সর্বশেষ সংবাদ-
গাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

শ্যামনগরে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা উদযাপন

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও ৬ষ্ঠ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে শ্যামনগরে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার আহবায়ক অনাথ মন্ডল এর সভাপতিত্বে ২০শে ফেব্রুয়ারি রবিবার বিকাল ৫ টায় হোটেল জি.কে.আই কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব উৎপল কুমার মন্ডলের সঞ্চালনায় কেক কাটা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মাষ্টার রনজীৎ দেবনাথ,বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মনোদ্বীপ মন্ডল, যুগ্ন-আহবায়ক সাংবাদিক পিযুষ বাউলিয়া পিন্টু, হিন্দুবিবাহ রেজিস্ট্রার সুজন কুমার দাস, সাংবাদিক পলাশ দেবনাথ,বিকাশ ঘোষ, হিমাংশু মন্ডল, শ্রীনিবাস দাস। সদস্য -দলিল লেখক রাজীব রায় চৌধুরী,প্রতিমা রানী, সুমন, দেবব্রত ডেভিড, পৃথ্বীরাজ, প্রভাষ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার কৃতি সন্তান কাজী রোজী আর নেই

তালা অফিস :
তালা উপজেলার কৃতি সন্তান একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারজয়ী কবি, রাজনীতিক সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রোজী মারা গেছেন। ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তার মেয়ে সুমী সিকানদার এ তথ্য জানিয়েছেন। কাজী রোজী সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত কাজী শহীদুল ইসলামের কন্যা।
সুমী সিকানদার জানান, শারীরিক জটিলতা নিয়ে গত ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে কাজী রোজীকে ভর্তি করা হয়। কোভিড পজিটিভ হওয়ায় তাকে আইসোলেশন ইউনিটের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল। তবে সে সময় মায়ের মস্তিষ্ক কাজ করছিল না, কিডনিতে ইনফেকশন; মাল্টি অর্গান প্রবলেম ছিল।

সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। কাজী রোজীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সালের পয়লা জানুয়ারি,

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে কবি কাজী রোজীর জন্ম । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সাহিত্যে স্নাতক ও এমএ পাস করেন। ২০০৭ সালে তথ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নেন। ১৯৬০-এর দশকে কবিতা লেখা শুরু করেন কাজী রোজী।
তিনি জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রথমাবস্থায় নির্বাচিত অপর ৪৭ জন সদস্যের সঙ্গে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ‘সংসদ সদস্য’ পদে নির্বাচিত হন। কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ২০২১ সালের বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক পান কাজী রোজী।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো— পথঘাট মানুষের নাম (কাব্যগ্রন্থ), নষ্ট জোয়ার (কাব্যগ্রন্থ), আমার পিরানের কোনো মাপ নেই (কাব্যগ্রন্থ), লড়াই (কাব্যগ্রন্থ), শহীদ কবি মেহেরুন নেসা (জীবনী গ্রন্থ), রবীন্দ্রনাথ: রসিকতার কবিতা (গবেষণা গ্রন্থ)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় একুশে বইমেলার স্টল পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক

তালা অফিস :
সাতক্ষীরার তালায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী একুশে বইমেলার ২য় দিনে রবিবার বিকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন জোয়ার্দ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ময়নুল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাব সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু,

অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতিয়ার রহমান, একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাস কুমার দাস, সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী একুশে বইমেলায় তালা প্রেসক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা আঃ সালাম গণ-গ্রন্থাগার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, পানি কমিটি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়, তালা মহিলা কলেজ, সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ, তথ্য আপা, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানিমুলক মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ভোরের পাতার সাংবাদিক শেখ জহুরুল হকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আয়োজনে রোববার সকালে সাড়ে ১০ টায় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে উক্ত মানবন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত, প্রেসক্লাব সাবেক সাধারন সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান,

মোস্তাফিজুর রহমান উজ¦ল, আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক অসীম কুমার চক্রবর্তী, সংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, ফরিদ আহমেদ ময়না, হাফিজুর রহমান মাসুম, মনিরুল ইসলাম মনি, মহিদার রহমান, আকরামুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবী জানিয়ে বলেন,

পাটকেলঘাটা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ জহুরুল হককে থানায় ডেকে এনে হয়রানিমূলক মামলঅ দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা অবিলম্বে এ ধরনের সাজানো ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে তাকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে অন্যথায় কঠোর কর্মসুচি দেয়া হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেন বক্তারা।
উল্লেখ্য ঃ সাংবাদিকদের কর্মরত অবস্থায় সাতক্ষীরার তালা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ন কবির বিভিন্ন সময়ে তাদের হেনস্তা এবং মানষিক নিপীড়ন করেছেন। সম্প্রতি তিনি বদলী হওয়ায় পাটকেলঘাটা এলাকার স্থানীয় লোকজন মিষ্টি বিতরন করেন। এই মিষ্টি বিতরনের ছবি জনৈক আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুকে প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর সংবাদিক জহুরুল হক বিষয়টি জানার জন্য থানায় গেলে ওই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের ইন্ধনে তাকেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিষয়টি সাতক্ষীরার সাংবাদিক মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি : ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২টায় আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার সংলগ্ন আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন সাতক্ষীরা জেলা আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি।
কমিটির আহবায়ক ও আশাশুনি প্রেসক্লাব সহ- সভাপতি সচ্চিদানন্দ দে সদয়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ও আশাশুনি প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এস কে হাসান ও সদস্য হাসান ইকবাল মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,

দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যাণার্জী, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যক্ষ মাহাবুবুল হক ডাবলু, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম আহসান হাবীব, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবর রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, ডাঃ শাহিনুর আলম শাহিন, অব.সেনা সদস্য শফিফুল ইসলাম,আবু হেনা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন- শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৩০ সালে নানার বাড়ি বুধহাটা গ্রামে আনোয়ার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন।

তার বাবার নাম ছিল কনুই গাজী ও মায়ের নাম ছিল পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছিল সবার বড়। মেধাবী আনোয়ার হোসেন বাড়ি সংলগ্ন বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। পরে বুধহাটা বি.বি.এম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে এসএসসি পাস করেন।

তিনি খুলনার বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। তরুণ আনোয়ার হোসেন আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পাকে (বর্তমানে হাদস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মুক্তি পান। পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে প্রথমে তাকে কোতয়ালী থানায় রাখা হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে।

সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। একপর্যায়ে ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালানো হয়। তাতে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন। তার মধ্যে ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম।
তাই আমরা বিশ্বাস করি মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন দেশের প্রথম শহীদ। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তার কোন স্বীকৃতি নেই।
তাই আমাদের দাবি শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান। আশাশুনি সরকারি কলেজের নাম ‘শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেনের’ নামে নামকরণ, সাতক্ষীরা, আশাশুনি, বুধহাটা সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা, সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়ক তার নামে নামকরণ করা, সরকারিভাবে ট্রাস্ট গঠন করতে হবে।
মানববন্ধন শেষে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়ানুর রহমান এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের কর্ণাটকে হিজাব পরা ৫৮ ছাত্রী বহিষ্কার!

বিেদেশর খবর: ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিয়ে উত্তেজান যেন কমছেই না। এ ঘটনায় মামলা গড়িয়েছে আদালতে।
অন্য রাজ্যেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

এমন পরিস্থিতির পরও হিজাব পরে কলেজে আসতে দেওয়া হয়নি এক প্রভাষককে। তাই ওই প্রভাষক চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এমন খবরের মধ্যেই হিজাব পরে কলেজে আসায় ৫৮ ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মামলা দেওয়া হয়েছে ১০ জনের নামে।

হিজাব ইস্যুতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুলিশ ও সরকারি কর্তৃপক্ষ। তারা কোনোভাবেই ছাত্রীদের হিজাব পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে দিচ্ছে না। একই সঙ্গে হিজাব পরে ক্লাসে আসার অধিকারের দাবিতে মুসলিম ছাত্রীদের বিক্ষোভও ছড়িয়ে পড়ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের শিভামোগ্গা জেলার শিরালাকোপ্পার একটি সরকারি কলেজে হিজাব পরে আসায় ৫৮ জন ছাত্রীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ওই ছাত্রীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হিজাব পরে কলেজে এসেছিল এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।

৫৮ ছাত্রীকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয় শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)। তবে শনিবারও ওই ছাত্রীরা আবারও হিজাব পরেই কলেজে ঢোকার চেষ্টা করে। সেখানে তারা স্লোগান দেয় যে, হিজাব পরা তাদের অধিকার। যদিও তাদের কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

১০ ছাত্রীর নামে মামলা
কর্ণাটকের আরেকটি শহরে বিক্ষোভ করার অভিযোগে ১০ জন মুসলিম ছাত্রীর নামে পুলিশ প্রথমবার মামলা করেছে।

তুমাকুরু জেলার একটি সরকারি প্রি ইউনিভার্সিটি কলেজে ওই ছাত্রীরা হিজাব পরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। তখন পুলিশ তাদের বাধা দেয়। ওই ছাত্রীরা তাদের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের কাছ থেকে জবাব চাইছিলেন কেন হিজাব পরে তাদের কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

এই ঘটনার পরেই কলেজের অধ্যক্ষ পুলিশের কাছে ওই ছাত্রীদের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। এর ভিত্তিতে বেআইনি জমায়েত ও একজন সরকারি অফিসারের জারি করা নির্দেশ অমান্য করার ধারায় ১০ জন ছাত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ।

একই সঙ্গে ওই কলেজের ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন প্রভাষক
চলমান এই বিতর্কে শিক্ষার্থীদের পর হিজাব খুলে কলেজে যেতে বলা হয়েছে প্রভাষককে। এমন নির্দেশনা শুনে কলেজে যাননি ওই নারী প্রভাষক। পরে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্ণাটকের জৈন পিইউ কলেজের ইংরেজির প্রভাষক চাঁদনি। তার দাবি, আত্মসম্মান বাঁচাতেই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ওই প্রভাষক বলেন, তিন বছর ধরে তিনি ওই কলেজে পড়ান। কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। কেউ তার পোশাক নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি। অথচ রাজ্যজুড়ে হিজাব বিতর্ক শুরু হতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। তাকে বলা হয়, কলেজে ঢুকতে গেলে হিজাব পরা চলবে না। এরপরই চাকরিতে ইস্তফা দেন তিনি।

ওই প্রভাষক শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘চাকরি করতে এসে কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু গতকাল অধ্যক্ষ আমাকে জানান, কলেজে থাকাকালীন এবং ক্লাস নেওয়ার সময় আমি এমন কিছুই পরতে পারব না, যার সঙ্গে ধর্মের সম্পর্ক রয়েছে। অথচ, গত তিন বছর ধরে আমি এই কলেজেই হিজাব পরে ক্লাস নিয়েছি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ আমাকে ব্যথিত করেছে। এই নির্দেশ আমার আত্মসম্মান বোধে আঘাত করেছে। এ কারণেই আমি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেই’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির পর থেকে করোনার বিধিনিষেধ আর থাকছে না। ২৬ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে এক কোটি টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকারের।

রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ১ কোটি করোনা টীকা দেয়া হবে। জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়াই স্থায়ী ঠিকানা লিখে নিয়ে গিয়েই টীকা দেয়া যাবে। ২২ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনও করোনা বাধা নিষেধ থাকবে না। তবে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক থাকবে।

এছাড়া করোনার সংক্রমণ কমে যাওয়ায় আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হচ্ছে। যদিও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলবে ১ মার্চ থেকে।

এদিকে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ‘বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন’ হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম এ তথ্য দিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিলেন, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি আমরা দেশব্যাপী করোনার ভ্যাকসিনের একটা ক্যাম্পেইন করতে যাচ্ছি। সেখানে আমরা লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি সর্বোচ্চ সংখ্যক টিকা দেওয়ার। এর মাধ্যমে আমাদের প্রথম ডোজ দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরবর্তী সময়ে আমরা বুস্টার ডোজ এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকবো। কাজেই আর বিলম্ব না করে আপনারা সবাই টিকা নিয়ে নিন।

উল্লেখ্য, করোনার সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয় দফায় এবারের বিধিনিষেধ ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়িয়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি সাতক্ষীরার কাজী রোজী আর নেই

সাহিত্য ও সংস্কৃতি: ২১ দিন করোনার সঙ্গে লড়ে অবশেষে চলে গেলেন কবি ও রাজনীতিবিদ কাজী রোজী।শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় সাবেক এই সংসদ সদস্য মারা যান বলে জানিয়েছেন তার কন্যা সুমী সিকান্দার।

নানান শারীরিক জটিলতা নিয়ে গত ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। কোভিড পজিটিভ হওয়ায় তাকে আইসোলেশন ইউনিটের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেসময় সুমী সিকান্দার জানিয়েছিলেন, তার মায়ের মস্তিষ্ক কাজ করছিল না, কিডনিতে ইনফেকশন; মাল্টি অর্গান প্রবলেম।

রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সুমী জানান, কাজী রোজীর মরদেহ হাসপাতাল থেকে সেগুনবাগিচার বাসভবনে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে মিরপুরে দাফন করা হতে পারে।

কাজী রোজী ১৯৪৯ সালের ১ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।

গত শতাব্দির ষাটের দশকে কবিতা লেখা শুরু করেছিলেন কাজী রোজী। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো— ‘লড়াই’, ‘পথঘাট মানুষের নাম’, ‘আমার পিরানের কোনো মাপ নেই’ প্রভৃতি। কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ২০২১ সালের বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন।

কবিতা চর্চা ছাড়াও তিনি সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন, ২০০৭ সালে তথ্য অধিদফরের একজন কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাতক্ষীরা জেলার জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest