298dea4e4313a4d0ae6aa7b1b115e94d-575cebb21f58eহাসান হাদী: যতই দিন যাচ্ছে, ততই বেপরোয়া হয়ে উঠছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তৃণমূল সংগঠনগুলো। জেলা ও থানায় দলীয় কোন্দলে মারামারি, হানাহানি ও সংঘর্ষের ঘটনা এখন নিয়মিত। সম্প্রতি অন্তত ২০ জেলায় দলীয় কোন্দল গড়িয়েছে মারামারি-প্রাণহানির পর্যায়ে। এ কারণে তৃণমূলের সাংগঠনিক রাজনীতি অনেকটাই নাজুক হয়ে পড়েছে। তৃণমূলের এমন পরিস্থিতিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এতটাই শঙ্কিত যে, বিরোধপূর্ণ জেলাগুলোয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে  তারা বৈঠকেও বসতে শুরু করেছেন। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এসব ঘটনাকে কোন্দল বলতে নারাজ। তাদের দাবি, এসব ঘটনা ‘বড় পরিবারের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি’। এ‍গুলোটা ‘ঠাণ্ডা লড়াই মাত্র। সাতক্ষীরাতেও দলীয় কোন্দল এতটাই তীব্র যে, যেকোন মূহুর্তে তা সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে বলে আশংকা করছেন অনেেকেই। আর এ কোন্দল নিরসনে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের ডাকে ঢাকায় আগামি ৪ মে বৃহস্পতিবার বৈঠক হওয়ার কথা সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা থেকে নির্বাচিত দলীয় তিন জন সংসদ্য সদস্যকে নিয়ে।
বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল সংগঠনের মধ্যে চলা কোন্দলের মধ্যে সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামের ঘটনা।
স্থানীয় সংসদ সদস্যকে এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না করা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। জেলার বিজয়নগরে নবনির্মিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্বোধনের পূর্ব-নির্ধারিত তারিখ ছিল ২৩ এপ্রিল। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের বিজয়নগর সফর কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয় আগেই। কিন্তু স্থানীয় সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ এই সফরের বিরোধিতা করে। তারা কর্মসূচি বর্জনের পাশাপাশি মন্ত্রীর সফর ঠেকাতে হরতালের ডাক দেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
আর চট্টগ্রামের আউটার স্টেডিয়ামে সুইমিংপুলের নির্মাণ কাজ বন্ধের দাবিতে ঘেরাও কর্মসূচি পালনের সময় পুলিশের গুলিতে আহত হন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ২৫ নেতাকর্মী।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির সুইমিংপুল নির্মাণের পক্ষে। অন্যদিকে, সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর অবস্থানের বিপক্ষে। জেলার দুই শীর্ষ নেতার বিরোধিতার জের ধরেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের রক্ত ঝরেছে।
এছাড়া, আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কোন্দলে জর্জরিত সাংগঠনিক জেলাগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরা ছাড়াও রয়েছে, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, শেরপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, খুলনা জেলা, রাজশাহী জেলা, নাটোর, নওগাঁ, বরিশাল মহানগর, ভোলা, পিরোজপুর, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র গত তিন বছরে রাজনৈতিক কোন্দল ও অন্যান্য ঘটনা নিয়ে হত্যাকাণ্ডের যে বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করেছে তাতে দেখা যায়, ২০১৬ সালে রাজনৈতিক সংঘাতে দেশে ১৭৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের ৮৩ জন আওয়ামী লীগের। ২০১৫ সালে রাজনৈতিক সংঘাতে প্রাণ হারানো ১৫৩ জনের মধ্যে ৩৩ জন এবং ২০১৪ সালে নিহত ১৪৭ জনের মধ্যে ৩৪ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। তাদের বেশিরভাগই দলীয় কোন্দলে নিহত হয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগামী নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত করতে তৃণমূলের এসব দ্বন্দ্ব, কোন্দল, বিবাদ-বিরোধ দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। নির্বাচনের আগেই তৃণমূলের এই কোন্দল  নিরসনে প্রতিটি জেলা-থানার নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক শুরু করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে এরই মধ্যে তিন জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষও করেছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্ব্চনের আগে দলীয় কোন্দল নিরসনে ধারাবাহিক বৈঠক করছি। আশা করি এ কোন্দল নিরসন করতে পারব।’
তবে কেন্দ্রের এ উদ্যোগকে আমলে নিচ্ছেন না তৃণমূলের নেতারা। শুধু তাই নয়, অনেক জেলার নেতারা স্থানীয় পর্যায়ে মারামারি-হানাহানি পর্যন্ত গড়ানো ঘটনাগুলোকে কোন্দল বলতেও রাজি নন। এসব ঘটনা তাদের কাছে ‘ঠাণ্ডা লড়াই’। তারা বলছেন, রাজনীতিতে এগুলো স্বাভাবিক ঘটনা, এগুলো থাকবেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

222222কে এম রেজাউল করিম : অতিমাত্রায় খানা, খন্দকে পরিণত হওয়ায় সাতক্ষীরা-কালীগঞ্জ মহাসড়ক চলাচলের অনুপোযোগি হয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। আর এতে প্রাণহানি লেগেই থাকছে। সাতক্ষীরার দক্ষিণঞ্চালের একমাত্র সড়কটি দিয়ে সাদা সোনা চিংড়ি, কাঁকড়া, আমসহ বিভিন্ন দ্রব্য রপ্তানি করা হয়। প্রতিদিন লাখো মানুষ এই রাস্তাটি দিয়ে সর্বস্থরের মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় কর্ম সম্পাদন করে। শহরগামী সড়কটি অতিমাত্রায় নষ্ট হওয়ায় শিক্ষার্থীদেরও সঠিক সময়ে পৌছাতে বিলম্ব হয়। অন্যদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা, বিভাগীয় শহর বা ঢাকাতে যেতে অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষ এটাই ধরে নিয়েছে যে, তাদেরকে এ ভাঙা চোরা সড়কের মধ্যদিয়ে চলতে হবে। আশা হারিয়ে নিরাশায় পরিণত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেবহাটা উপজেলার সীমান্ত সাতক্ষীরা সদর আলিপুর শেষ হয়ে পুষ্পকাটি হতে কালিগঞ্জ উপজেলায় বেজরআটি শেষ হয়েছে। আর এই দীর্ঘ প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রধান সড়কের বেহালদশা। উপজেলার বহেরা বাজার হতে আশুমার্কেট পর্যন্ত কয়েকশত ছোটবড় গর্ত, পারুলিয়া কদবেলতলা মোড়, ডেলটা পিয়ার আলীর মোড়, নওয়াপাড়র হাদিপুর হতে বেজরআটি মোড় পর্যন্ত সড়কে অতিমাত্রায় বড় বড় গর্তে প্রতিনিয়তই ছোট-বড় ঘটছে দুর্ঘটনা লেগেই আছে। জেলা শহরের সাথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের এই একমাত্র মাধ্যমটি দীর্ঘদিন ধরেই চলাচলের অনুপযোগি হয়ে উঠলেও কখনো চোখ পড়ছে না সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের। তাদের কাছেই যেন জিম্মি এখন জেলা ও দক্ষিণাঞ্চলের লাখো লাখো মানুষ। রৌদ্রে ধুলো-বালিতে জনসাধারণ হাফিয়ে উঠেছে। দীর্ঘ এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন থেকেই সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের অযতœ আর আবহেলায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হলেও মেরামতের উদ্যোগ নেই। এতে করে সাতক্ষীরা জনপদের সর্বস্তরের মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হলেও সড়কটি সংস্কারে গৃহীত হয়নি কোন কার্যকর ও যুগোপযোগি ব্যবস্থা। ২০১৬-১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ২০-২৫ টি তাজাপ্রাণ ঝরেগেছে। আর অসংখ্য মানুষ হারিয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রার সক্ষমতা। দুর্ঘটনায় কবলিত যাত্রীরা বলছেন, অদক্ষ চালক আর সড়কের বেহালদশায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। তাছাড়া বাংলাদেশ যখন এগিয়ে চলেছে ঠিক তখনি সড়কে বেহালদশায় জীবনহানিতে অনেকটা বাধাগ্রস্ত করছে। যদি সঠিক উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয় তাহলে অনেকটা উন্নয়ন পিছিয়ে পড়বে দক্ষিণঞ্চালের। শুক্রবার দেবহাটা উপজেলার ডেলটা মোড় এলাকায় অতিমাত্রায় সড়কে গর্ত থাকায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আজগার আলী নামে একজন নিহত ও ৩০জন আহত হয়েছেন। আর এভাবে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় অনেক স্বজন তাদের আপনজন হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন।  শুক্রবার ঘটে যাওয়া দুর্ঘটানার প্রত্যক্ষদর্শী কামটা গ্রামের আরিফুল ইসলাম জানান, কালিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সাতক্ষীরা জ- ১১০০০৬ বাসটি চাঁদপুরের ডেলটা এলাকায় আসলে সাতক্ষীরা থেকে আসা মালবোঝায় একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে যেয়ে সড়কের অসংখ্য গর্তে বাসের চাকা পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। তখন বাসটির চালক উপায় না পেয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছে মেরে দেন। গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে বাসটি কাঁত হয়ে পড়েন। এতে বাসটির হেলপার পিশে মারা যায় এবং যাত্রীরা আহত হন। পরে আহতদের নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। যাত্রীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দুর্ঘটনা কবলিত এলাকাগুলোতে বিশেষ সংকেত, স্প্রিড ব্রেকারসহ কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3223123নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী প্রাণ কোম্পানির উন্মুক্ত ম্যাক্স কোলা মাস্তি কনসার্টের নামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকাল থেকে শুরু হওয়া কনসার্ট চলে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে।
সূত্রে জানা যায়, সরকারি মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে এ ধরনের উন্মুক্ত কনসার্ট আয়োজন করা হলেও গেট পাশের নামে আয়োজকরা হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
উন্মুক্ত কনসার্টের নামে ‘ম্যাক্স কোলা’র সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৫ টাকা দামের একটি বোতল বিক্রি করেছে ৩৫ টাকা। এভাবে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় লক্ষ লক্ষ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে তারা। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল খালেক জানান, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও জেলা ছাত্রলীগের তদারকি আছে। কোন সমস্যা হবেনা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে ব্যর্থ হয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজক প্রাণ কোম্পানির জেলা সুপারভাইজার মো. শফিউল্লাহ শফিকে ডেকে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করতে বলেন। এসময় শফি বলেন, আমাদের কোম্পানি বলেছে প্রেস- মিডিয়াকে না জানিয়ে এ কনসার্ট করতে। ভাই আপনারা যখন এসেছেন খুব ভালো হয়েছে কনসার্ট শেষ হলে আসেন আপনাদের খুশি করবো। সচেতন মহলের দাবি এ ধরনের আয়োজনকে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ca03b58aa7b021f662121f900ada1224-590303972baadবিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে আম পাড়তে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সংসদ ভবনের পাশে চন্দ্রিমা উদ্যানে সদ্য ঘোষিত ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তর ও দক্ষিণের নতুন কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিএনপি মহাসচিব। সেসময়ই এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা চন্দ্রিমা উদ্যানে হাজির হন। বিএনপির অনেক নেতাকর্মী উদ্যানের আম গাছগুলোতে এলোপাথাড়ি ঢিল ছুড়তে শুরু করেন। অনেকে গাছেও উঠে আম পাড়া শুরু করেন। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে বিএনপি নেতাকর্মীদের এমন আচরণে হতবাক উদ্যানে বেড়াতে আসা লোকজন।

 প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদসহ ঢাকা মহানগর বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

চন্দ্রিমা উদ্যানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্য আব্দুর রহিম বলেন, ‘কয়েক হাজার লোকজন এসে যদি বেপরোয়া ভাবে গাছে উঠে, গাছ নষ্ট করে আমাদের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। বারবার অনুরোধ করেও কাউকে থামানো যায়নি।’

মিরপুর থেকে আসা বিএনপির কর্মী জোবায়ের আহমেদ বলেন, ‘সরকারি উদ্যান এখানে শতশত মানুষ আসে, সবাই তো বিএনপির কর্মী নয়। হয়তো অল্পবয়সী কেউ গাছে উঠতে পারে। তবে শ্রদ্ধা জানাতে বিএনপির নেতাকর্মীদের এমন করলে তা ঠিক হয়নি। তাদের আরও বিনম্র হওয়া উচিত।’

চন্দ্রিমা উদ্যানে প্রতিদিন সকালে হাঁটতে আসেন রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘যেভাবে এলোমেলো ঢিল ছুঁড়েছে তাতে যে কেউ আহত হতে পারতো। উদ্যানের ভেতরে এমন আচরণ শোভনীয় নয়। উদ্যানের এমন অনুষ্ঠান হলেও নিরাপত্তা আর বেশি জোরদার করা উচিত।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedপাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটার নগরঘাটা ইউনিয়নের মিঠাবাড়ি উত্তর পাড়ার মতিয়ার পেশকারের বাড়ির আঙিনার বাগান থেকে একটি চিতা বাঘের বাচ্চা আটক পূর্বক উদ্ধার করেছে স্থানীয় এলাকাবাসি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মিঠাবাড়ি গ্রামের মশিয়ার মাষ্টারের ভাই মতিয়ার পেশকারের বাড়ির পাশের বাগানে স্থানীয় দু’যুবক বাঘের বাচ্চা সাদৃশ্য প্রাণী দেখতে পাই। পরে বাঘের বাচ্চাটিকে কৌশলে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করিয়ে গ্রীলের খাঁচার মধ্যে বন্দি করে বন বিভাগ কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়।
বাঘের বাচ্চাটিকে এক নজর দেখার জন্য বিভিন্ন স্থানের উৎসুখ জনতা ভিড় জমায়।
এলাকাবাসির ধারনা পাচারের উদ্দ্যোশে নিয়ে যাওয়ার সময় মেছো বাঘটি পালিয়ে বাগানে আশ্রয় নেই। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাঘের বাচ্চাটি মতিয়ার রহমানের বাড়িতে খাঁচায় বন্দি রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01 copyনিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করার অভিযোগে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের তিন জামায়াত-বিএনপির নেতা কর্মীসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বড়দল গ্রামের মৃত দাউদ আলী মালীর ছেলে ও স্থানীয় ইউনিয়ন স্বোচ্ছসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মালী বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।
এ মামালার আসামীরা হলেন, বড়দল গ্রামের রফিকুল সানার ছেলে সুমন সানা (৩০), একই গ্রামের আফসার সরদারের ছেলে আয়ুব সরদার ও মৃত এজাহার গাজীর ছেলে  শামছুদ্দীন গাজী (৫০) সহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন।
মামলার অভিযোগে বাদী নুরুজ্জামান মালী উল্লেখ করেছেন, গত ২৬ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে বড়দল খেয়াঘাটস্থ বাজারের পাশে বসে উল্লেখিত সুমন সানা, আয়ুব সরদার ও শামছুদ্দীন গাজীসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন এলাকায় নাশকতা ও সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করার জন্য গোপন বৈঠক করতে থাকেন। এ খবর শুনে আমি সেখানে গেলে তারা আমাকে (প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার)….. (অশ্লীল…ছাপার অযোগ্য)’র সাঙ্গ পাঙ্গরা বলে কটুক্তি করতে থাকেন। আমি এর  প্রতিবাদ করলে তারা আমাকেসহ এই অভিযোগ পত্রের এক নম্বর স্বাক্ষী আব্দুল আজিজকে সময় সুযোগ পেলে দেখে নেওয়ার হুমকী প্রদান করেন। পরে এই অভিযোগ পত্রে উল্লিখিত ১০ জন স্বাক্ষীসহ আরো অনেকে সেখানে উপস্থিত  হলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যক্তি বর্গ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। উক্ত অভিযোগ পত্রে তিনজন মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট ১০ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিতদন্ত) জুলফিকার আলী জানান, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেকেই এসে অভিযোগ পত্রটি দিয়ে গেছেন। ইতিমধ্যে এ অভিযোগ পত্রটি তদন্ত করা জন্য এস আই সুধাংশ শেখরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, তদন্ত করে অভিযোগ পত্রের সত্যতা পেলে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য ঃ অভিযোগ পত্রে উল্লিখিত তিন জনই জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী। তাদের  অত্যাচার, নির্যাতন, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা ও চাঁদাবাজীর হাত থেকে রক্ষা পেতে  ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় আইজিপি, মাননীয় ডিআইজিসহ সকরকারের বিভিন্ন দপ্তরে এলাকাবাসী আবেদন করলে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিদের্শে গত ২৩ এপ্রিল রোববার কালিগঞ্জ সার্কেল এএসপি জনাব মির্জা সালাহউদ্দীন বড়দল গ্রামের বাজারস্থ খেয়াঘাট সংলগ্ন রাস্তার উপর বসে শত শত জনতার উপস্থিতিতে তদন্ত করেন, যা স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়। এছাড়া উক্ত অভিযোগের ২ নং আসামি আয়ুব সরদার হিজবুল্লাহ যুব সংঘ নামের একটি জঙ্গি সংগঠনের সভাপতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2ZSdjZ_jutaবিয়েতে দাবি করেছিল বরপক্ষ মোটর সাইকেল কিনে দিতে হবে। কন্যাপক্ষ রাজি হয়। কিন্তু বিয়ের দিন বরপক্ষ বেঁকে যায়। তাদের কনে পক্ষের দেয়া মোটর সাইকেল পছন্দ না। চাই আধুনিক মডেলের দুই গুণ দামের। কনে পক্ষ এবার নড়েচড়ে বসে। গ্রামবাসীরাও মেনে নিতে পারেনি বরপক্ষের এই ‘লোভ’ আচরণ।

পুরো গ্রামের লোক এক হয়ে বরের গলা থেকে ফুলের মালা খুলে নিয়ে নিয়ে জুতার মালা পরিয়ে দিয়েছে। গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে ভারতের রাঁচীর পিথোরিয়ায়। আনন্দাবাজারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

রাঁচীর সিকদিরির মুমতাজউদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল রুবিনা পরভিনের। রুবিনার বাবা বসিরউদ্দিন আনসারি বলেন, ‘পণ হিসেবে মোটরসাইকেল চেয়েছিল ছেলে। কয়েক দিন আগে তাকে রাঁচীর একটি শো-রুমে নিয়ে যাই। ছেলেই পছন্দ করেছিল মোটরসাইকেল। ’

বসিরউদ্দিন আরও জানান, বিয়ের ঠিক আগে বরযাত্রীরা মোটরসাইকেল দেখে রেগে যান নতুন মডেলের নতুন রঙের মোটরসাইকেল কিনে দেয়ার দাবি করা হয়। এসব শুনে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান রুবিনাও। তার পাশে দাঁড়ায় গোটা গ্রাম।

গ্রামবাসীরা পাত্রপক্ষকে তখনই সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। বেগতিক দেখে সমঝোতার চেষ্টা করে বরযাত্রীরা। কিন্তু রুবিনা ছিলেন অনড়। ওই সময়ই স্থানীয়রা জুতার মালা তৈরি করে মুমতাজের গলায় পরিয়ে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001-24-696x455সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪১ জন আটক হয়েছে। বৃহস্পতিবার  রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের  আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৪ জন, কলারোয়া থানা  ৫ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৩ জন, শ্যামনগর থানা ৪ জন, আশাশুনি থানা ৮ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest