মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় কলারোয়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

জাহাঙ্গীর আলম লিটন কলারোয়া,প্রতিনিধিঃ-মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর সেনানী ও শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত করতে কলারোয়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
স্বাধীনতার ৪৭তম বছরে কলারোয়া উপজেলাব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানান কর্মসূচিতে পালিত হয় জাতীয় দিবসটি। উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক দলগুলো দিবসটি পালন করে।

২৬মার্চ প্রত্যুষে কলারোয়া ফুটবল মাঠে সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘স্বাধীনতা’র পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, কলারোয়া প্রেসক্লাব, আ.লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তারা। এসময় ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় শহীদ বেদি।
সেখানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

পরে শহীদ ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ, কবর জিয়ারত করা হয়।

সকাল ৮টায় কলারোয়া ফুটবল মাঠে আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

এরপর সেখানে বিভিন্ন শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কুচকাওয়াজ, শরীরচর্চা প্রদর্শনী ও শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া অনুষ্ঠান, এবং মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধানা আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ‘মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
অনুষ্ঠানে যুদ্ধকালীন কমান্ডার মোসলেম উদ্দীন ও আব্দুল গফফার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ বক্তব্য রাখেন।
এসময় উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন।
সেখানে ওসি বিপ্লব দেব নাথের সৌজন্যে মুক্তিযোদ্ধাদের টি-শার্ট ও ক্যাপ প্রদান কর হয়।

বিকেলে ফুটবল মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও সুধিজন একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ও সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকালে থানা কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলরকে মাইক সেট উপহার দেন ওসি বিপ্লব দেব নাথ।

এদিকে, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে অনরূপভাবে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনও নানান কর্মসূচিতে দিবসটি পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যুবলীগের দু’গ্রুপের সংষর্ঘে আ. লীগের স্বাধীনতা দিবসের সভা রণক্ষেত্র, মুনসুর আহমদসহ আহত ৯

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় আওয়ামীলীগের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় যুবলীগের ২পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনার পরপরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাতক্ষীরা সদর থানা ঘেরাও করে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এ ঘটনায় শহর ব্যাপী টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় নিউমার্কেট এলাকায় শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে পৌর আওয়ামীলীগ আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের আলোচনাসভায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবিহা হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান, জেলা যুবলীগের সদস্য মীর মহিতুল আলম, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, জেলা তাতী লীগের সভাপতি মীর শাহিন, যুবলীগ নেতা বাবু ও ছাত্রলীগ নেতা তৌকিরসহ ৮ জন।
পৌর যুবলীগের একাংশের আহবায়ক আব্দুল কাদের জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিকালে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট সংলগ্ন আলাউদ্দিন চত্বরে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদাক শাহাদাৎ হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা চলছিল। এ সময় জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি মিছিল সেখানে উপস্থিত হয়। সভাস্থলে পৌছে মান্নান ষ্টেজে উঠে মাইক কেড়ে নিয়ে বলে আজ থেকে খেলা শুরু। আমার বিরুদ্ধে যারা মিছিল মিটিং করছে, তাদেরকে এখন খেলা দেখাবো। এতে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও তাতী লীগের সভাপতি প্রতিবাদ করলে মান্নানের নেতৃত্বে মঞ্চে থাকা অতিথিদের উপর হামলা চালানো হয়। হামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমানসহ কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা জানান, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ মিছিল নিয়ে নিউ মার্কেট এলাকার কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার প্রাক্কালে মান্নান, তুহিন ও মনোয়ার হোসেন অনুর নেতৃত্বে লোহার রড, হকিস্টিক, রাম দা নিয়ে তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে তাদের কয়েকজন সদস্য আহত হয়। আহতদের মধ্যে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান ও তৌকিরের অবস্থা আশংকাজনক।
এদিকে জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আলোচনা সভায় আমি বক্তব্য রাখছিলাম। তখন সদর এমপি সাহেবের ভাই যুবলীগের সদস্য মীর মহিতুল আলম মঞ্চের নিচে হট্টগোল করতে থাকে। তখন আমার নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে মহিতুল আলম আমাকে চেয়ার ছুটে মারে। পরে তারা লোহার রড, হকিস্টিক, রামসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার নেতাকর্মীর উপর হামলা করে। এঘটনায় পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মিলন হোসেন, লাবসা যুবলীগের সভাপতি আফতাবুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ইয়াসিনসহ ৮জন আহত হয়। আহতদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মিলন হোসেনের অবস্থা আশংকাজনক।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, আওয়ামী লীগের কর্মসূচির ব্যাপারে আমাদের আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি চলছিল তখন জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি মিছিল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন দুই গ্রুপের হাতাহাতি হয়। ঘটনা শুনে পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য, এমপি সমর্থিত যুবলীগের মহি গ্রুপ পৌর যুবলীগের একটি কাউন্টার কমিটি ঘোষণা করে। এতে করে জেলা যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীন, ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, সাংগঠনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সৈয়দ আলী গাজী, উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, কলারোয়া সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবু নসর, কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরাইয়া ইয়াসমিন রত্ন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি এস এম জাকির হোসেন, আরিফুল হক চৌধুরী, তাজউদ্দীন আহমদ রিপন, মোজাহিদুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা মহসিন আলী, বিআরডিবি কর্মকর্তা সন্দীপ রায়, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আতিকুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, এলজিইডি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৬৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৪২ টি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অদ্ভুত বিয়ের প্রস্তাব পেলেন তাপসী পান্নু!

ভক্তের কাছ থেকে অদ্ভুত এক বিয়ের প্রস্তাব পেলেন তাপসী পান্নু। প্রস্তাবটা এসেছে ই-মেইলে।

৩০ বছর বয়সী অভিনেত্রীকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার জন্য ভক্ত লিখেছেন, ‘তাপসী, আই লাভ ইউ। তুমি কি আমাকে সারা জীবনের জন্য বিয়ে করবে? আমি ভার্জিন, মদ্যপান করি না, ভেজিটারিয়ান। মিথ্যা শনাক্তকরণ টেস্ট, নার্কো টেস্ট, এমনকি মস্তিষ্কের পরীক্ষা দিতেও রাজি আমি।’

এমন মেইল পেয়ে ভীষণ আপ্লুত ‘পিংক’ অভিনেত্রী। মেইলের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটা প্রকাশ করলেন নিজের টুইটারে। অবশ্য প্রেরকের নাম মুছে দিয়েছেন কালো কালিতে।

ক্যাপশনে লেখেন, ‘ব্যস, জীবনে আর কী চাই!’ হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন দুটি—‘বেস্ট প্রপোজাল এভার’ ও ‘ভেজিটারিয়ান লাভ’।

তাপসীর টুইটের মন্তব্যের ঘরে চলছে ভক্তদের লড়াই। সবার একই প্রশ্ন, কালো কালিতে মুছে দেওয়া নামটা কার? একজন নাম আবিষ্কার করলেন—রবীন্দ্র শর্মা।

আরেকজন রসিকতা করে লিখেছেন, ‘নিশ্চয়ই লোকটা ফ্রি মেডিক্যাল টেস্ট করিয়ে নিতে চায়।’

অবশ্য কয়েকজন সন্দেহ প্রকাশ করছেন এই মেইল নিয়ে। তাঁদের বক্তব্য, প্রচার পাওয়ার জন্য ভুয়া মেইল পোস্ট করেছেন তাপসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদত্যাগ করছেন অং সান সু চি!

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি যেকোনো মুহূর্তে অবসরে যেতে পারেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। দলটির কার্য নির্বাহী কমিটির এক বৈঠকে সু চি সম্ভব হলে নিজেকে সরিয়ে নিতে চান বলে জানানোর পর এ গুঞ্জন আরো জোরালো হয়েছে।

তবে রোববার এনএলডি’র এক মুখপাত্র সু চির পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। মুখপাত্র ইউ মিও নিউন্ত বলেছেন, ‘খবর বেরিয়েছে যে অং সান সু চি অবসরে যাবেন। আমি বললাম, না। তবে দলের কর্মীরা যদি কঠোর পরিশ্রম করেন, তবেই তিনি অবসরে যাবেন। এটা তিনি (সু চি) সব সময়ই বলেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি শিগগিরই অবসরে যাবেন।’

এর আগে শনিবার দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এনএলডি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) সদস্যদের এক বৈঠকে সু চি বলেন, সম্ভব হলে তিনি পদত্যাগ করতে চান। এনএলডি প্রধান সু চির এ মন্তব্যের পর দেশটির গণমাধ্যমে তার পদত্যাগের ব্যাপারে খবর প্রকাশিত হয়।

এনএলডি’র মুখপাত্র ইউ মিও নিউন্ত শনিবারের ওই বৈঠকের ব্যাপারে বলেন, ‘নেইপিদোতে যে বৈঠক হয়েছে সেটি ছিল শুধুমাত্র সামাজিক সমাবেশ। বৈঠকে রাজনৈতিক কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘এটি ছিল অনিয়মিত একটি আলোচনা। সিইসির সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘসময় ধরে এ বৈঠক হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করায় ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ উইন মিন্ত দেশের শীর্ষ এ পদের দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা কার্যনির্বাহী কমিটির পুরনো এবং নতুন সদস্যদের সঙ্গে সামাজিক আড্ডা দিয়েছি।’

এনএলডির এই মুখপাত্র বলেন, ২০০৮ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটির সংবিধানে সংশোধনী আনে। এতে সরকারি কর্মকর্তারা দলীয় রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বলে বিধান করা হয়। যে কারণে সামাজিক সমাবেশ অবৈধ নয়।

এনএলডির সংসদ সদস্য ইউ ন্যা মিও তুন বলেন, ‘ধৈর্য এবং প্রভাব বিবেচনায় অবশ্যই তিনি (সু চি) দেশের প্রধান থাকবেন। তার (বয়স এবং কাজের চাপ বিবেচনায়) প্রতি আমাদের সহানুভূতি নেই; বিষয়টি তেমন নয়। তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এতে দ্বিমত করবেন না।’

দলটির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তিনি বলেছেন তার বয়স বেড়েছে। কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমে উৎসাহ দিতেই তিনি অবসরে যেতে চান বলে জানিয়েছেন।’

গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া সফর করেন মিয়ানমারের এ নেত্রী। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় পরিশ্রান্ত-ক্লান্ত দেখা যায় ৭৩ বছর বয়সী সু চিকে। এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইউ উইন হতেইন সু চির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন। ইউ উইন হতেইন বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অধিকাংশ সময়ই বিছানায় কাটিয়েছেন সু চি।

এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটির এ সদস্য বলেন, দীর্ঘ বিমান ভ্রমণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন সু চি। এসময় তার সঙ্গে কথা বলা থেকেও বিরত থাকা হয়। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ও একটি বৈঠকে বক্তৃতা দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদিতে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেন। ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের আগ্রাসনের তৃতীয় বর্ষপূর্তির দিন রোববার চালানো ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মিসরীয় এক নাগরিক নিহত ও আরো দু’জন আহত হয়েছেন।

সৌদি সেনাবাহিনী বলছে, রোববার ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের ছোড়া সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস অ্যাজেন্সি বলছে, সাতটি ক্ষেপণাস্ত্রই সফলভাবে ভূপাতিত করার পর ধ্বংস করা হয়েছে।

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল মালকি বলেছেন, ‘রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসছিল তিনটি প্রজেক্টাইল ক্ষেপণাস্ত্র। এছাড়া আসির প্রদেশের খামিস মুশাইতের দিকে একটি, নাজরান প্রদেশের দিকে একটি ও জিজান প্রদেশের দিকে দুটি।’

ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার সময় গুলির বিভিন্ন অংশ শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। আল মালকি বলছেন, কাছের একটি আবাসিক এলাকার ওপর উড়তে থাকা একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার সময় মিসরীয় এক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার সময় বিভিন্ন স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি ওই মুখপাত্র।

সৌদির এই মুখপাত্র বলেন, এই আগ্রাসন ও হুথি বিদ্রোহীদের বিক্ষিপ্ত হামলা প্রমাণ করেছে যে, ইরানি শাসকগোষ্ঠী হুথিদের অস্ত্র দিয়ে সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। ইয়েমেনের এই হামলা সৌদি আরবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব জেলা-উপজেলায় হবে স্মৃতিসৌধ

মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করবে সরকার। এজন্য ‘জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ প্রকল্প’ হাতে নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের সময় আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। একুশে ফেব্রুয়ারিতে জেলায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করি। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আমরা জেলা-উপজেলায় আলাদা একটি স্মৃতিস্তম্ভ করব। যাতে সেখানে সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে’।

জেলা-উপজেলায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান আছে বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে একগুচ্ছ প্রকল্প : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ১৭৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের আওতায় একই নকশায় সারাদেশে ৩৬০টি স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় দরপত্র কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

এ ছাড়া ১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মিত্রবাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় দরপত্র আহ্বান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আরেকটি প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৩৪২টি স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ মেরামত ও পুনর্নিমাণ করা হবে।

নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে ৪৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানে ভাষণের স্থান এবং ইন্দিরা মঞ্চ চিহ্নিত করে ম্যুরালসহ সীমানা দেয়াল নির্মাণ এবং শিশু পার্কে নতুন রাইডস স্থাপনে ২৬৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

‘ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ-৩য় পর্যায়’ প্রকল্পটি গত ৯ জানুয়ারি একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে। শিগগিরই প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হবে।

এ ছাড়া ৪৫৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক সৃষ্ট বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পটিও অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এর মাধ্যমে ২৮১টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ করা হবে।

‘মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প’, স্বাধীনতা ও ‘বিভাগীয় পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্প’ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

‘মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্যানোরমা নির্মাণ প্রকল্প’, মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের স্মৃতি রেকর্ড করে রাখতে ‘বীরের কণ্ঠে বীরগাঁথা কর্মসূচি’ ও ‘ঢাকায় একটি ঘৃণাস্তম্ভ ও টর্চারসেল নির্মাণ কর্মসূচি’ হাতে নেয়া হচ্ছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কিছু প্রকল্প : দুই হাজার ২৭৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রতি জেলা/উপজেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৯৮২ বর্গফুটের ৮ হাজার ফ্ল্যাট হবে।

এ ছাড়া ‘মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়ন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প’ হাতে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। প্রথম পর্যায়ে ২০ হাজার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল একই নকশায় সংরক্ষণ করা হবে। প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

একই সঙ্গে সারাদেশে হাট-বাজারের ইজারা থেকে পাওয়া ৪ শতাংশ অর্থ দিয়ে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে সব মুক্তিযোদ্ধা এই সেবা পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা মোবাইলে পরিশোধের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে সব মুক্তিযোদ্ধা মোবাইলের মাধ্যমে ভাতা পাবেন। তাদের আর উপজেলায় ব্যাংকে গিয়ে ভাতা নিতে হবে না বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলির ব্যাটে ইংল্যান্ডের কাছে হারল ভারত!

ভারতের চলমান ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। তবে হার নিয়ে যতটা না উত্তাপ ছড়াচ্ছে তার চেয়ে বেশি আলোচনায় ম্যাচে ড্যানিয়েল ওয়েটের সেঞ্চুরি। কারণ তিনি যে ব্যাট দিয়ে এদিন ভারতীয় বোলারদের চড়াও হন, সেই ব্যাটটি ইংলিশ ক্রিকেটারকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

২০১৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের কথা। ভারতীয় ব্যাটিং সেনসেশন বিরাট কোহলির দুরন্ত ব্যাটিং দেখে তার এতটাই অনুরাগী হয়ে ওঠেন যে, তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ড্যানিয়েল ওয়েটে। ওই বছরেরই শেষের দিকে ড্যানিয়েলকে একটি ব্যাট উপহার দিয়েছিলেন কোহলি।

ভারতের আসার আগে এক সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েল জানিয়েছিলেন, ত্রিদেশীয় সিরিজে তিনি কোহলির দেওয়া সেই ব্যাট নিয়েই নামবেন। তিনি বলেন, যে ব্যাটে তিনি সেঞ্চুরি করেছিলেন, তা ভেঙে গেছে কিছুদিন আগে। তাই এখন তিনি কোহলির দেওয়া ব্যাটে খেলবেন।

রবিবার মুম্বাইয়ে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হিদার নাইট। দুই ওপেনার মিতালি রাজ এবং স্মৃতি মান্ধানার দাপটে ভাল শুরু করে ভারত। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন স্মৃতি। ভারতীয় হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম অর্ধ শতরানের রেকর্ডও গড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৭৬ রান করেন স্মৃতি মান্ধানা। এছাড়া মিতালি রাজের ৫৩ এবং হরমনপ্রীতের ৩০ রানের ওপর ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান তোলে ভারত।

১৯৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বড় কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি ইংলিশদের। আর তার কারণ ওই কোহলির ব্যাট। ওপেনার ড্যানিয়েল ওয়েট কোহলির ব্যাট দিয়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ৬৪ বলে তুলে নেন ১২৪ রান। ফলে ১০ বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest