সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

c55dd81f7861c9b97c74c823ba065e4e-5892b4040156aন্যাশনাল ডেস্ক : দেশের ১০টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের (দাখিল ও এসএসসি-ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে বৃহস্পতিবার (৪ মে)। এদিন সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। দুপুর ২টা থেকে শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট, মোবাইলের এসএমএস ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে ফল জানতে পারবে।
প্রসঙ্গত, গত ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২ মার্চ পর্যন্ত। এছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষা ৪ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হয় ১১ মার্চ। এ বছর ১০টি শিক্ষা বোর্ডের ৩ হাজার ২৩৬টি কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৩৪৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০১ জন ও ছাত্রী ৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১২ জন। নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৭ হাজার ১২৪ জন। এছাড়া অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৯৮ জন এবং বিশেষ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৯৮ জন।
গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯০ জন বেশি হওয়ায় বাড়ানো হয় ৯৩টি কেন্দ্র। এর মধ্যে দেশের বাইরে বিদেশের (জেদ্দা, রিয়াদ, ত্রিপোলি, দোহা, আবুধাবী, দুবাই, বাহরাইন এবং ওমানের সাহাম) ৪৪৬ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ছিল ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্র।
এ বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষা নামে দুটি নতুন বিষয় যুক্ত হয়। বাংলা দ্বিতীয়পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। এ ধরনের এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

jahanaraআজ ৩ মে, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৯২৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জাহানারা ইমাম। ছোটবেলায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পিতা আবদুল আলীর তত্ত্বাবধানে রক্ষণশীলতার বাইরে এসে আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ শুরু করেন তিনি।

জাহানারা ইমাম একাধারে একজন লেখিকা, শহীদ জননী, কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং একাত্তরের ঘাতক দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে এই প্রজন্মকে রুখে দাঁড়াবার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।

১৯২৯ সালের ৩ মে অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর স্বামী ইঞ্জিনিয়ার শরীফ ইমামও তাকে লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ১৯৪৫ সালে কলকাতার লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ থেকে তিনি বিএ পাস করেন। বিএড পাস করার পর তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে বাংলায় এমএ পাস করেন।

ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৫২ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। এর পর ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে তিনি আমেরিকা থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে ১৯৬৬ সালে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৬৮ সালে তা ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যোগ দেন।

তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি। মুক্তিযুদ্ধের এ দিনলিপি তিনি ১৯৮৬ সালে একাত্তরের দিনগুলি নামে প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক মর্মস্পর্শী এ বৃত্তান্ত জনমনে ব্যাপক সাড়া জাগায়। একাত্তরের দিনগুলি ছিলো একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মায়ের দৃঢ়তা আর আত্মত্যাগের অনন্য উদাহরণ।

একাত্তরে তাঁর বড় ছেলে শফি ইমাম রুমী মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং কয়েকটি সফল গেরিলা অপারেশনের পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন এবং পরবর্তীতে নির্মমভাবে শহীদ হন। বাংলাদেশ স্বাধীন হলে রুমীর বন্ধুরা রুমীর মা জাহানারা ইমামকে সকল মুক্তিযোদ্ধার মা হিসেবে বরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে ছেলে রুমীর আত্মত্যাগ এবং নিজের অবদানের কারণে সবার কাছে আখ্যায়িত হন শহীদ জননী হিসেবে।

১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামী তাদের দলের আমীর ঘোষণা করলে নাগরিক আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি দেশের ১০১ জন বরেণ্যব্যক্তিদের একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয় জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। এই কমিটি ১৯৯২ সালে ২৬ মার্চ ’গণআদালত’ এর মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাত্তরের নরঘাতক গোলাম আযমের ঐতিহাসিক বিচার অনুষ্ঠান করে।

মৃত্যুর আগে জাহানারা ইমাম মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির কার্যক্রমে উৎসাহ দিয়ে এসেছেন। ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েট শহরের হাসপাতালে তিনি মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Misbah-ul-haqueএই নিয়ে দ্বিতীয়বার যন্ত্রণায় পড়লেন পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কিংস্টনের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন সঙ্গীর অভাবে। ক্রিকেট-জীবনের শেষ টেস্ট সিরিজে এসে ব্রিজটাউনে আরও একটি ৯৯ রানের আক্ষেপ-যন্ত্রণা সঙ্গী তার। এবার অপরাজিত নন, ৯৯ রানেই আউট হয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

টেস্ট ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনবার ৯৯ রানে আউট হলেন মিসবাহ। তার এক রানের আক্ষেপ ও আজহার আলীর শতরানে ভর করে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ৩৯৩ রানে অলআউট হয়েছে। লিড পেয়েছে ৮১ রানের। মিসবাহকে ৯৯ রানে আউট করে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে দিন শেষে লিডটাকে নামিয়ে এনেছে ৪১ রানে। কাইরন পাওয়েলের উইকেট হারিয়ে ৪০ রান তুলেছে ক্যারিবীয়রা। প্রথম ইনিংসে ৩১২ রানে অলআউট হয়েছিল হোল্ডার বাহিনী।

আহমেদ শেহজাদ ও আজহার আলী শুরুতে ১৫৫ রান তোলার পর মাত্র ৬ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে আজহার-মিসবাহর ৮১ রানের জুটিই সেই ধাক্কা সামলে উঠতে সাহায্য করে।

দলীয় সংগ্রহটা ১৫৫ থেকে ১৬১ পর্যন্ত যেতে ফিরে যান শেহজাদ, বাবর আজম ও ইউনিস খান। বিপর্যয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে দলকে টেনে নেন আজহার ও মিসবাহ। ২৭৮ বল খেলে ৯ চারে ১০৫ রান করেন আজহার। মিসবাহর ৯৯ রানের ইনিংসটি ছিল ২০১ বলে, ৯টি চার ও ২টি ছক্কায়।

দলের ২৫৯ রানের মাথায় আউট হন আজহার। মিসবাহ ফেরেন ৩১৬ রানের মাথায়। মিসবাহর আউটের সঙ্গে সঙ্গে আরও একটি বিপর্যয় সঙ্গী হয় পাকিস্তানের। ৩ উইকেটে ৩১৬ থেকে ৭ উইকেটে ৩২৯ রানে পরিণত হয় সফরকারীরা।

শেষদিকে ইয়াসির শাহর ২৪, শাদাব খানের ১৬ আর মোহাম্মদ আমিরের ১০ রানে পাকিস্তানের সংগ্রহটা চারশর কাছাকাছি পৌঁছায়।

৮১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার ছিলেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। জেসন হোল্ডার ও দেবেন্দ্র বিশু ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_2038676000_1493794213.jpg.pagespeed.ic.DFSL23aPWRবুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৭ জেলার ১০ উপজেলায় ১১টি গুচ্ছগ্রাম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব গুচ্ছগ্রামে ৩৯০ পরিবার আশ্রয় পাবে।। এসময় তিনি বলেন, ‘২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি পালন করবো। আমি চাই এর আগেই যেন বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহীন না থাকে। এই সময়ের মধ্যেই আমরা প্রতিটি ঘরে আলো জ্বালবো, বিদ্যুৎ দেবো।’

বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে গৃহহারা, ভূমিহারা মানুষকে অন্ততপক্ষে একটা ঠিকানা আমরা করে দিতে পারলাম। এতে আমি আনন্দিত। আমাদের সীমিত শক্তি দিয়ে যতটুকু দিতে পেরেছি তা দিয়ে আপনারা জীবন-জীবিকটা ভালোভাবে নির্বাহ করবেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষের মৌলিক চাহিদার প্রথমটাই হচ্ছে বাসস্থান। থাকার জায়গা হলে মানুষ তার জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করতে পারে। বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না। প্রতিটি মানুষের একটা ঠিকানা আমরা করে দেবো। এই লক্ষ্য নিয়েই আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলেই এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়।’

তিনি বলেন, ‘যে আমানত আজ আপনাদের হাতে তুলে দিলাম এটাকে নিজের ভাগ্য গড়ার কাজে ব্যবহার করবেন। এটা কোনোভাবেই যেন খিয়ানত না হয় সে দিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন। আস্তে আস্তে আপনাদের জীবনমান উন্নত হবে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ দেশ হবে। বাংলার মাটিতে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের স্থান হবে না। আমাদের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া শিখবে, উচ্চশিক্ষিত হবে। দেশে-বিদেশে তারা কাজ করবে। নিজের পায়ের দাঁড়াবে। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সকল প্রকার সেনেটারি পণ্যের বিপুল সমাহার এবং সুলভ মূল্যের নিশ্চয়তা দিতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে শুভ উদ্বোধন করা হলো সাতক্ষীরা সেনেটারী।
বুধবার সকালে শহরের ইটাগাছা সিএমবি মসজিদ সংলগ্ন ‘সাতক্ষীরা সেনেটারী’র সত্বাধিকারী সৈয়দ শাহিনুর আলীর পিতা আলহাজ্ব সৈয়দ মোয়াজ্জেত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, সিনিয়র সহ সভাপতি এনছান বাহার বুলবুল, মনিরুজ্জামান মুকুল, তাহমিদ আহমেদ চয়ন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মশিউর রহমান বাবু, দ্বীনবন্ধু মিত্র, সোনালী ব্যাংক কামালনগর শাখার ম্যানেজার জেসমিন আক্তার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এবিএম আব্দুল মোমীন, উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাদুল হক, মো. আমজাদ হোসেন, ওবায়দুর রহমান লাল্টু, আলিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ছোট, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক কাজী কামরুজ্জামান মুকুল, মনিরুল ইসলাম মিনি, আবুল বাশার পিয়ারসহ সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের কর্মকর্তা এবং ঢাকা, খুলনা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, সাতক্ষীরা সেনেটারীতে সকল প্রকার সেনেটারি দ্রবাদি, আর.সি.সি, পি.ভি.সি এবং জি.আই পাইপ, গেসটাইলস, ওয়াটার ফিল্টার ও পানির মটর সুলভ মূল্যে বিক্রয় করা হবে। উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কামালনগর সিএসবি জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলাদেশ তাঁতীলীগ, সাতক্ষীরা পৌর শাখা ৭নং ওয়ার্ড কমিটি আংশিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পৌর তাঁতীলীগের সভাপতি মো. সুনজুর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. ক্যাপ্টেন হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ৭নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের আংশিক কমিটি’র সভাপতি আহম্মাদ আলী, সহ সভাপতি আবুল হাসান কালু, গালিব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব গাজী, যুগ্ম সম্পাদক খতিবুর রহমান হিরা, তরিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর গাজী, দপ্তর সম্পাদক আক্তারুল ইসলাম মুন্না, প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান, অর্থ সম্পাদক আল আমিন গাজী, ক্রীড়া সম্পাদক সজিব গাজীসহ ২১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01আসাদুজ্জামান ঃ সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কালিরখাল এলাকা থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা ৫১ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করেছে। এ সময় সেখান থেকে দুটি নৌকা, দুটি দা, একটি চাকু ও ১২ টি পটকা বাজি উদ্ধার করা হয়। তবে, এ সময় কোন হরিণ শিকারিকে আটক করতে পারেননি কোষ্টগার্ড সদস্যরা। বুধবার ভোরে সুন্দরবনের কালিরখাল নামকস্থান থেকে এগুলো জব্দ করা হয়।
আংটিহার কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার হামিদুর রহামান জানান, সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের গহীনে হরিণ শিকারিরা হরিণ শিকার করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিরখাল নামকস্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫১ কেজি হরিণের মাংসসহ উক্ত মালামাল গুলো জব্দ করা হয়। তিনি আরো জানান, কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে হরিণ শিকারিরা এ সময় পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

642ad4347b016ff5d23980934886c244-5908d508d19f1করপোরেট সাংবাদিকতা, বিজ্ঞাপন, কর্তৃপক্ষের স্বার্থরক্ষার সাংবাদিকতার বাইরে মুক্ত সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ধরে রাখার প্রচেষ্টায় বুধবার (৩ মে) বিশ্বব্যাপী পালন করা হবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ক্রান্তিকালে সমালোচকের দৃষ্টি: শান্তিপূর্ণ, ন্যায়নিষ্ঠ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’।

১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশে জাতিসংঘ ১৯৯৩ সাল থেকে এ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করলেও গণমাধ্যম কতটা মুক্ত তা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের সমাধান হয়নি আজও। গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা বলছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাস্তবায়ন এখনকার সময়ে আর পুরোটা সম্ভব নয়।’

প্রসঙ্গত, রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবিতে গত ২৬ জানুয়ারি হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পিকেটারদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে থাকা এটিএন নিউজের প্রতিবেদক এহসান বিন দিদার ও ক্যামেরা পারসন আব্দুল আলীমকে দুপুরের দিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে মারধর করে পুলিশ। কেবল এ ঘটনাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক নাজমুলকে আটক করে একের পর এক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান আর্টিকেল-১৯-এর ‘ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন ইন বাংলাদেশ-২০১৪’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও আক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে সাংবাদিক নির্যাতনের হার ছিল ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে ২০১৪ সালে এই হার হয়েছে ৩৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এর প্রায় ২৩ শতাংশ নির্যাতনই হয়েছে পুলিশ, র্যা ব ও গোয়েন্দাদের হাতে।

এদিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশেও বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশে এমন এক সময়ে এবার মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হচ্ছে যখন তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার শঙ্কায় কী লেখা যাবে আর কী লেখা যাবে না তা সমাধান হয়নি। নতুন এই আইনটি অনলাইন সাংবাদিকতার জন্য কতটা হুমকি বা কতটা নিরাপদ সেই আলাপের মধ্যে সময় কাটছে। অভিযোগ আছে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিও।

যদিও তথ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, সার্বিকভাবে গত আট বছরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সুবিশাল কর্মযজ্ঞে দেশে গণমাধ্যমের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছে এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। পিআইডি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গণমাধ্যমের উন্নয়নে এ সময়ে নতুন ১৬৪৭টি পত্রিকা নিবন্ধিত হয়েছে; বেসরকারি খাতে নতুন ৩৬টি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদনসহ ২৪টি এফএম রেডিও এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিওকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও ষান্মাষিক মিলে মোট পত্রিকার সংখ্যা ২৮৫৫টি। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র নিয়ে সরকারি ৪টি ও অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪৪টি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের মধ্যে ২৬টি সম্প্রচাররত; পাশাপাশি সম্প্রচারিত হচ্ছে ২১টি এফএম রেডিও ও ১৭টি কমিউনিটি রেডিও। এছাড়া সংবাদপত্রকে ঘোষণা করা হয়েছে শিল্প হিসেবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ পিআইডি প্রতিবেদনের মাধ্যমে বলেন, ‘দেশের উন্নয়নকে টেকসই, গতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক করতে অবাধ তথ্যপ্রবাহের কোনও বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের এই অন্যতম মূলমন্ত্র বাস্তবায়নে কাজ করছে তথ্য মন্ত্রণালয়। উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় সেই কাজেরই অংশ।’

সরকারকেই স্বাধীন গণমাধ্যম তৈরির পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তার মতে, এটা সরকারের দায়িত্ব। কারণ এর কাঠামোগত ক্ষমতা সরকারের কাছেই আছে। মঙ্গলবার (২ মে) টিআইবি’র মেঘমালা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘এসডিজি-১৬ ও সুশাসন: সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণ’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘গণমাধ্যম আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক, দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান কাঠামো তৈরি করা আছে যেখানে গণমাধ্যমের ওপর ক্রমাগতভাবে চাপ বাড়ছে। এটা নিঃসন্দেহে গণমাধ্যমে স্বাধীনতা বিকাশের অন্তরায়। এই চাপের কারণে অনেকের মাঝে স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ বিরাজ করছে। সুষ্ঠু সাংবাদিকতা করার চেষ্টা রয়েছে এমন অনেকের মধ্যেও এর প্রভাব দেখা যায়।’

এদিকে করপোরেট যুগে সাংবাদিকতা কতটা মুক্ত, এমন প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন তুলনামুলক মুক্ত। তবে পরিপূর্ণ মুক্ত হতে পারেনি। সংকটের জায়গা হলো, গণমাধ্যম মুক্ত নয়। এর কারণ বিভিন্ন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির হাতে গণমাধ্যমের চলে যাওয়া। মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড স্বাধীন হতে হবে যেমন, তেমনই যারা গণমাধ্যমের সঙ্গে আছে তাদের পেশা ও জীবনের নিরাপত্তা থাকতে হবে যা এখনও অর্জিত হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest