উপজেলা চেয়ারম্যানের কক্ষে সভা ডাকেন।
সেখানে ঘের মালিক মুস্তাক আহমেদ উপস্থিত হলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুস্তাক আহমেদকে হেনোস্তা করেন এবং উল্টোপাল্টা কথাবার্তা বলে আগামী এ সপ্তাহের মধ্যে ঘেরের চারা মাছসহ সমূদয় মালামাল উঠায়া নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। অথচ উক্ত ঘেরে জমি দাতা প্রায় ২ হাজার জমির মালিকরা সকলেই চান মুস্তাক আহম্মেদ ঘের পরিচালনা করুক। স্থানীয় কুচক্রী মহলের ইন্ধনে মাত্র কয়েকজন জমির মালিকের কথায় ব্যক্তিগত স্বার্থে স্বজন প্রীতির কারনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রায় দুই হাজার জমির মালিকের স্বার্থের কথা চিন্তা না করে শুধু মাত্র তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের কারনে তিনি মুস্তাক আহম্মেদকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরো বলেন, মুস্তাক আহম্মেদকে উচ্ছেদ করা হলে অধিকাংশ জমির মালিকগণ ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। এছাড়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার প্রতিপক্ষের কোন বক্তব্য না শুনে এক পক্ষের কথায় এধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় এলাকাবাসী হতবাক হয়ে পড়েছেন। গুটি কয়েক অভিযোগকারী তার আতœীয় স্বজন হওয়ার কারনে তিনি সম্পূর্ণ অবৈধভাবেই উক্ত ঘের থেকে মুস্তাক আহমেদের ঘের পরিচালনায় অবৈধভাবে বাধা প্রদান করছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় উপজেলা নির্বাহি অফিসারসহ উক্ত চক্রান্তকারীদের হাত থেকে পরিত্রান পেয়ে সুষ্ঠ ভাবে মৎস্য চাষ পরিচালনা এবং স্থানীয় জমির মালিকদের স্বার্থে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন সে জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বরাত-ভবানীপুর বিল কমিটির সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা গুরু পদ ঘোষসহ অন্যান্য জমির মালিকগণ। ##
দেশের খবর: রাজধানীতে হঠাৎ শুরু হয়েছে কালবৈশাখী ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি। বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল বজ্রপাত।
বুধবার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেটসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখী বয়ে যায় বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
এ সময়ে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল। বুধবার সকালে নওগাঁ, বগুড়া ও ঢাকার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। এ সময় ঢাকায় বাতাসের বেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৯ কিলোমিটার ছিল।
আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল ৮টার পর টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান এলাকায় কালবৈশাখী হানা দেয়। এর প্রভাবে ঢাকাসহ সিলেট, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রামের কিছু জায়গায় থেমে থেমে সারাদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশের নদীবন্দরগুলোর জন্য সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে— রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর নৌ হুশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
আশাশুনি উপজেলা তাঁতীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯ এপ্রিল ২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি কাজী মারুফ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে মো: হুমায়ুন কবির রাসেল কে সভাপতি ও মো: জুয়েল রানাকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আশাশুনি উপজেলা তাঁতীলীগের ২ বছর মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, সহ-সভাপতি সাহাবুদ্দীন সানা, আবু মুছা, নাজমুল হাসান, আমিরুল ইসলাম, মহাসিন সরদার, সোলাইমান হোসেন,
রমিজ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, জুয়েল রায়হান, নাজমুল সানা, আশরাফুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম, আল মামুন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিনারুল ইসলাম, রুবেল হোসেন,অর্থ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক তাপস কুমার মন্ডল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুহুল আমিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কর্ণ মন্ডল, কার্যকরী সদস্য যথাক্রমে আছাফুর রহমান, মফিজুল ইসলাম, মোহম্মদ হোসেন, বাপ্পী হোসেন, মফিজুল ইসলাম, মহাসিন হোসেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় সাতক্ষীরার ফার্মে “ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের ফসল কর্তন উৎসব” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গল বার (১৯এপ্রিল)ব্রি সাতক্ষীরার আয়োজনে ব্রি উদ্ভাবিত বোরো মৌসুমের আধুনিক ও উচ্চফলনশীল ব্রি ধান-৮১ জাতের ধানের ফসল কর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো: শাহজাহান কবীর।
ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় সাতক্ষীরার প্রধান ড. তাহমিদ হোসেন আনছারী সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ ব্রি গাজীপুরের সিএসও ও প্রধান ড. আমিনুল ইসলাম, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগ ব্রি গাজীপুরের সিএসও ও প্রধান ড. মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে ব্রি গাজীপুর এবং ব্রি সাতক্ষীরার বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইরানী প্রিমিয়াম ধানের জাত অসড়ষ-৩ এর বৈশিষ্টসম্পন্ন এ জাতটি ২০১৭ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ছাড়করণ করা হয়। ব্রি উদ্ভাবিত বোরো মৌসুমের মেগা জাত ব্রি ধান-২৮-এর মতই স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন ব্রি ধান-৮১ (১৪০-১৪৫ দিন) জাতে আধুনিক উফশী ধানের সকল বৈশিষ্ট বিদ্যমান। জাতটি উপযুক্ত পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ ৮.০০ টন/হেক্টর ফলন দিতে সক্ষম। এক হাজরটি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২০.৩০ গ্রাম ।
চালে এমাইলোজের পরিমাণ ২৬.৫০% । চালে প্রোটিনের পরিমাণ ১০.৩০% । উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ এ জাতটি সুগন্ধ ব্যতীত প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সকল বৈশিষ্ট বিদ্যমান। চালের আকার আকৃতি বাসমতির মতো লম্বা ও চিকন থাকায় বিদেশে রপ্তানীযোগ্য । জাতটি দেশীয় বাজারে জিরা ধানের বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে বলে ব্রির বিজ্ঞানীগণ আশাবাদী। এসব িিপ্রময়াম বৈশিষ্ট্য থাকায় আগামীতে বোরো মৌসুমে বিব্র ধান-২৮ এর বিকল্প হিসেবে ব্রি ধান-৮১ জাতটি অধিক সম্প্রসারিত হবে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজ্ঞানীগণ মতামত প্রদান করেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষনের ঘটনায় আটক রাকেশ বাইন ও তার সহযোগী রাহুল চৌদিকারের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনির কলবাড়ী বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর আতরজান মহিলা কলেজের প্রভাষক ও উন্নয়ন কর্মী দিপংকর বিশ^াস।
বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নে সচেতন জনতার আয়োজনে জাগো যুব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ ফারুক হোসেনের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক ও সমাজকর্মী অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, বাংলাদেশ জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, উন্নয়নকর্মী চন্দ্রিকা ব্যানার্জী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ধর্ষনের কোন আপোষ হয় না। ধর্ষক এবং তার পরিবারকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। যারা ধর্ষনের পক্ষ নিচ্ছেন, তারাও ধর্ষনের মত অপরাধ করছেন। সকলের বাড়িতেই মা বোন রয়েছে। আজ একজন ধর্ষককে বাঁচানো চেষ্টা করছেন। যদি ও ধর্ষিতা আপনার মেয়ে বা আতœীয় হত তখন কি করতেন। যারা ধর্ষকের পক্ষ নিচ্ছে তাদের কেউ বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ধর্ষনের মত জঘন্য অপরাধ সমাজ থেকে দুর করতে হলে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের পাশাপাশি ধর্ষক এবং তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে হবে। সামাজিক কর্মকান্ডে তাদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করতে হবে। ধর্ষকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সকলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
গত ১২ এপ্রিল চাচাতো বোন এর সাথে কলবাড়ী নেকজানীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্রী বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে পূজা দেখতে যায়। সেখান থেকে ১০ টার দিকে বাড়িতে ফেরার পথে পূর্ব পরিচিত এক যুবকের সাথে তাদের দেখা হয়। রাস্তার উপর দাড়িয়ে ওই যুবকের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে স্থানীয় দুই বখাটে রাহুল চৌকিদার ও রাকেশ বাইন সেখানে হাজির হয়ে গালিগালাজ করে ঐ যুবককে তাড়িয়ে দেয়। এ সময় বখাটে রাকেশ ও রাহুল মিলে তাদের টেনে হিচড়ে পার্শ্ববর্তী রাকেশের বাড়িতে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে চাচাতো বোন রাহুলের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে গেলেও নিকটস্থ বাগানে নিয়ে রাকেশ ভুক্তভোগী কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২১। পুলিশ মামলার ১ আসামীকে আটক করলেও ২নং আসামী রাহুল চৌদিকার পলাতক রয়েছে।
এদিকে বিষয়টি মিমাংসার জন্য নেকজানীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবাশীষ, সহকারী শিক্ষক নিরঞ্জন এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ আপোষের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এবিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কলবাড়ী নেকজানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের দেখা পাওয়া যায়নি। তার ব্যহৃত নাম্বার দুটিও বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি খগেন্দ্র নাথ মন্ডল বলেন, সভা আহ্বান করে ওই ধর্ষকের যাতে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ জানান, এজাহার নামীয় ১ নং আসামীকে আটক করা হয়েছে। ২নং আসামী পলাতক রয়েছে। মেয়েটি যাতে ন্যায় বিচার পায় সে বিষয়ে পুলিশ কাজ করবে।
আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রায় ১০০…
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত রোববার (৪ অক্টোবর)…
অনলাইন ডেস্ক : পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোতেকোশি নদীতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন…