সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরনতালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

আমার মা চিন্তা ভাবনায় উচ্চমানের ছিলেন

দেশের খবর: আমার মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা লেখাপড়ার তেমন সুযোগ না পেলেও চিন্তা ভাবনায় তিনি খুব উচ্চমানের ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার মা খুব জ্ঞানপিপাসু ছিলেন। তার খুব বই পড়ার অভ্যাস ছিল। আব্বার জন্য বই কিনতেন। লেখাপড়ার তেমন সুযোগ না পেলেও চিন্তা ভাবনায় তিনি খুব উচ্চমানের ছিলেন।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতা হত্যাকারীদের নিষ্ঠুর, বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তিনিও শাহাদাত্বরণ করেন। শহীদ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মাত্র ৩ বছর বয়সে পিতা ও ৫ বছর বয়সে মাতাকে হারান। তার ডাক নাম ছিল রেণু।
পিতার নাম শেখ জহুরুল হক ও মাতার নাম হোসনে আরা বেগম। দাদা শেখ কাসেম চাচাতো ভাই শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলাতুন্নেছার বিবাহ দেন। তখন থেকে বেগম ফজিলাতুন্নেছাকে শাশুড়ি বঙ্গবন্ধুর মাতা সাহেরা খাতুন নিজের সন্তানদের সঙ্গে মাতৃস্নেহে লালন-পালন করেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে তিনি প্রাথমিক লেখাপড়া করেন। অতঃপর সামাজিক রীতি-নীতির কারণে গ্রামে গৃহশিক্ষকের কাছে লেখাপড়া করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলা মামলার রায় হতে পারে সেপ্টেম্বরে

দেশের খবর: আগামী সেপ্টেম্বরে ২১ আগস্ট হামলা মামলার রায় হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা ছিল এই আগস্টেই বহুল আলোচিত এ মামলার রায় হবে। কিন্তু সেটা শেষ পর্যন্ত হচ্ছে না বলেই মনে করছেন তারা।
ঢাকার দ্রুত বিচার আদালত-১-এ মামলার কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ে। এ মামলার সর্বশেষ আসামি হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক চলছে। আর কয়েকটি কার্যদিবসের মধ্যেই এ যুক্তিতর্ক শেষ হলে রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার আইনগত দিকগুলো তুলে ধরে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে। এরপরই এ মামলার রায়ের দিন ধার্য করবেন বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ভয়ঙ্কর ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন। গুরুতর আহত হন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েকশ’ নেতা-কর্মী। তাদের অনেকে শরীরে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার নিয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছেন।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধাপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং সিলেটে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল আলম বিপুলের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলার আসামিদের তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়। মামলাটিতে এখন আসামির সংখ্যা ৪৯। এর মধ্যে ৪৫তম আসামি হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক চলছে।
পলাতক থাকায় অন্য চার আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে না। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আইনজীবীও পাবেন না তারা। কারণ, তাদের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারার অভিযোগ না থাকায় তাদের জন্য রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবীর সুবিধা পাবেন না। তারা হচ্ছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন আহমদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, পুলিশের সাবেক ডিআইজি খান সাঈদ হাসান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জমান বাবরের যুক্তিতর্কের মধ্য দিয়ে আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হবে। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) দ্বিতীয় দিনের মতো বাবরের পক্ষে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম। আগামীকাল বুধবারও (৮ আগস্ট) বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন এই আইনজীবী।
যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করতে আর কয়দিন সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এটা সঠিকভাবে বলা যাবে না। তার যুক্তিতর্ক শেষ হলে সিনিয়র একজন আইনজীবী বাবরের পক্ষে আইনগত দিকগুলো তুলে ধরবেন আদালতের কাছে। এছাড়া বাবর নিজেও আদালতের কাছে কিছু কথা বলার সুযোগ চাইবেন। আদালত অনুমতি দিলে তিনিও তার বক্তব্য উপস্থাপন করবেন আদালতে। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন। এরপর আদালত রায়ের দিন ধার্য করবেন।’
এ মামলার কার্যক্রম শেষে কবে নাগাদ রায় দেওয়া হতে পারে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল এই আগস্ট মাসেই মামলার কার্যক্রম শেষে রায় হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ, আমরা রাষ্ট্রপক্ষ ছাড়াও আরও একটি পক্ষ আছে— আসামি পক্ষ। তারাও তাদের কার্যক্রম শেষ করতে হবে। তবে শিগগির এ মামলার রায় হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) পর্যন্ত এ মামলায় ১০৬ কার্যদিবস চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮১ কার্যদিবসই নিয়েছে আসামিপক্ষ ।’
৪৯ আসামির মধ্যে বর্তমানে এ মামলায় পলাতক রয়েছেন ১৮ জন। জামিনে আছেন আটজন। কারাগারে আছেন ২৩ জন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরদিন ২২ আগস্ট দণ্ডবিধির ১২০/বি, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২, ২০১, ১১৮, ১১৯, ২১২, ৩৩০, ২১৮, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় মতিঝিল থানার এসআই শরীফ ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা (নং ৯৭) দায়ের করেন। ২০০৮ সালের ৯ জুন হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে সিএমএম আদালতে দুটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সিআইডির সিনিয়র এএসপি ফজলুল কবির। ওই বছরই মামলা দুটির কার্যক্রম দ্রুত বিচার আদালত-১-এ স্থানাস্তর করা হয়। এ আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের ২৯/১১ (হত্যা) ও ৩০/১১ (বিস্ফোরক) মামলা দুটির বিচারকাজ শুরু হয়।
৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০০৯ সালের ২৫ জুন এ মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন জানায় রাষ্ট্রপক্ষ। ওই বছরের ৩ আগস্ট আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলার অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডির এসপি আবদুল কাহার আকন্দকে। তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও আবদুস সালাম পিন্টুসহ আরও ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালের ২ জুলাই আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কুখ্যাত চোরাকারবারী ও ছিনতাইকারী বেল্লাল আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কুখ্যাত চোরাকারবারী ওরফে ‘সোনা’ বেল্লালকে আটক করেছে করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের কাশেমপুর হাজামপাড়া মোড় এলাকা থেকে তাকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে বলে এলাকাবাসী জানান।
বেল্লাল সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের মহররমের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বেল্লাল কাশেমপুর এলাকার গোল্ডেন বেল্লাল নামে পরিচিত। সে নাশকতাকারী জামাত নেতা ওয়াহাব মেম্বরেরও ঘনিষ্ঠ। বেল্লাল এলাকায় মাদককারবারী, অর্থ ছিনতাই ও স্বর্ণ ছিনতাইকারী চক্রের হোতা বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তারা জানান, বেল্লাল বিভিন্ন প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ ব্যবসা করে কোটিপতি হয়েছেন। ইতোমধ্যে বিলাস বহুল বাড়ি ও প্রাইভেটকারের মালিকও হয়েছেন তিনি। ড্রাইভারির পেশা থেকে চোরাচালান করে বেল্লাল রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। ইতোমধ্যে বেল্লালের সহযোগী তার আপন ভাইপো বাবু ও একই এলাকার বাবলু নামে দুই ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাগরিক নিবন্ধন নিয়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তার কারণ নেই: ভারত

বিদেশের খবর: আসামের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) নিয়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু। ভারত সফররত বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও সাংসদ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি ভারতের মন্ত্রীর এই আশ্বাসের কথা জানিয়েছেন। নজিবুল বশর বলেন, তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে ভারতের প্রতিমন্ত্রী এই আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশে কাউকে পুশব্যাক করা হবে না’।
ভারত সরকারের আমন্ত্রণে সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি তিন দিনের সফরে গত সোমবার ভারতে আসেন। ওই দিনই তিনি কিরেন রিজিজু ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের সঙ্গে দেখা করেন। গতকাল মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (ওআরএফ) এক আলোচনা সভায় অংশ নেন। নয়াদিল্লির রাউস অ্যাভিনিউয়ে ওআরএফের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা হয়।
সেখানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে নজিবুল বশর জানান, ভারতের এনআরসি থেকে বাদ পড়া লোকজন নিয়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়ার কারণ নেই বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
আসামের এনআরসি থেকে ৪০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা বাদ পড়েছেন। এ নিয়ে অশান্ত রয়েছে আসাম। স্থানীয় বিজেপি নেতা ও কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর মতে, বাদ পড়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগ ‘বাংলাদেশি’ ও ‘রোহিঙ্গা’।
প্রশ্নোত্তর পর্বে নজিবুল বশর বলেন, ‘রিজিজুকে আমি বলি, “১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। এর ওপর যদি আসাম থেকে ৪০ লাখ ফেরত পাঠান, তাহলে তো মরেই যাব!” এ ব্যাপারে রিজিজু আশ্বাস দেন, আমাদের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আসামের নাগরিক নিবন্ধন তৈরি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তা ছাড়া সবকিছু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে।’
ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা তুলে ধরে নজিবুল বশর বলেন, ‘তাঁকে (এম জে আকবর) বলেছি, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে ভারত সক্রিয় না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মতো ভারতকেও ভুগতে হবে। ওই অঞ্চল হয়ে দাঁড়াবে সন্ত্রাসবাদীদের আঁতুড়ঘর।’
ঢাকায় গত ২৯ জুলাই কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থী আন্দোলন প্রসঙ্গে নজিবুল বশর বলেন, যা হয়েছে তা নিতান্তই দুর্ভাগ্যজনক। ওটাকে দুর্ঘটনা না বলে হত্যা বলা উচিত। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আন্দোলন বিপথ চালিত হয়ে পড়ে। জামায়াত ও বিএনপি ঢুকে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে অশান্তি বাড়ানো হয়। পুলিশও কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাত্রাছাড়া আচরণ করেছে। সাংবাদিকদের পেটানো, আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার ‘লজ্জাজনক’।

শাসক আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটে রয়েছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন। জাতীয় সংসদে দলটির দুজন সদস্য রয়েছেন। সুফি আদর্শে তাঁরা দল গড়েছেন জানিয়ে নজিবুল বশর বলেন, তাঁরা কট্টরবাদী ইসলামের বিরোধী। ধর্মীয় মৌলবাদের বিরোধী। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে তাঁরা মাঠে দাঁড়িয়ে লড়াই করেন। এবারের ভোটেও তাঁরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাধীনতাসংগ্রামের চেতনাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ভোটে লড়বেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীপিকার তারকা খ্যাতির নেপথ্যে ঐশ্বরিয়া!

বিনোদন সংবাদ: সঞ্জয় লীলা বানশালির ‘পদ্মাবত’ ছবিতে রানি ‘পদ্মাবতী’-র চরিত্রে অভিনয় করেন দীপিকা পাডুকন। কিন্তু, সেখানে দীপিকা নয়, পরিচালকের প্রথম পছন্দে ছিলেন ঐশ্বরিয়া রায়। কিন্তু সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় কপাল খুলে যায় দীপিকার।

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ঐশ্বরিয়া নিজেই। শুধু তাই নয়, ‘বাজিরাও মাস্তানি’ ছবিতেও নাকি তার অভিনয় করার কথা ছিল। ঐশ্বরিয়ার দাবি, এই ছবি থেকেও তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন।

‘বাজিরাও মাস্তানি’ এবং ‘পদ্মাবত’ থেকে ঐশ্বরিয়া সরে আসার পরই তাঁর জায়গায় দীপিকা পাডুকনকে কাস্ট করার সিদ্ধান্ত নেন পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালি। অবশ্য ক্ষতিটা হয়েছে ঐশ্বরিয়ারই। কারণ দুটি ছবিই বক্স অফিস দাপিয়ে বেড়িয়েছে। তাই তো অনেকেই বলছেন, ঐশ্বরিয়া এভাবে সুযোগ না করে দিলে এত দ্রুত তারকা খ্যাতি পাওয়া হতো না দীপিকার।

তবে ‘পদ্মাবত’ থেকে কেবল ঐশ্বরিয়া নয়, শাহরুখ খানও সরে যান নিজেকে সরিয়ে নেন। আলাউদ্দিন খলজির চরিত্রে শাহরুখ খান-কে কাস্ট করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন সঞ্জয় লীলা বানশালি। কিন্তু, বনশালির ‘পদ্মাবত’-এ তিনি আলাউদ্দিন খলজির চরিত্রে অভিনয় করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন শাহরুখ খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্থ পাচার আইনে অভিযুক্ত মালেশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব

বিদেশের খবর: আজ বুধবার মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনের অধীনে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে মালয়েশিয়ার দুর্নীতিবিরোধী কমিশন (এমএসিসি)-র অফিসে তলব করা হয়। সেখানে তাঁকে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এক বিবৃতিতে এমএসিসি জানিয়েছে, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারবিরোধী আইনের অধীনে অভিযোগ গঠন করা হচ্ছে।

এমএসিসি-র বিবৃতিতে বলা হয়, এসআরসি ইন্টারন্যাশনাল মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ঘটনায় এই অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে ওয়ানএমডিবি’র সাবেক এই ভুতর্কি পাওয়া প্রতিষ্ঠান এসআরসি ইন্টারন্যাশনালের তহবিল নাজিবের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে।

গত মাসে নাজিবের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গসহ ওয়ানএমডিবি তহবিলের অর্থ নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফারের অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি ১০ লাখ রিংগিতের বিনিময়ে জামিন পান। তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজিব। সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বার্ধক্য প্রতিরোধে করণীয়

স্বাস্থ্য কণিকা: বয়সের সাথে দিন দিন বার্ধক্যের দিকে আমরা সবাই অগ্রসর হই এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু বয়সের আগেই বার্ধক্য স্বাভাবিক নয়। অনেক কারণেই অকাল বার্ধক্য দেখা দিতে পারে। যেমন-অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ঘুম কম হওয়া, শারীরিক অসুস্থতা, খাবারে অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি কারণে বার্ধক্য দেখা যায়। তাই কিছু কিছু নিয়ম মেনে চললে বার্ধক্য অনেকদিন আটকে রাখা যাবে এবং রোগ ব্যাধিও দূরে থাকবে। তবে এ জন্য প্রতি দিনের খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার থাকতে হবে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার যে দামি খাবার তা নয়, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকাতে এটি পাওয়া যায়। বিটাক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন, লাইকোপিন, ক্রিপট্যোআনথিন, পলিফিনলিক এসিড, ট্যানিন, ভিটামিন এ, সি, ই, কপার, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, আয়রন ইত্যাদিকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বলে বার্ধক্য প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, পালংশাক, পুঁইশাক, লাউশাক, কুমড়াশাক, ধনে পাতা, পুদিনাপাতা, সজনে ডাটা, নটেশাক ইত্যাদিতে বিটাক্যারোটিন থাকে। ঢেঁড়স, সয়াবিন, মটরশুঁটিতে থাকে আলফা ও বিটাক্যারোটিন। টমেটো, তরমুজ ও লাল নটেশাকে আছে প্রচুর লাইকোপিন যা উঁচুমানের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। পাকা কুমড়া, পাকা পেঁপে, কমলালেবু, পাকা আম ইত্যাদিতে আছে ক্রিপটোঅ্যানথিন এবং বিভিন্ন রঙিন শাক-সবজি ও ফলমূলে রয়েছে ক্যারোটিনয়েড শ্রেণির প্রায় ৩০০ ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।

টাটকা শাক-সবজিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ছাড়াও আছে ভিটামিন এ ও সি, কালো জামে লিউটন, আনারস, টমেটো, বাতাবীলেবুসহ সব রকম লেবু, আপেল, কলা, পেয়ারা, বেদানা ইত্যাদিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা ফ্রি-রেডিকেলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং শরীরের কোষ প্রাচীরে ভিটামিন ই নি:সরণে সাহায্য করে।

নানা রকম শস্য যেমন— চাল, গম, সয়াবিন, ডাল, কিশমিশ, মরিচ, খেজুর, বাদাম, সামুদ্রিক মাছ, দুধ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের অনন্য উৎস। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মসলা যা আমরা রান্নায় ব্যবহার করি তাতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা বার্ধক্য রোধে ভূমিকা রাখে। তাই আবারো বলতে হয়, সুস্থ নীরোগ জীবন এবং বার্ধক্য বিলম্বিতসহ দীর্ঘজীবী জীবন পেতে হলে খাবারে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অবশ্যই খেতে হবে।

লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রক্তস্বল্পতা ও প্রতিকার

স্বাস্থ্য কণিকা: মানুষের শরীরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্ত থাকে। রক্তের পরিমাণ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা দ্বারা মাপা হয়। যখন এই নির্দিষ্ট মাত্রা থেকে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় তখন একে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া বলে। রক্তস্বল্পতা সাধারণত পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের বেশি হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় ও ঋতুস্রাবের কারণে মহিলাদের রক্তস্বল্পতা বেশি দেখা যায়।

রক্তস্বল্পতা হলে শরীরে নানা ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। যেমন: ক্লান্ত লাগা, শরীর দুর্বল হয়ে পড়া, কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া, শ্বাস কষ্ট হওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া দীর্ঘ দিন বা কোনো কারণে রক্ত স্বল্পতা থাকলে হৃদরোগ ও কিডনির সমস্যাও হতে পারে।

রক্ত স্বল্পতা প্রতিরোধ করতে হলে আয়রণসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। সামুদ্রিক মাছ, মাংস, ডিম, সবুজ শাক-সবজি, টমেটো, বাদাম, ব্রকলি, ডালিম, সাইট্রাস ফল, সিম, মটরশুঁটি ইত্যাদি শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিক রাখে।

এ ছাড়া, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest