দুর্নীতি হয়রানি বন্ধে কঠোর পুলিশ প্রশাসন; দুর্নীতিবাজ ৬২০ কর্মকর্তার তালিকা

ব্যাপক সংস্কার পরিকল্পনা

* দুর্নীতিবাজ ৬২০ কর্মকর্তার তালিকা

* থানা পর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম

* অনলাইন ও সিসিটিভির নিয়ন্ত্রণে সব অফিস

দুর্নীতি ও মামলা নিয়ে হয়রানিসহ নানা কারণে ইমেজ সংকটে পড়া পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নানা স্থান থেকে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে তালিকা তৈরি করে সংস্কার পরিকল্পনা করছে পুলিশ সদর দফতর।

দুর্নীতিমুক্ত পুলিশ প্রশাসন গড়তে ইতিমধ্যে দুর্নীতিবাজ ৬২০ কর্মকর্তার নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এছাড়া সদর দফতরের কঠোর নজরদারিতে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পোস্টিং আনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে যানজট তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানেও ট্রাফিক পুলিশ দেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুলিশ বাহিনীতে সংস্কারের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা কার্যকর হলে নিয়োগ-পদোন্নতি-পোস্টিংয়ে অবৈধ অর্থ লেনদেন হবে না। টিএ বিল তুলতেও কনস্টেবলদের কোনো ঘুষ দিতে হবে না। থানা ঘিরে রাজনীতিবিদ, পুলিশ ও প্রভাবশালীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া হবে। এতে থানার সার্বিক পরিবেশ উন্নত হবে। মামলা নিয়ে কোনো পুলিশ সদস্য কাউকে হয়রানি করতে পারবে না। সারা দেশে দুর্নীতিবাজ ২০ এসপি, ১০০ ওসি এবং ৫০০ এসআইয়ের তালিকা প্রস্তুত করেছে পুলিশ সদর দফতর। বিদ্যমান পাবলিক হেয়ারিং বা ওপেন হাউস ডে কার্যকর করা হবে। পুলিশের সব অফিস থাকবে অনলাইন ও সিসিটিভির নিয়ন্ত্রণে। যাতে এসপি অফিসে বসে ওসিরা কী করছেন তা দেখতে পারেন। একইভাবে এসপি অফিসে কী হচ্ছে ডিআইজি অফিসে বসে তা দেখতে পারবেন। আবার ডিআইজি অফিসে কী হচ্ছে তা পুলিশ সদর দফতরে বসে দেখতে পারবেন পুলিশপ্রধান। সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য সাতজন কর্মকর্তার জন্য একজন করে কমান্ডিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হবে। এসব ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতর থেকে কিছু নির্দেশনা শিগগিরই সারা দেশের রেঞ্জ ডিআইজি ও এসপিদের কাছে পাঠানো হবে।

আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বুধবার দুপুরে বলেন, ‘আমি আইজিপি হিসেবে যোগ দিয়ে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছিলাম, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। কেউ অপরাধ করলে তাকে অপরাধী হিসেবেই দেখা হবে। সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। সদর দফতরের বিভিন্ন উইং প্রধানকে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছি।’ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করুন। আমি কোনো হস্তক্ষেপ করব না। কিন্তু কেউ যদি নিজের কাজ ভালোভাবে না করেন তবে অবশ্যই হস্তক্ষেপ করব।’ আইজিপি আরও বলেন, ‘পুলিশের সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন ইউনিট এ নিয়ে কাজ করছে। পুলিশের যেসব সমস্যা আছে সেসব চিহ্নিত করা হচ্ছে। এরপর কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পুলিশ সদর দফতরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশ প্রশাসনে সংস্কারের অংশ হিসেবে সাতজন কর্মকর্তার জন্য একজন করে কমান্ডিং অফিসার নিয়োগের চিন্তাভাবনা চলছে। একজন এসপি সর্বোচ্চ সাতজন অতিরিক্ত এসপিকে কমান্ড দিতে পারবেন। একইভাবে একজন ডিআইজি সর্বোচ্চ সাতজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে কমান্ড দিতে পারবেন। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, থানাগুলোতে পুলিশ, রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। ওই সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া হবে। পাশাপাশি রাজধানীসহ সারা দেশের থানাগুলোর পরিবেশ উন্নত করা হবে। যাতে মানুষ থানায় গিয়ে স্বস্তিবোধ করে।

সূত্র জানায়, থানাগুলোতে সাধারণত প্রতিদিন ৭-৮টি টহল দল কাজ করে। কিন্তু থানায় দুই বা তিনটির বেশি টহল গাড়ি নেই। এ ক্ষেত্রে ৫-৬টি গাড়ি ভাড়া বা রিকুইজিশন করতে হয়। জানা গেছে, পুলিশের যে কর্মকর্তা গাড়ি ভাড়া বা রিকুইজিশন করেন ওই কর্মকর্তাকেই গাড়ির তেল থেকে শুরু করে সব খরচ বহন করতে হয়। এখন প্রশ্ন হল- ওই কর্মকর্তা ওই টাকা পান কোথায়? তাই পুলিশ সদর দফতর পরিকল্পনা করছে, যাতে কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে সরকারি কাজে ব্যক্তিগতভাবে গাড়ি ভাড়া করতে না হয়।

সূত্র জানায়, আমলযোগ্য অপরাধে মামলা করতে কেউ থানায় এলে ওসি সেই মামলা নিতে বাধ্য। কিন্তু অনেক সময় সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়। শুধু মামলা করা নয়, তদন্তের আপডেট জানতে ও চার্জশিট দেয়া পর্যন্ত মানুষকে হয়রানি করা হয়। এসব হয়রানি দূর করতে ডিজিটাল মামলার কথা ভাবা হচ্ছে।

জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মনিরুজ্জামান বলেন, সারা দেশে থানাগুলোতে ব্যাপক সংস্কার আনার চিন্তাভাবনা চলছে। জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব পুলিশিং চালু করতে পুলিশ সদর দফতর থেকে অতীতে নানা ধরনের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এগুলো যাতে যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হয় সে বিষয়ে পুলিশ সদর দফতর এখন কঠোর অবস্থানে আছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কতিপয় দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই দুর্নীতি বন্ধ হবে না। এর জন্য সিস্টেমের পরিবর্তন করতে হবে।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সহেলী ফেরদৌস জানান, পুলিশের সংস্কারের জন্য মাঠ পর্যায়ে অনেক গণমুখী উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পুলিশ সদর দফতর থেকে সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলোতে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিগগিরই আরও কিছু নির্দেশনা দেয়া হবে।

পুলিশের এ সংস্কার উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সার্বিক বিষয়ে পুলিশের সংস্কার হওয়া উচিত। যারা বিধিমালা লংঘন করবে, অনৈতিক কাজে জড়াবে, অবৈধ লেনদেনে যুক্ত হবে তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সুশাসন মানেই আইনের শাসন। পুলিশের পক্ষ থেকে যেসব সংস্কার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেগুলো কার্যকর হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

সূত্র: যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে লণ্ডভণ্ড অবস্থা হয়েছে। রাজধানী ছাড়াও দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় গতকাল সকাল, দুপুর ও বিকালের দিকে কালবৈশাখী আঘাত হানে। এ সময় বজ্রপাত এবং শিলার আঘাত, বিদ্যুতের তার ছিড়ে ও টিনের চাল পড়ে রংপুর, দিনাজপুর, মাগুরা, পাবনা, যশোর, ভৈরব ও সিলেটে আটজন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন।

সাধারণত মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রঝড় হয়ে থাকে। বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন তার কয়েকটি উপায় জেনে নিন।

১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।

২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।

৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।

৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।

৭ বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ার নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

রাশিয়া নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র সারমাতের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। নতুন এ ক্ষেপণাস্ত্র স্যাটান-২ নামেও পরিচিত।

নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও। মন্ত্রণালয়ের টুইটে বলা হয়, প্লেসেটস্ক কসমোড্রোম ঘাঁটি থেকে এটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। সাবেক সোভিয়েত আমলের ভিওভোডা ক্ষেপণাস্ত্রের জায়গা নেবে সারমাত।

ক্ষেপণাস্ত্রটি ১০টি পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম বলে জানা গেছে। এটি ২০০ টন ওজনবিশিষ্ট এবং আগের ভার্সনের তুলনায় বেশিদূর অতিক্রম করতে পারে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণলয় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করেছে।

ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি উৎক্ষেপণের তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আগেভাগে জানানো হয়নি।

ভিডিওতে দেখা যায়, মাটির নিচ থেকে উঠে এসে ক্ষেপণাস্ত্রটি অল্প সময়ের জন্য বাতাসে ভেসে থাকে। এরপর একটি ধাক্কায় ঘন ধোঁয়ার মেঘ তৈরি করে এটি দ্রুত ছুটে যায়।

এটি সারমাতের দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। প্রথমবার এটি পরীক্ষা করা হয়েছিল গত বছরের শেষ দিকে।

রাশিয়া দাবি করছে, সারমাত যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্য বা ফ্রান্সের মতো দেশ সম্পূর্ণ ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, সারমাত ‘বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম’।

রাশিয়া দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি এমন সময় পরীক্ষা চালাল, যখন অন্যান্য দেশের সঙ্গে রাশিয়ার কূটনীতিক সম্পর্কের দারুণ অবনতি ঘটেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে আ’লীগের আঞ্চলিক কমিটির সভা

স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি পাওয়ায় প্রধান মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরতলীর কুখরালি আমতলা ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আঞ্চলিক কমিটির আয়োজনে আঞ্চলিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভার সভাপতিত্ব করেন ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রবিন সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সাঈদ। বিষেশ অতিথি ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাফিনুর আলী, সহ-সভাপতি আনসার আলী, সদস্য আঃ মজিদ। ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুর মনোয়ার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, আদম আলি, আবুল হোসেন, মুজিত, কালাম, শহিদুল, মুসা আলম, গফফার, রবিউল, ডাঃ কবির, আঃ মাজেদ, সিদ্দিক, মন্টু মিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি পাওয়ায় অভিনন্দ জানিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখার জন্য প্রধান মন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘোনায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আয়োজনে ০৪ নং ঘোনা ইউনিয়নের বিজিবি ক্যাম্পের পাশে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ। আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, নির্বাহী সদস্য ডা. মুনছুর আহমেদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎন্সা আরা, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান। আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম রেজা। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিন আলম সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলে রাব্বি শাওন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়-ডাঃ রুহুল হক এমপি

নলতা প্রতিবেদক: গ্রামের ঝরে পড়া অশিক্ষিত, অসহায়, নারী-পুরুষ বিধবাদের আর্থিক অভাব দুর করতে হলে নতুন নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা গরীব অসহায় মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ইতো মধ্যে ১০টাকা কেজি চাল দিয়ে যাচ্ছে। সে সুবিধা আপনারা ভোগ করছেন। ন্যাশনাল সার্ভিস, ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, প্রতিবন্দ্বী ভাতা সহ গ্রামের কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে সার, বীজ বিতরণ, ভিক্ষুকদের পুনঃবাসনের জন্য গৃহ নির্মান, আপনাদের সন্তানদের লেখা পড়ার জন্য বিনা মুল্যে বই প্রদান, মুক্তিযোদ্ধাদের গৃহ নির্মান, ভাতা বৃদ্ধি সহ নানা বিষয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আপনাদের ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া শিখিয়ে শিক্ষিত করে তুলুন, তাদের চাকুরীর মাধ্যমে আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটবে। আমার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভাট, স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ সহ ব্যাপক কাজ করা হয়েছে। আপনাদের স্বাস্থ্য সেবার জন্য আমি কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেকে ৫০শর্য্যায় উন্নীত সহ চাম্পাফুল ১০ শর্য্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল তৈরী করে দিয়েছি। আপনাদের যাতে ঢাকা খুলনা না দৌড়াতে হয় সে জন্য সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজ এবং নলতায় নার্সিং ইন্সিটিটিউট নির্মান করে দিয়েছি। আগামীতে এর সুফল আপনারাই ভোগ করবেন। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়, সারের জন্য কৃষক গুলিতে মরে না। তাই আওয়ামীলীগের অগ্রযাত্রা বজায় রাখতে হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে হবে। বাংলাদেশ এখন আর তলা বিহীন ঝুড়ি না। আপনারা জানেন অতিসম্প্রতি বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে তার ধারাবাহিক উন্নয়ন বহাল রাখতে হবে। আমি মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হয়ে আপনাদের সেবক হতে চাই আপনারাই আমার মুল শক্তি, আপনাদের মুল্যবান ভোটে আমি আজ সংসদে কথা বলার সুযোগ পাই। তাই আবারও আপনারা নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে সহযাগীতা করবেন। শুক্রবার সকাল ১০টায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কালিগঞ্জ উপজেলার আয়োজনে নলতায় সাবেক স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকের বাসভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগীতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় রুরাল এমপ্লয়মেন্ট এন্ড রোড মেইনটেনেন্স প্রোগ্রাম-২ প্রকল্পের ২য় পর্যায়ে সমাপ্তকৃত নলতা, ভাড়াশিমলা, তারালী এবং চাম্পাফুল ইউনিয়নের ৮০জন মহিলা কর্মী গণের মাঝে ৩০ লক্ষ টাকার চেক ও সনদ পত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও প্রাক্তন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এই কথা গুলো বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহাবুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ডাঃ রুহুল হকের সহ ধর্মিনী ইলা হক, তারালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এনামুল হোসেন ছোট, নলতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্য আসাদুর রহমান সেলিম প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট আদায়কালে ভূয়া কাস্টমস অফিসার আটক

মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনির কুল্যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট আদায় কালে কাস্টম অফিসার পরিচয়ে এক প্রতারক আটক হয়েছে। কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় বাজার ব্যবসায়ীরা কাস্টম অফিসার পরিচয় দানকারি সাতক্ষীরা সদরের বাটকেখালী গ্রামের মৃত: নূরালী গাজীর পুত্র প্রতারক তবিবুর রহমানকে আটক করে আশাশুনি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে ইউনিয়নের মহিষাডাংগা বাজারে। সরেজমিন ঘুরে ও প্রতারনার স্বিকার বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, গত বুধবার তবিবুর রহমান তাদের বাজারে এসে নিজেকে জেলা ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে দোকান প্রতি ৭ হাজার টাকার একটি করে ভ্যাট আদাইয়ের রশিদ দিয়ে বলেন টাকা দিতে ব্যার্থ হলে তাদের নামে মামলা দেওয়া হবে। ঐদিনে প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যান এবং বলে যান তিনি শুক্রবারে আসবেন বাকি টাকা নিতে। বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীরা খোজ খবর নিয়ে জানতে পারেন উনি কোন ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তা নয়। তারপর শুক্রবারে সে আসলেই আমরা সবাই তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেই। বাজার কমিটির সভাপতি জানান, প্রতারক তবিবুর রহমান মহিষাডাংগা বাজার ছাড়াও তালা উপজেলার দোলুয়া, নলীনি ও সোনাবাধান বাজারের প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ী নিকট হতে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলাম জানান, বাজার ব্যবসায়ীরা ঘটনাটি আমাকে জানালে আমি তাদেরকে পুনরায় আসলে আটকে রেখে আমাকে খবর দেয়ার কথা বলি। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খবর নিয়ে জানাগেছে, তবিবুর রহমান বরগুনা জেলা কাস্টমস অফিসের কাস্টসম কর্মকর্তার গ্রাইভার । তবে সে ব্যাবসায়ীদের সাথে ভ্যাট কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারনা করেছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিলো বলে থানা সূত্রে জানাগেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলার মুখ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্বোধন

‘বাংলার মুখ’ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ মার্চ) বিকাল ৫টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে ‘বাঙালি সাংস্কৃতির বিকাশই আমাদের লক্ষ্য’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোসনা করেন বাংলার মুখ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম বাশার।
অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক শেখ শাহ্ আলম বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলার মুখ সাতক্ষীরা জেলা শাখার পৃষ্ঠপোষক মো: নজরুল ইসলাম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন, বাংলার মুখ কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক সনজীব দাশ অপু, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাংলার মুখ জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান বাবু, বাংলার মুখ কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান মুন, বাংলার মুখ কেন্দ্রীয় সংসদের অর্থ সম্পাদক টি.এম. আজিবর রহমান মোহন, বাংলার মুখ সাতক্ষীরা জেলা শাখার পৃষ্ঠপোষক সাঈদ মেহেদী প্রমূখ। উল্লেখ্য, আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest