সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

এনএসআই কর্মকর্তার স্ত্রীর মৃত্যু, বিশিষ্টজনদের সমবেদনা জ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) উপ-পরিচালক মোঃ মোজাম্মেল হক এর স্ত্রী আজমিরা পারভিন গলায় ফাঁস লাগিয়ে  আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে শহরের পলাশপোলের ভাড়া বাড়িতে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল হক, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবুল হাশেমসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ওসি মারুফ আহমেদ জানান, এন.এস.আইয়ের উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক স্ত্রীকে বাসায় রেখে বাজারে যান। বাজার করে এসে তিনি দেখতে পান যে তার স্ত্রী আজমিরা পারভিন (৪৫) ড্রয়িং রুমে সিলিং ফ্যানে নিজের ওড়নায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে রয়েছেন।  তিনি জানান, এ সময় বাসায় আর কেউ ছিলেন না। আজমিরা পারভীন দীর্ঘদিনের মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানান ওসি। সম্প্রতি তাকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে। তিনি দুই ছেলে ও এক কন্যার জননী।
আজমিরা পারভিনের লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে আজমিরার গ্রামের বাড়ি রংপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে পলাশপোল চৌধুরী পাড়াস্থ বাসভবনের সামনে তারাবির নামাজের পর আজমিরা পারভীনের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে মৃত্যুর খবর পেয়ে একে একে সেখানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, ৩৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আরমান হোসেন পিএসসি, সাতক্ষীরা জেলা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নাসিম ফারুক খান মিঠু, বিশিষ্ট সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, আজকের সাতক্ষীরা’র সম্পাদক মহসিন হোসেন বাবলু, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কে এম আনিসুর রহমান, সাংবাদিক মমতাজ আহমেদ বাপী, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, সাতক্ষীরা পৌর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, সাংবাদিক কামরুল হাসান, আসাদুজ্জামান, আজকের সাতক্ষীরার সহ-সম্পাদক শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সদর উপজেলা আ. লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসান হাদীসহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পরিষদের ইফতার মাহফিলে সর্বস্তরের মানুষের মিলন মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৭ রমজান জেলা পরিষদ চত্বরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, ৩৮ বিজিবি’র অধিনায়ক মেজর আরমান হোসেন পিএসসি, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক এমপি ডা. মোখলেছুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, জেল সুপার আবু জাহেদ, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু আহমেদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, এড. আজহার ইসলাম, বিএম’র সভাপতি ডা. আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি এনছান বাহার বুলবুল, আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড জেলা শাখার সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেজুতি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অছলে, বল্লী ইউপি চেয়ারম্যান মো. বজলুর রহমান, আলিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ছোট, আগরদাড়ি ইউপ চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালি, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, পৌর যুবলীগের আহবায়ক আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন, সাধারণ সম্পাদ এহছান হাবীব অয়ন, জেলা পরিষদের সদস্য রোকেয়া মোসলেম উদ্দিন. শিল্পী রাণী মহলদার, শেখ আমজাদ হোসেন, মো. মতিয়ার রহমান গাজী, মো. ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মনিরুল ইসলাম, সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, এস.এম আসাদুর রহমান, মো. নুরুজ্জামান, ডালিম কুমার ঘরামী, এম.এ হাকিম, মো. মহিতুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মীর জাকির হোসেন, এড.শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, মাহফুজা সুলতানা, মো. আল ফেরদৌস আলফা ও কাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)  উপ পরিচালকের স্ত্রী আজমিরা পারভিন গলায় ফাঁস লাগিয়ে  আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে শহরের পলাশপোলের ভাড়া বাড়িতে। ঘটনার সময় ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল । তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগী ছিলেন। সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান এনএসআইয়ের উপ পরিচালক মোজাম্মেল হক তার মানসিক রোগী স্ত্রীকে ঘরে রেখে বাজারে যান। বাজার করে এসে তিনি  দেখতে পান যে তার স্ত্রী আজমিরা পারভিন (৪৫)  ড্রয়িং রুমে সিলিং ফ্যানে নিজের ওড়নায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে রয়েছেন।  তিনি জানান এ সময় বাসায় আর কেউ ছিলেন না।  তার স্ত্রী দীর্ঘদিনের মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানান ওসি। সম্প্রতি তাকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জননী।
ওসি আরও জানান আজমিরা পারভিনের লাশ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা খলিলনগরে আ. লীগের ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান

তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ ও আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার।
১২ নং খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান রাজু আহমেদের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিসহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগণসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের সকালে থাকুক মিষ্টি জর্দা

কিছুদিন পরেই ঈদ। আর এই ঈদের সকল প্রস্তুতি নিশ্চয় শেষ। এখন শুধু ঈদের দিনের মজার খাবার রান্না করার প্রস্তুতি। ঈদের দিন সকালে বিভিন্ন ধরণের মিষ্টি রান্না করা হয়। তার মধ্যে একটি হলো জর্দা।

আর এ কারণেই ডেইলি সাতক্ষীরা’র পাঠকদের জন্য রইল জর্দা রেসিপি-

উপকরণ

আনারস কুচি ২ কাপ, পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, চিনি ২ কাপ, গোলাপ জল ২ চা চামচ, কেওড়া ২ চা চামচ, মাওয়া ৪ টেবিল চামচ, জর্দার রঙ সামান্য, এলাচ ৪টি।

সাজানোর জন্য পেস্তাবাদাম, মাওয়া এবং ছোট মিষ্টি।

পদ্ধতি

প্রথমে পোলাওয়ের চাল সেদ্ধ করে ভাত রান্না করে ঠাণ্ডা করে নিন। কুচানো আনারস ঘিয়ে ভাজুন। এবার অন্য একটি পাত্রে ঘি দিয়ে ভাতগুলো ছাড়ুন। এরপর চিনি, ঘি, এলাচ, গোলাপ জল, কেওড়া ও জর্দার রঙ দিয়ে চুলায় বসান। চিনি শুকিয়ে এলে পাত্রের নিচে তাওয়া দিয়ে আনারসগুলো দিয়ে দমে রাখুন।

আধাঘণ্টা পর ওপরে মাওয়া পেস্তাবাদাম কুচি এবং ছোট ছোট মিষ্টি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রামীণ ব্যাংকে ৩ বছরে মুনাফা কমেছে ৯৮ শতাংশ

নোবেল জয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের অবস্থা আর আগের মতো নেই। প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইউনূস থেকে সরে যাওয়ার পর থেকেই নাজুক হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এখন প্রতিবছরই ধারাবাহিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের মুনাফা কমছে। যা কমতে কমতে প্রায় শূণ্যের কোঠায় ঠেকেছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। দারিদ্ বিমোচনে অবদান রাখার জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। তবে অনিয়মের অভিযোগ এনে ২০১১ সালে ব্যাংক থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আইনী লডাইয়ে হেরে অবশেষে একই বছরে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফায় ব্যাপক পতন লক্ষ্য করা যায়।

২০১২ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের মুনাফা হয় ১৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা নিয়মিতভাবে কমতে কমতে ২০১৫ সালে হয়েছে মাত্র ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে ৩ বছরের ব্যবধানে মুনাফা কমেছে ১৪৩ কোটি ১০ লাখ বা ৯৮.৩৫ শতাংশ।

এদিকে, গ্রামীণ ব্যাংকে ২০১২ সালের ১৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার মুনাফা ২০১৩ সালে কমে হয়েছে ১৩৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা ২০১৪ সালে আরও কমে দাঁড়ায় ৪৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের বছরের তুলনা করলে ব্যাংকটি মুনাফায় সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে ২০১৪ সালে।
বিগত ৩ বছরে প্রতিষ্ঠানটির আয় ও ব্যয় বেড়েছে। তবে আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এটির মুনাফায় এ ধস নেমেছে।

দেখা গেছে, ব্যাংকটি ২০১২ সালে (প্রভিশনিং পূর্বে) ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা আয় করে। যা ২০১৩ সালে ৯ শতাংশ বেড়ে হয় ২ হাজার ৭২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ২০১৪ সালে ৭ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৯০২ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং ২০১৫ সালে ৮ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ১৩৫ কোটি ২০ লাখ টাকা আয় হয়।

এদিকে, ২০১২ সালে ব্যাংকটির মোট ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৩৫৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৫৮৮ কোটি ১০ লাখ টাকা, ২০১৪ সালে ১০ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৮৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ২০১৫ সালে ১০ শতাংশ বেড়ে হয় ৩ হাজার ১৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে।

মুনাফার সঙ্গে প্রতিবছর গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মীর সংখ্যাও কমছে। ব্যাংকটিতে ২০১২ সালে ২২ হাজার ২৬১ জন কর্মী ছিল। যা ২০১৩ সালে ৪১০ জন কমে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৮৫১ জনে। এ ছাড়া ২০১৪ সালে ৪৪ জন ও ২০১৫ সালে ৭৬৪ জন কর্মী কমেছেন।

গত ৩ বছরে ব্যাংকটির শাখার সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ২০১২ সালে এটির ২ হাজার ৫৬৭টি শাখা ছিল। যা ২০১৫ সাল শেষে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৬৮টি। অর্থাৎ, এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ১টি মাত্র শাখা বেড়েছে। এ হিসাবে ব্যবসায় সম্প্রসারণ হয়নি।

২০১৫ সাল শেষে ব্যাংকটিতে গ্রাহকদের ১৯ হাজার কোটি টাকার ডিপোজিট বা আমানত রয়েছে। এর বিপরীতে ব্যাংকটির ১০ হাজার ১০৯ কোটি টাকার প্রদত্ত ঋণ রয়েছে।

ব্যাংকটিতে গ্রাহক বা সদস্য সংখ্যা নিয়মিতভাবে বাড়ছে। ২০১২ সালে ব্যাংকটিতে ৮৩ লাখ ৭৪ হাজার গ্রাহক ছিল। যা ২০১৫ সাল শেষে দাঁড়িয়েছে ৮৮ লাখ ৭ হাজারে। এ হিসাবে ৩ বছরে গ্রাহক বেড়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার।

১ হাজার কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধনের গ্রামীণ ব্যাংকে ২০১৫ সালে ৮৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। এ ছাড়া ২২ হাজার ৮৯ কোটি টাকার মোট সম্পদ রয়েছে। তবে দায় ব্যতীত ১ হাজার ৩৯ কোটি ১০ লাখ টাকার রিজার্ভসহ ১ হাজার ৭০২ কোটি টাকার নিট সম্পদ রয়েছে।

ব্যাংকটির মোট সম্পদের মধ্যে ২৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা রয়েছে। এ ছাড়া ১০ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা নগদ, ১৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকার স্থায়ী সম্পদ, ১০ হাজার ১০৯ কোটি টাকার প্রদত্ত ঋণ এবং ১ হাজার ১৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকার অন্যান্য সম্পদ রয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে গ্রামীণফোনের কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ব্যক্তিগত সচিবের বরাবর ই-মেইল করার জন্য বলে। এর আলোকে গত ১৩ জুন মেইল করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সর্বশেষ মেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন না নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছিলেন এবং অবসরের বয়সসীমা না মানার অভিযোগে ২০১১ সালের মার্চে তাকে বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দেয়। এর বিরুদ্ধে ড. ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংকের ৯ জন পরিচালক দু’টি রিট মামলা করেছিলেন। দু’টি রিট আবেদনই খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আদেশ বহাল রাখেন। ড. ইউনূস হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আপিল বিভাগে একটি আবেদন করেন। আপিল বিভাগ সেটিও খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০১১ সালের ১২ মে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ‘ইস্তফা’ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানে নয়, নামেই গলা কাটছে আড়ং

নামেই দাম। মানের সঙ্গে দাম আর মিলছে না খ্যাতিমান দেশীয় পণ্য ‍উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আড়ংয়ে। ক্রেতাদের অভিযোগ- মানে নয়, আড়ং এখন গলা কাটছে নামে। বিশ্বাস এবং আস্থার প্রতীক আড়ং এখন প্রতারণার প্রতিষ্ঠানেই রূপ নিয়েছে বলে তাদের ক্ষোভ।

রাজধানীর বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখা গেছে, আড়ংয়ের পণ্যের দাম এবং মান নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে নানা ক্ষোভ। অনেকে নামে কিনছেন বটে, তবে কেউ কেউ আবার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

বুধবার আড়ংয়ের গুলশান শাখা থেকে পাঞ্জাবি কিনে বের হচ্ছিলেন শামীম আহমেদ। তিন ভাইয়ের জন্য পাঞ্জাবি এবং মায়ের জন্য শাড়ি কিনেছেন তিনি।

কথা হয়, ঈদের কেনাকাটা প্রসঙ্গে। বলেন, ‘আড়ং আমাদের কাছে বিশ্বাসের প্রতীক। বাঙালিয়ানায় আড়ংয়ের কোনো তুলনা হয় না। রুচি আর ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ নিয়েই আড়ংয়ে পণ্য কিনতে আসি। কিনছি বহুবছর ধরেই। আড়ংকে আমার নিজের প্রতিষ্ঠান বলেই মনে করি। তবে এখন পণ্যের মান এবং দাম নিয়ে রীতিমতো বিরক্ত।’

শাড়ি কিনে মন উঠলেও পাঞ্জাবি কিনে পকেট ফাঁকা হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘এটি বিশ্বাসের সঙ্গে ডাকাতি ছাড়া আর কিছুই না। তিন পাঞ্জাবিতে ১৩ হাজার টাকা গুণতে হয়েছে। অথচ মান কোনোভাবেই দামের সঙ্গে যায় না। আরও মার্কেটের খবর রাখি। আস্থার সুযোগ নিয়ে এমন বাড়াবাড়ি রকমের মূল্য নিলে আড়ং থেকে মুখ ফেরানো ছাড়া উপায় থাকবে না।’

কথা হয় বসন্ধুরা সিটির আড়ং শো-রুমে ঈদবাজার করতে আসা মিশুর সঙ্গে। বলেন, ‘আড়ংয়ের পণ্য ভালো লাগে। ডিজাইন, রং সবই মনের মতো। তবে এই ভালো লাগার সঙ্গে কেন যেন মনে হচ্ছে আড়ং এখন প্রতারণা করছে। কিছু ভালো পণ্য রেখে তার সঙ্গে মানহীন পণ্যও রেখেছে। আড়ংয়ের শাড়ি এখনও নারীর মন মাতায়। তবে আমি আর আড়ং থেকে পাঞ্জাবি কিনব না। গতবার একটি রঙিন পাঞ্জাবি নিয়েছিলাম স্বামীর জন্য। সপ্তাহ পরেই রং উঠে পরনের অযোগ্য হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, এখানে যারা আসেন তারা আড়ংয়ের পণ্যের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে আসেন। এখন এই বিশ্বাস ঘাটতি হলে তো ক্রেতারা মুখ ফেরাবেই।

আড়ংয়ের পাঞ্জাবি কিনে ঠকেছেন আদনান নামের এক সাংবাদিকও। তিনি বলেন, যে টাকায় পাঞ্জাবি কিনেছি, সে টাকায় অন্য কোনো ব্র্যান্ডের পাঞ্জাবি নিলে অনেক লাভ করতে পারতাম। ঈদবাজারের সুযোগ নিয়ে অচল পণ্যও চালিয়ে দিচ্ছে আড়ং।

তবে আড়ংয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার আশরাফুল আলম পণ্যের মানের ব্যাপারে ক্রেতাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ক্রেতার মেজাজ এবং রুচিকে গুরুত্ব দিয়েই আমাদের পণ্য। ক্রেতাদের ভালোবাসা এবং বিশ্বাসকে পুঁজি করেই আড়ংয়ের আজকের এই অবস্থান। আমরা মানের দিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। মান এবং দামের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখেই আড়ং ব্যবসা করে আসছে।

তবে কিছু কিছু পোশাকের রং পরিবর্তন নিয়ে অভিযোগ আসছে সে ব্যাপারে ওয়াকিবহাল আশরাফুল আলম। বলেন, ‘ক্রেতাদের অভিযোগ নিয়েই আমরা পণ্যের মান ভালো করে থাকি। তারাই আমাদের পরামর্শদাতা। কোনো ক্রেতা অভিযোগ করলে আমরা তার ব্যবস্থা নিই এবং ক্রেতার চাহিদা পূরণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকি।’

তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আড়ংয়ের পণ্য উৎপন্ন হয়। সব জায়গার আবহাওয়াও এক নয়। আবার সব কারিগরের দক্ষতাও সমান, তা বলা যাবে না। এ কারণে পোশাকের রং নিয়ে আমাদের সবসময় চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকতে হয়। আমরা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি এবং সহায়তা দিচ্ছি কারিগরদের। এ কারণেই আড়ংয়ের পণ্যের মান ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বিশ্বাস করি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের প্রথম রোবট পুলিশ

পুরোদস্তুর কাজে নেমে পড়েছে রোবট পুলিশ। বিশ্বে এই প্রথম। দুবাইয়ের কেন্দ্রস্থল থেকে একটু দূরে, সেই রূপকথার অট্টালিকা বুর্জ খলিফায়।

দুবাই পুলিশের স্মার্ট সার্ভিসের প্রধান ব্রিগেডিয়ার খালেদ আল রাজুকি জানিয়েছেন, বাহিনীর এক চতুর্থাংশই ভরে যাবে রোবট পুলিশকর্মীতে। ২০৩০ সালের মধ্যেই তা করা হবে।

মাথায় পুলিশের টুপি। সব সময় চক্কর মারছে বাইকে। চার দিকে নজর রাখতে হবে তো! আর তার বুকে রয়েছে একটা কম্পিউটারের টাচ স্ক্রিন। যেখানে যে কেউ কমপ্লেন করতে পারেন। ব্যবস্থা নেওয়া হবে সঙ্গে সঙ্গেই। রোবটটির সঙ্গে একটি ক্যামেরাও আছে।

রাত হলেই বাইকে আর রাস্তায় ঘোরাঘুরি করবে না সেই রোবট পুলিশ। ঠায় দাঁড়িয়ে পড়বে বুর্জ খলিফার সামনে। সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে সারা রাত।

তবে এই রোবট পুলিশ অফিসারও অন্য পুলিশকর্মীদের মতো কার্যত, নিধিরাম সর্দার! কারণ সে অপরাধী বা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে না।

গ্রেফতারির কাজটা আপাতত মানুষের ওপরেই ছেড়ে দিয়েছে রোবট পুলিশ!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest