সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করাই আমাদের মূল দায়িত্ব -পাবলিক সার্ভিস দিবসে জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘টেকসই উন্নয়ন-লক্ষ্য অর্জনে জনমুখী সেবা ও উদ্ভাবনী প্রয়াস’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস ২০১৭ পালিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ জুন) সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীগণের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির জন্য সরকার ‘জনপ্রশাসন পদক’ প্রবর্তন করেছেন। জনগণের শুদ্ধাচার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি কাজে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হয়েছে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করতে কার্যকর করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করাই আমাদের মূল দায়িত্ব। জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছানোর জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি।’
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল লতিফ খান, জেল সুপার আবু জাহেদ, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিষ চৌধুরী, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ, জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট একি মিত্র চাকমা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন, তালা থানা ০৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন, শ্যামনগর থানা ১০ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদ: তারিখ জানতে বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হতে সমস্যা কোথায়

বাংলাদেশে মুসলমানদের সবচাইতে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর কবে হবে? প্রতিবছরের মতো এবারও মানুষের মনে একই প্রশ্ন।

উনত্রিশতম রোজার সন্ধ্যেবেলায়, অর্থাৎ আগামী রবিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে ঈদের দিনটি। ঐতিহাসিকভাবেই এমনটা হয়ে আসছে।

কিন্তু জোতির্বিজ্ঞানিরা অনেক আগেই হিসেবে করে বের করে ফেলেছেন, এবার রোজা হবে উনত্রিশটি, ঈদ হবে সোমবার।

এমনকি তারা আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতিটা ঈদের দিন তারিখ, প্রতিটি হিজরি মাস শুরু হওয়ার সুর্নির্দিষ্ট দিন জানেন।

বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের প্রয়াত অধ্যাপক আনোয়ারুর রহমান খান আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত চাঁদের এই গতিবিধির হিসেব করে গেছেন।

ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি ঈদের দিনক্ষণ, প্রতিটি হিজরী মাসের শুরু হবার সময় এখন জোতির্বিজ্ঞানীদের জানা।

সোসাইটির সহ-সভাপতি মুনির হাসান এ তথ্য জানিয়ে বলছেন, “আমরা বলছি, নতুন চাঁদের জন্ম হবে শনিবারে। কিন্তু সে চাঁদটা দেখা যাবে না। কারণ সেটার আলোকিত অংশ এত কম যে সেটা আমাদের চোখে পড়বে না। রোববারে সন্ধে সাতটা একুশ মিনিটে চাঁদের আলোকিত অংশ অনেক বেশি অর্থাৎ ১৪% থাকবে, ফলে সেটা খালি চোখে দেখা যাবে”।

“এটা কিন্তু শুধু চাঁদের বেলায় না, আমরা আপনাকে বলতে পারব এর পরের সূর্যগ্রহণটি কবে হবে, এর পরের চন্দ্রগ্রহণটা কবে হবে। খুবই সহজ হিসেব এটা, ক্যালকুলেশন করেই বের করে ফেলা যায়”।

অথচ প্রতি বছর ঈদ এলেই মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে উনত্রিশ রোজা শেষে ঈদ হবে না কি ত্রিশ রোজা শেষ ঈদ হবে। এই প্রশ্নের উত্তর জানা যায় উনত্রিশতম রোজার সন্ধেবেলায়।
কারণ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ওইদিন সন্ধেবেলায় এসে একটি বৈঠক করে ঠিক করে মাসটি উনত্রিশ দিনে হবে নাকি ত্রিশ দিনে হবে।

আর এজন্য তাদের ব্যবহৃত একমাত্র পদ্ধতি হলো খালি চোখে চাঁদ দেখা। অর্থাৎ, বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে এই চাঁদ দেখা কমিটির নির্ভরযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে স্বচক্ষে চাঁদ দেখতে হবে।

কিন্তু যেখানে বৈজ্ঞানিক হিসেব নিকেশের মাধ্যমে যেখানে দিনটি সম্পর্কে আগেভাগেই নিশ্চিত জোতির্বিজ্ঞানীরা, সেখানে শেষ দিন পর্যন্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা কেন?

চাঁদ দেখা কমিটির সদস্য ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ভারপ্রাপ্ত খতিব মিজানুর রহমান বলছেন, “যদি তাদের হিসেবে ১% গড়মিল হবারও সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে কি করবো আমরা? সেক্ষেত্রে আমাদের দেখার উপরেই নির্ভর করতে হবে”।

মি: রহমান বলছেন, ঈদ, রোজা, হিজরী মাস ইত্যাদি যেহেতু ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী চলে, সেহেতু তারা ধর্মীয় নির্দেশনা মেনেই এটা করবেন, এটাই নিয়ম।

অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটি যদিও তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার সন্ধেবেলায় চাঁদ উঠবার কথা হিসেব নিকেশ সহকারে বলে দিচ্ছে, কিন্তু এখানে তারা ‘নিশ্চিত’ শব্দটি ব্যবহার না করে ‘সম্ভাবনা’ শব্দটি ব্যবহার করছে ওই ইসলামী নিয়মের ব্যাপারটি মাথায় রেখেই।

যদিও সোসাইটির মুনির হাসান বলছেন, তারা হিসেব শুরু করার পর থেকে অদ্যবধি কখনো ভুল প্রমাণিত হননি, আশা করেন ভবিষ্যতে ভুল হবে না।

কিন্তু এটাও ঠিক, আপনি যদি এখনই জেনে যান ২০২৫ সাল বা তারও অনেক বছর পর পর্যন্ত প্রতিটি ঈদুল ফিতরের দিনক্ষণ, তাতে উত্তেজনা কোথায়।

বরং উনত্রিশতম রোজার সন্ধেবেলায় নিজ চোখে চাঁদ দেখে ঈদের দিনক্ষণ সম্পর্কে জানার মধ্যে একটি আনন্দের ব্যাপার আছে বৈকি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সানচেজের রেকর্ড, চিলি-জার্মানির পয়েন্ট ভাগাভাগি

কনফেডারেশন্স কাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে বিশ্বসেরা জার্মানি ও কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন চিলি। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রুপ পর্বের দুদলের লড়াইটি ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকে।

কাজানে দলের সেরা তারকা অ্যালেক্সিস সানচেজের গোলে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় চিলিয়ানরা। প্রথমার্ধের কিছু আগে লার্স স্টিন্ডলের গোলে সমতা ফেরায় জার্মানরা। দ্বিতীয়ার্ধে আর কেউই প্রতিপক্ষের জালমুখ খুলতে পারেনি।

এই ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট করে নিয়ে গোল পার্থক্যে বি-গ্রুপের শীর্ষে থাকল চিলি, আর দুইয়ে জার্মানি। একই গ্রুপের রাতের অন্য ম্যাচটিও ড্র হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও ক্যামেরুন ১-১ গোলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সমান ১ পয়েন্ট করে নিয়ে গোল পার্থক্যে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে।

নিজের প্রথম ম্যাচে চিলি ২-০ গোলে জিতেছিল ক্যামেরুনের বিপক্ষে, আর জার্মানি ৩-২ গোলে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। রোববার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চিলি এবং ক্যামেরুনের বিপক্ষে খেলবে জার্মানি।

কনফেডারেশন্স কাপের জার্মান দলটা ড্রাক্সলার-চ্যান, ব্রান্ট-কিমিখ, গোরেৎস্কারদের মতো প্রতিভাবান তরুণে ভরা। টানা দুই কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন অভিজ্ঞ সানচেজ-ভিদালরা তাদের ম্যাচের শুরু থেকেই চেপে ধরেছিল।

বর্তমান সময়ের অন্যতম ক্ষীপ্র ও পাল্টা আক্রমণে দক্ষ দল চিলির গোল পেতেও দেরি হয়নি। ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। এসময় মুস্তাফির শিশুতোষ ভুলে বল পেয়ে যায় চিলি। এই জার্মান ডিফেন্ডার সোজাসুজি এক শটে বল তুলে দেন প্রতিপক্ষের পায়ে। তা থেকে ভিদালের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান খেলে গোল আদায় করে নেন সানচেজ।

এই গোলটি দিয়েই লা রোজাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলস্কোরারের তালিকায় শীর্ষ স্থানটিতে নাম লেখালেন সানচেজ। জাতীয় দলের জার্সিতে আর্সেনাল স্ট্রাইকারের গোল দাঁড়াল রেকর্ড ৩৮টিতে। এতদিন ৩৭ গোল নিয়ে মার্সেলো সালাসের সঙ্গে যৌথভাবে চিলির সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে ছিলেন সানচেজ।

গোলটির সঙ্গে মুস্তাফিকে লাল কার্ড দেখাতে জোরাল আবেদন করে চিলিয়ানরা। কিন্তু ভিদালকে বাজেভাবে ট্যাকল করার বিষয়টি এড়িয়ে যেয়ে কেবল গোলের বাঁশিই বাজান রেফারি।

ম্যাচের ২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ হাতছাড়া হয় চিলির। মিডফিল্ডার এডোয়ার্ডো ভার্গাসের শট এসময় পোস্ট দুর্ভাগ্যে কাটা পড়ে। পরে ৩৬ মিনিটে মিডফিল্ডার এমরি কানের ভলিও লক্ষ্যে থাকেনি।

এরপর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে জার্মানি। তাদের সাফল্যটি আসে ম্যাচের ৪১ মিনিটে। গত ম্যাচেও গোল করা লার্স স্টিন্ডল সমতা ফেরান। হেক্টরের দিকে বল ঠেলে দিয়ে বামদিক ঘিরে আক্রমণে ওঠেন স্টিন্ডল। পরে হেক্টর তাকে গোলমুখে ফিরতি পাস দিলে জাল খুঁজে নেন এই জার্মান। শেষ পর্যন্ত সেটিই জোয়াকিম লোর দলকে ভাগাভাগি করা পয়েন্টটি এনে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্ক, অতঃপর

শিক্ষিকা আমিনা নাজম খান (৩৬)। বিবাহিতা। শিক্ষকতা করেন লন্ডনের ব্র্যাডফোর্ডের টং হাই স্কুলে। এখানেই সরাসরি তার এক ছাত্রকে ভালো লেগে যায়। বয়সে তার অর্ধেক হলেও ওই ছাত্রকে কাছে পেতে উতলা হয়ে পড়েন তিনি। আস্তে আস্তে তাকে নিজের ফর্মুলায় নিয়ে আসেন। তাকে উত্তেজিত করতে ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে নিজের নগ্ন ছবি ও রগরগে সব মেসেজ পাঠাতে থাকেন। ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। তাদের সম্পর্ক গড়িয়েছে বিছানায়। একবার দু’বার নয়, অনেকবার। ৯ মাস ধরে চলেছে তাদের অবাধ মেলামেশা।

শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ার পর ওই শিক্ষিকাকে স্কুল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়, শিক্ষিকা নাজম খান যে ছাত্রকে তার শিকারে পরিণত করেছিলেন তার বয়স ১৮ বছর। তিনি ভালোবেসে ওই ছাত্রের নাম দিয়েছিলেন ‘দ্য এ টিম’। আর নিজেকে নাজম খান নাম দেন ‘বেবি’। ব্র্যাডফোর্ডে সরাসরি তাকে পড়ানোর ফাঁকে এসব চলতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে চলে তাদের আদিম উন্মত্ততা। এ বিষয়টি নিয়ে আচরণগত প্যানেলের কাছে নালিশ গেছে। তারাই তদন্ত করে এসব তথ্য ফাঁস করেছেন মিডিয়ার কাছে। ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে নাজম খানের শিকার ছাত্রটির বয়স হয় ১৮ বছর।

প্যানেল তদন্ত করে দেখেছে, নাজম খান ব্র্যাডফোর্ডের ওই স্কুলে ২০০৯ সাল থেকে কর্মরত ছিলেন। এ সময়ে তিনি তার ‘দ্য এ টিম’কে অনেকবার হোটেল রুমে নিয়ে গিয়েছেন। এছাড়া দূরে রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছেন দুজনে। তবে কে সেই হোটেলের বিল দিয়েছেন তা পরিষ্কার নয়। স্কুলের তদন্তকারীদের কাছে ওই ছাত্র বলেছেন, আমরা খাবার খেতে বাইরে বেরিয়ে যেতাম। তিনি (নাজম) কখনো আমাকে কোনো কিছুর বিল দিতে দিতেন না। ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচিং অ্যান্ড লিডারশিপে এক শুনানিতে ওই ছাত্র আরো বলেছেন, একদিন আমরা একটি রেস্তরাঁয় খেতে যাই। তখন ওই রেস্তরাঁয় উপস্থিত ছিল আরো একজন ছাত্র। সে আমাদের দেখে ফেলে। এরপর চারদিকে ছড়ায় কাহিনী।

ছাত্র-শিক্ষিকার এই অনৈতিক প্রেম চলতে থাকে ২০১৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে একদিন ওই স্কুলের একজন কর্মকর্তার কাছে একটি ই-মেইল যায়। তাতে চলমান এসব ঘটনার বর্ণনা ছিল। কিন্তু শিক্ষিকা নাজম মিথ্যা কথা বলে অভিযোগ ঢাকার চেষ্টা করেন। এ অবস্থায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। নাজম তার প্রেমিকের সঙ্গ ত্যাগ করেন। তিনি একদিন ওই ছাত্রকে মেসেজ পাঠান ‘এখন থেকে আমাদের সম্পর্কের কথা তুমি কারো সঙ্গে আলোচনা করবে না। আমি আরো তোমাকে অনুরোধ করছি আমার সব ছবি মুছে দাও। আমার দেয়া মেসেজগুলোও মুছে দিও। কারণ, আমি চাই না স্কুল কর্তৃপক্ষ এগুলো হাতে পেয়ে আমাদেরকে আরো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলুক’।

শুনানিতে তার প্রেমিক, ছাত্র কি বলেছে, তার একটি কপি চেয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অনেকবার আবেদন করেছেন নাজম খান। কিন্তু তাকে তা দেয়া হয় নি। ওদিকে প্রেমিকরূপী ছাত্র আরো বলেছেন, শিক্ষিকা নাজম খান তাকে উপহার দিয়ে ভাসিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে হুগো বস ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি, কনসার্টের টিকিট। তবে তার এসব দাবিকে আমলে নেয় নি ট্রাইব্যুনাল। তারা বলেছে, ‘দ্য এ টিম’ নামধারী ওই ছাত্র এখন তার শিক্ষিকার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকার কারণে তার ওপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য এসব বলছে। তবে সবকিছু যাচাই বাছাই করে ওই শিক্ষিকাকে স্কুল থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে আর স্কুলে যান না শিক্ষিকা নাজম খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এতিম শিশুদের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের ইফতার

বিশ্বসেরা ক্রিকেট অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান খুলনায় ২০০ এতিম শিশুর সঙ্গে ইফতার করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগরের সিটি ইনে ব্যতিক্রমধর্মী এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বেসরকারি মুঠোফোন অপারেটর বাংলালিংক। সাকিব আল হাসান বাংলালিংকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর।

ইফতারের আগে সাকিব আল হাসান এতিম শিশুদের সঙ্গে হাত মেলান এবং টেবিলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। সাকিব আল হাসানকে পেয়ে শিশুদের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক দেখা যায়।

ইফতার আয়োজন সম্পর্কে সাকিব আল হাসান বলেন, বাংলালিংকের এ রকম ব্যতিক্রমধর্মী ইফতার আয়োজনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে তিনি সত্যিই খুব আনন্দিত। তিনি বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলালিংকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে কাজ করছেন। এ রকম একটি ব্র্যান্ডকে তুলে ধরতে পেরে তিনি সত্যিই গর্বিত, যেটি শুধু পণ্য এবং সেবা প্রচারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই বরং রমজানের এই পবিত্র মাসে এতিম শিশুদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার মতো মহৎ উদ্যোগ গ্রহণেও এগিয়ে এসেছে।

পরে এতিমদের শিশুদের সঙ্গে সাকিব আল হাসান ফটোসেশন করেন। একই সময় সাকিব আল হাসান তাঁর স্বাক্ষরযুক্ত কিছু ব্যাট এতিমদের উপহার দেন।

সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ছবি তোলা এবং স্বাক্ষরযুক্ত ব্যাট পেয়ে শিশু ইয়াসিন খুব খুশি হয়। নেছারিয়া এতিমখানার হেফজ বিভাগের ছাত্র ইয়াসিন বলেন, এত বড় সুযোগ পেয়ে তারা খুব আনন্দিত। সে প্রথম বিশ্বাসই করতে পারেনি। মাঠকাঁপানো এই অলরাউন্ডারকে এত কাছে থেকে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বাংলালিংককে ধন্যবাদ জানায় সে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের আঞ্চলিক পরিচালক এফ এম শাহরিয়ার ওমর প্রিন্স, বাংলালিংকের খুলনা অঞ্চলের প্রধান মো. নাইমুল হাসান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আজ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর জননেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হকের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এই দলের নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থাকলেও পরবর্তীকালে ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি গ্রহণের মাধ্যমে ১৯৫৫ সালে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ নামকরণ করা হয়।

১৯৫২ সালে মায়ের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে ’৫৪ সালের নির্বাচন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে এ দেশের মানুষ। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানিদের হীন চক্রান্তের ফলে মেয়াদ উত্তীর্ণের আগেই ভেঙে দেওয়া হয় মন্ত্রিসভা। শুরু হয় লাগাতার গণতান্ত্রিক আন্দোলন। ’৬২-এর গণবিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, ’৬৬-এর বাঙালি মুক্তি সনদ ৬ দফা ঘোষণার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পরিণত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে। তাঁর বিরুদ্ধে শুরু হয় চক্রান্ত। দায়ের করা হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। তাঁকে গ্রেপ্তার করে সম্পন্ন করা হয় ফাঁসিতে ঝুলানোর যাবতীয় আয়োজন। কিন্তু বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাদের প্রিয় নেতাকে কারাগার থেকে মুক্ত করে। শেখ মুজিব অভিষিক্ত হন ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে।

তারপর ’৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ লাভ করে ইতিহাসের নজিরবিহীন সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবু ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি পাকিস্তানিরা। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, ’৭১ সালের ৭ মার্চ। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ঘোষণা, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে মরণপণ মুক্তির সংগ্রামে। অবশেষে দীর্ঘ নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর দুই লাখের মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে। জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মাধ্যমে এই সংগঠনটিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নব-উদ্যমে সংগঠিত হন। তারই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা ১৯৯৬-এর সরকার গঠন করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। ২০০৮ সালে পুনরায় সরকার গঠন করে ‘রূপকল্প ২০২১’-এর আলোকে মধ্যম আয়ের সুখী-সমৃদ্ধশালী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখান এবং ২০১৪ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প ২০৪১’-এর আলোকে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জনের ধারাবাহিকতায় বাংলার জনগণ বিশ্বাস করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সে জন্য ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার দিবসটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল।

২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৩ জুন সূর্য উদয়ে সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।

সকাল সাড়ে ৯টায় টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করবেন। টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক এমপি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক  শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মুন্নুজান সুফিয়ান এমপি, এস এম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলন উপস্থিত থাকবেন।

এ উপলক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার গৌরবোজ্জ্বল ৬৮ বছর পূর্তিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল জেলা, উপজেলাসহ সকল স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার রাজপুত্র হ্যারি

সম্প্রতি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারি।  সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সিংহাসনে কোনও ধরনের আগ্রহ নেই তার।
নিউজ উইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা যায়  বিদ্রোহী রাজবধূ প্রিন্সেস ডায়না এবং স্বামী চার্লস-এর দ্বিতীয় পুত্র হ্যারিকে। ‘রাজপরিবারের কেউ কি আছে যে রাজা বা রানী হতে চায়? আমার মনে হয় না’ সাক্ষাৎকারে বলেন হ্যারি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে যে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র জারি আছে, শাসনক্ষমতায় তার তেমন কোনও ভূমিকা নাই। তবে ব্রিটিশ জনগণের প্রচুর অর্থ ওই রাজতন্ত্র রক্ষায় ব্যয় হয়। ব্রিটেনের রানির অঢেল ধনসম্পদের উৎস সাধারণ ব্রিটিশ জনতার দেওয়া কর। জনগণের করের অর্থে একুশ শতকে এসে রাজতন্ত্র বজায় রাখার কোনও কারণ দেখেন না অনেকেই। অনেকেই আবার ঐতিহ্য আকারে দেখেন একে। হ্যারি বলছেন,  দায়িত্ব পালন করছেন বাধ্য হয়ে। রাজপরিবারের সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন জনগণের বৃহত্তর কল্যাণের কথা ভেবে।’ বলেন হ্যারি।

নিউজ ইউককে হ্যারি মার্কিন ওই ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের আধুনিকীকরণে তিনি কাজ করছেন। বলেছেন ‘বিষয়টা অনেক জটিল। কৌশলগতভাবে ভারসাম্য বজায় রাখাটা আসলেই কষ্টকর।’’

বিদ্রোহী রাজবধূ ডায়নার গর্ভে জন্ম নেওয়া হ্যারি রাজপ্রথার বাইরে এসে মানুষের সঙ্গে মিশেছেন নিবিড়ভাবে। ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি স্পষ্ট করতে নিউজ উইককে তিনি বলেছেন, ‘নিজের কেনাকাটা আমি নিজেই করি। আমার শঙ্কাও থাকে। কেউ যদি চিনে ফেলে আমাকে। তবে আমার সন্তানদের ক্ষেত্রেও আমি চাইব, সাধারণ মানুষের মতোই হবে তাদের জীবনযাপন।

প্রিন্স হ্যারি ২০০৬ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষে ১০ বছর কাজ করেছেন। নানান ধারার সহায়তামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত তিনি। তিনি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের প্রচলিত আভিজাত্য ভেঙে বারবার সাধারণ মানুষের কাছে এসেছেন। প্রেমিক হিসেবেও তিনি সংবাদমাধ্যমে বারবার শিরোনাম হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest