3333332নিজস্ব প্রতিবেদক : কলারোয়ায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব নজরুল  ইসলাম বলেছেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন হয়। রাস্তাঘাট ও স্কুল-কলেজের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের মানুষেরও ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। দেশের মানুষ জানে আওয়ামীলীগ উন্নয়নে বিশ্বাসী, ধোঁকাবাজিতে বিশ্বাসী নয়।  শনিবার দুপুুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সীমান্তবর্র্তী ভাদিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ভাদিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রভাষক সুরাইয়া ইয়াসমিন রতœা সভাপতিত্বে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে। নি¤œ আয়ের দেশ অতিক্রম করে মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশ পরিণত হবে। কাস প্রথম থেকে নবম পর্যন্ত প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর হাতে সরকার বছরের শুরুতেই বই তুলে দেয় যাতে করে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনায় মনোযোগি হয়। এছাড়া সরকার সকল শিক্ষককের বেতন এক যুগে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পিতা শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ব মাপের নেতা ছিলেন। বিশ্বে ১০জন ক্ষমতাধর নেতার মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ জন। তাই সকল দিক থেকে ভাদিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার মান অনেক ভালো। এই বিদ্যালয় সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি কেড়ে নেবে বলে তিনি মনে করেন। তাছাড়া বিদ্যালয়ে সকল দাবিদাবার বিষয়ে তিনি অবগত আছেন যেন বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান আর উন্নত হয় তিনি সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার সকলের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছায়ে দেবে। আওয়ামীলীগকে আরেকবার ক্ষমতায় আনতে হলে আগামী নির্র্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখার আহবান জানান। বিদ্যালয়ের সরকারি শিক্ষক ফারুক হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছা সেবকলীগের সদস্য চেয়ারম্যান শামসুুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুুজ্জামান তুহিন, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া, চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাহারুল ইসলামের সার্বিক সহযোগিতায় সংবর্র্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবি মল্লিক, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আশিকুর রহমান মুন্না, পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক  নাছির উদ্দিন বাচ্চু, যুুগ্ন সম্পাদক শামিমুল ইসলাম মিলন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মারুফ আহম্মেদ জনি এবং সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম ইলিয়াস হোসাইন, চেয়ারম্যানগন মাস্টার নূরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন হাবিল, এস এম মনিরুল  ইসলাম, আলহাজ্জ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, আসলামুল আলম খান আসলাম, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল ওদুদ ঢালী, জিএম মিজানুর রহমান, সুপ্রসাদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আবু দাউদ সরদার, প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান চান্দু, উয়ায়েছ আলী সিদ্দিক, হরিসাধন ঘোষসহ বিদ্যলয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী ও অবিভাবক সদস্যগণ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব নজরুল ইসলামসহ আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে বিদ্যালয়ের পক্ষ্য থেকে ক্রেজ প্রদান করা ও ফুলের শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Snapshot---11320170429154206নিজস্ব প্রতিবেদক : নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) ঝিনাইদহ জেলার সামরিক শাখার প্রধান আব্দুল আলিমকে (৫০) আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার ভোরে ঝিনাইদহ জেলার হাটগোপালপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আব্দুল আলিম সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা উপজেলার অভয়তলা গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক আলিমের এক স্ত্রী সাতক্ষীরায় তার গ্রামের বাড়িতে থাকেন। অন্য স্ত্রীকে নিয়ে তিনি ঝিনাইদহে থাকতেন।
র‌্যাব জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে হুজির প্রশিক্ষিত সদস্যরা চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ জেলাতে নাশকতার বড় পরিকল্পনা করছে এমন খবরের ভিত্তিতে তাদের ধরতে গোয়েন্দা জাল পাতে র‌্যাব।
শুক্রবার রাতে র‌্যাব সদস্যরা গোপন সংবাদ পায়, হুজির ঝিনাইদহ জেলার সামরিক শাখার প্রধান আব্দুল আলিম হাটগোপালপুর এলাকায় অবস্থান করছে। এরপরই তাকে ধরতে র‌্যাবের ৪টি টিম অভিযান শুরু করে। ভোরে ওই এলাকার একটি কবরস্থানের সামনের রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ ক্যাম্পের এএসপি গোলাম মোর্শেদ গণমাধ্যমকে জানান, আটক আব্দুল আলিম হুজির আধ্যাত্মিক নেতা মুফতি হান্নানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। রাজধানীর হলি আর্টিসানে হামলার পর হুজির ৮-১০ জনের একটি দল এই অঞ্চলে অবস্থান নেয়।
র‌্যাবের এ কর্মকর্তার দাবি, আটক হুজির এ নেতার নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ জেলাতে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। গ্রেফতারের পর আব্দুল আলিম এ কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হুজির ওই নেতাকে চুয়াডাঙ্গার আমলি আদালতে নেওয়া হয়। তাকে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। হুজি নেতা আদালতের বিচারক আব্দুল হালিমের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1493459626ঢাকায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যের তামিম দ্বারী সাতক্ষীরার গৌরাঙ্গ মণ্ডল।
তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি গ্রামে। তবে বাড়ির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে গৌরাঙ্গ মণ্ডলের কোনো যোগাযোগ নেই।
তামিম দ্বারী ওরফে গৌরাঙ্গ মণ্ডলের বাবার নাম চৈতন্য মণ্ডল। আর মায়ের নাম রেনুকা মণ্ডল। শংকর মণ্ডল নামের তাঁর এক ভাই রয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার ঢাকায় র‌্যাবের হাতে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন তামিম দ্বারী।
দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী জানান, গৌরাঙ্গর পরিবার খুবই গরিব। তাঁর মা ও ভাই মাঠেঘাটে কামলা খাটে। মেধাবী ছাত্র গৌরাঙ্গ খরিয়াটি হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করার পর যশোর বি এ এফ শাহীন কলেজ একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে তিনি সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন লেখাপড়ার পর চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে লেখাপড়া করতেন। এ সময়ের মধ্যে গৌরাঙ্গ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তামিম দ্বারী ন্ম ধারণ করেন। পরে পরিবারের আপত্তির মুখে বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন গৌরাঙ্গ।
ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ আলী আরো জানান, ১৪ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে গৌরাঙ্গ নিজ এলাকায় বেশ কয়েকবার এসেছিলেন তাবলিগ জামাতের কাফেলা নিয়ে। তবে তিনি বাড়িতে যাননি। এর পর থেকে এলাকাবাসী তাঁর সম্পর্কে আর কোনো খোঁজখবরও রাখেনি বলে জানান তিনি। জঙ্গি হয়ে ওঠার বিষয়টিও তাঁর পরিবার ও এলাকার লোকজন জানতেন না। র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সংবাদপত্রে ছবি দেখে গৌরাঙ্গকে শনাক্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1460346337আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জুলফিকার আলীকে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে পুলিশের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের এক আদেশে তাকে ক্লোজ করা হয়।
এদিকে, একটি নির্ভর যোগ্য সূত্র জানাচ্ছে যে, সাতক্ষীরার আশাশুনির উপজেলার কাটাখালী গ্রামের রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে সাতক্ষীরার কুখ্যাত ভূমিদস্যু বশির আহমেদসহ ৩২ জনের নামে গত ২৭ এপ্রিল একটি চাঁদাবাজি, হত্যা প্রচেষ্টা ও ঘের লুটপাটের মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে না পারার কারণে ওসি তদন্ত জুলফিকারকে ক্লোজ করা হয়ে থাকতে পারে।
অপর একটি সূত্র জানায়, আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজারে গুরুতর অসুস্থ একটি গরু জবাই করার চেষ্টার ঘটনায় যাতে মামলা না হয় সেজন্য ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে ওসি তদন্ত জুলফিকার আলীর বিরুদ্ধে । তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করার পিছনে এটিও একটি কারণ হতে পারে।
আশাশুনি থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই সুধাংশ শেখর হালদার জানান, আসামী ধরতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তাকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে কোন মামলার আসামি সেটা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DUyUOj_8রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) সহকারী কমিশনার শরফরাজ হোসেনের (২৮) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন মহানগর পুলিশের অফিসার্স মেসের নিজ কক্ষ থেকে থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সরফরাজ আরএমপির রাজপাড়া জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। সরফরাজের বাবা এম ওবায়দুল্লাহ পুলিশের সাবেক ডিআইজি ছিলেন। জানা যায়, শনিবার বেলা ১১টার পরও সরফরাজ ঘুম থেকে না জাগায় ডাকাডাকি করেন অন্যরা। কোনো সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তারা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান এনামুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1712563637_1493381866.jpg.pagespeed.ic.wHIzvK0Teqঅ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, অপারেশনস (ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্ট)’ পদে নিয়োগ দেবে প্রাণ গ্রুপ।
শুধু পুরুষ প্রার্থীদের এই নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা
ভালো ফলসহ যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এক থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
প্রার্থীরা বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে অনলাইনে ১১ মে, ২০১৭ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_744939972_1493440119.jpg.pagespeed.ic.AfICbRx40wপ্রখ্যাত আবৃত্তিকার কাজী আরিফ আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না……)।

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

সেখানেই মারা গেছেন দেশের গুনি এই আবৃত্তিকার।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_342931762_1493436752.jpg.pagespeed.ic.BCB_fnuoODডেস্ক: দলকে সংগঠিত করতে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য আগাম মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন, অন্তঃকোন্দল নিরসন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির কাজ একসঙ্গে চালাচ্ছেন তারা।

বিভেদ নিরসনের জন্য গত এক সপ্তাহে পাঁচটি জেলার শীর্ষ নেতাদের ঢাকায় ডেকে এনে বৈঠক করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। এর বাইরে দুই দলে ভাগ করে ঢাকা ও এর আশপাশের সাতজন দলীয় সাংসদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ওবায়দুল কাদের। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম ও সিলেটে গিয়ে বিবদমান পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে দলের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সময়ের আগে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়লেও যাতে দল প্রস্তুত থাকে—আগাম নির্বাচন প্রস্তুতি শুরুর এটাও একটা লক্ষ্য। এ ছাড়া বিএনপিকেও বিভ্রমে ফেলতে চায়, যাতে বিএনপি নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আন্দোলনের চিন্তা করবে, নাকি ভোটের প্রস্তুতি নেবে, সেটা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি, তাতে সবকিছু সরকারি দলের নিয়ন্ত্রণেই আছে। বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থাও খুবই দুর্বল। তারপরও আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটা শঙ্কা রয়েছে। সেটা হলো, বিএনপি নির্বাচনে এলে শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা যাবে কি না। যার কারণে আগেভাগে দলকে প্রস্তুত করার পাশাপাশি ইসলামিক দল ও সংগঠনগুলোর মন জয় করার চেষ্টাও করছে সরকার, যাতে ধর্মীয় গোষ্ঠীকে বিএনপি ব্যবহার করতে না পারে।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষে নির্বাচন হলে এখনো সময় বাকি প্রায় পৌনে দুই বছর। অবশ্য গত ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন জেলা সফরে গিয়ে ভোট চাইছেন। একই সময় থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সারা দেশে কর্মিসভা, প্রতিনিধি সভা ও রাজনৈতিক সভা সমাবেশ করছেন। ২৩ এপ্রিল থেকে কুমিল্লা, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও নীলফামারী জেলার নেতাদের ঢাকায় এনে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে তৎপর এমন একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন হলে জয় পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। সর্বশেষ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে পাঁচটি সিটি করপোরেশনে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হন। এরপর জাতীয় নির্বাচন বিএনপি জোট বর্জন করার কারণে আওয়ামী লীগকে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হয়নি।

ওই নেতা আরও বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর পাঁচ পর্বের উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি জোট অংশ নেয় এবং প্রথম দুই পর্বের ফলাফলে তারা এগিয়ে থাকে। পরের পর্বগুলোতে ‘যেকোনো মূল্যে এগিয়ে যাওয়ার’ কৌশল নেয় আওয়ামী লীগ। গত দুই বছর পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও একই পন্থা অবলম্বন করা হয়। তবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারি প্রভাব ছাড়াই জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই অবস্থায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কতটা ভালো ফল করতে পারবে, তা নিয়ে কিছু দুচিন্তা আছে।

আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ও সাংসদের মতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে হতে পারে তাদের। তারা নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে বলেন, বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের সাংসদের সংখ্যা ২৩৪। ১৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। ওই নির্বাচনে যে ১৪৭টি আসনে ভোট হয়েছে, তাতে সব দল মিলিয়ে প্রার্থী ছিলেন ৩৯০ জন। ফলে বৈধ ভোটের ৭২ শতাংশের বেশি আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র সাংসদেরা মিলে পেয়েছেন ১৫ শতাংশ। আগামী নির্বাচন এমনটা না-ও হতে পারে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘আমরা নিরঙ্কুশ বিজয় চাই। এ জন্যই আগেভাগে প্রস্তুতি শুরু করেছি। আমরা যে উন্নয়ন করেছি, এগুলো মানুষকে জানাতে সময় দরকার। আমরা আমাদের অবস্থান সুসংহত করার জন্য কাজ করছি।’

এদিকে ঘর গোছানোর মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতির প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে আওয়ামী লীগের সাংসদদের অনেকের মধ্যে বাদ পড়ার আতঙ্ক কাজ করছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতা, সাংসদ ও মনোনয়ন বোর্ডের একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৫০ জনের বেশি বর্তমান সাংসদ আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, সংখ্যাটা ৭০ ছাড়িয়ে যাবে। এই অবস্থায় সাংসদদের মধ্যে কে থাকছেন, আর কে বাদ পড়ছেন, সেই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে দলের নেতাদের মধ্যে।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে ঢাকার মিরপুরের তিন সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদার, আসলামুল হক ও ইলিয়াস মোল্লাহকে নিয়ে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত মঙ্গলবার ঢাকার আশপাশের চারজন সাংসদকে নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।
এসব বৈঠক আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বৈঠকে অংশ নেওয়া সাংসদদের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী কে হতে পারেন, দলে আর কেউ মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন কি না এবং সাংসদের সঙ্গে দলের নেতাদের দূরত্ব কতটুকু—এগুলোই মূলত জানার বিষয় ছিল।

মঙ্গলবারের বৈঠকে অংশ নেওয়া সাভারের সাংসদ এনামুর রহমান বলেন, বৈঠকে অংশ নিয়ে তার মনে হয়েছে, তিনি ভবিষ্যতেও মনোনয়ন পাবেন। ছোটখাটো ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। ধামরাইয়ের সাংসদ আবদুল মালেক বলেন, কে বাদ যাবে আর কে থাকবে, সেটা তো এখনই বলার সময় আসেনি। তবে দল থেকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তিনি ঢাকা-২ আসনের (কেরানীগঞ্জ ও সাভারের একাংশ) সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। সেখানে কার কী সমস্যা, তা জেনেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। এর মধ্যে মনোনয়নের কোনো বিষয় নেই।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনেও ৬ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৯ জন বাদ পড়েছিলেন। তাদের কেউ কেউ বাদ পড়েন বয়সের কারণে। কারও কারও বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির অভিযোগ। আগামী নির্বাচনেও কিছু প্রবীণ নেতা মনোনয়ন না-ও পেতে পারেন। আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কোনো রকম বড় অপারেশনে না গেলেও নির্বাচনে আগেরবারের ১৫-২০ শতাংশ মন্ত্রী-সাংসদ বাদ পড়ে যান। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনটি যেহেতু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়নি, তাই আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে হলে বড় অপারেশনই চলতে পারে।’

দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, ভবিষ্যতে মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন জরিপ-সমীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এ জন্য ইতিমধ্যে কয়েকটি জরিপ করা হয়েছে, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় পরপর জরিপ-সমীক্ষা চলবে। ফলে সাংসদদের অনেকে উদ্বেগে আছেন। অনেকে নিজ এলাকায় যাওয়া বাড়িয়েছেন।

ময়মনসিংহ জেলার একজন সাংসদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিরোধী দল মাঠে নেই। তাই সরকারি দলের কিছু কিছু নেতা-কর্মী বেপরোয়া হয়ে যান, যার দায় সংশ্লিষ্ট সাংসদের ওপরই পড়ছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন ঠিক করার ক্ষেত্রে দল জনপ্রিয়তা ছাড়া আর কী কী বিষয় বিবেচনায় নেবে, সেটা বুঝতে পারছেন না। ফলে কিছুটা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আছে। তবে এখনো কাটিয়ে ওঠার সময় আছে বলে তিনি মনে করেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের একজন সাংসদ বলেন, তিনি এখন এলাকাতেই বেশি থাকছেন। কিন্তু দলীয় কোন্দল একটা বড় সমস্যা। তিনি বলেন, জরিপ-সমীক্ষা সব সময় ঠিক হয় না। এ কারণে তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছেন।

জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের গত রোববার বলেন, মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, দলের সবাইকে নিয়ে কাজ করার ক্ষমতা ও জনপ্রিয়তা বিবেচনায় নেওয়া হবে। অনেককেই উন্নতি করার জন্য বলা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নতি করতে না পারলে বাদ যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest