সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুরসাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদ

৩নং ওয়ার্ডের ঘোষপাড়ায় পৌর মেয়রের মতবিনিময়সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পুরাতন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে ১নং কলোনির ঘোষপাড়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে ঘোষপাড়া ১নং কলোনি এলাকায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ তমিজ উদ্দীন মাস্টারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোঃ তাজকিন আহমেদ চিশতি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, মোঃ কামরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আঃ রশিদ। শেখ সাদেক আলীর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন শেখ আঃ তাছু, মোঃ শাহিনুর রহমান শাইন, মোঃ আমিনুর রহমান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, এ এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা সহ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করা পৌর মেয়র হিসাবে আমার দায়িত্ব। আপনারা আমাকে এবং এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন এজন্য আপনাদের সুখ-দুঃখ দেখার দায়িত্ব আমাদের। আপনাদের জন্য পৌরসভা, আমার বাসা এবং আমার মোবাইল নম্বর সাবক্ষনিক চালু থাকে। আপনারা যখনই প্রয়োজন মনে করবেন আমাকে স্মরণ করবেন। আমি সামান্যতম বিরক্তবোধ কররবো না। তিনি আরো বলেণ, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুকুরের গাইড অলের কাজ শুরু করবো। এবং আগামী এক মাসের মধ্যে পানি সরবরাহের জন্য ড্রেনের কাজ শুরু করবো। উক্ত এলাকায় আঃ ছামাদের চানাচুর ফ্যাক্টারীর দুর্গন্ধ ও কালো ধোঁয়ায় জনজীবন অতীষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে পৌর মেয়র কে এলাকাবাসী অবহিত করলে ১দিনের মধ্যে তাকে নোটিশ প্রদান করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডা. রুহুল হক এমপিকে জাতীয় চার নেতা বহুমাত্রিক মূল্যায়ন গ্রন্থ উপহার দিলেন জবি শিক্ষক

ডেস্ক রিপোর্ট : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম সম্পাদিত গ্রন্থ “জাতীয় চার নেতা বহুমাত্রিক মূল্যায়ন” গ্রন্থটি সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র হাতে আজ সোমবার সন্ধ্যায় সংসদ সচিবালয় অফিসে গ্রন্থটি তুলে দেন সম্পাদক জি এম তারিকুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান,সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিত মন্ডল,আশাশুনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম মনজুরুল ইসলাম,স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রনজিত হালদার,ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ পারভেজ,সাংবাদিক তোষিকে কাইফু,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ মাহাদী সেকেন্দার,ক্রিকেটার গিয়াসউদ্দীন টুটুল সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
এসময় ডা. আ ফ ম রুহুল হক এম পি বলেন,জাতীয় চার নেতার উপর এমন একটি গ্রন্থ বর্তমান সময়ে গুরুত্ববহন করবে বলে বিশ্বাস করি।
গ্রন্থটির সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম বলেন,জাতির সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জাতীয় চার নেতার গুরুত্ব তুলে ধরতে আমার এই ক্ষুদ্রপ্রয়াস।
উল্লেখ্য গত বছর বই মেলাতে তাঁর সম্পাদিত “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুমাত্রিক মূল্যায়ন” গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
তিনি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের জামালনগর গ্রামের সন্তান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মিনিষ্টার-মাইওয়ান শোরুমের উদ্বোধন করলেন নায়ক ফেরদৌস

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মিনিষ্টার-মাইওয়ান শোরুমের উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলার সরশকাঠি বাজারের হোসেন সানা মার্কেটে সোমবার দুপুরে এ শোরুমের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন, জনপ্রিয় চলচিত্র নায়ক ও মাইওয়ান-মিনিষ্টার কোম্পানীর অ্যামবেসেডার ফেরদৌস আহমেদ।
তিনি এ সময় বলেন, দেশীয় পন্য ক্রয় করে বাংলাদেশকে আরো অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী করতে হবে। তিনি বলেন, মাইওয়ান-মিনিষ্টার সামগ্রী ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি মাইকেল মুধসূধন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত মৃত প্রায় কপোতাক্ষ নদ সংস্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, কপোতাক্ষ নদের ধারেই এই শোরুমের মাধ্যমে এই এলাকার মানুষ দেশীয় পন্য সামগ্রী ক্রয়ে অনেক সুবিধা পাবে।
স্থানীয় জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান শামছুদ্দীন আল মাসুদ বাবুর সভাপতিত্বে উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মাইওয়ান-মিনিষ্টার কোম্পানীর এ.ডি.এম নবাব আলী, আর.এম হাসানুর রহমান, আর.এম ফাহিম মুন্তাসির, মার্কেটিং অফিসার আলমগীর হোসেন, কে.পি.ইউ.এস.এস লিমিটেডের ম্যানেজার আবু বকর ছিদ্দিক বাবু প্রমুখ।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি চিত্র নায়ক ফেরদৌস শোরুমটি ঘুরে দেখেন এবং ক্রেতাদের হাতে মিনিষ্টার-মাইওয়ান ফ্রিজ তুলে দেন। পরে শোরুমের সামনে স্কুল শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত হাজারো ভক্ত দর্শকদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাবসায় বসত বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় থানা অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
লাবসায় দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে বসত বাড়িতে প্রবেশ করে বাড়ি, ঘর, সীমানা পিলার ভাংচুর ও খুন জখমের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী সম্পত্তির মালিক বাদী সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, লাবসা দপ্তরীপাড়া এলাকার মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে আরশাদ আলী দীর্ঘদিন লাবসা মৌজায় পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু উক্ত সম্পত্তির উপর নজর পড়ে চিহ্নিত ভূমিদস্যু সদর উপজেলার শিমুল বাড়ীয়া গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মোশারফ হোসেন,লাবসা দপ্তরীপাড়া এলাকার আবুল কালামের ছেলে ছলেমান সরদার, মৃত জহির উদ্দীনের ছেলে আবুল কালাম এবং আবুল কালামের ছেলে হাফিজুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানের। তারা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এর ধরে গত ৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা দলবদ্ধ হয়ে অবৈধভাবে আমার বসতবাড়িতে প্রবেশ করে বাড়ি ঘর, সীমানা পিলার ভাংচুর শুরু করে। আমি প্রতিবাদ করতে তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাকে তাড়া করলে আমি পালিয়ে জীবনে রক্ষা পাই। এসময় তারা আমাকে হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী আরশাদ আলী উক্ত ভুমিদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জি-মেইল ইয়াহু ব্যবহার করতে পারবেন না সরকারি কর্মচারীরা

সরকারি কাজে আর জি-মেইল, ইয়াহুসহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন না সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ‘গভ ডট বিডি (gov.bd)’ ঠিকানা যুক্ত ই-মেইল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে ‘সরকারি ই-মেইল নীতিমালা-২০১৮’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘সরকারি অফিসগুলোতে আমরা ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার করে বিভিন্ন করেসপন্ডেন্টস (চিঠিপত্র পাঠানো) করি। সেটা করা যাবে না। সরকারি ডোমেইনের নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস নিয়ে করেসপন্ডেন্টস করতে হবে, যেটা গভ ডট বিডি (gov.bd)। গভ ডট বিডি অ্যাকাউন্ট অনেকেরই আছে, সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই করেসপন্ডেন্টগুলো করতে হবে।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপস্থাপন করা নীতিমালাটি অনুমোদন হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাফতরিক কাজে জি-মেইল, ইয়াহু, আউটলুকসহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না।

সরকারি কাজেন গোপনীয়তা রক্ষা ও সাইবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এই এই নীতিমালা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যেকেই মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দফতর ও সংস্থার নামসহ ‘ডট বিডি’ ডোমেইনে একটি ই-মেইল আইডি তৈরি করে সেটা দিয়ে সরকারি কাজে মেইল আদান- প্রদান করতে হবে। এ ই-মেইল আইডি দিয়ে তারা শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। ব্যক্তিগত বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে না।

এই ই-মেইল সেবা দেবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।

জাতীয় নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত সংস্থা, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসহ স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এই নীতিমালা প্রযোজ্য নয়। তারা ইলেকট্রনিক যোগাযোগের জন্য তাদের কর্তৃপক্ষের নিয়মে ই-মেইল ব্যবহার করবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দুটি করে ই-মেইল আইডি খুলতে পারবেন। সেক্ষেত্রে একটি হবে তার পদবি দিয়ে এবং অন্যটি নাম দিয়ে। তবে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও আইডি দুটি দুই ধরনের কাজে ব্যবহার করতে হবে তাদের।

যেসব কর্মকর্তা অবসরে যাবেন বা চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হবে, তারা পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত ওই নামের মেইল সরকারি যোগাযোগে ব্যবহার করতে পারবেন। এক বছর পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ওই আইডি ও পাসওয়ার্ড বাজেয়াপ্ত করবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নবান্ন উৎসব ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন পায়নি

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অগ্রহায়ণ মাসের ১ তারিখকে জাতীয় নবান্ন উৎসব ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলেও তা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এছাড়া ‘কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮’ এর খসড়া নীতিগত, ‘স্ট্যান্ডার্ড ওজন ও পরিমাপ আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

তবে ‘আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। এই আইনের খসড়াটি পুনঃপরীক্ষা করে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাল ঢাকায় আসছেন ঋতুপর্ণা

চিত্রনায়ক আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির প্রচারণার উদ্দেশ্যে আগামীকাল ঢাকা আসছেন কলকাতার চিত্রনায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

এ ছবিতে কবিতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার বিপরীতে রয়েছেন আরেফিন শুভ। ছবিটি মুক্তি পাবে ১৩ এপ্রিল। এরই মধ্যে ইউটিউবে ঋতুপর্ণার লিপে গাওয়া ‘গল্প কথার ঐ কল্পলোকে জানি একদিন চলে যাব’ নামে একটি গান প্রকাশ হয়েছে।

গানটির কথা লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও সুর-সঙ্গীত করেছেন রুনা লায়লা। কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। গানটি এরই মধ্যে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

ছবির প্রচারণায় অংশ নেয়া প্রসঙ্গে মুঠোফোনে কলকাতা থেকে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘এবার পাঁচ দিনের জন্য ঢাকায় আসছি ছবির প্রচারণার জন্য।

ইচ্ছে আছে হলে হলে গিয়ে ছবিটি উপভোগ করার। দর্শকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলারও ইচ্ছে। আলমগীর ভাই নিঃসন্দেহে একজন গুণী অভিনেতা এবং নির্মাতা। তার নির্দেশনা আমি দারুণ উপভোগ করেছি।’

এদিকে ঋতুপর্ণা বর্তমানে কলকাতায় নেহাল দত্তের পরিচালনায় ‘অপরাজেয়’ ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এ ছবিতে তার সঙ্গে বাংলাদেশের অরিনও কাজ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর এক মাস বাঁচবেন ইরফান!

‘মেরে কেটে আর হাতে মাত্র এক মাসের সময় রয়েছে ইরফান খানের কাছে’, এমনই এক টুইটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলিউড সিনেমহলে।

স্থানীয় চলচ্চিত্র সাংবাদিক উমের সিন্ধু সম্প্রতি তার টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ভালো নেই ইরফান। নায়কের পরিবার সূত্রের খবর, ক্যানসারের লাস্ট স্টেজে রয়েছেন অভিনেতা। ডাক্তার জানিয়ে দিয়েছেন, ইরফান হয়তো আর এক মাস বাঁচবেন।

কিছুদিন আগে নায়কের অসুস্থ হওয়ার খবর নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি। পরে জানা গিয়েছিল তার জন্ডিস হয়েছে।

পরে অবশ্য সে তথ্য ভুল বলে নিজের পোস্টের মাধ্যমেই জানিয়েছিলেন ইরফান খান। বলেছিলেন বিরল রোগে আক্রান্ত তিনি। সময় হলে নিজেই জানাবেন রোগের নাম।

কিন্তু নায়কের কিছু জানানোর আগেই উমের সিন্ধু জানিয়েছেন, ক্যানসার হয়েছে ইরফানের। হয়তো আর এক মাস বাঁচবেন তিনি।

এর আগেও ইরফানের ক্যানসারের খবর জানা গিয়েছিলে। সেই সময় মুখ খুলেছিলেন ইরফানপত্মী সুতপা শিকদার ।

তিনি বলেন, তার সবচেয়ে ভালো বন্ধুটি নিজের রোগের সঙ্গে সাহসের সঙ্গে লড়াই করছেন। এই লড়াই তাদের জিততে হবেই। তবে এই সময় যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তারা নিজের কাজে মন দিন।

তিনি বলেন, লড়াই কঠিন হলেও জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। তার বিশ্বাস, শিগগিরই জীবনের মূল স্রোতে ফিরবেন তারা।

কিন্তু উমের সিন্ধুর টুইটের পর এখনও অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। ফলে সময় যত এগোচ্ছে মন খারাপের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে ইরফান অনুরাগীদের মধ্যে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৭১ এর বধ্যভূমি সংরক্ষণের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় ৭১ এর বর্ধ্যভুমি সংরক্ষণের দাবীতে জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ড। সোমবার বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭১ এর বর্ধ্যভুমি/গণকবর চিহ্নিত করে সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী সংরক্ষণ ও স্মৃতি সৌধ/স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করার সির্দ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ১৯৭১ সালে সাতক্ষীরা শহরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাক হানাদার বাহিনী স্কুলে আশ্রয় নেয়া ভারতগামী শরনার্থীদের উপর অতর্কিত হামলা করে শত শত নারী পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধদের নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাছাড়া অসংখ্য মানুষ এই হত্যাযজ্ঞে আহত হয়। পরবর্তীতে উদ্যোগের অভাবে উক্ত বর্ধ্যভুমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি। শহর থেকে ১৫ কিঃ মিটার যশোর সংলগ্ন সাতক্ষীরার অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র ঝাউডাঙ্গা বাজার ৭১ এর এপ্রিলের শেষে খুলনা অঞ্চল থেকে প্রাণভয়ে পালানো কয়েক শত শনণার্থী পরিবার ভারতে যাওয়ার পথে ঝাউডাঙ্গায় পৌছালে পাক-বাহিনী অতর্কিতভাবে নির্বিচারে গুলি করে শতাধিক নারী-পুরুষ হত্যা করে এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়। গণ হত্যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। তাই এ মুহুর্তে দু’টি বর্ধ্যভুমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য সাতক্ষীরাবাসী গতকয়েক বছর ধরে এবং এ বছরে উক্ত বর্ধ্যভুমিতে নানাবিধ কর্মসুচি ও গণহত্যা দিবস পালন করেছে। ৭১ এর বর্ধ্যভুমি সংরক্ষণের দাবীতে জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, ডেপুটি কমান্ডার আবুবক্কর সিদ্দিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সদস্য আব্দুর রহিম ও সদর উপজেলার সদস্য আব্দুল্লাহ আল-মামুন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest