কিছুদিন আগেই সিকিমকে ‘অশান্ত রাজ্য’ বলে বিপদে পড়েছিলেন। এতটাই ঝামেলা হয়েছিল যে পরে মাফ চেয়ে রফা করতে হয়েছিল।
এবার ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্য আসামে বিতর্কে জড়ালেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। অভিনেত্রী রাজ্যটির পর্যটন সংস্থার শুভেচ্ছাদূত। কিছুদিন আগেই প্রিয়াঙ্কার ছবি দিয়ে পর্যটন ক্যালেন্ডার বের করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিপত্তিটা সেখানেই। ছবিতে ‘স্বল্প পোশাকে’ প্রিয়াঙ্কার উপস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের দুই এমএলএ নন্দিতা দাস ও রূপজ্যোতি কুরমি পর্যটন ক্যালেন্ডারে প্রিয়াঙ্কার ‘ক্লিভেজ প্রদর্শনী’কে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। কুরমি বলেন, ‘আসাম সরকারের উচিত রাজ্যের সমাজ-সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো। সরকারের জানা উচিত কিভাবে রাজ্যের ঐতিহ্য রক্ষা করতে হয়। ক্যালেন্ডারের ছবিটি মোটেই রুচিশীল নয়, ফ্রক মোটেই আসামের সংস্কৃতির অংশ নয়।
’ এমন সমালোচনার মুখে পর্যটন কর্তৃপক্ষ আর আসাম রাজ্য সরকার দাঁড়িয়েছে অভিনেত্রীর পাশেই। আসাম পর্যটন উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান জয়ন্ত মালা বলেন, ‘আসামকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতেই ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে।
এটা মূলত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর ও সংস্থায় পাঠানো হবে। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া যেহেতু একজন আন্তর্জাতিক অভিনেত্রী, তাই ক্যালেন্ডারে তাঁর ছবি দেওয়া হয়েছে। এই ছবি আসামের সংস্কৃতিকে খাটো করেনি। ’
প্রিয়াঙ্কার সমর্থনে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানকে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রিয়াঙ্কার পোশাক নিয়ে বিতর্ক অবশ্য এই প্রথম নয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অভিনেত্রী স্বল্পবসনা ছিলেন—এই দুয়ো তুলে ট্রল করা হয়েছিল তাঁকে।



রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১


সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে কলেজের হলরুমে কলেজের অধ্যক্ষ মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন চীফ ইন্সট্রাক্টর ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান, মো. ফেরদৌস আরেফিন, ইন্সট্রাক্টর মো. মাহবুবর রহমান, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. আব্দুস সালাম প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্সট্রাক্টর রঞ্জন কুমার সরকার, মোস্তফা বাকি বিল্লাহ, জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর মো. মাসুদ রানা, মো. অজিহার রহমান, বিষ্ণুপদ পাল, মো. হাবিবুল্লাহ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং ভাষা শহিদ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইন্সট্রাক্টর মো. আনিছুর রহমান।
ক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক উম্মে হাবিবা, আনিছুর রহমান, রীণা রাণী নন্দী, সুহেলী সুলতানা, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, মো. মনিরুজ্জামান, দিপা সিন্ধু তরফদার প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং ভাষা শহিদ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিবস-২০১৮ উপলক্ষে সাতক্ষীরা টাউন গালস্ হাইস্কুলের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের হলরুমে প্রধান শিক্ষক নাছরিন বানু’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. আলমগীর কবির। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারি প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার মন্ডল, সহকারি শিক্ষক উজ্জল কান্তি শর্মা, রোকনুজ্জামান, শেখ আলমগীর রহমান, মানজুরুর রব, হীরা লাল সরকার, ইমাম উদ্দিন আহম্মেদ, সিদ্দিকুজ্জামান, ইউনুছ আলী, মাসুমা আক্তার, সন্ধ্যা মন্ডল, রাজিয়া সুলতানা প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং ভাষা শহিদ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারি শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন।
লরুমে অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল মজিদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম, নুর আহম্মদ, নাসির উদ্দিন প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং ভাষা শহিদ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আহছানিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম জিয়া। এসময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নবজীবন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ শেখ রফিকুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মীর মো. ফকরউদ্দিন আলী আহম্মেদ, টেক্সটাইলস্ ও গার্মেন্টস্ ডিজাইন বিভাগীয় প্রধান দেব কুমার মন্ডল, কম্পিউটার দ্বিতীয় পর্ব মারিয়া সুলতানা, ইলেকট্রিক্যাল দ্বিতীয় পর্ব নীলয় ঘোষ, নবজীবন ইন্সটিটিউটের সহকারি শিক্ষক মো. মোশারফ হোসেন, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগীয় প্রধান নার্গিস খানম, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সিভিল বিভাগীয় প্রধান দেব দাস মাঝি প্রমুখ।