সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

আশাশুনি ব্যুরো : ডেইলি সাতক্ষীরা’য় আশাশুনি উপজেলার ১১নং কাদাকাটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য অনুকুল চন্দ্র বাছাড় কতৃক ভিজিএফ’র গম আতœসাতের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এলাকায় বিষয়টি নিয়ে গুনজন শুরু হয়েছে। গরীবের হক মেরে খাওয়া ইউপি সদস্যের বিচার চেয়ে এলাকাবাসির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। বৈরমপুর গ্রামের মৃত গফুর আলি গাজীর পুত্র রবিউল ইসলাম, শ্রীরামকাটি গ্রামের কবির আহম্মদের ছেলে জিয়উর রহমান ও বৈরমপুর গ্রামের আঃ খালেকের ছেলে আব্বাস উদ্দিন এলাকাবাসির পক্ষে জেলা প্রশাষক বরাবর এ অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রবিবার জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আশাশুনি উপজেলার ১১নং কাদাকাটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য অনুকূল চন্দ্র বাছাড় পবিত্র ঈদুল ফিতরের ভিজিএফ’র গম আংশিক বিলি করেন এবং তার তালিকায় ভূয়া নাম দেখিয়ে বিশ থেকে ত্রিশ মন গম ভ্যানযোগে এনে তার বাড়ির পূর্বদিকে খেজুরয়ারডাংগা খালের পার্শ্বে রফিকুল ইসলাম (মধু) এর ঘেরের বাসায় রাখে। বিষয়টি জানাজানি হলে আশাশুনি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছাবার পূর্বে ইউপি সদস্য অনুকুল চন্দ্র বাছাড় তার লোক দিয়ে গম অন্যত্র সরিয়ে ফেলেন। অভিযোগ পত্রে মেম্বর কর্তৃক গত ঈদে ঐ একই বাসায় চাল এনে রাখার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত ফেনসিডিল ব্যবসায়ী আবুল কাশেম শেখ (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল রোববার ভোরের দিকে কৈখালী ইউনিয়নের শৈলখালী গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করে এস আই আশরাফুল ইসলাম। সে ওই গ্রামে সোবান শেখের ছেলে। এ সময়ে অপর সহযোগী কৈখালী গ্রামে মুজিবর রহমানের পুত্র মফিজুল ইসলাম পালিয়ে যায়। শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফেনসিডিল বিক্রির সময় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শ্যামরগর থানায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় বিভিন্ন প্রকার সহযোগীতার চেক বিতরন ও বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদ। রবিবার সকাল ১০টায় বিভিন্ন সহযোগীতার চেক বিতরন করা হয় এবং উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বরাদ্ধ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করা হয়। সহযোগীতার মধ্যে উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের প্রায়ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজর আলীর দাফন/কাফন ও লাশ পরিবহন বাবদ দুই স্ত্রীর হাতে ২,৪০০ টাকা করে মোট ৪ হাজার ৮ টাকা প্রদান করা হয়। অপরদিকে ধর্মমন্ত্রাণালয়ের অধিনে সহয়তার চেকা প্রদান করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা। উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের মাঝ-পারুলিয়া জামে মসজিদের সংস্কার বাবদ ২০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। উক্ত প্রদান কালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ইয়াসিন আলী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হারুন অর রশীদসহ সহযোগীতা গ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্যা দারুল উলুম কুরআন মাদ্রাসার মসজিদ সংস্কার বাবাদ প্রথম কৃস্তিতে ১ লাখ ৪৪হাজার ৫৭০ টাকার কাজ পরিদর্শন করা হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদ, উপজেলা ত্রাণ শাখার সহকারী প্রকৌশালী ওলিউল্লাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, মাদ্রাসার পরিচালক শফিকুল ইসলামসহ সকল শিক্ষক ও ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলাধীন সখিপুরের ঐতিহ্যবাহী খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের (জাতীয়করণের চূড়ান্ত পর্যায়ে) ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১ জুলাই শনিবার সকাল হতে ক্লাস শুরু হয়েছে। অত্র কলেজের প্রথা অনুযায়ী প্রথম বর্ষের প্রথম দিনের ক্লাসেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। তারই অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টা হতে খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের একাদশ শ্রেণিতে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভর্তিকৃত বিজ্ঞান বিভাগে ১০৬ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৯২ জন ও মানবিক বিভাগে ২৬০ জন সহ মোট ৪৫৮ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্ব স্ব বিভাগে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকবৃন্দের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র কলেজের সু-সজ্জিত রোভার ও গার্ল-ইন-রোভার সদস্যদের স্বত:স্ফূর্ত সহযোগিতায় এবং সহকারী অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান মহসিন ও শিক্ষক মো. আবু তালেবের যৌথ সঞ্চালনায় একাদশ শ্রেণির নবীনদের সাথে পরিচিতি অনুষ্ঠানে কলেজের উপাধ্যক্ষ আলহাজ্জ মো. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রিয়াজুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগীয় প্রধান পিযূষ কান্তি মল্লিক, ব্যবস্থাপনা বিভাগীয় প্রধান শেখ মিজানুর রহমান, হিসাববিজ্ঞান বিভাগীয় প্রধান মো. আকবর আলী, সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্জ এস এম হারুন-অর রশিদ, মো. আব্দুল আজিজ, শংকর কুমার দাশ, মো. আজহারুল ইসলাম, মো. মইনুদ্দিন খান, ফেরদৌসি আক্তার পপি, মো. শহীদুল ইসলাম, মো. আকরাম হোসেন, মো. আজিজুর রহমান, স্বপন কুমার মন্ডল, আলহাজ্জ মো. মাসুদ করিম, মো. আব্দুর রহমান, রিতা রানী, পারভীন সুলতানা, মো. রোকনুজ্জামান, শাহজাহান কবীর, জি.এম আসাদুজ্জামান প্রমূখ। পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সভাপতি ও প্রধান অতিথি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন- উচ্চমাধ্যমিকের আগামী ২ টি বছর তোমাদের জীবনের সবচেয়ে মূলবান সময়। কারণ এইচএসসিতে নিয়মিত ক্লাস ও পড়াশুনার মাধ্যমে ভাল ফলাফলই তোমাদেরকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা ভাল ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পথ সুগম করবে। তাই আমরা প্রত্যাশা করবো বয়সের টানে বা অন্যের ধোকায় পড়ে খারাপ পথে ধাবিত না হয়ে সু-শৃঙ্খলভাবে লেখাপড়া করবে। জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসী বা যে কোনো খারাপ কাজ থেকে নিজেদেরেকে বিরত রাখবে এবং অন্যদেরকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করবে। তাহলে ঠিকই তোমরা একদিন মানুষের মত মানুষ হয়ে শিক্ষকমন্ডলী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদের নামীয় ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের, পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রের মুখ উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবে বলে আমরা প্রত্যাশা রাখি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ব্যুরো : নাশকতার প্রস্তুতিকালে পুলিশ ১১জন জামায়াত শিবিরের কর্মীকে আটক করেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইন্দ্রনগর মোড় থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রনগর গ্রামের শওকত মোড়লের ছেলে আব্দুল ওয়াহেদ (৬০),তার ভাই আব্দুল গফুর (৪৫), একই গ্রামের সামছুদ্দিন গাজীর ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫), একই গ্রামের নাজিরউদ্দিন পাড়ের ছেলে আব্দুস সালাম পাড় (৩০), আমজাদ সরদারের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (১৯), কলিমউদ্দিনের ছেলে আকবর হোসেন (৫০), শাহাদাৎ পাড়ের ছেলে রফিকুল ইসলাম(৫০), পূর্ব নলতা গ্রামের রহিমউদ্দিন মোড়লের ছেলে নুরুজ্জামান (৪২), কাজলা গ্রামের আক্কাজ আলীর ছেলে আনারুল ইসলাম (৪৮), ভাড়াসিমলা গ্রামের ফজর আলী গাজীর ছেলে আব্দুস সবুর গাজী (৫৫), ভাড়াসিমলা (সুলতানপুর) গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান(৪৫)। কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক হেকমত আলী জানান, জামায়াত শিবিরের কর্মীরা তারালী- ইন্দ্রনগর মোড়ে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে মর্মে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা খবর পান। এরই ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার নেতৃত্বে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জামায়াত শিবিরের কর্মীরা ইট পাটকেল ও বোমা নিক্ষেপ শুরু করে। এতে উপপরিদর্শক ফণীভূষণ সরকার ও সিপাহী শরিফুল ইসলাম আহত হয়। আহতদের কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ১১জন জামায়ত কর্মীকে আটক করা হয়। বেশ কয়েকজন জামায়াত কর্মী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লস্কর জায়াদুল হক জানান, এ ঘটনায় উপপরিদর্শক হেকমত আলী বাদি হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা,১৯০৮ সালের বিষ্ফোরক দ্রব্য আইন ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রোববার থানায় একটি মামলা(৩নং) দায়ের করেছেন। মামলায় আটককৃত ১১জনসহ ৩০জন ও অজ্ঞাতনামা ১৫০জনকে আসামী করা হয়েছে। আটককৃতদের রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীর নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান রবিবার সকাল ১১টায় কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ একেএম জাফরুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক। রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক অলিউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সাতক্ষীরা জেলার কো-অডিনেটর ফারুক হোসেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ডাঃ মিলন কুমার ঘোষ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের ইংরেজী বিভাগে সহকারী প্রভাষক এবিএম আবেনুর রহমান। এসময় বক্তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশ গড়ায় নেতৃত্ব দেবে। এরাই হবে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার একমাত্র কারিগর। সঠিক শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণের সময়। পৃথিবীতে সব কিছুর ভাগ দেয়া সম্ভাব, কিন্তু শিক্ষার কোন ভাগ দিতে হয় না। শিক্ষার্থীদের একমাত্র বন্ধু হলো বই, আর এই বই এর সাথে সর্ম্পক না থাকলে কোন শিক্ষার্থী ভাল রেজাল্ট করতে পারবে না। কালিগঞ্জ উপজেলায় নারী শিক্ষার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তোমরা সুযোগ পেয়ে বোর্ডে মধ্যে সর্বউচ্চ রেজাল্ট করবে এটাই আমরা কামনা করি। নবীন বরণ অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষিকা, সাংবাদিক সুধিবৃন্দসহ প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে মানপত্র পাঠ করেন দ্বিতীয় বর্ষে ছাত্রী আফরোজা আঁখি। কোরআন তেলওয়াত করে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী রাবেয়া খাতুন, গীতাপাঠ করে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী শ্রবণী রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম: দেবহাটার নাংলা এলাকার বেড়িবাঁধে ভয়াবাহ ভাঙ্গনে ভয়ে আশংঙ্কায় প্রতিটা সময় পার করছে স্থানীয়রা। ইছামতি নদীর নাংলা, ছুটিপুর, খানজিয়াসহ আশপাশের গ্রামগুলোকে নদী ভাঙন আতঙ্গে প্রতিটা সময় পার করছে। অন্যদিকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীপাড়ে ব্লক বাঁধা অংশের নিচ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে তা বিক্রি করছে। এতে নদীভাঙন আতঙ্কে রয়েছে এলাকার জনসাধারণসহ আশপাশের ৮-১০ গ্রামের লোকজন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নাংলা থেকে ছুটিপুর পযন্ত প্রায় ১ কিলোমিটারের মধ্যে ইছামতির নদীর বেড়ি বাধের চারভাগের তিন অংশ ভেঙে গেছে। তাছাড়া নাংলা হতে খানজিয়া পর্যন্ত অসংখ্য জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে সারিবদ্ধভাবে ইঞ্জিনচালিত বড় বড় খননযন্ত্র ও নৌকা দিয়ে বালু তোলা হয়। বালু উত্তোলনকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না বলে স্থানীয়রা জানান। সাম্প্রতিক উক্ত এলাকার বেড়িবাঁধ ভাংতে বড় জোয়ার বা সামান্য বৃষ্টি হলেই বেড়িবাধ ভেঙে গ্রামে পানি প্রবেশ করবে। আর তাতে কয়েক কোটি টাকার সম্পদের পাশাপাশি শতার্ধীক পরিবার চরমবিপাকে পড়বে। প্রতিবছর ইছামতি নদীর বেড়িবাধ ভেঙে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মূখিন হচ্ছে সীমান্তপাড়ের মানুষেরা। এতে এলাকাবাসী চরমদূর্ভোগে পড়ে। একই সাথে এসব এলাকার মৎস্যঘের, ফসলি জমির ফসল, বসতবাড়ি, খামার প্লাবিত হলে লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ নদীর পানিতে ভেসে যাওয়ার আশংঙ্কা বিরাজ করেেছ। ইতোপূর্বে উক্ত এলাকায় বেড়িবাধে ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা দিয়ে নাম মাত্র বাধ রক্ষা করা হলেও তাতে কোন স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাই সীমান্ত পারের ভুক্তভোগেীরা আতঙ্কে সময় পার করছেন একই সাথে নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান হোক এমনটি দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : তালা উপজেলার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ দখল করে দেদারছে সবজিসহ বিভিন্ন ফসলাদি চাষাবাদ করে চলেছে ভূমিদস্যুরা। এক কালের প্রবল স্রোতসিনী নদ কপোতাক্ষ ছিল মৃত প্রায়। সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নদটি খনন করে বেড়িবাঁধের দু’পাশে খননের স্তুপকৃত মাটি রাখা হয়। সেখানে কতিপয় ভূমিদস্যুরা বেড়িবাঁধের মাটি সমান করে অবাধে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছে। অথচ প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কপোতাক্ষ খননের মাটি পাড় থেকে কমপক্ষে একশ’ ফুট দুরে ফেলতে হবে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা না করায় এবং নিয়ন্ত্রণ না রাখায় ভূমিদস্যূরা নদের পাড় অবৈধভাবে দখলের সুযোগ পাচ্ছে। তবে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন, কেউ কপোতাক্ষ দখল কিংবা নদের পাড় দখল করে চাষাবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালা উপ-শহরের বুকচিরে প্রবাহিত হয়েছে কবি মাইকেল মধুসুদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ। এককালে তালা পাটকেলঘাটা ও তার পার্শ্ববর্তী কপিলমুনি বাজার শুধুমাত্র কপোতাক্ষ নদের কারণে বাণিজ্যে সমৃদ্ধ ছিল। কোলকাতা থেকে সেকালে কপোতাক্ষ নদে জাহাজে করে মালপত্র আসতো সাতক্ষীরার তালা পাটকেলঘাটা ও কপিলমুনিসহ বিভিন্ন থানা শহরে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আস্তে আস্তে জনবসতি গড়ে ওঠে কপোতাক্ষের তীর ঘেঁষে। ব্যবসা বাণিজ্যে সমৃদ্ধ বৃহৎ গঞ্জ গড়ে ওঠে তালা পাটকেলঘাটা ও পাশ্ববর্তী কপিলমুনিতে। কিন্তু আজ সেই কপোতাক্ষ নদ হারিয়েছে তার জৌলুস।
সম্প্রতি নদটি খনন করার ফলে বেড়িবাঁধের দু’পাশে খননের স্তুপকৃত মাটির উপর কতিপয় ভূমিদস্যুরা বেড়িবাঁধের মাটি সমান করে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ফসলের আবাদ। নদীর পাড় ঘেঁষে সেখানে ঘিরে দখল করে অবাধে চলছে ধান, ভুট্টা ও বিভিন্ন রকমের ফসলের চাষ। কেউ বা আবার বাগান করেছে, কপোতাক্ষের পাড় থেকে শুরু করে মাঝখান পর্যন্ত বড় বড় ইমারত নির্মাণ করে দখল করে নিচ্ছে কপোতাক্ষ নদের জমি। দেখে মনে হচ্ছে এ যেন নদী দখলের মহোৎসব।
অনেকেই কপোতাক্ষ নদের পাড় কেটে মাটি ও নদী থেকে বালি উত্তোলন করছে ইচ্ছেমতো। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেনের ঝটিকা অভিযানে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও সম্প্রতি আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ভূমিদস্যূরা। তারা বিভিন্ন কৌশলে কপোতাক্ষ দখল করে নদটির সৌন্দর্য্য বিলীন করে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে সদ্য খননকৃত নদটি আবারও ভরাট হয়ে বর্ষা মৌসুমে নি¤œাঞ্চল প্ল¬াবিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা শহরের মেলাবাজার নামক স্থান থেকে কপোতাক্ষর পাড় দিয়ে একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলে নদের পাড় রক্ষার পাশাপাশি উপ-শহরের ভিতরের যানজট অনেকটা নিরসন হবে বলে এলাকাবাসীর দাবী। বেদখলমুক্ত হলে শিশুদের চিত্তবিনোদন কেন্দ্র হবে, হবে দর্শনীয় স্থান, অন্যদিকে কয়েক লাখ হেক্টর জমি, সরকারী সম্পদ বেদখল মুক্ত হবে, নদীর পাড়ে সামাজিক বনায়ন সৃষ্টি করে পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক হবে। তারা অবিলম্বে কপোতক্ষ নদের দু’পাড় থেকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে নদীর পাড় দখলমুক্ত করতে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট কপোতাক্ষ তীরবর্তী লাখো মানুষের দাবি, দখল মুক্ত করে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে নদটি রক্ষা পাবার পাশাপশি এলাকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest