সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ

কালিগঞ্জে গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ, আটক ২

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মধ্যযুগীয় কায়দায় এক গৃহবধূকে গাছের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে লাঠি ও সাবল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর ছোট ভাই লাভলু মোল্য বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কালিগঞ্জ থানায় গৃহবধূর স্বামী অহিদুল্লাহ গাজীসহ তার পরিবারের ৭ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতেই দুই জনকে আটক করেছে।

আহত গৃহবধূর নাম মাহফুজা খাতুন (৩০)। সে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজিপুর গ্রামের আব্দুল গফফারের মেয়ে ও কালিগঞ্জ উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামের অহিদুল্লাহ গাজীর স্ত্রী। পুলিশ আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেছেন।
আাটককৃতরা হলেন, আহত গৃহবধূর ননদ মাছুমা বেগম (৩০) ও ভাশুরের স্ত্রী মোছা: মর্জিনা বেগম (২৫)।
আহত গৃহবধূ মাহফুজা খাতুনের বড় ভাই বাবলুর রহমান মোল্যা জানান, গত ১৪ বছর আগে (২০০৪ সালে) আমার বোনের সাথে কালিগঞ্জ উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহ গাজীর ছেলে অহিদুল্লাহ গাজীর ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। এর পর তাদেও ঘরে দুটি কন্যা সন্তানে জন্ম হয়। তারা হল, তাহশিয়া খাতুন (১২) ও তুন্নি খাতুন (৮)। তিনি জানান, সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে তাদের স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ চলছিলো। এর জের ধরে আমার বোন মাহফুজা আমাদের বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজিপুর গ্রামে চলে আসে। এক সুযোগে তার স্বামী অহিদুল্লাহ আমার বোনকে একটি ভুয়া তালাক দেয় এবং তার বড় মেয়ে তাওছিয়া খাতুনকে ঘরে আটকে রাখে। এ খবর জানতে পেরে সে তার মেয়েকে দেখতে ও তালাকের বিষয়টি জানতে শনিবার বিকেলে শ্বশুর বাড়িতে যায় । এ সময় তার স্বমী অহিদুলসহ তার পরিবারের সকলেই মিলে তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় গাছের সাথে বেধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন করে। ব্যাপক মারধরের এক পর্যায়ে মাহফুজা নিহত হয়েছে মনে করে তারা পরিবারের সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তারা এসে তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। বর্তমানে সে সেখানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ব্যাপারে কালিগজ্ঞ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুবির দত্ত জানান, এ ঘটনা শুনার সাথে সাথেই আমরা সেখানে গিয়ে আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করি এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই জনকে আটক করি।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় গৃহবধুর ছোট ভাই লাভলু মোল্লা বাদী হয়ে তার স্বামী অহিদুলসহ তার পরিবারের ৭ জনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করে ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাশকতার মামলায় সাতক্ষীরার সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন কারাগারে

আসাদুজ্জামান: নাশকতার একটি মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীনসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৮ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে সাতক্ষীরার একটি আদালত। রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক মোঃ সাদিকুল ইসলাম তালুকদার তাদের এ জামিন না মঞ্জুর করেন।
সাতক্ষীরা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক অমল বিশ্বাস জানান, কালিগঞ্জ থানার জিআর ২৯১/ ১৭ নং (তারিখ-০৩/১২/১৭) নাশকতার একটি মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ইসলামসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৮ নেতা-কর্মী নি¤œ আদালতে হাজির হওয়ার শর্ত সাপেক্ষে হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। এর পর তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হলে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ তারা সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা জানালে আদালতের বিচারক মোঃ সাদিকুল ইসলাম তালুকদার তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ায় ধর্ষণ উৎসব, রেহাই নেই শিশু-বৃদ্ধার

সেনাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষে বিধ্বস্ত সিরিয়া। নতুন করে বোমা হামলায় গত তিন দিনে আফরিন শহর ছেড়েছেন দু’ লক্ষেরও বেশি মানুষ।

এদিকে বিরোধীদের দমন নিপীড়ন চালাতে ধর্ষণ উৎসবে মেতে উঠেছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এবং তাদের মিত্র মিলিশিয়ারা। আর এই ধর্ষণ থেকে বাদ যাচ্ছে না শিশু-বৃদ্ধারাও।

বিষয়টিকে অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্য জানিয়েছে। অন্তত ৪৫০ জনকে প্রশ্ন করে তৈরি হয়েছে এই প্রতিবেদন। যা থেকে উঠে এসেছে যৌন হিংসার ভয়াবহ চিত্র।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্থা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সিরিয়ায় পরিবার-জীবনকে পুরোপুরি বিপন্ন করে দিতে এবং সন্ত্রাসদীর্ণ মানুষের মনোবল ভেঙে দিতে যৌন হিংসা একটা মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে। জঙ্গি ও বিদ্রোহী খোঁজার নামে আসাদের বাহিনী যখন-তখন হানা দিচ্ছে বসতবাড়িতে।

তার পর অবাধে চালিয়েছে যৌন অত্যাচার। কোথাও কোথাও আবার বাড়ির বাইরে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে বাহিনীর লোকজন। কখনও সামরিক ট্যাঙ্কের সামনে নগ্ন হয়ে হাঁটতে বলা হয় নারীদের।

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান পাওলো পিনহেইরো বলেছেন, সিরিয়ায় সাত বছর ধরে চলমান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধরত সব গোষ্ঠীই ভয়াবহ যৌন নির্যাতন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা চালাচ্ছে। তবে সরকারি বাহিনীর তুলনায় অন্যদের নির্যাতনের মাত্রা কম।

প্রতিবেদনে সাক্ষাতকার দেওয়া এক নারী বলেছেন, তাঁকে তাঁর ভাইয়ের সামনে ধর্ষণ করা হয়েছে। আর এক জন জানিয়েছেন, স্বামী আর তিন সন্তানের সামনে ধর্ষিত হতে হয়েছে তাঁকে। যাঁরা বাধা দিতে গিয়েছেন, মরতে হয়েছে তাঁদের।

এদিকে বিদ্রোহীদের দখলে থাকা সেনাছাউনিগুলিতেও একই চিত্র। হঠাৎ ইচ্ছে মত নারীদের তুলে এনে রাখা হচ্ছে আলাদা কোনও বাড়িতে। জখম শরীরে পরার জন্য কিছু দেওয়া হয়নি তাঁদের। রক্ষা পাননি বৃদ্ধারাও। অশালীন ভাবে তাঁদের দেহতল্লাশি করা হয়েছে। এক বৃদ্ধা জানিয়েছেন, সেনা অফিসার তাঁকে যৌন নির্যাতনের সঙ্গে মারধরও করেছে। আর এক বৃদ্ধার দাবি, যৌনাঙ্গে জিনিস ঢুকিয়ে অত্যাচার চালানো হয়েছে তাঁর উপরে।

অন্যদিকে সরকার-বিরোধী কথা বললেই আসাদ বাহিনী জেলে ভরেছে নারী সাংবাদিক, আইনজীবী এবং আন্দোলনকারীদের। বন্দি ওই নারীদের অবস্থা সব চেয়ে ভয়াবহ বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। রেহাই নেই ওই নারীদের আত্মীয়দেরও। জেলে রয়েছে ৯ বছরের মেয়েও। সবার সামনে জেলে ধর্ষণ করা হয়েছে অন্তঃসত্ত্বাকে। জেলে ঢুকিয়েই মহিলাদের নগ্ন অবস্থায় পুরুষ অফিসারের সামনে মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছে। যৌনাঙ্গে ও স্তনে বিদ্যুতের শক দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে।

তবে রেহায় পাচ্ছে না পুরুষরাও। নিগ্রহের শিকার হয়েছেন অনেক পুরুষ। অন্য বন্দিদের সামনে তাঁদেরও ধর্ষণ করা হয়েছে। পাইপ, রড দিয়ে চালানো হয় নির্যাতন। আসাদের বাহিনী এ সব দৃশ্য দেখে ‘আনন্দ’ পেত বলে সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন সিরিয়ার বন্দিরা।

জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরা বলছেন, সিরিয়ার সরকারের সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে অন্তত ২০টি আস্তানা নারী ও মেয়ে শিশুদের ধর্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া পুরুষ ও বালকদের ধর্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ১৫টি আস্তানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সম্পর্কের কথা ফাঁস করায় পর্ন তারকার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলা!

মার্কিন পর্ন তারকা স্টিফেন ক্লিফোর্ডের বিরুদ্ধে দুই কোটি ডলারের মানহানির মামলা দায়ের করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে ট্রাম্পের পক্ষে মামলা করেন তার আইনজীবী।

খবরে বলা হয়, ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন মামলায় অভিযোগ করেন, পর্ন জগতে স্টর্মি ড্যানিয়েল নামে পরিচিত স্টিফনি ক্লিফোর্ডকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছিল। বিনিময়ে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের তথ্য প্রকাশ করবেন না বলে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু সেই চুক্তি লংঘন করায় এ মামলা করা হয়েছে।

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন ক্লিফোর্ডকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল কিনা সেটা বলেননি কোহেন।

তবে স্টিফনি ক্লিফোর্ড বলছেন, তার সঙ্গে করা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ২০০৬ সালে তার সঙ্গে ট্রাম্পের শারীরিক সম্পর্ক হয়।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আমার সঙ্গে ট্রাম্পের যে চুক্তি হয়েছিল, তা বাতিল হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল, রিট খারিজ

নিজ দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে সংসদ সদস্য পদ শূন্য সংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের একক বেঞ্চ আজ রবিবার এ রায় দেন।

এর আগে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতার প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের প্রশ্নে রুল জারি করে করেন। আর কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের একক বেঞ্চে পাঠান। আজ আদালত ওই রিট আবেদনের উপর কোনো রুল জারি না করেই খারিজ করে দেন।
আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার লিভ টু আপিল শুনানি শেষ, কাল রায়

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আজকের লিভ টু আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ বিষয়টি ঘোষণা করেছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের (লিভ টু আপিল) ওপর শুনানি শেষ হয়েছে।

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিরতি দিয়ে শুনানি চলে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম, খালেদা জিয়ার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এ জে মোহাম্মদ আলী।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

১৪ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন রোববার (১৮ মার্চ) পর্যন্ত স্থগিত করেন। এরপর ১৫ মার্চ ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাদেম হত্যা মামলায় ৭ জেএমবি সদস্যের ফাঁসির আদেশ

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত জেএমবি সদস্যের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ছয়জনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে এ রায় দেন আদালত।

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের মধুপুরে চৈতার মোড়ে মাজারের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত খাদেমের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপকূলে পানির অভাবে হুমকির মুখে প্রাণ বৈচিত্র্য

গাজী আল ইমরান : উপকূল অঞ্চলে ধীরে ধীরে সঙ্কুচিত হচ্ছে গৃহপালিত গবাদি পশু গরু-ছাগল, মহিষ-ভেড়ার চারণ ভূমি। ঘনবসতির কারণে একদিকে কমছে কৃষি জমি, অন্যদিকে ভূমি খনন করে গড়ে উঠছে নতুন নতুন মাছের ঘের, মিষ্টি আঁধার গুলো ভরে যাচ্ছে লবন পানিতে। এতে একদিকে গবাদি পশুর বিচরণ ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে লবণ পানির আগ্রাসনে বিলুপ্ত হচ্ছে প্রাণ বৈচিত্র্য।
উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট এবং শ্রীফলকাঠি এলাকা ঘুরে এখানে বহু গবাদি পশুর বিচরণ দেখা যায়। কিন্তু তাদের শারিরিক গঠন তেমন ভালো নেই। কারণ তাদের নেই অবাধ চরণ ভূমি , খাঁ খাঁ রৌদ্রে নেই তৃষ্ণা মেটানোর ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে পান করছে খাল দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর লবনাক্ত পানি। যেটা গবাদি পশুর শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যার কারনে বিভিন্ন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে গবাদি পশু।
গবাদি পশু বাঁচাতে বহু আঁকুতি এখানকার স্থানীয় মানুষের। গবাদি পশুগুলি দেখভাল করার বিষয়গুলি লক্ষ করলে দেখাযায়, নিজের পরিবারের সদস্যদের মতই গবাদি পশুকে ভালোবেসে চলেছে তারা।
ধুমঘাট গ্রামটিতে লক্ষ করা যায়, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের সদস্যরা গরু ও ছাগল পালন করে লাভবান হচ্ছেন। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই একাধিক গরু-ছাগল-মহিষ রয়েছে। আর এসব গাভী থেকে পাওয়া দুধ বিক্রি করে অনেকের সংসার চলে। শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাটের বড় বড় বিলের জমি গরু-ছাগল পালনের উপযুক্ত বিচরণ ভূমি। এই বিলকে কেন্দ্র করে এসব অঞ্চলের কৃষকরা গরু-ছাগল পালনে আগ্রহী হন। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষকেরা চিংড়ি চাষের ওপর ঝুঁকে পড়ছে। এছাড়া মিষ্টি পানির আঁধার খালে লোনা পানি উত্তোলন করার ফলে গরু-ছাগল বিচরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। মানুষ যেনো তার নিজের ভোগের মহিমায় প্রাণ বৈচিত্র্যকে বিলুপ্ত করতে চাচ্ছে।
সমস্যা সমাধান বিষয়ে জানতে চাইলে এলাকার মুরব্বিরা জানান, আমাদের এলাকার গবাদি পশু পালনে সবচেয়ে বড় সমস্যা গবাদি পশুর জন্য কোনো মিষ্টি পানির ব্যবস্থা নেই । এ জন্য বিলের চার পাশে খালগুলো লোনা পানি মুক্ত করা খুব দরকার বলে মনে করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest