সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন

প্রতি ১৬ পুরুষের মধ্যে একজন যৌন হয়রানির শিকার

অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি ১৬ পুরুষের মধ্যে একজন তাদের স্ত্রী বা সঙ্গীর হাতে শারীরিক বা যৌন হয়রানির শিকার হন বলে অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ারের (এআইএইচডব্লিউ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণামূলক ওই রিপোর্টে উঠে এসেছে, প্রতিদিন অস্ট্রেলীয় নারীরা পারিবারিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণামূলক ওই রিপোর্টে উঠে এসেছে, প্রতিদিন অস্ট্রেলীয় নারীরা পারিবারিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রতি ছয় নারীর একজনকে শারীরিক বা যৌন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হল।

অন্যদিকে, প্রতি ১৬ পুরুষের একজন তাদের স্ত্রী বা সঙ্গীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। পারিবারিক নির্যাতনের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, প্রতি চারজনের তিনজনই পুরুষের হাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এক্ষেত্রে গড়ে প্রতি সপ্তাহে একজন মহিলা ও প্রতি মাসে একজন পুরুষ তাদের বর্তমান বা সাবেক সঙ্গীর হাতে প্রাণ হারাচ্ছেন। যৌন হয়রানির শিকার হওয়া নারীদের মধ্যে ৯৬ শতাংশই বলেছেন, তারা পুরুষ সঙ্গীর দ্বারাই নির্যাতিত হয়েছেন।

এআইএইচডব্লিউ’র মুখপাত্র লুইস ইয়র্ক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘নারীরা তাদের বাড়িতে ও আপনজনের হাতেই বেশি নির্যাতিত হয়। অপরদিকে পুরুষরা সাধারণত ঘরের বাইরে এবং অনাত্মীয়দের মাধ্যমেই নির্যাতিত হয়ে থাকে। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার ভায়াগ্রাসহ রিয়াদে গ্রেফতার বাংলাদেশ বিমানের দুই ক্রু

এবার যৌন উত্তেজক ভায়াগ্রা নিয়ে সৌদি আরবের রিয়াদে গ্রেফতার হলেন বিমানের দুই কেবিন ক্রু ফেরদৌস আল মামুন শিশির ও আরিফ পাঠান রুহিত। মঙ্গলবার রিয়াদ নারকটিক্সের একটি দল সেখানকার একটি হোটেলে অভিযানে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি সূত্র জানায়, আটক দুজনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে তাদের জানা নেই। বিমানের পরিচালক (কাস্টমার সার্ভিস) আলী আহসান বাবু জানিয়েছেন, তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কি কারণে তাদের আটক করা হয়েছে তা এখনো সৌদি বিমান অফিস থেকে জানানো হয়নি। তবে এ দুজনকে ছাড়াই রিয়াদ থেকে ওই ফ্লাইট এসে বুধবার ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বিমানের আরেক পরিচালক জানিয়েছেন, সোমবার ঢাকা থেকে ফ্লাইট নিয়ে অন্যান্যের সঙ্গে কেবিন ক্রু শিশির ও রুহিত  রিয়াদ যান। তারা সেখানকার রেডিসান ব্লু হোটেলে অন্যান্য ক্রুদের সঙ্গেই ছিলেন। মঙ্গলবার হঠাৎ সেখানে রিয়াদ নারকট্রিক্সের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিমানের রিয়াদ অফিসকে জানিয়ে  দেয়-এ দুজনকে ভায়াগ্রাসহ অন্যান্য ওষুধ রাখার অভিযোগে আটক করে নিয়ে যায়।

এতে বিমানের গতকালের ফ্লাইট ওই দুজনকে ফেলে রেখেই ঢাকায় আসে। এ ঘটনা জানাজানি হবার পর বিমানে তোলপাড় শুরু হয়। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিমানের কোনো কর্তৃপক্ষই নিশ্চিত করতে পারেনি ঠিক কি কারণে তাদের আটক করা হয়েছে। আজ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন একজন মহাব্যবস্থাপক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘দয়ালু মা’ বললেন তিন নারী নোবেল বিজয়ী

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নৃশংসতাকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে তিন নারী নোবেল বিজয়ী বলেছেন, এ নৃশংসতার জন্য দায়ীদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘দয়ালু মা’ অভিহিত করে বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের এখন বেশি করে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন।

গতকাল বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাত্কালে তারা একথা বলেন। এই তিন নারী নোবেল বিজয়ী হলেন, শিরিন এবাদি, মাইরিয়াদ ম্যাগুইয়ার ও তাওয়াক্কুল কারমান। তারা বলেন, রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা চালানোর জন্য মিয়ানমারকে অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করতে হবে এবং বিশ্বকে এ গণহত্যার বিপক্ষে দাঁড়াতে হবে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, নোবেল বিজয়ীরা বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার বর্ণনা শুনে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। এটি একটি গণহত্যা। আর বিশ্ব কিছুতেই এ নিয়ে নীরব থাকতে পারে না।’ তারা মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৭ সাল থেকে কিভাবে বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসতে শুরু করে তা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। মিয়ানমারে নৃশংসতার শিকার হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১০ লাখ ৭৮ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। আমরা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছি।’ প্রধানমন্ত্রী এ সংকট সমাধানে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে তাঁর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনওকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুর বিরুদ্ধে জিডি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন। বুধবার তিনি এ জিডি দায়ের করেন। তিনি জিডিতে উল্লেখ করেছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে ও মোবাইলে হুমকি দিয়ে আসছেন। এ কারণে তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু ২০১৭ সালে ২৯ জুন কিছু ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে বরাদ্দ নিয়ে আসেন এবং আমাকে ওই প্রকল্পে স্বাক্ষর করতে বলেন। ভুয়া প্রকল্প হওয়ায় আমি বিলে স্বাক্ষর করি নাই। স্বাক্ষর না করায় চেয়ারম্যানের আনীত ৩৯ লাখ টাকা সংশিষ্ট মন্ত্রাণালয়ে ফেরত চলে গেছে। আর এ কারণে আমার সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্ব ও শত্রুতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে তিনি প্রকাশ্যে, মোবাইলে ও লোকমারফত আমাকে বিভিন্ন ভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী, শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশ-প্রকাশ বাহিনীর সহযোগী ছিলেন এবং একজন পেশাদার খুনি। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করায় দুদক তার নামে মামলা দায়ের করেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন ঘুষখোর অফিসার। তিনি দু’হাত দিয়ে ঘুষ খান। আমি কোন প্রকল্প আনি নি এবং তার সাথে আমার কোন বিষয়ে দ্বন্দ্ব ও শত্রুতা নেই। প্রয়োজন ছাড়া তার সাথে আমার ফোনে কোন কথা হয় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুরো টুর্নামেন্টেই অনিশ্চিত সাকিব

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ যেভাবে সাকিব আল হাসানকে ছাড়াই পেরিয়ে গেছে, নিদাহাস ট্রফিতেও কি তাই হবে? থাইল্যান্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এই অলরাউন্ডারকে যে পরামর্শ দিয়েছেন, তাতে প্রশ্নটা উঠছেই। তাঁদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ৬ মার্চ থেকে কলম্বোয় অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের পুরোটাই সাকিবের মিস করার আশঙ্কা এখন।

এমনকি ৪ মার্চ দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় যেতে পারবেন কি না, তা নিয়েও সংশয়। গতকালই বাঁ হাতে চোটগ্রস্ত কনিষ্ঠাঙ্গুল থাইল্যান্ডের অস্থি বিশেষজ্ঞদের দেখিয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। তাঁরা আজ থেকেই ফিজিওথেরাপি শুরু করতে বলে দিয়েছেন। সেটি শুরু করে আজই দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে সাকিবের। দেশে ফিরেও চালিয়ে যেতে হবে ফিজিওথেরাপি। পরবর্তী মূল্যায়নের আগে অন্তত এক সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি নিতে হবে বলেই দলের সঙ্গে যাওয়া আপাতত অনিশ্চিত।

সেদিন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান নিদাহাস ট্রফির প্রথম দুই ম্যাচ মিস করতে পারেন বললেও এখন পুরো টুর্নামেন্ট খেলাও অনিশ্চিত করে দিয়েছে থাইল্যান্ডের বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ। সেটি জেনেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীও। কাল তিনি বলছিলেন, ‘সাকিবের খবর হচ্ছে কাল (আজ) সকালে ফিজিওথেরাপি করবে।

একটি সেশন করেই ও দেশে ফিরে আসবে। দেশে ফিরেও ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যেতে বলেছেন ওখানকার বিশেষজ্ঞরা। ’

কিন্তু কত দিন? দেবাশীষের জবাব, ‘ওনারা বলেছেন ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যেতে। যদি সপ্তাহখানেক ফিজিওথেরাপি করার পরও দেখা যায় কোনো উন্নতি হচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে একটি সিদ্ধান্তে যেতে হবে। আর কী করা যায়? যদি দেখা যায় উন্নতি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিই চালিয়ে যেতে বলেছেন ওখানকার বিশেষজ্ঞরা। ’ এখানেই সাকিবের নিদাহাস ট্রফিতে খেলা অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে আরো। কারণ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি নিশ্চয়ই নেওয়া হবে না। দেবাশীষও বলেছেন, ‘আপাতত ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যাওয়ারই পরিকল্পনা। সপ্তাহখানেক চালিয়ে যাওয়ার পর উন্নতি হলেও সেটিই চালিয়ে যাব আমরা। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি দপ্তরে ঘুষ চাইলে দুদককে জানান- দুদক চেয়ারম্যান

সরকারি দপ্তরে গিয়ে ঘুষ বা অনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডের মুখোমুখি হলে ব্যবসায়ীদের এর থেকে দূরে থাকতে বললেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। এমন পরিস্থিতিতে পড়লে বিষয়টি দুদককে অবহিত করার পরামর্শ দিয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে অভিযোগকারী ব্যাবসায়ীকে যাতে পরবর্তী সময়ে কোনো অসুবিধায় পড়তে না হয়, সে বিষয়টি দুদক দেখবে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে ইকবাল মাহমদু বলেন, ‘ব্যবসা করতে আপনাদের অনেক সময় সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের অনুমোদনের জন্য যেতে হয়। সেখানে অনেক ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আছে। কোনো কর্মকর্তা যদি ফাইল ছাড়তে গড়িমসি করেন, হয়রানি করেন বা অনৈতিকভাবে কোনো কিছু চান, আপনারা সেটা দেবেন না। আমাদের (দুদক) জানাবেন। আপনাদের ব্যবসার পথ চিরদিনের জন্য মসৃণ করার দায়িত্ব আমাদের। ’

গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের জন্য স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকারি সেবা নিশ্চিতকরণ’ শীষর্ক এক আলোচনাসভায় দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। দুদক ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে ওই আলোচনাসভার আয়োজন করে। সভায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঋণখেলাপিদের নিয়ে দুদকের তদন্ত নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

দুদক ঋণখেলাপিদের পেছনে ছুটছে না। এটা আমাদের কাজও নয়। আমরা শুধু ভুয়া নথিপত্র দিয়ে ঋণ নিচ্ছে কি না, সেটা দেখি। ’

গত বছর ঘুষের অর্থসহ ২৫ জন কর্মকর্তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের মামলাগুলো আসলেই ভয়ংকর। এই মামলায় একবার কেউ পড়লে কত দিনে এই মামলা শেষ হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। আপনারা কোনো আইন ভঙ্গ করবেন না, দুদক আপনাদের জন্য স্বর্গ হবে। আইন ভঙ্গ করলে এটা নরকের আজাবের মতো মনে হবে। ’

বিডার চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অগ্রগতির অন্যতম একটি উপায় হলো দুর্নীতি ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসা। আমরা সব সময় সেটা করতে সচেষ্ট ভূমিকা রেখে আসছি। ’ বিএমসিসিআই সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ব্যবসার কাজে সরকারি দপ্তরগুলোতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা অনেক ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের মুখোমুখি হন। এ নিয়ে অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না। ’ ডিসিসিআই পরিচালক সেলিম আখতার খান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীরা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকে। এই যোগসাজশ ভাঙতে হবে। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে প্রথম নারী চেয়ারম্যান

জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন নারী উদ্যোক্তা লুনা শামসুদ্দোহা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো বাণিজ্যিক কিংবা বিশেষায়িত ব্যাংকে তিনিই প্রথম নারী চেয়ারম্যান।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মানিক চন্দ্র দে বলেন, বুধবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় লুনা শামসুদ্দোহাকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি দায়িত্ব পালনও শুরু করেছেন।

এর আগে ব্যাংকটির পরিচালক ছিলেন লুনা।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সাবেক সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লা আল মামুনকে জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগের আদেশ জারি করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি পেলেই তার যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক তাকে অনাপত্তি না দিয়ে লুনা শামসুদ্দোহাকে অনাপত্তিপত্র দেয়।

নতুন চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা ২০১৩ সালে প্রযুক্তি খাতে নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির কারণে গ্লোবাল উইমেন ইনভেন্টরস অ্যান্ড ইনোভেটরস নেটওয়ার্ক (গুইন) সম্মাননা পান।

এর আগে তিনি দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজিরও প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ বিজনেস ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা, সফটওয়্যার উদ্যোক্তা এবং সুইজারল্যান্ডের গ্লোবাল থট লিডার অন ইনক্লুসিভ গ্রোথের সদস্য।

লুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী।

২০১৬ সালের জুন থেকে লুনা জনতা ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার আগে ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত আরেক ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালিতে মাইন বিস্ফ‌োরণে ৪ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োজিত চার বাংলাদেশি সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন, গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চার বাংলাদেশি।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দেশটিতে বিদ্রোহীদের হামলায় তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং চারজন আহত হন।

বুধবার মালির মোপ্তি এলাকার বনি ও দোয়েন্তজা শহরের সংযোগ সড়ক দিয়ে শান্তিরক্ষীরা গাড়িতে করে যাওয়ার পথে বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন মিনুসমা জানিয়েছে।

এ বিবৃতিতে বিস্ফোরণে হতাহতের খবর দিলেও তারা কোন দেশের নাগরিক তা জানায়নি জাতিসংঘের এই মিশন।

পরে বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হতাহতরা বাংলাদেশি বলে জানায়।

নিহতরা হলেন- সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার আবুল কালাম, পিরোজপুর (৩৭ এডি রেজি. আর্টি.); ল্যান্স কর্পোরাল আকতার, ময়মনসিংহ (৯ ফিল্ড রেজি. আর্টি.); সৈনিক রায়হান, পাবনা (৩২ ইবি) এবং সৈনিক (পাচক) জামাল, চাপাইনবাবগঞ্জ (৩২ ইবি)।

আহতরা হলেন- কর্পোরাল রাসেল, নঁওগা (৩২ ইবি); সৈনিক আকরাম, রাজবাড়ি (৩২ ইবি); সৈনিক নিউটন, যশোর (১৭ বীর) এবং সৈনিক রাশেদ, কুড়িগ্রাম (৩২ ইবি)।

আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালির স্থানীয় সময় আনুমানিক দুপুর আড়াটায় দোয়েঞ্জা নামক স্থানে ভয়াবহ আইইডি বিস্ফোরণে চার বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও চারজন আহত হয়।

ওই এলাকায় আগের দিন একই ধরনের ঘটনায় মালির ছয় সেনা সদস্য নিহত হন বলে মিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়।

২০১৩ সালে মালির উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহর থেকে বিদ্রোহী জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তুয়ারেগদের হটিয়ে দেয় ফরাসি বাহিনী। এরপর ওই বছরই দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয়।

এই মিশনই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের প্রায় ১১ হাজার সৈন্য কাজ করছে। এই মিশনে ২৫টি দেশের পুলিশ সদস্য রয়েছে দেড় হাজারের বেশি, যাদের মধ্যে বাংলাদেশি পুলিশও রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest