hb2স্বাস্থ্য ও জীবন : প্রতিটি মানুষের রক্তে নির্দিষ্ট মাত্রায় চর্বি থাকে। কিন্তু এই চর্বির পরিমাণ যখন বেড়ে যায় তখন বেড়ে যায় অনেক মারাত্মক রোগের ঝুঁকি। রক্তে অতিমাত্রার চর্বি করোনারি আর্টারি ডিজিজ বা হূদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

আসুন প্রথমে জেনে নেয়া যাক রক্তের চর্বির স্বাভাবিক মাত্রা কত। এটা আমরা লিপিড প্রফাইলের মাধ্যমে জানতে পারি। টোটাল কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ধরা হয় ২২০ মি.গ্রাম/ডিএল পর্যন্ত বা 5.2 mmol/L আর ট্রাইগ্লিসারাইড 50-150 mg /dl পর্যন্ত স্বাভাবিক বা 2.3 mmol/HDL বা হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনকে বলা হয় ভালো কোলেস্টেরল, এটা বেশি থাকাই কাম্য। HDL 35mg /dl বা 0.9 mmol/L এর কম হলে সেটা ভালো নয়।

এবারে আমরা জেনে নেবো কিভাবে আমরা রক্তে চর্বির পরিমাণ কমাতে পারি বা কম রাখতে পারি। প্রথমেই বলা যাক খাদ্যতালিকায় কী কী সংযোজন বা পরিহার করতে হবে।

গরু ও খাসির গোশত খাওয়া কমিয়ে দিন। আর, হ্যাঁ, সেই সাথে অবশ্যই কলিজা জাতীয় খাবারও আপনাকে কম খেতে বা খাওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রচুর মপরিমাণে মাছ খান। শাকসবজি ও ফল খান। দুধ বা দুধ থেকে উত্পন্ন খাদ্য যেন- ঘি, পনির, মাখন, আইসক্রিম খাবেন না। ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে খাবেন, তার মানে শুধু ডিমের সাদা অংশ খেতে হবে। নারকেল বা নারকেল দেয়া খাবার পরিত্যাগ করুন।

খাবার তালিকা সংশোধনের সাথে সাথে হূদরোগ-এর ঝুঁকি বাড়ায় এমন কোনো অভ্যাস যেমন ধূমপান পরিহার করতে হবে। তাছাড়া উচ্চরক্তচাপ থাকলে তার জন্য সঠিক চিকিত্সা নেয়া জরুরি।

এরপর আসা যাক অ্যারোবিক এক্সারসাইজের কথায়। ব্যায়াম করার আগে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যায়াম করা স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজন।

এবার আসা যাক অ্যান্টি আক্সিডেন্ট ভিটামিনের কথায়। ভিটামিন এ, ই ও সি হচ্ছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভিটামিন। নানাভাবে এরা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় ও হূদরোগের ঝুঁকি কমায়।

ভিটামিন এ রয়েছে রঙিন শাক সবজিতে। আর প্রতিদিন অন্তত ১৫ গ্রাম ভিটামিন এ আমাদের জন্য প্রয়োজন। তাই ভিটামিন সমৃদ্ধ প্রচুর পরিমাণ কাঁচা ও রান্নাকরা শাকসবজি, ফল গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

খুব দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, তারপরও রক্তে কোলেস্টেরল বা চর্বির পরিমাণ বেশি এ রকম অনেকেই আমাদের কারো না কারো পরিবারে আছেন। আর তাদেরকে তখন নানারকম ওষুধের মাধ্যমে রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

৫০ বছর এর অধিক বয়সী অনেক মহিলার সার্জারি করে জরায়ু ফেলে দেয়া হয়। আবার সে সময় তারা এমনিতেই মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি কালে চলে যান। এই সময় তারা যদি ইস্ট্রোজেন নেন তাহলে তারা হূদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারেন।

কারণ ইস্ট্রোজেন বা হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি দেয়া হলে তা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যেসব ওষুধ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় তা চারটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। বাইল এসিড রেজিন, নায়াসিন, স্ট্যাটিন এবং ফিব্রিক এসিড থেকে প্রাপ্ত ওষুধ।

১। বাইল এসিড রেজিনকে প্রথম ধাপের ওষুধ বলা হয়। এই ওষুধ কোলেস্টেরল এবং বাইল এসিডের সাথে সংযুক্ত হয় অন্ত্রে এবং কোলেস্টেরলের শোষণ কমায়। এতে করে লিভার রক্ত থেকে বেশি পরিমাণ এলডিএল বা লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন শুষে নেয়। এতে করে ২৫-৩০ ভাগ এলডিএল কমে যেতে পারে। বাইল এসিড রেজিনের সুবিধা এই যে, এটা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। তবে এটা খেলে প্রচুর পরিমাণ পানি পান ও আশযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো এবং এতে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

২। নায়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড বি ভিটামিন। এটি ঠিক কিভাবে রক্তের চর্বির পরিমাণ কমায় তা জানা পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। জানা গেছে, লিভারের এলডিএল কোলেস্টেরল তৈরিতে এটা বাধা দেয়। এটি ১৫-২০ ভাগ এলডিএল কমাতে পারে। এবং ২০-৩৫ ভাগ এইচডিএল-এর পরিমাণ বাড়ায়।

নায়াসিনের কর্মক্ষমতা ভালো কিন্তু কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যেমন- মাথা ব্যথা, চুলকানি, মুখ চোখ ঝাঁঝাঁ করা ইত্যাদি। তবে নায়াসিন খাবার আগে ৩২৫ মি.গ্রাম অ্যাসপিরিন খেলে এগুলো কম হবে। নায়াসিন নেয়ার আগে এটাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে, লিভার ঠিকমতো কাজ করছে কি না।

৩। স্ট্যাটিন বা এইচএমজি কো-এ রিডাকটেজ ইনহিবিটর-এর মধ্যে রয়েছে লোভাষ্ট্যাটিন, সিমভাস্ট্যান্টিন, প্রাভাস্ট্যাটিন, ফ্লুভাস্ট্যাটিন। নতুন আবিষ্কৃত অ্যাটরভ্যাস্টিন এবং

সারভিস্ট্যাটিন। এগুলো লিভারে কাজ করে, এরা কোলেস্টেরল তৈরিতে বাধা দেয়। এতে করে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। স্ট্যাটিন নেয়ার আগেও লিভারের কার্যক্ষমতা দেখে নিতে হবে।

কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন- মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে মাংসপেশিতে ব্যথা। এই ওষুধ প্রতিদিন দিন সন্ধ্যায় একবার গ্রহণ করলেই হয়।

৪। ফিব্রিক এসিড থেকে উত্পন্ন জেমোফ্রিব্রেজিল সাধারণত ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে ব্যবহূত হয়। এটি ৩০-৬০ ভাগ ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়। ১০-৩০ ভাগ পর্যন্ত এইচডিএল বাড়ায়। জেমোফ্রিব্রেজিল প্রায় সব রোগীদেরই সহ্য হয় তবে কারো কারো ডায়রিয়া, শরীরে ফুসকুড়ি ওঠা এসব হতে পারে। তা ছাড়া ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে। আগে পিত্তথলির অসুখ হয়েছে এমন রোগীর জন্য নয় এটি।

জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হূদরোগের হাত থেকে রেহাই পেতে রক্তে কোলেস্টেরলের মান বা চর্বির মাত্রা অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত রাখা প্রয়োজন। এবং মনে রাখা দরকার যে, সেটি করতে হলে প্রথমেই নজর দিতে হবে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার দিকে। বর্জন করতে হবে অনেক কিছু আবার গ্রহণ করতেও হবে বাড়তি কিছু। আর লিপিড প্রফাইল করে জেনে নিতে হবে সব কোলেস্টেরলের মাত্রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

hbtulshiস্বাস্থ্য ও জীবন : তুলসী ও মধুর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। এটি রোগ প্রতিরোধ কমাতে কাজ করে। এ ছাড়া এর রয়েছে আরো অনেক গুণ। একটি কাপের মধ্যে চার থেকে পাঁচটি তুলসী পাতা নিন। ভালো করে একে পরিষ্কার করুন। কাপের মধ্যে এক টেবিল চামচ মধু দিন। মিশ্রণটি সকালে খালি পেটে খান। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে তুলসী-মধুর গুণের কথা।

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
তুলসী-মধুর মধ্যে রয়েছে পুষ্টি ও ভিটামিন। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

২. ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে
তুলসী-মধু ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ থেকে দেহকে সুরক্ষিত রাখে।

৩. কাশি কমাতে
তুলসী-মধু একটি চমৎকার ঘরোয়া উপাদান কাশি কমানোর জন্য। এটি শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমাতে কাজ করে।

৪. অ্যালার্জি কমায়
তুলসী ও মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান। এটি ত্বককে প্রশমিত করে এবং অ্যালার্জি কমায়।

৫. অকালবার্ধক্য কমায়
এই ঘরোয়া উপাদানের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কোষের অকালবার্ধক্য কমায়।

৬. কিডনিতে পাথর
এই ঘরোয়া উপাদান কিডনির পাথর দূর করতে কাজ করে। কিডনির বিষাক্ত পদার্থ সরিয়ে দিয়ে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে।

৭. হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখে
তুলসী ও মধু কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এটি হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে কাজ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

New-York_Accidentআমেরিকার নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গুরুতর আহত আরেক ব্যক্তিকে উইনথ্রপ ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ভর্তি করা হয়ছে।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মো: আলম, আতাউর রহমান দুলাল এবং রায়হান ইসলাম। এদের মধ্যে প্রথম দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন।

হতাহতরা সবাই আইল্যান্ডের স্লিপা ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড এ কাজ করতেন। কাজে যাওয়ার সময় নর্দার্ন স্টেট পার্ক ওয়ের ৩১ এক্সিটে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।

উইনথ্রপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আতাউর রহমান মোল্লার অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে দু্র্ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

এ ব্যাপারে পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য চেয়েছে। আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সংগঠন নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494687124ইন্দোনেশিয়ার হুলুং সৈকতে রহস্যময় এক প্রাণীর মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটির চারপাশের পানি লাল রং ধারণ করেছে। প্রাণীটি আসলে কী, তার সঠিক ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় লোকজনের নজর কেড়েছে পানি লাল হওয়ার বিষয়টি।

গত ১০ মে আসরুল তুয়ানাকোতা নামের এক যুবক প্রথমে প্রাণীটিকে দেখতে পান। পরে তাঁর দেওয়া খবরে প্রাণীটিকে ঘিরে স্থানীয় লোকজন ও সমুদ্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই ধারণা করছেন, প্রাণীটির কারণেই সমুদ্রের পানি লাল রং ধারণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট মেশাবল ডটকমের বরাত দিয়ে চিয়ান ন্যাচারাল হিস্টোরি মিউজিয়ামের কর্মকর্তা লি কং বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে প্রাণীটিকে দৈত্যাকার স্কুইড অথবা নীল তিমি মনে হচ্ছে।’

ইন্দোনেশিয়ার বার্তা সংস্থা ডেটিক জানায়, প্রাণীটি ১৫ মিটার লম্বা। এটির ওজন ৩৫ টন।

গত ১১ মে রহস্যময় প্রাণীটির ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভিডিওটি চার লাখ ৩৮ হাজারবার দেখা হয়েছে।

ভিডিওটি দেখে বাইন্ড ফেইথ নামের এক ইউটিউব ব্যবহারকারী লেখেন, ‘প্রাণীটি সামনে থেকে দেখতে হাতির মতো। আর পেছন থেকে কুমিরের মতো।’

মিচ গঞ্জার নামের আরেকজন লেখেন, ‘আমি এটাকে এলিয়েন (ভিনগ্রহী) বলতে চাই না। কিন্তু এটা আসলে এলিয়েন।’

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফিলিপাইনের এক দ্বীপে লোমশ বিশাল আকৃতির এক প্রাণী দেখা যায়। সেটিকেও নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494688851মাত্র ৬৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়লেন ভারতের মুম্বাইয়ের ব্যাটসম্যান রুদ্র ধাণ্ডে। আবিজ রিজভি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আন্তকলেজ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে রিজবি কলেজের হয়ে খেলতে নেমে এই কীর্তি গড়েন তিনি।

স্থানীয় ডালমিয়া কলেজের বিপক্ষে ম্যাচে রুদ্র ধাণ্ডে শুরু থেকেই বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে মাত্র ৩৯ বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯ বছরের এই তরুণ ৬৭ বলে করেন ডাবল সেঞ্চুরি। অসাধারণ এই ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ২১ চার ও ১৫ ছক্কায়।

দারুণ রেকর্ড গড়ে উচ্ছ্বসিত রুদ্র বলেন, ‘এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ভাবতেই পারছি না এত বড় একটি ইনিংস খেলেছি আমি।’

দারুণ ইনিংসটি নিজের বাবা-মাকে তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর উপহার হিসেবে দিলেন তরুণ ব্যাটসম্যান।

ব্যাটিংয়ে কাকে আদর্শ হিসেবে দেখেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বীরেন্দর শেবাগের মতো মেরে খেলতেই পছন্দ আমার। এর আগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচটি সেঞ্চুরি রয়েছে আমার। আশা করছি ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494729619মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা রিভিউ আবেদন এবং খালাস চেয়ে করা সাঈদীর রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রয়েছে।

আজ রোববার মামলাটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ৩০ নম্বরে রাখা হয়েছে। বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন আবদুল ওয়াহাব মিয়া, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসাইন হায়দার।

গত ৬ এপ্রিল সাঈদীর আইনজীবীর সময় আবেদনের কারণে ১৪ মে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়।

সাঈদীর পক্ষে শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এস এম শাহজাহান। সঙ্গে ছিলেন তানভীর আল আমিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০১৬ সালের ১২ জানুয়ারি সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড থেকে বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায়  রিভিউ আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। মোট ৩০ পৃষ্ঠার মূল আবেদনে পাঁচটি যুক্তি দেখানো হয়।

একই বছরের ১৭ জানুয়ারি আপিলের রায় থেকে খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন দায়ের করেন সাঈদী। মোট ৯০ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে আমৃত্যু কারাদণ্ড থেকে খালাস পেতে ১৬টি যুক্তি দেখানো হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ আদালত সাঈদীর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ১৫ দিনের মধ্যে তা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করতে পারে রাষ্ট্র বা আসামিপক্ষ।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি প্রমাণিত হয়। রায়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায় জামায়াত-শিবির। সহিংসতায় প্রথম তিন দিনেই ৭০ জন নিহত হন।

আপিলে ১০, ১৬ ও ১৯ নম্বর অভিযোগে সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। ১০ নম্বর অভিযোগ বিসাবালিকে হত্যার, ১৬ নম্বর অভিযোগ তিন নারীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের এবং ১৯ নম্বর অভিযোগ প্রভাব খাটিয়ে ১০০-১৫০ হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করার।

সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে ৬, ১১ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। ৬ নম্বর অভিযোগ লুণ্ঠনের, ১১ নম্বর হামলা ও লুণ্ঠনের এবং ১৪ নম্বর অভিযোগ ধর্ষণের। ৮ নম্বর অভিযোগের অংশবিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে সাঈদীকে খালাস দেওয়া হয়। একই অভিযোগের অংশবিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে তাঁকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। অষ্টম অভিযোগটি হত্যা ও অগ্নিসংযোগের।

এ ছাড়া সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে ৭ নম্বর অভিযোগে সাঈদীকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। সপ্তম অভিযোগ নির্যাতন ও বাড়ি লুণ্ঠনের পর অগ্নিসংযোগ। ৮ নম্বর (ইব্রাহিম কুট্টি হত্যা) ও ১০ নম্বর অভিযোগের (বিসাবালি হত্যা) দায়ে সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  এ সময় ৬৪ পিচ ইয়াবা, সাড়ে ৭ শত গ্রাম গাঁজা ও ১৩ শত পিচ ভারতীয় খাওয়ার স্যালাইন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা ০৬ জন, তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৩ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1494672759-army-cirনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদশ সেনাবাহিনী। সেনা শিক্ষা কোরে ‘জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (ওয়ারেন্ট অফিসার)’ হিসেবে বাংলাদেশি (পুরুষ) নাগরিকদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
বিএ, বিএসসি বা বিকম পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষা প্রশিক্ষণে ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা এবং শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। স্নাতক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ২.০০ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ কমপক্ষে ৩.০০ থাকতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতা
প্রার্থীদের ন্যূনতম শারীরিক উচ্চতা হতে হবে পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি। বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ন্যূনতম ৩০ ইঞ্চি এবং স্ফীত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের ওজন হতে হবে কমপক্ষে ৪৯.৯০ কেজি।

অন্যান্য যোগ্যতা
প্রার্থীদের অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত প্রার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন না। আগামী ১৫ নভেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত প্রার্থীদের বয়স ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইট (www.joinbangladesharmy.mil.bd) অথবা টেলিটকের ওয়েবসাইট (army.teletalk.com.bd) থেকে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থীদের প্রাথমিক শারীরিক ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য সেনাবাহিনীর বিভিন্ন এরিয়া সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত জেলার প্রার্থীদের নির্দিষ্ট তারিখে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

বিস্তারিত দেখে নিন দৈনিক কালের কণ্ঠে ১৩ মে, ২০১৭ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest