সর্বশেষ সংবাদ-
সদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরা সদরে ৫ হাজার ৭শ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণসাতক্ষীরা শহর থেকে তরুণ চিকিৎসক ও নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধারঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার ইফতার

সাতক্ষীরা সীমান্তে দুই কেজি সোনাসহ পাচারকারি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতে পাচারকালে সাতক্ষীরা সীমান্তের বাদামতলা নামকস্থান থেকে দুই কেজি ওজনের সোনার বারসহ এক চোরাচালানিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে ভোমরাগামি একটি ইঞ্জিন ভ্যানে যাত্রী হিসাবে প্যাকেটে রেখে ওই সোনা পাচার করা হচ্ছিল।
আটক চোরকারবারি সাতক্ষীরা সদরের ভাড়–খালি গ্রামের গোলাম সরোয়ারের ছেলে আজিজ হাসান।
বিজিবির ভোমরা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার শফিয়ার রহমান জানান গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা বৃহষ্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে সাতক্ষীরা- ভোমরা সড়কের বাদামতলা এলাকায় অবস্থান নেয়।
ইঞ্জিন ভ্যানটি মাহমুদপুর বাদামতলার মাঝামাঝি স্থানে এলে চ্যালেঞ্জ করলে। ভ্যান চালক লাফিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ভ্যানে থাকা যাত্রীকে চ্যালেঞ্জ করলে তার কাছে থাকা প্যাকেটে ওই সোনার বার পাওয়া যায়’।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্ণেল সরকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রাথমিক ওজনে দুই কেজি ১৬৬ গ্রাম সোনা পাওয়া গেছে। পরে জুয়েলারি দোকানে নিয়ে এর সঠিক ওজন জানা যাবে। এর দাম এক কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে বিজিবি’র পক্ষ খেকে থানায় মামলা করা হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্ঘটনা রোধে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্ঘটনা রোধে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে পুলিশের গাড়ির হেড লাইটের উপরের অংশে কালো কালির প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ের সামনে পুলিশের কয়েটি গাড়ির হেড লাইটে কালো কালির প্রলেপ দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান।
এসময় পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, রাতের বেলায় গাড়ীর হেড লাইটের আপার ডিপারের কারণে আলোর ঝলকানি অন্য ড্রাইভারের চোখে লেগে দুর্ঘটনায় প্রতিত হয়। এই দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে এবং জনগনের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে জেলা পুলিশের গাড়িতে কালো প্রলোপ দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যাক্রমে জেলার সকল মোটর সাইসেল এবং সকল ধরনের যানবনের হেড লাইটে এই কালো কালির প্রলেপ দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, জেলার মটর সাইকেলসহ অন্যান্য সব ধরনের যানবাহন ব্যবহার কারিদেরকে বলার আগেই পুলিশের গাড়ির হেড লাইটের উপরের অংশে কালো কালির প্রলেপ দেওয়া শুরু করা হয়েছে যাতে তা দেখে অন্যরা সচেতন হয়। এতে চালকরা নিজেদের উদ্যোগে তাদের স্ব-স্ব যানবাহনের হেড লাইটের উপরের অংশে কালো কালির প্রলেপ দিয়ে নিবে। এজন্য কারোর উপর কোন ধরনের প্রেসার দেয়ার প্রয়োজন পড়বে না বলে আমি আশা করি। তিনি দুর্ঘটনা রোধে এব্যপারে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আরিফুল হক, সহকারি পুলিশ সুপার সদর মোঃ হুমায়ুন কবির, বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাড়ি উদ্ধারের দাবিতে কলেজ শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী কর্তৃক অবৈধভাবে বাড়ি দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির করার প্রতিবাদ জানিয়ে এর প্রতিকার দাবি করেছেন সাবেক স্বামী। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সাতক্ষীরার শহরের রসুলপুর এলাকার মৃত বনি ইসরাইল সরদারের ছেলে মোঃ জাহির উদ্দীন সরদার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা গ্রামের মৃত মোসলেম আলী সরদারের মেয়ে নুরুন নাহারের সাথে তার বিয়ে হয়। আমাদের ১৫ বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। গত ৩/৪ বছর ধরে স্ত্রীর ভাই মোশারফ হোসেন ও বোন শামছুন নাহারের কু-পরামর্শে আমার নিজের বাড়িটি স্ত্রীর নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। কিন্তু আমি বাড়ি লিখে দিতে অস্বীকার করায় সংসারে প্রায়ই অশান্তি বিরাজ করত। তাছাড়া বাড়িতে স্ত্রীর ভাই বোনদের অতিরিক্ত আসা-যাওয়া অশান্তি আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় ৩/৪ বছর ধরে আমি আলাদা ঘরে থাকি। এ অবস্থা চলাকালে আমার বৃদ্ধ মাতা শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। আমার স্ত্রী তাকে দেখাশুনা করতে অস্বীকার করায় বাধ্য হয়ে মা’কে বড় ভাইয়ের বাড়িতে রেখে সেবা করতাম। গত ২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল শয্যাশযী বৃদ্ধা মায়ের পথ্য খাওয়ানো অবস্থায় বেলা ৩টার দিকে আমার স্ত্রী একজন পুলিশ অফিসারকে নিয়ে সেখান থেকে আমাকে তুলে নিয়ে আসে। থানায় এসে জানতে পারলাম আমার নামে নারী নির্যাতন মামলা হয়েছে। প্রায় এক মাসের বেশী সময় কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেয়ে বাড়িতে গেলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (স্ত্রীর ভাবী) আকতারী বেগমের নির্দেশে আমার স্ত্রী, তার ভাই মোশারফ হোসেন, মকবুল হোসেন, কালু, মোজাফফার এবং বোন শামছুন নাহার আমাকে বাধা দেয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত আমি নিজ বাড়িতে ঢুকতে পারিনি। পরিবারের লোকদের নিয়ে বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করলে স্ত্রীর বড়ভাবী আকতারী বেগমের ও মিথ্যে মামলার ভয় দেখানো হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে ঘর সংসার করার জন্য ২০১৭ সালের ২০ মে সদর থানার ওসি, ৫ জুন জেলা প্রশাসক, ৬ জুন পুলিশ সুপার ও সম্পাদক নিজ অধিকার বরবার আবেদন করি। কিন্তু এরপরও স্ত্রী নুরুন নাহার আমার সাথে ঘর সংসার করতে অস্বীকার করায় বাধ্য হয়ে ২০১৭ সালের ১৮ অক্টোবর ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক প্রদান করি। তালাকের পর তাকে বাড়ি ছাড়তে বলি। কিন্তু বড় ভাবী কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আকতারী বেগমের ক্ষমতার দাপটে তালাক প্রাপ্তা স্ত্রী আমার বাড়ি ছাড়ছে না। একপর্যায়ে গত ৩ মার্চ বিকাল ৫টায় আমার বোনদের নিয়ে বাড়িতে যাই। কিন্তু রাত ৯টার সময় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ফোর্স পাঠিয়ে আমাদের নামিয়ে দেন।
তিনি তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর কাছ থেকে বাড়ি উদ্ধার ও মিথ্যে মামলা থেকে রেহায় পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে যুবলীগের ০৯ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন

শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে যুবলীগের ০৯ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন

প্রতিবেদক নিজস্ব : বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ শ্যামনগর উপজেলার ০২ নং কাশিমাড়ী ইউনিয়ন শাখার ০৯ নং ওয়ার্ডের (গোদাড়া) কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কাশিমাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি স.ম রেজাউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন আলম পাড় সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আলমগীর হোসেন কে সভাপতি ও মোঃ আব্দুস সামাদ গাজী কে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী তিন বছরের জন্য ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিবাহ-বহির্ভূত প্রেম, নির্যাতনে অভিযুক্ত ক্রিকেটার শামি

তিন ফর্ম্যাটেই ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য, ফাস্ট বোলার মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে অজস্র মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রাখার এবং বাড়িতে নির্যাতন চালানোর মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন তার স্ত্রী হাসিন জাহান।

নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এই অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে মহম্মদ শামির সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন মেয়ের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ও তাদের ছবিও প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছেন।

ভারতের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে হাসিন জাহান আরও জানিয়েছেন, তার ওপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার এখন এই পর্যায়ে পৌঁছেছে যে স্বামীর বিরুদ্ধে আইনি রাস্তা নেওয়া ছাড়া তার আর কোনও উপায় নেই।

এদিকে এই মুহুর্তে ইন্ডিয়া-এ দলের হয়ে দেওধর ট্রফি খেলতে ব্যস্ত মহম্মদ শামিও বুধবার সকালে ফেসবুকে সংক্ষিপ্ত পোস্ট দিয়ে দাবি করেছেন তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে সব খবর রটানো হচ্ছে তা সর্বেব মিথ্যা।

এগুলো তার ‘চরিত্র হনন করার ষড়যন্ত্র’ এবং তার ‘খেলা খারাপ করার অপচেষ্টা’ বলেও দাবি করেছেন মহম্মদ শামি।

তবে হাসিন জাহান অবশ্য তার অভিযোগ থেকে পিছু হঠবেন, এখনও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং তিনি জানাচ্ছেন, ভারতের সদ্যসমাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পরও দেশে ফিরে মহম্মদ শামি তাকে মারধর করেছেন।

“ওর পরিবারের সবাই আমাকে নির্যাতন করত। শামির মা ও ভাই-ও আমার ওপর অত্যাচার চালাত, আর সেটা চলত রাত দুটো-তিনটে পর্যন্ত। ওরা আমাকে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল”, বলেছেন হাসিন জাহান।

পাশাপাশি যে সব মেয়ের সঙ্গে শামি সম্পর্ক রাখেন বলে তিনি দাবি করেছেন, তাদের অনেকের ছবি ও ফোন নম্বর পর্যন্ত তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে ফাঁস করে দিয়েছেন।

সঙ্গে দিয়েছেন ফেসবুক মেসেঞ্জার বা হোয়াটসঅ্যাপে তাদের সঙ্গে শামির একান্ত গোপনীয় কথাবার্তার স্ক্রিনশট।

হাসিন জাহান দাবি করেছেন, পাঁচ বছর আগে ২০১৩-র এপ্রিলে মহম্মদ শামির সঙ্গে যখন তার বিয়ে হয়, সে মাসেই তিনি স্বামীর এসব অবৈধ সম্পর্কের কথা জানেত পারেন।

কিন্তু এতদিন ধরে বুঝিয়ে-সুঝিয়েও তাকে সঠিক রাস্তায় ফেরানো সম্ভব হয়নি। বরং তার ওপর অত্যাচারের মাত্রা ও শাসানি ক্রমেই বেড়েছে বলে হাসিন জাহান দাবি করেছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফেরার পথে দুবাইতে যাত্রাবিরতি নিয়ে ও পাঁচতারা হোটেল বুক করে শামি মেয়েদের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন, এ কথা জানার পরই তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় বলে তিনি জানান।

এর আগে ২০১৬র ডিসেম্বরে এই মহম্মদ শামির স্ত্রীর পোশাক নিয়ে ফেসবুক ও টুইটারে কিছু লোক বিরূপ মন্তব্য করার পর তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের সমালোচনা করেছিলেন।

তখন মহম্মদ কাইফের মতো সাবেক বহু ক্রিকেটারও শামির সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন।

উত্তরপ্রদেশের আমরোহার ছেলে মহম্মদ শামি গত বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলার হয়ে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন, সেই সুবাদে তিনি সপরিবারে কলকাতাতেই থাকেন।

এর আগেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দুনিয়ায় বহু তারকার বিরুদ্ধেই বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রাখার অভিযোগ উঠেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নারী দিবসে জাতীয় মহিলা সংস্থার আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘সময় এখন নারীর উন্নয়নে তারা বদলে যাচ্ছে গ্রাম শহরে কর্মজীবন ধারা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার চেয়ারম্যান মমতাজুননাহার ঝর্ণার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিন। আলোচনা সভা শেষে নারী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য মিসেস সাহানা মহিদ বুলু। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার কর্মকর্তা মো. আনছার আলী ও মোকছেদ আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে সরকারের প্রশাসনে ৯ নারী সচিব

প্রশাসনে সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদায় কাজ করছেন মোট ৭৭ জন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে সচিব পদমর্যাদায় নারী কর্মকর্তার সংখ্যা ৯ জন। তারা বলেছেন, ‘দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিশ্বাস ও যোগ্যতার মাধ্যমে আস্থা রাখতে পেরেছি বলেই সরকার আমাদের এই পদে নিয়োগ দিয়েছে। আমরা সেই আস্থা রেখেই দায়িত্ব পালন করছি।’

দেশের সচিব ও সচিব পদমর্যাদায় থাকা নারীরা হলেন নাসিমা বেগম, ড. নমিতা হালদার, আকতারী মমতাজ, জুয়েনা আজিজ, শামীমা নার্গিস, নাসরীন আকতার, হোসনে আরা বেগম, আফরোজা খান ও মাফরূহা সুলতানা।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগমের পরিচিতি নম্বর ১৬১১। প্রশাসনের শীর্ষ এই পদে দায়িত্ব পালনের জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হয়েছে বলে জানালেন তিনি। তার কথায়, ‘কোনও বিশেষ সুবিধা নয়, সরকারের সব নিয়মনীতি অনুসরণ করেই এখানে এসেছি। কর্মজীবনের শুরুতে ১৯ বছর মাঠপর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট, টিএনওসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে ব্যাপকভাবে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব। তিনি বলেন, ‘শুধু প্রশাসনেই নয়, এমন কোনও খাত নেই যেখানে নারীরা দায়িত্ব পালন করছেন না। দেশের সবখানেই পুরুষের পাশাপাশি নারীরা যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন।’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদারের পরিচিতি নম্বর ৪৫৭০। সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সচিব হিসেবে আছেন আকতারী মমতাজ (পরিচিতি নম্বর ২৩৫৩)। তিনি এর আগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সচিবের পদমর্যাদায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য হিসেবে আছেন জুয়েনা আজিজ। প্রশাসনে তার পরিচিতি নম্বর ৩৫৪৮। একইসঙ্গে সচিবের পদমর্যাদায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন শামীমা নার্গিস (পরিচিতি নম্বর ৪৮৪১)।

সচিবের পদমর্যাদায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক পদে আছেন নাসরীন আকতার। প্রশাসনে তার পরিচিতি নম্বর ৪৮২৮।

২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি সরকারি এক আদেশ বলে সচিবের পদমর্যাদায় তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদটি দ্বিতীয় গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। এই পদে এখন দায়িত্ব পালন করছেন হোসনে আরা বেগম (পরিচিতি নম্বর ২৫৬৯)।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে আছেন আফরোজা খান। তিনি এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত আমদানি-রফতানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হলো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ। এর সচিব হিসেবে আছেন মাফরূহা সুলতানা। তার কথায়, ‘সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দেশ ও জনগণের স্বার্থে অবদান রাখতে পারা গৌরবের।’

প্রশাসনের শীর্ষ পদে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী নারীরা প্রশাসক হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সরকারের একাধিক অতিরিক্ত সচিব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘এখানে পদ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পুরুষ নাকি নারী তা বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না। প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা নারীরা অবশ্যই দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা যোগ্য বলেই সরকার তাদের এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভার উন্নয়নে ১শ’ ৮০ কোটি টাকা পাশ হওয়ায় অভিনন্দন

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভার উন্নয়নের জন্য জার্মানের কে.এফ ডব্লু’এর ১শ’৮০ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকের বিশেষ সভায় পাশ হওয়ায় সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং মিষ্টি মুখ করিয়েছে সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতিসহ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও পৌরসভার কর্মকর্তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ^াস সুদেব কুমার, পৌর কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, শেখ আব্দুস সেলিম, কাজী ফিরোজ হাসান, শাহিনুর রহমান শাহিন, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, শফিকুল আলম বাবু, শেখ শফিক উদ দৌলা-সাগর, মহিলা কাউন্সিলর ফারহা দিবা খান সাথি, অনিমা রাণী মন্ডল, পৌরসভার সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ^াস, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, সহকারী প্রকৌশলী কামরুল আখতার, শহর পরিকল্পনাবিদ শুভ্র চন্দ্র মহলী, এসও সাগর দেবনাথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest