আশাশুনির দক্ষিণ চাপড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে মারপিট আহত- ৪ : আটক ১

সোহারাফ হোসেন, সৌরাভ : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ চাপড়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় একই পরিবারের ৪ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন দক্ষিণ চাপড়া গ্রামের মৃত নুরুল সরদার এর স্ত্রী জরিনা বেগম (৬০), খোকন সরদার এর স্ত্রী নূর নাহার বিউটি (২৪), নওয়া মেয়ে অনজিলা খাতুন (৩৫) ও সেজো মেয়ে বিলকিস বেগম (৩৮)।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমির নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল সোমবার বিকালে ওই জমি দিয়ে রাস্তা তৈরির চেষ্টা করে প্রতিপক্ষরা। এসময় বাধা দেয়া হলে তারা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়।

পরে সেনাবাহিনী খবর পেয়ে সরজমিন গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এসময় এক জনকে আটক করে। এসময় দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

পূত্রবধু নূর নাহার বিউটি বলেন, স্বাধীন, আবির, শিশির ও বাবুল আমাকে ঘরের মধ্যে ধরে নিয়ে গিয়ে কাপড় সিড়ে দেয় এবং চর, কিল, লাথি মেরে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।

নওয়া মেয়ে অনজিলা খাতুন বলেন, আমি যমুনা শোরুমে মাঠ কর্মী হিসাবে চাকুরি করি। আমি বাড়িতে এসে দেখি ৫ থেকে ৬ জন আমার মাকে দা ও লাঠি দিয়ে মারধোর করছে। আমি ঠেকাতে গিলে তার আমার কাছ থেকে ব্যাগ ও ফোন কেড়ে নেয়। যমুনা শোরুমের কালেকশন করা ২০ হাজার টাকা ওই ব্যাগে ছিলো এবং আমাদেরবাড়ির বাক্স ভেঙ্গে সব নিয়ে গেছে আমিরুল, মিজান, সাকিল, জাকিরসহ আরো অনেকে।
আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ইমরান জানান, আহত ৪ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থা গুরুতর ছিলো। তাকে সেলাই ও ব্যান্ডেজ করে অন্য ৩ জনসহ ভর্তি করা হয়েছে।

আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি জানান, এবিষয়ে আগতের সেজো মেয়ে বিলকিস খাতুন বাদী হওয়ে একটি এজাহার দাখিল করেছে। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুশখালী সীমান্ত দিয়ে ২৩ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী সীমান্ত এলাকা দিয়ে ২৩ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে বিএসএফ। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় তাদেরকে পুশইন করা হয়। পুশইন করা ব্যক্তিরা সকলেই বাংলাদেশী‘‘।

তারা কুড়িগ্রাম ও ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা। ১০ থেকে ১২ বছর পূর্বে কাজে খোজে ভারতে যান তারা। পরে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের রৌতক জেলায় বাসবাস করে আসছিলেন।

গত কয়েকদিন ধরে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের রৌতক জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের কে আটক বিএসএফ। পরে সীমান্তে এনে মঙ্গলবার ভোররাতে তাদের বাংলাদেশ সীমান্তের কুশখালী এলাকায় পুশইন করে। বিজিব তাদেরকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে।
আটকৃকতারা হলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের মৃত খোকার পুত্র জাবেদ হোসেন, জাবেদ আলীর স্ত্রী শিউলী বেগম, জাবেদের পুত্র সুমন হোসেন,নুর আলী ও সজীব, সুমন মিয়ার স্ত্রী খুশি বেগম, নুর আলমের স্ত্রী সম্পা খাতুন, একই জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার আঙারিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের পুত্র মোশাররফ হোসেন, মোশারফ হোসেন স্ত্রী লাইলি বেগম, মোশাররফের কন্যা মোর্শেদা খাতুন ও মিম খাতুন,মোশাররফের পুত্র লুৎফর রহমান লাবিব, একই জেলার মোক্তারকুটি গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিকের আব্দুল মান্নাফ, আব্দুল মান্নাফের স্ত্রী আনজুয়ারা, কন্যা সুমাইয়া খাতুন, পুত্র আব্দুল্লাহ, বড়ভিটা গ্রামের মমিন আলীর পুত্র মজিবর রহমান, মজিবর রহমানের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম, চন্দ্রখানা গ্রামের তাজুল ইসলামের স্ত্রী স্বপ্না বেগম, তাজুল ইসলামের কন্যা শাফিরানা, দুলালী ও পুত্র শাকিল এবং ঝালকাঠি জেলার দারকী গ্রামের আব্দুল গফফারের পুত্র আব্দুল কাইয়ুম।

সাতক্ষীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামিনুল হক বলেন, বিজিবি ২৩ জন ব্যক্তিকে সদর থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে নারী ৭ জন,পুরুষ ৭ জন ও ৯শিশু রয়েছে। তাদের স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রেতা সুরক্ষা আন্দোলন সাতক্ষীরা জেলা শাখার ২০২৫-২৭ মেয়াদের কমিটি বিলুপ্তি

ক্রেতা সুরক্ষা আন্দোলন (সিআরবি) সাতক্ষীরা জেলা শাখার ২০২৫-২৭ মেয়াদের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ মে সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডিজাইনার কে জি এম সবুজ স্বাক্ষরিত একপত্রে উক্ত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষনা করেন।

উক্ত পত্রে বলা হয়েছে গত ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রæয়ারি স্মারক নং প্রশা/প/সিআরবি-৫৮৭/০২ এর মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা শাখার ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের কমিটি অনুমোদিত হয়। কিন্তু অনুমোদনের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও উক্ত কমিটির শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যকারিতা পুনরুজ্জীবিতকরণ এবং গঠনগত সংস্কারের প্রয়াস গ্রহণ করা হলেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় এ সকল চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি।

এছাড়া বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা শাখার ক্রেতা অধিকার সুরক্ষা সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম গৃহীত হচ্ছে না এবং কমিটির সভাপতিসহ একাধিক সদস্য তাদের সদস্যপদ নবায়ন করেননি। এসব কারনে উক্ত কমিটির বিলুপ্তি ঘোষনা করা হল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

অনলাইন ডেস্ক :
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে সর্ব্বোচ আদালত এ রায় দেন।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি আপিল বিভাগের রায়ে খালাস পেলেন। এই রায়ের ফলে জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘এই রায়ের জন্য প্রথম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি। তাকে সকল অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি ছিল বিচারের নামে অবিচার।’

তিনি বলেন, ‘এই রায়ের ফলে সত্য বিজয় হয়েছে, মিথ্যা পরাজিত হয়েছে। এটিএম আজহারের ওপর এটি ছিল নজিরবিহীন নির্যাতনে সামিল। পৃথিবির ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা হয়ে থাকবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সিটি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন ব্যবসায়ী নুরুল আমিন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সিটি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন মোঃ নুরুল আমিন (লাভলু)। তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে অনার্স ও ১৯৯৫ সালে মাস্টার্স পাশ করেন।

এছাড়াও তিনি ডিবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। সোমবার (২৬ মে) জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিক সরকারের স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক নং- ০৭ (খু-২৫৯) জাতীয় বিঃ/কঃপঃ/ কোড-০২০৩/৭৪৫৩ নং স্মারকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সভাপতি মোঃ নওশাদ আলম-এর মনোনয়ন বাতিল করে তার স্থলে মোঃ নুরুল আমিন-কে নতুন সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি গঠন সংক্রান্ত অধিভুক্ত কলেজ/ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) সংবিধি ২০১৯ এর ৭নং ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। নতুন সভাপতির দায়িত্ব পালনকাল গভর্নিং বডির অবশিষ্ট মেয়াদ অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সাতক্ষীরা সিটি কলেজের প্রশাসনিক কাঠামোতে নতুন নেতৃত্বের সূচনা ঘটল।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অভ্যন্তরীণ ও জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক পালাতক অধ্যক্ষ শিহাব উদ্দীন একটি রাজনৈতিক ভাবাদর্শের শিক্ষকবৃন্দের মাধ্যমে গত ১মাস যাবত কলেজে অস্থিতিশীল পরিবেশে সৃষ্টি করার পায়তারা চালিয়ে আসছিল। এহেন অবস্থার অবসান ঘটাতে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন সভাপতি হিসেবে নুরুল আমিন (লাভলু) কে মনোনীত করায় এলাকাবাসী, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসএসসি ও দাখিল ফলপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের নিয়ে সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের বনভোজন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে এসএসসি ও দাখিল ফলপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৬ মে) সকাল ৯টায় দেবহাটা বনবিবির বটতলায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও বিকালে দেবহাটা রুপসী ম্যানগ্রোভে বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।

এ বনভোজন অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ইমামুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক হাবিবুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় মাদ্রাসা সম্পাদক ও সাবেক ইবি সভাপতি এইচ এম ইমদাদুল হক, ছাত্রশিবিরের জেলা অফিস সম্পাদক নাজমুল হোসেন, বায়তুলমাল সম্পাদক নাহিদ ইসলাম, মাদ্রাসা সম্পাদক ফয়সাল হুসাইন, প্রকাশনা সম্পাদক আনিছুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মতিউর রহমান, দাওয়া সম্পাদক হাফেজ সোহরাব হোসেন, ছাত্রশিবিরের দেবহাটা উপজেলা (উত্তর) শাখার সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, (দক্ষিণ) শাখার সভাপতি আশিকুজ্জামান আশিক সহ জেলা ও উপজেলার দায়িত্বশীলবৃন্দ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারী জুবায়ের হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব ও সাতক্ষীরার সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, তৎকালীন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরসহ পুলিশের ১৫ জন ও আওয়ামী লীগের দশ নেতা—কর্মীর নামে আদালতে মামলা হয়েছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলাটি করেছেন সাতক্ষীরা সদরের বৈচনা গ্রামের বাসিন্দা ও ভোমরা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাও: ওবায়দুল্যাহ। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ মায়নুদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসিকে তদন্ত সাপেক্ষে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

নাজমুল আহসান ও চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির ছাড়াও মামলার আসামীরা হলেন, তৎকালীন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কাজী মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা সদর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইনামুল হক,স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হাড়দ্দহা বিশ্বাসপাড়ার এমদাদুল হক বিশ্বাস,পদ্মশাখরা গ্রামের কবির উদ্দীনসহ ২৫ জন।

মামলার বাদী মোঃ ওবায়দুল্যাহ বলেন, ২০১৪ সালের পহেলা জানুয়ারি তার বাড়ি ঘর বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়ে লুটপাট করে তৎকালিন সরকারের পেটুয়া বাহিনী। এর আগে আওয়ামী সরকার বিরোধী আন্দোলন থামাতে জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসানের নেতৃত্বে একটি সভা হয়। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তারা।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার আস্থাভাজন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরও দেশ থেকে পালিয়ে যান। তবে বহাল তবিয়তে আছেন অবৈধ নির্বাচন করিয়ে দেওয়া ও গুম-খুনে অংশ নেওয়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব নাজমুল আহসান।

তিনি আরো বলেন, নাজমুল আহসানের সময়ে শুধু সাতক্ষীরা জেলাতেই রাজনৈতিক সহিংসতায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে যৌথবাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ২৭ জন। এদের সবাই স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাতক্ষীরার বারের সহসভাপতি এড. আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, ২০১৪ সালের ১জানুয়ারী সাতক্ষীরা সদরের শাকরা কোমরপুর এলাকার বৈচনা গ্রামের মাদার সরদারের ছেলে মোঃ ওবায়দুল্যাহ’র বাড়ি ঘর, মামলার আসামিরা যোগসাজস করে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে বুলডেজার দিয়ে বাড়িটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়্,তাতে তার ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয় ।রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সেই সময় মামলা করা যায়নি বলে বিলম্বের কারণে উল্লেখ করা হয্।

তিনি আরও বলেন, মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত সাতক্ষীরা সদর থানার ওসিকে তদন্ত সাপেক্ষে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রাণ সায়ের খালের পাড়ে আবারো নির্মান হচ্ছে ডাস্টবিন !

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা প্রাণ সায়ের খালের পাড়ে আবারো নির্মান হচ্ছে পরিবেশ বিধ্বংসী ডাস্টবিন। এতে প্রাণ সায়র খালের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে পরিবেশ। নতুনকরে আবারো প্রাণ সায়র খালকে দূষনের মত আত্মঘাতি পরিকল্পনায় খালের দুই পাড়ে বসবাসকারীদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম হয়েছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে নারিকেলতলা মোড় হতে সুলতানপুর বড় বাজার ব্রীজ পর্যন্ত প্রাণসায়ের খালের দুই পাশের আবাসিক ভাবন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হতে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কিছু শর্ত স্বাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করায় ইতোমধ্যে প্রাণ সায়র খালের দুই ধারে পূর্বের মত ময়লার স্তুপ দেখা যায় না। পরিবর্তন হতে শুরু করেছে প্রাণ সায়র খালের চিত্র। কিন্তু পৌরসভার কতিপয় কর্মচারীদের পরামর্শে পুনরায় প্রাণ সায়র খালের দুই ধারে ২৩ ডাস্টবিন নির্মানের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

পলাশপোল এলাকার বাসিন্দা শাম্মি আক্তার কুমকুম,মো: আলমগীর, আমিনুরসহ অনেকেই বলেন, একসময়ে খালের দুইধারে ডাস্টবিন ছিলো। আমার দেখেছি মানুষ ময়লা ফেলার সময় দুর থেকে দাড়িয়ে ময়লা ছুড়ে দিত মানুষ। এতে খালের মধ্যে ময়লা পড়তো। আবার রাস্তাতেও ময়লা আবর্জনায় ভরে যেত। সুতরাং ধরনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা উচিত।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বলেন, এটি অত্যান্ত দু:খজনক বিষয়। এভাবে খালের দুইধারে ডাস্টবিন নির্মানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা মোটেও ঠিক হয়নি। এতে পরিবেশের উপর দারুন প্রভাব পড়বে। খালের দুইধারে পরিবেশ বিধ্বংসী এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহŸান জানান তিনি।

যদিও স্থানীয় সরকার সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক মাশরুবা ফেরদৌস বলে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে ডাস্টবিন নির্মানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest