সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

রাষ্ট্রীয় কারখানায় ন্যূনতম মজুরি শতভাগ বাড়িয়ে ৮৩০০

দেশের খবর: রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানার শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি শতভাগ বাড়িয়ে ৮৩০০ টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫ এর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি-স্কেল ও ভাতা’ অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সময়ে সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে কমিশন করা হয়, তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে স্কেল নির্ধারণ করা হয়। সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন বেতন কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছিল।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হবে ৮ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মজুরি ১১ হাজার ২০০ টাকা।

আগে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৪ হাজার ১৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০০ টাকা ছিল।

২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন মজুরি এবং ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে ভাতা কার্যকর হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

২০১৫ সালে সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ানোর পর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান করে ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫’ গঠন করা হয়।

এই কমিশন গত বছরের ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেয়। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম ৮ হাজার ৩০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৬০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করেছিল।

সর্বশেষ ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন ২০১০’ এ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি প্রায় ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ মজুরি ৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এর পর তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনঃনির্ধারণ করা হয় ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর। তিন হাজার টাকা মূল বেতন ধরে ৫ হাজার ৩০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি ঠিক করা হয়েছিল তখন। নতুন কাঠামোয় ওই বেতন তারা পাচ্ছেন ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে।

কয়েক বছরের মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ১৬ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছে শ্রমিক সংগঠনগুলো।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার শ্রমিকরা আগের মতই মূল মজুরির ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া, দেড় হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, মূল বেতনের সমান দুটি করে উৎসব ভাতা, ছুটি নগদায়ন অথবা অবসরকালীন ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ল্যাম্প-গ্রান্ট এবং মূল বেতনের ১০ শতাংশ কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধা পাবেন।

এছাড়া প্রতি বছর চাকরির জন্য দুই মাসের মূল মজুরির গ্র্যাচুইটি, মূল মজুরির ৩০ শতাংশ তবে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা পাহাড়ি ভাতা, প্রতি রাতে ঘণ্টাপ্রতি ১৫ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা নাইট শিফট ডিউটি ভাতা, ২০ শতাংশ হারে নববর্ষ ভাতা এবং বার্ষিক ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পাবেন।

এর বাইরে প্রতি মাসে ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা, ১০০ টাকা ধোলাই ভাতা, ২০০ টাকা টিফিন ভাতা, মূল মজুরির ১০ শতাংশ তবে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা রোটেটিং শিফট ডিউটি ভাতা এবং ৪০০ টাকা করে ঝুঁকি ভাতা পাবেন রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার শ্রমিকরা।

নতুন মজুরি কাঠামোয় শ্রমিকদের জন্য আগের মতই গ্রুপ ইন্সুরেন্স সুবিধা রাখা হয়েছে জানিয়ে শফিউল বলেন, এক সন্তারের জন্য ৫০০ টাকা এবং দুই সন্তানের জন্য মাসে এক হাজার টাকা শিক্ষা সহায়তা ভাতা পাবেন তারা। আর নারী শ্রমিকরা পাবেন ছয় মাস মাতৃত্বকালীন ছুটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেনাপোল সীমান্ত পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: ‘ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের ৩৯৯ কি.মি. ঝুঁকিপূর্ণ’ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ৩৯৯ কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্পর্শকাতর ওই এলাকাজুড়ে বিজিবির নজরদারি নিশ্চিত করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে থার্মাল ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা, রাডার, সেন্সরযুক্ত বিভিন্ন যন্ত্র ও সমন্বিত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। বর্ডার সার্ভেইল্যান্সের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্গম সীমান্তে ‘রেসপন্স টিম’ পৌঁছানোর লক্ষ্যে যেকোন ধরনের স্থল সীমান্তে চলাচল উপযোগী ‘অল টেরেইন ভেহিকেল’ এবং দুর্গম নৌ-সীমান্তে জন্য হাইস্পিড বোট সরবরাহ করা হবে।
সোমবার সকাল ৯টায় দিকে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তে ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ পরিদর্শন শেষে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি জানান, ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কভুক্ত সীমান্তে সংশ্লিষ্ট ‘কমান্ড’ পর্যায় থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিট ছাড়াও কেদ্রুীয়ভাবে সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে সীমান্তের নজরদারির লক্ষ্যে বিজিবি সদর দফতর, পিলখানায় সর্বাধুনিক ‘কমান্ড সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মাদক, অস্ত্র, সবধরনের চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ সহায়ক হবে।

বিজিবি মহাপরিচালক জানান, বর্তমানে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ সীমান্তের ১০ কিলোমিটার এলাকায় এই সিস্টেম স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। আগামী বছর নাগাদ কক্সবাজারের অধিকাংশ সীমান্ত এলাকা, নওগাঁর হাপানিয়া সীমান্ত, দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

এছাড়া সীমান্তের চেকপোস্টগুলোতে নিরাপত্তা ও নজরদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বেনাপোল ও হিলি চেকপোস্ট বিজিবির সিসিটিভি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সীমান্তের সকল চেকপোস্ট একইভাবে সিসিটিভি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকায় ‘সার্ভেইল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপন সম্পন্ন হলে সীমান্ত অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানান তিনি।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালিদ আল মামুন, খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তৌহিদুল ইসলাম, যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল হক, খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল তারিকুল ইসলাম, আরআইবির কমান্ডিং অফিসার লে.কর্নেল খবির উদ্দিনসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দুঃস্থ মহিলাদেরকে সেলাই মেশিন প্রদান

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার ৫নং দেবহাটা সদর ইউনিয়নের আয়োজনে সোমবার সকাল ১০ টায় ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মহিলাদেরকে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের এলজিএসপি-৩ পিবিজি বরাদ্দের অর্থায়নে দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে দেবহাটার বিশিষ্ট সমাজসেবক এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক আলহাজ¦ আবুল কাশেম ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আবুল ফজল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইউপি সচিব শেখ কামরুল ইসলাম বাবু। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান আজগার আলী, ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান বাবলু, ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম, ইউপি সদস্যা শাহনাজ পারভিন প্রমুখ। এসময় ১৭ জন মহিলাকে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ভিক্ষুকদেরকে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে ভিক্ষুকদেরকে বিনামূল্যে ছাগল বিতরন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের বরাদ্দ থেকে প্রাপ্ত অর্থ থেকে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে থেকে বাছাইকৃত মোট ৩৬ জন ভিক্ষুকদেরকে এই ছাগল বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ছাগল বিতরন করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে দেবহাটা উপজেলা আঃলীগের সভাপতি নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমান, দেবহাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাঈল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ের পিড়িতে বসছেন মেহজাবিন!

বিনোদন সংবাদ: প্রেম-বিয়ে ও ভাঙন নিয়ে তারকাদের লুকোচুরি খেলার জুড়ি নেই। তবে দেয়ালেরও কান আছে বলে যে প্রবাদ সেটিকে সত্য করতেই ছড়ায় নানা গুজব ও গুঞ্জন। সম্প্রতি শোবিজের বাতাসে উড়ছে অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীর বিয়ের খবর।

গুঞ্জন উঠেছে তরুণ নির্মাতা আদনান আল রাজিবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে মেহজাবিনের। সেই সম্পর্কের জের ধরেই বিয়ে পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তারা।

এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে দুজনেই রয়েছেন লন্ডনে। আলাদা আলাদা করে ফেসবুকে চেক ইন দিচ্ছেন। তবে তাদের কাছের মানুষদের দাবি, দুজন একসঙ্গেই রয়েছেন। সময় কাটাচ্ছেন, করছেন বিয়ের কেনাকাটাও। চলতি বছরেই সম্পন্ন হতে পারে দাম্পত্য শুরুর আনুষ্ঠানিকতা।

তবে এই দুজনের কাছের কেউই এই বিয়ের ব্যাপারে কোনো তথ্য বা প্রমাণ দিতে পারছেন না। অনেকে পুরো খবরটিকেই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, মেহজাবিন বাংলাদেশের একজন মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি ২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিম্ন আদালতের বিচারকদের কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ

দেশের খবর: যথাযথ কতৃর্পক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিত কর্মস্থল ত্যাগ না করার বিষয়ে নিম্ন আদালতে কর্মরত বিচারকদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত সার্কুলার সুপ্রিম কোর্টর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, অত্র কোর্টের গোচরীভূত হয়েছে যে, পূর্বানোমতি ব্যতিত অধস্তন আদালতের অনেক বিচারক বর্ণিত নির্দেশনা প্রতিপালন না করে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে সময়ের পূর্বেই কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এর ফলে বিচারপ্রার্থী জনগণ ন্যায়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অপরদিকে বিচার প্রশাসনের কাজের ধারাবাহিকতার ব্যত্যয়সহ বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিচার প্রশাসনে এরূপ অবস্থা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।

সার্কুলারে বলা হয়, অধস্তন আদালতে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ, জেলা জজ সমপর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজগণকে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে অবহিতকরণ ব্যতিরেকে কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। উক্ত নির্দেশ অমান্য করলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। এ সার্কুলার ইতোপূর্বে জারিকৃত এ সংক্রান্ত অন্যান্য সার্কুলার এর পরিপূরক হিসেবে গণ্য হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঁচ দিনের রিমান্ডে কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ

দেশের খবর: মানহানিকর বক্তব্য ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খানের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় শাহবাগ থানায় দায়ের করা তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক সজীবুজ্জামান।

ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম শুনানি শেষে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল রবিবার দুপুরে মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত শনিবার রাতে শাহবাগ থানায় রাশেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ছাত্র ও ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়। এজাহারে বলা হয়, “মুহাম্মদ রাশেদ খান ২৭ জুন বুধবার সকাল ৮টা ৮ মিনিটে ‘কোটা সংস্কার চাই (সকল ধরনের চাকুরির জন্য)’ ফেসবুক গ্রুপে ‘লাইভ’ বক্তব্য দেয় এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা অবনতি ঘটাতে উসকানি দেয়; রাশেদ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করেও মানহানিকর বক্তব্য দেয়।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাসের মহাতারকা হয়েও বিশ্বকাপে যাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে

খেলার খবর: উত্তাপ-উন্মাদনার মধ্য দিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষে শনিবার থেকে শেষ ষোলোর খেলা শুরু হয়েছে। ওইদিনই বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে ছিটকে গেছেন ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা মেসি-রোনালদো। নক-আউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের সামনে ৪-৩ ব্যবধানে হারে আর্জেন্টিনা। আর দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ‘কাভানি গোলায়’ বিধ্বস্ত হয় ফুটবল গ্রহের আরেক দেবতা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল পর্তুগাল। ফলে এই দুই তারকার বিদায়ে রঙ হারিয়েছে বিশ্বকাপ। একই সঙ্গে তাদের এটা অঘোষিত শেষ বিশ্বকাপ মনে করা হচ্ছে। ফলে ক্লাব ফুটবলে নিজেদের দলকে অসংখ্যবার বিভিন্ন ধরনের ট্রফি উপহার দেওয়ায় মহাতারকা বনে যাওয়া মেসি-রোনালদো নিজ নিজ দেশকে সফলতা এনে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এতে দেশ ও দেশের বাইরে কোটি কোটি দর্শক হতাশ হয়েছেন। মহাতারকা হয়েও বিশ্বকাপে দলকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে না পারায় স্বপ্নভঙ্গ মেসি-রোনালদোরও।

ফলে ‘গ্রেটেস্ট ফুটবলার নট টু উইন এ ওয়ার্ল্ড কাপ’ তকমাটা জুড়ে যাচ্ছে মেসি ও রোনালদোর নামে। এ নিয়ে হয়তো বছরের পর বছর ধরে চলবে তর্ক-বিতর্ক। এই সাধের বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁতে না পারা সেরা তারকাদের তালিকায় সবার প্রথম সারিতেই উচ্চারিত হবে মেসিদের নাম। যদিও এই তালিকায় অাগে থেকেই জায়গা নিয়ে বসে আছেন অনেক তারকা। পাঠকদের সামনে সেই তালিকা তুলে ধরা হলো।

জোহান ক্রুয়েফ : টোটাল ফুটবলের অন্যতম ধারক ও বাহক জোহান ক্রুয়েফ। ডাচ ফুটবল ঘরানাকে বিশ্বমঞ্চে প্রথম তুলে ধরেছিলেন তিনিই। তিনবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই মহাতারকা আয়াখস এবং বার্সেলোনার হয়ে ক্লাব ফুটবলে চূড়ান্ত সাফল্য পান। কিন্তু বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিতে হাত ছোঁয়াতে পারেননি। সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে আনলাকি ফুটবলার তিনিই। ১৯৭৪’-এর বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলেও জেতাতে পারেননি ক্রুয়েফ। পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ফাইনালে ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও হারতে হয়েছিল ডাচদের। টুর্নামেন্টের সোনার বল পেয়েছিলেন ক্রুয়েফই। কিন্তু সোনালি ট্রফি তার অধরাই থেকে যায়। এরপর একাধিকবার ফাইনালে গেছে নেদারল্যান্ডও, তবু এখনও কোনো ডাচ অধিনায়ক বিশ্বকাপ ট্রফি তোলার সুযোগ পাননি।

পাওলো মালদিনি : একসময় বলা হত ইউরোপের সবচেয়ে সহজ চাকরি হল ইতালির গোলরক্ষকের চাকরি, কারণ ইতালির গোলক্ষকদের তেমন কোনো কাজই করতে হয় না। কারণ ইতালির বিখ্যাত কাত্তানেচ্চিও রক্ষণ। সেই রক্ষণের স্তম্ভ ছিলেন মালদিনি। এসি মিলানের হয়ে ক্লাব পর্যায়ে সব টুর্নামেন্ট জিতেছেন। অথচ দেশের হয়ে কোনো খেতাবই জিততে পারেননি মালদিনি। ১৯৯৪-বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও হারতে হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে।

আলফ্রেডো ডি স্টোফানো : রিয়াল মাদ্রিদের সর্বকালের সেরা তারকাদের মধ্যে একজন। শুধু ব্যালন ডি’অর নয়, তিনি জিতেছেন সুপার ব্যালন ডি’অর। যা শুধুমাত্র ডি’স্টেফানোকে দেওয়ার জন্যই তৈরি করেছিল ফ্রেঞ্চ ফুটবল, আর কাউকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, খেলেছেন আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া এবং স্পেনের হয়ে। কোনো দলের জার্সিতেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি স্টেফানো।

ফেরেঙ্ক পুসকাস : বিশ্বকাপ ১৯৫৪’ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে হাঙ্গেরির হার আজও ফুটবল বিশ্বের কাছে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত। সেসময় ছিল হাঙ্গেরির স্বর্ণযুগ। সেরা তারকা ছিলেন ফেরেঙ্ক পুসকাস৷ পুসকাসের হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত পশ্চিম জার্মানির কোনো সম্ভাবনায় দেখছিলেন না বিশেষজ্ঞরা। অথচ সেই জার্মানিই চমকে দিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্বকাপ অধরা রইল আরও এক মহাতারকার।

ইউসেবিও : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আগে পর্তুগালের সবচেয়ে সফল তারকা ছিলেন উইসেবিও। লুইস ফিগোর চেয়েও তার জনপ্রিয়তা বেশি ছিল অনেকাংশেই। ১৯৬৫ তে ব্যালন ডি’অর-ও জিতেছিলেন ইউসেবিও৷ ক্লাব পর্যায়ে টানা ১১ বার লিগ জিতেছিলেন বেনফিকার হয়ে। কিন্তু জাতীয় দলের জার্সি চাপিয়ে তিনিও দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল ইউসেবিওর পর্তুগাল। সেমিফাইনালে পেনাল্টি থেকে গোলও করেন তিনি৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত জর্জ বেস্টের ইংল্যান্ডের কাছে পরাস্ত হতে হয় পর্তুগালকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest