সর্বশেষ সংবাদ-
গাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

সাতক্ষীরায় একুশের রাতে জুতা পায়ে শহিদ মিনারে সরকারি হিসাব অফিসের কর্মকর্তারা!

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সাতক্ষীরা হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা। যদিও জেলা হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা এঘটনায় দু:খ প্রকাশ করেছেন।
২১ ফেব্রুয়ারী’র প্রথম প্রহরে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাতক্ষীরা হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা। শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে তাড়াহুড়ো করে জুতা পায়ে দিয়েই শহীদ মিনারে উঠে পড়েন জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের এস এ এস সুপারিনটেনডেন্ট মো: আব্দুস সোবহানসহ অন্যান্য স্টাফবৃন্দ।
শহীদ বেদীতে জুতা পায়ে উঠার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সাতক্ষীরাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এবিষয়ে জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের এস এ এস সুপারিনটেনডেন্ট মো: আব্দুস সোবহান দু:খ প্রকাশ করে বলেন প্রচন্ড ভীড় থাকার কারনে তাড়াহুড়ো করে জুতা পায়ে উঠে পড়েছিলাম। পরে আবার জুতা খুলে উঠেছি। যেটি করা আমাদের ঠিক হয়নি।

এঘটনায় সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন বলেন, মহান ভাষা দিবস আমরা হৃদয়ে ধারন করি। জুতা তো দুরের কথা যারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি তারা শহীদ মিনারে খালি পায়ে উঠতেও কয়েকবার ভাবে। সেখানে হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা এধরনের কাজ করবে এটি মেনে নেওয়া যায় না। তারপরও আমার বার বার ঘোষনা মঞ্চ ঘোষনা করেছি কেউ যেন ভুলেও জুতা পায়ে বেদীতে উঠবেন না। কিন্তু তারা কিভাবে একটি করলো বুঝে আসে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একুশের প্রথম প্রহরে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের বিন¤্রশ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২১ মহান গৌরব ঐতিহ্যের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও জাতীয় শহীদ দিবস। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষ্যে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে সর্বস্তরের মানুষের বিন¤্রশ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালায় পুলিশ। এতে শহীদ হন রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা আরো অনেকে।

পাকিস্তান শাসনামল থেকেই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করে আসছে বাঙালিরা। ভাষার দাবিতে বিশ্বের প্রথম জাতি হিসাবে বাঙালীরা তাদের মায়ের ভাষা রক্ষা করতে জীবন দেওয়ায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর একটি সভায় ১৮৮টি রাষ্ট্রের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করছে বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী।


সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশে’র প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনে’র মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে বাঙালি’র আত্মত্যাগে’র অহংকারে অমর একুশে শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শোকের গন্ডি পেরিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের দিন হিসেবেই পালিত হয় এ দিবসটি। শহীদের স্মরণে দল,মতনির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের করেন। ফুলে ফুলে ভরে যায় শহীদ মিনার। রবিবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির,

পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপিসহ শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে।
এরপর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, জেলা শ্রমিক লীগ, জেলা কৃষক লীগ, পৌর আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব, সাতক্ষীরা সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. এন্তাজ আলী স্মৃতি সংসদ, জেলা জাতীয় পার্টি, জাতীয় যুব সংহতি, জাতীয় ছাত্র সমাজ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিকদল জাসদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ, দৈনিক কালের চিত্র, দৈনিক পত্রদূত, দৈনিক দৃষ্টিপাত, দৈনিক কাফেলা, দৈনিক যুগের বার্তা, দৈনিক সাতনদী, দৈনিক সাতক্ষীরা, ডেইলি সাতক্ষীরা, জাগো সাতক্ষীরা, সাতক্ষীরা প্রতিদিন, সুপ্রভাত সাতক্ষীরা, দৈনিক দক্ষিনের মশাল, ভয়েজ অব সাতক্ষীরা, সাপ্তাহিক ইচ্ছেনদী, জেলা ও দায়রা জজ, বিচার বিভাগের বিচারকবৃন্দ, পুলিশ সুপার মহোদয় ও তার কার্যালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা লেডিস ক্লাব, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা জেলা মহিলা সংস্থা, পুলিশ নারী কল্যান সমিতি ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ, আওয়ামীলীগের অংগ সংগঠন সমূহ, জেলা যুবলীগ, জেলা ছাত্রলীগ, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগ, জেলা কৃষকলীগ, জেলা শ্রমিকলীগ, জেলা তরুনলীগ, জেলা তাতীলীগ, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ, পৌর আওয়ামীলীগ, শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদ জেলা শাখা, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ, জাতীয় শ্রমিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা যুবলীগ, সাতক্ষীরা পৌরসভা, সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ, পলাশপোল সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, জেলা জাতীয় পার্টি ও তার অংগ সংগঠন, জেলা জাসদ ও জাসদ ছাত্রলীগ ও তার অংগ সংগঠন (ইনু), নারী জোট, ওয়ার্কার্স পাটি, ছাত্র মৈত্রী, যুব মৈত্রী, জাতীয় সমাজতান্ত্রীক দল (জাসদ), গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি, জেলা ন্যাপ, চেম্বার অব কমাস, এল.জি.ই.ডি, সাতক্ষীরা জেলা কারাগার, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সাতক্ষীরা জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, লিনেট ফাইন আর্টস, বর্ণমালা একাডেমি, সুলতানপুর সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠি, জেলা মন্দির সমিতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, সাতক্ষীরা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবীলীগ, জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ, বি,এম, এ সাতক্ষীরা, স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ, আহসানিয়া মাদ্রসা মিশন, পাবলিক লাইব্রেরী, সাতক্ষীরা ল কলেজ, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, শহিদ আব্দুর রাজ্জাকের পরিবার বর্গ, কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিটিসি), ইনষ্টিটিউশান অব ডিপ্লোমা ইনজিনিয়ার্স, (আই.ডি.ই.পি),

আবর্তন মাদকাশক্ত চিকিৎসা কেন্দ্র, সাতক্ষীরা হোমিওপ্যাতিক কলেজ, দ্যা পোল ষ্টার পৌর হাইস্কুল, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জেলা কালেক্টরেট স্কুল, পি,এন,বিয়াম ল্যাব স্কুল, মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুল, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ, বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডাইগোনেষ্টিক, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কনফিডেন্স স্কুল এন্ড কলেজ, সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট, সাতক্ষীরা নার্সিং ইনষ্টিটিউট, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ জেলা শাখা, জেলা কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়েশন, সান রাইজ প্রি ক্যাডেট স্কুল, সুশাসন সাতক্ষীরা, মীর মোকছেদ আলী কিন্ডার গার্ডেন, আজমল স্মৃতি সংসদ, গণশিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ দলিত পরিষদ, স্বদেশ, সাতক্ষীরা সিকান্দার একাডেমী, সুশীলন, জাতীয় মৎস্যজীবি লীগ, সাতক্ষীরা ইমারত নির্মান শ্রমিক ইউঃ, নবজীবন ইনষ্টিটিউট ও নবজীবন পলিটেকনিক, সাতক্ষীরা ভিষন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, আজাদী সংঘ, রেড ক্রিসেন্ট, কবিতা কুঞ্জ, সকাল নাট্য গোষ্ঠি, চায়না বাংলা গ্রুপ, বরসা, বিজয় সাহিত্য সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা হোটেল শ্রমিক ইউঃ, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যাঃ, সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, দীপালোক একাডেমি, আরধনা সংগীত একাডেমি, শিল্পী চক্র, বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি, জাতীয় মহিলা সংস্থা, শিক্ষা সাংস্কৃত বৈচিত্র রক্ষা টিম, আমরা বন্ধু, ঋ-শিল্পী ইন্টারন্যাশনাশ, এইচ, আর ডি.এফ, বাংলাদেশ পুস্তক সমিতি জেলা শাখা, ঈষিকা পরিবার বর্গ, নজরুল একাডেমি, বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা, জেলা মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ আওয়ামী বাস্তহারালীগ, জেলা ভুমিহীন উন্নয়ন সমিতি, মেডিকেল টেকনলজি পরিষদ, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি, বাংলাদেশ ক্ষেক মজুর সমিতি, ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজ, সুন্দরবন থিয়েটার, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ, সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজ, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি, ছফুরুনেছা মহিলা কলেজ, সুজন, খান এন্ড খান চৌধুরৗ ফাউন্ডেশন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, ইটাগাছা মন্দির, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখা, সাতক্ষীরা জুয়েলার্স সমিতি, সাতক্ষীরা সদর সর্বজনীন পূজা মন্দির কাটিয়া, স্বর্ণ শ্রমিক সমিতি, সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপ্যাল অফিস সাতক্ষীরা, সোনলী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বুনন উন্নয়ন সংস্থা, সাতক্ষীরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সাতক্ষীরা জেলা কমিটি, জাগ্রত সাতক্ষীরা, ভোমরা সি.এন্ড.এফ এসোসিয়েশান, শ্রমজীবি দল, কৃষিবীদ ইনিষ্টিটিউশন, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ড্রামেটিক ক্লাব, মৃজিব সেনা পরিষদ, বাংলাদেশ শ্রমিক ইউনিয়ন সাতক্ষীরা সদর, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, শতদল শিল্পকলা একাডেমি সাতক্ষীরা, চারুকলা ইন্সিটিউট, বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালকলীগ, সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতি, সাতক্ষীরা পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০ আগরদাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ জেলা শাখা, জাতীয় শ্রমিকলীগ পৌরশাখা, বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারিলীগম, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক শ্রমিকলীগ, মটরশ্রমিক ইউনিয়ান টার্মিনাল, সাতক্ষীরা জেলার ট্রাক ট্রাং লরি শ্রমিক ইউনিয়ন নারকেলতলা, সাতক্ষীরা জেলা লেবার শ্রমিক ইউনিয়ন টার্মিনাল, জেলা ভ্যানশ্রমিক ইউনিয়ন, অপরা সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ আটো মোবাইল ওয়ার্কসপ মালিক সমিতি, সাতক্ষীরা জেলা লেবায় শ্রমিকলীগ, কদমতলা রিপোর্টাস ক্লাব, নির্বাহী প্রকৌশলী, সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, এডব, সাতক্ষীরা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, বাসদ (মার্কসবাদী) সাতক্ষীরা, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগ, উইস ইভেন্ট এন্ড ইন্টার প্রাইজ, রোটারি ক্লাব সাতক্ষীরা, গণফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক ফেডারেশন, জেলা ভাংড়ী হকার শ্রমিক ইউনিয়ন, সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়ন, সদর উপজেলা বোর্ড ফার্নিচার, সদর উপজেলা পৌর তাতীলীগ, ভূমিহীন ঐক্যজোট, সম্মিলিত ঐক্য পরিষদ, হকার্সলীগ, সাতক্ষীরা টিটিসি, চ্যালেন্স নাট্য সংস্থা, বি এম এ সাতক্ষীরা, ল কলেজ, কৃষিবিদ ইনষ্টিটিউশন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখা, পুরতন সাতক্ষীরা সবুজ সংঘ, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন জেলা শাখা, লাবিবা কাছারিপাড়া, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সদর উপজেলা শাখা, পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স, ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা আনছার ভিডিপি কার্যালয় সাতক্ষীরা, কৃষিব্যাংক সাতক্ষীরা, সুলতানপুর ক্লাব, সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এসোসিয়াশন, নিউজ নেটওয়ার্ক ও মানবিক সুরক্ষা ফোরাম, সিবি হাসপাতাল, সুইট খতিমুন্নছে হানিফ লষ্কর বুদ্ধি প্রতিবন্ধি স্কুল, সাতক্ষীরা সমবায় মালিক সমিতি, জেলা কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়াশান, সান রাইচ প্রি ক্যাডেট স্কুল, বঙ্গবন্ধু পেমাজীবি ফোরাম, স্বদেশ, এভাব সাতক্ষীরা, নজরুল একাডেমি, জনতা ব্যাংক লি: আগরদাড়ি শাখা, এলজিইডি সাতক্ষীরা, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখা, এড. আব্দুর রহমান কলেজ বিনেরপোতা সাতক্ষীরা, পৌরসভা মাষ্টাররোল কর্মচারি ইউনিয়ন, সাতক্ষীরা সদর উপরেজলা স্বর্ণ শ্রমিক ইউনিয়ন, সাতক্ষীরা উপজেলা শিক্ষক সমিতি, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্নয় কমিটি, সংবাদপত্র পরিষদ, সাতক্ষীরা টিচার্স ক্লাব, সাতক্ষীরা ভিষন ক্যাবল নেটওয়ার্ক, শিল্পীচক্র, বাংলাদেশ কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি, ভালুকা চাঁদপুর আদর্শকলেজ, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি, বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সাংষ্কৃতি পরিষদ সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন জেলার বিভিন্ন রোভার স্কাউটস বৃন্দ। ঘোষণা মঞ্চে দায়িত্ব পালন করেন মুশফিকুর রহমান মিল্টন, শামীমা পারভীন রতœা, হেনরী সরদার, তৈয়ব হাসান বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি; মধ্যবিত্ত হচ্ছে নিম্নবিত্ত, নিম্নবিত্ত এখন দরিদ্র

অর্থনীতির খবর: একদিকে মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপ; অন্যদিকে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এই পরিস্থিতিতে দুই বছরের বেশি সময় ধরে চরম বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষগুলো। সম্প্রতি তেল-গ্যাসের দাম বাড়ায় আরও চাপে পড়েছেন তারা। গত সপ্তাহে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় মানুষগুলোর ওপর আঘাত করেছে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দামের কারণে অনেকে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছেন। এরপরও টানতে পারছেন না খরচের লাগাম। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, অনেকের পক্ষে সংসারের খরচ চালানোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

সরকারি হিসাবেই গত এক সপ্তাহে প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে মোটা চালের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ২৬ শতাংশ। খোলা আটার দাম ১ দশমিক ৪৫ এবং প্যাকেটজাত আটার দাম ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। প্যাকেট ময়দার দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশ। পাম তেলের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ। গত এক সপ্তাহে ডিম, চিনি, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস, জিরার দামও বেড়েছে বলে টিসিবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরে সরু চালের দাম ৪ দশমিক ৯২ এবং মোটা চালের দাম ৩ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে। প্যাকেট আটার দাম বেড়েছে ২৭ দশমিক ৯৪ এবং খোলা আটার দাম বেড়েছে ১২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ৩৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়েছে খোলা ময়দার দাম।

এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলও। এক বছরে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ, পাম তেলের দাম বেড়েছে ৩৯ দশমিক ১৫, বড় দানার মসুর ডালের দাম বেড়েছে ৪৪ দশমিক ৪৪, অ্যাংকর ডালের দাম বেড়েছে ১৫ দশমিক ২৯ ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ।

বাজারের চালচিত্র

টিসিবির প্রতিবেদনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যে দাম দেখানো হয়েছে, বাস্তবে বাজারে সবগুলো পণ্য তারচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

টিসিবির প্রতিবেদনে মোটা চালের দাম ৪৫-৫০ টাকা দেখানো হলেও কার্যত বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৪ টাকায়। খোলা আটার দাম টিসিবির হিসাবে কেজি ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা দেখানো হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম টিসিবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা, অথচ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৬৮ টাকা।

একইভাবে ১৫৫-১৫৮ টাকা বিক্রি হওয়া পাম তেলের দাম টিসিবির হিসাবে দেখানো হয়েছে ১৪৫-১৫০ টাকা। বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হলেও টিসিবির প্রতিবেদনে দাম দেখানো হয়েছে ৪০-৫০ টাকা। ডিমের হালি টিসিবি ৩৬-৩৮ টাকা বললেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকায়।

টিসিবির প্রতিবেদনের সঙ্গে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দামেও ভিন্নতা পাওয়া গেছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০-১৭৫ টাকা বিক্রি হলেও টিসিবি বলছে ১৫০-১৬৫ টাকা। একইভাবে গরুর মাংসের কেজি ৬২০-৬৫০ টাকা হলেও টিসিবি বলছে ৬০০-৬২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টিসিবির প্রতিবেদনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাজারমূল্যের চেয়ে কম দেখানো হলেও এক বছরে সব ধরনের পণ্যের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার তথ্য উঠে এসেছে। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছর আগে কেজি ৫৮-৬৪ টাকায় বিক্রি হওয়া সরু চালের দাম এখন ৬০-৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা চাল কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ৪৪-৪৮ টাকা।

এক বছর আগে কেজি ৩৩-৩৫ টাকায় বিক্রি হওয়া প্যাকেট আটা ৪২-৪৫ টাকা এবং ৩০-৩২ টাকায় কেজি বিক্রি হওয়া খোলা আটার দাম ৩৪-৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা ময়দা এক বছর আগে যেখানে ৩৫-৩৬ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে, এখন সেটা বিক্রি হচ্ছে ৪৬-৫০ টাকায়। প্যাকেট আটার দামও বেড়ে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২-৬০ টাকায়, যা এক বছর আগে বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকায়।

এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলও। এক বছর আগে ১১৬-১২০ টাকা লিটার বিক্রি হওয়া খোলা সয়াবিন তেলের দাম এখন ১৫৫-১৬৫ টাকা। প্রতি লিটার পাম তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ১০৫-১০৭ টাকা।

বড় দানার মশুর ডাল ৯৫-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা এক বছর আগে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। এক বছর আগে ৪০-৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া অ্যাংকর ডালের দাম এখন ৪৮-৫০ টাকা। আর দেশি পেঁয়াজের দাম এখন ৪০-৫০ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ২৫-৩৫ টাকা।

কষ্টের কথা বলতে গিয়ে ধরে আসছে গলা

সব ধরনের নিত্যপণ্যের এমন অস্বাভাবিক দামের কারণে কী ধরনের সমস্যার মধ্যে রয়েছেন, তা জানতে চাইলে স্বল্প আয়ের অনেকের গলা ধরে আসছে। রিকশাচালক মো. সাইফুর বলেন, ‘সারাদিন রিকশা চালিয়ে যে আয় করি, তা দিয়ে সংসার চলে না। কোনো রকমে ভাত-ভর্তা খেয়ে বেঁচে আছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি রিকশা চালাই, স্ত্রী অন্যের বাসায় কাজ করে। আমাদের দুই সন্তান আছে। দুজন মিলে যে আয় করি তা ঘরভাড়া ও বাজার খরচের পেছনেই চলে যায়। মাস শেষে কোনো টাকা জমা থাকে না। চাল-ডাল কিছুটা কম দামে পাওয়ার আশায় আমার স্ত্রী টিসিবির ট্রাকের লাইনে দাঁড়ায়। কোনো দিন কিনতে পারে, কোনো কোনো দিন লাইনে দাঁড়িয়েও চাল-ডাল কিনতে পারে না। আমরা যে কী কষ্টে আছি, তা বলে বোঝাতে পারবো না। আমি নিজে দুপুরে খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। মাঝে মধ্যে কলা ও রুটি খেয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাটিয়ে দেই।’

পোশাককর্মী রুবিনা জানান, সংসার চালাতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। মালিবাগের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করা রুবিনা বলেন, ‘করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা বিপাকে আছি। এখন চাল, তেল, ডাল, পেঁয়াজ, ডিমের বাড়তি দাম আমাদের আরও কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। বাজারে সবকিছুর আকাশছোঁয়া দাম। ৫০ টাকার নিচে সবজি কেনা যায় না।’

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এখন ৫০ টাকা। চালের কেজি ৫০ টাকার ওপর। তেলের কেজি ১৬০ টাকার ওপর। সবকিছুর এত দাম হলে আমরা কিনবো কী করে? মাংস খাই না কতদিন হয়ে গেছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০ টাকা। মাসে যে বেতন পাই তার বেশিরভাগ চলে যায় ঘরভাড়ার পেছনে। চাল, ডাল, তেল কিনতেই বাকি টাকা শেষ হয়ে যায়। তিন কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে প্রতিদিন কাজে যাই। এরপরও বেশিরভাগ দিন দু’বেলার বেশি খাওয়া হয় না। মাঝে মধ্যে একবেলা খাই, তারপরও খরচের লাগাম টানতে পারছি না।’

শুধু সাইফুর বা রুবিনা নন, নিত্যপণ্যের এমন অস্বাভাবিক দামে এখন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। মতিঝিলের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রতি মাসে বেতন পাই ২৪ হাজার টাকা। বাসাভাড়া দিতে হয় ৯ হাজার টাকা। এর সঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল মিলিয়ে মাসে সাড়ে ১০ হাজার টাকা চলে যায়। বাকি টাকা দিয়েই পুরো মাস চলতে হয়। চারজনের সংসারের চাল, ডাল, সবজি কিনতেই মাসে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়।’

তিনি বলেন, ‘স্বল্প আয়ের মানুষ এখন অসহনীয় যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছে। তাদের দুঃখ-কষ্ট কেউ বুঝতে পারছে না। যদি বুঝতেই পারতো তাহলে জিনিসপত্রের দাম এমন অস্বাভাবিক হারে বাড়তো না। বাজারে এখন সবকিছুর দাম অস্বাভাবিক। কোনো কিছুর দামে নিয়ন্ত্রণ নেই। গত দু’দিনে পেঁয়াজ ও মুরগির দাম হুট করে বেড়ে গেছে। করোনার কারণে এমনিতেই আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষ কষ্টের মধ্যে রয়েছে। এখন জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আমাদের কষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে। অথচ জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে এখন বাজারে কোনো ধরনের অভিযান চলানোর খবর দেখতে পাই না। আসলে আমাদের কথা কেউ চিন্তা করে না।’

নিত্যপণ্যের এ মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রংপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছি। এসব পণ্য আমদানির পর ট্যারিফ কমিশন দাম নির্ধারণ করে। এরপরও কিছু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় দাম বাড়িয়ে দেন। এজন্য জেলায় জেলায় দাম মনিটরিংয়ে ডিসিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা মুনাফালোভী এসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’

মধ্যবিত্ত হচ্ছে নিম্নবিত্ত, নিম্নবিত্ত হয়ে পড়ছে দরিদ্র

ঢাকা শহরে কী পরিমাণ মানুষ নিম্ন আয়ের তার কোনো জরিপ নেই। তবে পরিসংখ্যান ব্যুরো ২০১৪ সালে একটি বস্তিশুমারি করে। ওই শুমারির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মোট তিন হাজার ৩৯৪টি বস্তি রয়েছে। এসব বস্তিতে মোট ঘরের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭৫ হাজার। আর বসবাসকারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় লাখ।

তবে বর্তমানে এ সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হয়। তাছাড়া নিম্ন আয়ের মানুষের একটি বড় অংশ বস্তির বাইরেও বসবাস করে। এর সঙ্গে ২০২০ শুরুতে দেখা দেওয়া করোনার প্রকোপের কারণেই মধ্যবিত্ত থেকে অনেকে নিম্নবিত্তের তালিকায় নেমে এসেছেন।

২০২০ সালের জুনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির এক জরিপের তথ্য তুলে ধরে সংগঠনটির সভাপতি ড. আবুল বারকাত বলেন, লকডাউনের ৬৬ দিনে মধ্য-মধ্যবিত্তে থাকা তিন কোটি ৪০ লাখ থেকে এক কোটি দুই লাখ নিম্ন-মধ্যবিত্তে নেমেছেন। নিম্ন-মধ্যবিত্তে থাকা পাঁচ কোটি ১০ লাখ থেকে এক কোটি ১৯ লাখ দরিদ্র হয়েছেন। দরিদ্র থাকা তিন কোটি ৪০ লাখ থেকে দুই কোটি ৫৫ লাখ হতদরিদ্র হয়েছেন।

গত বছর এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম, বাংলাদেশ’র এক জরিপে উঠে আসে, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের পর মানুষের আয় কমেছে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। বিপরীতে ব্যয় কমেছে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। সঞ্চয় কমেছে ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। আর কোভিড সমস্যার কারণে ৮০ দশমিক ৬০ শতাংশ পরিবারই খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাতৃভাষা দিবসে শিল্পকলায় শিশু প্রতিযোগিদের মিলন মেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি : শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২ উদ্যাপন উপলক্ষে রচনা, নান্দনিক হস্তাক্ষর লেখা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর হলরুমে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

দীর্ঘদিন পর জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বর যেন প্রতিযোগি শিশুদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের এনডিসি মো নুরুল আমিন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন,

জেলা শিশু একাডেমির লাইব্রেরিয়ান মো. রফিকুল ইসলাম, শিক্ষক মন্টি, দিপক মৃধা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার আয়োজনে রবিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় শহরের খুলনারোড মোড়ে সংগঠনের কার্যালয়ে ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর উক্ত কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ পৌর শাখার সভাপতি ও এমআর পরিবহনের চেয়ারম্যান নুরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশি, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হাসান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাদাৎ হোসেন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলার সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগের অর্থ সম্পাদক শেখ সেলিম উল্লা, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাসুদ আলী, ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি হারুণ উর রশিদ, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক তৈয়বুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক মেহেদী হাসান, দপ্তর সম্পাদক মুজিবর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী  প্রতিনিধি:
শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ঘোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে বাসীদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়েছে।
রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ঘোলা আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত বিভিন্ন ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত এসব শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়। এসময় ঘোলা আশ্রয়ন প্রকল্পের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাশিমাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ০৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, স্থানীয় মসজিদের সভাপতি আনোয়ারুল হক সহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সাতক্ষীরার যাত্রীদের সেবা নিয়ে মতবিনিময়

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রী চলাচলের জন্য মাইক্রোবাস চালু করা হয়েছে। এতে সাতক্ষীরা-যশোর বিমানবন্দর পর্যন্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রীরা পরিবহন সেবা পাবে। এতে দূর হয়েছে দূর্ভোগ ও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হল এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এ উপলক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে সাতক্ষীরাবাসীর জন্য ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রীসেবার বিষয়ে অবহিত করেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের খুলনা বিভাগীয় ম্যানেজার সুজন আহমেদ।
ঢাকাপোস্টের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলামের পরিচালনায় মতবিনিময়কালে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহম্মেদ বাপ্পী, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল,

সাতক্ষীরার অল সিজন ট্রাভেল সাপোর্টের পরিচালক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহম্মেদ বাপ্পী বলেন, সাতক্ষীরার বহু মানুষ ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করেন। তবে এতদিনে ভোগান্তির পোহাতে হয়েছে।

যশোর থেকে টিকিট কাঁটার পর সাতক্ষীরা থেকে বিকল্প মাধ্যমে যশোর এয়ারপোর্টে পৌঁছাতে হতো। তবে ইউএস বাংলা গ্রুপের মাইক্রোবাসযোগে যাত্রীদের সাতক্ষীরা থেকে যশোর নিয়ে যাওয়া হবে,  দূর্ভোগও দূর হবে। এটি খুব আনন্দের সংবাদ। আশাকরি সাতক্ষীরার মানুষ এর সুফল পাবেন।

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাভিশন টিভির প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের মনিরুল ইসলাম মনি, শহিদুল ইসলাম, আব্দুল আলিম, এস এম রেজাউল ইসলাম, মনিরুজ্জামান তুহিন,

এ্যাড. দিলীপ কুমার দে, ম্যাপ বাংলাদেশের পরিচালক টিকেট বিক্রেতা মেহেদী হাসান রনিসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ঃ সোমবার থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা ভারতীয় ভিসা অফিস ইটাগাছা থেকে মাইক্রোবাস ছেড়ে যাবে ১০টার ফ্লাইটের উদ্দেশ্যে। সন্ধ্যা ৭টা ফ্লাইট ধরার জন্য একইস্থান থেকে বিকেল ৪.১৫ মিনিটে মাইক্রোবাসটি রওনা হবে যশোর। এছাড়া ঢাকা থেকে যেসব যাত্রীরা ফিরবেন তারা মাইক্রোবাসযোগে সাতক্ষীরা ফিরতে পারবেন। প্রত্যেক যাত্রীদের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫০ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাশিমাড়ী প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে পোকামাকড় দমনে পাচিং উৎসব পালিত হয়েছে।

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ বিলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ পাচিং উৎসব পালিত হয়েছে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম,
ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ, বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুল হাকিম, কৃষি উদ্যোক্তা এডঃ গাজী সাইফুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দীন, শেখ কামরুল হাসান, মোঃ সামছুর রহমান, কৃষক উজ্জ্বল হোসেন, শহিদুল ইসলাম, সুলতান মোড়ল, কামাল হোসেন ও শহিদুল্ল্যাহ সহ এলাকার শতাধিক কৃষক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest