সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু সাতক্ষীরার মুক্তা মনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় চলতি মাসের নয় তারিখে। ব্যথায় কাতরানো সেই মুক্তা মনির হাতের পোকাগুলো কামড়ানো বন্ধ হয়েছে বলে জানান তার বাবা ইব্রাহীম হোসেন।

তিনি বলেন, তুলোনামূলক ভাবে আমার মেয়ে আগের থেকে একটু সুস্থ। ব্যাথা কমেছে, কিন্তু যখন রক্ত দেয় তখন ব্যাথা আবার বাড়ে। রক্ত দেওয়ার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মনি মুক্তা ব্যাথায় কাতরাচ্ছে।
মুক্তার চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আমাদের চোখে এখনো ভালো নাই। কোন কিছুই বলা যাচ্ছেনা। আমাদের যা কিছু করার আমরা করছি, এখন বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।
অপারেশনের কথা জানতে চাইলে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, মুক্তার শারীরিক উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অপারেশনের কথা ভাবাই যাবেনা।

মনি মুক্তার বাবা বলেন, সাহায্য সবাই করছে, এখন সবাই আমার মেয়েটার জন্য দোয়া করবেন। ও যেন সুস্থ হয়ে স্কুল যেতে পারে হিরা মনির সাথে।

সম্প্রতি মুক্তামনির এই বিরল রোগ নিয়ে ডেইলি সাতক্ষীরাসহ দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাকে ঢাকায় নিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার উদ্যোগ নেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি। এরপর মুক্তামণির চিকিৎসার দায়ভার গ্রহণ করেনে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

সকাল বিকাল মুক্তাকে দেখতে আসেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডাক্তাররা। একে একে ঘুরে যাচ্ছেন মেডিকেল বোর্ডের অন্য সদস্যরাও। শিশু মুক্তামনির বাবা সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানি ইব্রাহীম হোসেন। তার দেশবাসীর কাছে একমাত্র চাওয়া সবাই যেন আমার অসুস্থ মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে নামাজান্তে দোয়া করে। আমি যেন আমার মেয়েটাকে আবারও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ফিরে পাই। এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শরীরের জন্য আদার উপাদান অনেক। শরীরের জন্য আদা খাওয়া অনেক ভালো। কেননা আদায় রয়েছে অনেক গুণাগুণ। চিকিৎসকরা প্রায়ই বলেন আদা খাওয়ার জন্য। তাছাড়া সেই সঙ্গে এটাও বলে থাকেন সব অবস্থায় আদা খাওয়া উচিত নয়। আদা যদি শরীরের জন্য উপকারী হয় তাহলে আবার নিষেধ কেন? আসুন যেনে নেয়া যাক কোন সমস্যায় আদা এড়িয়ে চলবেন।

১। পেশীর স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ও হজমে সাহায্য করতে আদা খাওয়া খুবই উপকারী। কারণ, আদার মধ্যে এমন অনেক পদার্থ থাকে। প্রেগন্যান্সিতে বেশি আদা খেলে তা পেশীর সংকোচন ঘটিয়ে প্রিটার্ম লেবরের সম্ভাবনা থাকে। তাই অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আদা খান।

২। আদা আমাদের শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। ওবেসিটি বা ডায়াবেটিসের সমস্যায় তাই আদা খুবই উপকারি। আবার হিমোফিলিয়ার সমস্যা থাকলে আদার এই গুণ নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে। হিমোফিলিয়া বংশগত ডিজঅর্ডার। হিমোফিলিয়ার ওষুধের সঙ্গে আদা খেলে তা ওষুধের প্রভাবে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

৩। কারো যদি হাইপারটেনসন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে আদা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভাল। আদা রক্তকে পাতলা করে রক্তচাপ কমিয়ে দেয়। তাই সাধারণ ভাবে আদা খাওয়া উপকারি হলেও ইনসুলিনের মতো ওষুধের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে আদা।

৪। আপনি যদি ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করে থাকেন তা হলে আদাযুক্ত খাবার বা আদা চা খাওয়া এড়িয়ে চলুন। আদার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। যা পাকস্থলীর পিএইচ মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে পৌষ্টিকতন্ত্রকে উত্তেজিত করে তোলে।

তাছাড়া কোন সমস্যায় পড়লে ডাক্তারের পরামর্শ করে আদা খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গ্রীষ্মকালীন সবজি হলেও প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায় ঢেড়স। জনপ্রিয় সবজিগুলোর মধ্যে ঢেড়স অন্যতম। ঢেড়স শুধু সবজিই নয় আছে অনেক পুষ্টিগুণও। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ফসফরাস এবং ভিটামিন এ,বি এবং সি। আয়োডিনের অভাবে সৃষ্ট গলগন্ড, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিন্ডের দুর্বলতা প্রতিরোধে ঢেড়স খুবই উপকারি একটি সবজি। এছাড়াও এই সবজির অন্যান্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন-

১. কোলেস্টেরল কমায়:
বাজে কোলেস্টেরল কমায় ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন, যা রক্তের বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।

২. শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে:
ঢেড়সের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যাজমার লক্ষণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে এবং অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢেঁড়স বেশ উপকারী।

৩. রক্তচাপ কমায়:
ঢেড়স রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকলে কালো জামের বীজ চূর্ণ করে এক গ্রাম পরিমাণ চূর্ণের সাথে তিন-চারটে কচি ঢেড়স সেদ্ধ পানির সঙ্গে ক’দিন খেলে ব্লাড সুগার কমে যাবে।

৪. কাশি দূর:
ঢেড়স খেলে খুসকুসে কাশির উপকার হয়। সেক্ষেত্রে বীজ ফেলে দিয়ে কয়েকটি কাঁচা ঢেঁড়স রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখুন। পাঁচ/ছয় গ্রাম ঢেড়সের শুকনা গুঁড়া আর চিনি দিয়ে বড়ি বানাতে হবে। বড়ি চুষে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই উপকার পাওয়া যাবে।

৫. প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ দূর:
ঢেড়স প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ দুর করতেও সহায়ক। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করলেও অনেক সময় প্রস্রাবের পরিমাণ কম হতে পারে। এমনটি হলে বীজ ফেলে দিয়ে ৩/৪টা কাঁচা ঢেড়স আধা সের পরিমাণ পানিতে সেদ্ধ করুন। পানি অর্ধেক পরিমাণ থাকতেই নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই পিচ্ছিল পানি খেলে প্রস্রাব সরল হয় এবং পরিমাণেও বেড়ে যায়। কয়েকদিন এই পানি খেলে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণের সমস্যা দূর হয়।

বাংলাদেশে ঢেড়স কেবল সবজি হিসেবেই খাওয়া হয়। কিন্তু কোনো কোনো দেশে ঢেড়সের পাতাও সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে যাদের হজম শক্তি তেমন ভালো নয়, তাদের এ উপকারী সবজিটি বেশী খাওয়া উচিত নয়। ভারতে পরিষ্কার গুড় তৈরির জন্যে আখের রসের সঙ্গে ঢেড়সের শেকড় ও কান্ড ব্যবহার করা হয়। তুরস্কে এর বীজ কফির বিকল্প হিসেবে খাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫ প্রদানের জমকালো আসরে প্রধানমন্ত্রী বাংলা ছবির কিং খান শাকিব খানের হাতে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার তুলে দেন। শাকিব খান ‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’ সিনেমার জন্য মনোনীত হয়েছেন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বিজয়ীদের হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’র সম্মাননা তুলে দেন।

একনজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫

আজীবন সম্মাননা : যুগ্মভাবে-অভিনেত্রী শাবানা ও সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : যুগ্মভাবে ‘বাপজানের বায়স্কোপ’ ও ‘অনিল বাগচীর একদিন’।

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র : যুগ্মভাবে ‘একাত্তরের গণহত্যা’ ও ‘বধ্যভূমি’।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : যুগ্মভাবে মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়স্কোপ) ও মোরশেদুল ইসলাম (অনিল বাগচীর একদিন)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা : যুগ্মভাবে শাকিব খান (আরো ভালোবাসবো তোমায়) ও মাহফুজ আহমেদ (জিরো ডিগ্রী)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী : জয়া আহসান (জিরো ডিগ্রী)।

পার্শ্বচরিত্র : গাজী রাকায়েত (অনিল বাগচীর একদিন)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্বচরিত্র : তমা মির্জা (নদীজন) শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খলচরিত্র : ইরেশ যাকের (ছুঁয়ে দিল মন)।

শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী : যারা যারিব (প্রার্থনা)। একই শাখায় একই ছবির জন্য বিশেষ পুরস্কার পাচ্ছেন প্রমিয়া রহমান।

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক : সানী জুবায়ের (অনিল বাগচীর একদিন)।

শ্রেষ্ঠ গায়ক : যুগ্মভাবে সুবীর নন্দী (তোমারে ছাড়িতে বন্ধু, চলচ্চিত্র-মহুয়া সুন্দরী) ও এস আই টুটুল (উথাল পাথাল জোয়ার, চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়স্কোপ)।

শ্রেষ্ঠ গায়িকা : প্রিয়াঙ্কা গোপ (আমার সুখ সে তো, চলচ্চিত্র-অনিল বাগচীর একদিন)।

শ্রেষ্ঠ গীতিকার : আমিরুল ইসলাম (উথাল পাথাল জোয়ার, চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়স্কোপ)।

শ্রেষ্ঠ সুরকার : এসআই টুটুল (উথাল পাথাল জোয়ার, চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়স্কোপ)।

শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার : মাসুম রেজা (বাপজানের বায়স্কোপ)।

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার : যুগ্মভাবে মাসুম রেজা (বাপজানের বায়স্কোপ) মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়স্কোপ)। শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : হুমায়ূন আহমেদ (অনিল বাগচীর একদিন)।

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক : মেহেদী রনি (বাপজানের বায়স্কোপ)। শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক সামুরাই মারুফ (জিরো ডিগ্রী)।

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক : মাহফুজুর রহমান খান (পদ্মপাতার জল)।

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক : রতন কুমার পাল (জিরো ডিগ্রী)।

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা : মুসকান সুমাইকা (পদ্মপাতার জল)।

শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান : শফিক (জালালের গল্প) এবার মোট ২৫টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকর্মীকে হয়রানি বা নির্যাতনের উদ্দেশে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার প্রবর্তন করা হয়নি। গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে সঠিক নিয়ম-কানুনের মধ্যে থেকে তাদের কাজ করতে পারেন সেজন্যই এ ধারা।

আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর জন্য প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৫৭ ধারার বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা আন্দোলন করছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চান ৫৭ ধারায় কত জন সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কেউ যদি দেশের নাম ক্ষুন্ন করার জন্য রাষ্ট্রবিরোধী কোনো লেখা লেখে অথবা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌক্তিক প্রমাণ ছাড়াই কোনো নিউজ লেখে তাহলে কি হবে, তার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যাবে না?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা : পাইকগাছায় নিম্নচাপে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, কয়েক দিনের টানা ভারী ও মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাতে উপজেলার পৌরসদরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজারোও চিংড়ি ঘের, পুকুর, জলাশয়ের মাছ ও চিংড়ি ভেসে গেছে। চলতি মৌসুমের আমনের বীজতলায় হাটু পানিতে, ক্ষেতের ফসল তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতিতে কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বীজ সরবরাহ না করা হলে কোন ক্রমেই আমনের লক্ষ্যমাত্রা পুরন হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলার পৌর সদরসহ ১০টি ইউনিয়নের চিংড়ি ঘের মালিক ও কৃষকদের মাঝ থেকে জানা গেছে, নিম্নচাপের কারণে কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে মিষ্টি পানির পুকুর, জলাশয়, হাজার-হাজার বিঘার লবণ পানির চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়ে মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অন্য দিকে, অতি বৃষ্টিতে কৃষি ক্ষেত-খামারসহ চলতি আমন মৌসুমের বীজতলায় হাটু পানির উপরে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। প্লাবিত হয়ে কোথায়ও- কোথায়ও জলবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। অসাধু কিছু ঘের মালিক স্লুইচ গেট নিয়ন্ত্রন করে কৃতিম জোয়ার সৃষ্টি করে ক্ষতি ডেকে আনছেন বলে এমন তথ্য দিয়েছেন অনেকে। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্র জানিয়েছেন, অতি বৃষ্টিতে হরিঢালী, কপিলমুনি, গড়ইখালী, দেলুটিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ১শ হেক্টরের অধিক আমনের বীজতলা তলিয়ে গেছে। ক্ষতির পরিমান আরোও বৃদ্ধি হতে পারে বলে কৃষি দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেছেন, এ মৌসুমে বীজের ঘাটতি পূরনের সম্ভাবনা নেই। তবে, তাঁরা কৃষকদের টিনের গোলা বা বাড়ীতে সংরক্ষিত ভোজধান থেকে বীজতলা বানানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ভাংঙন কবলিত নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ ভাঙ্গনের আশংঙ্খায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নলতা ডেস্ক : “মাছ চাষে গড়বো দেশ বদলে দেব বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার বেলা ১১টায় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হলরুমে পালিত হয় দিনটি। অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষের সফলতার স্বীকৃতি স্বরূপ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে শ্রেষ্ঠ সম্মাননা ক্রেস্ট। এ ‘শ্রেষ্ঠ সম্মাননা’ অর্জন করেছেন নলতার মৎস্য ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ আনারুল ইসলাম। তিনি দেবহাটার মাটিকোমরা গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়, তিনি প্রায় ৬’শত ৫০ বিঘা জমির ঘেরে মৎস্য চাষ করেন। যেখানে হাজার হাজার টন মৎস্য চিংড়ী উৎপাদন করে আসছেন শ্রেষ্ঠ চাষী আনারুল ইসলাম। দেশের সাদা সোনা খ্যাত এই উৎপাদিত চিংড়ী রপ্তানি করে সরকারের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। শ্রেষ্ঠ এই মৎস্য চাষী তাঁর উৎপাদিত চিংড়ী সারা বাংলাদেশে সরবরাহ করেন বলেও জানা যায়। মৎস্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে অফিসের পাশাপাশি তাঁর প্রধান কার্যালয় রয়েছে কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায়। দেশের প্রধান অর্থ অর্জনকারী ফসল এই চিংড়ী চাষকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধি করতে সরকারি সহযোগিতা আশু প্রয়োজন বলে মনে করেন চাষী ও ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকলেই।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি কর্মকর্তা জসীম উদ্দীনের সভাপতিত্বে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা ভাইজ চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন শ্রেষ্ঠ মৎস্য চাষী মোঃ আনারুল ইসলামের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষের উপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বিশ্বাস, উপজেলা প্রকৌশলী, পুরষ্কার প্রাপ্ত মৎস্য চাষী আনারুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল ওহাব প্রমূখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নলতা আহছানিয়া দরবেশ আলী ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক সোহরাব হোসেন সবুজসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মৎস্য চাষী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেস্ক রিপোর্টঃ, শ্যামনগর সদরে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। শ্যামনগর উপজেলা সদরেই চিহ্নিত মাদক সম্রাটদের দ্বারাই চলছে মাদক ব্যবসা। পূর্বে মাদক সম্রাটগন নিজেদের বাড়িতে বসে ব্যবসা পরিচালনা করলেও বর্তমানে প্রশাসনের চাপে তারা তাদের ব্যবসার পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে। বর্তমানে মাদক সম্রাটগন তাদের নিজেদের বাড়িতে ব্যবসা না করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাদক সেবকদের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই উপজেলা পরিষদ পেরিয়ে কয়েকগজ  যেতেই দেখা যায়, বাদঘাটা গ্রামের বিশিষ্ট নারী মাদক সম্রাজ্ঞী বিলকিচ বেগম (বিল্লু রানী) বাড়ির সন্নিকটে চিহ্নিত মাদক সেবকদের অহরহ আনাগোনা।
বিভিন্ন কৌশলে রাস্তায় দাড়িয়েই মাদক আদান প্রদান হয় বলে জানা যায়। মাদক সেবীরা মাদকের নেশার পয়সার যোগান দিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। স্থানীয় পর্যায়ে আরো জানা যায় রাস্তা দিয়ে কোন ছেলে মেয়ে এক সাথে যেতে লাগলে অথবা কোন বিবাহিত দাম্পতি যেতে থাকলে তাদের গতিরোধ করে তাদের কাছে থাকা নগদ অর্থ,স্বর্ণালংকার,মোবাইল সহ অনান্য জিনিস ছিনতাই করে নিচ্ছে এ রকম নজির স্থানীয় মানুষের কাছে অহরহ।
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মান্নান আলী মোল্লার সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি জনগনকেও এ বিষয়ে দেখের কর্তব্য আছে। মাদকের বিষয়ে আমার কাছে কোন প্রকার প্রশ্রয় নেই। এ বিষয়ে যদি কেউ আমার কাছে অভিযোগ করে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest